Blog

  • গণমানুষের অধিকার আদায়ে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থাকবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    গণমানুষের অধিকার আদায়ে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থাকবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, তারা একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন—দেখেন এমন এক দেশ যেখানে প্রশিক্ষিত যুবকদের জন্য উন্মুক্ত কর্মসংস্থান থাকবে এবং বেকারত্বের שסা (অভিশাপ) কাটিয়ে তারা দেশ গঠনে নতুন সম্ভাবনার সোপান তৈরি করবে।

    মঞ্জু বলেন, ‘‘আমরা চাই এমন এক সমাজ যেখানে ভয়-ভীতির বদলে প্রতিষ্ঠিত থাকবে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের বিচারব্যবস্থা এবং থাকবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিটি দপ্তর হবে দালালমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত। মানুষের কণ্ঠস্বর রোধ করা যাবে না; বরং প্রতিটি মানুষের মতামত হবে আগামীর পথচলার নতুন শক্তি।’’

    তিনি আশা প্রকাশ করেছেন খুলনার সোনালি দিনগুলো ফিরে আসবে—বন্ধ কল-কারখানাগুলো পুনরায় জীবন্ত হয়ে উঠবে, উৎপাদন বাড়বে, এবং পথঘাট, পাড়া-মহল্লা তরুণদের সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলার কর্মকাণ্ডে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরিয়ে উঠবে। মঞ্জু আরও বলেন, সমাজকে মাদকমুক্ত করে সমৃদ্ধির সোপানে আগানোই তাদের লক্ষ্য এবং এই সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রীপাড়া বাজারে এবং সকাল সাড়ে ১০টায় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের জব্বার মার্কেট, রেলওয়ে মার্কেট, নান্নু সুপার মার্কেট, মশিউর রহমান মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। ওই সময় তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকায় মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ান।

    গণসংযোগকালে মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। আসুন, প্রিয় খুলনার ঐতিহ্য, সম্মান ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।’’

    উক্ত সভা ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, সাবেক ছাত্রনেতা রুহুল আজিম রুমি, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, হাসান মেহেদী রিজভী, আবু সাঈদ শেখ, মহিবুল্লাহ শামীম, শফিকুল ইসলাম শফি, আব্দুল জব্বার, রবিউল ইসলাম রবি, মেশকাত আলী, নুর ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মাসুম, নাসির খান, ওহিদুজ্জামান খসরু, আলমগীর ব্যাপারী, শামীম খান, মোস্তফা কামাল, রিয়াজুর রহমান, মহবুব হোসেন, খায়রুল ইসলাম লাল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, শামসুর রহমান লিচু, আবু বক্কর, অলিয়ার রহমান অলি, মোহাম্মদ আলী, আহসান কবির শাহিন, ওহিদুল ইসলাম, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, জাকারিয়া লিটন, মাজেদা খাতুন, মনিরুল আজম, মোফাজ্জেল হোসেন, গোলকি সাঈদ, কামরুল ইসলাম, মাসুদ রেজা, ইলিয়াস হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আবুল কাশেম, জাহিদুর রহমান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, ইউনুচ শেখ, ঈসা শেখ, আরিফুল ইসলাম, টিপু হাওলদার, কাওসার দাদো, আজহার, বেল্লাল, মাসুদ খান, মনিরুজ্জামান মনি, মহসীন, মিজানুর সরদার, রবিউল আলম, পান্না, টিটুসহ থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গদলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

    মোনাজের পুর্বে মঞ্চে কথা বলা ও প্রচারণায় অংশগ্রহণকারীরা মঞ্জুর আহ্বানকে উৎসাহ দেন এবং খুলনার উন্নয়ন ও জনদশার উন্নতির জন্য একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

  • ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বাড়তি নিরাপত্তা

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বাড়তি নিরাপত্তা

    আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে এলিট সশস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করবে শ্রীলঙ্কা। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের ম্যাচগুলোতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা বাড়ানো হচ্ছে।

    ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজক শ্রীলঙ্কা এই টুর্নামেন্টের সব আয়োজন করবে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপদেশটিতে মোট ২০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে গ্রুপ ‘এ’-র ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তান ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে মুখোমুখি হবে।

    রাষ্ট্রীয় এবং ক্রীড়া কূটনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ থাকা এই দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে উত্তেজনা ক্রেমেটিভ হয়ে ক্রিকেট মাঠেও ফুটে উঠেছে। গত বছরের চার দিনের সংঘাতের পর সেই উদ্বেগ বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। শ্রীলঙ্কার ক্রীড়া মন্ত্রী সুনিল কুমারা গামাগে জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট নির্বিঘ্নভাবে আয়োজন করাটা সরকারের ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ এবং ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচগুলোতে ‘বিশেষ নজর’ রাখা হচ্ছে।

    পুলিশ ও নিরাপত্তা সূত্রে বলা হয়েছে, সাধারণত রাষ্ট্রপ্রধানদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত এলিট কমান্ডো ইউনিটগুলোই এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দলগুলোর নিরাপত্তা দেবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় থেকে আবার বিমানে ওঠার মুহূর্ত পর্যন্ত খেলোয়াড়দের সশস্ত্র নিরাপত্তা থাকবে।

    অতীতে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের দেশে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন; তখন নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ‘হাইব্রিড মডেল’ অনুসরণ করে ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) দুই দলের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে এনেছে।

    নিরাপত্তা উদ্বেগ তুলে বাংলাদেশও আগে অনুরোধ করেছিল তারা ভারতে তাদের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে চায় না; আইসিসি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে নিজেকে তুলে নেন এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বয়কটের ইঙ্গিত দিয়েছিল।

    এই সব টানাপোড়েনের মধ্যে শ্রীলঙ্কা আঞ্চলিক বিরোধে জড়াতে চায় না—এমন অবস্থান নিয়েছে। দেশের ক্রিকেট সচিব বান্দুলা দিসানায়ে বলেছেন, কলম্বো কোনোভাবেই এই ধরনের বিভেদে পড়তে চায় না এবং ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিবাদে শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ থাকবে। তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে ভবিষ্যতে যে কোনো দেশের জন্য টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে শ্রীলঙ্কা প্রস্তুত।

    একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে শ্রীলঙ্কা আন্তর্জাতিক ভেন্যুগুলোর উন্নয়নও চালিয়েছে। কলম্বোর সিংহলেজ স্পোর্টস ক্লাবে নতুন ফ্লাডলাইট স্থাপন করা হয়েছে, আর ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়াম গত নভেম্বরে আঘাত হানা প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড়ের পর থেকে রক্ষা পেয়েছে। এই স্টেডিয়ামে শুক্রবার শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে একটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়ার কথা রয়েছে।

    শ্রীলঙ্কার উদ্দেশ্য হচ্ছে সব ধরনের নিরাপত্তা ও ভেন্যু প্রস্তুতি নিশ্চিত করে টুর্নামেন্টটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা, যাতে খেলা ও দর্শক উভয়েই নিরাপদে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারে।

  • চাঁদাবাজ-মুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল

    চাঁদাবাজ-মুক্ত খুলনা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল

    খুলনা-৩ আসন থেকে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সাধারণ মানুষের ভোটে তিনি নির্বাচিত হলে খুলনার কোনো জায়গায় চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাস প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকবে না। বুধবার বিকেলে পাবলা সবুজ সংঘ মাঠে এক পথসভায় বকুল এই প্রতিশ্রুতি দেন।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে খুলনাবাসী নানা আঙ্গিকে শোষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়েছে; ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি, জনজীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এসব পরিস্থিতি বদলাতে এবং শহরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে তিনি চাঁদাবাজদের সুরক্ষা দেওয়া কোনো অভিযোগই মেনে নেবেন না এবং চাহিদা হলে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ কঠোরতা নিয়ে সিন্ডিকেট ভাঙার কাজ করবেন।

