Month: November 2024

  • ২০ বাউন্ডারিতে সাইম আইয়ুবের সেঞ্চুরি, জয়ে ফিরল পাকিস্তান

    ২০ বাউন্ডারিতে সাইম আইয়ুবের সেঞ্চুরি, জয়ে ফিরল পাকিস্তান

    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজেদের হারিয়ে খুঁজেছিল পাকিস্তান। ৬০ রান তুলতেই ৬ উইকেট খুইয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে তারা। পরে বৃষ্টি আইনে ৮০ রানের হারে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। জিম্বাবুয়েকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল।

    বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। তবে পাকিস্তানের দুই স্পিনার আবরার আহমেদ এবং সালমান আগার ঘূর্ণিতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করতে পারেনি।

    এই দুই স্পিনার জিম্বাবুয়ে ব্যাটারদের জেঁকে ধরায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলতে সমর্থ হন দলটির কেবল দুই ব্যাটার। এর মধ্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন ডিওন মায়ার্স, ৩১ রান আসে শন উইলিয়ামসের ব্যাটে। ব্যাটিং দুর্দশায় ৩২.২ ওভারে ১৪৫ রান তুলতেই সব উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

    পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ৩৩ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন আবরার। ২৬ রানে তিন উইকেট শিকার করেন সালমান।

    জবাব দিতে নেমে ১৮.২ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব এবং আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৪৮ রান। ৬২ বলে ১৭ চার এবং ৩ ছক্কায় ১১৩ রানের ইনিংস খেলেছেন সাইম।

    অন্যপ্রান্তে দাঁড়িয়ে স্রেফ সাইম আইয়ুবকে সঙ্গ দিয়ে গেছেন শফিক। তার ব্যাটে এসেছে ৪৮ বলে ৩২ রান।

    আগামী ২৮ নভেম্বর একই মাঠে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তান।

     

  • কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    অ্যান্টিগা টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমবারের মতো লাল বলের ক্রিকেটে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে তার বোলিং পরিসংখ্যান ৬৪ রানে ৬ উইকেট। স্বামীর এমন আগুনে বোলিংয়ের পর তাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন তাসকিনের স্ত্রী সৈয়দা নাঈমা রাবেয়া।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দীর্ঘ সেই ফেসবুক পোস্টে রাবেয়া জানান, মাথায় আঘাত নিয়ে এই ম্যাচে খেলছেন তাসকিন। চোটের কারণে তাকে খেলতে নিষেধ করার পরও সে কথা কানে না তুলে দলের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছে তিনি, করেছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

    তাসকিনের স্ত্রী এতে বেশ খুশি। তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল ফজরের একটু আগে জানতে পারলাম তাসকিন মাথায় আঘাত পেয়েছেন। খবরটা শোনার পর খুব কষ্ট পেলাম। কারণ, আমার তো তার জন্য দুয়া করা ছাড়া কিছু করার ছিল না। আমি তার থেকে অনেক দূরে। তাকে বলেছিলাম, যদি ঘাড় ও মাথা ব্যথা না কমে তাহলে খেলো না। ঔষধ দিয়ে আর কতটুকুই ব্যথা সারে? যেখানে আমি চাচ্ছিলাম না তাসকিন খেলুক তার ব্যথা নিয়ে, সেখানে আজ তিনি ছয় উইকেট পেয়েছেন আর দুইটা উইকেট মিসও হয়েছে। এটাও ভালোর জন্য।’

    কেন হঠাৎ এমন পোস্ট দিলেন, সেটিও শেষে স্পষ্ট করেছেন রাবেয়া। মূলত, মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের অজানা ত্যাগের গল্পগুলো জানাতেই তাসকিনপত্নীর এমন পোস্ট।

    রাবেয়া যোগ করেন, ‘এমন অনেক গল্প আছে। আজ এটি শেয়ার করেছি শুধু আমার স্বামী বলে নয়। অনেক খেলোয়াড়ই অনেক সময় অনেক ব্যথা নিয়ে খেলেন। কেউ ইচ্ছা করে হারতে চায় না বা খারাপ করতে চায় না। আপনারা তো খালি মাঠের গল্প দেখেন ও শোনেন, আর এটা ছিল মাঠের বাইরের না জানা ঘটনা।’

  • ৭ রানে অলআউট হয়ে বিব্রতকর বিশ্বরেকর্ড!

