Blog

  • ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, পরাজিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা তাদের পলাতক নেত্রী হাসিনার প্রতিশোধ স্পৃহা বাস্তবায়ন করতে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। গুম-খুন এবং লুটপাটের মাস্টারমাইন্ড ওবায়দুল কাদের-নানকরা কর্মীদের মধ্যে যে ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতা তৈরি করেছিলো সেটার পরিবর্তন হয় নাই। পতিত স্বৈরাচার হাসিনা এখনও খুনের নেশায় উন্মাদ হয়ে আছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

    তিনি বলেন, ঢাকায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সহিংসতার ঘটনা ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মূলমন্ত্র বিরোধী। ছাত্রদের ভিতরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করে এবং উসকানি দিয়ে একের পর এক অঘটনের জন্ম দিচ্ছে। একদিকে সাধারণ মানুষদের টাকার লোভ দেখিয়ে শাহবাগে আনা হচ্ছে অন্যদিকে ইসকনকে ব্যবহার করে আবারও সংখ্যালঘু কার্ড খেলার চেষ্টা করছে পরাজিত শক্তি। এসব ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করতে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে হবে।

    প্রশাসনে আওয়ামী দোসরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসনের স্থবিরতা দূর করতে যখনই দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে তখনই ফ্যাসিবাদের অনুগতরা ষড়যন্ত্রের নীলনকশা আঁকছে। সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে অবসরে যাওয়া বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তা এবং নাগরিক সমাজ থেকে যোগ্য লোকদের বাছাই করে সাময়িক বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা যেতে পারে। কোনোভাবেই আওয়ামী দোসরদের ক্ষমতার কাঠামোতে স্থান দেয়া যাবে না।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ নেবার আহ্বান জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা ড.ইউনূসের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। এই সরকারকে যারাই অস্থিতিশীল করতে চাইবে আমরা রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিব। চলমান নানা সংকট মোকাবেলায় সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে পরামর্শ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের কোন স্থান এদেশে সহ্য করা হবে না।

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসাবে ব্যবস্থা নেবার দাবি জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের কোন অধিকার নেই এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একাধিক গণহত্যা, গুম, ভোটাধিকার হরণ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই দলটিকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানাই। গণতন্ত্র এবং জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত একটি জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ চাই। জনগণের নির্বাচিত সরকার সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

  • সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে বিএনপি। যেখানে  সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি, পরপর দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া, সংসদে উচ্চকক্ষ, গণভোটের বিধান পুনঃপ্রবর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাব তুলে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    এসময় সালাউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে ব্যালান্স অব পাওয়ারের কথা বলা হয়েছে। সংস্কার কমিটি সুপারিশ চূড়ান্ত করে সরকারকে দেবে। তারপর নির্বাচিত সরকার এসে এসব সংশোধন করবে।

    অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত রাষ্ট্র সংস্কারে মোট দশটি কমিশন গঠন করলেও হলেও এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে সংবিধান ও নির্বাচনী সংস্কারের বিষয়গুলো।

  • এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    বগুড়ায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান বলেছেন, এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথের সব গণআন্দোলনে দায়িত্ব পালন করবেন।

     

    তিনি আরও বলেন, আমরা সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে দিকনির্দেশনামূলক কাজ করে যাচ্ছি। আগামীতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সব সময় ভূমিকা রেখে যাবে।

    সোমবার শহিদ টিটু মিলনায়তনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ কর্মিসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এতে প্রধান আলোচক ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল। বক্তব্য দেন যুবদল কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোখতার হোসাইন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

  • ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ডেলিগেশন অব ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত সেবাস্টিয়ান রিগার ব্রাউনের আমন্ত্রণে ইইউভুক্ত ৮টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮ দেশের প্রতিনিধিগণ হলেন- জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টার, ইটালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও অ্যালেস্যান্ড্রো, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা, ফ্রান্সের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর ক্রিস্টিয়ান বেক, নরওয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ম্যারিয়ান রেবেকনায়েভেলস্রুড, সুইডেনের হেড অব পলিটিক্যাল ও ট্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন লোভিসা হোফম্যান এবং নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন থিজ উওদস্ট্রা।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রদূত ও জামায়াত নেতারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

