যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ শহর নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন জোহরান মামদানি। তিনি একজন বামপন্থি রাজনীতিবিদ হিসেবে মার্কিন রাজনীতিতে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। শপথের এই অনুষ্ঠানে তিনি পবিত্র কুরআন হাতে নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন, যা শহরটির নতুন এক অধ্যায় শুরু করে।
Blog
-

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং
আজ ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে যান, যেখানে তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি প্রথমে চাণক্যপুরী এলাকায় অবস্থিত হাইকমিশনের প্রাঙ্গণে পৌঁছান। সেখানে তিনি নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শোকপুস্তিকায় নিজের শোকবার্তা লিখে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, রাজনাথ সিং তার শোকবার্তায় খালেদা জিয়ার বাংলাদেশের রাজনীতি ও দেশের প্রতিহত আঙিনায় তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই শোক প্রকাশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গভীরতা আবারও ফুটে উঠেছে, যেখানে দুই দেশের নেতা একসঙ্গে শোক প্রকাশ করে সম্মান জানান খালেদা জিয়ার অবদানকে।
-

২০২৫ সালে সাগরপথে স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৯০: প্রতিবেদন
২০২৫ সালে, এক বছরে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনে যাওয়ার পথে মোট ৩০৯০ অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন। এই তথ্যটি প্রকাশ করেছে স্পেনভিত্তিক অভিবাসী অধিকার সংগঠন কামিনান্দো ফ্রন্তেয়ার্স; তারা উল্লেখ করেছে, এসব মৃত্যু নিছক দুঃখজনক পরিস্থিতি নয়, বরং এই পথে এখনও মারাত্মক ঝুঁকি বিদ্যমান।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯২ জন নারী ও ৪৩৭ জন শিশু রয়েছে। এই সংখ্যা বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে, যেখানে অধিকাংশই পূর্ব ও উত্তর আফ্রিকার দেশের নাগরিক। এর বাইরেও পাকিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন, সুদান, ইরাক ও মিসরের নাগরিকরা এই মৃত্যুর শিকার হয়েছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রাকৃতিক এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই পথে মারা বা নিখোঁজ হয়েছেন ৩০৯০ জন। এই সময়ে মৃতের সংখ্যা খুব বেশি না হলেও, এটি একটি মারাত্মক সূচক, যা স্পষ্ট করে দেয় যে, এই সাগরপথ এখনো বিপজ্জনক।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেনে পৌঁছানোর জন্য এই পথটিই মূল ও একমাত্র সমর্থনযোগ্য রুট। মৌরিতানিয়ার উপকূল থেকে শুরু করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানো হয়। এই পথে শতকরা ১২ দিন সময় লাগে ইঞ্জিনচালিত নৌযানে ভ্রমণ করতে। যদিও বছরজুড়ে এই রুটটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, তবে বিকল্প কোনও পথ না থাকায় অনেকে এই পথ বেছে নেন।
এ বছরের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে মৌরিতানিয়া-ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ রুটে মৃত বা নিখোঁজের সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় কম, যেখানে এই পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ৫৪৭। তবে, অভিবাসী অধিকারকর্মীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, মৃতের সংখ্যা কমে যাওয়ার মানে এই নয় যে, এই পথটি নিরাপদ। বিপজ্জনক এই সাগরপথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যাতায়াত হ্রাস করতে হলে সীমান্তে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং বিধিনিষেধ শিথিলের পাশাপাশি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।
সুত্র: আনাদোলু এজেন্সি
-

