Blog

  • বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরুর সময় থেকেই পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা এই প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে আসছেন। শহিদ আফ্রিদি, শোভেব মালিক থেকে শুরু করে বর্তমানে সাইম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ পর্যন্ত বিভিন্ন পাকিস্তানি তারকা এই টুর্নামেন্টে দেখা গেছে। আসন্ন বিপিএলের জন্য কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে নিলামের মাধ্যমে দলে ভিড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, কিন্তু এবার তাদের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাব্য অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    ক্রিকেট বিষয়ক এক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ব্যস্ত সূচির কারণে এই খেলোয়াড়রা পুরো মৌসুমে খেলতে পারবেন না। ফলে দলগুলো বিকল্প পরিকল্পনা খুঁজছে।

    আগামী বিপিএলের আয়োজন তার সূচি অনুযায়ী চলতি ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে। একজন কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, “আমরা জানি পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা পুরো মৌসুমে উপস্থিত থাকবেন না। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের শ্রীলঙ্কা সিরিজ রয়েছে, আর এর কয়েক সপ্তাহ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে।”

    পাকিস্তান দল এই বছর জানুয়ারির ৭, ৯ ও ১১ তারিখ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা শ্রীলঙ্কায় ক্যাম্প করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এরপর তারা জানুয়ারির শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

    বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তান দল এছাড়াও শ্রীলঙ্কায় যাবে, যেখানে তারা অংশ নেবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত আয়োজন হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

    অপরদিকে, এবারের বিপিএলে বেশ কিছু জনপ্রিয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেমন—সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ, সাহিবজাদা ফারহান, উসমান খান, ইমাদ ওয়াসিম, খুশদিল শাহসহ অনেকে। তবে, জাতীয় দায়িত্বের কারণে তাদের বেশিরভাগের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।

    পিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “এটা সত্যি নয় যে আমরা এনওসি (ছাড়পত্র) দিচ্ছি না। যারা আবেদন করেছে, আমরা তা প্রক্রিয়াধীন রেখেছি। কারা এনওসি পাবে এবং কারা পাবে না, সেটা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যদি জাতীয় দলে থাকতে হয়, তবে সেটিই অগ্রাধিকার পাবে। বিশ্বজুড়ে এই নিয়মই মানা হয়।”

    ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ধারণা, শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে বা সিরিজের মাঝের সময়ে কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটারের খেলার সুযোগ থাকলেও, যারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পরিকল্পনায় নেই, তারা বিপিএলে আরও বেশি ম্যাচ খেলতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এবার গর্বের এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো। প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম সম্মানিত আইসিসি এ্যালিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য বড় একজন প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় গর্বের মুহূর্ত।

    এ আনন্দের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে দেশের সার্বিক ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস বইছে, একইসঙ্গে দেশের নাম বিদেশে উজ্জ্বল করেছেন সৈকত। এই বিশেষ উপলক্ষ্যে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস তার ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হওয়ায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটি শুধু আপনার জন্য না, পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনের জন্যই বড় একটি সম্মান ও ঐতিহাসিক ঘটনা। আপনাদের এই মাইলফলক বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তম মঞ্চে বাংলাদেশের জন্য গৌরবের বিষয়। আপনার সফলতা অন্য নতুনদের জন্য পথ দেখাবে এবং আপনাকে দেখতে পাবো ভবিষ্যতেও নানা বড় চূড়ায়।’

    ইমরুলের এই বার্তায় দেশের জন্য গৌরবের বিষয়টি স্পষ্ট, যা দেখায় যে, অ্যাশেজে দায়িত্ব পাওয়া শুধু এক ব্যক্তির সফলতা নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন।

    সৈকত দীর্ঘ দিন ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আইসিসির এ্যালিট প্যানেলে স্থান করে নিয়েছেন। এরপর তিনি নিয়মিতভাবে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

    তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতার বিষয়। বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ও আলোচিত সিরিজে আম্পায়ারিং করার অর্থ হলো নিজের স্বীকৃতি অর্জন করা, যা এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শরফুদ্দৌলা সৈকত উপভোগ করছেন। এটি সত্যিই দেশের জন্য এক গৌরবের বিষয় এবং ক্রিকেটের অনুরাগীদের জন্য এক অনন্য মুহূর্ত।

  • চার দেশ বকেয়া রেখে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে জাতিসংঘ

    চার দেশ বকেয়া রেখে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে জাতিসংঘ