    ৭ রানে অলআউট হয়ে বিব্রতকর বিশ্বরেকর্ড!

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে ক্রিকেট পরিধি ছড়িয়েছে বেশ। কিন্তু এর ফলে অনেক আনাড়ি দেশও এখন ব্যাট-বল নেড়েচেড়ে দেখছে। তাতে একের পর অদ্ভুতুড়ে রেকর্ডের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেট।

    এই যেমন গত বছর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মঙ্গোলিয়া এবং স্পেনের বিপক্ষে আইল অব ম্যানের ইনিংস শেষ হয়েছিল ১০ রানে। এবার সে রেকর্ডও গুটিয়ে গেল। কারণ আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্ট যে ২০ ওভারের ম্যাচ খেলতে নেমে অলআউট হয়ে গেছে মোটে ৭ রানে।

    আগামী  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আফ্রিকা অঞ্চলের প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে এই বিব্রতকর কীর্তিতে নাম উঠেছে তাদের। ম্যাচটি নাইজেরিয়া জিতে নিয়েছে ২৬৪ রানে।

    ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২৭১ রান করেছিল নাইজেরিয়া। ২৭২ রান তাড়া করতে নেমে ৭.৩ ওভারে ৭ রান করতেই ১০ উইকেট খোয়া যায় আইভরি কোস্টের।

    দলের আট ব্যাটার কোনো রান করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪ রান এসেছে ওপেনার উয়াত্তারা মোহামেদের ব্যাট থেকে। অবশ্য কোনো উইকেট না হারিয়েই ৪ রান তুলে ফেলেছিল দলটি। এরপরই ৩ রানের মধ্যে ১০ উইকেট হারানোর অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দেয় আইভরি কোস্ট।

  • প্রথমদিনেই তিন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক বসাবেন ট্রাম্প

    প্রথমদিনেই তিন দেশের ওপর বাড়তি শুল্ক বসাবেন ট্রাম্প

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্বগ্রহণের প্রথমদিনেই মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আমদানি করা সব পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ এবং চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসন ও মাদক পাচার ঠেকাতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান তিনি।

    সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে এ কথা লিখেছেন তিনি।

    ট্রাম্প বলেছেন, তিনি শপথ নেওয়ার পর পরই মেক্সিকো ও কানাডা থেকে আসা সব ধরনের পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে নির্বাহী আদেশ জারি করবেন।

    ট্রাম্প আরও বলেন, চীনের সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত না দেশটি থেকে সিনথেটিক ওপিওড ফেন্টানিল মাদক পাচার বন্ধ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দেশটির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ফেন্টানিলে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর উৎপাদন বন্ধ করার জন্য আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব অনুসারে, ফেন্টানিল মাদক গ্রহণের কারণে দেশটিতে গত বছর ৭৫ হাজার মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন।

    ট্রাম্প তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘মেক্সিকো এবং কানাডা যতক্ষণ পর্যন্ত না মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ করে ফেন্টানিল মাদক এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত দেশ দুটির ওপর শুল্ক বহাল থাকবে।’

    ট্রাম্প মনে করেন, দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ এ সমস্যাটি সহজেই সমাধানের মতো সম্পূর্ণ অধিকার ও ক্ষমতা মেক্সিকো ও কানাডা—দুই দেশেরই আছে। এটি তাদের জন্য খুব বড় মূল্য চুকানোর সময়!

