Category: বিশ্ব

  • মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি নিহত

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি নিহত

    ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) জনসংযোগ বিভাগ সোমবার (৬ এপ্রিল) জানিয়েছে যে আইআরজিসি’র গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি মার্কিন ও ইসরাইলি হামলায় ভোরে নিহত হয়েছেন। বিবৃতিতে তাকে শহীদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    আইআরজিসি বলেছে, মজিদ খাদেমি প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে বিপ্লব, দেশ ও ইসলামী মাতৃভূমির নিরাপত্তা রক্ষায় নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। বিবৃতিতে তার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী, গুরুত্বপূর্ণ এবং শিক্ষণীয় অবদানের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    সংস্থাটি আরও উল্লেখ করেছে যে খাদেমির কৃতিত্ব দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর কাছে বহু বছর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে কৌশলগত স্তরে বিদেশি প্রতিপক্ষদের মোকাবিলা এবং তাদের অনুপ্রবেশ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির ‘অশুভ ও কুটিল’ ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ক্ষেত্রে। আইআরজিসি তার ঘোষণায় হামলাকারীদের ‘মার্কিন-জায়নিস্ট শত্রু’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে — শনাক্ত করা ঘটনাসমূহের পর — যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎপরিসরের হামলা শুরু করে বলে আইআরজিসি দাবি করেছে। এই হামলায় দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা নিশানা হয়ে ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে, এমনটাই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    যার জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে অধিকৃত ভূখণ্ড ও আঞ্চলিক ঘাঁটিতে মার্কিন ও ইসরাইলি অবস্থানগুলোর দিকে পাল্টা অভিযান চালিয়েছে, জানিয়েছে সংস্থাটি।

    এই প্রতিবেদনটিকে উৎস হিসেবে তাসনিম নিউজ এজেন্সির বিবৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।

  • ‘ইরান ধ্বংস’ হুমকির পরই সুর পাল্টে চুক্তির আশা জানালেন ট্রাম্প

    ‘ইরান ধ্বংস’ হুমকির পরই সুর পাল্টে চুক্তির আশা জানালেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প রোববার (৫ এপ্রিল) ট্রুথ সোশালে ইরান ধ্বংস করার হুমকি দেওয়ার পরও পরক্ষণেই সুর পালেটেছেন এবং সোমবার (৬ এপ্রিল) তার সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন।

    ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে এবং দ্রুতই—সম্ভবত সোমবারের মধ্যে—একটি চুক্তি দেখা যেতে পারে। একইদিনে ট্রুথ সোশালে তিনি তেহরানকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। ওই পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘মঙ্গলবার ইরানের জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের দিন হবে, সব কিছু গুড়িয়ে দেওয়া হবে… আল্লাহর কাছে দোয়া করো।’

    তবে তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা শুরু করেনি এবং এসব দাবি অস্বীকার করেছে।

    পটভূমি হিসেবে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হানায় উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে এবং এর জবাবে ইরানও প্রতিহতভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে। তেহরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বিদেশি শক্তি ও তাদের মিত্রদের জন্য সীমিত বা বন্ধ করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিয়ছে, যা বিশ্বের জ্বালানি তেল বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। ফলত ওই জলপথ পুনরায় খোলার বিষয়ে চাপ বাড়ায় ট্রাম্পের দ্রুত ফলাফল দাবি করা।

  • পাইলট উদ্ধারে গিয়ে আরও একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: আইআরজিসি দাবি

    পাইলট উদ্ধারে গিয়ে আরও একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: আইআরজিসি দাবি

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এই দাবির খবর প্রকাশ করেছে ফার্স নিউজ এজেন্সি এবং তা অনাদোলু, রয়টার্স ও আল-জাজিরা রিপোর্টেও তুলে ধরা হয়েছে।

