Blog

  • সব ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    সব ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    ফ্যাসিবাদবিরোধী সব ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ে আগামী এক সপ্তাহ ‘জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ’ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন ঠেকাতে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে চলমান অস্থিরতা নিরসনের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো।

    সোমবার রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জরুরি বৈঠক করে সব ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে। বৈঠক শেষে এই ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।

    তিনি বলেন, আমরা গত কয়েক দিন ধরে দেখছি আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের পুনর্বাসনে নানান ষড়যন্ত্র চলছে। এমনকি একইসময়ে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলন শুরু হয়েছে। ছাত্র পরিচয়ে লুঙ্গি পরা ব্যক্তিরাও এসে শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে, যাদেরকে যে কেউ দেখলেই বুঝতে সক্ষম তারা কারা। আমরা দেখেছি রিকশাচালকদের আন্দোলনেও ছাত্রলীগ উসকানি দিয়েছে এবং সহিংস পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করেছে। তাই আজ আমরা সব ছাত্রসংগঠন একমত হয়েছি যে, আগামী এক সপ্তাহ আমরা ‘জাতীয় ছাত্র সংহতি সপ্তাহ’ পালন করব।

    হাসনাত বলেন, গত ১৬ বছরের দুঃশাসনে আওয়ামী লীগ টাকা পাচার করে দেশের ব্যাংকগুলোকে খালি করেছে। আপনারা জানেন একজন এমপিরও বিদেশে ৩ শতাধিক বাড়ি রয়েছে। আমরা আজকের বৈঠকে সবাই ঐকমত্য হয়েছি যে, দ্রুততম সময়ে সেসব এমপি-মন্ত্রীদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে। আমরা দেখছি বিদেশে বসেও তারা দেশবিরোধী নানান ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছেন। তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা না হলে, এভাবে তারা ষড়যন্ত্র করতেই থাকবেন এবং একের পর এক দেশে নানান বিশৃঙ্খলা তৈরি করবেন। তাই আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসনে ঠেকাতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক মেলবন্ধন অক্ষুণ্ন রাখতেই আমরা সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন প্রশ্নে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র সংগঠন এখন থেকে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করবে। অর্থাৎ কোনো ফরম্যাটেই আওয়ামী লীগকে আর পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না।

    বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ ও মুখপাত্র উমামা ফাতেমা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, ঢাবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি এস এম ফরহাদ, স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রসংসদের সভাপতি জামালুদ্দিন মোহাম্মদ খালিদ, ইসলামী শাসনতন্ত্রের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মুনতাসির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হোসাইন নূর ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক খায়রুল আহসান মারজান, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সেক্রেটারি নাজমুল হাসান, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড, সেক্রেটারি সৈকত আরিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • সংঘাত অস্থিরতার দায় সরকার এড়াতে পারে না: এবি পার্টি

    সংঘাত অস্থিরতার দায় সরকার এড়াতে পারে না: এবি পার্টি

    আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘গত কয়েকমাসের সংঘাত, সংঘর্ষ, অস্থিরতা ও গণঅভ্যুত্থানের মিত্রদের বিভক্তির দায় অন্তর্বর্তী সরকার কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।’

    মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে তিনটায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার ও দেশবাসীর উদ্বেগ দূর করার আহ্বান জানান তিনি।

    ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনাকর সংঘাতময় পরিস্থিতিতে উদ্বেগ ও শান্তি রক্ষায় করণীয় প্রসঙ্গে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন দলের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার।

    সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘মাত্র তিন মাস আগেও যেসব ছাত্র একতাবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছে, ঢাল হয়ে একে অপরের জীবন রক্ষা করেছে, তারা কেন আজ হিংসা হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পরস্পরের রক্ত ঝরাচ্ছে? কেন রাজপথে নেমে প্রতিদিন সহিংস আন্দোলন করতে হচ্ছে অধিকার বঞ্চিতদের? আন্দোলনের মিত্রদের কণ্ঠে কেন এত তাড়াতাড়ি অনৈক্য ও বিভক্তির সুর?’

    তিনি বলেন, ‘হাজারো ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত এই সরকার আন্দোলনে সম্পৃক্ত সব পক্ষের ঐক্য রক্ষার ব্যাপারে শুরু থেকেই উদাসীন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্বেগ তারা আমলে নিচ্ছেন না। আহত সংগ্রামীরাসহ প্রতিদিন রাজপথে নেমে আসতে হচ্ছে অধিকারের দাবিতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে একটা ভালো সমন্বয় টিম তৈরি করে এসব আন্দোলন ও দাবি-দাওয়া টেবিলে বসেই সমাধান করা যেত। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, দখল দারিত্বের যে অভিযোগ তার কোনো সঠিক সুরাহা হচ্ছে না।

