Blog

  • নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে

    নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আগামী নির্বাচন শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের হারানো অধিকার ফিরে আনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। তিনি বলেন, ধানের শীষ হবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতীক।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দৌলতপুরে মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য বিভাগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের আয়োজনে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি এলাকার জনগণের জন্য নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন সন্তানের মতো কাজ করতে চাই। আমি চাই আপনাদের ঘরের সন্তান হয়ে আপনার সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে। একটি এমন সরকার দরকার, যারা সত্যিই জনগণের কথা শুনবে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করবে।

    এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি খুলনার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আপনারা যত ভোট দিবেন, তা-ই একটি সুন্দর, আধুনিক ও বাসযোগ্য খুলনা গড়ার ভিত্তি হবে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন সম্ভব। যদিও বাধা ও ভীতি তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে, তবুও আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ধানের শীষই হবে আপনার আস্থার প্রতীক।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য বিভাগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।

    এছাড়া এই আলোচনায় অংশ নেন সেলিম মাস্টার, আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব জলিল হাওলাদার, ফিরোজ আকন, মোঃ মোতালেব সরদার, মোঃ সালাম সরদার, শেখ সাদী, এম মুর্শিদ কামাল, শেখ ইমাম হোসেন, মোঃ বাবুল সরদার ও আব্দুল মহিদ খানসহ আরও অনেকে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংক থেকে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার কিনলো ১৩ ব্যাংক থেকে

    চলতি ডিসেম্বরে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছ। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে দেশের বাইরে থেকে আগত ডলারশব্দে উদ্বৃত্তের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি সমাধানে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য রক্ষা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার (গতকাল) ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৪ কোটি ডলার সংগ্রহ করে।

    মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এই ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে। এখনও পর্যন্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ডলার সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮০৪ মিলিয়ন বা ২.৮০ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, চলমান ডিসেম্বর মাসের ১ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে দেশে প্রায় ১২৯ কোটি ডলার প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ১০৯ কোটি ১০ লাখ ডলার, অর্থাৎ এ বছর প্রবাসী আয় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    অপরদিকে, জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই অর্থবছরে মোট ১৪৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১২২৩ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে দেশের প্রবাসী আয় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবাহ বাড়ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করছে।

    এছাড়াও, সম্প্রতি সমাপ্ত নভেম্বর মাসে বাংলাদেশি প্রবাসীরা প্রায় ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার (প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

  • দেশের এবং বিদেশে মোট ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    দেশের এবং বিদেশে মোট ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

    বিদেশে পাচার করা অর্থের উদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার পরে, যা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের জন্য নীতিমালা ও কার্যক্রম একত্রীকরণ ও উন্নত করা। সভার সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় দেশের বাহিরে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার কাজে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার লক্ষ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর কিছু ধারা আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • দেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ভাঙল সোনার দাম

    দেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ভাঙল সোনার দাম

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দফায় সোনার দাম বৃ agricultural ধ হয়েছে। ভরি প্রতি ১,০৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ ক্যারেটের সোনার জন্য, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে। নতুন দাম কার্যকর হবে আগামী সোমবার (২২ ডিসেম্বর) থেকে।

    বাজুস বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কিছুটা কমে গেছে। এই প্রভাব বিবেচনা করে তারা নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এর আগে, ১৫ ডিসেম্বর দেশের বাজারে দ্বিতীয় দফায় সোনার দামে পরিবর্তন আনা হয়। তখন ১,৪৭০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৭ টা টাকা।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এখন দাঁড়াবে ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৭ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য দাম পড়ছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির (পুরোনো ধাঁচের) সোনার প্রতি ভরি দাম রয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ টাকা।

    যদিও সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫৭২ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ৪ হাজার ৩৬২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৩২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার প্রতি ভরি বিক্রির দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা।

  • ১ জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা আবার কমবে, নতুন পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন

    ১ জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা আবার কমবে, নতুন পরিকল্পনা প্রক্রিয়াধীন

    অর্থ মন্ত্রণালয় আগামী ১ জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে। আর এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তাব এখন অর্থ ঋণ উপদেষ্টার অনুমোদনের অপেক্ষায়, যা পাবার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন হার কার্যকর হতে শুরু করবে। এরপর অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করবে।

