বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনো পর্যন্ত ভারত না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। তারা মনে করে, তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কা বা ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে আয়োজন করা হয়। এএফপির খবর অনুযায়ী, যদি এই দাবিতে বিসিবি তাদের স্থির অবস্থান রাখে, তাহলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। অপ্রত্যাশিতভাবে, এ অবস্থায় বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারে স্কটল্যান্ড। আইসিসি সূত্র থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশ যদি ভারতের জন্য না যায়, তাহলে তাদের বদলে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলতে দেওয়া হবে।
Month: January 2026
-

উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে মোস্তাফিজুর রহমান
২০২৫ সালের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট উইজডেন তাদের সম্পাদকীয় দলে বর্ষসেরা একাদশ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান এই দলে স্থান পেয়েছেন, যা 그의 ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি। পুরো বছরজুড়েই দেশের জন্য ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য এই স্বীকৃতি পেয়ে তিনি গর্বিত।
২০২৫ সালে মোস্তাফিজ অন্তত ১৫০ ওভারের বেশি বল করেছেন, যাতে তার গড় ছিল মাত্র ১৮.০৩, যা পেসারদের মধ্যে অন্যতম সেরা। তিনি ভুলায় কম খরচে রান দেওয়ার জন্য পরিচিত, যেখানে অন্য কারও পক্ষে এমন দক্ষতা দেখানো কঠিন। স্ট্রাইক রেটের বিবেচনায় ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার তাঁর কাছাকাছি থাকলেও, মোস্তাফিজের মূল শক্তি ছিল নিয়মিত উইকেট নেওয়া।
তিনি মোট ৪৩ টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৫৯ উইকেট শিকার করেছেন। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন কেবল ৬.৭৮, এবং তার স্ট্রাইক রেট ১৫.৯। তার সেরা বোলিং ছিল ৩ উইকেট শিকার ১১ রানে। পুরো বছর জুড়ে তিনি বল করেছেন মোট ১৫৬.৫ ওভার, আর তার পারফরম্যান্সের তুলনায় হোল্ডার ২৫০.২ ওভার বল করে আরও বেশি উইকেট নেন, তবে তার স্ট্রাইক রেট ১৫.৪ হলেও গড় ছিল ২১.৪২।
উইজডেনের এই বর্ষসেরা একাদশে থাকছে দুজন করে স্পিনার, পেসার ও পেস বোলিং অলরাউন্ডার। স্পিন বিভাগের জন্য ভারতের বরুণ চক্রবর্তী ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারিন স্থান পেয়েছেন। পেস আক্রমণে মোস্তাফিজের সঙ্গে আছেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। আর পেস অলরাউন্ডার হিসেবে দলে আছেন স্যাম কারেন এবং জেসন হোল্ডার।
এই একাদশে রয়েছে—অভিষেক শর্মা, ফিল সল্ট, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, স্যাম কারেন, ডনোভান ফেরেইরা, টিম ডেভিড, সুনীল নারাইন, জেসন হোল্ডার, জ্যাকব ডাফি, মোস্তাফিজুর রহমান ও বরুণ চক্রবর্তী। এই ক্রিকেটাররা সবাই ২০২৫ সালে নিজেদের শক্তি ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
-

ক্রীড়া উপদেষ্টার মন্তব্য: আইসিসি অযৌক্তিক শর্ত চাপালে মানা যাবে না
যুব ও ক্রীড়া এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইসিসি যদি ভারতের প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করে অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দেয়, তাহলে বাংলাদেশ তা মানবে না।’ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক প্রশ্নচিহ্নের মধ্যে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে, তারা ভারতের সাথে গিয়ে খেলার পক্ষে নয়। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘যদি আইসিসি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে অযৌক্তিক শর্ত চাপায়, আমরা তা মানবো না।’ এখন প্রশ্ন হলো, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে কি না? এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি), যেখানে আইসিসি চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে। গত শনিবারের বৈঠকে বাংলাদেশ বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইসিসির প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। উল্লেখ্য, যদি বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, তবে তার স্থান স্কটল্যান্ড নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, এই বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য আসিফ নজরুলের কাছে নেই। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসির বৈঠকগুলো হচ্ছে নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে, যেখানে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে খেলবে না। এই বৈঠকে আইসিসির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ উপস্থিত ছিলেন, আর ভার্চুয়ালি ছিলেন আইসিসির এক্সিকিউটিভরা গৌরব সাক্সেনা। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা বাংলাদেশে থেকে গ্রুপ পরিবর্তন বা অন্য কোনও বিকল্প ভাবনা ভাবছে।
-

পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় সম্পন্ন করেছে। ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা দারুণ উৎসাহে খেলে উদ্বোধনী জুটি গড়ে ৪৯ রান। এই জুটিকে ভাঙন ধরান মাইরি টম, যিনি নাওকি ভারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৭ বলে ১৭ রান করে আউট হন। এরপর বাংলাদেশের ওপেনার দিলারা আক্তার ২৯ বলে ৩৫ রান করে রান আউট হওয়ার আগে দলের ইনিংসের ইতিবাচক ধারাকে চালিয়ে যান। শারমিন আক্তার সুপ্তা ও সোবহানা মোস্তারি ব্যাট হাতে শক্তিশালী পারফর্ম করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন। স্বর্ণা আকাশের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে ৩৭ রান করে শেষের ধাক্কা দেন, যার ফলে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৬৮ রানে।
-

শেষ বলে ছক্কায় সিলেটের কোয়ালিফায়ার জয়ে রংপুরের বিদায়
রংপুর রাইডার্সের জন্য আরও এক হতাশাজনক ম্যাচে শেষ বলের ছক্কায় সিলেট টাইটান্সকে হারিয়ে তারা বিজয়ের স্বাদ পায়। এই জয় নিশ্চিত করায় সিলেটের কোয়ালিফায়ারে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়, যেখানে রংপুরের পথ এবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের সূচনাটা ছিল কিছুটা হতাশাজনক। ২০ ওভারে তারা ছুঁই ছুঁই করে ৯ উইকেটে মাত্র ১১১ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে, সিলেট শুরুতেই কিছুটা অস্বস্তিতে পড়লেও, ৩ উইকেট হাতে রেখে তারা ম্যাচে ফিরে যায়।
সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিং শুরু করেন সিলেটের দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইংলিশ তারকা স্যাম বিলিংস। দুজনের ৫০ রানের জুটিতে দলটি জয় পেতে শুরু করে। মিরাজের বিদায়ের পর কয়েকটি বিপর্যয় ঘটে, কিন্তু ক্রিস ওকসের সাহসী ইনিংসে শেষমেষ জয় নিশ্চিত হয়।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ক্যাপ্টেন বিলিংস। পারভেজ হোসেন ইমন ও মেহেদী হাসান মিরাজ করেন যথাক্রমে ১৮ রান। এছাড়াও, আরিফুল ইসলাম ১৭, তাওফিক খান ২, আফিফ হোসেন ৩ ও মুস্তাফিজুর রহমান ১ রান করেন। ক্রিস ওকস অপরাজিত থাকেন ১০ রান এবং খালেদ আহমেদ ১ রানে।
অন্যদিকে, রংপুরের জন্য শুরুতেই ধাক্কা লাগে যখন টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিং করার সুবিধা দেন রংপুরের অধিনায়ক লিটন দাস। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়, দলীয় স্কোর ২৯ রানের মধ্যে চারজন ব্যাটার আউট হন—ডেভিড মালান, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস ও কাইল মেয়ার্স।
চাপে পড়ে যায় রংপুরের ব্যাটিং অর্ডার। তবে, ছয় নম্বরে নামা খুশদিল শাহ ও রিয়াদ দলের হাল ধরে ৩৪ রানের জুটি গড়ে। খুশদিল মাত্র ১৯ বলে ৩০ রান করেন, আর রিয়াদ ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন। নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ১৮ রান, ফাহিম আশরাফ ৩, আলিস আল ইসলাম ৪, মুস্তাফিজুর রহমান ১ ও নাহিদ রানার ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ২ রান।
সিলেটের জন্য বল হাতের পারফর্মেন্স ছিল দারুণ। খালেদ আহমেদ চার উইকেট পান, ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ দুজন করেন দুইটি করে উইকেট। এই পারফরমেন্সের কারণে তারা ম্যাচটি জিতে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করে রংপুরের স্বপ্নভঙ্গ ঘটে।
-