    সদস্য দেশগুলোর বকেয়া অর্থ না দেওয়ায় বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছে জাতিসংঘ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২০২৬ সালে সংস্থার বাজেট হ্রাস করা হবে ১৫.১ শতাংশ এবং কর্মী সংখ্যাও কমানো হবে ১৮.৮ শতাংশ। খবর আল জাজিরার। মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছেন, সদস্য দেশগুলোর বকেয়া এখন এক ট্রিলিয়ন ৫৯০ বিলিয়ন ডলার, যা সরাসরি সংস্থার কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত হুমকি স্বরূপ। তিনি আরও বলেছেন, ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত বাজেট হবে ৩.২৪ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ এর তুলনায় প্রায় ৫৭৭ মিলিয়ন ডলার কম। জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ সবচেয়ে বেশি বকেয়া রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও মেক্সিকো। তবে, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য কার্যক্রম পরিচালনাকারী সংস্থা ইউএনআরডবিøউ-এর বাজেট কমানো হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি। মহাসচিব গুতেরেস বলেন, ‘গাজার মানবিক কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হলো ইউএনআরডবিøউ। এ সংস্থার বাজেট কমালে ভয়াবহ পরিণতি ঘটবে।’ পাশাপাশি, ডেভেলপমেন্ট অ্যাকাউন্ট এবং আফ্রিকার উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রচারণার বাজেট ২০২৫ সালের স্তরেই রাখা হবে। বাজেটের ঘাটতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের মোট ২,৬৮১টি পদ বাতিল করা হবে, যেখানে এসব পদ এমন কাজে নিয়োজিত যা অন্য কোনও সংস্থা আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারে বা দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কমানো সম্ভব। এছাড়া, লিকুইডিটি ক্রাইসিসের কারণে প্রায় ১৮ শতাংশ পদ ইতিমধ্যেই শূন্য। তবে এগুলো সরাসরি কাটা হবে না। ২০২৬ সালে বিশেষ রাজনৈতিক মিশনগুলোতে বরাদ্দ হবে ৫৪৩.৬ মিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১৪৯.৫ মিলিয়ন ডলার বা ২১.৬ শতাংশ কম। কিছু মিশন বন্ধ বা কার্যক্রম সীমিত করে এই সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নিউইয়র্কে খরচ কমানোর পরিকল্পনায়, জাতিসংঘ ২০২৭ সালের মধ্যে আরও দুটি অফিস লিজ বাতিলের পরিকল্পনা করছে, যার ফলে ২০২৯ সাল থেকে বছরে প্রায় ২৪.৫ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে। গুতেরেস আরও জানিয়েছেন, ২০১৭ সাল থেকে নিউইয়র্কের কিছু অফিস বন্ধের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই ১২৬ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সাশ্রয় করা হয়েছে।

  • পুতিনের কঠোর হুঁশিয়ারি: ইউক্রেনকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা

    পুতিনের কঠোর হুঁশিয়ারি: ইউক্রেনকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের পোর্টগুলোতে এবং জাহাজে হামলার ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। তিনি সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের বন্দরগুলোকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যা সামুদ্রিক দমন-পীড়নের একটি অপ্রতিরোধ্য পদক্ষেপ হবে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এক সাংবাদিক সম্মেলনে পুতিন এই হুমকি ঘোষণা করেন।

    প্রকৃতপক্ষে, রুশ পতাকাবাহী বেশ কিছু ট্যাংকারে সাম্প্রতিক হামলার জন্য ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীকে দুষছেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ইউক্রেনীয় বাহিনী যা করছে, তা হলো দস্যুতা। প্রথমত, রাশিয়া তাদের বন্দর ও জাহাজে হামলা চালাবে। দ্বিতীয়ত, যদি এই দস্যুতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যায়, তাহলে আমরা সম্ভাব্যতা যাচাই করব— আমি বলছি না, করব—but সম্ভব হলে তাদের জাহাজে হামলা চালানো হবে।’

    পুতিন আরও উল্লেখ করেন, ‘সবচেয়ে বড় বিকল্প হচ্ছে ইউক্রেনকে সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। তখন তাদের দস্যুতা চালানো সম্ভব হবে না।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ইউক্রেনের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা এবং যারা এই হামলার পেছনে রয়েছে, তারা বুঝতে পারবেন যে, এর কোনও ফলাফল হবে না।

    গত দুই দিনের মধ্যে রাশিয়ার বেশ কয়েকটি ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউক্রেনের গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সামুদ্রিক ড্রোন ব্যবহার করে এই জাহাজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তি চুক্তি নিয়ে মস্কোতে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ এবং জের্ড ক্রুসনার। তারা প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আলোচনা করেছেন, কিন্তু ইউরি উসাকোভের ভাষ্য অনুযায়ী, এই আলোচনার কোনও ফলাফল হয়েছে বলে মনে হয় না।

