Month: September 2025

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

    তরুণ্যকে প্রেরণাande উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায়, বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ বছরের ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার সফল সমাপ্তি হয়েছে। গতকাল এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, যা ছিল তরুণদের জন্য এক অনুপ্রেরণামূলক মুহূর্ত। প্রাপ্তবয়স্করাও সহযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়, আর বালক বিভাগের চ্যাম্পিয়ন হয় বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    অনুষ্ঠানটি বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। এছাড়াও ছিলেন জেলা পরিষদ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেল-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    পুরস্কার বিতরণীর সময় প্রধান অতিথি বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুস্থ বিনোদনের বিকল্প তৈরি করে দেয়। এটি শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমাতে সহায়তা করে এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। বিশেষ অতিথি ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি হিসেবে আরও বলেন, ‘যারা শারীরিক খেলাধুলায় নিয়োজিত থাকে, তারা শুধুমাত্র ভালো ছাত্রই না, তারা একজন সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের নাগরিকও হতে পারে।’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    এই আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, যা সামগ্রিক সমাজের জন্যই ইতিবাচক উন্নয়নের দিক নির্দেশনা দেয়।

  • জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা দলের সাক্ষাৎ

    জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা দলের সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিজয় অর্জন করায় তারা বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম। তিনি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই বিজয় খুলনার জন্য গৌরবের বিষয়। খেলাধুলা মন ও শরীরকে সতেজ রাখে, তাই সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে যেন এই রকম সাফল্য অব্যাহত থাকে।

    অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। চালক্য চলাকালে জানানো হয়, ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।

    খুলনা দলের খেলোয়াড়রা ছিলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল। এই সাফল্য কেবল দলের নয়, পুরো খুলনার গৌরব।

  • জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর

    জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর দেশের বিভিন্ন ভেন্যুতে। প্রথম ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীতে, যেখানে খুলনা ও চট্টগ্রাম দলের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পুরো আসরটি চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ, যেখানে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ হবে। প্রথম দুটি রাউন্ড খেলানো হবে রাজশাহী ও বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এরপর বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই টুর্নামেন্টে থাকবে প্রতিদিন দুইটি করে ম্যাচ। মূল ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে রাজশাহীর এসকেেএস স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নিবে অংশ নকআউট পর্বে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই আসরটি তরুণ ক্রিকেটারদের নিজেদের প্রতিভা প্রমাণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেখানে তারা নিজেদের ভাবে ঝালাই করার সুযোগ পাবে।

  • আর্জেন্টিনার মাঠে শেষ মেসি ম্যাচে কেঁদে ফেললেন, সবাইকে চোখের জল এনে দিলেন

    আর্জেন্টিনার মাঠে শেষ মেসি ম্যাচে কেঁদে ফেললেন, সবাইকে চোখের জল এনে দিলেন

    আজেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা ম্যাচটি বিশেষ করে মেসিময় হয়ে উঠেছিল। কারণ, আর্জেন্টিনার প্রাণভোমড়া লিওনেল মেসি দেশের মাঠে দেশের জার্সিতে শেষবারের মতো ফুটবল খেলার সুযোগ পেলেন। এই ম্যাচে মেসি কিভাবে খেলেছেন তা বোঝানো কঠিন; আবেগ তার চোখে স্পষ্ট। অনেক সময়ই তার দুচোখ দিয়ে অশ্রুর ধারা পড়ে।

    বুধবার ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মাস মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ হয়েছিল। এই মহৎ মুহূর্ত উপভোগ করতে উপস্থিত ছিলেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও তিন ছেলে। দেশের জাতীয় সংগীতের সময় মেসির সঙ্গে ছিল তার তিন সন্তান। ম্যাচের আগে তিনি তাদের সঙ্গে ছবি তুলেছেন, যেখানে তিনি ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার লেখা বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে শিশুদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল ছবি তুলেছেন। এছাড়া, এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও রদ্রিগো দি পলরার সঙ্গে জাতীয় সংগীতের সময় ছবি তুলেছেন।

    বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে মেসি এবার খেলতে নামছেন—এটি শুরুর আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল। ২৮ আগস্ট লিগস কাপের সেমিফাইনাল শেষে তার মন্তব্যের পর ঘটে গেল তার ‘শেষ’ ম্যাচের ঘোষণাটিও। সাধারণত মেসি যখন মাঠে নামেন, stadium উৎসবমুখর থাকত। কিন্তু আজকের দিনটি ছিল বিশেষ; এখানে গ্যালারি ভরে উঠেছিল আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের বিদায় উপলক্ষ্যে। স্টেডিয়ামপ্রাঙ্গণে বড় করে টাঙানো হয়েছে মেসির ছবি ও বিশ্বকাপের ট্রফি-সংবলিত পোস্টার। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে তিনি তার স্বপ্নের স্বাদ পেয়েছিলেন।

