Blog

  • শ্বাসরোধে র‌্যাব সদস্যের স্ত্রীর হত্যাসহ স্বর্ণালঙ্কার চুরি

    শ্বাসরোধে র‌্যাব সদস্যের স্ত্রীর হত্যাসহ স্বর্ণালঙ্কার চুরি

    জামালপুরে এক ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে যেখানে র‌্যাব সদস্যের স্ত্রী লিপি আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। একই সঙ্গে তার স্বর্ণালঙ্কারও চুরি এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে সরিষাবাড়ী পৌরসভার শিমলা বাজারের গৌরী শংকর (গণময়দান) মাঠ সংলগ্ন এলাকার এক ভাড়া বাসায়। সরিষাবাড়ী থানার ওসি মো. বাচ্ছু মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত লিপি আক্তার পূর্বে একই উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের শুয়াকৈর এলাকার মৃত কাদের মন্ডলের ছেলে মহর আলীর স্ত্রী। তিনি র‌্যাব-২ এর উপ-পরিদর্শক মহর আলীর স্ত্রী। মহর আলী ঢাকার মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় কর্মরত আছেন। হত্যার সময় লিপি আক্তারের ১১ বছরের মেয়ে নিথি আক্তারকেও ভয় দেখানো হয়। গত কয়েক বছর ধরে লিপি আক্তার শিমলা বাজারের গৌরী শংকর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে লিপি খাতুন তার মেয়ে নিথি আক্তারকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই ঘুমিয়ে পড়েন। তবে ভোরের দিকে কেউ ঘরে প্রবেশ করে। চোরচক্রটি গেড়ে গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকে। তবে চোরকে চিনে ফেলায়, মামলার শিকার এই ব্যক্তির গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। সকালে স্থানীয়রা খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ওসি মো. বাচ্ছু মিয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • মীরসরাইয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    মীরসরাইয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল কর্মী নিহত

    চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট এলাকায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যার نتيجه হিসেবে এক ছাত্রদল কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ তাহমামিদ উল্লাহ (২৩), তিনি বারইয়ারহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকার মোহাম্মদ আলমগীরের ছেলে। তাহমিদ ছাত্রদলের পাশাপাশি বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন এবং পরে তিনি ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের উত্তর জেলা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপি সমর্থক হিসেবে কাজ করতেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বারইয়ারহাট বাজারের একটি সালিশের ঘটনায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে মারামারির মধ্যে গুরুতর আহত হন তাহমিদ। তাকে প্রথমে জয়রগঞ্জের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়, পরে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে ২৮ নম্বর নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাহমিদ উল্লাহর মৃত্যু ঘটে।

    চমেক হাসপাতালে দায়িত্বরত জেলা পুলিশে উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তার শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

    জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক জানান, বারইয়ারহাট বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় মোহাম্মদ তাহমামিদ উল্লাহ গুরুতর আহত হন, পরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • কাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    কাল আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোট

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বাজারে উদ্বোধন করা হবে নতুন ডিজাইনের ৫০০ টাকার নোট। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে জানিয়েছে যে, এই নতুন নোটটি প্রথমে মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু হবে, এরপর অন্যান্য অফিসগুলোতেও পাওয়া যাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    নতুন ৫০০ টাকার নোটের সামনের দিকের ডিজাইনটি বেশ আকর্ষণীয় এবং সৌন্দর্যময়। এতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি রয়েছে, যার পাশে দণ্ডায়মান পাতা ও কলিসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে। মাঝখানে শাপলার মতো জাতীয় ফুলের ছবি স্থান পেয়েছে। আবার পেছনে দেখা যাবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রাচীন নির্মাণশৈলী।

    নোটের জলছাপে রয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, যা অত্যাধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর নিচে ইলেকট্রো টাইপের মাধ্যমে লেখা ‘৫০০’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম দেখা যাবে। পুরো নোটটি সবুজ রঙের আধিক্যজনক ব্যবহারে তৈরি।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এই নতুন সিরিজের নোটটি ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শিরোনামে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে। এই সিরিজের আওতায় ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকার নোট মুদ্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ১০০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট বাজারে এসেছে। এবার আসছে ৫০০ টাকার নোট।

    নতুন নোটটির নিরাপত্তা বেশ কিছু আধুনিক বৈশিষ্ট্য সংযোজিত হয়েছে। এর মধ্যে রঙ পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নোটটি নাড়ালে ডান পাশে লেখা ‘৫০০’ সবুজ থেকে নীল রঙে পরিবর্তিত হয়। এছাড়া লাল ও স্বর্ণালী রঙের পেঁচানো নিরাপত্তা সুতা দিয়ে সজ্জিত, যা আলোতে ধরলে ‘৫০০ টাকা’ লেখা দেখা যায়।

