আজ রোববার (৭ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি লাভে ডিগ্রিধারীরা এখন থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজী হিসেবে যোগ্যতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। এর ফলে, এই যোগ্যতা অর্জনকারীরা আগে যেখানে শুধুমাত্র আলিম সনদধারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল, এখন থেকে তারা এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবে। অন্তর্বর্তী সরকার পরিচালিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এই তথ্য নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আইন সংশোধনের মাধ্যমে এই সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। এর ফলে, এখন থেকে কওমি বোর্ডের স্বীকৃত দাওরায়ে হাদিস সনদধারীরাও এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই পরিবর্তনটি কওমি শিক্ষাবোর্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য যুগান্তকারী বলে ধারণা করছে, কারণ এটি তাদের পেশাগত ক্ষেত্রে বেশ সুবিধা যোগ করবে।
Blog
-

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছালো
ঢালিউডের ইতিহাসে কিংবদন্তি অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য আজও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। প্রায় তিন দশক ধরে এই রহস্য অব্যাহত থাকলেও চলতি বছর অক্টোবরে আদালতের রায়ের মাধ্যমে সালমান শাহর মৃত্যুকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়। আজ রোববার, ৭ ডিসেম্বর, এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল ইসলাম খন্দকার আজ সে কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানের আদালত এই প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৫ সপ্তাহের সময় বাড়িয়ে দেন। ফলে, সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হকসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ধরা হয়েছে ১৩ জানুয়ারি।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী গণমাধ্যমের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গেল ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাটি নতুন করে হত্যা মামলায় রূপ নেয়। পরের দিন, ২১ অক্টোবর, রমনা থানায় সালমানের মৃত্যুর ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন তার মামা ও চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কুমকুম। এই মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়।
হত্যার মামলায় আসামিদের মধ্যে সামিরা-ডন ছাড়া আরও অন্তত: শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, ডেবিড, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ (১৭) উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া, আরও কিছু ব্যক্তিকে অজ্ঞাত হিসেবে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।
-

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্নে ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’ শেষ করার খুব কাছাকাছি সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জনপ্রিয় টিকটকর ববি গ্রেভস। ২৩ নভেম্বর দৌঁড়ের প্রতিযোগিতা শেষে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার জীবন রক্ষা হয়নি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৫ বছর।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, তীব্ৰ তাপপ্রবাহের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দৌঁড়ের শেষ সীমানা পেরিয়ে মাত্র কিছুক্ষণ পরই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থল থেকে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একটি ঘন্টা চিকিৎসার পর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অবস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে বলেন, রেসের সূচনালগ্ন ভোর ৫টায় শুরু হয়। গ্রেভস সকাল ৭টার দিকে দৌঁড় শেষ করেন, অর্থাৎ দুই ঘণ্টার কম সময়ে তিনি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেন। এমন কঠিন আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি দৌড়োতে সাহস দেখিয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফিনিশিং লাইন পার হতেই তিনি হঠাৎ বুকের দিকে হাত দিয়ে কিছুটাই অনুভব করেন। সেই সময় উপস্থিত এক কর্মী তার পরিস্থিতি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে থামান এবং পড়ার আগে উদ্ধার কাজে লেগে যান। ফায়ার ও রেসকিউ দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ডাক্তারের তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে দেখা যায় তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে এক ঘণ্টার মধ্যে তিনি মারা যান।
মৃত্যুর আগের কিছু সময় আগে গ্রেভস একটি টিকটক ভিডিওতে বলেছিলেন, “আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত”। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার অত্যন্ত গরম আবহাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
অরেঞ্জ কাউন্টির কোর্টের ময়নাতদন্ত চলছে এবং আগামী সপ্তাহে মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।
জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়া গ্রেভস ‘উইলসন সন্সিনী গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ আইনী সংস্থায় একজন সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর অপ্রত্যাশিত মৃত্যু সব হৃদয়কে শোকাবহ করে তুলেছে, অনুরাগীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া পড়েছে।
-

ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললেন হেমা মালিনী
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনী প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন। বর্ষীয়ান এই অভিনেতা ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জল্পনা চলছিল। মৃত্যুকালে তাঁর জুহু বাসভবনের সামনে যখন অ্যাম্বুলেন্স দেখা যায়, তখন চারদিকে চূড়ান্ত উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে নিশ্চিত হয় যে, তিনি আর বেঁচে নেই। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের শীর্ষ এই তারকার অনেকে—अমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অনেকে।
ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত তার পরিবার থেকে কেউ কোনো মন্তব্য করেননি, তবে অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙ্গলেন হেমা মালিনী। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা শেয়ার করেন, যেখানে তার স্বামীকে নিয়ে বহু অদেখা ছবি এবং স্মৃতিচারণা থাকলো।
হেমা লিখেছেন, ধর্মজি ছিলেন তার জীবনের নানা দিকের সম্মিলিত প্রতিভা—স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার ভালোবাসার বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি এবং এক সময়ের সঙ্কটের মাঝে ভরসার নিরাপদ আশ্রয়। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, স্নেহ ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতেন।
তিনি আরো লিখেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে জনসাধারণের মধ্যে তার প্রতিভা, জনপ্রিয়তা কেবল নয়, বরং তাঁর বিনয় এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তির মধ্যেও অসাধারণ করে তুলেছিল। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ব্যক্তিগতভাবে এই শূন্যতা তাকে ভাষায় প্রকাশের বাইরে অনেক বেশি ক্ষতি বয়ে আনবে। এতদিনের সঙ্গ ছেড়ে এখন সেই স্মৃতিময় মুহূর্তগুলোর মাঝেই থাকতে হবে তাকে।
বলা প্রয়োজন, বলিউডের এই কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেম ও বিবাহের গল্প ছিল নানা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু। ধর্মেন্দ্র আগে ছিলেন প্রকাশ কৌর-এর স্বামী, এবং তাদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা ও অজিতা দেওল। তবে সিনেমার কাজে গিয়ে ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে হেমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা এক সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবন্ধু হয়ে দাঁড়ায়।
হেমা ও ধর্মেন্দ্র ১৯৮০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই বিবাহের ফলে তখন অনেক বিতর্কের জন্ম হলেও, দীর্ঘ১৮ বছর পরে তাঁদের সংসারে দুই কন্যা—ঈশা ও অহনা জন্ম নেয়। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে, চার দশকের বেশি সময় ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে প্রেম ও গভীর বন্ধন অটুট ছিল।
ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে মোট ৪০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ছবি হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাসিন মায় জওয়ান’ ইত্যাদি।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
-

নায়িকা পপি বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠালো পরিবার
বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে সম্পর্কের জটিলতায় সাদিকা পারভিন পপি নামে চিত্রনায়িকা জনপ্রিয় এই তারকার বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার চাচাতো বোনজামাই মো. তারেক আহমেদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) এই নোটিশটি খোলা হুকুমে রেজিস্টার্ড ডাকের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেন তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজেই। তিনি জানান, তার স্ত্রী সম্পর্কের আত্মীয় পপি বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে আসছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘প্রযোজ্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি এই বিষয়গুলো অবগত করেছি। তবে তিনি নীতি ও নৈতিকতার ঊর্ধ্বে থেকে নানা মাধ্যমে আমার নামের অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’
এর আগে, পপির বিরুদ্ধে গোপন তথ্য ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশের জন্য থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন তারেক আহমেদ চৌধুরী।
আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল জানান, তার মক্কেল ঢাকায় একটি বিশিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কর্মরত। তারেক আহমেদ চৌধুরী তার চাচার জামাতা, যার সঙ্গে পপির বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয় যে, একটি পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। সেই সম্পত্তি, যা পপি’র প্রিয় চাচার মালিকানাধীন ছিল, তারেক আহমেদ চৌধুরীর স্ত্রীর মাধ্যমে এবং হেবার মাধ্যমে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। এই কারণে তারা আইনি মালিক। তবে, তারেক আহমেদ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পত্তির কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি এতে কোন দখল বা স্বার্থও রাখেন না।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২১ নভেম্বর সম্প্রচারিত টিভি অনুষ্ঠানে পপি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করেন এবং তা প্রকাশ করেন।
-