    তিনি বলেছেন, দেশের সংস্কার আছে, রাষ্ট্রের আছে; রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে। অনেকে বক্তৃতা করার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। আমরা যদি কোনো কাজ করতে না পারি, জনগণের কল্যাণ করতে না পারি, তাহলে এ ছবি কোনো কাজে আসবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অনেক কষ্ট করেছেন, তবুও তিনি মাথানত করেননি। তিনি বলেছেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এর জন্যই তিনি আজীবন লড়াই করেছেন।

    সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটি’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    সেলিনা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির নেতাকর্মীরা ভারত ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। হ্যাঁ, আমাদের একটা সরকার আছে। তারা কাজ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু স্বৈরশাসক যিনি পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, সেখান থেকে তিনি একেকদিন একেকটা ফোনকল ছাড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা যারা পালিয়ে আছেন, তারা দেশের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    গত কয়েকদিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও একে-অন্যের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীসমাজসহ নাগরিকদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হয়ে আছে নানা ক্ষোভ ও অভিযোগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর আমরা সবাই বাংলাদেশিরা সম্মিলিত প্রয়াসে একটি ইতিবাচক ও বৈষম্যহীন সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছি আর অন্যদিকে পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার দোসররা দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টজনদের কাছে নিজেদের মধ্যকার ভুলবোঝাবুঝিসহ নানা জটিলতাকে আলাপ-আলোচনা-উদারতা ও পরমত সহনশীলতার মাধ্যমে জাতীর বৃহত্তর কল্যাণ স্বার্থে বিবাদ মিমাংসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে এবং একইসঙ্গে, তৃতীয় স্বার্থান্বেষী যে দেশদ্রোহী মহল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বিনষ্ট করে দূরত্ব তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীসহ সবাই ধৈর্যশীল-উদার ও ইতিবাচক হবার অনুরোধ জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদ মিমাংসার ওপর জোর দিয়ে উল্লিখিত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন কিন্তু এখনো ঘোষণা হয় নাই। নির্বাচন কমিশন হয়েছে। এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আবদুস সালাম বলেন, আশা করি সরকার অনতিবিলম্বে নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা নাহলে আওয়ামী দোসররা ষড়যন্ত্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইবে। এই অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ছাড়া কি আর কেউ আছে? আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি।

    তিনি আরও বলেন, রাজপথে এলাকায় এলাকায় ওই খুনিদের মোকাবিলা করার জন্য বিএনপিকে দরকার। আমরা এখনো মাঠে আছি। গণতন্ত্র যে পর্যন্ত ফিরে না আসবে, ভোটের ডেট যে পর্যন্ত দেওয়া না হবে, নির্বাচন যে পর্যন্ত শেষ না হবে সে পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। এজন্য জনগণের মন জয় করতে হবে। আমি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, চাঁদাবাজিতে বিশ্বাস করি না, কোনো খারাপ কাজে বিশ্বাস করি না।

    পথসভায় মিজানুর রহমান স্বপন, মোতাহার হোসেন, সেলিম রেজা, শামীম আহমেদ ও যুবদল নেতা আমির হোসেন রাজুসহ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বছরে দুইবারের বেশি বিদেশ যেতে পারবেন না চিকিৎসকরা

    বছরে দুইবারের বেশি বিদেশ যেতে পারবেন না চিকিৎসকরা

    চিকিৎসকদের বিদেশে সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশহণের ক্ষেত্রে কোন প্রার্থী বছরে সর্বোচ্চ দুই বার বিদেশের সভা-সেমিনারে যাওয়ার নির্দেশনাসহ ১১টি নীতিমালা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    রোববার মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল হাই স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ‘পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত চিকিৎসকদের বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত নীতিমালা অনুসরণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

    যেসব নীতিমালা: 

    কোন প্রার্থী বছরে (সর্বশেষ ১২ মাস) সর্বোচ্চ দুই বার বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে যেতে পারবেন।

    প্রার্থী যে বিষয়ে অভিজ্ঞ বা যে বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত (দায়িত্ব পালনরত) কেবল সেই বিষয়ে আমন্ত্রিত হতে পারবেন।

    প্রার্থী যে বিষয়ে অধ্যয়নরত সেই বিষয়ে আমন্ত্রিত হয়ে গমন করতে পারবেন।

    আমন্ত্রণকারী সংস্থার নিজস্ব ডোমেইনভুক্ত ওয়েবমেইল হতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবমেইলে ([email protected], cc: [email protected]) আমন্ত্রণপত্রের অনুলিপি বা কপি পাঠাতে হবে।

