Blog

  • ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দিন দিন দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করে), যা নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর আগে, আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই অর্থবছরে রেমিট্যান্সে অনেক বৃদ্ধি হয়েছে, যা প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৩১ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে মোট ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই সময়ের মধ্যে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং চ্যানেল উন্নত করার ফলেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরায় ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা গেছে। ওই অর্থবছরের শেষে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ বলেছেন, দেশের শক্তিশালী পক্ষসমূহের সমন্বয়ে গঠিত ভোটাররা আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করে দেখাতে সক্ষম হবে এবং সেই মাধ্যমে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য এই শক্তি সরকারি বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘকাল আন্দোলন চালিয়েছেন, কারাভোগ করেছেন এবং সর্বশেষ অসুস্থ থাকলেও তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি। তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মাটির প্রতি প্রেম দেশের সবাইকে আণন্দিত করেছে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিশেষ করে যখন দেশের সংকটময় পরিস্থিতি ছিল, তখন তিনি তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছে, তার জন্য দোয়া ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। এই শোক ও সমবেদনা এই কথাও প্রমাণ করে যে, তিনি চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্রের জন্য আরো এক শক্তির সংকেত দিয়েছেন।’

    মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের এই গভীর ভালোবাসা দলটিকে আরও শক্তিশালী করবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করার দুর্দান্ত আস্থা রয়েছে সাধারণ মানুষের।’

  • এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন পদত্যাগ করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেন, আমি খান মুহাম্মদ মুরসালীন এত দিন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। পাশাপাশি পার্টির মিডিয়া সেল, প্রচার ও প্রকাশনা সেলে কাজ করেছি। সম্প্রতি পার্টির নির্বাচনকালীন মিডিয়া উপকমিটির সেক্রেটারি হিসেবেও কিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছিলাম। মুরসালীন উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে তিনি সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি একটি ভিডিও বার্তায় দেবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করছেন না। তার কথায়, দেখা হবে রাজপথে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি থেকে অন্তত ৯ জন নেতার পদত্যাগের খবর জানা গেছে।

  • দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও করবো

    দেশের স্বার্থে বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও করব বলে ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ ও সমবেদনা জানানোর সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের আমির বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। পরে বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে entering করছে। সামনে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার, আর নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন — এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে চাই আমরা। আশা করছি, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য হবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই একমত, দেশের স্বার্থে অতীতে যেমন একসঙ্গে কাজ করেছি, সামনের দিনেও করব। তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দও একই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতি ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর পাশাপাশি তাঁর সংগ্রামী ও আপসহীন জীবন সংগ্রাম ছিল অনন্য। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় তিনি জীবনদান করেছেন। নিজের বিরুদ্ধে রাজনীতি অপপ্রয়োগের বিভ্রান্তির মাঝেও তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে গেছেন। তার শেষ জীবন অক্লান্ত সংগ্রামেরই প্রমাণ।

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময় সরকারের অবহেলা ও অবজ্ঞার সমালোচনা করে ডা. শফিকুর বলেন, গুরুতর অসুস্থ থাকাকালে বারবার বিদেশে চিকিৎসার জন্য অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও সরকার তা উপেক্ষা করে উপহাস করেছিল। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি বিদেশে চিকিৎসা নেন, কিন্তু তখন তার পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ব্রিটেন থেকে ফেরার পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে দেশেই চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন, জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

    তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চমৎকার বিদায় ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ইতিহাস রয়ে গেছে। তার বিদায় অনুষ্ঠানে মানুষের চোখে জল ও আবেগ, যা তার রাজনৈতিক জীবনের জন্য বিশাল প্রাপ্তি। জাতির জন্য তার অবদান আজও স্মরণীয় এবং তার মাধ্যমে আমরা অনুপ্রেরণা পাই। আমরাও যদি দেশের জন্য কিছু করতে পারি, একদিন হয়তো আমাদেরকেও এভাবেই বিদায় জানানো হবে।

    ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও জাতীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের জন্য তিনি বলেন, পার্থক্য থাকলেও সবাই একত্র হয়ে দেশের জন্য ভালো কিছু করার লক্ষ্য রাখতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া যে ঐক্য ভিত্তি স্থাপন করেছেন, সেই ভিত্তিতেই আমরা দায়িত্ব পালন করব। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগে আবারও বসে খোলামেলা আলোচনা করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেব।

    শেষে তিনি বিএনপি নেতাদের, তারেক রহমান ও পরিবারের সদস্যদের, এবং জিয়াদের চিকিৎসায় নিযুক্ত চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন বলে জানান।

  • বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কারা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বিএনপি ৪১ সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এড. রুহুল কবীর রিজভী। বৃহস্পতিবার রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিএনপি এই তথ্য জানায়।

    কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে বেগম সেলিমা রহমান এবং শামসুজ্জামান দুদুকে। পাশাপাশি প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে থাকছেন মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা হলেন এড. মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার, ড. মওদুদ হোসাইন আলমগীর পাভেল, ড. মাহদী আমিন, সালেহ শিবলী, এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, ড. সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ, জুবায়ের বাবু, মে’ল জেঃ (অবঃ) ফজলে এলাহী আকবর, আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, এড. বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার, প্রফেসর ড. মোর্শেদ হাসান খান, এড. কামরুল ইসলাম সজল, প্রফেসর ডাঃ হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী হাবলু, ড. কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, মিসেস আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আনম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা কাজী মোঃ সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং আনোয়ার হোসেন।