    আলাদা একটি পোস্টে প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বেইজিংকে আক্রমণ করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, ফেন্টানিলের ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের লোকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন চীনা কর্মকর্তারা। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি তারা রাখেননি।

    ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, চীন বিশ্বাস করে বেইজিং-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার বিষয়টি দুই পক্ষের জন্যই লাভজনক। মুখপাত্রের মতে বাণিজ্য যুদ্ধ বা শুল্ক যুদ্ধে কেউই জয়ী হবে না।

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, প্রয়োজন মনে করলে মেক্সিকো ও চীনের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

  • ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে থাকবেন বাইডেন

    ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে থাকবেন বাইডেন

    নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী বছরের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবেন। তার অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সোমবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ২০২০ সালের নির্বাচনে বাইডেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু তিনি তার পরাজয় মানতে অস্বীকৃতি জানান। নির্বাচনে জালিয়াতির ভুয়া অভিযোগ তোলেন। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন বাইডেন। কিন্তু রেওয়াজ ভেঙে তার অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া থেকে বিরত থাকেন ট্রাম্প।

    তবে ট্রাম্পের পথে হাঁটছেন না বাইডেন। তিনি ট্রাম্পের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জানিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি মার্কিন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি বাইডেনের অঙ্গীকার।

    হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু বেটস সাংবাদিকদের বলেছেন, বিদায়ী প্রেসিডেন্ট আগেই অঙ্গীকার করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের নির্বাচনে যিনিই জয়ী হোন না কেন, তার অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেবেন।

    অ্যান্ড্রু বেটস আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট (জো বাইডেন) ও ফার্স্ট লেডি (জিল বাইডেন) সেই অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান দেখাতে যাচ্ছেন। তারা অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

    ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করেন রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি দ্বিতীয় দফায় হোয়াইট হাউসে ফিরছেন। তিনি তার প্রশাসন সাজানোর কাজ ইতিমধ্যে শেষ করেছেন।

  • রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া ব্রিটিশ নাগরিক আটক

    রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া ব্রিটিশ নাগরিক আটক

    রাশিয়ার দখলকৃত কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর হয়ে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া এক ব্রিটিশ ভাড়াটে সেনাকে আটক করেছেন রুশ সেনারা।

    রোববার রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা টাস এবং অন্যান্য গণমাধ্যম ওই ব্রিটিশ নাগরিককে জেমস স্কট রিস অ্যান্ডারসন বলে শনাক্ত করেছে।

    টাস জানিয়েছে, ব্রিটেনের এক ভাড়াটে সেনাকে আটক করা হয়েছে। তিনি তার নাম জেমস স্কট রিস অ্যান্ডারসন বলে জানিয়েছেন। তার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

    বার্তা পাঠানোর মাধ্যম টেলিগ্রামে রাশিয়াপন্থি একটি চ্যানেলে গতকাল পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীর পোশাক পরা এক তরুণ হাঁটু গেড়ে বসে আছেন। পেছন থেকে তার হাত বাঁধা। তিনি জানান, তার নাম জেমস স্কট রিস অ্যান্ডারসন এবং তিনি একসময় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন।

    তবে বার্তাসংস্থা রয়টার্স স্বতন্ত্রভাবে ওই ভিডিও এবং আরআইএ ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। ভিডিওটি কখন ধারণ করা হয়েছে, তা-ও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের মন্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

    বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর এ বিষয়ে বলেছে, ওই নাগরিক আটক হওয়ার পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা।

    ইউক্রেনের সেনাবাহিনী গত আগস্টে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী কুরস্ক অঞ্চলে আচমকা হামলা চালায়। অঞ্চলটির একটি অংশ এখনো ইউক্রেনীয় সেনাদের নিয়ন্ত্রণে। কিয়েভ বলেছে, তারা এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে দখল করা ৪০ শতাংশের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। রুশ সেনারা সেখানে পাল্টা অভিযান জোরদার করেছেন।

     

     

  • কী ঘটছে পাকিস্তানে, কতদিন চলবে?

    কী ঘটছে পাকিস্তানে, কতদিন চলবে?