    আইআরজিএসসি বলছে, গত ৩ এপ্রিল ইরানে ভূপাতিত হওয়া এক এফ-১৫ জেটের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে পাঠানো হয়েছিল একটি মার্কিন সি-১৩০ বিমান। উদ্ধার অভিযানে যুক্ত এই ওই সি-১৩০ যুদ্ধবিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে ফার্স নিউজ জানিয়েছে।

    ঘটনাস্থল হিসেবে বলা হচ্ছে ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চল, যেখানে ওই পাইলটের সন্ধানে বিমানটি কাজ করছিল। সংবাদ সংস্থা একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেটিতে একটি মাঠ থেকে ঘন ধোঁয়া ওঠার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

    আইআরজিসি এই হামলাকে ব্যাখ্যা করে বলেছেন, এটি ছিল ‘‘একটি বিশাল পরাজয় ঢাকিয়ে দেয়ার জন্য ট্রাম্পের মরিয়া চেষ্টা’’—এমনভাবে তারা ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

    এই খবরটি আসে ঠিক তখন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে নিখোঁজ ক্রু সদস্যদের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এর আগে ৩ এপ্রিলই নিখোঁজ পাইলটদের উদ্ধারে গেলে আইআরজিসির হামলায় একটি মার্কিন এ-১০ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয় এবং একই সময় দুইটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারও মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল বলে রিপোর্ট করা হয়েছিল।

    দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি এবং সেগুলো নিয়ে міжнарод সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিবেদনে বিভিন্ন সূত্রের ওপর নির্ভর করেছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অনিশ্চিতই বলা যেতে পারে।

  • ট্রাম্প দাবি: ভূপাতিত এফ-১৫ই’র নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে

    ট্রাম্প দাবি: ভূপাতিত এফ-১৫ই’র নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন যে ইরানে ভূপাতিত এফ-১৫ই বিমানটির নিখোঁজ দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উদ্ধার করেছে। ট্রাম্পের এই দাবি তুলে ধরেছে সিএনএন ও আল-জাজিরা।

    ট্রাম্পের পোস্টে বলা হয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই ক্রুকে নিরাপদে বের করে আনা হয়েছে এবং তিনি সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন। একই সময় ট্রাম্প আরও বলেছেন, এটি মিলিটারি ইতিহাসে বিরল—শত্রুপ্রবল এলাকায় একই সময়ে আলাদা দুটি উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুটি পাইলটকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই দাবি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা হয়নি।

    এর আগে বিমান ধ্বংস হওয়ার পর প্রথম ক্রু সদস্যকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়; তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন। আল-জাজিরা রোববার সকালে জানিয়েছিল যে ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা দ্বিতীয় পাইলট উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন, কিন্তু পরে ওই সূত্র জানায় যে তাকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি।

    আল-জাজিরার উদ্ধৃত সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাতে নিখোঁজ ক্রু অবস্থান শনাক্তের পরে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়, কিন্তু তাতে বাধা পড়ে এবং সেখানে এখনো লড়াই চলায় ক্রুকে ইরান থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো ব্যক্তিরাও ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।

    বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি অস্থির এবং বিবরণগুলো কিছু ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সূত্রে ভিন্নভাবে এসেছে। সূত্রগুলো বলছে বিমানটি ইরানে ভূপাতিত হয়েছিল এবং ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ওই এলাকায় হামলা চালায়, যাতে কিছু প্রাণহানি হয়েছে—যার বিবরণও মিশ্র।

    উভয়পক্ষই ওই ক্রুকে খুঁজে বের করতে অভিযান করে চলছে; ইরানও স্থানীয় নাগরিকদের সহায়তায় খোঁজাখুঁজি করার আহ্বান জানিয়েছিল। পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল; অফিসিয়াল ও স্বাধীন সূত্র থেকে আরও নিশ্চিত তথ্য এলে সে অনুযায়ী আপডেট দেওয়া হবে।

  • পাইলট উদ্ধার অভিযানে যাওয়ার সময় আরেকটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: ইরানের দাবি

