Blog

  • ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও শেয়ার: কাতারে ৩১৩ গ্রেপ্তার

    ইরানের হামলার ছবি-ভিডিও শেয়ার: কাতারে ৩১৩ গ্রেপ্তার

    ইরানের হামলার ছবি ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শেয়ার করার অভিযোগে কাতার যেন্‍ো ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতি দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ধারণ ও তা প্রচার করেছেন এবং এমন গুজব ও ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছেন যা জনমনে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। আটককৃতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের আওতাধীন অর্থনৈতিক ও সাইবার অপরাধ দমন বিভাগ জানিয়েছে।

    এর আগে ইরান, ইসরায়েলি-মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি স্থাপনা ও আবাসিক অঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা জানায়। এই চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলে সংবেদনশীল ছবি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি বেড়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোতেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ৬ মার্চ বাহরাইন জানিয়েছে, ইরানি হামলার প্রভাব নিয়ে ভিডিও ধারণ ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুয়েতেও ৭ মার্চ পরিস্থিতি নিয়ে উপহাস করে ভিডিও তৈরির অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এবং সৌদি আরবও ঘটনার স্থান, নিখুঁত বস্তু বা ধ্বংসাবশেষের ছবি-ভিডিও ধারণ, প্রকাশ বা প্রচারের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছে এবং অনির্ভরযোগ্য তথ্য পুনরায় প্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবু সামাজ‌্যিক যোগাযোগমাধ্যম এবং গ্রুপ চ্যাটে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ছবি-ভিডিও ছড়াতে দেখা গেছে।

    সূত্র: এএফপি।

  • জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্তমান সরকারের বৈধতার মূল ভিত্তি: নাহিদ ইসলাম

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্তমান সরকারের বৈধতার মূল ভিত্তি: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানই বর্তমান সরকারের বৈধতার মূল ভিত্তি। এই বৈধতা জুলাই সনদ আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কোনো নির্বাচিত সরকার যেন এই বাস্তবতাকে উপেক্ষা করতে না চায়।’

    সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির আয়োজন করা ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যদি সংসদে আবারও পুরনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানো হয় বা শপথ নেওয়ার প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া হয়, তাহলে দেশে কেবল রাজনৈতিক সংকটই সৃষ্টি হবে না—জুলাই গণঅভ্যুত্থান, নির্বাচন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। এমন কোনো পদক্ষেপ জুলাইয়ে অংশ নেওয়া হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও রক্তের সঙ্গে বেঈমানির সমতুল্য হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আজকের ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মিলন ও ঐক্যের যে বার্তা দেখলাম, ঠিক সেই মনোভাব সংসদেও থাকা উচিত। সংসদে ঐক্যবদ্ধ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সব অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে। জুলাই সনদ আদেশ কার্যকর করেই আমরা নতুন বাংলাদেশের নির্মাণের পথে এগোতে পারি।’

    অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘আপনারা অধীর আগ্রহে শাপলা কলিতে ভোট দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমরা দুর্ভাগ্যবশত খুলনায় শাপলা কলি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পারিনি। ভবিষ্যতে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি জায়গায় প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করবো, ইনশাল্লাহ।’

    রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ক্ষোভ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘খুলনা বাসীর পক্ষে আমরা সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি—সুন্দরবন ও জনস্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করে রাখা রামপাল পাওয়ার প্ল্যান্টটি বন্ধ করতে হবে।’

    ইফতার অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এনসিপির মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ কেন্দ্রীয় ও খুলনা বিভাগীয় নেতারা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এনসিপি যুগ্ম সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক।

  • নারী বিপিএল: বগুড়া ভেনু যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    নারী বিপিএল: বগুড়া ভেনু যুক্ত, দুই দল চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবার নারী ক্রিকেটে নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে চলা ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘নারী বিপিএল’ মাঠে গড়াবে আগামী ৪ থেকে ১৪ এপ্রিল।

    টুর্নামেন্ট ঘিরে নতুন একটি ঘোষণা এসেছে — শুরুতে যেখানে মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে খেলার কথা ছিল, সেখানে এখন বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামও ভেন্যু হিসেবে যোগ করা হয়েছে। বিসিবির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বগুড়াতেও বিপিএলের জমজমাট ক্রিকেট দেখা যাবে। সূত্রের খবর, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্রথম ম্যাচও বগুড়ায় হতে পারে। আলোচনায় আছে—টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করতে পারেন ডাঃ জুবাইদা রহমান।