    আমন্ত্রণকারী সংস্থা যাবতীয় খরচ (ভিসা ফি, উভয় পথের বিমানভাড়া, আবাসন ব্যবস্থা বা খরচ ইত্যাদি) বহন করবেন মর্মে আমন্ত্রণকারী সংস্থা হতে প্রত্যয়নপত্র প্রমাণক হিসেবে দাখিল করতে হবে।

    বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে গমনপূর্বক ফেরত আসার পর একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে (প্রশাসন-১) শাখায় দাখিল করতে হবে।

    তৃতীয় পক্ষ খরচ বহন করবে, এ রকম যেকোন আবেদন সরাসরি বিবেচনার বাহিরে থাকবে।

    বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের প্রমাণস্বরূপ প্রোগ্রামে যোগদানের ও সমাপ্তি দিনের ছবি দাখিল করতে হবে।

    যথাযথ মাধ্যমে অগ্রায়নকৃত আবেদনে প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর প্রধান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশ থাকতে হবে।

    অগ্রায়নের পূর্বে প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর প্রধান প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্র ১নং হতে ৯নং ক্রমিকে বর্ণিত শর্তাদি যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলো (Verified and Found Ok) মর্মে প্রত্যায়িত করতে হবে।

    অন্যান্য বিষয় যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিবেচ্য মনে করেন।

    ‘উপরিউক্ত নির্দেশনাসমূহ আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ থেকে চিকিৎসকদের আমন্ত্রণের ভিত্তিতে বিদেশে সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো’, বলা হয় অফিস আদেশে।

  • ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    অবশেষে জলবায়ু সংকটের ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলার দেবে শিল্পোন্নত দেশগুলো। ২০৩৫ সাল পর্যন্ত এ অর্থ দেওয়া হবে। দীর্ঘ দরকষাকষির পর রোববার ভোরে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে এ অর্থায়নের বিষয়ে একমত হন প্রায় ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা। তবে কার্বনডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর চুক্তিতে ঐকমত্য হলেও সাহায্যের পরিমাণকে অপমানসূচক হিসাবে আখ্যা দিয়েছে সমালোচক আর অনুন্নত দেশগুলো। এছাড়া চুক্তিটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সন্দিহান পরিবেশবাদীরা। এ বছর বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার চেয়েছিল। জলবায়ু পরিবর্তনে অন্যতম দায়ী উচ্চ হারে কার্বনডাই অক্সাইড নিঃসরণ। যার ৮০ শতাংশ করে থাকে উন্নত দেশগুলো। তাই প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন থেকে আওয়াজ উঠে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার। পরে তহবিল গঠনে একমত হলেও তেমন তোড়জোড় ছিল না অর্থায়নে।

    আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে অগ্রাধিকার ছিল অর্থায়নের বিষয়টি। দুই সপ্তাহব্যাপী সম্মেলনে বিভিন্ন সেশনে এ নিয়ে চলে নানা বিতর্ক আলোচনা। শুক্রবার আয়োজনের সমাপ্তি টানার কথা থাকলেও সমঝোতা না হওয়ায় দীর্ঘ হয় আলোচনা। ধনী দেশগুলোর গড়িমসিতে ক্ষুব্ধ হয় জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত বেশকিছু দরিদ্র রাষ্ট্র। দুর্যোগে পর্যুদস্ত এই দরিদ্র দেশগুলো বিশ্বের দূষণের জন্য দায়ী বিত্তবান দেশগুলোর প্রতিশ্রুত এই তহবিলকে ‘অপমানজনক নগণ্য’ হিসাবে অভিহিত করেছে। আলোচনা স্থল থেকে তারা ওয়াকআউট করেন। দীর্ঘ ৩০ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে হয় সমঝোতা। একমত হন প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধি। তবে, এতে অসন্তোষ জানায় পানামা, নাইজেরিয়া, কিউবাসহ বেশকিছু স্বল্পোন্নত দেশ। না মানার ঘোষণা দেয় ভারত। কপ-২৯ এর পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে প্যারিস চুক্তির বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতায় ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার তহবিলের অর্থ অঙ্গীকার করতে রাজি হচ্ছে না উন্নত দেশগুলো। কপ-২৯ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিকর দেশগুলো কী পেল, সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