    এই ম্যাচে মেসি পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেন এবং যতবারই বল পেলেন, দর্শকরা চিল্লাচিল্লি করে গলা ফাটাল। গ্যালারিতে ‘ওলে, ওলে, ওলে…মেসি, মেসি, মেসি’ গান এখনো শোনা যায়। তার স্ত্রীর মুখেও দেখা গেছে কয়েকবার। ম্যাচের শুরুতে তিনি হাসছিলেন, কিন্তু ম্যাচ শেষের দিকে তার মুখের অভিব্যক্তিতে দেখা গেল ম্লান ভাব। তিনি বুঝতে পারছিলেন, এই ম্যাচের মাধ্যমে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের এক অধ্যায়ের অন্তত শেষ।

    বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এই শেষ ম্যাচে মেসি জোড়া গোল করেন, ৩৯ ও ৮০ মিনিটে। তার মধ্যবর্তী সময়ে লাওতারো মার্তিনেজ গোল করেন। হ্যাটট্রিকের সুযোগও ছিল, কিন্তু ৮৯ মিনিটে রদ্রিগো দি পলের সহায়তায় মেসির গোলটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।

    বিরতির পর এই ম্যাচ এখনো শেষ বলে মনে হয় না। কারণ, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) সম্ভাবনা দেখাচ্ছে যে জুনে দেশের মাঠে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করবে। তা না হলে, এটি মেসির আর্জেন্টিনার জার্সি থেকে শেষ ম্যাচ হতে পারে।

    আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় আর্জেন্টিনা facing ইকুয়েডর। এই ম্যাচটি ইকুয়েডরের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত, ১৭ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে, আর্জেন্টিনা দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের শীর্ষে রয়েছে।

  • জাতীয় দলে খেলতে হলে আগে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    জাতীয় দলে খেলতে হলে আগে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান—দুজনই দেশের ক্রিকেটের বড় তারকা। একসময় তাদের বন্ধুত্বের কথা শোনা গেলেও বর্তমানে তারা নিজ নিজ পথে। তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের খবর এখন খুবই আলোচনায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাকিব এক বছরের বেশি সময় ধরেই দেশের বাইরে থাকছেন। অন্যদিকে, তামিম বোর্ডের নির্বাচন উপলক্ষে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সাকিব দেশের বাইরে থাকায় তিনি বর্তমানে জাতীয় দলে খেলার সামর্থ্য হারিয়েছেন। অন্যদিকে, যদি বোর্ড সভাপতি হিসেবে তামিম নির্বাচিত হন, তাহলে আবারও মাঠে নামতে পারেন সাকিব, এই সম্ভাবনা নিয়ে মাথায় প্রশ্ন উঠছে। তবে, এ বিষয়ে অনেকের মত, পরিস্থিতির উন্নতি তেমন হবে না। এই বিষয় নিয়ে সম্প্রতি ডেইলি ক্রিকেটের এক পডকাস্টে খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন তামিম।

    তিনি বলেছেন, ‘সে একজন সক্রিয় ক্রিকেটার। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় দলের সদস্য। যদি তিনি ফিট থাকেন, নিয়মিত অনুশীলন করেন এবং নির্বাচকরা তাকে দলে নেওয়ার জন্য যোগ্য মনে করেন, তবে অবশ্যই তার সুযোগ আছে। তবে, তাকে দেশের মধ্যে ফিরতে হবে কারণ এটি আমার হাতে নেই; এখানে আইনি জটিলতা জড়িয়ে আছে।’

    সাকিব পূর্বে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন এমপি ছিলেন। জুলির গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলার পাশাপাশি হত্যা মামলাও দায়ের হয়। এই পরিস্থিতিতে, তামিম বলেছেন, ‘আমি দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিষয়টাই গুরুত্বপূর্ণ। যদি তিনি মামলার মুখোমুখি হতে পারেন এবং জাতীয় দলে অনুশীলন করতে পারেন, তবে তার জন্য দরজা খোলা থাকবেই। তিনি একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার, পর্তুগিজ বা আমেরিকান নন।’’

