Month: November 2025

  • বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    বিএনপির বিশ্বাস পরিবর্তনের রাজনীতিতে, প্রতিহিংসার নয়: হেলাল

    প্রধান অতিথি হিসেবে দিঘলিয়ার চন্দনী মহলে অংশগ্রহণ করে তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসী বা মাদক ব্যবসায়ীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। আমরা প্রতিহিংসা নয়, পরিবর্তনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি।’ বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বুধবার দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জনসংযোগ, সুধী সমাবেশ, বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়সহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। তিনি সেখানে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ’ শ্লোগান নিয়ে সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছ লাগানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশের প্রতি সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান। গণসংযোগকালে হেলাল বলেন, দিঘলিয়ায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো ঠাঁই নেই। বিএনপি কখনো অপরাধীদের পৃষ্টপোষকতা করে না। অপরাধীর পরিচয় তাকে তার অপরাধ; সে সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের হতে পারে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। হেলাল আরও বলেন, স্টার জুট মিলসহ এই অঞ্চলের বন্ধ হয়ে থাকা সব শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করা হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। অ্যাকসেসের বিশুদ্ধ পানির সংকট দুরু করতে আধুনিক ওয়াটার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে। পুরো এলাকাটি পরিকল্পিতভাবে উন্নত নগরায়নের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাদের ফ্যাসিস্ট মাফিয়া চেহারা এবং বিদেশে পালানো নেতারা ব্যর্থ। এ সুযোগে জামায়াতও নিজেদের বিকল্প হিসেবে দেখাচ্ছে, কিন্তু জনগণ বিএনপিকেই পরিবর্তনের আস্থা হিসেবে ধরা đang। সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শেখ মোসলেম উদ্দিন, উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর আহ্বান

    প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং শইভাবে গণতন্ত্রের জন্য সুদৃঢ় ভিত্তি নির্মাণের ওপর জোর দেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আমাদের যদি আসল অর্থে টেকসই ও শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হয়, তাহলে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার উদ্দেশ্য হলো, গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপির উপর এই বিষয়ে বেশি দায়িত্ব আসে, তাদের প্রত্যেকের উচিত এমন একটি শক্তিশালী মোর্চা গঠন করা, যা অতীতে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, ভবিষ্যতেও লড়বে এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিকে সাংগঠনিক রূপ দেবে। তিনি মনে করেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে পথ চলতে হবে।

    গতকাল বুধবার বোর্ডের আহসানউল্লাহ কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সিটি গার্লস কলেজ, খুলনা কলেজ ও পল্লীমঙ্গল স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। এতে অংশ নেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। এরপর তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম খন্দকার আবু সিদ্দিক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মিনু, অসুস্থ ইসমাইল হোসেন ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর বাসভবনে যান এবং তাদের সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন।

    বেলা শেষে তিনি তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার কল্যাণ সমিতি ও সোনালী ব্যাংক খুলনা জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নেতৃবৃন্দ তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে উৎসাহ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সবসময় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং এর জন্য সংগ্রাম করে এসেছি। বাংলাদেশের মানুষও শত শত বছর ধরে তাদের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে এসেছে। তাই, গণতন্ত্রের এই ভিত্তিকে মজবুত করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই সংগ্রাম ও লড়াই শুধু বর্তমানে নয়, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যও অপরিহার্য।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশিষ্ট নেতা, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তারা সবাই তাঁকে শুভেচ্ছা ও আয়োজিত নির্বাচনে সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। সাথে ছিল উন্মুক্ত আলোচনা ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের পরিকল্পনা। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশের ইতিহাস আর সংগ্রামের ধারায় গণতন্ত্রের প্রতিটি সোপানই আমাদের অর্জন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে, সকলের ঐক্য ও উদ্যোগ এই সংগ্রামের মূল শক্তি।

  • নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    নির্বাচিত সরকারই পারে জনগণের প্রকৃত সমস্যার সমাধান

    জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া মানুষের মূল সমস্যা কোনোদিনই সমাধান হবে না—এই কথা বলেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারছেন না কারণ বর্তমান বা পূর্ববর্তী কোনো সরকারই ভোটে নির্বাচিত হয়নি। একটি নির্বাচিত সরকারই জনগণের কাছে জবাবদিহিতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন তথা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে পারে।

    বুধবার বিকালে নগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নবনির্বাচিত পরিষদ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাকে যখন বলা হয়, ভালো আছি—আসলে আমরা যতটা ভালো থাকার কথা, ততটা পরিবার, ব্যবসা ও শ্রমিকেরা ভালো নেই। বেকার যুবক, ব্যবসায়ীরা এবং শ্রমিক সমাজ আজ সংকটে পড়েছে কারণ অনির্বাচিত সরকার দেশের কল্যাণে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, অতীতে যে সরকার ছিল, তারা নির্বাচিত ছিল না, এখনকার সরকারও আসলে নির্বাচনপ্রার্থী নয়। এই অপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে না। তারা আমাদের বন্ধ মিলে কাজ করতে পারেনি, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান দিতে পারেনি, শিক্ষিত তরুণদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়নি এবং বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি।