    এই আসরে মোট তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশ নেবে। প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪ মার্চ, রাজধানীর একটি হোটেলে। প্রতি দলের জন্য নির্বাচিত ‘আইকন’ ক্রিকেটারের নাম হিসেবে রাখা হয়েছে জাতীয় দলের তিন তারকাকে — নিগার সুলতানা জ্যোতি, নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। এই আইকন ক্রিকেটারদের জন্য সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা, এবং তারা নিজ নিজ দলের নেতৃত্ব দেবেন।

    এখনও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে তিনটির মধ্যে দুটির নাম চূড়ান্ত হয়েছে—রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং চিটাগং পাইরেটস। তৃতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কেনার লড়াইয়ে এগিয়ে আছে বিপিএলের পরিচিত নাম রংপুর রাইডার্স।

    টুর্নামেন্টটি দেশের মহিলাদের ক্রিকেটকে আরও প্রসার দেবে এবং স্থানীয় ভেন্যুগুলোতে দর্শক-উদ্দীপনা বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। তিন ভেনুতে ম্যাচ হওয়ার সিদ্ধান্ত অঞ্চলভিত্তিক দর্শকদের অংশগ্রহণ বাড়াবে এবং স্তরের খেলোয়াড়দের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে নারী ক্রিকেট মাঠে এক উৎসব পরিবেশ তৈরি হবে।

  • মিরপুর পিচ দেখে খুশি সিমন্স, সন্তুষ্ট পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন

    মিরপুর পিচ দেখে খুশি সিমন্স, সন্তুষ্ট পাকিস্তান কোচ মাইক হেসন

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ থাকলেও এবার আশাবাদী দুই দলের কোচ। বুধবার (১১ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সব ম্যাচই মিরপুরে হওয়ায় সিরিজ শুরুর আগে পিচ নিয়ে আলোচনা ছিল। আজ (৯ মার্চ) অনুশীলনে এসে দুই দলের অধিনায়ক ও কোচ পিচ দেখেন এবং এবারের উইকেটকে নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনার বদলে ইতিবাচক প্রতিক্রই পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি খুব ভালোভাবেই শেষ করেছিলাম এবং সেই পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই না। তিনি জানান, গত সিরিজের তুলনায় এবারের উইকেটগুলো অনেক ভালো মনে হচ্ছে। তাই দলের লক্ষ্য উন্নতি ধরে রাখা এবং গত ম্যাচে যে ব্যাটিং ধার দেখা গেছে তা বজায় রাখা। তবে সিমন্স স্বীকার করেছেন যে মিডল ওভারে দলের খেলায় উন্নতির জায়গা আছে—ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রে মাঝের ওভারে উইকেট নেওয়ার ওপর জোর দেবেন।

    উইকেটের মান নিয়ে আশার কথা আরও জানিয়ে সিমন্স বলেন, বিপিএলের শেষ পর্যায়ের ম্যাচ ও দুদিন আগের ম্যাচও দেখেছেন এবং সেখানে পিচ সন্তোষজনক ছিল। একজন ক্রিকেটার হিসেবে ভালো উইকেটে খেলতে পছন্দ করেন যাতে নিজের দক্ষতা যাচাই করা যায়—তাই তার মনেই পিচগুলো এখানে অনেক ভালো হবে বলে আশা দেখা দেয়।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসনও এবারের পিচের প্রশংসা করেছেন। অতীতে তিনি মিরপুর পিচ নিয়েও তীব্র সমালোচনা করলেও এবার আউটফিল্ড ও পিচ দুটিকে ভালো হিসেবে বর্ণনা করেছেন। হেসন বলছেন, গতকাল-গত সপ্তাহের বিপিএলে দেখা পিচগুলো অনেক উন্নত ছিল, এখন অনেক জায়গায় ঘাস আছে এবং ব্যাট-বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হবে। এতে দুই দলই লাভবান হবে বলে তিনি মনে করেন।

    হেসন আরও বলেন, বাংলাদেশকে তাদের নিজস্ব কন্ডিশনে সম্মান করলেও এবারের পিচের মান দুই দলের চ্যালেঞ্জকে সমান করে দিয়েছে। আগের কিছু টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় এখনকার কন্ডিশন ভিন্ন—পিছনের বাউন্স ছিল অসমান ও মাঠও সাধারণ ধরনের ছিল, কিন্তু এখন অনেক উন্নতি দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি তিনি মনে করান যে বাংলাদেশ সম্প্রতি বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই পাক দলকে দ্রুত ওই ফরম্যাটে খাপ খাওয়াতে হবে।

    এই প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে তা হলো — পুরনো অভিযোগের ছায়া বাদ দিয়ে এবারের সিরিজে উভय দলই পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভালো ক্রিকেট উপহার দেবার আশা করছে।

  • লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা: ইউটিউবার অনুরাগ ডোভালের জ্ঞান ফিরেছে

    লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা: ইউটিউবার অনুরাগ ডোভালের জ্ঞান ফিরেছে

