Blog

  • বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বিসিবির নতুন চিঠি আইসিসিকে: বিস্তারিত জানালেন বোর্ড

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসিকে), যেখানে বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই চিঠি বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বোর্ড স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে কেন বাংলাদেশ দলের জন্য ভারতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া এখনও অনুকূলে নয়। সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও রেফারেন্সগুলো সংযুক্ত করা হয়েছে, যা বোর্ডের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে এই ইমেইলের জবাব এখনো পাওয়া যায়নি; আশা করা হচ্ছে ১০ জানুয়ারি আইসিসির সিদ্ধান্তে এই ব্যাপারে স্পষ্টতা আসবে।

    গত রোববার বিসিবি আইসিসিকে জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে খেলা চালিয়ে যেতে পারবে না। এর পেছনে মূল কারণ ছিল আইসিসি-প্রতিষ্ঠিত বোকিং অ্যাণ্ড অ্যালার্মি (বাউন্স) সংক্রান্ত ঝুঁকি। তখন বিসিবি মনে করেছিল, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে মোস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যা তার জন্য অযোগ্যতা সৃষ্টি করে।

    অভিযোগের পক্ষে উঠে আসে, আইপিএলের গত ডিসেম্বরের নিলামে কেকেআর তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয়। এরপর, বিসিসিআই নির্দেশনা অনুযায়ী কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই ঘটনাটিই মূলত বিসিবির সিদ্ধান্তে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

    তারপর, মঙ্গলবার আইসিসি একটি ফিরতি মেইল পাঠায়, যেখানে তারা বোর্ডের কাছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ও বিশদ জানার অনুরোধ জানায়। আজকের এই নতুন চিঠির মাধ্যমে বিসিবি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে এবং তাদের মতামত ও প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহ প্রদান করেছে।

  • ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, দেশের সব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, দেশের সব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

    জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভটি এখন সহিংস রূপ নিয়ে তুলেছে পুরো ইরানজুড়ে। এরই মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার বিভিন্ন ডিজিটাল সেন্সরশিপ ব্যবস্থা চালু করেছে এবং সব ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। এই তথ্য দিয়েছে অনলাইন পর্যবেক্ষক গ্রুপ নেটব্লকস, যাদের মতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে ইন্টারনেট সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট চলছে। বিচ্ছিন্নকরণের আগে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের দমন করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে সেন্সরশিপ আর নজরদারি। তাদের ভাষায়, এই সময়ে সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে, যা একটি সংকটের মতো।

  • মাদুরো অপহরণে ট্রাম্পের শক্তির প্রদর্শনী, তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সতর্কতা

    মাদুরো অপহরণে ট্রাম্পের শক্তির প্রদর্শনী, তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সতর্কতা

    ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে কয়েক ঘণ্টা আগে অপহরণের ঘটনাটি ঘটে, এর আগে তিনি দেশটিতে নিযুক্ত চীনের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক পুনঃবিন্যস্ত করা হয়। তবে এই ঘটনার পর থেকে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং দেশটিতে চীনের বিপুল বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা ধরনের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোকে আটক করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কেবল লাতিন আমেরিকায় নয়, গোটা বিশ্বজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে তাইওয়ান ইস্যুতে চীনকে নিজের প্রভাব বিস্তার করানোর সুযোগ করে দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরুজ্জীবিত করেছেন উনবিংশ শতাব্দীর মনরো দর্শন, যা পশ্চিম গোলার্ধে একচ্ছত্র মার্কিন প্রভাব প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে। তার সাম্প্রতিক জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ইউরোপের পরিবর্তে চীনের প্রভাব মোকাবেলাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নীতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক পশ্চিম গোলার্ধ চায়, যেখানে ‘বহিরাগত শক্তির নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব থেকে মুক্ত’ হওয়া সম্ভব— যা স্পষ্টতই চীনের বিরুদ্ধে ইঙ্গিত দেয়। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভেনেজুয়েলাকে তেল উৎপাদনের অনুমতি দেওয়ার পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র চীন, রাশিয়া, ইরান ও কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার শর্ত আরোপ করছে। হোয়াইট হাউস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু নিশ্চিত করেনি। চীন মাদুরো অপহরণের ঘটনাকে ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ বলে নিন্দা জানিয়েছে এবং ওয়াশিংটনকে ভেনেজুয়েলায় সরকার উৎখাতের অপপ্রয়াস বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘটনাটি লাতিন আমেরিকায় চীনের বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের সীমারেখা স্পষ্ট করে দিয়েছে। জুরিখ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সিমোনা গ্রানো মন্তব্য করেন, এই ঘটনা চীনের জন্য দ্বৈত বার্তা পাঠাচ্ছে। একদিকে লাতিন আমেরিকায় চীনের উপস্থিতির দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রভাব বলয়’ যুক্তি পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে তাইওয়ানের প্রেক্ষাপটে চীনের অবস্থানকে আরও জোরদার করতে পারে। চীন তাইওয়ানকে নিজস্ব ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে থাকে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও বলে। যদিও আগামী দিনে সামরিক হামলার সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে, তবে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপের জন্য এক ধরনের যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। এই ঘটনাটি চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। অনেকে তাইওয়ানের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার তুলনা টেনে বলেছেন, শক্তিশালী রাষ্ট্র ছাড়া আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে টিকে থাকা কঠিন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভেনেজুয়েলায় মাদুরোর অপসারণ চীনের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে না, তবে স্পষ্ট হতে পারে যে লাতিন আমেরিকায় চীনা বিনিয়োগ এখন আগের চেয়ে বেশি রাজনৈতিক ঝুঁকির মুখে। তবুও নিষ্ক্রিয় না থেকে ঝুঁকি কমানোর জন্য বেইজিং এক ধরনের সতর্কতা ও কৌশলের দিকে নজর দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: আল-জাজিরা।