    ব্যারিকেড ভেঙে রাজধানী ইসলামাবাদে প্রবেশ করেছে পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের হাজারও সমর্থক। মঙ্গলবার সকালেই রাজধানীর চারপাশে স্থাপিত ব্যারিকেড ভেঙে ইসলামাবাদে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। সংঘর্ষে ইতোমধ্যে ছয়জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন—এর খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ ঠেকাতে পাকিস্তান সরকার সারা দেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করেছে, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে এবং রাজধানীতে প্রবেশের প্রধান সড়কগুলোতে ব্যারিকেড স্থাপন করেছিল, যাতে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করতে না পারে। এর আগে ইমরান খান তার সমর্থকদের পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিল করার আহ্বান জানান।

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি সাংবাদিকদের জানান, বিক্ষোভকারীরা ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে অবস্থান করতে পারে, তবে তারা শহরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    এই বিক্ষোভ এমন সময়ে ঘটছে, যখন ইসলামাবাদে নিরাপত্তা ব্যাপক বাড়ানো হয়েছে। কারণ বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো সোমবার তিনদিনের সফরে পাকিস্তান পৌঁছেছেন।

    কী ঘটছে

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের পেশোয়ার থেকে ইমরান খানের সমর্থকদের একটি গাড়িবহর গত রোববার ‘লং মার্চের’ অংশ রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে রওনা দেয়। পেশোয়ার থেকে ইসলামাবাদের দূরত্ব প্রায় ১৮০ কিলোমিটার। এই গাড়িবহরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবি এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুর। এই প্রদেশে খানের দল ক্ষমতায়। বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের নিকটবর্তী বড় খোলা এলাকা ডি-চকে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করার পরিকল্পনা করেছিল।

    বিক্ষোভকারীরা সোমবারই ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে পৌঁছে যান। পথে তাদের ব্যাপক বাধাঁর সম্মুখীন হতে হয়। তবে এই সময়ে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। তবে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং সড়কগুলো শিপিং কনটেইনার দিয়ে অবরোধ করে অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পুলিশ চৌকিতে আগুন জ্বলছে এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদের ঠিক বাইরে এবং পাঞ্জাব প্রদেশের অন্যান্য স্থানে ২২টি পুলিশ যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে মঙ্গলবার সকালে বিক্ষোভকারীরা ইসলামাবাদ শহরের প্রবেশপথগুলোতে স্থাপিত ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশ করেন এবং একটি বড় মিছিল শহরের জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করতে দেখা যায়। পরে বহরটি ইসলামাবাদের বাণিজ্যিক এলাকা ‘ব্লু এরিয়া’ হয়ে ডি-চকের দিকে অগ্রসর হয়। ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো, যেমন পার্লামেন্ট, সুপ্রিম কোর্ট এবং সচিবালয়ের বাইরে সৈন্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়।

    বিক্ষোভ চলতে কতদিন

    পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেছেন, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তারপরও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রতি ‘সংযম’ দেখাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি বিক্ষোভকারীরা সীমা অতিক্রম করে, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি চালানোর অনুমতি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, কারফিউ জারি করা বা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার মতো অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের ফেডারেল রাজধানী ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দেশটির সংবিধানের ২৪৫ অনুচ্ছেদের আওতায় রাজধানীতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীর এক সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীকে অনুচ্ছেদ ২৪৫-এর আওতায় মাঠে নামানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অস্থিতিশীলতা এবং সশস্ত্র হামলাকারীদের শক্ত হাতে দমন করা হয়। এ ছাড়া, ‘দেখামাত্র গুলি’ করার নির্দেশও জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকভি বলেন, রেঞ্জারসরা (আধাসামরিক বাহিনী) গুলি চালাতে পারে এবং তাদের অনুমতি দেওয়া হলে—পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কোনো বিক্ষোভকারীই (ইসলামাবাদে) থাকবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে কেউ এখানে (ডি-চকে) পৌঁছাবে, তাকেই গ্রেফতার করা হবে।

    এদিকে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এই বিক্ষোভ মিছিলকে শান্তিপূর্ণ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে, সরকার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করছে এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। পিটিআই জানিয়েছে, প্রায় দুই ডজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন।

    বিগত কয়েকদিনে, বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে সরকার। পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ইমরান খানের হাজার হাজার সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাতে বিক্ষোভ মিছিল রোধ করা যায়। এই সংখ্যাটি প্রায় ৪ হাজার।