প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই
নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেনস সুমন (গালীব আহসান মেহদী) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন থাকাকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠজন ঈশা খান।
প্রাথমিক খবরে জানা যায়, দুপুরে হঠাৎ তীব্র বুক ব্যথা অনুভব করেন জেনস সুমন। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৯৯০ এর দশকে ‘একটা চাদর হবে’ গান দিয়ে সমালোচকদের মোহন করে প্রথম আলোচনায় আসেন জেনস সুমন। ইথুন বাবুর কথা, সুর ও সংগীতে রচিত এই গান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন মিক্সড অ্যালবামসহ একাধিক জনপ্রিয় গান প্রকাশ করে শ্রোতাদের মনে ঠাঁই করেন তিনি। দীর্ঘ এক যুগের বিরতির পর চলতি বছর আবার সংগীতে সক্রিয় হন জেনস সুমন। সম্প্রতি প্রকাশিত হয় তার গাওয়া ‘আমি চাইব না’ গান, যেখানে তিনি জানান, নতুন কিছু গানে তিনি ফিরছেন। তবে তার ফিরে আসার আগেই তিনি চলে গেলেন।
জেনস সুমনের প্রথম একক অ্যালবাম ‘আশীর্বাদ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর ঊনিশ শতকের শেষের দিকে বের হয় ‘আকাশ কেঁদেছে’, ‘অতিথি’, ‘আশাবাদী’, ‘একটা চাদর হবে’, ‘আয় তোরা আয়’, ‘চেরী’সহ বেশ কিছু জনপ্রিয় অ্যালবাম। তার সর্বশেষ অ্যালবাম ছিল ২০০৮ সালে প্রকাশিত ‘মন চলো রূপের নগরে’।
-

শাকিবের ‘পাইলট’ লুক সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলছে
মেগাস্টার শাকিব খান আবারো আলোচনায় আসছেন ঢালিউডের ভেতর। এই সময়ে তার প্রতিটি নতুন লুক ও পোশাক সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে জনপ্রিয়তা পান। শাকিবের বিভিন্ন প্রোজেক্টের লুক বা বিজ্ঞাপনের চরিত্র যা-ই হোক না কেন, তা তুমুল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি, তিনি একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয় করেছেন, যা প্রকাশের পরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বিজ্ঞাপনের জন্য শাকিবের কিছু নতুন লুকের ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেন তিনি। সেসব ছবিতে দেখা যায়, সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন শাকিব খানকে—একটি নেভি ব্লু ক্যাপ্টেন ইউনিফর্ম পরা, গম্ভীর ও পরিপাটি লুক, চোখে সানগ্লাস এবং পরিচ্ছন্ন গোঁফে তিনি ভক্তদের মন জয় করেছেন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আকাশটা সীমা নয়, এটি শুরু করার স্থান!’
একই সঙ্গে এই ছবি প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায় নেটদুনিয়ায়। ভক্তরা প্রশংসায় ভাসিয়ে বলেছেন তাকে। কেউ লিখেছেন, “এটাই আমাদের ক্যাপ্টেন শাকিব!” অন্যজন মন্তব্য করেছেন, “চলচ্চিত্রের পাইলট।” তবে অনেক নেটিজেন বিশ্বাস করছেন, এই লুকগুলো এআই বা কম্পিউটার জেনারেটেড হতে পারে, যদিও কোনো টেকনিক্যাল প্ল্যাটফর্ম এটি নিশ্চিত করেনি।
অন্যদিকে, শাকিব খান এখন আলোচনায় আরও আছেন তার আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়ে। এই সিনেমায় তাকে একজন দেশপ্রেমিক চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি একা লড়াই করবেন দুর্নীতি, সিন্ডিকেট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স এই সিনেমাটি পরিচালনা করছে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবরের উপর ভিত্তি করে শাকিবের নতুন নাটকীয় বিরুপিশ্রুতি ও প্রত্যাশা ব্যাপক বাড়ছে।
-

বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ টেস্টে আম্পায়ার হলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন গর্বের অধ্যায় যোগ হলো। প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য গর্বের কোনও ব্যাপার হয়ে উঠেছেন, কারণ এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উপস্থিতির এক বিশাল মানদণ্ড।
এই দারুণ সুযোগ পেয়ে প্রশংসায় ভাসান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। তিনি নিজের ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। এটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এক গর্বের ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সিরিজে আপনার মতো একজন বাংলাদেশির অংশগ্রহণ সত্যিই অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। আমি আশা করি, আপনার সফলতা অন্য আরও অনেক ক্রিকেটারকে inspired করবে এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি ট্যালেন্ট এই উচ্চতানে পৌঁছাতে পারবে।’
ইমরুলের এই উচ্ছ্বাস আর গর্বের প্রকাশটাই দেখিয়ে দেয়, এ ধরণের অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সফলতা নয়, এটি জাতির জন্য সম্মানের বিষয়।
অ্যাশেজ সিরিজের গুরুত্ব বুঝতেই পারি, যেখানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ও মনোমুগ্ধকর দিকগুলোর মধ্যে একটি এটি। বাংলাদেশের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মানে হলো আন্তর্জাতিকমানের স্বীকৃতি। এর আগেও সৈকত ধারাবাহিকভাবে বিশেষ কিছু ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা আর পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেয়েছেন, যেখানে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের ম্যাচে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারের জন্য এক নতুন দূরত্বের সূচনালগ্ন। সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সিরিজগুলোতে আম্পায়ার করা মানে হল সব প্রতিযোগিতায় শীর্ষ পর্যায়ের স্বীকৃতি, আর এখন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই সম্মান অর্জন করেছেন শরফুদ্দৌলা সৈকত। এটি নিশ্চিতভাবেই দেশের জন্য একটা বড় অর্জন, যা দেশের অন্যান্য তরুণ আম্পায়ারদের জন্যও অনুপ্রেরণা জুগাবে।
-

আশরাফুল থাকবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্যাটিং কোচ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রকাশ করেছে যে, জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুলের দীর্ঘমেয়াদে নিয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি, তাকে আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব দিয়ে রাখতে যাওয়া হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন আশরাফুল। তার কাজের ধরন এবং দক্ষতা দেখে বোর্ডের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সে জাতীয় দলের সঙ্গে ক্যানের মতো থাকবে।’ তিনি যোগ করেন, কত বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে, একটি সূত্র জানায়, আলোচনা হয়েছে চট্টগ্রামে সিরিজ শেষে। সেখানে আশরাফুলের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই এ ব্যাপারে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি করতে সম্মত হয়েছেন।
আশরাফুলের কোচিং ক্যারিয়ার দীর্ঘদিনের নয়। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রংপুর রাইডার্সে মিকি আর্থারের সহকারী কোচ ছিলেন। এছাড়া, গ্লোবাল টি২০ টুর্নামেন্টে রংপুরের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশীয় ক্রিকেটে তার কোচিং অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত, যেমন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বরিশাল দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।
বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও। একই সঙ্গে, ৬ ডিসেম্বর থেকে মিরপুরে এক সপ্তাহের জন্য টি২০ ও ওয়ানডে দলের batters নিয়ে ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পে উপস্থিত থাকবেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, সহকারী কোচ সালাউদ্দিন ও নতুন দায়িত্বে থাকা ব্যাটিং কোচ আশরাফুল।
-

ফকিরহাটে আট দলীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
ফকিরহাটে আট দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আটটি কিলোমিটার দীর্ঘ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় কাজী আজহার আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার শুভ সূচনা করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন। তিনি বেলুন, ফেস্টুন উড়িয়ে ও কবুতর উড়িয়ে খেলাধুলার এই মহোৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির পাশাপাশি এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আইরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহনেওয়াজ মেহেদী, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হুসাইন আহম্মেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ তৈয়বুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আট্টাকী যুব সংঘের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যরা শেখ মুশফিকুজ্জামান রিপন, মো: জিয়াউর রহমান জিয়া, ইউপি সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শেখ সৈয়দ আলী, ক্লাবের সভাপতি তৈয়বুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মামুন ফকির, সহ-সভাপতি তানভীর ইসলাম লিমন, রবীফকিরসহ অন্যান্যরা। খেলোয়াড়রা এ উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে। খেলায় নৈহাটী সান স্পোটিং ক্লাব ২-০ গোলের ব্যবধানে খুলনা টাইগার ক্লাবকে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন মো: মিরাজ সরদার, সহকারী ছিলেন সুমন রাজু ও জসিম। এই পরিবেশে দেশের ও বিদেশের খেলোয়াড়দের খেলা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক ভিড় করেন এবং মাঠে উপভোগ করেন এই সুন্দর প্রতিযোগিতা।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন বলেন, এ ধরনের খেলাধুলা সমাজকে সুন্দর করে তোলে, যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক হয়। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা যুবকদের সহনশীলতা, teamwork ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সমাজের সমন্বয় সাধনে সহায়ক।