    সমাধানের জন্য তিনি বলেন, ভোটে নির্বাচিত সরকারই হবে মূল প্রতিশ্রুতিশীল। তারা হলে বন্ধ ব্যাবসাগুলি পুনরায় চালু হবে, চাকরি বাড়বে, ঘরে ঘরে সাশ্রয়ী মূল্যেসামগ্রী পৌঁছাবে এবং চিকিৎসা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, ইনশাল্লাহ, সকলকেই সতর্ক থাকতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে নিজের পছন্দের সরকার নির্বাচিত করতে হবে, যারা সত্যিই জনগণের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন আলমনগর বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ বাহারুল ইসলাম বাহার। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. শেখ মোঃ আলী বাবু, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বিশ্বাস। সভায় সঞ্চালনা করেন আলমনগর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এফ. এম. হাদিউজ্জামান আরিফ। আরও উপস্থিত ছিলেন আলমনগর বাজার বনিক সমিতির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আঃ সালাম মোল্লা, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি কাজী একরাম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ সালাহউদ্দিন, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    কলারোয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান লাল্টু ঢাকায় গ্রেফতার

    সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাঁর বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সাদা পোশাকধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যান। এ ঘটনা দেখে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি নিজে জানিয়েছিলেন। তার বড় ছেলে আশিক জানান, স্থানীয় কিছু আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা তার বাবাকে ধরিয়ে দেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন, বাসায় ফেরার সময় সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ তার বাবাকে তুলে নিয়ে যায়। তার খালাতো ভাই জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগে থেকেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে মোহাম্মদপুরে থাকছিলেন লাল্টু। এর আগে ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি সেখানে বসবাস করছিলেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বহুল প্রত্যাশিত এই গ্রেফতারে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন মহলের মতামত প্রতিবেদন তৈরি হচ্ছে।

  • নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কেসিসির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন

    খুলনায় সদ্য যোগদানকারী নতুন বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ গতকাল বুধবার দুপুরে নগর ভবনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয় শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে। এতে সিটি কর্পোরেশনের সব বিভাগ ও শাখা প্রধানের সঙ্গে কেসিসি পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে কর্মকর্তারা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলের তোরা দিয়ে অভিনন্দন জানান।

    সভায় কেসিসি’র রাজস্ব আদায়, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, এবং খুলনা মহানগরে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবেলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি আলোচনা হয়। বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ তাদের সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিবরণ ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কোনো বাধা নেই, এজন্য প্রশাসক প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন বলে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশনকে একটি সেবা কেন্দ্র হিসেবে উন্নীত করতে হবে এবং নগরবাসীর প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ প্রাইভেসির বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন, যেন তথ্য ও গোপনীয়তার লংঘন না হয়।

    সভার গুরুত্বপূর্ণ আলোচকদের মধ্যে ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) শরীফ আসিফ রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, বাজেট ও একাউন্টস অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাদুস করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, ভেটেরিনারী অফিসার ডাঃ পেরু গোপাল বিশ্বাস, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এসকে এম তাছাদুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, চীফ এ্যাসেসর শেখ হাফিজুর রহমান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, বাজার সুপার শেখ শফিকুল হাসান, কেজি কাজী মোঃ ইমরুল হাসান, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম, স্টোর সুপার উজ্জ্বল কুমার সাহা, নিরাপত্তা সুপার মোঃ আলমগীর কবির বিশ্বাস, লাইসেন্স অফিসার খান হাবিবুর রহমান ও মোঃ দেলওয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এসব আলোচনা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ভবিষ্যতের কার্যক্রমে সফলতা প্রত্যাশা করেন।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে впервые

    বাংলাদেশের মোট ঋণ ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে впервые

    দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব আয় দুর্বলতা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী উন্নয়ন ব্যয়ের কারণে বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ আজ প্রথমবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকার পুরোটাই ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকা। এর ফলে ঋণের পরিমাণে অতীতের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।

    বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ।

    অভ্যন্তরীণ ঋণও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, আর এখন তা বেড়ে হয়েছে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৈদেশিক ঋণের ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার মহামারির পর উন্নয়ন সহযোগী দেশের কাছ থেকে পাওয়া বাজেট সহায়তা, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় প্রকল্পের জন্য ব্যাপক ব্যয়।

  • ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ২০২৬ সালে কত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে জানাল বাংলাদেশ ব্যাংক

    আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে বাংলাদেশে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ছুটির তালিকা ঘোষণা করেছে, যা সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য প্রযোজ্য। আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইড সুপারভিশন এই তালিকা প্রকাশ করে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

    নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রথম ব্যাংক বন্ধ থাকবে শবে-বরাতের সুযোগে, ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন। মার্চ মাসে শবে কদর উপলক্ষে ১৭ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ব্যাংক Read More ১৯ থেকে ২৩ মার্চ তারিখে বন্ধ থাকবে। ঈদের আগে ও পরে দুটি দিন—ঈদের দিন ও ঈদের পরের দুই দিন— ব্যাংক বন্ধ থাকবে। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের দিন ২৬ মার্চ ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    চৈত্র সংক্রান্তি, বিশেষ করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পার্বত্য অঞ্চলের জন্য, ১৩ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকবে। মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমার ছুটিতে ১ মে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ঈদুল আজহার জন্য ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকবে, যেসব দিন দুটির মধ্যে দুজন সাপ্তাহিক ছুটি পড়েছে।

    আশুরা, ২৬ জুন ও একদিনের জন্য ব্যাংক হলিডে—১ জুলাই। গাংঅভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট। ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট। জন্মাষ্টমী ৪ সেপ্টেম্বর। দুর্গাপূজা ২০ ও ২১ অক্টোবর। বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর। বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর। এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৯ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে এই ছুটির তালিকা কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ব্যাংকে ছুটি ছিল ২৪ দিন, ২০২৫ সালে ২৭ দিন—এবার তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ দিনে।

  • স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    স্মারক স্বর্ণ ও রুপার মুদ্রার দাম বেড়েছে

    আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের বৃদ্ধি দেখা যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আজ স্মারক স্বর্ণ এবং রূপার মুদ্রার মূল্য পুনঃনির্ধারণ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পब्लিকেশন্স এ বিষয়ক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্মারক স্বর্ণ মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা, যা আগের মূল্য ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একইভাবে, স্মারক রুপার মুদ্রার (বাক্সসহ) নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ হাজার টাকা, যেটা আগে ছিল ৮ হাজার ৫০০ টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, আন্তর্জাতিক ও বাজারের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে এই মুদ্রাগুলি বিক্রি শুরু হবে ১৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে। ব্যাংকটি দেশের জনগণ ও গণমাধ্যমকে এ তথ্য যথাযথভাবে প্রচার করতে অনুরোধ জানিয়েছে।

    অন্যদিকে, দেশের দেশের স্বর্ণের বাজারেও দাম বেড়েছে। বর্তমানে ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বিভিন্ন ক্যারেট অনুযায়ী এই ধরনের রয়েছে: ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকায়, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮০১ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৮ টাকায়।

  • সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    সোনার দামে বড় উত্থান: দুই দফা কমানোর পর আবার মাত্র এক দিনেই বড় বৃদ্ধি

    দেশের বাজারে সোনার দাম জোরদারভাবে বেড়ে গেলো, যা বিভিন্ন পর্যায়ে ছিলো অস্থিরতা ও পরিবর্তনের সাক্ষ্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) ঘোষণা করেছে, সোনার মূল্য একрыгেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে যা কিছু কমানো হয়েছিলো, তার পরিমাণ ছিলো সর্বোচ্চ এক হাজার ৩৬৪ টাকা প্রতি ভরি। কিন্তু মাত্র একদিনের মধ্যেই, অর্থাৎ মঙ্গলবারের কমানোর পরদিনই, দাম আবার প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে—অর্থাৎ ২১২৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ কারণে, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন আড়াই লাখের বেশি, নির্দিষ্টভাবে বললে দুই লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা প্রতি ভরি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় বাজারেও তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামের বৃদ্ধির প্রভাব। আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ১০০ ডলার ছুঁই ছুঁই করছে। এর ফলে, দেশের বাজারে সোনার মূল্য সমন্বয় করে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকা অনুযায়ী, শ্রেষ্ঠ মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ৯ হাজার ৫২০ টাকা, আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ টাকা। এর পাশাপাশি, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার এক ভরি দাম এখন ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা।

    যদিও সোনার দামের এই বড় পরিবর্তনের মধ্যেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা। এই পরিবর্তনগুলো দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

  • সোনার দাম আরও কমলো

    সোনার দাম আরও কমলো

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৯০৭ টাকায়, যা আগে ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অর্থাৎ, এক ভরি সোনার দাম কমেছে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তন আজ থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা উচ্চমানের সোনার দামে এই কমতি দেখা গেছে। তাদের মতে, বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৫ নভেম্বর ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। একই সময়ে অন্যান্য মানের সোনার দামে ছিল: ২১ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরি ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের উপর অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হতে হবে। তবে গহনা তৈরির ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার মূল্য এখনও ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।