Blog

  • সৌদি আরবে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন জেমস

    সৌদি আরবে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন জেমস

    জনপ্রিয় রক ব্যান্ড নগরবাউল মানেই জেমস। সবসময়ই কাজের বেশ ব্যস্ততায় থাকেন এই গুণী শিল্পী। দেশ ছাড়াও বিদেশেও কনসার্ট মাতান তিনি। সুখবর হলো এই প্রথমবারের মতো সৌদি আরবে কনসার্ট করবেন জেমস।

    আগামী ২২ নভেম্বর সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রাজধানী রিয়াদে যাচ্ছে জেমস। সেখানে একটি কনসার্টের আয়োজন করবে জেমস ভক্তরা। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছে নগরবাউল ব্যান্ডের ব্যবস্থাপক রুবাইয়াৎ ঠাকুর।

    এ বিষয়ে ঠাকুর বলেন, ‘২২ নভেম্বর সৌদি সরকারের আমন্ত্রণে রিয়াদে যাচ্ছে নগরবাউল। সেখানে একটি অনুষ্ঠানে গান গাইবেন জেমস।

    এর আগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনসার্ট করলেও সৌদিতে এটি আমাদের প্রথম সফর। এখানে দর্শকরা বিনামূল্যে গান শুনতে পারবেন। কনসার্ট করতে আগামী ২০ নভেম্বর দেশ ছাড়বে দলটি।”

    এছাড়াও জানা যায়, ২২ নভেম্বর রিয়াদের আল-সুওয়াইদি পার্কে গান শোনাবেন নগরবাউল। আয়োজনটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাংলাদেশ কালচার’, এটি সৌদি সরকারের আয়োজন রিয়াদ সিজনের অংশ।

  • এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে টাকা আদায় করবে ইসলামী ব্যাংক

    এস আলমের শেয়ার বিক্রি করে টাকা আদায় করবে ইসলামী ব্যাংক

    ইসলামী ব্যাংক পিএলসির যেসব শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে, সেগুলো বিক্রির পরিকল্পনা করছে ইসলামী ব্যাংক। এই শেয়ার বিক্রি করে ১০ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে চায় ব্যাংকটি।  এই শেয়ারগুলোর বেশিরভাগ ছিল বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন।

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংকের  চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ এ তথ্য জানান। তিনি জানান, পাচার করা টাকা পুনরুদ্ধার কৌশলের অংশ হিসেবে এসব শেয়ার বিক্রি করা হবে।

    ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বিনিয়োগ ও আমানতের মধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার ব্যবধান রয়েছে। এস আলম গ্রুপের শেয়ার বিক্রি এবং নতুন শেয়ার ইস্যু করে এই ঘাটতি কমানো হবে।

    এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন শেয়ারের ফেস ভ্যালু (অভিহিত মূল্য) ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতিটি শেয়ারের দাম ৬০ টাকা হিসেবে এওবস শেয়ারের বর্তমান মোট বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

    বাকি ১০ হাজার কোটি টাকা নতুন শেয়ার ইস্যু করে সংগ্রহ করা হবে বলে জানান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ।

    তিনি আরও বলেন, ব্যাংকটি আইএফসি ও সৌদি আরবের বিনিয়োগকারী আল রাজি গ্রুপের মতো পুরনো বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। জানুয়ারি মাসের মধ্যে তাদেরকে আবার বিনিয়োগ করতে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, আগের বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ফিরে এলে ইসলামী ব্যাংকের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে।

  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পারবেন করদাতারা। রবিবার (১৭ নভেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্ধারিত ছিল ৩০ নভেম্বর। ব্যবসায়ী ও করদাতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সময় বাড়ানো হয়েছে।

    গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের জন্য কোম্পানি ছাড়া সব শ্রেণীর করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ছিল আগামী ৩০ নভেম্বর। আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পেশার করদাতাদের পক্ষ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়। করদাতাদের সুবিধার্থে কোম্পানি ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে ই-রিটার্ন ও অফলাইনে কাগজের রিটার্ন দাখিল উভয় ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি আদেশ জারী করেছে। আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির ফলে অনলাইন ও অফলাইন উভয় প্রকার রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোম্পানি ছাড়া সব করদাতার জন্য জরিমানা ছাড়া রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অবস্থিত সব সরকারি কর্মচারী, সারা দেশের সব তফশিলি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সারা দেশের সব মোবাইল টেলিকম সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ওই আদেশে উল্লিখিত বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    ইতোমধ্যে ৩ লাখ ৭৫ হাজার করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। এ বছর করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের অভিজ্ঞতা ঝঞ্জাটমুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

  • দেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

    দেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: বস্ত্র ও পাট উপদেষ্টা

    ‘মিলগুলো অনেকদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল। মিলগুলো লিজ দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। দেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রয়োজন আছে। এতে দেশের টাকা দেশে থাকবে। অনেকে টাকা দেশের বাইরে নিয়ে গেছে। তাতে দেশের উপকার হয়নি। বর্তমানে দেশে দুর্নীতি, ঘুষ নেই। তাতে বিনিয়োগের জন্য অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’

    রবিবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২টি টেক্সটাইল মিলের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা বলেন।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দেশে বর্তমানে চাহিদার সাথে পাটের দাম বেড়েছে। পাট চাষীরা আগামী সিজনে পাটের দাম আরও পাবেন। পাটকে “গোল্ডেন ফাইবার অফ বাংলাদেশ” নামে জিআই করা হবে।’

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ভালিকা উলেন মিলস এবং সিলেটের সিলেট টেক্সটাইল মিলস লি. বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশনের (বিটিএমসি) সাথে যথাক্রমে লয়েল টেক্স লিঃ এবং ফাস্ট আইকন লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ২টি টেক্সটাইল মিলের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

    বিনিয়োগের আশাবাদ ব্যক্ত করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আব্দুর রউফ বলেন, ‘বর্তমানে পিপিপি এবং লীজের মাধ্যমে পরে থাকা মিলগুলো পূনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। লীজ পদ্ধতি সহজ ও দ্রুত হয়ে থাকে।’

    অনুষ্ঠানে বিটিএমসি’র চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ জিয়াউল হক স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুব্রত শিকদার, আরিফুর রহমান খান, যুগ্মসচিব ড. আমিনুল ইসলামসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় লয়েল টেক্স লিঃ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা মো: জমশেদ আলী এবং ফাস্ট আইকন লি. চেয়ারম্যান মো: ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী চুক্তি স্বাক্ষরের প্রতিক্রিয়ায় মিল দুটিতে কর্মসংস্থান তৈরি হবে ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন।

  • ২৮ সাংবাদিকের ব্যাংক লেনদেনের খোঁজ নিচ্ছে বিএফআইইউ

    ২৮ সাংবাদিকের ব্যাংক লেনদেনের খোঁজ নিচ্ছে বিএফআইইউ

    দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ২৮ জন সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) তাদের বিষয়ে তথ্য চেয়ে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    বিএফআইইউ ব্যাংকগুলোকে চিঠি দিয়ে যে সব সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে, সেই তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিএফআইইউর কর্মকর্তারা বলছেন, গণমাধ্যমে প্রচারিত ও  প্রকাশিত তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনেকের লেনদেনের খোঁজ নেওয়া হয়। একইভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো তালিকাকেও আমলে নেওয়া হয়।

    তালিকায় থাকা সাংবাদিকেরা হলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, ডিবিসি নিউজের হেড অব নিউজ জায়েদুল হাসান পিন্টু, এবিনিউজ২৪ ডটকমের প্রধান সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, এটিএনের জ ই মামুন, বাংলা ইনসাইডারের সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিটি এডিটর মির্জা মেহেদী তমাল ও চিফ রিপোর্টার জুলকারনাইন রনো, সমকালের সম্পাদক আলমগীর হোসেন, বাসসের মধুসূদন মণ্ডল, ডিবিসির মাসুদ আইয়ুব কার্জন, আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক মইনুল ইসলাম, সাংবাদিক ফরাজী আজমল হোসেন, বৈশাখী টিভির অশোক চৌধুরী ও ইডির এক্সিকিউটিভ এডিটর রাহুল রাহা।

    এ তালিকায় আরও আছেন, ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ডেপুটি চিফ নিউজ এডিটর আশিকুর রহমান শ্রাবণ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি (সাবেক) আবদুল্লাহ আল মামুন, স্বদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রতন, দৈনিক মুখপাত্রের সম্পাদক শেখ জামাল হোসেন, ডিবিসি নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি আদিত্য আরাফাত, এটিএন নিউজের বিশেষ প্রতিনিধি তাওহিদুল ইসলাম সৌরভ, যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি শেখ মামুনুর রশীদ, সাংবাদিক শ্যামল সরকার, দৈনিক ইত্তেফাকের নগর সম্পাদক আবুল খায়ের এবং দৈনিক কালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক সন্তোষ শর্মা।

    বিএফআইইউ তালিকা থাকা সাংবাদিকদের নামে কোনও ব্যাংকের লকার, সঞ্চয়পত্র, ক্রেডিট কার্ডসহ অন্যান্য কোনও আর্থিক উপকরণ রয়েছে কি না বা টাকাপয়সার লেনদেন হয়েছে কি না, এসব তথ্য জানতে চেয়েছে।

  • ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানি: গ্রাহক পর্যায়ে সুবিধা মিলবে?

    ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানি: গ্রাহক পর্যায়ে সুবিধা মিলবে?

    ভারতের পর নেপাল থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়েছে। নেপাল থেকে যে বিদ্যুৎ আনা হচ্ছে তা প্রতি ইউনিটের দাম ৬ দশমিক ৪ সেন্ট, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকা। কিন্তু জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি খরচ শূন্য হওয়ায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ পড়ে ৩০ পয়সা থেকে ১ টাকার মধ্যে। কিন্তু সেই বিদ্যুৎই নেপাল থেকে সাড়ে ৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানিতে বুঝে-শুনে এগোনো উচিত।

    নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির প্রতিক্রিয়ায় এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন তারা। তাদের মতে, ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানির ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতের পর নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে সফল হয়েছে বাংলাদেশ। উপমহাদেশে বাংলাদেশই প্রথম কোনও দেশ— যারা একসঙ্গে ভারত এবং নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এই নীতি অনুসরণ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে পরস্পর সহযোগী হলে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান হতে পারে। তবে এসব ক্ষেত্রে রাষ্টগুলোর পরস্পর সহযোগী মনোভাব প্রয়োজন।

    শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) নেপাল থেকে ভারতীয় গ্রিড লাইন দিয়ে বাংলাদেশে ১৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ প্রবেশ করেছে। পরীক্ষামূলকভাবে এদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে নেপাল। দেশটি থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি করা হয়েছিল। তবে পরীক্ষামূলকভাবে প্রতি ঘণ্টায় ৩৮ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে এসেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিডিবির এক কর্মকর্তা জানান, নেপাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর বিষয়টি ছিল পরীক্ষামূলক। সব কিছু ঠিক আছে কিনা, যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে সহসাই বাণিজ্যিক সরবরাহ শুরু করবে নেপাল।

    ভারতের সঙ্গে নেপালের গ্রিড লাইন রয়েছে। সেই লাইন দিয়ে বিদ্যুৎ ভারতে প্রবেশ করছে। সেখান থেকে ভারতীয় গ্রিড লাইন ব্যবহার করে ভেড়ামারা দিয়ে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

    ত্রিদেশীয় বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন— জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘এর আগে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানি আমাদের সঙ্গে একপক্ষীয় চুক্তি করেছে। এই চুক্তিগুলোতে আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি। নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎও বাড়তি দামে কেনা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে কমদামে বিদ্যুৎ দেওয়ার যে চিন্তা, তা এই চুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হবে না।’

    জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, ‘আমি বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখি। আমাদের দেশে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে; যেগুলো অলস পড়ে আছে। সেখানে কেন আমাদের অন্য একটি দেশ থেকে এত অল্প পরিমাণ বিদ্যুৎ আমদানি করতে হবে?’

    তিনি বলেন, ‘সরাসরি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হলে আমাদের জন্য লাভজনক হতো। কিন্তু ভারত হয়ে বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসায় সেখানে আমাদের বিরাট অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে।’ ফলে বিষয়গুলো বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, নেপাল এবং ভুটানে প্রায় ১ লাখ মেগাওয়াট জলবিদ্যুতের উৎস রয়েছে। এসব উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে প্রতিবেশীরা ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু ভারত তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তৃতীয় কোনও দেশকে গ্রিড লাইন নির্মাণ করতে দিতে চায় না। এ বিষয়ে আগে আইন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল দেশটির সরকার। বর্তমানে আইনটি বাতিল করা হলেও তাদের অবস্থান একই রয়েছে। ভারত তাদের দেশের কোনও কোম্পানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ আমদানির কাজ করে দিতে চায়। সরাসরি বিদ্যুৎ আমদানি করলে যে সুবিধা পাওয়া যেতো ভারতীয় কোম্পানির মাধ্যমে আসলে তা পাওয়া সম্ভব না।

    সম্প্রতি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারে দক্ষিণ এশিয়াতে একটি কমন গ্রিডলাইন নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

  • জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৩৭ সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত

    জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৩৭ সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত

    জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণহত্যায় উসকানি দেওয়া এবং পতিত সরকারের দোসর হিসেবে কাজ করার দায়ে ৩৭ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

    সোমবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ বিষয়টি জানানো হয়। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সদস্যপদ স্থগিত হওয়াদের মধ্যে আছেন— নূরুল আমিন প্রভাষ, জায়েদুল আহসান পিন্টু, মোজাম্মেল বাবু, আশীষ সৈকত, ইকবাল সোবহান চৌধুরী, সোহেল হায়দার চৌধুরী, ফারজানা রূপা, অশোক চৌধুরী, আজমল হক হেলাল, আবুল খায়ের, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রণব সাহা, নঈম নিজাম, খায়রুল আলম, আবেদ খান, সুভাষ চন্দ বাদল, জহিরুল ইসলাম মামুন (জ.ই মামুন), জাফর ওয়াজেদ, সাইফুল ইসলাম কল্লোল, পাভেল রহমান, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, শাবান মাহমুদ, মুহম্মদ শফিকুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, শ্যামল সরকার, অজয় দাশগুপ্ত, আলমগীর হোসেন, রমাপ্রসাদ সরকার বাবু, সঞ্জয় সাহা পিয়াল, ফারাজী আজমল হোসেন, আনিসুর রহমান, এনামুল হক চৌধুরী, নাঈমুল ইসলাম খান, মো. আশরাফ আলী, মোল্লা জালাল, ইখতিয়ার উদ্দিন এবং আবু জাফর সূর্য।

  • ‘পুলিশ ভেরিফিকেশনে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখার সুপারিশ থাকবে’

    ‘পুলিশ ভেরিফিকেশনে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখার সুপারিশ থাকবে’

    পুলিশ ভেরিফিকেশনে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখার সুপারিশ করবে পুলিশ সংস্কার কমিশন। সোমবার (১৮ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক শেষে সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, গত অক্টোবর মাসের ৬ তারিখ থেকে কাজ শুরু করেছি। আমরা মোটামুটি কাজের মাঝামাঝি পর্যায়ে চলে এসেছি। প্রাথমিকভাবে আলোচনা করে একটা খসড়া তৈরি করেছি। কী ধরনের বিষয়গুলো আমাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে যাবে— এর মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে স্বল্প সময়ে বাস্তবায়নযোগ্য কিছু বিষয় আছে। কিছু বিষয় দীর্ঘ সময় লাগবে। কিছু ক্ষেত্রে অর্থের বিষয়টি জড়িত আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সরকারের আইন ও বিধিবিধান পাল্টাতে হবে। সেগুলো আমরা সুপারিশ করছি।

    কমিশন প্রধান বলেন, একটি বিষয়ে সবাই প্রাথমিকভাবে একমত হয়েছেন যে বাংলাদেশে সরকারি, বেসরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য সবারই পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে হয়। এই ভেরিফিকেশনের যে পদ্ধতি এটা ১৯২৮ সালের। দীর্ঘদিন ধরে এটা চলে আসছে। যে কারণে অনেক চাকরিপ্রার্থী বাদ পড়ে যায়। আরেকটি বিষয় ছিল চাকরিপ্রার্থীর আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে কেউ রাজনীতি করে কিনা। রাষ্ট্রবিরোধী কেউ আছে কিনা। এটা ব্রিটিশরা করেছিল। বিগত বছরগুলোতে বিশেষ করে সম্প্রতি এমন অভিযোগ এসেছে, রাজনৈতিক কারণে এবং আত্মীয়-স্বজন রাজনীতি করেন, সরকারি দল করেন না। এমনকি খালা, খালু, ফুফা সরকারি দলের বিপরীতে রাজনীতি করেন। এমন অনেকের ক্ষেত্রেই এসব যুক্তি দেখিয়ে তাদের চাকরি দেওয়া হয়নি। পুলিশ সংস্কার কমিশন এসব বিষয় বাদ দিতে চায়। আরেকটা নিয়ম আছে, স্থায়ী ঠিকানায় আমার নামে সম্পত্তি আছে কিনা। এটাও নাকি চাকরির ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হতো। আমরা এটাও চাই না। আমরা বলেছি, প্রথম ডকুমেন্ট হচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র। সরকার এটা আইনের মাধ্যমেই একজন নাগরিককে দিয়েছে। এটার ভিত্তিতেই ঠিক করতে হবে।