  • গিনেস বুক এবার ইসরাইলের রেকর্ড বয়কট করল

    গিনেস বুক এবার ইসরাইলের রেকর্ড বয়কট করল

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এখন থেকে ইসরাইল থেকে কোনও নতুন রেকর্ড নিবন্ধনের জন্য আবেদন পর্যালোচনা করবে না। সম্প্রতি এক ঘোষণা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে। এটি এমন সময় যখন ইসরাইলে থাকা এক অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডের আবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ইসরাইল থেকে পাঠানো কিছু আবেদন তারা এখন নিষ্পত্তি করছে না। বিশেষ করে, একটি ইসরাইলি সংস্থার কাছ থেকে কিডনি দান উৎসাহিত করতে গিনেসে আবেদন জমা পড়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সংস্থা, যার নাম ‘মাতনাত চাইম’, দখলকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল—পশ্চিম তীর ও গাজা—সহ বিচরণকারি অঞ্চলে স্বেচ্ছায় কিডনি দাতাদের সংখ্যা ভিত্তিক রেকর্ডের জন্য আবেদন করেছিল।

    গিনেস কর্তৃপক্ষ তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে একটি চিঠি পাঠায়, যেখানে লেখা হয়, ‘আমরা বর্তমানে ইসরাইল থেকে রেকর্ড নিবন্ধনের আবেদনগুলো পর্যালোচনা করছি না।’ এর পাশাপাশি, এই সিদ্ধান্তের কারণে প্রতিবেশী ফিলিস্তিনি অঞ্চলে স্বেচ্ছায় কিডনি দান সংগ্রহকারীরা যেমন ‘মাতনাত চাইম’ সংস্থার হয়ে কাজ করছেন, সেখানে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। এই সংস্থা দাবি করেছে, তারা মোট ২০০০ জন দাতাকে সংগঠিত করেছে, যারা অপরিচিত ব্যক্তিদের কিডনি দান করেছেন এবং তারা ওই দাতাদের নিয়ে গিনেসে আবেদন করেছিল।

    তবে ব্রিটিশ রেকর্ড সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানটি তাদের এ আবেদনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। রিপোর্টে বলা হয়, গিনেস কর্তৃপক্ষ তাদের প্রক্রিয়া স্থগিত করে ইমেইলে জানিয়েছে যে, তারা ‘বর্তমানে ইসরাইল বা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে রেকর্ড আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করছে না’।

    এ ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক কারণ থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেছে ইসরাইলিরা, যারা মনে করেন, গিনেসের এই পদক্ষেপ ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। তবে এখনো গিনেস কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। এটি স্পষ্ট যে, এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বা রাজনৈতিক অঙ্গণে বেশ প্রভাব ফেলছে।

  • করাচি রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বাংলাদেশ বিমান, সপ্তাহে ৩ দিন

    করাচি রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বাংলাদেশ বিমান, সপ্তাহে ৩ দিন

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আকাশপথে সরাসরি সেবা চালু হচ্ছে আবার। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসাইন খান জানিয়েছেন, খুব দ্রুতই করাচি রুটে সপ্তাহে তিনটি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে বাংলাদেশ বিমান। এই উদ্যোগটি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও সংযোগ আরও বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পদক্ষেপ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    খবরটি জানানো হয়, বুধবার ভারতের ফরেন সার্ভিসেস অ্যাকাডেমিতে এক বক্তৃতায় এই তথ্য দেন হাইকমিশনার ইকবাল হুসাইন খান। এই বক্তৃতার সময় তিনি জানান, সম্প্রতি এই অ্যাকাডেমিতে বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য নতুন করে লেকচার সিরিজ শুরু হয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণরত তরুণ পাকিস্তানি কূটনীতিকরা বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করার সুযোগ পাচ্ছেন।

    উপস্থিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা সপ্তাহে তিনবার করাচিতে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’ পাশাপাশি ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উল্লেখ করেন, যেমনটি বাংলাদেশের উড়োজাহাজ ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করে, তেমনি পাকিস্তানের ফ্লাইটগুলোও ভারতের ওপর দিয়ে উড়বে।

    সূত্রের ভাষ্য, পাকিস্তানের ওপর ভারতের চলমান আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার কারণে বর্তমানে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর জন্য ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে বাংলাদেশি এই হাইকমিশনার তরুণ কূটনীতিকদের সঙ্গে এক বক্তৃতা দেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।

    তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য, সংযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির অসাধারণ সুযোগ থাকলেও সীমিত প্রবেশাধিকার, সীমান্ত সমস্যা ও আঞ্চলিক রাজনৈতিক জটিলতা এই অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযোগ থাকলেও সীমিত প্রবেশাধিকার সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। অতীতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রেল পথে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন সহজ ছিল, কিন্তু এখন কাজের অগ্রগতির বদলে খেজুরসহ অন্যান্য পণ্য বিভিন্ন পথে বহন করে আনা হয়, এমনকি দুবাই ঘুরে পৌঁছে যাচ্ছে।

    তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সরাসরি বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা আরও বেশি লাভবান হতে পারবেন এবং কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে। কাশ্মিরের শতবর্ষী পশমিনা শিল্পের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, খেজুর ও পশমিনার মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্য সরাসরি রুটে বাণিজ্য করলে তা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

    দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে ক্ষতিগ্রস্ত ভৌগোলিক সংযোগকে তিনি সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে চিহ্নিত করেন। একসময়ে কাবুল, পেশোয়ার, ঢাকা থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত প্রাচীন বাণিজ্যপথ সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে সেই সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি বলেন, কেউ একা উন্নতি করতে পারে না, তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা দরকার, যার জন্য বিমসটেক গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ।

    তার মতে, ঔপনিবেশিক মনোভাব, মতাদর্শের আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে দুর্বল করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ প্রজন্ম এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন, পরিবর্তনপ্রত্যাশী। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের যুব সমাজের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

    ইকবাল হুসাইন খান বলেন, ‘নতুন নেতৃত্ব গঠিত হলে অর্থনৈতিক অগ্রগতি দ্রুত হবে, পুরোনো বাধাগুলো ভেঙে যাবে। কিছু কৃত্রিম সীমাবদ্ধতা থাকলেও মানুষ একে–অপরের কাছে আসার অভিলাষী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে এবং উন্নত নেতৃত্ব তৈরি হবে।’

  • ভারতেও মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহত ১৫ জন

    ভারতেও মাওবাদীদের সঙ্গে সংঘর্ষে হতাহত ১৫ জন

    ভারতের মধ্যাঞ্চলীয় ছত্তিশগড় রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদী বিদ্রোহীদের ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়েছে। এই সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন মাওবাদী বিদ্রোহী এবং তিন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে বুধবার, বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া জেলার গভীর বনাঞ্চলে, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে ব্যাপক লড়াই চলে। এএফপি’র প্রতিবেদনে জানানো হয়, ছত্তিশগড়ে মাওবাদী গেরিলাদের দমন অভিযানের অংশ হিসেবে এই সংঘর্ষ ঘটে। ফরাসি বার্তা সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীর বড় ধরনের এই অভিযানে পুলিশের তিন কর্মকর্তা ও মোট ১৫ জন নিহত হয়েছেন। দুই সপ্তাহ আগে ক্ষেত্রটি আবারও চাঞ্চল্যকর হয়ে ওঠে, যখন সেখানে অভিযান চালিয়ে মাওবাদী শীর্ষ নেতা মাদভি হিদমা, তার স্ত্রী এবং আরও চারজন যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়। নয়াদিল্লি সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে পুরোপুরি মাওবাদী বিদ্রোহ নির্মূলে দেশের সব ধরনের অভিযান চালানো হবে। যদিও, কিছু সময়ের জন্য গেরিলারা ছুপতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েও সেনা অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুন্দররাজ পাট্টিলিঙ্গম বলেন, বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া সীমান্তের সংঘর্ষস্থল থেকে ১২ মাওবাদী বিদ্রোহীর মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই সংঘর্ষে পুলিশ আরও তিন কর্মকর্তা নিহত ও দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। ভারতের এই মাওবাদী বিদ্রোহ মূলত প্রান্তিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা করার দাবিতে শুরু হয়, যা চীনা বিপ্লবী নেতার মাও সেতুংয়ের ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত। ১৯৬৭ সালে এ আন্দোলনের বেগ বাড়ে, যখন অনেক গ্রামবাসীর বিদ্রোহ শুরু হয়। ভারতে এই বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নকশাল নামের পরিচয়ও। ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই বিদ্রোহ বেশ চূড়ায় উঠে আসে, তখন দেশের বেশির ভাগ এলাকা নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে যান প্রায় ২০ হাজার মাওবাদী যোদ্ধা। সম্প্রতি, দুই মাস আগে, মাওবাদীরা তাদের সশস্ত্র সংগ্রাম স্থগিত করার ঘোষণা দেয় এবং সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়। এরই অংশ হিসেবে, গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় ৩০০ দুর্বৃত্ত আত্মসমর্পণ করেন। আজকের এই সংঘর্ষের সঙ্গে জড়িয়ে বিভিন্ন পক্ষের ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি অস্বীকার করা যায় না। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গত বছর সতর্ক করে বলেছিলেন, মাওবাদী বিদ্রোহীদের মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি, তা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

