Month: November 2025

  • অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ৬২ বছর বয়সে প্রেমিকা জোডি হেইডনকে বিয়ে করলেন

    অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ৬২ বছর বয়সে প্রেমিকা জোডি হেইডনকে বিয়ে করলেন

    অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দায়িত্বের মধ্যে থেকে তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা জোডি হেইডনকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন। এই আনন্দমুখর ঘটনা শনিবার ক্যানবেরার সরকারি বাসভবন ‘দ্য লজ’-এ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরিবারের সদস্যরা এবং কাছের বন্ধুবান্ধবরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি মূলত একান্ত পারিবারিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। আলবানিজের ছেলে নাথান, হেইডনের বাবা-মা বিল ও পলিনও উপস্থিত ছিলেন।

    বিয়ের পর এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যরা ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এই ভালোবাসা এবং ভবিষ্যতে একসঙ্গে থাকার অঙ্গীকার তাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের অঙ্যাক। নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট্রাল কোস্ট এলাকায় এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। নবদম্পতি নিজেই তাদের বিয়ের শপথ লিখেছিলেন। জোডি হেইডন তার বাবা-মায়ের সঙ্গে বিয়ের মঞ্চে উপস্থিত হন, যেখানে শিল্পী বেন ফোল্ডসের জনপ্রিয় গান ‘দ্য লাকিয়েস্ট’ বাজানো হয়।

    হেইডন পার্টি পরেছিলেন সিডনির প্রখ্যাত ডিজাইনারের পোশাক, আর প্রধানমন্ত্রীর পরনের ছিল এমজে বেল-এ তৈরি স্যুট। তাদের বিয়ের জন্য আংটিগুলো তৈরি করেছে সিডনির সেরোন জুয়েলার্স। অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল পরিবারের উপস্থিতি। হেইডনের পাঁচ বছর বয়সী ভাতিজি এল্লা ফুল ধরার দায়িত্বে ছিল এবং আলবানিজের পোষা কুকুর, টোটো, আংটি বহন করেছিল।

    বিবাহের পরে যুগল তাদের প্রথম নাচ করেন স্টিভি ওয়ান্ডারের জনপ্রিয় গানের তালে, যেখানে প্রথম নাচ হয় ফ্র্যাংক সিনাত্রার ‘The Way You Look Tonight’-এর সুরে। তারা আগামী সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার ভিতরেই মধুচন্দ্রিমায় যাবার পরিকল্পনা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এই বিয়ের সব খরচ তারা নিজস্ব তহবিল থেকে বহন করেছেন।

    বিয়ের এই আয়োজনটি হয় সংসদের ২০২৫ সালের শেষ অধিবেশন শেষে এবং আলবানিজের বড় ব্যবধানে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার ছয় মাস পর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অর্থমন্ত্রী জিম চ্যালমার্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং, অর্থমন্ত্রী ক্যাটি গ্যালাহারসহ লেবার পার্টির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

    অলংকারিক থাকায় এই প্রেমের গল্পের সূত্রপাত ২০১৯ সালে মেলবোর্নে এক অনুষ্ঠানে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভালোবাসা দিবসে আলবানিজ প্রস্তাব দেন হেইডনকে ‘দ্য লজ’-এর বারান্দায়। উল্লেখ্য, আলবানিজের প্রথম স্ত্রী কারমেল টেবুটের সঙ্গে প্রায় দুই দশকের সংসার ছিল, কিন্তু ২০১৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

  • থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৬২ ছাড়ালো

    থাইল্যান্ডে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৬২ ছাড়ালো

    থাইল্যান্ডে ভয়াবহ প্রবল বন্যা আঘাত হানার কারণে অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির সরকার জানিয়েছে। ভয়াবহ ভারী বর্ষণে তৈরি হওয়া এই বন্যায় লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শনিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চাঞ্চিভিরাকুল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজের নির্দেশ দেন।

    ব্যানকক থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারীর মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত জানান, দেশের আটটি প্রদেশে এই বন্যায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সঙখলা প্রদেশে সর্বোচ্চ ১২৬ জন মারা গেছেন।