    তামিমের মতে, ‘জাতীয় দলে খেলতে হলে সাকিবকে আগে দেশের মধ্যে ফিরতে হবে। মামলার মোকাবিলা করে দেশের জন্য খেলতে হলে এর থেকে অন্য কিছু সম্ভব নয়। আমি কিছু লুকাচ্ছি না। এটি সাকিবের ক্যারিয়ার এবং দেশ, সুতরাং সিদ্ধান্ত তারই। আমি বলছি না, সে কি করবে বা করবে না, সেটাই তার সিদ্ধান্ত।’

  • গাজার চিত্র ভয়ংকর: ৪০ শতাংশ ভূমি দখল এবং মানবিক সংকট অব্যাহত

    গাজার চিত্র ভয়ংকর: ৪০ শতাংশ ভূমি দখল এবং মানবিক সংকট অব্যাহত

    গাজা শহর এখন এক দারুণ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে শিশুরা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে ভুগছে। অনেক শিশু ওজন কমে গিয়ে মারাত্মক আহত। উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ১৮ মাস বয়সী শিশু আলি আবু আজরা তার বয়সের তুলনায় খুব কম ওজনের হয়ে পড়েছে; তার স্বাভাবিক ওজন হওয়ার কথা ছিল সাত-আট কেজির মধ্যে, কিন্তু বর্তমানে তার ওজন মাত্র তিন কেজি। দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টির কারণে শরীর থেকে চর্বি ও পেশির টিস্যু ক্ষয়ে গেছে, ত্বক হাড়ের সঙ্গে লেগে থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। তার মা আনাদোলু জানান, আলি ডায়রিয়া, ফুসকুড়ি, জ্বর, খিঁচুনি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে নাজেহাল। এক সপ্তাহের মধ্যে ওজন একটি কেজি কমে গেছে; দুধ ও ওষুধের অভাবের কারণে তার জীবনহুমকি পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। গাজার অন্যান্য শিশুদেরও আসলে এই রকম দুরবস্থা চলমান।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা আলজাজিরা ও ইউনিসেফের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গাজা এখন মৃত্যু, আতঙ্ক ও দাফনের শহর হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি শঙ্কার মুখে, শহরটি এখন ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ইসরায়েলি হামলার ফলে বহু পরিবারের স্বজনরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি হামলায় শহরে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন স্থান জুড়ে ভারী বোমাবর্ষণে ব্যস্ত হয়েছে ইসরায়েলি সেনা, ধ্বংসের মুখে পড়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভবন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা গাজা শহরের ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড দখল করেছে, হামাসের শাসন ভেঙে ফেলতে এবং কমান্ডারদের জিম্মি থেকে ফিরিয়ে আনতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ১১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, এর মধ্যে শুক্রবার alone ৫০ জন মারা গেছে। এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৬৪,২৩১ জন নিহত ও এক লাখ ৬১ হাজার ৫৮৩ জন আহত হয়েছেন। শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশ উদ্বেগজনক। প্রতিদিন গড়ে ২৮ শিশুকে হত্যা করা হচ্ছে।

    গত Thursday রাতে গাজা শহরের অনেক বাড়িঘরসহ তাঁবু ও আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে মায়েরা কষ্টের মধ্যে বলছেন, তাদের সন্তানদের দেখার জন্য হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকা, রক্তাক্ত মুখ ও দেহ দেখছেন। একজন মা বলছেন, ‘আমি আমার ছেলেকে খুঁজে বের করতে গিয়ে দেখতে পেলাম, সে পড়ে আছে, তার নাক দিয়ে রক্ত জমে আছে। অন্যদিকে আমার মেয়েও রক্তে ভাসছে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় এখন ‘নরকের দরজা’ খুলে গেছে। কারণ ইসরায়েলি সেনারা গাজা শহরের উঁচু টাওয়ারগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যা শহরটির ভেতরে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণের জন্য কাজ করা তিনটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আল-হক, প্যালেস্টিনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআর) এবং আল-মিজান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস। এই সব সংস্থা গাজা পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের দখলদারির বিচার-তদন্তে সহযোগিতা করায় তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভাইরাল

    বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভাইরাল

    ভারতের বিহারের দারভাঙ্গা বিমানবন্দরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধ সাদা কুর্তা-পাজামা পরে রানওয়ে পার্কিংয়ে বসে প্রস্রাব করছেন। যদিও তার পরিচয় বা তিনি কি কোনও যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট নয়, তখনই অন্য যাত্রীরা লাইন ধরে বিমানে উঠছিলেন। সেই সময় রানওয়ে সক্রিয় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে এক বৃদ্ধের এই অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি এবং তার ব্যবহারে দেশব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে নেয়া হয়েছে বিমানবন্দর নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নও।