    আন্তর্জাতিক এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র। বর্তমান সময়ে সঞ্চয়পত্রের সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। নতুন প্রস্তাবে গড়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কিছুটা কমিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে।

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এখনো কেউ এই প্রস্তাবটি তার কাছে পৌঁছায়নি। তবে বেসরকারি ব্যাংকিং খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে চেহেASHINGTONনি ব্যাংকাররা কিছুটা হারের কমানোর পক্ষে। সরকার সঠিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেবে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, ছোট অঙ্কের বিনিয়োগে মুনাফা কিছুটা বেশি এবং বড় অঙ্কের বিনিয়োগে কম হবে। যেমন, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা এর কম বিনিয়োগে উচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করা হবে, আর বেশি বিনিয়োগ করতে হলে হার কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    এদিকে, গত ৩০ জুন সরকারই অপ্রতিহতভাবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণ ও তার পরিবর্তন শুরু করে। সে সময় গড়ে মুনাফা কিছুটা কমিয়ে ঘোষণা করা হয়। এরপর ছয় মাসের জন্য তার হার পুনরায় নির্ধারণের পরিকল্পনা ছিল, যা আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে।

    আইআরডির সচিব মোঃ আবদুর রহমান খান বলেন, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে, অর্থ বিভাগের সুপারিশ এলে পরিপত্র জারি করা হবে।

    জনপ্রিয় পারিবারিক সঞ্চয়পত্রের বর্তমান হার, যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরে ১১.৯৩ শতাংশ এবং এর বেশি বিনিয়োগে ১১.৮০ শতাংশ। এর আগে এই হার ছিল ১২ শতাংশের বেশি।

    পেনশনার সঞ্চয়পত্র, বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের হিসাবেও একই হার বহাল থাকছে।

    অন্যদিকে, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড এবং সাধারণ ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের হিসাবের মুনাফার হার অপরিবর্তিত থাকবে।

    বেসরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠানের সংগঠনের নেতা আবদুল হাই সরকার উল্লেখ করেন, সঞ্চয়পত্রের উচ্চ হারের কারণে বৃহৎ বিনিয়োগমূল্য এই টাকা সরকারি খাতে প্রবাহিত হয়। হার কমলে সরকারী অর্থব্যয় ও ব্যাংকিং খাতে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা ঋণ প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) সঞ্চয়পত্র বিক্রির মাধ্যমে সরকার মোট ২,৩৬৯ কোটি টাকা ঋণ সংগ্রহ করেছে। বছরের শুরুতে এই সংখ্যা ছিল ঋণাত্মক, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। অক্টোবর শেষে সরকারের মোট সঞ্চয়পত্রে ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার মতো।

  • রমজানে খেজুর আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক কমালো সরকার

    রমজানে খেজুর আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক কমালো সরকার

    আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে খেজুরের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার বড় ধরনের এমানদারি করেছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানের আবেগ ও চাহিদাকে সম্মান জানিয়ে খেজুরের আমদানিতে বিদ্যমান শুল্কের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ডিউটিকে ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা থাকবে ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    এছাড়াও, বাজেটে উল্লেখ করা হয়, আমদানি অ্যান্ড অগ্রিম করের বিধিমালা সংশোধন করে, খেজুরসহ অন্যান্য ফলের আমদানি ক্ষেত্রে অগ্রিম করের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। গত বছর যে ৫০ শতাংশ অগ্রিম করের ছাড় দেওয়া হয়েছিল, তা চলতি বছরেও অব্যাহত থাকবে।

    এনবিআর বলছে, এই শুল্ক ও করের ছাড়ের ফলে রমজানে খেজুরের আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হবে এবং বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হবে। এর ফলে খুচরা বাজারে খেজুরের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

    রমজান মাসে ইফতারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হিসেবে খেজুরের চাহিদা অনেক বাড়ে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভোক্তাদের উপকারের পাশাপাশি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরাও লাভবান হবেন বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