    অপরদিকে সম্ভাব্য সব ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ইসলামাবাদ ও নিকটবর্তী রাওয়ালপিন্ডির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কেবল তাই নয়, রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সব ধরনের আন্তঃনগর গণপরিবহন ও টার্মিনাল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    পিটিআইয়ের জ্যেষ্ঠ নেতা কামরান বঙ্গাশ বলেছেন, বিক্ষোভকারীরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং আমরা ইসলামাবাদে পৌঁছাবই। তিনি আরও বলেন, আমরা একে একে সব বাধা অতিক্রম করব।

     

  • ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনের ফল পাল্টানোর মামলা বাতিল

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনের ফল পাল্টানোর মামলা বাতিল

    আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন দেশের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন, তখন তার বিরুদ্ধে কোনো ফেডেরাল ফৌজদারি অভিযোগ থাকবে না।

    ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসট্রিক্ট জাজ তানিয়া চুটকান ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল বেআইনিভাবে পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ সোমবার (২৫ নভেম্বর) দ্রুত বাতিল করে দেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল কাউন্সেল জ্যাক স্মিথ আদালতে পেশ করা এক ফাইলিং-এ স্বীকার করেন, জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট বা বিচার মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘস্থায়ী রীতি অনুযায়ী তারা ক্ষমতাসীন কোন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করে না।

    আদালতে আরেকটি ফাইলিং-এ স্মিথ একটি অপেক্ষামান আপিল থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলার জন্য আটলান্টার আপিল আদালতকে অনুরোধ করেন।

    ট্রাম্প ২০২১ সালে তার মেয়াদ শেষে হোয়াইট হাউস থেকে যাবার পর তিনি শত শত রাষ্ট্রীয় গোপনীয় দলিল ফ্লোরিডায় তার বাসভবনে জড়ো করে রেখেছিলেন বলে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেই মামালা ফ্লোরিডার এক বিচারক বাতিল করেছিলেন। স্মিথ সেই মামলা পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে আপিল করেছিলেন।

    প্রসিকিউটর বলেন, দুটি মামলার গুনগত মান এবং ন্যায্যতা নিয়ে তার কোনো সন্দেহ নেই, যদিও তিনি বলছেন অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে।

    ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে ঘোষণা দেন, ‘আমাকে অন্য যেসব মামলার মুখোমুখি হতে বাধ্য করা হয়েছে, সেগুলুর মত এই মামলাগুলোও বেআইনি এবং শূন্য, এগুলো কখনোই আদালতে আনা উচিত ছিল না’।

    তিনি বলেন, করদাতাদের ১০ কোটি ডলার নষ্ট করা হয়েছে ডেমোক্র্যাট পার্টির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং আমার বিরুদ্ধে লড়াই-এর জন্য। এটা ছিল একটি রাজনৈতিক ছিনতাই, এবং আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময়, তারপরও আমি টিকে আছি শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও, এবং জিতেছি।

    নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প অঙ্গীকার করেছিলেন, তিনি যদি জয়ী হন, তাহলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ‘দু সেকেন্ডের মধ্যেই’ জ্যাক স্মিথকে বরখাস্ত করবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের আগেই স্মিথ জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট থেকে চলে যাবার পরিকল্পনা করছিলেন।

    ওয়াশিংটনের মামলায়, রিপাবলিকান দলের প্রার্থী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফলে যখন দেখা যায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন তাকে পরাজিত করেছে, তখন তিনি রাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ দিয়েছিলেন ফলাফল পাল্টে দিতে।

    প্রসিকিউটররা জাজ চুটকানকে অনুরোধ করেন মামলা ‘উইদাউট প্রেজুডিস’ বাতিল করতে, যার ফলে ২০২৯ সালে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হবার পর অভিযোগগুলো তার বিরুদ্ধে পুনর্জীবিত করার রাস্তা খোলা থাকবে।