    বন্যার ব্যাপকতা এবং হতাহতের ঘটনায় সরকারের সমালোচনাও শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আনুতিন সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বীকার করেছেন যে, সরকারের বন্যা ব্যবস্থাপনায় কিছু ঘাটতি দেখা গেছে। তিনি বন্যা কবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করে স্থানীয়দের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার বন্যা কবলিত নাগরিকদের জন্য যথাযথ সেবা ও সুরক্ষা দিতে পারেনি।’

    প্রতিশ্রুতি দেন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে ক্ষতিপূরণ বিতরণ শুরু হবে। এর আওতায় ঋণের স্থগিত, ছোট ব্যবসা ও ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য স্বল্পমেয়াদি সুদবিহীন ঋণসহ অতিরিক্ত সহায়তা দেয়া হবে।

    দেশের দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগ জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রদেশে পানির স্তর কমতে শুরু করেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, পানিতে ডুবে থাকা ঘরগুলোতে স্থানীয়রা ফিরে এসে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখছেন। ঘরগুলোর মেঝে জুড়ে রয়েছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আসবাবপত্র ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র।

    গত সপ্তাহের শেষের দিকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ বন্যা দেশটিতে ব্যাপক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। বহু মানুষ আটকা পড়েছেন, কিছু সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে গেছে ও নিচু ভবন ও যানবাহন পানিতে তলিয়ে গেছে।

    সঙখলা প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর হাট ইয়াইয়ে মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। উদ্ধারকর্মীরা আগে যেখানে প্রবেশ করতে পারেননি, সেসব এলাকায় পানি নেমে গেলে সেখানে গিয়ে অনেকের মরদেহ উদ্ধার করছেন।

    সরকারের মুখপাত্র সিরিপং জানিয়েছেন, এই ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া হঠ ইয়াই হাসপাতালে রাজা মহা বাজিরালংকর্ণ ১০ কোটি বাথ (প্রায় ৩.১১ মিলিয়ন ডলার) দান করবেন। পাশাপাশি, মৃতদের অন্তেষ্টিক্রিয়া ও সমাধিতে রাজকীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি

    শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি

    শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ারের প্রভাবে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হওয়া ভয়াবহ বন্যার কারণে দেশের প্রায় এক শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এই দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে, একই সঙ্গে সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

    ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৩২-এ পৌঁছেছে। পাশাপাশি নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭৬ জন। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য শনিবার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (ডিএমসি) জানিয়েছে, কঠোর আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৫ হাজারের বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং সাড়ে ৭৮ হাজার মানুষকে সরকার পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্টি হওয়া এই বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েক জরুরি আইন ঘোষণা করেছেন। ডিএমসির মহাপরিচালক সম্পাথ কোটুউইগোদা জানান, তাঁরা এখন পর্যন্ত ১৩২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৭৬ জন। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শনিবার, দেশটির সামরিক বাহিনী অনুরাধাপুরা জেলার টানা ২৪ ঘণ্টার অভিযানে এক জার্মান পর্যটকসহ ৬৯ জন বাসযাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় হেলিকপ্টার ও নৌবাহিনীর নৌকাগুলো ব্যবহার করা হয়।

    একটি বাসের যাত্রী সাংবাদিকদের কাছে বলছিলেন, নৌবাহিনী রশি দিয়ে পানি পার হতে সাহায্য করেছে এবং পরে তাদের কাছের এক বাড়ির ছাদে উঠতে সহায়তা করেছে। শান্তা নামের ওই যাত্রী বলেন, ‘আমরা খুবই ভাগ্যবান। ছাদে থাকাকালীন একাংশ ধসে তিন নারী পানিতে পড়ে যান, কিন্তু তাদের আবার ছাদে তুলতে সক্ষম হয়েছে উদ্ধারকারীরা।’ তিনি উল্লেখ করেন, প্রথমে হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধারের প্রচেষ্টা বাতিল হয়েছিল কারণ ছাদ উড়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। পরে নৌকায় করে তাদের উদ্ধার করা হয়।