  • বেগম খালেদা জিয়া: একজন গণতন্ত্রের প্রতীক এবং নেতৃত্বের শক্তি

    বেগম খালেদা জিয়া: একজন গণতন্ত্রের প্রতীক এবং নেতৃত্বের শক্তি

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি এ দেশের গণতান্ত্রিক চেতনার আদর্শিক প্রতীক। বর্তমানে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি জীবন-মৃত্যুর মাঝামাঝি সময়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য আমরা ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একযোগে উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস, মানুষের কল্যাণ ও দয়ার পথে দান করা, দুঃখী-অসহায় এবং এতিমদের মুখে হাসি ফোটানো মহান আল্লাহর রহমত প্রাপ্তির অন্যতম মাধ্যম। নেত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্বাস্থ্য কামনায় আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন তিনি বেগম জিয়াকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা ও আইনি শৃঙ্খলার পরিকল্পনা সভা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা ও আইনি শৃঙ্খলার পরিকল্পনা সভা

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে জানুয়ারি ও ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদে ট্রান্জেকশন সম্পন্ন করতে এসব পরীক্ষায় নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক সমন্বয়ের জন্য বুধবার বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উক্ত সভায় উপাচার্য বলেন, খুলনা, ঢাকা, রাজশাহী, জগন্নাথ ও কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে খুলনায় ব্যাপক লোকসমাগম হবে। পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ে হলগুলোতে পৌঁছাতে ট্রাফিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, এই সময়টি অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগজনক। তাই, নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিত ও সাবলীল কাজ করতে নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ করে গল্লামারী ব্রিজ এলাকাসহ ক্যাম্পাসের আশপাশে যানজট কমাতে এবং পরীক্ষার্থীরা সময়মতো পৌঁছাতে মনোযোগী হতে বলা হয়। উপাচার্য উল্লেখ করেন, এর পূর্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় সফলভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি, এবারও সব সংস্থা একত্রে কাজ চালিয়ে যাবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের মতোই জোরদার করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সভায় অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গসহ রেজিস্ট্রার (অবঃ) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, পরিবহন প্রকল্পের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন খুলনা রেঞ্জ পুলিশের এসপি মোঃ সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, র‌্যাব-৬ এর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কেএমপি’র এডিসি (ট্রাফিক) মোঃ ছয়রু্দ্দীন আহমেদ ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এই সভার মাধ্যমে ভর্তির সকল প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকারীর প্রতীক

    খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকারীর প্রতীক

    গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং জনগণের ভোটাধিকারের প্রতি আঘাত হানার যারা চেষ্টা করবে, তাদের জনগণই কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-2 আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের আগে দেশের জনগণকে আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হয়েছে, রক্ত দিতে হয়েছে, শহীদ হতে হয়েছে এবং গণঅভ্যুত্থান ঘটাতে হয়েছে। এখন আমরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি, কিন্তু তা প্রয়োগ করার সুযোগ পাইনি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতার প্রকৃত প্রতীক হলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দেশের মানুষের ঐক্যেরও প্রতীক। বর্তমানে তিনি অসুস্থ, মহান রাব্বুল আলামিন যেন তার দ্রুত সুস্থতা করে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।

    বুধবার বাদ জোহর রায়েরমহল বিএনপি কার্যালয়ে ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিলে এই কথা বলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এদিন বিকেল ৪টায় ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। একই সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় বিকে স্কুল প্রাঙ্গণে ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে রফিকুল ইসলাম বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বাদ মাগরিব ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে মনোজ্ঞ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন মেজবাহ উদ্দিন মিজু। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ জাহিদুল হক।

    এছাড়া, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনির, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহিবুজ্জামান কচি, এড. গোলাম মওলা, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদিকুর রহমান সবুজ, গিয়াসউদ্দিন বনি, নিয়াজ আহমেদ তুহিনসহ অনেকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এ সব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন আরো অনেক বিশিষ্ট নেতা-কর্মী, যারা দেশের গণতন্ত্র ও দলের জন্য বুক চিতিয়ে কাজ করছেন।