    ট্রাম্পের বড় আইনগত বিজয়

    এর আগে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মামলা পরিচালনাকারি স্পেশাল কাউন্সেল জ্যাক স্মিথ-এর পক্ষে কাজ করা প্রসিকিউটরদের এই পদক্ষেপ রিপাবলিকান দলের নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের জন্য বড় এক আইনগত বিজয়। ট্রাম্প ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়লাভ করেন এবং ২০ জানুয়ারি তিনি ক্ষমতা গ্রহণ করবেন।

    জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের যে নীতির কথা প্রসিকিউটররা বলেছেন, সেটা ১৯৭০-এর দশক থেকে অনুসরণ করা হচ্ছে। এই নীতির সারমর্ম হচ্ছে, একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে বিচারের মুখে দাঁড় করালে তা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লঙ্ঘন করা হবে, কারণ এর ফলে তিনি দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

    নির্বাচন বানচাল করার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা তুলে নেওয়ার অনুরোধে প্রসিকিউটররা বলেন, ডিপার্টমেন্টের নীতি অনুযায়ী, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার আগেই মামলা বাতিল করতে হবে।

    প্রসিকিউটররা মামলা বাতিলের অনুরোধ করে ফাইলে লেখেন, এই ফলাফল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে আনা মামলার গুনগত মান বা মামলার ন্যায্যতার ওপর ভিত্তি করে হয়নি।

    গোপনীয় দলিল মামলা

    একইভাবে, স্মিথের দফতর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মেয়াদ শেষ হবার পর বেআইনিভাবে গোপনীয় দলিল রেখে দেওয়ার মামলা পুনরায় চালু করার প্রচেষ্টার সমাপ্তি টানার পদক্ষেপ নিয়েছে।

    তবে প্রসিকিউটররা ইঙ্গিত দেন, তারা একটি ফেডেরাল আপিল কোর্টে অনুরোধ করবে, গোপনীয় দলিল নিয়ে তদন্ত বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে ট্রাম্পের দুজন সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা ফিরিয়ে আনার জন্য।

    ট্রাম্পের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এটাকে আইনের শাসনের জন্য বিরাট বিজয় বলে বর্ণনা করেন।

    ট্রাম্প চারটি ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছিলেন – স্মিথের দায়ের করা দুটো মামলা, এবং নিউ ইয়র্ক আর জর্জিয়ার রাজ্য আদালতে দায়ের করা দুটো মামলা। নিউইয়র্ক মামলায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন আর জর্জিয়ার মামলাটা ঝুলে আছে।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক মন্তব্যে ট্রাম্প সোমবার তার বিরুদ্ধে আনা মামলার তীব্র নিন্দা করে মামলাগুলোকে আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ সময় বলে বর্ণনা করেন।

    স্মিথকে ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনেরাল মেরিক গারল্যান্ড নিয়োগ করেছিলেন। স্পেশাল কাউন্সেল হিসেবে স্মিথ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলায় অভিযোগ গঠন করেন যেখানে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলার অভিযোগ আনেন। স্মিথের এই পদক্ষেপ তাই একটি অসাধারণ পথ-বদল।

    নজিরবিহীন বিব্রতকর পরিস্থিতি

    প্রসিকিউটররা স্বীকার করেন, চলমান ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি একজন প্রেসিডেন্টের নির্বাচন জাস্টিস ডিপার্টমেন্টেকে নজিরবিহীন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

    এখানে দেখা যাচ্ছে, ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের বিরুদ্ধে নির্বাচনে ট্রাম্পের বিজয় শুধু রাজনৈতিক জয় ছিল না, তা একটি আইনগত বিজয়ও ছিল।

    ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে তার পরাজয়ের পর ট্রাম্প ভোট সংগ্রহ এবং সার্টিফাই করার প্রক্রিয়া ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে আনা চারটি ফেডেরাল অভিযোগ তিনি ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে অস্বীকার করেন।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প আবার জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের উপর তদারকি করবেন এবং ধারণা করা হচ্ছিল তিনি ২০২০ নির্বাচন সংক্রান্ত ফেডেরাল মামলা তুলে নেওয়ার আদেশ দেবেন।