    তুচ্ছ কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ছাত্রদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাফিলতি এখানে অত্যন্ত সুস্পষ্ট। অহিংস গণঅভ্যুত্থানের জনসমাগমের বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝিও সরকার আগাম ব্যবস্থা নিলে সমাধান করা যেত। কয়েকটি জাতীয় পত্রিকার অতীত ভূমিকা নিয়ে সংক্ষুব্ধদের বিষয়টিকেও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নিরসন সম্ভব হতো।

    মঞ্জু আরও বলেন, ‘গত ১৫ বছরের চরম নৈরাজ্যবাদী শাসনের অবসানের পর দেশবাসী আশা করেছিলেন, সব জায়গায় ধীরে ধীরে শান্তি ফিরবে। কিন্তু পতিত ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে অরাজকতা তৈরির জন্য বারবার চেষ্টা চালাচ্ছে, সরকার সে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে কোনো আগাম পদক্ষেপ নিতে তো পারছেই না বরং কখনও কখনও নিজের মিত্র শক্তিদের দূরে সরিয়ে তাদেরকে ষড়যন্ত্রকারীদের দোসর বলে দায় এড়াতে চাচ্ছে।’

    সংবাদ সম্মেলনে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নীতির সমালোচনা করে বলা হয়, রাষ্ট্র শাসনে কোমলতা বলে কিছু নেই বরং ন্যায় ও ইনসাফের জন্য যথার্থতার নীতি অনুসরণই কাম্য। সর্বাত্মক জনসমর্থন, বিপ্লবের স্পিরিট, প্রভূত ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব পাওয়া সত্বেও ড. ইউনূসের মতো শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পাওয়া জননন্দিত ব্যক্তিত্ব যদি দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে না পারেন তাহলে তা হবে খুবই দুঃখজনক।

    এবি পার্টির পক্ষ থেকে সরকারের দিকে তাকিয়ে না থেকে গণঅভ্যুত্থানের অংশীদার সব পক্ষকে অস্থিরতা পরিহার করে ধৈর্য ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি সমঝোতা সনদ তৈরির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শীঘ্রই বৈষম্যবিরোধী সব ছাত্র-জনতাকে নিয়ে ‘গণঅভ্যুত্থান সনদ’ তৈরির পদক্ষেপ নেবেন বলে ঘোষণা দেয় এবি পার্টি।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলাম ফারুক, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম এফসিএ, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, সহকারী সদস্য সচিব শাহ আব্দুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী নাসির, মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব সেলিম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুলতানা রাজিয়া, শাহিনুর আক্তার শীলা, আমেনা বেগম, সুমাইয়া শারমিন ফারহানাসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন: ডা. শফিকুর রহমান

    জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন: ডা. শফিকুর রহমান

    আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ২৪’র ছাত্র জনতার ‘জুলাই বিপ্লব’ ইতিহাসের ইতিবাচক পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ইতিহাসের একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আল্লাহ উর্বর করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই জমিনে আমরা কী চাষ করব, কীভাবে চাষ করব- তা আমাদের ওপর নির্ভর করবে।

    গতকাল সোমবার (২৬ নভেম্বর) রাত আটটায় রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জন আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষ দোয়া করছে ও চাচ্ছে ক্ষমতা যেন ভালো লোকদের হাতেই আসে। লোকেরা বলছেন যে তারা অপেক্ষা করছেন।

    তিনি বলেন, জামায়াতের প্রতি মানুষের প্রত্যাশার জায়গা তৈরি হয়েছে। মানুষ জামায়াতের হয়ে কাজ করতে চাওয়ার অভিব্যক্তিও তুলে ধরেন তিনি।

    দলের নেতাদের শহিদ করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাজার হাজার ষড়যন্ত্র আছে, থাকবে। দুনিয়া যতদিন আছে ষড়যন্ত্র ততদিন থাকবে। কোনো সময়ই এই ধরনের ষড়যন্ত্রের বাইরে ছিল না- হযরত আদম (আ.)-এর বিরুদ্ধেও শয়তান ষড়যন্ত্র করেছিল। এজন্য মানুষ শয়তান ও জ্বিন শয়তান থেকে বাঁচার জন্য কোরআনে একটি সূরাও নাযিল করেছেন আল্লাহ তায়ালা।

    আল্লাহর মকবুল বান্দা হওয়ার জন্য দুটো জিনিস তাক্বওয়া ও তাওয়াক্কুল অর্জনের কথা নেতাকর্মীদের স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

    জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নিরেট কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, সামাজিক সংগঠনও নয়, আবার শুধু দাওয়াহ সংগঠনও নয়- দ্বিনের একটি পূর্ণাঙ্গ সংগঠন। এখানে সমস্ত উপাদান আছে- কোনো কিছু বাদ নেই।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের প্রতি মানুষের ভালোবাসার জায়গা তৈরি হয়েছে। এই জায়গা যেন নষ্ট না হয়, যেন যত্ন নেওয়া হয়- নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেন তিনি।