    পাইলট উদ্ধার অভিযানে যাওয়ার সময় আরেকটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: ইরানের দাবি

    ইরান তার বিপুল প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধার করতে গিয়ে একটি আরও মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। এই দাবি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম—আনাদোলু, রয়টার্স ও আল-জাজিরা—আইআরজিসি উদ্ধৃত করে প্রতিবেদন করেছে, কিন্তু এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    আইআরজিসি ও ফার্স নিউজের বরাতে বলা হয়েছে, গত ৩ এপ্রিল ইরানে একটি এফ-১৫ই জেট ভূপাতিত হওয়ার পর উদ্ধার কাজে নিয়োজিত একটি সি-১৩০ মডেলের আমেরিকান বিমানকে ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চলে টার্গেট করে ধ্বংস করা হয়েছে। ফার্স নিউজ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ওই ঘটনার একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে মাঠ থেকে ঘন ধোঁয়া তোড়ে উঠছে।

    সংবাদে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় উপস্থিত ছিল ইরানের একটি চৌকষ পুলিশবাহিনী কমান্ডো ইউনিট যা অভিযানে অংশ নেয়। আইআরজিসি ঘটনাটিকে ব্যাখ্যা করে এটিকে ‘একটি বিশাল পরাজয় ঢাকতে ট্রাম্পের মরিয়া প্রচেষ্টা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

    এদিকে, একই মামলা পরিমন্ডলে আইআরজিসি আরও জানায় যে, আগে ৩ এপ্রিল নিকটবর্তী এক উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে একটি মার্কিন এ-১০ বিমানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে এবং দুটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারও মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।

    এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার সময় মার্কিন পক্ষ থেকে এসব দাবির সম্পর্কে স্বতন্ত্র মন্তব্য পাওয়া যায়নি; অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যে দাবি করেছেন যে নিখোঁজ ক্রুর একজন সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনা ও দাবিগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে নিরপেক্ষ তথ্য সংগ্রহ চলছে।

  • ট্রাম্প: ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে ইরানের ওপর ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে

    ট্রাম্প: ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে ইরানের ওপর ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) নিজের সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে তিনি লিখেছেন, তিনি ইরানকে চুক্তি করার বা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দিয়েছিলেন; এখন সেই সময় শেষের দিকে এসেছে—আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি। ট্রাম্প লিখেছেন, এই সময়ের মধ্যে ইরান যদি তা না করে, তবে তাদের ওপর ‘জাহান্নাম নেমে আসবে’।

    পটভূমি: বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ সিংহদ্বার দিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে ওই প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে থাকার কথা জানিয়েছে ইরান। তেহরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ তাদের নৌবাহিনীর ‘‘দৃঢ় ও কর্তৃত্বপূর্ণ’’ হাতে আছে এবং এটি ‘‘শত্রুদের জন্য’’ বন্ধ রাখা হবে। এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর রফতানি ঝুঁকির মুখে পড়ায় এবং বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    ট্রাম্প গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একের পর এক ডেডলাইন দিয়েছেন। ২১ মার্চ তিনি বলেছিলেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ খুলে না দেয় তবে তিনি দেশটির বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা নিশ্ছিদ্রভাবে ধ্বংস করবেন। দুই দিন পর, ২৩ মার্চ, তিনি কণ্ঠ কিছুটা নরম করে জানান যে দুই দেশের মধ্যে ‘‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’’ হয়েছে এবং তিনি জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনো হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখেন। পরে ২৭ মার্চ ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানের অনুরোধে সময় বাড়িয়েছিলেন যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে পারে—এমনকি দাবি করেছেন, তেহরান সময় পাচ্ছে বলে তারা আরও সময় চেয়েছিল। ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি ৭ দিনের বদলে ১০ দিন সময় দিয়েছেন এবং সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে ৬ এপ্রিল।

    ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ট্রাম্প আরও বলেন, তেহরানের কর্তৃপক্ষ ভদ্রভাবে আরও সময় চেয়ে যোগাযোগ করেছে; ‘‘তারা বলেছে, ‘আমরা কি একটু বেশি সময় পেতে পারি?’ কারণ সময়টা খুবই কম ছিল। যদি তারা প্রয়োজনীয় কাজ না করে, আমি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেব।’’’ এদিকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের ভঙ্গ এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

    তবে ট্রাম্পের অতিক্রমী ডেডলাইন ইরানকে ঘাবড়িয়েছে বলে প্রতীয়মান নয়—তেহরান কড়া অবস্থান বজায় রেখেছে। হরমুজের পাশাপাশি ইরান মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব-এল-মানদেব নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, যা আরব উপদ্বীপের দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত এবং বিশ্বব্যাপী কনটেইনার পরিবহনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই পথ দিয়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ওই আকস্মিকভাবে ব্লক হতে পারে এমন ঝুঁকি তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ বাব-এল-মানদেব প্রণালীর গুরুত্বের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘বিশ্বের কত শতাংশ তেল, এলএনজি, গম, চাল ও সার এই প্রণালী দিয়ে যায়?’’—এই প্রশ্নের মধ্যেই প্রকাশ পায় যে আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইন কতটা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং হরমুজ প্রণালী-সহ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথে কণ্ঠস্বর লড়াই চলায় বিশ্ব জ্বালানি ও বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা বজায় আছে।

  • ইসফাহানে ইরান ভূপাতিত করেছে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন

    ইসফাহানে ইরান ভূপাতিত করেছে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন

    ইরান জানিয়েছে, সে দেশের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) শনিবার ৪ এপ্রিল ইসফাহানে মার্কিন এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ফার্স সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে। খবর অনুযায়ী ওই ড্রোনটি উন্নত নজরদারি ও আকাশ প্রযুক্তি সংবলিত ছিল।

    ঘটনাটি এক সপ্তাহব্যাপী উত্তেজনার নতুন সংযোজন। এর আগে শুক্রবার দক্ষিণপূর্ব ইরানে ইরানি বাহিনী একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি জানিয়েছিল; খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা। একই দিনে হরমুজ প্রণালীতে একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করা হয় বলে জানানো হয়।

    শুক্রবারই এক এফ-১৫ই বিমানের ক্রুর মধ্যে একজনকে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বলে জানানো হয়েছে। অপরদিকে এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানকে ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে আনতে পারলেও, পরে তিনি হরমুজ প্রণালীর কাছে পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হন। ওই পাইলট পরে উপসাগরীয় কোনো আরব দেশে পৌঁছে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    তবে এফ-১৫ওয়ার একজন পাইলট এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা ইরানে ঢুকেছে বলে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে; স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে তারা দেশটিতে ঢোকেন।

    উদ্ধার অভিযান চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারকে লক্ষ্য করে ইরানের পুলিশ গুলি ছোড়ে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে। এক হেলিকপ্টারের লেজের অংশে আগুন ধরে যায় এবং সেখানে থেকে ধোঁয়া বের হয়; তারপরও ওই হেলিকপ্টার ইরানের আকাশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    ইরানি বাহিনীও নিখোঁজ ক্রুকে ধরতে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান মেলেনি। এ নিয়ে দুইপক্ষের দাবি ও প্রতিশপদি কার্যক্রম চলছে এবং বিষয়গুলো নিয়ে অনিষ্পন্ন তথ্য রয়েছে। পরবর্তীতে উদ্ধারের অগ্রগতি বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কোনো নতুন তথ্য প্রকাশ পেলে তা নিশ্চিতভাবে জানানো হবে।

  • দাবি: ইরানের কাছে পৌঁছেছে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ আইসিবিএম

    দাবি: ইরানের কাছে পৌঁছেছে উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ আইসিবিএম