    সঙ্গে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের ডান দিকের নিচে পাঁচটি উঁচু বৃত্ত পৌষিপ্তভাবে স্পর্শে অনুভবযোগ্য করে তোলা হয়েছে। নোটের শহীদ মিনার, মূল্যমানসহ কিছু অংশ ইন্টাগ্লিও প্রিন্টে নকশা করা হয়েছে, যা স্পর্শে উঁচু মনে হবে। এছাড়া গোপনে নোটের কোণে ‘৫০০’ লেখা রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কোণে দেখলে স্পষ্ট হয়। নোটের কাগজে লাল, নীল ও সবুজ তন্তু ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিশেষ আলোতে দৃশ্যমান হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট চালু হলেও পুরনো কাগজের নোট ও কয়েনের প্রচলন আগের মতোই থাকবে। এছাড়াও, মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য বিশেষ নমুনা (অবিনিময়যোগ্য) ৫০০ টাকার নোট তৈরি করা হয়েছে, যা টাকা জাদুঘর, মিরপুর থেকে নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

  • প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কমানোর নতুন উদ্যোগ

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ ও প্রবাহ আরও উন্নত করতে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের বাইরে থেকেমাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর সার্বিক খরচ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং এই খরচ বৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর থেকে প্রবাসীদের পাঠানো সব ধরনের রেমিট্যান্সের ঝামেলামুক্ত ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করবে। এ জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিদেশের এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রতিদিনের রেমিট্যান্স লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য পরের দিন দুপুর ১২টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার বুধবার জারি করেছে, যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এর লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাংকের মতন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা। জানা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন দেশের ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ফি আরোপ করে থাকে, যা রেমিট্যান্স খরচের অব্যাহত বৃদ্ধির কারণ। এর ফলে বাংলাদেশেও রেমিট্যান্স পাঠানোর সময় বিভিন্ন চার্জ ও ভ্যাট যোগ হয়, যার কারণে খরচ বেড়ে যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, প্রবাসীরা প্রতিদিন প্রেরিত টাকা, রেমিট্যান্সের ধরন, মূল্যে বিনিময় হার, ফি ও করের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে কিভাবে এ খরচ কমানো যায়। বর্তমানে ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের অর্থ তাদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে কোন ফি নেয় না, এছাড়া বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর বিনিময় হারেও সমতা আনা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান আরও সুদৃঢ় হবে ও খরচের অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে প্রত্যাশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানিতে সরকার অনুমতি দিচ্ছে

    বাজার অস্থির, পেঁয়াজ আমদানিতে সরকার অনুমতি দিচ্ছে

    অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। দামের অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশের বাজারে সর্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোববার থেকে সীমিত আকারে পেঁয়াজের আমদানি অনুমতি দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ৫০টি করে ইপিএস (আমদানি অনুমতির) ইস্যু করা হবে, যেখানে প্রতি আইপিতে সর্বোচ্চ ৩০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়া হবে। এই সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জাকির হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন। এতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১ আগস্টের পর যারা আমদানির জন্য আবেদন করেছেন, তারা আর আবেদন পুনরায় দাখিল করতে পারবেন না। একজন আমদানিকারক একবারই এই অনুমতিপত্র পেতে পারেন। এই পদক্ষেপটি বাজারে পেঁয়াজের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং সাময়িকভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য নেয়া হয়েছে।

    প্রায় এক মাস আগে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম আকাশ ছুঁয়েছে; চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই দাম ৪০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে কেজিতে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় পৌঁছে গেছে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমদানি অনুমতি দেয়ার ফলে দাম কিছুটা কমে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় নেমে আসে। তবে সরকার জানিয়েছে, বাজারে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং শিগগিরই নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। এই জন্য তারা আমদানির অনুমতি দিচ্ছেন না, যাতে কৃষকের স্বার্থ রক্ষা হয়।

    তবে এই পদক্ষেপের সুবিধা নিচ্ছেন মজুতদার ব্যবসায়ীরা, যার ফলে আবারও দাম বাড়ছে। বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দামiscipline মানে ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে টিসিবির হিসেব মতে, গত বছরের তুলনায় এখনো ১০ শতাংশ কম দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এছাড়া, বাজারে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ না এলেও পাতাযুক্ত পেঁয়াজ এসেছে, যার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

    ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, আমদানির অনুমতি না দেয়ার খবরে দর আবার বেড়ে গেছে। মজুতদার ও কৃষক পর্যায়ে দামের এই বৃদ্ধির ফলে পাইকারি এবং খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।

    এর আগে, ৯ নভেম্বর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছিলেন, যদি চার-পাঁচ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম না কমে, তাহলে আমদানির অনুমোদন দেয়া হবে। তিনি জানান, বর্তমানে সরকারের কাছে ২ হাজার ৮০০টি আবেদন রয়েছে পেঁয়াজ আমদানি করার জন্য। এর দশ শতাংশ অনুমোদন দিলেই দেশে পেঁয়াজের বাজার সয়লাব হবে; তবে দাম দ্রুত কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সরকারের পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রয়েছে।

  • নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.২৯ শতাংশ

    অক্টোবর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও নভেম্বর মাসে তা আবার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ হার গত বছরের নভেম্বরে ছিল ১১ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা তুলনামূলকভাবে কম। আজ রোববার (৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বিবিএসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। এভাবে টানা দুই মাস ধরে খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বাড়ছে।

    দেশে গত তিন বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রবণতা বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।

    বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৪ শতাংশ, অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

    মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে গেছে না, বরং এটি বোঝায় যে অন্যান্য মাসের তুলনায় নির্দিষ্ট মাসে দাম চাপ কিছুটা কম হয়েছে।

    বিগত দুই-তিন বছরে অর্থনীতির মূল চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বাড়ানোর মাধ্যমে এ সমস্যা কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তদ্ব্যতীত, এনবিআর কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য যেমন তেল, আলু, পেঁয়াজ ও ডিমে শুল্ক ও কর কমিয়ে বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়।

  • তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বেড়েছে

    তিন মাসে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ৭৩৪ জন বেড়েছে

    দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছর মার্চের তুলনায় জুনে এই সংখ্যাটি বেড়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ৭৩৪টি কোটিপতি অ্যাকাউন্ট যোগ হয়েছে। তবে কোটিপতি অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বাড়লেও জমা অর্থের মোট পরিমাণ কিছুটা কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন শেষে ব্যাংকিং সেক্টরে মোট অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ কোটির ৯০ লাখ ২ হাজার ৬৭১টি। সেপ্টেম্বরের শেষে সেই সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ১৭ কোটি ৪৫ লাখ ৯৬ হাজার ৭০০টি—অর্থাৎ তিন মাসে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৯টি। এছাড়া, একই সময়ে ব্যাংকগুলোতে মোট আমানতও সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল প্রায় ২০ লাখ ১৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা, যা সেপ্টেম্বরের মধ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে, তিন মাসে মোট আমানত বেড়েছে প্রায় ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।

    কোটিপতি অ্যাকাউন্টের প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান বলছে, জুন শেষে এই ধরনের অ্যাকাউন্ট ছিল ১২৭,৩৩৬টি। সেপ্টেম্বরের মধ্যে তা বেড়ে ১২৮,৭০টি—অর্থাৎ, তিন মাসে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৭৩৪টি। মার্চের শেষে এই সংখ্যা ছিল ১২১,৩৬২টি।

    উল্লেখ্য, জুন শেষে কোটিপতি অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা ছিল প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার ৭৭২ কোটি টাকা। কিন্তু সেপ্টেম্বরের শেষে সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২১ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা—অর্থাৎ, তিন মাসে কমেছে প্রায় ৫৯ হাজার ২০৯ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, কোটিপতি হিসাব মানেই এই নয় যে সব কোটিপতি ব্যক্তি। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসব অ্যাকাউন্টে ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে অনেক বেসরকারি, সরকারি ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের অর্থও থাকতে পারে। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অনেক অ্যাকাউন্টে থাকতে পারে। সুতরাং, এই সেটি কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বৃহৎ অর্থে বোঝানো হয়।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল শুধুমাত্র ৫ জন। এরপর ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯৭৫ সালে ৪৭, ১৯৮০ সালে ৯৮টি, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি এবং ২০০১ সালে পৌঁছায় ৫ হাজার ১৬২টিতে। ২০০৬ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় অর্থাৎ প্রায় ৮ হাজার ৮৭৭টি। ২০০৮ সাল নাগাদ এটি ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি।

    সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০ সালে ৯৩ হাজার ৮৯০টি, ২০২১ সালে এক লাখ ৯ হাজার ৭৬টি, ২০২২ সালে ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪৬টি, ২০২৩ সালে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯০৮টি এবং ২০২৪ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে এক লাখ ২১ হাজার ৩৬২টি অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে।

  • এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫ জন মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এই মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেন। সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, আমাদের মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এই মুহূর্তে প্রাথমিক নির্বাচনী তালিকা প্রকাশ করা হবে। কোনো প্রার্থী যদি তালিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, আমাদের মনোনয়ন তালিকায় বেশ কিছু ব্যতিক্রমী প্রার্থী রয়েছেন। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সবাই ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলবেন, আর আমাদের প্রার্থীরাও ভোট চাইবেন। আমাদের লক্ষ্য আমাদের দল ও দেশবিরোধী অপকর্ম, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ ও অন্য কোনো অপরাধীকে সংসদে পাঠানো নয়। প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি কোনো অবৈধ অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়া হবে। আমরা প্রথম তালিকা ঘোষণা করব, এরপর আরও দুটি তালিকা আসবে।