  • মাত্র ১৪ ঘণ্টায় তাসনিম জারার অ্যাকাউন্টে ২৩ লাখ টাকার অনুদান

    মাত্র ১৪ ঘণ্টায় তাসনিম জারার অ্যাকাউন্টে ২৩ লাখ টাকার অনুদান

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ভোটারদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগে মাত্র ১৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জানিয়েছেন যে, তিনি ২৩ লাখ টাকার বেশি অনুদান পেয়েছেন। এটি এমন এক অপ্রত্যাশিত ও মনোমুগ্ধকর সাড়া—যা তিনি নিজেও কল্পনাও করেননি। ডা. তাসনিম জারা ধীরে ধীরে জানিয়েছেন, নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে পারবে, যা ভোটার সংখ্যা ও আনুসঙ্গিক নিয়মের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত। ঢাকার ৯ নম্বর সংসদীয় আসনে এর ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার, ফলে তিনি অর্থের মোট প্রয়োজনীয় পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন প্রায় ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। এই লক্ষ্য পূরণ হলে ফান্ডরেইজিং বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাত ২টার পরে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হওয়ায় এখন বিকাশের মাধ্যমে আর অর্থ পাঠানো সম্ভব নয়; বর্তমানে অনুদান গ্রহণের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থাও চালু রয়েছে। এর আগে সোমবার রাতে, ডা. তাসনিম জারা একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভোটার, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন, যেন তিনি নির্বাচনী খরচ নির্বিঘ্নে চালাতে পারেন।

  • সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া কেউ বক্তব্য দেবেন না

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ছাড়া কেউ বক্তব্য দেবেন না

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি নিজে ছাড়া অন্য কেউ ভাষণ দেবে না। এই বিষয়টি তিনি বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেছেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমান এমন কোনো কর্মসূচি সমর্থন করেন না যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। তিনি ইতিমধ্যেই লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেননি। এ জন্য তিনি সাধারণ মানুষের অসুবিধা দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন। তারা রাজধানীর একপাশে ৩০০ ফুট প্রশস্ত সড়কের সার্ভিস লেনে সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন, যেখানে শুধু তারেক রহমানের উপস্থিতি ও বক্তব্য থাকবে। অন্য কোনো বক্তা থাকবেন না এবং নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী কাঞ্চন ব্রিজ ব্যবহার করে পাঠানবাড়িতে আসার জন্য।

    তিনি আরও জানান, তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মায়ের কাছে যেতে চান। তিনি পিতার ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতেও আগ্রহী। তিনি এমন একটি দিন নির্ধারণ করেছেন, যা বাংলাদেশের সরকারি ছুটির মধ্যে পড়ে, যাতে তিনি স্বদেশে ফিরে আসতে পারেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তারেক রহমান বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটে সকাল ১১:৫০ মিনিটে রাজধানীতে অবতরণ করবেন। এরপর বিএনপির অন্যান্য নেতা-নেত্রীরাও তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন। তিনি বিমানবন্দর থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন, এর পথে সংক্ষিপ্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।

    সংবর্ধনা পুষ্পস্তবক প্রদান, দোয়া ও দেশ ও দলের কল্যাণ কামনায় আয়োজনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হেল্প ডেস্ক, পার্কিং এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য প্রস্তুত থাকবো। তবে এই বড় আয়োজন যেন কোনও ত্রুটি ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, এ জন্য নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