    দেশের মধ্যাঞ্চলের বদুল্লা জেলায় বেশ কিছু সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে অনেক গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বদুল্লার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মাসপান্না গ্রাম থেকে সামান কুমারা বলেন, ‘আমাদের গ্রামে দুজন মারা গেছেন। অন্যরা একটি মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছে। বেশীরভাগ মানুষ এখন বাড়িতে অবস্থান করছেন। রাস্তার ধসের কারণে কেউ বেরোতে বা ঢুকতে পারছে না। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।’

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। বাড়িঘরে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে এবং পানি পরিশোধন কেন্দ্রে ডুবে গেছে। এছাড়া অনেক এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন।

    শনিবার, ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া দ্বীপদেশটির কাছ থেকে সরে উত্তরে ভারতের দিকে এগোচ্ছে। ভারতের চেন্নাই বিমানবন্দর আজ মোট ৫৪টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণ ও তীব্র বাতাসে পরিবেশ আরও অস্বস্তিকর হবে।

    মধ্যাঞ্চলের ক্যান্ডি জেলায় নতুন করে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে রাজধানী কলম্বো থেকে ১১৫ কিলোমিটার পূর্বের এই জেলায় প্রধান সড়কটি পানি দিয়ে পুরোপুরি ঢেকে গেছে।

    শ্রীলঙ্কার সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য official আবেদন জানিয়েছে। এ ছাড়া, দেশের বাইরে অবস্থানরত শ্রীলঙ্কানদের জন্য অর্থ পাঠানোর জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হিরিনি আমরাসুরিয়া কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি প্রকাশ করেছেন এবং জরুরি সহায়তা পেতে সাহায্য চেয়েছেন। ভারত প্রথমে দ্রুত দুটি বিমানে করে ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। এছাড়াও, কলম্বোতে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা ভারতীয় এক যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে নিজের রেশন দান করেছে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং আরও সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    এটি ২০১৭ সালের পর শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেখানে বন্যা ও ভূমিকম্পে ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা যায় এবং অসংখ্য মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। ২০০৩ সালে হওয়া বন্যা ও ভূমিধসের সময় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা ছিল ২৫৪। এটি ছিল ২০০৩ সালের জুন মাসের ঘটনা, যা ছিল এই দেশে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা।

    সূত্র: এএফপি।

  • ক্যালিফোর্নিয়ায় শিশুর জন্মদিনে বন্দুক হামলায় নিহত ৪

    ক্যালিফোর্নিয়ায় শিশুর জন্মদিনে বন্দুক হামলায় নিহত ৪

    যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি ব্যাঙ্কোয়েট হলে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্টকটন শহরে একটি শিশু জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। ওই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মোট ১৪ জন। খবর রয়টার্সের মতে, এই হামলার সময় হঠাৎ করে একজন বন্দুকধারী গুলিবর্ষণ শুরু করে।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্টকটনের ভাইস মেয়র জেসন লি জানিয়েছেন, এটি একটি শিশুর জন্মদিনের অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে এত অল্প সময়েই এ রকম ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গেছে। তিনি জানান, ঘটনার সব তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার কিছুক্ষণ আগে লুসিল এভিনিউ ১৯০০ ব্লক এলাকায় গুলির খবর পাওয়া যায়। এর পরে জানা যায়, এক্স (আগের টুইটার) থেকে জানানো হয় যে, বর্তমানে প্রায় ১৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যার মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

    অধিকাংশ ধারণা অনুযায়ী, এই হামলাটি পরিকল্পিত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং হামলাকারীর পরিচয় বা অন্য কোনো তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি। তদন্তকারীরা এই ঘটনায় জড়িত সকল দিক খতিয়ে দেখছেন, যেন দ্রুত সত্যতা জানতে পারে সমাজের শান্তি ফিরে আসে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো