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ২১ জন। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এখনও পরিস্থিতির গভীরে তদন্ত চলছে।
এ দুর্ঘটনা রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে ঘটে, যেখানে লোকজনের মধ্যে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোরদোডা শহরের কাছের আদমুজের কাছে এই দুর্যোগক্ষেত্রটি ঘটে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালাগা থেকে মাদ্রিদের দিকে যাচ্ছিলো একটি দ্রুতগামী ট্রেন। হঠাৎ করে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে পার্শ্ববর্তী লাইনে আছড়ে পড়ে। পাশাপাশি, বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেন, যা হুয়েলভাগামী ছিলো, ও লাইনচ্যুত হয়।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই পরিস্থিতিকে গভীর দুঃখের সময় বলে অভিহিত করেছেন, বলেছেন, এই রাতটি দেশ গভীর বেদনা সহকারে কাটাবে।
অপরদিকে, দেশের পরিবহনমন্ত্রী ওসকার পুয়েন্তে জানিয়েছেন, অন্তত ৩০ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি দুর্ঘটনার কারণকে ‘অত্যন্ত অদ্ভুত’ বলে উল্লেখ করেছেন, তবে পুরো বিষয়টির বিশদ শিবির এখনো স্পষ্ট নয়।
আদামুজ শহরের মেয়র রাফায়েল মোরেনো এই দুর্ঘটনাকে ‘দুঃস্বপ্ন’ বলে অভিহিত করেছেন, এবং দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান।
আদুলুসিয়ান ইমার্জেন্সি সার্ভিসের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জীবিতদের উদ্ধার করার জন্য মৃতদেহ সরিয়ে নিতে হয়েছে।
রেল বিভাগের এক কর্মকর্তা আতিফ বলেন, ট্রেনটি মালাগা রেলস্টেশন থেকে ছাড়ার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে এই মারাত্মক দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঐ ট্রেনে মোট ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন।
-

চীনের ঘটনাচক্রে সর্বনিম্ন জন্মহার রেকর্ড
চীনে ইতিহাসের সবচেয়ে কম জন্মহার দেখা যাচ্ছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর শুধুমাত্র প্রতি হাজারে ৫.৬ সন্তান জন্মগ্রহণ করেছেন, যা ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন। এই কমতায় দেশটির জনসংখ্যা সঙ্কট আরও গভীর হয়েছে।
সরকারের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে চীনে নবজাতকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন, যা আগের বছরে থেকে প্রায় এক দশমিক ৬ মিলিয়ন কম। এই হার ২০২০ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর ফলে শুধু জন্মহারই নয়, মোট জনসংখ্যাও কমছে। গত বছর দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩৯ লাখ কমে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে চার বছর ধরে দেশটির জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও গবেষকরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক চাপে এবং সামাজিক পরিবর্তনের কারণে অনেক তরুণরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নিতে দেরি করছে বা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান ধারণের উপযুক্ত সময়ে নারীর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা এই পরিস্থিতির মূল কারণ।
অবশ্য, এই বিপর্যয়ের মাঝেও চীনের অর্থনীতি কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। ২০২৫ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যের ঘরে। তবে, জনসংখ্যার এই ধস ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চীনে মোট ৭৯ লাখ ২০ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে, যেখানে মারা গিয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষ। এর ফলে দেশেরজনসংখ্যা কমে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তবে বিয়ের সংখ্যাও কমে গিয়ে সাম্প্রতিক চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে নিচে পৌঁছেছে, যেখানে মাত্র ৬ দশমিক ১ মিলিয়ন দম্পতি নিবন্ধন করেছেন বিয়ের জন্য, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০% কম। একদিকে বিবাহবিচ্ছেদের হার কিছুটা বেড়ে গেছে।
-