    বকুল আরও জানান, তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের আমানত পেলে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত খুলনা উপহার দেবেন। তিনি বললেন, ‘‘ধানের শীষ শান্তির প্রতীক; এই প্রতীক যদি জয়ী হয়, সাধারণ মানুষের অধিকার ফিরে আসবে।’’

    পাঠসভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাবলা সবুজ সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সবুজ সাথী প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রধান অতিথি হিসেবে বকুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সমাজসেবক ও রাজনীতিক মুশাররফ হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুর্শিদ কামাল, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির এবং পাবলা সবুজ সংঘের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম। এছাড়া খুলনা মহানগর জাসাসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু ও পাবলা সবুজ সংঘ মসজিদের সভাপতি আলহাজ্ব এইচ.এ. রহিম উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন মোঃ মতলেবুর রহমান, মিতুল, প্রফেসর সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলীসহ দৌলতপুর থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

    রকিবুল ইসলাম বকুল জনসভায় দাবি করেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠী খুলনার সম্পদ লুটে নিচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে ভীতি দেখিয়ে শাসন করছে—এই অবৈধ শাসনই তিনি ভেঙে দেবে। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে জয় যুক্ত করুন যাতে তিনি শান্তি ও উন্নয়নের কাজ দ্রুততর করতে পারেন।

  • ওশিওয়ায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে শুক্রবার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান ও অন্যান্য প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং কেআরকে-কে হেফাজতে নেয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে কেআরকে বলেছেন, কেউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। তিনি দাবি করেছেন যে বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য বাড়ির সামনেই থাকা ম্যানগ্রোভ বা বনাঞ্চলের দিকে লক্ষ্য রেখেই গুলি করেছিলেন। তার কথায়, বাতাসের দিকবদলের কারণে গুলিগুলো ভ্রান্ত পথে চলে গিয়ে পাশের আবাসিক ভবনকে আঘাত করেছে।

    পুলিশ জানান যে তারা এখনও ঘটনার ব্যাপক তদন্ত চালাচ্ছে — সিসিটিভি বিশ্লেষণ, বলিস্টিক পরীক্ষাসহ আরও কাগজপত্র ও সাক্ষ্য যাচাই করা হচ্ছে। আদালত তদন্তের অগ্রগতি এবং আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দিতে পারে।

    কামাল আর খানকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত করা হয়। ২০২২ সালে তিনি এক যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং সামাজিক মাধ্যম ও টিভিতে তার কটাক্ষাত্মক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি অভিযোগও রয়েছে। বর্তমানে চলমান গুলিকাণ্ডের মামলায় তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

  • ঢালিউডের ‘ডান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ডান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের স্বতন্ত্র নৃত্যশিল্পী ও প্রথিতযশা অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে আজ সোমবার বেলা সওয়া এগারোটার দিকে তিনি প্রয়াত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশভুক্ত পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি; পরে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে গেলে, এক পর্যায়ে ভাগ্য তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে আনে।

    জানা গেছে, বেশ কিছু বছর ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন ইলিয়াস জাভেদ। গত বছরের এপ্রিলেও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বাসায় রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল; হাসপাতালের চিকিৎসক ও দুই নার্স নিয়মিত তাকে দেখাশোনা করছিলেন। আজ সকালে দুজন নার্স এসে বলেন তার শরীর শীতল এবং দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন— এমনটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী।

    অভিনয়ে তার শুরু হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’-র মাধ্যমে। এরপর ১৯৬৬ সালে পরিচালক মুস্তাফিজের ‘পায়েল’ ছবিতে কিংবদন্তি নায়িকা শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেন; এ সময়ই মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করান।

    নৃত্য পরিচালনা থেকেই ক্যারিয়ার শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি নায়ক হিসেবে দর্শকদের মনে বিশেষ স্থান করে নেন। একাধিক ব্যবসাসফল ছবির মাধ্যমে ৭০ ও ৮০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে তিনি দর্শকদের কাছে ‘ডান্সিং হিরো’ হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। অভিনয়জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।