    ইন্দোনেশিয়ায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো

    ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার পর ব্যাপক বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে মৃতের সংখ্যা এখন ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর সাথে নিখোঁজ রয়েছেন আরও প্রায় ৩০০ জন। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারিয়ান্তো এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত শনিবার সকালে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১৭৪, যা এখন বেড়ে গেছে।

    এক সপ্তাহ ধরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর ও সমতল অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ চলছে, যার ফলে ইন্দোনেশিয়া, মালাউই, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সময়ে, মালাক্কা প্রণালির মাঝে এক বিরল ক্রান্তীয় ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানান, অন্তত ২৭৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দেশটির প্রায় ৮০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সুমাত্রার তিনটি প্রদেশে এখনো শত শত মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

    উত্তর সুমাত্রায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বন্যা, বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে। এই এলাকা অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সড়ক পথ ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটির পরিস্থিতি সামাল দিতে উড়োজাহাজের মাধ্যমে ত্রাণ ও অন্যান্য সহায়তা পাঠানো হচ্ছে।

    প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাপনুলি থেকে সিবোলগা পর্যন্ত যোগাযোগের জন্য সড়ক পুনরুদ্ধার কাজ চলছে। গত তিন দিন ধরে সেসব এলাকায় যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। উদ্ধারকারীরা ভূমিধসের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, এবং আটকা পড়া মানুষদের জন্য খাদ্য ও জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান আরও জানান, রোববার থেকে ত্রাণ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি আরও বাড়ানো হবে। তবে কিছু স্থানীয় মানুষ ত্রাণসামগ্রী লুট করতে চেষ্টা করছে।

    অপরদিকে, মালাক্কা প্রণালির পাশের থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে পৌঁছেছে। সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আংকাসাকুলকিয়াত বলেছেন, আগের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১৪৫।

    সূত্র: রয়টার্স।

  • খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সকল কর্মসূচি স্থগিত

    খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সকল কর্মসূচি স্থগিত

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি বর্তমানে সংকটাপন্ন বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তিনি এখন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনা কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন আছেন। এই অবস্থায় তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সরব হয়েছেন নেতাকর্মীরা। খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, খালেদা জিয়া সব শঙ্কা কাটিয়ে আবার হাসি মুখে ফিরবেন। তিনি সবাইকে দোয়া ও prayers এর আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। এর ফলে বর্তমানে তার পক্ষ থেকে সকল নির্বাচনী কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে, যেন তার এই সময়টা পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারেন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

  • খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ

    খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ

    সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও গণতন্ত্রের কঠোর রক্ষক বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ এবং জীবন-মরণসংকটের মুখোমুখি হওয়ায়, খুলনা-৩ আসনে বিএনপি’র নির্বাচনী প্রচারণা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    অতীতের মতোই, আজ রোববার থেকে নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, থানাসহ ইউনিয়ন এলাকাগুলোতেও খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা কার্যক্রম আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয়ে—মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডায় এই দোয়া অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। নগরী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা দেখা যাচ্ছে।

    এ তথ্য নিশ্চিত করে মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে ফিরে এলে নির্বাচনী কার্যক্রম আবার শুরু করা হবে।

  • খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

    খুলনায় নারী পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা

    খুলনায় হাইওয়ে পুলিশের এক নারী সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি হাউজিং এস্টেটের নারী পুলিশ ব্যারাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত কনস্টেবল মিমি খাতুন (২৭) কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাত নম্বর ফুলবাড়ি এলাকার নবীন বিশ্বাসের মেয়ে এবং ইমরান হোসেনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে সহকর্মীরা তার কক্ষে গিয়ে দেখতে পান, তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন। খবর পেয়ে ব্যারাকের কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করে সন্ধ্যায় রাত ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে থাকা কর্মকর্তারা জানান, মিমি হাইওয়ে রিজিওনের একজন নারী পুলিশ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং ওই ব্যারাকে থাকতেন। তবে, তার আত্মহত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। কোনো সুইসাইড নোট মৃতদেহের কাছে পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রাথমিক প্রতিবেদনে আত্মহত্যা উল্লেখ করা হয়েছে। খুলনা কোতোয়ালি থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • খুলনায় আদালতের সামনে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    খুলনায় আদালতের সামনে প্রকাশ্যে দুজনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