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের সামরিক ভারসাম্য বদলে দেওয়ার মতো একটি দাবি সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উঠে এসেছে — উত্তর কোরিয়ার তৈরি হোয়াসং-১৮ ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে বলা হচ্ছে। সূত্রগুলো এই খবরটি গোপনে ও ধীরে ধীরে এসে পৌঁছানোর কথাও বলছে, যা অনেকে নজিরবিহীন মনে করছেন।

    রিপোর্টে বলা হচ্ছে, গত ১৪ মাস ধরে উত্তর কোরিয়া থেকে ইরানে এই ধরনের মিসাইল হস্তান্তর চালানো হয়েছিল এবং পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো—যেমন সিআইএ বা মোসাদ—এই কার্যক্রম সনাক্ত করতে পারেনি। কিভাবে এই চালানগুলি পৌঁছেছে সে বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য রুট হিসেবে চীনের ভূখণ্ড ও মধ্য এশিয়ার দুর্লভ পথ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং বিস্তারিত তথ্য এখনও সীমিত।

    সংবাদগুলোর একাংশে মিসাইলের পরিমাণ নিয়ে বিস্তর সংখ্যা ঘোরাফেরা করছে; তাদের মধ্যে কিছু সূত্র ৫০০টির মতো হস্তান্তরের কথা বললেও বিশ্বের বিদ্যমান আইসিবিএমের মোটসংখ্যা সম্পর্কিত হিসাব নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা যাচ্ছে। এসব সংখ্যা ও বিবরণ সম্পর্কে প্রতিটি সূত্রের নীতি ও বিশ্বাসযোগ্যতা আলাদা — ফলে পরিসংখ্যানগুলোর স্বতন্ত্র যাচাই প্রয়োজন।

    হোয়াসং-১৮ সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হিসেবে বলা হচ্ছে, এগুলো সলিড ফুয়েল চালিত এবং দীর্ঘ-পাল্লার লক্ষ্যভেদে সক্ষম। কয়েকটি হাইপোথেটিকাল বর্ণনায় উল্লেখ আছে যে এই ধরনের মিসাইলগুলো ইউরোপের রাজধানীগুলো ও মার্কিন মাটিও আঘাত করার পর্যাপ্ত পরিসরে পৌঁছতে সক্ষম। আরও বলা হচ্ছে, এগুলি নির্দিষ্ট ধরণের নেভিগেশনের ওপর নির্ভর করে — যেমন আকাশের নাক্ষত্রের অবস্থান ব্যবহার করে — যার ফলে সাধারণ রাডার বা জিপিএসকে কাজে লাগিয়ে শনাক্ত বা জ্যাম করা কঠিন হতে পারে। খবরগুলোতে এই মিসাইলগুলোর পরীক্ষিত নির্ভুলতা আনুমানিক ১০০-১৫০ মিটার ধরা হয়েছে। আবার এসব প্রযুক্তিগত বিবরণও স্বাধীন উৎসে যাচাই করা প্রয়োজন।

    সোমবারের একবারের খবর অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কউন্সিলের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে দ্রুত বৈঠকে বসে; একই সঙ্গে ইরানের এক কথিত বেসরকারি মুখপাত্র প্রফেসর মারণ্দি দাবি করেছেন যে মিসাইলগুলো ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা হয়েছে এবং এতে ইরানকে পাল্টা প্রত্যাঘাত সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে।

    পাঠককে জানানো প্রয়োজন যে, উপরোক্ত সব বিবরণ অধিকাংশই সংবাদ সূত্রে ‘দাবি’ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; স্বাধীন ও তত্ত্বাবধায়ক যাচাই ছাড়া এগুলোকে চূড়ান্তভাবে সত্য বলে ধরা যাবে না। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও গোয়েন্দা উৎসগুলো অতিরিক্ত ক্ল্যারিফিকেশন দিচ্ছে, এবং ভবিষ্যতে আরও উপাত্ত পাওয়া গেলে এই পরিস্থিতির প্রকৃত স্বরূপ স্পষ্ট হবে।