    গোপনীয় দলিল সংক্রান্ত মামলা ফ্লোরিডার বিচারক আইলিন ক্যানন জুলাই মাসে বাতিল করেছিলেন। স্মিথ-এর দফতর জাজ ক্যাননের রুলিং-এর বিরুদ্ধে আপিল করে। তারা সোমবার ইঙ্গিত দেয় যে আপিলের যে অংশ ট্রাম্পের দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে প্রযোজ্য, সেগুলো তারা চালিয়ে যাবেন।

    গত জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এক রায় দেয়, হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন তারা কাজ সংক্রান্ত যে সিদ্ধান্ত নেয়, সেগুলোর জন্য প্রেসিডেন্টের দায় মুক্তি আছে।

    ট্রাম্পের আইনজীবীরা আগে বলেছিলেন, তারা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভিত্তিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বাতিল করার চেষ্টা করবেন।

    তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে

  • কেন বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে দ্রুত ফিরতে বলছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো?

    কেন বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে দ্রুত ফিরতে বলছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের আগেই বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদেরকে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

    সম্প্রতি ইমেল বার্তার মাধ্যমে তাদেরকে বিষয়টি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প জয়লাভের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীদের মধ্যে এমনিতেই দিন দিন উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যে আবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হঠাৎ এমন সতর্কবার্তায় অনেকে রীতিমত চিন্তায় পড়ে গেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো ডেনভারের অধ্যাপক ক্লোই ইস্ট ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে জানিয়েছেন, ‘বিদেশি সব শিক্ষার্থীরা এখন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে’।

    রিপাবলিকান পার্টির নেতা ট্রাম্প এবার ক্ষমতায় বসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ কাজে সহযোগিতার জন্য প্রয়োজনে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    এই অভিযানের ফলে যারা বেকায়দায় পড়তে পারেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

    অভিবাসী ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করা ‘হায়ার এড ইমিগ্রেশন পোর্টালে’র তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনথিভুক্ত বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বর্তমানে চার লাখেরও বেশি।

    যদিও ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনে কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়ে বলছেন, অনথিভুক্ত অভিবাসীদের রাখার জন্য তারা বড় ধরনের আবাসনের ব্যবস্থা করবেন।

    ট্রাম্পের হবু প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরামর্শ দিয়েছেন যে তারা নির্বাসনের তালিকায় অনথিভুক্ত অভিবাসীদের জন্য বিশাল হোল্ডিং সুবিধা তৈরি করবে।

    অভিজ্ঞ অভিবাসন কর্মকর্তা ও ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ‘সীমান্ত জার’ টম হোম্যান বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ভয়ঙ্কর অপরাধী ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি- এমন মানুষজনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়নের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিবেন।

    সে হিসেবে শিক্ষার্থীদের খুব একটা ভয় পাওয়ার কথা না বলা হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েই গেছে।

    অধ্যাপক ইস্ট বলছেন, অভিবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তার ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখন ভীষণ চাপে রয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন, ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি পাবেন কি না, সেটি নিয়েও এখন অনেক শিক্ষার্থী চিন্তায় রয়েছেন।

    নব নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা নিবেন। ফলে তার আগেই নিজেদের বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের শীতকালীন ছুটি কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলো বলছেন, ২০১৬ সালে প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার অভিজ্ঞতার থেকেই অফিস অব গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স সতর্কতা হিসেবে এই পরামর্শটি দিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ২০১৭ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউজ থেকে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন, যেখানে বেশ কয়েকটি মুসলিম প্রধান দেশ ছাড়াও উত্তর কোরিয়া ও ভেনেজুয়েলার নাগরিকদেরকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

    প্রথম দফায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনকালে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু কঠোর নিয়ম চালু করার প্রস্তাব করেছিলেন রিপাবলিকান এই নেতা।

    ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটসের মতো ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি এবং ওয়েসলিয়ান ইউনিভার্সিটিও তাদের বিদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ২০ জানুয়ারির আগে ক্যাম্পাসে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

    অন্যদিকে, ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে একটি ওয়েবিনার পর্যন্ত আয়োজন করতে দেখা গেছে, যেখানে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

