Category: বিনোদন

  • টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা!

    টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা!

    নেত্রকোনার সদর উপজেলার কাঠমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সালে একটি ভিডিও প্রত্যাহার করে তার জীবনে পরিবর্তন আনেন। সেই সময়ের সঙ্গে তার মজার মজার ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার পরিচিতি বাড়ে। এখন তিনি সম্পূর্ণভাবে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে উঠেছেন। কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ের নামে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে। নিজেই একথা জানিয়েছেন তিনি।

    রিপন মিয়া অভিযোগ করেন, তার ঘরে নারী সদস্য থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত অনুমতি না নিয়ে কিছু ব্যক্তি তার পরিবারকে ভিডিও করে। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি বলেন, আমি রিপন মিয়া। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনে ২০১৬ সাল থেকে এই কাজে থাকার সুযোগ পেয়েছি। এত দীর্ঘ সময়ে আমি কখনো কারও ক্ষতি করিনি। যে কেউ আমাকে ডেকেছেন, আমি সব সময় সাড়া দিয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে মানুষের ভালোবাসা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার পেজ হ্যাকের চেষ্টাসহ নানা আঘাত এসেছে। আজ, সোমবার, ঢাকার বেশ কয়েকজন টিভি সাংবাদিক আমার বাড়িতে এসে অনুসন্ধানমূলক কাজ করতে থাকেন। তবে তাদের কেউ অনুমতি না নিয়ে আমার পরিবারকে ভিডিও করে এবং ভেতরে ঢুকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন। এমনকি পরিবারের মহিলা সদস্য থাকলেও তাদের অনুমতি নেননি।

    রিপন বলেন, আমি কখনোই আমার পরিবারের ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে টাকা আয়ের অপচেষ্টা করিনি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট কোন টিভি চ্যানেলের নাম তিনি বলতে চায়নি, কারণ তার উদ্দেশ্য কখনো কারো ছোট করা নয়। তবে তাকে দুর্বল করে টাকা আয় করে তার পরিবারের খেয়াল রাখতে চাওয়া এই অসাধু কাজের জন্য অনেকে বিবেকহীনতা দেখাচ্ছেন।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজের বিবেকের প্রশ্ন করুন যে, এই পথ দিয়ে টাকা উপার্জন করে নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে যতটা পারছেন, সেটি কি ঠিক? সবশেষে তিনি সবাইকে ভাল থাকার আহ্বান জানান এবং দোয়া চান।

  • পাকিস্তানে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মুনিবা শাহকে গুলি করে হত্যা

    পাকিস্তানে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মুনিবা শাহকে গুলি করে হত্যা

    পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরে এক মঞ্চ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) গভীর রাতে রিং রোডের পাশে একটি রিকশার ওপর নেমে আসা অজ্ঞাত হামলাকারীরা তাঁর ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পেশোয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে এই ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা দ্রুত গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হন রিকশা চালকও, যার দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ফোরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বুলেটের খোলস ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। কর্তৃপক্ষ অভিযান চালাচ্ছে সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে এবং গ্রেফতার করতে।

    তদন্তকারীরা হামলার পেছনের কারণ বা উদ্দেশ্য জানার জন্য কাজ করছেন। এই মুহূর্তে পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো বা কি Motiv ছিল, তার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান।

  • ছবি শেয়ার করে কটাক্ষের শিকার শবনম ফারিয়া

    ছবি শেয়ার করে কটাক্ষের শিকার শবনম ফারিয়া

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। টেলিভিশন বিজ্ঞাপন দিয়ে মিডিয়া জগতে своপা পা রাখা এই তারকা ২০১৩ সালে ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি অনেক জনপ্রিয় নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করে দর্শকদের hearts জয় করেছেন।

    অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সক্রিয় এই তারকা। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ শেষে তিনি তার ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য বিভিন্ন ছবি শেয়ার করেন। তবে তার এই ছবি তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

    শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, শবনম ফারিয়া কালো রঙের টি-শার্ট আর ছোট প্যান্ট পরেছেন। হাসিমুখে ক্যামেরার জন্য পোজ দিয়েছেন তিনি, যা বেশ প্রশংসিত হলেও কিছু দর্শক তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

    মূলত, ছবিতে তাঁর পোশাক ও ব্যক্তিগত স্টাইল নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়। একজন লিখেছেন, ‘এটাই তার আসল রূপ, দেশে থাকলে হয়তো শুধু ভণ্ডামি করত।’ অন্য একজন বললেন, ‘আপা, আপনি তো হাফ প্যান্ট পরে আছেন।’ আবার দেবদাস নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এটাই তাদের প্রকৃত পরিচয়। এদের নষ্টামি দেখলে মনটা খারাপ হয়।’

    এই সব মন্তব্যের মধ্য দিয়ে দেখা গেছে, তার পোশাকের কারণে সামাজিক মেলোচনায় জড়িয়ে পড়েছেন শবনম ফারিয়া। তবে তিনি যেন এমন সমালোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কাজ ও স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যেতে চান।

  • পাঞ্জाबी গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা নিহত ঘটনায় শোক প্রকাশ

    পাঞ্জाबी গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা নিহত ঘটনায় শোক প্রকাশ