    বিএনপি এই কমিটির দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।

  • মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    মুরসালীন ও মুশফিকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এনসিপির আস্থার সংকট

    দুই ঘণ্টার ব্যবধানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন যুগ্ম-সদস্য সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন, যিনি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় দলের আহ্বায়ককে অনলাইনে পদত্যাগ পত্র পাঠান। এর আগের দিন দুপুরে নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দলের যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীনও পদত্যাগ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপি ‘পুরোনো উপনিবেশিক ব্যবস্থার অংশীদারদের সঙ্গে আপস’ করছে, যা দলের অভ্যন্তরে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। গত আট দিনে এই প্রথম নয়জন নেতা পদত্যাগ করলেন।

  • বিটিআরসি ভবনে হামলা, ৩০ জনের বেশি আটক

    বিটিআরসি ভবনে হামলা, ৩০ জনের বেশি আটক

    শুল্ক না কমিয়ে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বিটিআরসি কার্যালয়ে হঠাৎই বিক্ষোভকারীরা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এর ফলশ্রুতিতে এখন পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করেছে।

    নির্ধারিত মোবাইল ফোন নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালান। তারা রাস্তায় অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল ছুঁড়ে ও ভবনের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালায়।

    পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার ইবনে মিজান বলেন, ‘তাদের আচরণ আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত ছিল। তারা ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারছিল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।’

    হামলার সময় বিটিআরসির মসজিদের কাঁচ ভেঙে যায়। তবে সেখানে তখন প্রতিষ্ঠানটির বেশির ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী নামাজ পড়ছিলেন বলে জানা গেছে, এবং এখন পর্যন্ত কারো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    অভ্যুত্থানপ্রবণ অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ এবং পুরো অফিস ভবনটি অস্থিরতা বিরাজ করছে। সবাই আতঙ্কে রয়েছেন, কেউ কেউ আটকে পড়েছেন।

  • মুন্সিগঞ্জে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অনুমোদন

    মুন্সিগঞ্জে নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অনুমোদন

    মুন্সিগঞ্জ জেলায় একটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন সরকার। বৃহস্পতিবার রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে ওই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালটিতে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত হবে। গত বছর ১১ নভেম্বর সরকার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয়, সেটি হলো ঢাকার জুরাইনের ব্যারিস্টার রফিকুল হক মেডিকেল কলেজ। বর্তমানে দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এ খাতে এই নতুন অনুমোদন যোগ হওয়ায় সরকারি চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই নতুন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থাপনের ফলে মুন্সিগঞ্জসহ আশপাশের জেলার মানুষের জন্য চিকিৎসা এবং শিক্ষা সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

  • জাইমার দাদির জন্য গভীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

    জাইমার দাদির জন্য গভীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

    সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। মঙ্গলবার এই বর্ষীয়ান নেত্রীর মৃত্যুতে সবাইকে কাঁদিয়ে তিনি পৃথিবী থেকে চলে যান তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, ‘অপোসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়া। মৃত্যুর দুদিন পর, তিনি দাদীর সঙ্গে কাটানো বিশেষ কিছু মুহূর্তের স্মৃতি তুলে ধরেন। এই স্মৃতি শেয়ার করার পাশাপাশি তারেক রহমানের কন্যা জাইমা একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তিনি দাদীর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই স্ট্যাটাস দেন তিনি। স্ট্যাটাসের ক্যাপশনে তিনি ভাষাকের ইতিহাসে বিখ্যাত কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ‘বিদায়-বেলায়’ এর পংক্তি দিয়ে তার দাদীর সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতি ফুটিয়ে তুলেছেন।

  • পরবর্তী ৫ দিন কুয়াশা ও শীতের দাপটে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে

    পরবর্তী ৫ দিন কুয়াশা ও শীতের দাপটে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে

    আগামী পাঁচ দিন ধরে দেশের আবহাওয়ায় কুয়াশা আর শীতের প্রভাব অব্যাহত থাকতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুসারে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কিছু কিছু জায়গায় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে সড়ক, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে, যার ফলে আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা আরও নিচে নেমে আসার কথা জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা।

    শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার সংশ্লিষ্ট এলাকার ওপর রয়েছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বিস্তৃতি উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত।

    আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া প্রথম দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকালে, বিশেষ করে রাতের দিকে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কিছু জায়গায় দুপুর পর্যন্ত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে।

    এ ছাড়াও গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার মতো জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা কিছু স্থান থেকে প্রশমিত হতে পারে। এদিন সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে আবারও যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে যেতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, আবার দিনের তাপমাত্রাও অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) থেকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে এবং সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। রাতের দিকে নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

    চতুর্থ ও পঞ্চম দিন সোমবার (৫ জানুয়ারি) ও মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) একই রকম আবহাওয়া চলমান থাকতে পারে। এই দিনগুলোতেও সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত নদী অববাহিকায় মাঝে মাঝে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার দেখা যেতে পারে। পঞ্চম দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সামনের দিনগুলোতে সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করছে আবহাওয়া অফিস। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।