    কঠোর অভিবাসন নীতির মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে চালু হওয়া একটি কর্মসূচির ইতি টানতে চাচ্ছেন, যে কর্মসূচিটি শিশু হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা প্রায় পাঁচ লাখ মানুষকে এতদিন সুরক্ষা দিয়ে আসছিলো।

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা এখন তাদের পড়াশোনা ও একাডেমিক কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত রয়েছেন, তাদেরই একজন হলেন ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের আর্লহাম কলেজে অধ্যয়নরত জাপানি নাগরিক অই মায়েদা।

    অই মায়েদা বলেন, ২০২৬ সালের মে মাসে আমার স্নাতক পাস করার কথা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে, আমাদের জন্য মার্কিন প্রশাসন একটু বেশিই বিপজ্জনক হতে চলেছে। পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়ে সামনে ভালো কিছু হওয়ার বিষয়ে আমি খুব একটা আশাবাদী না।

    তিনি আরও বলেন, (ট্রাম্প) বলেছেন যে, তিনি শুধুমাত্র অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান, কিন্তু বেশ কয়েকবার তাকে এর বাইরেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচেষ্টা চালাতে দেখা গেছে। কাজেই আমি মনে করি, তার এই সিদ্ধান্তের ফলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসায় প্রভাব পড়তে পারে, যার ফলে তাদেরকে নিজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেওয়াও বেশ সহজ হয়ে যাবে।

  • উত্তাল পাকিস্তান, শান্ত থাকার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

    উত্তাল পাকিস্তান, শান্ত থাকার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

    পাকিস্তানে পিটিআই সমর্থকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান সরকারের প্রতি মানবাধিকার রক্ষার পাশাপাশি সংবিধান মেনে চলারও তাগিদ দিয়েছে ওয়াশিংটন। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের

    সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, আমরা পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার আহ্বান জানাই এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাদের সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের পরামর্শ দেই।

    একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের শান্তিপূর্ণ উপায়ে তাদের দাবি জানাতে এবং সহিংসতা পরিহারের আহ্বান জানান এ মার্কিন কর্মকর্তা।

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে গত ২৪ নভেম্বর থেকে বিক্ষোভ করছেন তার সমর্থকরা। সোমবার রাতে পিটিআই এর বিক্ষোভ মিছিল ইসলামাবাদে প্রবেশ করলে শ্রীনগর হাইওয়েতে একটি গাড়ির আঘাতে চার রেঞ্জার্স ও দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন।

    ওই বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্দাপুর। তার নেতৃত্বে খাইবার পাখতুনখোয়া, হাজারা, ডিআই খান এবং বেলুচিস্তান থেকে আসা মিছিল একত্রিত হয়ে ইসলামাবাদের হাকলা ইন্টারচেঞ্জে প্রবেশ করে। বিক্ষোভে যোগ দেন পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার স্ত্রী বুশরা বিবি এবং দলের শীর্ষ নেতারাও।

    তবে বিক্ষোভ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানি রাজধানীতে প্রবেশের পথে একাধিক স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ঠেকানোর চেষ্টা করে।

    তবে গাড়ির ধাক্কায় একাধিক নিরাপত্তাকর্মী নিহত হওয়ার পরপরই ইসলামাবাদে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে ‘শুট-অ্যাট-সাইট’ (দেখামাত্র গুলি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

    এ অবস্থায় পিটিআই’কে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম না করতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। তবে ইসলামাবাদে সমাবেশের বিষয়ে এখনো অনড় ইমরান সমর্থকরা। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ডি-চক পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বুশরা বিবি।

    এর আগে এক দফা আলোচনায় বসেছিলেন সরকার ও পিটিআই প্রতিনিধিরা। এতে সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন আমির মুকাম, আয়াজ সাদিক ও মোহসিন নকভি। পিটিআইর পক্ষে ছিলেন আসাদ কায়সার, শিবলী ফারাজ ও ব্যারিস্টার গওহর। তবে আলোচনা থেকে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানানো হয়েছে।