  • জার্মান প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বৈদেশিক নীতি বর্বরতা

    জার্মান প্রেসিডেন্টের কড়া সমালোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বৈদেশিক নীতি বর্বরতা

    জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার স্টাইনমায়ার যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির প্রতি কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর বিশ্ব ব্যবস্থার রক্ষক নয়, বরং তা ধ্বংসকারী শক্তিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে অভিযানের ঘটনা এবং গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এ ধরণের actions বা অপরাধগুলো বিশ্বকে একটি অস্থির পরিস্থিতিতে ঠেলে দিচ্ছে। স্টাইনমায়ার বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, এ ধরনের চরম দখলবাদী শক্তির হাতে পৃথিবী রাখা যাবে না। তিনি বলেন, নীতিহীন বৃহৎ শক্তিগুলো যা ইচ্ছে তাই করতে পারে, আর পুরো বিশ্বকে তারা নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করে—এ ধরনের অবস্থা মানা হবে না। সাবেক এই জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন আচরণকে ইতিহাসের দ্বিতীয় ‘মর্মান্তিক ভাঙনের’ মতো উল্লেখ করে বলেন, রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন এই দুটি ঘটনা প্রথম ঐতিহাসিক ধাক্কা হিসেবে দেখা যায়। তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গড়া বিশ্ব ব্যবস্থা যেখানে অনেকটাই স্থিতিশীল ছিল, সেখানে এখন মূল্যবোধের অবক্ষয় ও আগ্রাসনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বড় বিপর্যয় ডেকে আনছে। এর ফলে বিশ্বে গণতন্ত্র প্রকৃতপক্ষে বেশ বিপদে পড়েছে। প্রেসিডেন্টের এই কড়া অবস্থান মূলত গত কয়েক দিনের অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিরই প্রতিফলন। ইউরোপীয় নেতারা মনে করেন, মার্কিন অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অপহরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। এরই ধারাবাহিকতায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ডের দখলের হুমকি ন্যাটো জোটে গভীর বিভাজন সৃষ্টি করেছে। জার্মান প্রেসিডেন্ট মনে করেন, বর্তমান সঙ্কট কাটাতে কেবল ইউরোপ যথেষ্ট নয়; বিশ্বের অন্যান্য বড় শক্তিগুলোকেও, যেমন ব্রাজিল ও ভারতের মতো দেশগুলোকে, সক্রিয়ভাবে বৈশ্বিক আইনের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “স্থিতিশীলতার স্বার্থে এসব দেশকে বৈশ্বিক আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।” উল্লেখ্য, যদিও জার্মানে প্রেসিডেন্টের পদটি মূলত সৌন্দর্য্যগত, তবু স্টাইনমায়ারের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে। বার্লিন এখন ওয়াশিংটনের নীতিমালা থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রাখার পাল্টা বার্তা দিচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।

  • পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের নির্বাচনী सलाहকারী প্রতিষ্ঠানে ইডির অভিযান, মমতার উপস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের নির্বাচনী सलाहকারী প্রতিষ্ঠানে ইডির অভিযান, মমতার উপস্থিতি

    ফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জানিয়েছে যে, তারা চলমান অর্থপাচার ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের (আইপ্যাক) তদন্তে বাধার মুখোমুখি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইডি আরও জানায়, তারা আইপ্যাকের ১০টি অফিসে র‍্যাড চালাচ্ছিল—কলকাতার ৬টি এবং দিল্লির ৪টি। এই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী প্রাতীক জৈনের বাসভবনে যান এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণপত্র ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংগ্রহ করেন।

    ইডির দাবি, র‍্যাডের সময় মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কলকাতা ডেপুটি কমিশনার ও সারানি থানার এক কর্মকর্তার সাথে। পরে কলকাতা পুলিশের কমিশনারও বেশ কিছু কর্মকর্তার সাথে আসেন। তদন্তের পরিচালনা শান্তিপূর্ণ ও পেশাদারিত্বপূর্ণভাবে চলছিল।

    তবে, মমতার উপস্থিতির পর পরিস্থিতি শারীরিকভাবে বদলে যায়। ইডির ভাষ্য, তিনি ও তার সহযোগীরা আইপ্যাকের অফিস ও প্রাতীক জৈনের বাসভবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক প্রমাণ জোরপূর্বক সংগ্রহ করেন, যা তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। এই অভিযান সম্পূর্ণভাবে প্রমাণভিত্তিক, কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিস তল্লাশি করা হয়নি এবং এটি নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সংযুক্ত নয়।

    অন্যদিকে, মমতা ব্যানার্জী এই অভিযানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে। আমি প্রাতীককে ফোন করে জানিয়েছি, যিনি আমার দলের দায়িত্বে আছেন। আমি দলীয় ফাইল ও তথ্য সংগ্রহ করেছি। ইডি আমাদের অভ্যন্তরীণ তথ্য এবং প্রার্থী তালিকা চাইছে। এটি কি ইডি ও অমিত শাহের পরিকল্পনা?’

  • যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জাতিসংঘের অঙ্গ থেকে

    যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জাতিসংঘের অঙ্গ থেকে

    যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছে দেশটি এখন থেকে মোট ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে সরে যাচ্ছে। এর মধ্যে আরও উল্লেখযোগ্য হলো কিছু জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাও। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, এই সংস্থাগুলো অকার্যকর এবং এদের উপস্থিতি দায়িত্বশীলতা ও অর্থনৈতিক সাশ্রয় অপচয় করে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এসব তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, নির্বাহী আদেশের আওতায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যার মাধ্যমে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথেও পর্যালোচনা চালানো হবে। হোয়াইট হাউসের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ৬৬টির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন, অভিবাসন উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র ও নির্বাচনী সহযোগিতার মতো সংস্থাগুলোর নাম। এ তালিকার মধ্যে জাতিসংঘের নামের সঙ্গে যুক্ত ১৭টি অঙ্গসংস্থা অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে ইউএন ইকোনমিক ও সোশ্যাল কাউন্সিল, ইউএন অ্যালায়েন্স অব সিভিলাইজেশনস, ইউএন কলাবোরেটিভ প্রোগ্রাম অন রিডিউসিং এমিশনস, ইউএন কনফারেন্স অন ট্রেড এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ইউএন ডেমোক্রেসি ফান্ড, ইউএন এনার্জি, ইউএন হিউম্যান সেটেলমেন্টস প্রোগ্রাম, ইউএন অশেনস, ইউএন পপুলেশন ফান্ড ও ইউএন ওয়াটার। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই সংস্থাগুলো পরিচালনায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই এগুলো প্রভাবিত হয় দেশের স্বার্থের বিরোধী পক্ষের এজেন্ডায়, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও সার্বিক অগ্রগতি জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যও উল্লিখিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, এই সংস্থাগুলোর পেছনে ব্যয় ও সময় অপচয় করছে যুক্তরাষ্ট্র, আর এই বিনিয়োগে কিছুই লাভ হচ্ছে না।

  • আশাশুনি থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট আমিরুল আটক

    আশাশুনি থেকে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট আমিরুল আটক

    সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আশাশুনি থানার ডিবি পুলিশ বুধবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট ও 1x bet অ্যাকাউন্টের মূল মোটিভেটর আমিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছেন। তিনি আশাশুনি উপজেলার মধ্যম একসরা গ্রামের বাসিন্দা, ২৯ বছর বয়সী আব্দুল কারিকরের ছেলে।