বটিয়াঘাটায় নারীর মাথাবিহীন লাশের রহস্য উদঘাটন, প্রেমিক গ্রেফতার
অপহরণের মামলার সূত্র ধরে বটিয়াঘাটায় উদ্ধার হওয়া মাথাবিহীন এক নারীর মৃতদেহের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), খুলনা। দীর্ঘ চার দশকের তদন্ত ও ৪০ দিনের কঠোর অভিযানের পর আসল আসামি মোঃ লালন গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন সাজিয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা শামিম ফকির (৩০) তার মা সালেহা বেগমের অপহরণের অভিযোগে একই গ্রামের মোঃ লালন গাজীকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে পিবিআই খুলনার এসআই (নিঃ) রেজোয়ান। তদন্ত চলাকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়, সালেহা বেগম দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানাধীন এলাকায় বসবাস করছিলেন। তবে ১৯ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যার পর তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, সালেহা বেগম ও আসামি লালন গাজী একত্রে ইন্দুরকানীর চাড়াখালী গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকতেন।
প্রাথমিক তদন্তে আরও নির্দেশ করে, ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় ভিকটিম ও আসামি খুলনার বটিয়াঘাটা থানাধীন গজালিয়া গ্রামে যাওয়ার জন্য একত্রে বাসা থেকে বের হন। পরের দিন, অর্থাৎ ২০ আগস্ট বিকেলে, বটিয়াঘাটার সুরখালী ইউনিয়নের সুখদাড়া গ্রামে ঝপঝপিয়া নদী থেকে মাথাবিহীন নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত না হলে সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং বটিয়াঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরে, পিবিআই খুলনার ক্রাইমসিন টিমের সংগৃহীত ছবি ও আলামত দেখানোর পর পরিবারের সদস্যরা মৃতদেহটি সালেহা বেগমের বলে ত্বরিতভাবে শনাক্ত করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত পিবিআইয়ের বাক্যবদ্ধ হলে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই প্রেমিকার হত্যার প্রধান আসামি লালন গাজী পলাতক থাকেন। পিবিআই’র প্রধান মোঃ মোস্তফা কামাল, এ্যাডিশনাল আইজিপি’র তত্ত্বাবধানে, এবং খুলনা জেলা অফিসের ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম-সেবা’র নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায়। অবশেষে, ১৮ ডিসেম্বর রাতে সুনামগঞ্জের হালুয়াঘাট বাজার সংলগ্ন খেয়াঘাট এলাকা থেকে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
আটকের জিজ্ঞাসাবাদে, আসামি স্বীকার করে যে, ভিকটিমের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১৪ লাখ টাকা উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে এবং বিয়ের চাপের কারণে সে হত্যার পরিকল্পনা করে। ১৯ আগস্ট বিকেলে, বটিয়াঘাটার পার বটিয়াঘাটা খেয়াঘাট এলাকায়, সহযোগীদের সহায়তায় সালেহা বেগমের হত্যা করে তার মাথা বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহটি ঝপঝপিয়া নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে, আসামি তার দেখানো অনুযায়ী গজালিয়া গ্রামে তার আত্মীয়ের বাড়ির বিভিন্ন স্থানে সালেহা বেগমের ব্যবহৃত মালামাল ও পরিধেয় বস্ত্র উদ্ধার করেন। বর্তমানে, আসামিকে পুনরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে, এবং এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
-

খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়াকে তার দৃঢ় সিদ্ধান্তের জন্য আলাদা করে চেনা যায়। স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদের অধীনে ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও, তিনি সেই পথ পছন্দ করেননি। আসন্ন তালিকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, যখন অন্যরা আপস করতে থাকলে তিনি সংগ্রামকেই বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর এই দৃঢ়তা সময়ই প্রমাণ করে, ১৯৯০ সালে এরশাদ পতনের পর, ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া শপথ নেন। জীবনে কারাবরণ ও রাজনৈতিক নিপীড়নের মধ্যেও তিনি হেরেছেন না, বরং আপসের মুখ দেখাননি, যা তাকে একজন ‘আপসহীন’ বলিষ্ঠ নেত্রী হিসেবে পরিচিতি দেয়।
বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নেন নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনের মানুষ। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতারা, বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং খুলনা-২ আসনের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এর পাশাপাশি আরও ছিলেন দলের বিভিন্ন নেতা, কর্মী, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সমর্থকগণ। তিনি তাদের সঙ্গে নিয়ে সার্বজনীন শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে এই প্রার্থনা ও সমাবেশে অংশ নেন। এসময়ে রাজনৈতিক নেতারা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও আদর্শের কথা স্মরণ করে তার অবদানকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।
-

