Blog

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার বা ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, এ সংরক্ষণ ছিল ৩ হাজার ২০১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। এর আগে, ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুসারে, সেটি ছিল ২৯.৯৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, চলতি এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। প্রতিটির মূল্য ধরেছি ১২২ টাকা, যার অর্থ ধার্য্য করে বাজারে বাংলাদেশের অর্থনীতি উপকৃত হচ্ছে। এই পরিমাণের কারণে মাসের গড়ে প্রতি দিন গড়ে ১১ কোটি ৭ লাখ ডলার অর্থাৎ ১৪ হাজার ৮۰۰ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

  • LG Electronics এশিয়ার জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন

    LG Electronics এশিয়ার জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন

    বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড LG Electronics (LG) সম্প্রতি কোরিয়ার বাসানে ৭ থেকে ১০ এপ্রিলের মধ্যে আয়োজিত LG InnoFest 2026 APAC-এ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবনী হোম অ্যাপ্লায়েন্স এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে প্রায় ২০টির বেশি এশীয় দেশ থেকে আসা ২০০ এর মতো বাণিজ্যিক পার্টনার এবং মিডিয়া প্রতিনিধি। এটি LG-র ২০২৬ সালের InnoFest সিরিজের সমাপনী আয়োজন ছিল।

    ‘Innovation, Forward Together’ – এই থিমের আলাদা গুরুত্ব দিয়ে LG দেখিয়েছে কিভাবে এশীয় ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, আবাসন সুবিধা ও ব্যবহারিক প্রয়োজন বিবেচনা করে টেকনোলজি নির্ভর হোম সমাধান তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয় সংস্কৃতি ও K Tech উদ্ভাবনের সমন্বয়ে LG নিজেদের বাজারের জন্য এমন বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেছে।

    বাংলাদেশসহ অন্যান্য এশিয়া উপমহাদেশের জন্য উন্নত পোশাক পরিচর্যা (Laundry Care) সমাধান হিসেবে LG নতুন WashTower™ লাইনআপে আরও শক্তিশালী পণ্য এনেছে। এই সিরিজের মধ্যে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি, ২৪ ইঞ্চি ও ২৭ ইঞ্চি মডেল, যা ছোট জায়গায় বেশি সুবিধা দেয়। এতে রয়েছে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি, যা কাপড়ের ধরন এবং ময়লার স্তর অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াশের মুভমেন্ট সামঞ্জস্য করে।

    TurboWash™ 3D প্রযুক্তির মাধ্যমে শুধুমাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ ওয়াশ সাইকেল শেষ করা সম্ভব। এছাড়া, স্বয়ংক্রিয় ডিটারজেন্ট ডিসপেনসার প্রয়োজন অনুযায়ী ডিটারজেন্ট নির্ধারণ করে দেয়। LG এর WashCombo™ অল ইন ওয়ান ড্রাইয়ার ইউনিটে ধোয়া ও শুকানোর সুবিধা একসঙ্গে থাকায় কম জায়গায় বেশ কার্যকর। Inverter HeatPump™ প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, যা বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ বাজারে বিশেষ উপযোগী।

    স্মার্ট ও কমপ্যাক্ট কিচেন সমাধানের জন্য LG নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেটর উন্মোচন করেছে। ফিট ও ম্যাক্স ডিজাইন ও Zero Clearance Hinge ব্যবস্থা দিয়ে এই রেফ্রিজারেটরগুলো জানালা নষ্ট না করে বিল্ট-ইন স্টাইল দিয়ে স্টোরেজে বেশি জায়গা দেয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চার ধরনের বরফের অপশন—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন খাবার ও অতিথি আপ্যায়নে খুবই কার্যকর।

    ডিশওয়াশার বিভাগে LG এক ঘণ্টার দ্রুত ওয়াশ এবং ড্রাই সাইকেল, QuadWash™ Pro ও Dynamic Heat Dry+ প্রযুক্তি দিয়ে দ্রুত ও পরিষ্কার ফলাফল দেয়। এর পাশাপাশি, অনেক গুরুত্বপূর্ণ মডেলে A গ্রেড এনার্জি এফিসিয়েন্সি অর্জিত হয়েছে।

    প্রদর্শনীতে LG তাদের AI Home Vision এর মাধ্যমে স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে। ThinQ ON™ AI Home Hub এর মাধ্যমে LG এর স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইসগুলো একসঙ্গে সংযুক্ত হয়ে জীবনযাত্রাকে আরও সহজ, স্বয়ংক্রিয় ও সুবিধাজনক করে তুলছে। এই প্ল্যাটফর্ম ধাপে ধাপে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে চালু হচ্ছে।