    ভিডিওটি পাইলটের ভাষ্য অনুযায়ী ককপিট থেকে ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সহ-পাইলটের সঙ্গে পাইলট হাস্যরসের মাধ্যমে এই ঘটনা দেখেছেন। ভিডিওটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৯ সেকেন্ড, তবে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কিছু নেটিজেনের মন্তব্যে দেখা যায়, কিছু মনে করছেন এই ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিমান ভ্রমণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। কেউ বলছেন, এটি কোনও ভুল নয় বরং দেখাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন ঘটনা ঘটছে। আরেকজন উল্লেখ করেছেন, প্রস্রাব করার জন্য বিমানবন্দরে বিভিন্ন টয়লেট থাকা সত্ত্বেও রানওয়ে বসে এই কাজটি নিয়েছেন।

    তবে, এ ব্যাপারে এখনও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার ফলে বিমান নিরাপত্তা এবং সামাজিক আচরণ বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।

  • গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ, ক্ষুধা ও মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না

    গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ, ক্ষুধা ও মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না

    ইসরায়েলের অবিরাম হামলা, অবরোধ এবং চলমান দুর্ভিক্ষের কারণে প্রতিদিন গাজা উপত্যকায় মানুষের প্রাণহানি continue হচ্ছে। প্রতিদিনই ইসরায়েলের নিয়মিত বিমান হামলায় ও গোলাবর্ষণে অগণিত পরিবারের স্বজনেরা মৃত্যুর কোলে ঢলছে। কথিত ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে অক্টোবর মাস থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ জীবন হারিয়েছেন। এমনকি মানবিক সহায়তা করতে গিয়ে অনেক ফিলিস্তিনি জীবন হারাচ্ছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার ৪০০ জনে পৌঁছেছে। শনিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ৬৪,৩৬৮ জন।

    মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে আরও ৬৮ জনের মরদেহ। সেই সময়ে আহত হয়েছেন মোট ৩৬২ জন। এভাবে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জনে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে আছেন, তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও উদ্ধারকর্মীরা ব্যর্থ হচ্ছে।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সহায়তা নেওয়ার জন্য গাজা গিয়েছিলো আরও ২৩টি ফিলিস্তিনি গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে, একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১৪৩ জন। চলতি বছরের মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত সহায়তা নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,০৩৮৫ জনের বেশি, এবং আহতের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ১৭,৫৭৭।

    অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে মারা গেছেন আরও ৬ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে একজন শিশু। এভাবে, অক্টোবর ২০২২ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষুধা বা অপুষ্টিতে কষ্ট পেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮২ জন, যাদের মধ্যে ১৩৫ জন শিশু।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২ মার্চ থেকে গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এর ফলে প্রায় ২.৪ মিলিয়ন মানুষ বসবাসকারী এই সংখ্যালঘু অঞ্চলটি দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা জরিপে দেখা গেছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যে খাদ্য সংকট দৃশ্যমান, আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এই দুর্ভিক্ষ দ্রুত নেমে আসবে দক্ষিণের এলাকাগুলোতেও।

    এছাড়া, ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল নতুন করে গাজায় হামলা শুরু করে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৮২৮ জন নিহত ও ৫০ হাজার ৩২৬ জন আহত হয়েছেন। এর ফলে জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে।

    গাজার দখলে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুক্রবার প্রবেশ করেছে ৭০০তম দিন। দীর্ঘ এই যুদ্ধের ফলে পুরো ভূখণ্ড ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং মানুষের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের অবস্থা তৈরি হয়েছে।

    বিশ্ব আদালতও এই পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়েছে। গত বছর নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পাশাপাশি, গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) মামলা অব্যাহত রয়েছে।

  • ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন জোরমতো

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন জোরমতো

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থান থেকে শতশত মানুষ রাস্তায় নেমেছে। তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি করেন, রাজধানীর রাস্তায় সেনা টহল বন্ধ করতে হবে এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই বিক্ষোভের প্রধান স্লোগান ছিল, ‘ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন’। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই প্রতিবেদনের খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

    বিক্ষোভকারীরা জানান, ট্রাম্পের নির্দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছে, যা তারা একেবারেই মানতে চান না। তারা দাবি করেন, এই বাহিনীকে শহর থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। প্রতিবাদে যোগ দেন অবৈধ অভিবাসী ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সমর্থকরা। তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে লিখেন—“ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন”, “ডিসিকে মুক্ত করুন”, “স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন”।