    পারিবারিক অশান্তির জেরে লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা করা ভারতীয় ইউটিউবার ও ‘বিগ বস’ খ্যাত রাইডার অনুরাগ ডোভালের জ্ঞান ফিরে এসেছে। তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে, জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ‘আজকের পত্রিকা’।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (৭ মার্চ) দিল্লি-মেরঠ এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চালানোর সময় অনুরাগ লাইভে নিজের ‘শেষ ড্রাইভ’ ঘোষণা করেন। আরও পরে তিনি গতি বাড়িয়ে প্রায় ১৫০ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে গাড়ি ডানদিকে ঘুরিয়ে সড়কের ডিভাইডারে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা দেন, ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। ঐ সময়ে তার লাইভে প্রায় ৮২ হাজার দর্শক ছিলেন।

    আহত অবস্থায় অনুরাগকে প্রথমে মেরঠের সুভরতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত এবং তিনি আইসিইউ থেকে সাধারণ বেডে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

    দুর্ঘটনার আগে অনুরাগ একটি ভিডিও বার্তায় জানান, প্রিয় মেয়েকে বিয়ে করার বিষয়ে কয়েকদিন ধরেই তিনি পারিবারিক অশান্তিতে ভুগছিলেন এবং মানসিক চাপ অনুভব করছিলেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, গভীর হতাশায় আত্মহত্যার কথাও ভেবেছেন এবং যদি এমন কিছু ঘটে তবে তার পরিবার দায়ী থাকবে—এরকম মন্তব্যও করেন।

    অনুরাগ ডোভাল ১৯৯৭ সালের ৩ মে দেরাদুনে জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি একজন জনপ্রিয় মোটোভ্লগার; ইউটিউবে তার সাবস্ক্রাইবার প্রায় ৭.৯ মিলিয়ন এবং ইনস্টাগ্রামে ৭.৪ মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী রয়েছে। হাই-এনার্জি ট্রাভেল ভ্লগ ও মোটরসাইকেল রাইডিং ভিডিওর মাধ্যমে তিনি খ্যাতি পেয়েছেন এবং ‘বিগ বস ১৭’-এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে মূলধারার বিনোদন জগতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন।

  • বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর খালাস

    বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর খালাস

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে চার বোতল বিদেশি মদ নিজের কাছে রাখার অভিযুক্ত করে দায়ের করা মামলায় আদালত খালাস দিয়েছেন। শুনানি শেষে বিচারক অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেন।

    ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী সোমবার (৯ মার্চ) সরকারের দায়ের করা অভিযুক্তি প্রমাণিত হয়নি বলে রায় ঘোষণা করেন। খালাসের নির্দেশ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আসিফের পক্ষে থাকা আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ এটি নিশ্চিত করেন।

    এর আগে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে ৩ মার্চ আদালত শুনানি ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন। রায় ঘোষণার সময় আসিফ আকবর আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও থানার আওতাভুক্ত পান্থপথে অবস্থিত আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি টকিলা মদ পাওয়া যায়। ওই মদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়।

    লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তৎকালীন তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

    আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মোট তিন জন সাক্ষী গ্রহণ করা হয়। সব বিবরণ ও প্রমাণ পর্যবেক্ষণের পর আদালত আজ (৯ মার্চ) সিদ্ধান্তে পৌঁছে বলে জানায় যে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।

  • পাইলট পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    পাইলট পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

    নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ—নারী-প্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হচ্ছে। পাইলট পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত মোট ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারী-প্রধান পরিবার এই কার্ড পাবেন।

    এ তথ্য আজ সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান। কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী efectuar করবেন।

    মন্ত্রী বলেন, পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর নামে কার্ড প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাইলট প্রকল্পটি দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল), রেমিট্যান্সসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

    পাইলট পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী-প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহের পর সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত পরিবারের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচন কালে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। প্রতিটি নির্বাচিত নারী-গৃহপ্রধানকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে, যা স্পর্শবিহীন চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তিসহ নিরাপদ ও টেকসই হবে।

    প্রতিটি কার্ডে একটি পরিবারের পাঁচ জন সদস্য ভাতা বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। যদি কোনো যৌথ পরিবারে সদস্যসংখ্যা পাঁচের বেশি হয়, তাহলে আনুপাতিক ভিত্তিতে অতিরিক্ত কার্ড প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    সভায় মন্ত্রী আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ডে নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, অথবা সরকারি চাকরি বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী হয়ে থাকেন, তাহলে ওই পরিবারকে ভাতা প্রদানের যোগ্য বিবেচনা করা হবে না। একইভাবে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা, বিলাসবহুল সম্পদ (যেমন গাড়ি, এসি) বা নির্দিষ্ট পরিমাণ সঞ্চয়পত্র থাকলে সেই পরিবারও ভাতা পাবেন না।