    অঞ্চলীয় বিশ্লেষণে LG এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে LG Subscribe সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসও সম্প্রসারিত করছে। এতে গ্রাহকরা কিস্তিতে পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধা পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মতো বাজারে বেশ সম্ভাবনাময়।

    LG Electronics Asia Pacific এর আঞ্চলিক CEO জেসুং কিম বলেন, এশিয়া আমাদের অন্যতম মূল বাজার এবং দ্রুত বর্ধনশীল। InnoFest 2026 আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভিশন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম। তিনি আরও বলেন, আমরা স্থানীয় জীবনধারা ও প্রয়োজন অনুযায়ী AI চালিত হোম সলিউশন নিয়ে কাজ করছি।

    LG Home Appliance Solution Company বিশ্বখ্যাত হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও AI হোম সলিউশনের প্রতিষ্ঠান। তারা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, শক্তি সাশ্রয়ী ডিজাইন এবং টেকসই সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom/

  • প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    গত মার্চ মাসে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে এবং চলতি এপ্রিলেও এই প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫.০৪ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসেবপদ্ধতিতে এটি ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলার। এক মাস আগে, ১৬ মার্চ, এই রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, যা থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এটি পুরোটা ব্যবহারযোগ্য নয়; স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ থাকায়, সেই পরিমাণিই অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক স্বজ্ঞানে ‘ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ’ হিসেবে দেখায়, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব এবং আকুর বিলের মতো কিছু খাত বাদ দেওয়া হয়। বর্তমান সময়ের হিসাব বলছে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার। সাধারণত, প্রতি মাসে গড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরা হলে, এ রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের বেশি আমদানি ব্যয় পূরণ করা সম্ভব। এ জন্য কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয় সমান রিজার্ভ যথেষ্ট নিরাপদ হিসেবে ধরা হয়। অতীতে এই রিজার্ভ চাপে পড়ে ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। তখন বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বতী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বিক্রি কমিয়ে দেন ডলার, পাশাপাশি হুন্ডি ও অর্থপাচার রোধে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এর ফলস্বরূপ রিজার্ভ ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বাড়ছে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে। তখন ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ফলে রিজার্ভ ভালো অবস্থানে রয়েছে। তিনি আরও জানান, যদি ডলারের দাম খুব বেশি কমে যায়, তাহলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়, তখন ডলারের মূল্য ছিল ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। তবে পরে ঋণ অনিয়ম ও অর্থপাচার, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রিজার্ভ কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময়ে রিজার্ভ নেমে আসে ২৫.৯২ বিলিয়ন ডলার; আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী ছিল ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলার। এই সময় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় ও ডলারের দাম ১২০ টাকার ওপরে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পরে অন্তর্বতী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে বাজারভিত্তিক ডলারের বিনিময় হার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রবাসী আয় বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং আমদানির ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। এর ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি ঘটে, যা ফলে রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে দেশে এসেছে ১৭৯ কোটি ডলার প্রবাসী আয়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। এসব কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন পর্যন্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৫৬১ কোটি ডলার কিনেছে, এর ফলে রিজার্ভ আবার শক্ত অবস্থানে ফিরে আসছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনার কারণে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্থির থাকায় এই রিজার্ভ বৃদ্ধি বেশ স্বস্তিদায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেবে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংক

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেবে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংক

    দেশের শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন লক্ষ্য করেই আরও সহজ ও সুবিধাজনকভাবে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও মোটামুটি আকারের (CMSME) শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করেছে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংক। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো তৃণমূল পর্যায়ে অংকের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানো, সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’ ও ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকা অনুসরণ করে নতুন অর্থায়ন সুবিধা চালু করা। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, যিনি দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    এই চুক্তির অধীনে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের বছরে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে কম সুদে ঋণ প্রদান করবে। উদ্যোক্তারা এই সুবিধা ব্যবহার করে ১ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী কমপক্ষে চার বছরের সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে, যার মধ্যে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রয়েছে। এই সুবিধার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা কিস্তির আরম্ভের আগে ব্যবসা থেকে উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

    আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক সাম্য নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তহবিলের কিছু অংশ নারী উদ্যোক্তা, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহী তরুণ উদ্যোক্তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল এবং আয়তন অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগকারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ থাকবে। এছাড়া, ১০ লক্ষ টাকার অতিরিক্ত ঋণে কোনও জামানত বা স্থাবর সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা নেই, ফলে সম্পদের অভাবে যারা ব্যবসা বাড়াতে চান, তারা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

    প্রাইম ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশনের শীর্ষ নেতৃত্ব এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া, এই কর্মসূচি শুধু ঋণ প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ ও প্রচারে উৎসাহিত করে টেকসই শিল্পায়ন ও বিদেশ থেকে ফিরে আসা অভিবাসীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার লক্ষ্যও রয়েছে।