    অ্যালেক্স লফার নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমি এখানে এসেছি ডিসির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। আমরা কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরোধিতা করছি, ফেডারেল পুলিশ ও ন্যাশনাল গার্ডকে রাস্তায় থেকে সরাতে হবে।”

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গত মাসে সেনা মোতায়েন করেছেন, যাতে “আইন, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা” নিশ্চিত করা যায়। এছাড়াও, তিনি রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশকে সরাসরি ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন এবং অভিবাসন ও শুল্ক সংস্থাসহ (আইসিই) অন্যান্য বাহিনী শহরে নামিয়েছে। সমালোচকেরা এসব কর্মকাণ্ডকে বলছেন, এটি ফেডারেল ক্ষমতার অপব্যবহার।

    দৃশ্যত, বিচার বিভাগ জানাচ্ছে, ২০২৪ সালে ওয়াশিংটনের সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা গত ৩০ বছরে সবচেয়ে কম পর্যায়ে পৌছেছে।

    ন্যাশনাল গার্ড সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অধীনে থাকে, কিন্তু ডিসি ন্যাশনাল গার্ড সরাসরি প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি শিকাগোতেও ন্যাশনাল গার্ড পাঠাবেন। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ইলিনয়ৰ গভর্নর জেবি প্রিটজকার জানাচ্ছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই শিকাগোতে আইসিই এজেন্ট ও সামরিক যান পাঠিয়েছে, আরও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একজন প্রতিবাদকারী কেসি বলেন, “এ ধরনের কর্মকাণ্ড অন্য একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো করে। যদি মানুষ বাধা দেয় না, তবে তারা অচিরেই অন্য জায়গায়ও এরূপ প্রয়োগ করবে। তাই থেকে চিহ্নিত হয় উঠতে এখনই থামানো উচিত।”

    বর্তমানে ছয়টি রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা দুই হাজারের বেশি সৈন্য ওয়াশিংটনে টহল দিচ্ছে। তাদের মূল মিশন কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সেনাবাহিনী ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের মেয়াদ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

  • ভারতের গো-মাংস শিল্পে মোদির সময় দুর্বার প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি রেকর্ডে নতুন দিগন্ত

    ভারতের গো-মাংস শিল্পে মোদির সময় দুর্বার প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি রেকর্ডে নতুন দিগন্ত

    ক্ষমতায় আসার আগে গরুর মাংস রপ্তানি নিয়ে কট্টর সমালোচনা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, কিন্তু তার শাসনামলে এই শিল্প চূড়ান্ত বিকাশ লাভ করেছে। বর্তমানে ভারতের গোমাংস শিল্প ৬৫টি দেশে রপ্তানি করছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক বড় এক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বছর বছর এই খাতের রপ্তানি দিচ্ছে দেশটি প্রায় ৪৩ কোটি ডলার আয়, যেখানে ভারত এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম গোমাংস রপ্তানিকারক দেশ। এটি রপ্তানি করছে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে, যেখানে ভারতের গরু ও মহিষের চাহিদা খুবই উচ্চ।

    ভারতের গোমাংস রপ্তানি শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। তবে মোদির শাসনামলে এক দশকেরও বেশি সময়ে এই শিল্পের বিকাশ অনেক গুণ বেড়েছে। বর্তমানে ভারতের অন্যতম বড় গরুর মাংস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দেশে প্রচুর গরু এবং মহিষ রয়েছে—বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মহিষ বাংলাদেশের বাইরে ভারতেই দেখা যায়, যার সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি পঞ্চাশ লাখ। প্রতিদিনই ভারত থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরুর মাংস বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়।

    প্রাকৃতিক চারণভূমিতে বেড়ে ওঠা গরু ও মহিষের কারণে এই মাংসের চাহিদাও ব্যাপক। যদিও গরু ও মহিষের মধ্যে মাংসের রপ্তানি নিয়ে ভারতে কিছু বিতর্ক রয়েছে, বিশেষ করে গরুর মাংসের বৈধতা ও ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে। তবে অনেক উপসাগরীয় দেশ ও বাইরের বাজার এই মাংসের চাহিদা বাড়িয়ে চলেছে। বিশেষ করে হিন্দু ব্যবসায়ীদের মধ্যেও এই শিল্পে যুক্ত থাকার স্বীকৃতি বাড়ছে, কারণ এটি বড় একটি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা।

    সার্বিকভাবে দেখা যায়, মোদির আমলে ভারতের গোমাংস শিল্পের বিকাশ নতুন পর্যায়ে পৌছেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।