    প্রার্থীদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

    ১. পঞ্চগড়–১: মো. সারজিস আলম
    ২. ঠাকুরগাঁও–২: মো. রবিউল ইসলাম
    ৩. ঠাকুরগাঁও–৩: মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম
    ৪. দিনাজপুর–৩: আ. হ. ম. শামসুল মুকতাদির
    ৫. দিনাজপুর–৫: ডা. মো. আব্দুল আহাদ
    ৬. নীলফামারী–২: ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন
    ৭. নীলফামারী–৩: মো. আবু সায়েদ লিয়ন
    ৮. লালমনিরহাট–২: রাসেল আহমেদ
    ৯. লালমনিরহাট–৩: মো. রকিবুল হাসান
    ১০. রংপুর–১: মো. আল মামুন
    ১১. রংপুর–৪: আখতার হোসেন
    ১২. কুড়িগ্রাম–১: মো. মাহফুজুল ইসলাম
    ১৩. কুড়িগ্রাম–২: ড. আতিক মুজাহিদ
    ১৪. কুড়িগ্রাম–৩: ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি
    ১৫. গাইবান্ধা–৩: মো. নাজমুল হাসান সোহাগ
    ১৬. গাইবান্ধা–৫: ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান
    ১৭. জয়পুরহাট–১: গোলাম কিবরিয়া
    ১৮. জয়পুরহাট–২: আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল
    ১৯. বগুড়া–৬: আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি
    ২০. চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২: মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান)

    এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীর নামের তালিকা নিম্নরূপ যা বিভিন্ন জেলা ও স্থান থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে। এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এনসিপি নির্বাচনের জন্য তাদের মনোনীত প্রার্থীদের সনদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্টির নেতারা।

  • নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণাটি দেন। তিনি বলেন, যদি কাওো প্রার্থী দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের সঙ্গে যুক্ত বা জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তবে তার প্রার্থীতাও বাতিল করা হবে। এপ্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান এবং চলতেই থাকবে।

    প্রচারে আরো সকালে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ১২৫ জন প্রার্থীকের নাম ঘোষণা করেন। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দল কোনো আসন ভিন্ন কারো জন্য নির্দিষ্ট করে রাখতে চাননি। প্রাথমিকভাবে যেসব আসনের মনোনয়ন নির্ধারিত হয়েছে, তা আমাদের মনোনয়ন বোর্ডের রিপোর্ট অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, যাতে কেউ অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। অভিযোগ থাকলে, সেই অনুযায়ী প্রার্থীতাও বাতিল হতে পারে।

    নাহিদ আরও জানান, যা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছে, তাঁদের জন্য তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা তালিকায় জায়গা পাননি বা প্রত্যাশী ছিলেন তা অর্জন করতে পারেননি, তাদের কাছে আমাদের আহ্বান—আমরা ভবিষ্যতেও তাঁদের মূল্যায়ন করবো।

    তিনি emphasize করেন, এনসিপি সাধারণ মানুষের, রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী এবং দেশের পরিবর্তন চেক মতো ব্যক্তি ও সংগঠনের কাছে বিনা দ্বিধায় নমিনেশন দিচ্ছে। এছাড়াও দল বাইরের পেশাজীবী, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকেও মনোনীত করছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। নারা, পুরুষ, সংখ্যালঘু, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মধ্যে সমন্বয় করেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চূড়ান্ত ৩০০ আসনে মনোনয়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যেখানে এখনও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি বা দেওয়া হয়েছে, সেখানে আরও ভালো প্রার্থী থাকলে বিবেচনা করা হবে। যদি কেউ অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তার মনোনয়ন বাতিলও হতে পারে।

    তিনি শেষ মুহূর্তে বলেন, নতুন প্রার্থী ও ভালো সম্ভাবনাময় প্রতিযোগীদের বিনা দ্বিধায় মনোনয়ন দেওয়া হবে।

  • এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    নির্বাচনী লড়াই শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথম দফায় ১২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে তাদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের সভাপতি আখতার হোসেন প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।

    প্রথম দফার এই প্রার্থী তালিকায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে নেতৃত্বদানকারী একজন মুখ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে ঢাকা-১১ আসনে (বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা এলাকা) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তাসনিম জারা বলেন, দলের একজন সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তবে, এনসিপির প্রার্থী তালিকা অন্যান্য দলের থেকে ব্যতিক্রমী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নেতৃত্বদানকারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, এবারের নির্বাচনে তারা ব্যাপকভাবে ব্যালট রেভল্যুশন চালানোর পরিকল্পনা করেছেন। তিনি দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য প্রার্থীদের আহ্বান জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্য নেতারাও। এই প্রাথমিক ঘোষণা নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।