  • বিএনপি শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়েছে

    বিএনপি শরিকদের জন্য আরও ৮ আসন ছেড়েছে

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি আরও বেশ কয়েকটি আসন শরিক দলগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। একদিন আগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।এতে উল্লেখ করা হয়, এলডিপি থেকে বিএনপিতে যোগদানকারী ড. রেদোয়ান আহমেদ কুমিল্লা-7, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর মোস্তফা জামান পিরোজপুর-1, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর পটুয়াখালী-3, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ঝিনাইদহ-2, বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ ঢাকা-13 ও গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-6 ও ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি রশিদ যশোর-5 থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে ফখরুল বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপি আর কোনো প্রার্থী দেবে না। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়লেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, যেসব আসনে দলীয় সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে, সেগুলোর জন্য বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। কেবল ঐসব আসনে যেসকল শীর্ষ দল বা শরিক দলকে বিশেষ সমঝোতার মাধ্যমে আসন দেয়া হবে, তারাই প্রার্থী হতে পারবে। এতে আওয়ামী লীগ বা অন্য দলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রয়োজনে বিএনপি তাদের প্রার্থী না দিয়ে সমঝোতায় যেতে চায় বলে জানা গেছে। এ ছাড়া, বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় দলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।প্রসঙ্গত, এই অংশের মতে, বলাই বাহুল্য যে, বিএনপি এই নির্বাচনে শরিক দলগুলোকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্যই তারা তাদের দলের মধ্য থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দেশেবিচ্ছিন্ন করে ও দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান শাদাহাৎ হোসেন সেলিম নিজ দল বাজেয়াপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। পরে তাকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একইভাবে, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও নিজেদের দল ঢাকা-১ পুর্নবিবেচনা করে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে প্রার্থী হতে চান। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে বিএনপি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।গতকাল মঙ্গলবার, বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেন, জমিয়তের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার ভিত্তিতে তারা চারটি আসনে প্রার্থী দেবে না। এ চার আসন হলো, নিলফামারী-১ (মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী), নারায়ণগঞ্জ-৪ (মনির হোসাইন কাসেমী), সিলেট-৫ (মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (জুনায়েদ আল হাবীব)।এ পর্যন্ত, আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৭২টির প্রার্থী তালিকা দুই দফায় প্রকাশ করেছে বিএনপি। আর বাকি ২৮টির মধ্যে চারটি আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে নির্ধারিত হলেও আরও আটটি আসন শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে, এখনও বাকি রয়েছে ১৬টি আসন।

  • নির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারেক রহমান, শুরু হবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আয়োজন

    নির্ধারিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তারেক রহমান, শুরু হবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আয়োজন

    নেতাকর্মীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর দেশের মাটি ছেড়ে নিজ দেশের জন্য উড়াল দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার প্রত্যাবর্তনের পরপরই তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, যার প্রথম কয়েক দিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ খতিয়ে বলেছেন।

    তিনি বলেন, এই দিনটি যে ইতিহাস হয়ে থাকবে, দেশবাসী তার সাক্ষী হবে। তবে এই কর্মসূচির ফলে কিছুটা জনদুর্ভোগ হতে পারে, তাই তিনি আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও তারেক রহমানের ব্যপারে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

    তিনি জানিয়েছেন, বিমান বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যরাতে বাংলাদেশের সময়ে রওনা হবেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন। বিমানবন্দরে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে আন্তরিক সংবর্ধনা দেবেন। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পথে সংকেতিতভাবে বক্তব্য রাখবেন, শুধুমাত্র সংক্ষিপ্তভাবে। অন্য কেউ এ সময় বক্তব্য দিতেহবেন না। তার পরে তিনি বাসতবাবরে ফিরে যাবেন।

    সালাহউদ্দিন বলছেন, ২৬ ডিসেম্বর জুমআ’র পর তারেক রহমান প্রথমে যাবেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে। এরপর সাভার স্মৃতিসৌধে সশ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন। ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে ভোটার ও এনআইডি কার্যক্রম সম্পন্ন করে জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। পরে পঙ্গু হাসপাতালে জুলির আহত যোদ্ধাদের দেখতে যাবেন।

    তিনি আরও জানান, জনদুর্ভোগ না হয়, এ জন্য রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকাগুলোর অভ্যর্থনা কর্মসূচি এড়ানো হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের পরিবর্তে বিএনপি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চেয়েছেন সাধারণ মানুষের কষ্টের জন্য। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমা চাচ্ছি মানুষের অসুবিধার জন্য। তারেক রহমান এ সব পছন্দ করেন না। নির্দেশনা অনুযায়ী চেষ্টা করেছি, তবে মানুষের আবেগের কারণ এ অনুষ্ঠান হয়েছি।’

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে দেশবাসী। তবে এত বড় আয়োজন সম্পন্ন করা ছোট দলের পক্ষে শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রেখে অনুষ্ঠানের সফলতার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘জনদুর্ভোগ এড়ানোর জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আয়োজনে মেডিকেল টিম, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল ক্যাম্প ও আইসিইউ সুবিধাসহ পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে।’