    প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এই উদ্যোগ দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানোসহ কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

  • খুলনাসহ পাঁচ বিভাগের ৩৭৮ নারী প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিলো বিএনপি

    খুলনাসহ পাঁচ বিভাগের ৩৭৮ নারী প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিলো বিএনপি

    বিএনপি আন্তর্জাতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু করেছে। এই কর্মসূচির প্রথম দিন শুক্রবার দেশের পাঁচ বিভাগের—খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুর—সব জেলায় প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে দলের চেয়ারম্যানের গুলশানের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, পাশাপাশি অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুক সহ অন্য নেতারা।

  • বিএনপি সমর্থকদের কাছে রাশেদ প্রধানের দুঃখপ্রকাশ

    বিএনপি সমর্থকদের কাছে রাশেদ প্রধানের দুঃখপ্রকাশ

    বাংলাদেশের জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জগপা) সহ-সভাপতি ও দলের মুখপাত্র রাশেদ প্রধান তারেক রহমানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করার জন্য বিএনপির সমর্থকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “কুলাঙ্গার” শব্দটির অর্থ হলো বংশ বা পরিবারের কলঙ্ক। কুলাঙ্গার বলতে বোঝানো হয় এমন ব্যক্তি, যার দুষ্কর্ম বা কুকৃতি তার পরিবারের নামে কলঙ্ক সৃষ্টি করে। এরপরেও, বিএনপির কিছু নেতা ও কর্মীদের এই শব্দটি ব্যবহার নিয়ে রাগ দেখানো এবং কষ্ট পাওয়ার বিষয়টি দেখে আমি গভীর অসুবিধা অনুভব করছি। এজন্য আমি তাদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে আর এই শব্দটি ব্যবহারে এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তবে, এই শব্দটি আমি অতীতে ব্যবহার করেই এসেছি, যা আমার বক্তব্যেরই অংশ।

    তিনি আরও বলেন, কিছু বিএনপি কর্মী সম্ভবত “কুলাঙ্গার” শব্দের অর্থ সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারেননি, সেই ভুলের কারণে তারা এতটা উত্তেজিত হয়ে উঠেছেন। রাশেদ প্রধান বলেন, আমি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগ থেকেই বারবার বলেছি, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনকার বিএনপির নেতৃত্বে থাকছেন না। এছাড়া, তারেক রহমান পিতামাতার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে দল পরিচালনা করছেন, যা মূল বিএনপি’র চেতনায় অসংগত। তিনি উল্লেখ করেন, তার ১৫ এপ্রিলের বক্তৃতার পর এই বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। এটি পূর্বের বক্তৃতাগুলোর মতো নয়, কারণ এতে ব্যবহৃত হয়েছে এক মাত্র নতুন শব্দ—“কুলাঙ্গার”।

    রাশেদ প্রধান আরও বলেন, এই বক্তব্যের জের ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপির সমর্থকরা প্রতিবাদ, মিটিং, মিছিল ও কুশপুতুল দাহসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। এটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারই। আমি এই আন্দোলন ও প্রতিবাদকে স্বাগত জানাই। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, জনগণের অধিকার নিশ্চিতের জন্য আমি দায়িত্ববান। ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আমি চুপ থাকিনি, এখনো থাকবো না। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা করতে হলে, বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে যে কোনও অন্যায় বা অব্যবস্থাপনা মনে করে তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব। গণতান্ত্রিক দেশে এটি জনগণের অধিকার এবং দায়িত্বের অংশ।

  • রুমিন ফারহানা এনসিপিতে যোগদানের গুঞ্জন নিয়ে স্পষ্ট করলেন

    রুমিন ফারহানা এনসিপিতে যোগদানের গুঞ্জন নিয়ে স্পষ্ট করলেন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি ও বাংলাদেশের সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানা বলেছেন, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এনসিপিতে (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) যোগদানের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই। এটি শুধুই গুজব, নিছক কোনও সত্যতা নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। শুক্রবার জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের বাংলা ভার্সনের টক শো’তে অংশ নিয়ে এই বিষয়ে তিনি এই কথা বলেন।

    রুমিন ফারহানা বলেন, এই গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার জন্য যে আলোচনা বা প্রচার চলছে, তা কোনোভাবে সত্য নয়। তিনি আরও বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। এর মধ্যে এনসিপিও অনেক সময় তার কাছে আসার চেষ্টা করেছে। তারা বারবার বলেছেন, ‘আপা, চলে আসুন আমাদের দলে, আমরা একসাথে কাজ করব। আপনি জুলাইয়ে মাঠে ছিলেন, আপনার বাসা ভাঙচুর হয়েছে, আপনি এক মুক্তিযোদ্ধার সম্মুখীন হয়েছেন। আপনি একজন তরুণ নেতৃত্ব, তাই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন।’ তবে এই প্রস্তাবের জন্য তিনি বেশ হেসেছেন এবং এসব কথা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা করেননি।