    সফর রাজ হোসেন বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া তো কেউ চাকরি পাওয়ার কথাও নয়। ১৮ বছর পর জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার কথা। এটা দেওয়ার সময়েই সবকিছু তদন্ত করার কথা। অনেকে বলেন, অনেক চাকরি আছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেন তদন্ত করতে হবে। কোনও চাকরিকেই গুরুত্বপূর্ণ নয় এটা বলা যাবে না। সব চাকরিই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একজন ভুয়া লোক নাম-ঠিকানা পাল্টিয়ে যদি চাকরিতে ঢুকে, পরবর্তীকালে যদি দুর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িত হয়ে যায়, সব বিষয় নিয়েই আমরা আলোচনা করেছি। মানুষের হয়রানি যাতে কমে। ভেরিফিকেশন হবে, সবই হবে। তবে রাজনৈতিক পরিচয়গুলোর বিষয় বাদ দেওয়া হবে।

    পুলিশ আইনের বিষয়ে বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। আরেকটা বিষয় হলো যে আইনে পুলিশ রিমান্ডে নেয়। এ দুটো বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও নিতে পারে না। এটার মালিক আইন মন্ত্রণালয়। এসব নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলাও আছে। এসব আইন ব্যবহারে সরকারের অনেক পরামর্শ মেনে চলতে হবে বলে উচ্চ আদালত থেকে বলা হয়েছে। পরে আবার সরকার অ্যাপিলেট ডিভিশনে যায়। এটা পুলিশ রেগুলেশনে ঢোকানোর পরামর্শ থাকবে আমাদের। পুলিশ গ্রেফতার করবে, ঠিক আছে। কিন্তু কিছু নিয়ম কানুন মানতে হবে। হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী করতে হবে। কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে হলে তার স্বজনদের জানাতে হবে। যেমন- আন্দোলনের সময় ছয় জন শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ডিবিতে রাখা হয়েছিল। কাউকে কিছু জানানো হয়নি। রিমান্ডে নির্যাতনের তো কোনও নিয়মই নাই। আইনেই নাই।

  • শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে এক মাসে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

    শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে এক মাসে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আজ সকালে, ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন এবং ১৩ আসামিকে আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    জুলাই-আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সোমবার আওয়ামী লীগের ১৩ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি জানতেই তাদের আজ আদালতে হাজির করা হয়েছে। সেখানেই আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে।

    সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে আজ (১৮ নভেম্বর) আদালতে নেওয়া হয়। ছবি: রাজীব ধর

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আজ সকালে, ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন এবং ১৩ আসামিকে আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনিকে আজ (১৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেনেওয়া হয়। ছবি: রাজিব ধর

    ১৩ আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী ফারুক খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ড. সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী ড. এবং পাট গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানকে আজ (১৮ নভেম্বর) আদালতে নেওয়া হয়। ছবি: রাজীব ধর

    ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম জানান, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ সকাল ১০টার দিকে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। অন্যান্য মামলায় আসামিরা এখন কারাগারে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে আজ (১৮ নভেম্বর) আদালতে নেওয়া হয়। ছবি: রাজীব ধর

    সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক আরেকটি মামলায় পুলিশ রিমান্ডে থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।

    এই প্রথম ৪৬ আসামির মধ্যে কাউকে ট্রাইব্যুনালে আনা হলো। একসঙ্গে এত “ভিআইপি আসামি”র উপস্থিতির কারণে আজ সকাল থেকে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    র‌্যাব ও পুলিশসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

    সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আজ (১৮ নভেম্বর) আদালতে নেওয়া হয়। ছবি: রাজীব ধর

    এর আগে, ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগ সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলায় ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

  • সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যা: পুলিশ কনস্টেবল ৫ দিনের রিমান্ডে

    সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যা: পুলিশ কনস্টেবল ৫ দিনের রিমান্ডে

    সিলেটে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যামামলায় এক পুলিশ কনস্টেবলের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    তার নাম উজ্জ্বল সিনহা। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত ছিলেন।

    আজ সোমবার দুপুরে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্দুল মোমেন তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    এর আগে গতকাল রোববার (১৭ নভেম্বর) রাতে ঢাকা থেকে উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ মামলায় আসামিদের মধ্যে তিনিই প্রথম গ্রেপ্তার হলেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক মোহাম্মদ মোরসালিন বলেন, উজ্জল সিনহাকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চাইলে আদালত পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই সিলেট নগরের বন্দরবাজারে গুলিতে আহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ওইদিনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তুরাব দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও স্থানীয় একটি দৈনিকের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    এ ঘটনায় ১৯ আগস্ট সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন নিহতের ভাই আবুল হোসেন মোহাম্মদ আজরফ।