    ভারত তহবিলের অঙ্ককে নিতান্তই কম বলে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ভারতের প্রতিনিধি চাঁদনি রেইনা কড়া ভাষায় বলেন, ‘এটা খুবই নগণ্য অঙ্ক।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই নথিপত্র একটি অপটিক্যাল ভুলের চেয়েও বেশি। আমাদের মতামত অনুসারে এই তহবিল যে ঝুঁকি আমরা সবাই মোকাবিলা করছি তা মেটাতে পারবে না।’ বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসাবে বিবেচিত সিয়েরা লিওনের জলবায়ুমন্ত্রী জিও আবদুলাই এই উদ্যোগকে উন্নত দেশগুলোর ‘সদিচ্ছার অভাব’ হিসাবে অভিহিত করে বলেন, ‘ফলাফল হিসাবে যা এসেছে, তা দেখে আমরা খুবই হতাশ।’ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ঝুঁকিতে থাকা ছোট দ্বীপদেশ মার্শাল আইল্যান্ডের জলবায়ু প্রতিনিধি টিনা স্টেজ বলেন, তিনি এই সম্মেলন থেকে লড়াই শেষে সামান্য কিছুই নিয়ে যেতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘এটা পর্যাপ্ত নয়, তবে এটা শুরু হলো।’

    এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবার খসড়া চুক্তিতে বছরে ২৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করায় বাংলাদেশ গভীর হতাশা প্রকাশ করে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একে খুবই হতাশাজনক একটি প্যাকেজ বলে অভিহিত করেছিলেন। এর আগে শুক্রবার সম্মেলনে খসড়া চুক্তিতে বছরে ২৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেয় দরিদ্র দেশগুলো।

    চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে। বর্তমানে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো। এ প্রস্তাবেও অসন্তোষ ছিল দরিদ্র দেশগুলোর। তাদের অভিযোগ, এই বরাদ্দও অপ্রতুল।

    এই জলবায়ু চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি ওপকে হোয়েকস্ট্রা। তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের নতুন যুগের সূচনা হিসাবে কপ-২৯ সম্মেলনকে বিশ্ব স্মরণে রাখবে। অন্যদিকে চুক্তির সমালোচনা করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার শিফট আফ্রিকার পরিচালক মোহামেদ আদোউ বলেছেন, ‘উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য এই কপ একটি বিপর্যয়। ধনী দেশগুলো যারা জলবায়ু পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি করে, তারাই পৃথিবী ও এর বাসিন্দাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’

     

     

     

  • তৃতীয় দিন শেষে ১৮১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    তৃতীয় দিন শেষে ১৮১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    অ্যান্টিগা টেস্টে ৪৫০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের শুরুতেই শাহদাত হোসেন দিপুর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মুমিনুল হক।

    তবে সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি এই দুই ব্যাটার। তাদের বিদায়ে ফলোঅনের শঙ্কায় পড়েছ বাংলাদেশ। তবে জাকের আলি ও তাইজুল ইসলামের ব্যাটে ফলোঅন এড়ায় টাইগাররা। ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৯ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    মুমিনুল ২৩ বলে ৭ ও দিপু ৩১ বলে ১০ রানে নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামেন। তবে এ দিন সুবিধা করতে পারেননি দিপু। দলীয় ৬৬ রানে ৭১ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

    দিপুর বিদায়ের পর ক্রিজে আসা লিটনকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন। দেখেশুনে খেলে রানের চাকা সচল রাখেন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল।

    ৬২ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মুমিনুল। তবে দলীয় ১২৮ রানে ১১৬ বলে ৫০ রান করে আউট হন মুমিনুল। তার বিদায়ের পর পরই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ৭৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।

    এরপর জাকের আলিকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে দলীয় ১৬৬ রানে ৬৭ বলে ২৩ রান করে আউট হন মিরাজ। তার বিদায়ে বেশ চাপে রয়েছে বাংলাদেশ।

    এরপর তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেয় জাকের আলি। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। ফিফটি তুলে নেন জাকের।

    তবে দলীয় ২৩৪ রানে ৬৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন তাইজুল। ফিফটির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকের। ফিরেছেন ৮৯ বলে ৫৩ রান করে। তার বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি হাসান মাহমুদ। ১৬ বলে ৮ রান করে আউট হন তিনি।

    এরপর তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম মিলে দিনের বাকী খেলা শেষ করেন। তাসকিন ২১ বলে ১১ ও শরিফুল ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত আছেন।