    খুলনায় আজ রোববার (৩০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আদালতের সামনে এক ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রকাশ্যে দুজনকে ধারালো অস্ত্র ও গুলির মাধ্যমে মারাত্মকভাবে আঘাত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাটি ঘটে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে, যা পুরো এলাকাকে আতঙ্কে ঢেকে দিয়েছে।

    নিহত দুজনের নাম হল ফজলে রাব্বি রাজন (২৮) এবং হাসিব (২৯)। রাজন রূপসার বাগমারার দক্ষিণ ডাঙ্গা এলাকার ইজাজ শেখের ছেলে এবং হাসিব নতুন বাজার এলাকার মান্নান হাওলাদারের সন্তান। এই দুজনই খুলনার স্পষ্টভাবে পরিচিত সন্ত্রাসী শেখ পলাশের অনুসারী বলে জানানো হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, আদালতে একটি অস্ত্র মামলায় হাজিরা দিতে এসে বিচারপ্রার্থী দুজনকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এরপর তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত্যু ঘোষণা করেন।

    আদালত চত্বরে হত্যাকাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। পুলিশ নানা সরঞ্জামাদি দিয়ে স্থানটি স্যানিটারাইজ করেছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম এ সম্পর্কে বলেন, আচমকা এই ঘটনা ঘটেছে এবং নিহত দুজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ, চাপাতি ও দুটি মোটরসাইকেল পড়ে আছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ ও ষড়যন্ত্র তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    অপর দিকে, মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার রোকনুজ্জামান জানান, আহতদের মধ্যে হাসিব ঘটনাস্থলে নিহত হন, আর রাজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন। এই দুজনেই সন্ত্রাসী পলাশের বাহিনীর সদস্য বলে জানা গেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলাও রয়েছে। তারা আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো আদালত চত্বরের পরিবেশ আতঙ্কে ভরে যায়। আইনজীবীরা এই প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ জনমনে আতঙ্ক বেড়ে গেছে।

  • বড় ভাই আইসিইউতেই, দেখার পথে ছোট ভাইসহ দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

    বড় ভাই আইসিইউতেই, দেখার পথে ছোট ভাইসহ দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু

    যশোরের একটি হাসপাতালে বড় ভাই আইসিইউতে ভর্তি থাকা অবস্থায় তাকে দেখতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ছোট ভাইসহ দুইজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে যশোর-চৌগাছা সড়কের জগহাটি জোড়াপুল ব্রিজের কাছে (বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা) এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন— মহেশপুর উপজেলার আলিসা গ্রামের আফিল উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে সেলিম রেজা (৪৫) ও একই গ্রামের মো. তাহাজ্জেলের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (৪২)। এর মধ্যে সেলিম রেজা শহীদুল ইসলামের ছোট ভাই, যিনি বর্তমানে আইসিইউতে ভর্তি আছেন।

    নিহতদের প্রতিবেশী মো. আব্দুল হাকিম জানান, যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আহত মহেশপুরের সেলিমের বড় ভাই শহীদুল ইসলাম আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। তার মারাত্মক অবস্থা দেখে হঠাৎ করে সেলিমকে ফোন করে হাসপাতালে আসার জন্য বলা হয়। সেলিম দ্রুত মোটরসাইকেলে করে তার ছোট ভাই ইব্রাহিমসহ হাসপাতালে ছুটে যান।

    এমন সময়, জগহাটি জোড়াপুল এলাকায় একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই সেলিম ও ইব্রাহিম মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়, তবে ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি তদন্ত করছে।

    সাজিয়ালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুর রউফ বলেন, দুর্ঘটনার কারণ স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকারী বাসটি শনাক্ত করা হয়েছে, এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।