    গোয়েন্দা ইনচার্জ মোঃ নিজাম উদ্দিন মোল্লা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত একটার দিকে মধ্যম একসরা গ্রামে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময়, আমিরুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সে নিজেকে অসততার মতো অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়া কার্যক্রমের মূল মাস্টার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে আসছিল।

    আটকের সময় তার কাছ থেকে বিভিন্ন জুয়া অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসহ কয়েকটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, তিনি এই জুয়া খেলার মাধ্যমে অর্থের লাভের জন্য নানা ধরণের অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে জড়িত।

    আশাশুনি থানায় এই বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে, এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের এই দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে জড়িত অন্যান্যদের সন্ধানে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য জেলা যুবদলের দোয়া

    খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য জেলা যুবদলের দোয়া

    খুলনা জেলা যুবদল ক্ষতিগ্রস্ত ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় একটি বিশেষ দোয়া ও কোরআন খতম মাহফিলের আয়োজন করে। এই মাহফিলটি বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা টাউন ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে, পরে তার জীবনী নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা যুবদলের আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু। দোয়া ও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক জুলফিকার আলি জুলু ও মোল্লা খায়রুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতাকর্মী, যুবদলের সদস্যরা, নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ। অনুষ্ঠানে বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী, দেশপ্রেমিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে সচেতনতা প্রকাশ করেন। কোরআন খতম ও আলোচনা শেষে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। দোয়া শেষে মাদরাসার এতিম ছাত্রদের মধ্যে নতুন পোষাক বিতরণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য রান্না করা খাবার প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে নেতাকর্মীরা নেত্রীর জন্য শান্তি কামনা করেন এবং দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনায় দোয়া করেন।

  • বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তাকে স্মরণে রাখতে হলে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি আরো বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন নেত্রী ছিলেন, যার মৃত্যুতে দেশের সব রাজনৈতিক দল তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেছে। বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই তার জন্য দোয়া করতে বাদ দেয়নি। যারা তাকে অসম্মান করতে চেয়েছিল, তারাই শেষ পর্যন্ত অপমানিত হয়ে পালিয়ে গেছে। মহান আল্লাহ তাকে যেখানে চান সম্মান দেন, সেখানে ইচ্ছা করলে তাকে কেড়ে নেন। বেগম খালেদা জিয়া লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি তাকে পরকালেও সম্মানিত করুন।

    আজিজুল বারী হেলাল আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নানা নামে ডাকা হয়—আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তিনি আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় ছিলেন, আছেন এবং তা অব্যাহত থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

    তিনি আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডার ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পারিবারিক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে। সবাইকে তিনি দোয়া করার আহ্বান জানান।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দিঘলিয়া উপজেলায় দিবা-রাত্রি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পে ডায়াবেটিস, হিমোগ্লোবিন, কিডনি, চোখ ও দন্ত পরীক্ষা এবং হৃদরোগ, বাতব্যথা ও কিডনিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    বিকেল ৪টায় সেনহাটির খান এ সবুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় আলেয়া পারভীনের সভাপতিত্বে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টায় তিনি গাজীরহাট শ্মশান মন্দিরে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে মূল অতিথির আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানগুলোতে জেলা বিএনপি নেতা অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান মিন্টু মোল্লা, নামজুল মোল্লা, মনির মোল্লা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃ রয়েল, কুদরতি এলাহি স্পিকার, আব্দুল কাদের জনি, মনিরুল গাজী, ফারুক হোসেন, মিঠু মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কুয়েটের নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকরা বিক্ষোভে উত্তাল

    কুয়েটের নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকরা বিক্ষোভে উত্তাল

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সম্প্রসারিত ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন ১০ তলা নতুন একাডেমিক ভবনের তৃতীয় তলার ছাদ থেকে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাপ মিয়া (২১), তিনি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড়। পারিবারিক অর্থ সংকটে রংপুর থেকে কুয়েটে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ নিতে আসেন।

    বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্ট থেকে বিদ্যুতের ঝटका খেয়ে তিনি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত খোলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।

    শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড এসএস জেভি এর অফিসের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা নির্মাণ সাইটে নিরাপত্তার স্বল্পতা ও ত্রুটির বিরুদ্ধে শ্লোগান দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় শ্রমিকেরা প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (পিএম) দেবাশীষসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একজন প্রকৌশলীকে অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবাইকে বোঝানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কুয়েটের প্রধান প্রকৌশলী এ বি এম মামুনুর রশিদ বলেন, নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় পড়ে একজন শ্রমিক গুরুতর আহত হন, পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।