খুলনা BNP নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণে ঐতিহাসিক খালেদা জিয়্যার জানাজা
অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা, নিঃশব্দ কাঁন্না ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ঢাকা পড়ে যায় মানিক মিয়া এভিনিউ। সেই জনসমুদ্রে খুলনার সাধারণ মানুষও একসূত্রে আবদ্ধ হয়ে যান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে খুলনা মহানগর ও জেলা থেকে হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ রাজধানীতে ছুটে যান। প্রিয় নেত্রীর শেষ বিদায় জানাতে পেরে তারা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করেন এবং মনে করছেন তারা এই ইতিহাসের সাক্ষী। বুধবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভোর থেকেই খুলনার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, ট্রেন এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। অনেকেই রাত কাটিয়ে সকালে পৌঁছান রাজধানীতে। দীর্ঘ পথ, কষ্ট və ভিড় অনেককেই থামাতে পারেনি। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। মূল জানাজার আগে আগে দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মানুষের ঢল নামায় তা বিলম্বিত হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানাজার ভিড়ে সংসদ ভবন এলাকা ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কগুলো ব্যাপকভাবে ঢাকা পড়ে যায়। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির শত শত নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ লোক দলীয় পতাকা ও কালো ব্যাজ ধারণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কেউ ফুঁপিয়ে কাঁদছেন, কেউ নীরবে হাত তুলে দোয়া করছেন। কারো চোখে শূন্যতা, কারো চোখে হারানোর গভীর বেদনা। জানাজায় অংশ নেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে গেছেন। খুলনা থেকে আসা ঢলের এই অংশ হাজির করে প্রমাণ করে, এই নেত্রী শুধু দলের নেত্রী নন, তিনি মানুষের হৃদয়ের নেত্রী। এই জনসমাগম দেশের কাছে অসাম্প্রদায়িক ভালোবাসার এক প্রকার গভীর বার্তা। কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়া যে গণভিত্তি তৈরি করেছিলেন, তারই প্রতিচ্ছবি এই বিশাল জনসমুদ্র। খুলনার মানুষ যে ভালোবাসা অনুভব করেছিল, যে প্রেম ও সমর্থন সংগৃহীত হয়েছিল, তা আজ অশ্রুকর মরুচিহ্নে রূপান্তরিত হয়েছে। এই জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও খুলনা-৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীসহ মহানগর ও জেলা বিএনপি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। জানাজার স্থানেই খুলনার একজন প্রবীণ নেতা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি আর কখনো দেখব না খালেদা জিয়াকে—এটাই বিশ্বাস হচ্ছে না। তিনিই আমাদের সাহস, আমাদের লড়াই।’ উল্লেখ্য, তিন বার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে খুলনা ও সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার সকাল থেকেই খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের প্রিয় নেত্রীর শেষ বিদায়ের জন্য ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আবেগঘন অংশগ্রহণ খুলনাবাসীর গভীর সম্পর্কের প্রমাণ, যা দীর্ঘকালীন স্মৃতিতে রয়ে যাবে। খুলনা বিএনপির কার্যালয়ে বুধবার শোক বইতে শত শত মানুষ স্বাক্ষর করেন। পাশাপাশি, মহানগর বিএনপির কার্যালয়সহ বিভিন্ন বিএনপি অফিসে কোরআনখানি ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা ও ব্যাজ ধারণ করে নেতাকর্মীরা গভীর শ্রদ্ধা জানান।
-

সারাদেশে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা ও শোক প্রকাশ
সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও ত্রিবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাতে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিভিন্ন অঞ্চলে এ জানাজার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে খালেদা জিয়ার রুহের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়, যাতে তার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়।
কুষ্টিয়া: ভেড়ামারা সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বাদ জোহর খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন মাওলানা নাহিদুল ইসলাম। এ জানাজায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ ছিল ব্যাপক।
ঝিনাইদহ: শৈলকুপা ডিগ্রি কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন।
এদিকে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর প্রথম দিন থেকেই জেলা বিএনপি সাত দিনের শোক কর্মসূচি পালন করছে। দলীয় কার্যালয়ে শোক বই খোলা হয়েছে এবং কোরআন তিলাওয়াত চলছে। এই কর্মসূচি ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছেন জেলা বিএনপির কর্মকর্তারা।
বগুড়া: শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিকেলে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন, কিছু মানুষ কাঁদো কাঁদো হয়ে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর মুসল্লিরা দোয়া ও মোনাজাত করে তার আত্মার শান্তি কামনা করেন।
সিলেট: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জানাজায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তারা অংশ নেন। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি: জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায়কৃত জানাজায় রাঙ্গামাটির মানুষও উপস্থিত হন। জানাযার সম্প্রচার এলইডি টিভির মাধ্যমে দেখানো হয় সরাসরি।
রংপুর: বুধবার বাদ জোহর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে গায়েবানা জানাজা হয়। ইমামতিতে ছিলেন মাহফুজ হাফেজ মোঃ হামিদুল ইসলাম। এতে প্রবীণ নেতারা ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। পরে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ অন্যরা অংশ নিয়ে দোয়া করেন।
রাজবাড়ী: খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সবস্তরের মানুষ এতে উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
পঞ্চগড়: বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুলে বাদ জোহর গায়েবানা জানাজা হয়, যেখানে সব স্তরের মানুষ অংশ নেয়। জানাজার পরে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া হয়।
রাজশাহী: বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্যোগে জানাজা সম্পন্ন হয়। নগরীর টিকাপাড়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সবাই তার জন্য দোয়া করেন। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জোহরের নামাজের পরে কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা হয়। সেখানে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ অংশ নেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শোক পালিত হচ্ছে।
বরিশাল: খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নগরের ৩০টি ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে সাত দিনের দোয়া-প্রার্থনা ও শোক কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। সকল অফিসে কালো পতাকা উত্তোলন ও দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।
-