    ইলিয়াস জাভেদ অভিনীত কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: মালেকা বanu, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক স্বতন্ত্র অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো—নাচ আর একশনকে মিশিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা এক শিল্পীর বিদায়। শোকসংবেদনায় পরিবারের প্রতি দর্শক ও সহকর্মীদের সহমর্মিতা রইল।

  • নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখতে হবে: তারেক রহমান

    নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখতে হবে: তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে জনগণ এবং তা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু মহল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে; সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তিনি সর্বসাধারণকে সরাসরি উপস্থিত হয়ে মাঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ও আশপাশের এলাকার হাজার হাজার সমর্থক।

    সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব টিকিয়ে রাখতে এবং সেচের আওতা বাড়াতে তিনি প্রথম দিকে থমকে থাকা প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেচ প্রকল্প পুনরুজ্জীবিত করবেন। তিনি আশ্বাস দেন, ধানের শীষ বিজয়ী হলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত প্রত্যেক কৃষকের ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় খাল খননের কাজ শুরু হয়েছিল এবং পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে নেওয়া বড় সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল। তিনি গলায় কষ্ট নিয়ে বলেন, পদ্মা নদী কেন্দ্রিক যে বিশাল সেচ প্রকল্পটির নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় এক হাজার কোটি টাকা, সেটি গত ১৬ বছরে পরিকল্পিতভাবে থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি আজ প্রায় বন্ধপ্রায়। আমাদের লক্ষ্য ঐতিহাসিক ওই প্রকল্পকে পুনরায় পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যকর করা—এটাই তার প্রকল্পের প্রধান অঙ্গ।

    বিএনপি চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেন, সেচ ব্যবস্থা কেবল রাজশাহীতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজশাহী থেকে শুরু করে উপরের পঞ্চগড় পর্যন্ত সেচের পানি পৌঁছানো হবে। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, কৃষক হাসলেই দেশের উন্নয়ন হবে—এ কথাই তিনি বারবার উদ্ধৃত করেন।

    রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিদের দুর্দশার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, আম সংরক্ষণের কোনো আধুনিক ব্যবস্থা নেই। ক্ষমতায় এলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ ও গুদাম নির্মাণ করা হবে, যাতে মৌসুমে আম পচে যাওয়ার ভয় কমে এবং চাষিরা ন্যায্য মূল্য পায়।

    সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি তিনি পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি ‘পদ্মা ব্রিজ’ নির্মাণের আশ্বাস দেন, যা নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ আর অর্থনীতি ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। পাশাপাশি প্রান্তিক নারী-শক্তি শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন; এই কার্ডের মাধ্যমে মা-বোনেরা সরাসরি সরকারি সুবিধা পাবেন এবং স্বনির্ভর হবেন।

    ২২ বছর পর সরাসরি রাজশাহীতে উপস্থিত হয়ে জনসভায় তারেক রহমানের আগমন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন, উন্নয়ন ও নির্বাচনী বার্তাগুলো প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। তিনি পুনরায় বন্ধ্যা করে বলেন, ‘ধানের শীষ শুধু প্রতীক নয়, এটা উত্তরবঙ্গের কৃষকের ভাগ্য বদলের চাবিকাঠি।’

    সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হন, যা শহরকে কার্যত অচল করে দেয়। জনতার এই প্রভাব ও মহত্ত্বের মাঝেই তারেক রহমান নির্বাচনী লড়াই জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে সভা শেষ করেন।

  • নাহিদ ইসলাম: একটি দল সারা দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে

    নাহিদ ইসলাম: একটি দল সারা দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘একটি দল নির্বিচারে সারা দেশে মামলা দিচ্ছে, মামলা-বাণিজ্য করছে এবং জনকে প্রতারণার শিকার করছে।’ তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমগ্নলে নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন। ওই সভা অনুষ্ঠিত হয় মৌলভীবাজার-৪ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী প্রীতম দাশের পক্ষে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আপনারা শুনেছেন ৩১ দফার কথা — তারা ৩১ দফার সঙ্গেও প্রতারণা করছে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে কেউ প্রতারিত হবেন না।’ তিনি অভিযোগ করেন যে কিছু গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের অপপ্রচারের জন্য রাজনৈতিক মামলা ব্যবহার করছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘৫ আগস্টের পরকার বাংলাদেশ নতুন হবে। ৫ আগস্টের আগে কী পরিণতি হয়েছিল, তা আমরা দেখেছি; আর এমন পরিস্থিতি আর চাই না। আইন-শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে, যারা নির্দোষ তাদের হয়রানি করা হবে না।’

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেখেছি একটি দল সারা দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে; তারা জামায়াতে ইসলামীর এক উপজেলা সেক্রেটারি কোথাও হত্যা করেছে—এমন জঘন্য ঘটনায় ১১ দলীয় জোট সহ্য করবে না। জনগণ ভোটের মাধ্যমে জবাব দেবে।’

    তিনি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান। ‘তারা যদি নিরপেক্ষ না থাকে, তাহলে ১১ দলীয় জোট তা মেনে নিবে না,’ নাহিদ বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে জোট শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে কাজ করবে।

    আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘এ আসনে আমরা প্রীতম দাশকে মনোনীত করেছি। আমরা মৌলভীবাজার-৪ আসনকে গুরুত্ব দিয়েছি। প্রীতম দাশ চা-শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি আদায়ের জন্য ফ্যাসিস্ট আমলে জেলও কেটেছেন।’ তিনি প্রীতমকে সমর্থন করার আহ্বান জানান।

    নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, ‘১১ দলীয় জোট ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন করবে। আমরা চাই না চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের হাতে আবার ক্ষমতা পাক, বা নতুন কোনো স্বৈরাচারের উত্থান হোক। ১১ দলীয় জোট মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা ফল পাবই, ইনশা আল্লাহ।’ তিনি জানান, এনসিপির রাজনৈতিক যাত্রা মৌলভীবাজার-৪ থেকেই শুরু হয়েছে।

    নির্বাচনী পথসভায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঞা, মৌলভীবাজার-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী প্রীতম দাশ ও আরও অনেকে।

  • তৃতীয় দফায় বাড়ল আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় — নতুন সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি

    তৃতীয় দফায় বাড়ল আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় — নতুন সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে। এটি আয়ের কর রিটার্ন দাখিলের তৃতীয় দফার সময় বাড়ানো। একইসঙ্গে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে সমস্যা হওয়া করদাতারা কাগজভিত্তিক রিটার্ন দাখিলের জন্য আবেদন করতে পারবেন ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব (কর আইন-১) মো. একরামুল হকের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩৩৪ অনুযায়ী জনস্বার্থে এবং সরকারের অনুমোদনক্রমে স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত তারিখ ৩১ জানুয়ারি থেকে পরিবর্তন করে ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হলো।

    অন্য একটি বিশেষ আদেশে (এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত) আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩২৮(৪) অনুযায়ী লাইনে থাকা বেশিরভাগ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বিশেষ আদেশ নং-১/২০২৫ এর ক্রমিক নং-১ এ যেসব করদাতার নাম উল্লেখ রয়েছে তারা এ থেকে ব্যতিরেকে থাকতে পারে।

    ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন বা ফাইলিংয়ে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট করদাতা ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যথাযথ কারণ দেখিয়ে উপ-কর কমিশনারের কাছে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন পেলে তারা কাগজভিত্তিক রিটার্ন দাখিলের অনুমতি পাবেন।

    এনবিআরের তথ্যমতে এ পর্যন্ত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমে রেজিস্ট্রেশন করেছেন; এর মধ্যে প্রায় ৩৪ লাখ করদাতা ইতোমধ্যেই তাদের রিটার্ন দাখিল করেছেন।