  • ইরান ভূপাতিত করল যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন

    ইরান ভূপাতিত করল যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন

    ইরান শুক্রবার-শনিবার সীমান্তে সংঘর্ষের মধ্যেই এবার ইস্ফাহানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি সূত্র। শনিবার (৪ এপ্রিল) ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড ড্রোনটি ধ্বংস করার কথা ফার্স সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

    খবর অনুযায়ী, এর আগের দিনই দক্ষিণপূর্ব ইরানে ইরানি বাহিনী একটি যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে — এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা। একই সময় হরমুজপ্রণালী এলাকায় আরেকটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু বিমানও ইরানের আক্রমণে পড়েছিল।

    এফ-১৫ই বিমানটির একজন ক্রুকে রাতের অভিযান চালিয়ে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করে বলে প্রকাশ্যে এসেছে। অন্যদিকে এ-১০ বিমানের পাইলট নিজের বিমানকে ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করতে সক্ষম হন; ওই বিমান পরে হরমুজ প্রণালীর কাছে পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়। এ-১০ পাইলট পরে এক উপসাগরীয় আরব দেশে পৌঁছে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    তবে এফ-১৫ বিমানটির আরেকজন পাইলট এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে ইরানে প্রবেশ করেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে দেশটিতে ঢোকে।

    রক্ষার প্রয়াস চলাকালীন ইরানি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মার্কিন ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারগুলোকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এক হেলিকপ্টারের লেজে আগুন ধরে ধোঁয়া ওঠে, তবে তা পরে ইরানি আকাশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারদল এবং ইরানি বাহিনী একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে; এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজ মিলেনি। পরিস্থিতি সম্পর্কে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় সূত্র থেকে তথ্য আসছে, তাই ঘটনার বিস্তারিত ও পুনরায় নিশ্চিতকরণ এখনও চলছে।

  • যুদ্ধবিমানের পরে ইরান ভূপাতিত করল মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন

    যুদ্ধবিমানের পরে ইরান ভূপাতিত করল মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন

    ইস্ফাহানে শনিবার (৪ এপ্রিল) ইরান একটি মার্কিন এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির ফার্স নিউজ। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড ওই ড্রোনটি ভূপাতিত করেছে।

    এর আগে শুক্রবার দক্ষিণপূর্ব ইরানের আকাশে একটি মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরানি বাহিনী, এমনটি জানিয়েছে আল-জাজিরা। একই দিন হরমুজ প্রণালী এলাকায় আরেকটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করা হয়।

    আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, এফ-১৫ই বিমানটিতে দুইজন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে একজনকে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়; আরেকজন এখনও নিখোঁজ। এ-১০ বিমানের পাইলট তার বিমানকে ইরানের আকাশসীমা থেকে বের করে নিতে সক্ষম হন, কিন্তু পরে হরমুজ প্রণালীর কাছে পারস্য উপসাগরে ওই বিমান বিধ্বস্ত হয়। ওই পাইলট পরে উপসাগরীয় আরব এক দেশে পৌঁছে চিকিৎসা নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    নিখোঁজ ক্রুকে খুঁজে বের করতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে ইরানে প্রবেশ করেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া মার্কিন ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারগুলোকে ইরানি পুলিশ লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ারও খবর পাওয়া যায়; এক হেলিকপ্টারের লেজে আগুন ধরে ধোঁয়া উঠলেও সেটি শেষপর্যন্ত ইরানের আকাশ থেকে পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়।

    যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকার্য চলাকালে ইরানি বাহিনীও ওই নিখোঁজ ক্রুকে ধরা বন্দোয়স্ত করার জন্য পাল্টা অভিযান চালিয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    এই ঘটনাগুলোয়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা সবচেয়ে তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং উত্তরোত্তরকালে পরিস্থিতি অস্থিরতার দিকে এগোচ্ছে। ঘটনা সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের দাবিদাওয়া চলছে, ফলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের নিশ্চিত তদন্তের দিকে আন্তর্জাতিক নজর আছে।