    পাইলটিং পর্যায়ে প্রতিমাসে নির্বাচিত উপকারভোগীরা মাসিক ২,৫০০ টাকার হারে নগদ ভাতা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যসহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় আনা হবে। ভাতার টাকা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি উপকারভোগীর নির্বাচিত মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হবে—তথ্য সংগ্রহকালে এই অ্যাকাউন্ট-ওয়ালেটের তথ্যও নেওয়া হয়েছে, যাতে বিলম্ব বা ভুল জমা এড়ানো যায়।

    পাইলট পর্যায়ের বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন-২০২৬ পর্যন্ত মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬ শতাংশ) সরাসরি নগদ সহায়তায় এবং ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (৩৩.৯৪ শতাংশ) তথ্যসংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম প্রণয়ন ও কার্ড প্রস্তুতিসহ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ব্যবহার করা হবে।

    মন্ত্রী অনাড়ম্বরভাবে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন, ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে আপলোড করা রয়েছে।

  • সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলে দিল

    সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার পথ খুলে দিল

    সরকার একই ব্যক্তিকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গতকাল রোববার স্বাধীনতা পুরস্কার সংক্রান্ত নির্দেশাবলির ৭.১১ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে অফিস আদেশ জারি করেছে।

    সংশোধিত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার প্রদানের জন্য সাধারণত বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত থাকবে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পাওয়ার পর যদি অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ ও গৌরবোজ্জ্বল অবদান রাখে, তাহলে কমপক্ষে ২৫ বছর পর তাদের পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’

    এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সহ মোট ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এই তালিকায় জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামও রয়েছে—তিনি ১৯৭৭ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

    গতবারও একই ব্যক্তিকে ভুলক্রমে দুইবার মনোনয়ন করা হলে পরে তাদের নাম তালিকা থেকে সরানো হয়েছিল। এবারের পরিস্থিতিতে যাতে এমন সমস্যা না হয়, সেই কারণে নির্দেশাবলিতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    নতুন নিয়মে বিশেষ অবদানের ভিত্তিতে দীর্ঘ সময় পর পুরস্কার পুনরায় দেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভবিষ্যতে পুরস্কার প্রদান প্রক্রিয়ায় কিছুটা নমনীয়তা আসবে।

  • সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ: দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ: দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অধীনে থাকা দিঘলিয়া উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হয়।

    একই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অধীনে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠন জানিয়েছে, দুইজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাঁড়িয়েছে এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেছেন। সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এসব ব্যবস্থা নিয়েছে।

  • মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল/দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই ঘোষণাটি দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    সংগঠনের নেতৃত্বে মনিরা শারমিন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন নুসরাত তাবাসসুম। যদিও ডা. মাহমুদা মিতু শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি, অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন।

    নাহিদ ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, ‘নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোতে আলাদা একটি সংগঠন অত্যন্ত প্রয়োজন। নারীশক্তি হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে নারী নিজেদের ইস্যু নিয়ে ঘরে-বাইরে বললেই আস্থা ও সংগঠনের মাধ্যমে নিজেদের দাবি সামনে তুলে ধরতে পারবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন সংগঠনটি সাইবার বুলিংসহ নানা সামাজিক ইস্যুতে স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

    নাহিদ আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীর অধিকার অর্জন সবসময়ই আন্দোলন ও সংগ্রামের ফল। বাংলাদেশে ভোটাধিকার থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের জন্য নারীদের বারবার লড়াই করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সব আন্দোলনেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, কিন্তু একই সময়ে তারা সহিংসতারও শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের সূচনালগ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনা আন্দোলনের গতিকে প্রভাবিত করেছিল।

    নাহিদ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে প্রচুর নারী রাজপথে ছিলেন, কিন্তু পরে রাজনীতির মাঠে তাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। এর পেছনে সামাজিক বাধ্যবাধকতা, পারিবারিক চাপ এবং অনলাইনে চলা মানহানিকর ট্রল ও সাইবার বুলিং বড় ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে অনেক নারী আন্দোলন ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।’ তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে হবে — দলমত নির্বিশেষে।

    অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতারা জানান, অচিরেই ‘জাতীয় নারীশক্তি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে এর সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসারিত করা হবে। আত্মপ্রকাশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একই মিলনায়তনে ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন নারী উপস্থিত ছিলেন।

    সংগঠনটি ভবিষ্যতে নারীর কণ্ঠ আরও জোরালোভাবে রাজনীতিতে তুলতে কাজ করবে—এটাই অনুষ্ঠানে বারবার উচ্চারিত প্রতিশ্রুতি।