    আইন অনুযায়ী সাধারণভাবে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন প্রতি বছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে চলতি বছরে বিশেষ পরিস্থিতির কারণে দুই দফায় মোট দুই মাস সময় বাড়ানোর পরে এবার তৃতীয় দফায় আরও এক মাস সময় নির্ধারণ করা হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা না দিলেই করদাতাদের জরিমানা কর এবং সরকারি কর রেয়াত বা রিবেট সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হতে হয়।

    এনবিআরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি ও সরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যস্ততাকে বিবেচনা করে দ্রুতকরণের চাপ না দিয়ে নিশ্চিত, সঠিক ও শান্ত পরিবেশে রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করার জন্য সময় বাড়ানো হয়েছে। করদাতাদের জন্য পরামর্শ—সম্ভব হলে এখনই অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও রিটার্ন সম্পন্ন করুন; সমস্যা হলে সময়মতো সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে আবেদন করুন।

  • এক লাফে ভরি ১৬ হাজার বাড়লো সোনা; ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ছাড়াল

    এক লাফে ভরি ১৬ হাজার বাড়লো সোনা; ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আবারও দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার নয়, বৃহস্প‌তিবার (২৯ জানুয়ারি) সংগঠন জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার টাকায় পর্যন্ত দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি (পিউর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়ায় স্থানীয় বাজারের দামও বাড়ানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকার তথ্যও সংগঠন তুলে ধরেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,৫৫০ ডলার অতিক্রম করেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে বিভিন্ন গুণমানের প্রতি ভরির দাম হচ্ছে— ২২ ক্যারেটের মূল্য ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা; ২১ ক্যারেট ৮ হাজার ১৬৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা।

    বাজুসের এই ঘোষণার পরে গ্রাহক ও জুয়েলারিদের মধ্যে সর্তকতা বেড়েছে; যারা সোনা-রুপা কেনার বা বিক্রির পরিকল্পনা করছেন তারা স্থানীয় ডিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ দাম নিশ্চিত করে নেবেন বলে বাজার সূত্রে জানিয়েছে।

  • মালয়েশিয়ায় নিপাহ সতর্কতা: ভারত–বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিশেষ স্ক্রিনিং শুরু

    মালয়েশিয়ায় নিপাহ সতর্কতা: ভারত–বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিশেষ স্ক্রিনিং শুরু

    প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাব্য বিস্তার রোধে আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু করেছে। এবার লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশ থেকে আগত যাত্রীদের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকেফলি আহমদ এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দেশের সব আন্তর্জাতিক প্রবেশপথে বডি টেম্পারেচার মাপার যন্ত্র সচল করা হয়েছে যাতে যাত্রীদের মধ্যে জ্বর—নিপাহের প্রাথমিক উপসর্গ—দ্রুত শনাক্ত করা যায়।

    মালয়েশিয়া ভারত ও বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রেখেছে এবং সেখান থেকে আগত যাত্রীদের উপর লক্ষ্যভিত্তিক স্ক্রিনিং চালানো হবে। তবে এই যাত্রীদের জন্য আলাদা কোনো প্রবেশপথ বা রুট নির্ধারণ করা হয়নি; সাধারণ অভিবাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    স্ক্রিনিং চলাকালীন যদি কারো শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে দেখা যায় বা নিপাহ-সংশ্লিষ্ট কোনো উপসর্গ ধরা পড়ে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ মেডিকেল টিমের কাছে পাঠিয়ে পরবর্তী স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকেফলি আহমদ বলেন, এই ব্যবস্থা নেওয়ার পেছনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও ঝুঁকি পর্যালোচনাই প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি, যাতে আমাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের এবং সময়োপযোগী থাকে।’

    মালয়েশিয়ার এই উদ্যোগটি ভারতের সাম্প্রতিক নিপাহ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশও তাদের বিমানবন্দরগুলোতে অনুরূপ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বাড়িয়েছে। মালয়েশিয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগও দেশজোড়া প্রবেশপথে উচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।