গুতেরেসের মন্তব্য: যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে ‘গায়ের জোর’কেই প্রাধান্য দিচ্ছে
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উল্লেখ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন দায়মুক্তির ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে নিজের শক্তি ও ‘গায়ের জোর’কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের হাতে বহুপক্ষীয় সমাধান কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুতেরেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্পষ্ট বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে বহুপাক্ষিকতা কার্যকর নয়। তার মতে, এখন যা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় তা হলো—যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি ও প্রভাবের প্রয়োগ, অনেক সময় এটি আন্তর্জাতিক আইনের নিয়মকানুনকে বিনা বাধায় পাশ কাটিয়ে হয়। তার মন্তব্যগুলি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, ট্রাম্পের Greenland দখলের হুমকিও এই পরিস্থিতিকে আরও জোরদার করেছে। গুতেরেস বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলোর মধ্যে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমতা অন্যতম, কিন্তু বর্তমানে এই নীতি হুমকির মুখে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের কঠোর সমালোচনা করেন এবং উল্লেখ করেন, তিনি একাই অনেক যুদ্ধ শেষ করেছেন, তবে জাতিসংঘ এ বিষয়ে কোনও সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘পরে বুঝেছি, জাতিসংঘ আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেখানে ছিল না।’ এই কঠোর মূল্যায়নের পর গুতেরেস স্বীকার করেন যে, জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক আইন মানাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি বলছেন, বড় বড় বৈশ্বিক সংকটের মোকাবিলায় জাতীয় সংগঠনটির ভূমিকা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই অতিরিক্ত শক্তি কি সত্যিকারভাবে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে ব্যবহার হচ্ছে, না কেবল সাময়িকভাবে। গুতেরেস বলেন, পার্থক্য আছে এই দুটি পরিস্থিতির মধ্যে। তিনি জানান, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের সামনে ‘ভয়াবহ সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ মোকাবিলায় সংস্থাটির সংস্কার জরুরি, যাতে এর ক্ষমতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ মনে করেন, আইনের শাসনের বদলে শক্তির আইন প্রতিষ্ঠা করা উচিত।’ তার মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগুলোর মধ্যে এক স্পষ্ট ধারণা কাজ করছে—বহুপক্ষীয় সমাধান গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তার প্রভাব ও শক্তি প্রয়োগই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, অনেক সময় তা আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও সমালোচনা করেন, জানান, বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতিকে প্রতিনিধিত্ব করছে না এই পরিষদ এবং কার্যকর নয়। স্থায়ী পাঁচ সদস্য—ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—যারা ভেটো ক্ষমতা ব্যবহারে সক্ষম, তারা এই ক্ষমতা ব্যবহার করে ইউক্রেন ও গাজায় চলমান যুদ্ধের সমাধানে বাঁধা সৃষ্টি করছে। গুতেরেস বলেন, ভেটো ক্ষমতা এখন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের গঠনে পরিবর্তনের আহ্বান জানান, যাতে এটি আবার বৈধতা ফিরে পায় এবং বিশ্বব্যাপী কণ্ঠস্বর শোনা যায়। তিনি ভেটো ক্ষমতা সীমিত করার জন্যও প্রকাশে যুক্ত হন, যেন অপ্রয়োজনীয় অচলাবস্থা এড়ানো যায়। ২০১৭ সালে পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে আসীন হন গুতেরেস, তিনি এ বছরের শেষের দিকে দায়িত্ব থেকে অবসর নেবেন। তাঁর বার্ষিক সংশ্লেষণে, যেখানে সংস্থার অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হয়, তিনি বিশ্ব পরিস্থিতিকে ‘সংঘাত, দায়মুক্তি, বৈষম্য এবং অনিশ্চয়তা ভরা এক বিশৃঙ্খল বিশ্ব’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হচ্ছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। গুতেরেস উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধগুলো জাতিসংঘের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে গাজা রয়েছে। গাজার পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ বেশ কষ্টে পড়েছে কারণ, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। তিনি জোড়ালোভাবে বলেন, ‘অবশ্যই, তবে বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার। দীর্ঘকাল ধরে ইসরায়েল বলছিল যে, জাতিসংঘ সক্ষমতা না থাকায় মানবিক সহায়তা দিতে পারছে না। বোঝা যায়, যখনই ইসরায়েল গাজায় প্রবেশ করে, তখন পরিস্থিতি বদলায় এবং মানবিক সহায়তা প্রবাহিত হয়। তিনি যোগ করেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে, জাতিসংঘ প্রস্তুত ছিল। কিছু দিন আগে গুতেরেস বলেন, ‘১৯৪৫ সালের সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি দিয়ে ২০২৬ সালের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।’ এর মাধ্যমে তিনি সংস্থার প্রাথমিক কাঠামো এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জের দিকে ইঙ্গিত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব পরিবর্তন, ভেনেজুয়েলায় চাপ, ইরান ও অন্যান্য দেশে চলছে বিশ্লেষণে বিভিন্ন সংকট—এসব কিছু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রশ্ন উঠছে, বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা কি সত্যিই শেষ হয়ে গেছে, বা কিছু বিশ্বনেতা কি আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করতে মুখ না খুলে আত্মতৃপ্তিতে রয়েছেন? তবে গুতেরেস আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ অনেক সময় শক্তিশালীদের মুখোমুখি হতে ভয় পায়, তবে সত্য হলো—যদি শক্তিশালীদের মোকাবিলা না করা যায়, তাহলে একটি উন্নত ও আরও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়া সম্ভব নয়।
-

নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যেহেতু তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি, তাই তিনি এখন শুধুই শান্তির পশ্চাতে মনোযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরকে তিনি জানান, তিনি এই সিদ্ধান্তে আসার কারণ হলো, দীর্ঘ সময় শান্তির জন্য কাজ করার পরও তার দেশে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প বলেছেন, ‘৮টির বেশি যুদ্ধ বন্ধ করার পরও আপনি আমাকে পুরস্কার দেননি, তাই এখন আমি কেবল শান্তির কথাই ভাবার বাধ্যবাধকতা অনুভব করি না।’ তবুও শান্তি বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে, তবে এখন তিনি দেশের জন্য কী উপকারী ও উপযুক্ত, সেই বিষয়েও ভাবতে পারেন।
এছাড়া, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যদি এর নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে দ্বীপটির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা থাকতেই পারে। তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক এই ভূখণ্ডকে রাশিয়া বা চীন থেকে রক্ষা করতে পারবে না… যদি আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে বিশ্ব নিরাপদ নয়।’
সংবাদ সূত্রে জানা যায়, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর চিঠির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। এই চিঠি তারা ট্রাম্পকে পাঠানোর পর, বিষয়টি তাদের আলোচনায় এসেছে। পরবর্তীতে, নরওয়ের অংশীদার ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাবের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রাম্পের কাছে এই বার্তা পাঠানো হয়েছিল, যেখানে মার্কিন শুল্কনীতির বিরোধিতা করা হয়।
স্টোর আরো বলেন, তারা এই উত্তেজনা কমানোর জন্য উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট স্টাব ও নিজেকে নিয়ে ফোনালাপে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন। নরওয়ের অবস্থান এখনো গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে তাদের শক্তিশালী থাকছে।
অভিযোগ করেন যে, নরওয়ে সরকার এই পুরস্কার দেয় না, এটি স্বাধীন নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি দিয়ে থাকে। এরপর, ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যমে একই বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করেন ও আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে বলেছেন, এটা মোকাবিলার জন্য এখনই সময়।
-

স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। দেশটির সিভিল গার্ডের বরাতে বিবিসি জানাচ্ছে, এটি গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে স্পেনের সবচেয়ে মারাত্মক রেল দুর্ঘটনা।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার সন্ধ্যায় কর্দোবা শহরের কাছে আদামুজ এলাকায়। যেখানে মাদ্রিদগামী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয় এবং বিপরীত লাইনে চলে যায়। এরপর ওই ট্রেনের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, মোট প্রায় ৪০০ জন যাত্রী এই দুর্ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার কার্যক্রমে ১২২ জনকে চিকিৎসা দেওয়া hasiে, যার মধ্যে পাঁচ শিশু সহ ৪৮ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি। এর মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনের সঙ্গে একটি শিশু আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
আদিফ রেল নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে (গ্রিনিচ সময় ৬টা ৪৫) এই দুর্ঘটনা ঘটে। মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী ট্রেনটি যাত্রা শুরু করার এক ঘণ্টার মাথায় সোজা একটি রেলপথে লাইনচ্যুত হয়।
স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে এই ঘটনার জন্য ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, সব রেল বিশেষজ্ঞ এই দুর্ঘটনাকে অবিশ্বাস্যভাবে দেখছেন। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ থেকে হুয়েলভাগামী ট্রেনের কয়েকটি বগি পাশের মাটি ও ঢিবির দিকে ছিটকে পড়ে। পরিবহনমন্ত্রী বলেন, নিহত ও আহত most জনের বেশিরভাগই ওই ট্রেনের সামনের দিকের বগিতে ছিলেন।
রয়টার্সের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় কবলে পড়া দ্বিতীয় ট্রেনটি ছিল ফ্রেচ্চিয়া ১০০০ মডেলের, যার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার।
উদ্ধারকর্মীরা এখনো পুরোপুরি ট্রেনে রয়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার কাজে ব্যস্ত। কর্দোবার ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা RTভিতে বলেন, “উদ্ধার কাজ অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ।”
প্রভাবের কারণে, স্পেনের মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়া মধ্যকার সব রেল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সোমবার এই রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও জানায়, মালাগা থেকে আসা ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন, এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে পরিচালিত ট্রেনটিতে ছিলেন প্রায় ১০০জন।
এখনো দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানা যায়নি। পরিবহনমন্ত্রী জানাতে পারেন, এই তদন্তের ফলাফল পেতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগবে।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি দেশের জন্য ‘গভীর বেদনার মুহূর্ত’। পাশাপাশি রাজার ফেলিপে ষষ্ঠ ও রানি লেতিসিয়া নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক স্পেনের। এই রেল ব্যবস্থা দেশের ৫০টির বেশি শহরকে সংযোগ করেছে।