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রিতে, শীতের কঠোরতা বাড়ছে
মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলা পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়েছে। হাড়কাঁপানো এই শীত পরিবেশে জেলার সাধারণ জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে, আর সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অসহায়, দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষগুলো।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ভোরে চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের তুলনায় এটি অত্যন্ত কম, এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ। গত দুই দিন ধরে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে, যার ফলে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আগের দিন, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর), সারাদেশের মতো চুয়াডাঙ্গায়ও শীতের তীব্রতা স্পষ্ট দেখা গেছে। সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঐ দিনও আকাশে ঘন কুয়াশা ছড়িয়ে ছিল, ফলে শহর ও গ্রামে ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।
জেলাজুড়ে ভোরে কুয়াশা আর হিমশীতল বাতাসের কারণে রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইর হতে চাননি। তবে, খেটে খাওয়া মানুষের জন্য এটি বড় ধরণের দুর্ভোগের কারণ। তারা পরিস্থিতি উপেক্ষা করে জীবিকার জন্য কাজের খাতায় ঢুকছেন। শহরের বিভিন্ন মোড়, চায়ের দোকান ও বাজার এলাকায় খড়কুটো, কাঠ ও পুরনো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের।
চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে থাকলেও, এই অবস্থা আগামী দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। শীতের এই প্রকোপ আরও কিছু সময় এভাবেই থাকবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
-

সোনার দামে রেকর্ড পরিমানে বৃদ্ধির হালচাল
দেশের বাজারে সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সবচেয়ে মূল্যবান মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা, যার ফলে এই দামের সর্বমোট value এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এই নতুন দাম দেশের বাজারে আগে কখনো দেখা যায়নি। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রোববার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।
শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরে, কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সবচেয়ে মূল্যবান মানের প্রতি ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। এর আগে ২৩ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ২২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা, ১৬ ডিসেম্বর ১ হাজার ৪৭০ টাকা, ১৪ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৪৪২ টাকা এবং ১২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধি হয়েছিল।
আশাকর্মে, এই সাম্প্রতিক দাম বৃদ্ধির ফলে, ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম একবারে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এই চার দিনের মধ্যে দাম আরও বৃদ্ধি পেয়ে, সোনার বাজারে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, যা আগে থেকে ১ হাজার ৫১৭ টাকা বেড়ে গেছে। ১৮ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর, প্রথমে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে দাম পৌঁছায় ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকায়। একই দিন, ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকায় পৌঁছায়। ১৮ ক্যারেটের সোনা ৩ হাজার ৪৪১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকায় বিক্রি হয়, আর সনাতন পদ্ধতির সোনা ২ হাজার ৯১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকায় বিক্রি হয়। এই দাম কার্যকর হয় এবং আজ শনিবার পর্যন্ত এই দামে সোনা বাজারে বিক্রি হয়েছে।
-

পাকিস্তানের প্রথম নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আর নেই
পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র নারী গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন শামশাদ আখতার। তিনি দুই দফা তত্ত¡াবধায়ক সরকারে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। শনিবার দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭১ বছর বয়সে তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানের মুদ্রানীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং পুঁজিবাজারের মূল ক্ষেত্রগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান স্টেট ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন, এরপর ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের আগে তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর ত্যাগের প্রশংসা করে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে সততা, পেশাদারিত্ব এবং জনসেবা দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। উল্লেখ্য, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি চলে গেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি পাকিস্তানের এক বিশিষ্ট অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক হিসেবে পরিচিত। তিনি বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএন ইএসক্যাপ) নির্বাহী সচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকেও কাজ করেছেন। হায়দরাবাদে জন্ম নেওয়া এবং করাচি ও ইসলামাবাদে শিক্ষাজীবন заверш করা শামশাদ আখতার পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স এবং যুক্তরাজ্যের পেইসলি কলেজ অব টেকনোলজি থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুতে দেশের স্টক মার্কেট ও অর্থনীতি গভীর শোকাহত।