    প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি তিনি এনসিপিতে যোগ দেন, তাহলে সংসদে ভাষণের সুযোগ বাড়বে কিনা। এই सवालের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি কেবল কথা বলার জন্য কোনো জোটে যোগ দেব না। আমার কাছে বলতে বলতে আমি যা কিছু করি, সবটাই আমার নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ ও চিন্তাভাবনার ভিত্তিতে। সংসদে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগের জন্য নিজের মতামত ও পরিকল্পনা বিসর্জন দিয়ে অন্য কোনো দলে যোগ দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগতভাবে মত প্রকাশ করতে থাকবেন, তবে নিজের আদর্শের সঙ্গে আপস করে একেবারে অন্যদের সঙ্গে যোগ দেওয়া তার পছন্দ নয়।

  • দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জামায়াত আমির

    দেশে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা: জামায়াত আমির

    বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতের আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি একে সাধারণ মানুষের জন্য ‘মরণে খাদার উপকৃত’ বলে অভিহিত করেছেন।

    শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই মন্তব্য করেন জামায়াতের এই নেতা। রোববার থেকে কার্যকর হওয়া জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন তিনি, যখন দেশজুড়ে এই পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে, তখন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দর সমন্বয়ের নামে আগামীকাল (রোববার) থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।” তিনি আরও বলেন, “নিত্যপণ্যের মূল্য অব্যাহত বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ অস্থির হয়ে পড়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এই পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলবে, এটি মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।”

    উল্লেখ্য, শনিবার সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দেশের ভোক্তা পর্যায়ের জন্য নতুন জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

  • জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

    জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি প্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর সহযোগী সংগঠন, নারীর ক্ষমতায়নে নিবেদিত ‘জাতীয় নারীশক্তি’, তাদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটির ৫৩ সদস্যের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

    এনসিপির সভাপতি নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের অনুমোদন ও নির্দেশনায় এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়। প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে, এর মাধ্যমে সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। তখনই মনিরা শারমিনকে আহ্বায়ক, মাহমুদা আলম মিতুকে সদস্যসচিব এবং নুসরাত তাবাসসুমকে মুখ্য সংগঠক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    সপ্তাহান্তে প্রকাশিত এই কমিটির অন্যান্য পদে থাকছেন— সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সানজিদা বুশরা মিশমা, পাশাপাশি পদে আছেন হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন ও মুনা হাফসা।

    সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মঞ্জিলা ঝুমা, যুগ্ম সদস্যসচিবের পদে আছেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি এবং ইসরাত জাহান বিন্দু।

    এছাড়াও, আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন— যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী এবং নাদিয়া ইসলাম মিম।

    কোটি সংগঠকের মাঝে রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তারসহ আরও ৩০ জনকে সংগঠক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই কমিটি সংগঠনটির নেতৃত্বে থাকছে নারীর ক্ষমতায়ন ও সার্বিক অগ্রগতির লক্ষ্যকে সামনে রেখে।

  • একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

    একদিনে দেশে এলো ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

    আজ একদিনেই দেশে পৌঁছেছে কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে মৃত্যুবরণকারী ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ। আলাদা আলাদা ফ্লাইটে মরদেহগুলো শনিবার বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর পৌঁছায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকলের মৃত্যুর কারণ স্বাভাবিক, কোন অস্বাভাবিক ঘটনা বা দুর্ঘটনার chứngপাত নয়। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কয়েকটি দেশ বিভিন্ন কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মরদেহ আটকে থাকলেও, অবশেষে আজ তারা দেশে ফিরেছেন।

    মরদেহের মধ্যে কুয়েত থেকে ৩০ জন, মালয়েশিয়া থেকে ২ জন এবং লিবিয়া থেকে ২ জন প্রবাসী আছেন। প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উপ-পরিচালক শরিফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার সময়, সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে প্রতিটি পরিবারকে দাফনের খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পাশাপাশি, মৃত প্রবাসীদের পরিবার যদি কোনও আর্থিক সুবিধা বা বীমার পাওনা থাকে, তা দ্রুততম সময়ে প্রদান করা হবে।

    মরদেহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রতিনিধিরা, যারা স্বজনদের কাছ থেকে মরদেহ গ্রহণ করেছেন। এই ঘটনা বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য একান্তই গুরুত্বপূর্ণ সমবেদনা ও সহযোগিতার প্রকাশ।