    তিনি বলেন, আমরা যদি মানুষের ভালোবাসাগুলোর যত্ন নিতে পারি-তাহলে দ্বীন কায়েমের আমাদের ক্ষুধা ও পিপাসা আল্লাহ পূর্ণ করে দেবেন। আমরা আমাদের জন্য দ্বিনের বিজয় চাচ্ছি না, আমাদের মিল্লাতের জন্য চাচ্ছি। মিল্লাত বিজয় পেলে আমরাও তার অংশীদার হবো ইনশাআল্লাহ।

    জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে আমরা হাব-ভাব দেখাবো, স্বাদ নেবো আল্লাহ যেন এই নাপাক চিন্তা থেকে আমাদের মনকে মুক্ত রাখেন। অতীতের মুরব্বিরা (সাবেক দায়িত্বশীলরা) অনেক উদাহরণ সৃষ্টি করে গেছেন। ঐটাকে সামনে রেখে আরও সুন্দর সুন্দর উদাহরণ সৃষ্টি করব আমরা। তাহলেই তারা সার্থক হবেন। গোটা জাতিকে (মিল্লাতকে) আমাদের ধারণ করতে হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন বলেন, নতুন বিপ্লবে ঢাকা মহানগরী উত্তরের থানা সভাপতি ও আমীরদের নতুনত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী একটি সামগ্রিক আন্দোলনের নাম। একটি পূর্ণাঙ্গ সংগঠন এবং পরিপূর্ণ ইসলামী আন্দোলন।

    সংগঠনকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে নেতৃত্ব বাছাইয়ে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করার পাশাপাশি প্রয়োজনে তরুণদের এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মহানগরী আমির।

    কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা ও ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দীন মানিক ও মাওলানা ইয়াসিন আরাফাত। দারসুল কোরআন পেশ করেন অধ্যাপক আবুল ইহসান।

    সমাবেশে ২০২৫-২০২৬ সেশনের জন্য রুকনদের ভোটে নির্বাচিত থানা আমীরদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

  • ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, পরাজিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা তাদের পলাতক নেত্রী হাসিনার প্রতিশোধ স্পৃহা বাস্তবায়ন করতে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। গুম-খুন এবং লুটপাটের মাস্টারমাইন্ড ওবায়দুল কাদের-নানকরা কর্মীদের মধ্যে যে ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতা তৈরি করেছিলো সেটার পরিবর্তন হয় নাই। পতিত স্বৈরাচার হাসিনা এখনও খুনের নেশায় উন্মাদ হয়ে আছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

    তিনি বলেন, ঢাকায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সহিংসতার ঘটনা ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মূলমন্ত্র বিরোধী। ছাত্রদের ভিতরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করে এবং উসকানি দিয়ে একের পর এক অঘটনের জন্ম দিচ্ছে। একদিকে সাধারণ মানুষদের টাকার লোভ দেখিয়ে শাহবাগে আনা হচ্ছে অন্যদিকে ইসকনকে ব্যবহার করে আবারও সংখ্যালঘু কার্ড খেলার চেষ্টা করছে পরাজিত শক্তি। এসব ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করতে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে হবে।

    প্রশাসনে আওয়ামী দোসরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসনের স্থবিরতা দূর করতে যখনই দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে তখনই ফ্যাসিবাদের অনুগতরা ষড়যন্ত্রের নীলনকশা আঁকছে। সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে অবসরে যাওয়া বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তা এবং নাগরিক সমাজ থেকে যোগ্য লোকদের বাছাই করে সাময়িক বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা যেতে পারে। কোনোভাবেই আওয়ামী দোসরদের ক্ষমতার কাঠামোতে স্থান দেয়া যাবে না।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ নেবার আহ্বান জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা ড.ইউনূসের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। এই সরকারকে যারাই অস্থিতিশীল করতে চাইবে আমরা রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিব। চলমান নানা সংকট মোকাবেলায় সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে পরামর্শ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের কোন স্থান এদেশে সহ্য করা হবে না।

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসাবে ব্যবস্থা নেবার দাবি জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের কোন অধিকার নেই এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একাধিক গণহত্যা, গুম, ভোটাধিকার হরণ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই দলটিকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানাই। গণতন্ত্র এবং জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত একটি জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ চাই। জনগণের নির্বাচিত সরকার সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

  • সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে বিএনপি। যেখানে  সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি, পরপর দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া, সংসদে উচ্চকক্ষ, গণভোটের বিধান পুনঃপ্রবর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাব তুলে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    এসময় সালাউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে ব্যালান্স অব পাওয়ারের কথা বলা হয়েছে। সংস্কার কমিটি সুপারিশ চূড়ান্ত করে সরকারকে দেবে। তারপর নির্বাচিত সরকার এসে এসব সংশোধন করবে।

    অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত রাষ্ট্র সংস্কারে মোট দশটি কমিশন গঠন করলেও হলেও এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে সংবিধান ও নির্বাচনী সংস্কারের বিষয়গুলো।

  • এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    বগুড়ায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান বলেছেন, এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথের সব গণআন্দোলনে দায়িত্ব পালন করবেন।

     

    তিনি আরও বলেন, আমরা সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে দিকনির্দেশনামূলক কাজ করে যাচ্ছি। আগামীতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সব সময় ভূমিকা রেখে যাবে।

    সোমবার শহিদ টিটু মিলনায়তনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ কর্মিসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এতে প্রধান আলোচক ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল। বক্তব্য দেন যুবদল কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোখতার হোসাইন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

  • ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ডেলিগেশন অব ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত সেবাস্টিয়ান রিগার ব্রাউনের আমন্ত্রণে ইইউভুক্ত ৮টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮ দেশের প্রতিনিধিগণ হলেন- জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টার, ইটালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও অ্যালেস্যান্ড্রো, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা, ফ্রান্সের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর ক্রিস্টিয়ান বেক, নরওয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ম্যারিয়ান রেবেকনায়েভেলস্রুড, সুইডেনের হেড অব পলিটিক্যাল ও ট্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন লোভিসা হোফম্যান এবং নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন থিজ উওদস্ট্রা।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রদূত ও জামায়াত নেতারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

    তিনি বলেছেন, দেশের সংস্কার আছে, রাষ্ট্রের আছে; রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে। অনেকে বক্তৃতা করার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। আমরা যদি কোনো কাজ করতে না পারি, জনগণের কল্যাণ করতে না পারি, তাহলে এ ছবি কোনো কাজে আসবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অনেক কষ্ট করেছেন, তবুও তিনি মাথানত করেননি। তিনি বলেছেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এর জন্যই তিনি আজীবন লড়াই করেছেন।

    সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটি’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    সেলিনা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির নেতাকর্মীরা ভারত ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। হ্যাঁ, আমাদের একটা সরকার আছে। তারা কাজ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু স্বৈরশাসক যিনি পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, সেখান থেকে তিনি একেকদিন একেকটা ফোনকল ছাড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা যারা পালিয়ে আছেন, তারা দেশের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    গত কয়েকদিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও একে-অন্যের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীসমাজসহ নাগরিকদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হয়ে আছে নানা ক্ষোভ ও অভিযোগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর আমরা সবাই বাংলাদেশিরা সম্মিলিত প্রয়াসে একটি ইতিবাচক ও বৈষম্যহীন সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছি আর অন্যদিকে পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার দোসররা দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টজনদের কাছে নিজেদের মধ্যকার ভুলবোঝাবুঝিসহ নানা জটিলতাকে আলাপ-আলোচনা-উদারতা ও পরমত সহনশীলতার মাধ্যমে জাতীর বৃহত্তর কল্যাণ স্বার্থে বিবাদ মিমাংসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে এবং একইসঙ্গে, তৃতীয় স্বার্থান্বেষী যে দেশদ্রোহী মহল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বিনষ্ট করে দূরত্ব তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীসহ সবাই ধৈর্যশীল-উদার ও ইতিবাচক হবার অনুরোধ জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদ মিমাংসার ওপর জোর দিয়ে উল্লিখিত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন কিন্তু এখনো ঘোষণা হয় নাই। নির্বাচন কমিশন হয়েছে। এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আবদুস সালাম বলেন, আশা করি সরকার অনতিবিলম্বে নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা নাহলে আওয়ামী দোসররা ষড়যন্ত্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইবে। এই অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ছাড়া কি আর কেউ আছে? আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি।

    তিনি আরও বলেন, রাজপথে এলাকায় এলাকায় ওই খুনিদের মোকাবিলা করার জন্য বিএনপিকে দরকার। আমরা এখনো মাঠে আছি। গণতন্ত্র যে পর্যন্ত ফিরে না আসবে, ভোটের ডেট যে পর্যন্ত দেওয়া না হবে, নির্বাচন যে পর্যন্ত শেষ না হবে সে পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। এজন্য জনগণের মন জয় করতে হবে। আমি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, চাঁদাবাজিতে বিশ্বাস করি না, কোনো খারাপ কাজে বিশ্বাস করি না।

    পথসভায় মিজানুর রহমান স্বপন, মোতাহার হোসেন, সেলিম রেজা, শামীম আহমেদ ও যুবদল নেতা আমির হোসেন রাজুসহ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।