    প্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক রাজবীর জওয়ান্দা তার জীবনের ঝড়ঝামেলা পার করে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর হিমাচলপ্রদেশে একটি মারাত্মক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর থেকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছিল। বার্তাসংস্থা অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার শরীরে মাথা ও মেরুদণ্ডে জটিল চোট লাগে। হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল কারণ তার শারীরিক পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক ছিল। দ্রুতই সেবার সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ছিল তিনি। দুর্ঘটনার পরের দিন, তাকে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে জীবনধারন চালাচ্ছিলেন চিকিৎসকেরা।

  • হৃদরোগে মারা গেলেন সালমানের ‘টাইগার ৩’ অভিনেতা বরিন্দর সিং ঘুমান

    হৃদরোগে মারা গেলেন সালমানের ‘টাইগার ৩’ অভিনেতা বরিন্দর সিং ঘুমান

    বিনোদন জগতে আবারও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পাড়ি জমিয়েছেন পাঞ্জাবি অভিনেতা ও বডিবিল্ডার বরিন্দর সিং ঘুমান। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। অভিনেতার ভাইপো অমঞ্জত সিং ঘুমান এই দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    জনপ্রিয় অভিনেতা ও বডিবিল্ডার বরিন্দর সিং হঠাৎ কাঁধে ব্যথা অনুভব করে অমৃতসরের এক হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে তিনি সেসময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৪২ বছর।

    বরিন্দর সিং ‘টাইগার ৩’ সিনেমায় সালমান খানের সহ-অভিনেতা হিসেবে দেখা গিয়েছিল। এ ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বরিন্দর রোয়ার: টাইগার্স অফ সুন্দরবনস’, ‘মরজাওয়া’ ও ‘কাবাডি ওয়ান্স এগেইন’।

    ২০০৯ সালে তিনি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ খেতাব অর্জন করেন। এর পরে তিনি মিস্টার এশিয়া প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হিসেবে সাফল্য লাভ করেন।

    ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার্সের সংখ্যা প্রায় এক মিলিয়নের কাছাকাছি। তিনি ২০২৭ সালের পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরিকল্পনাও করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে প্রশান্তি প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

    পাঞ্জাবের রেল মন্ত্রীর প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু এক শোকবার্তায় বলেছেন, ‘পাঞ্জাবের গর্ব, ভারতের হেভেন বরিন্দর সিং ঘুমানের মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। কঠোর পরিশ্রম, শুদ্ধ জীবনাচার ও ফিটনেসের মাধ্যমে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তাঁর জীবনশৈলী তরুণ প্রজন্মের জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণার स्रोत হয়ে থাকবে।’

    কংগ্রেস সাংসদ ও সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখজিন্দর সিং রন্ধাওয়া বলেছেন, ‘পঞ্জাবের নামকরা এই বডিবিল্ডার ও অভিনেতার আকস্মিক মৃত্যু সত্যিই দুঃখজনক। কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও বহুমুখী প্রতিভার মাধ্যমে তিনি পঞ্জাবের গর্ব বজায় রেখেছিলেন। ওঁর আত্মা চিরশান্তি লাভ করুক। এই অপূরণীয় ক্ষতি মোকাবেলা করার জন্য তাঁর পরিবারের শক্তি দেবেন’।

  • হলিউড কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই

    হলিউড কিংবদন্তি অভিনেত্রী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই

    হলিউডের অন্যতম প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী সুসান কেন্ডাল নিউম্যান আর নেই। মঙ্গলবার ২ আগস্ট তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে নিশ্চিত করেছে পরিবারের পক্ষ থেকে। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতার কারণে তিনি এই হতাশাজনক পথ বেছে নেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।

    পরিবারের একটি বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুসান তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, উদার মনোভাব, পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তারা আরও জানিয়েছেন, আপনারা তাঁকে অনেক মিস করবেন। সুসান ছিলেন একজন প্রশংসিত অভিনেত্রী, এমি মনোনীত প্রযোজক এবং সমাজসেবক। পাশাপাশি তিনি কিংবদন্তি অভিনেতা পল নিউম্যান এবং তার প্রথম স্ত্রীর জ্যাকি উইটের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

    সুসানের কর্মজীবনের সূচনা ঘটে ১৯৭৫ সালে, জেরি অ্যাডলার পরিচালিত ব্রডওয়ে নাটক ‘We Interrupt This Program…’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে। এরপর ১৯৭৮ সালে রবার্ট জেমেকিসের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমা ‘I Wanna Hold Your Hand’-এ তিনি এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন।

    তিনি আরও বলিষ্ঠ উপস্থিতি দেখিয়েছেন নানা নাটক ও প্রযোজনায়। ১৯৮০ সালে তিনি ‘The Shadow Box’ নামে একটি প্রযোজনা নাটক তৈরি করেন, যা এবিসি থিয়েটারেও পরিবেশিত হয়। এই প্রযোজনাটি পরিচালনা করেছিলেন তাঁর বাবা পল নিউম্যান এবং এতে অভিনয় করেন তাঁর সৎ মা, অস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী জোয়ান উডওয়ার্ড।

    সুসান কেন্ডাল নিউম্যানের মৃত্যুতে বলিউড এবং হলিউডের অনেক তারকাই শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাকে একজন অসাধারণ প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব ও মানবতামূলক কাজের জন্য শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন। তার অকাল প্রয়াণ সেই শিল্পীসহ পরিবারের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

  • তানজিন তিশা ছাড়লেন কলকাতার সিনেমা

    তানজিন তিশা ছাড়লেন কলকাতার সিনেমা

    অভিনেত্রী তানজিন তিশা পর্দায় চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে পারদর্শী। তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। এবার তিনি ঢালিউডের মেগাস্টার শাকিব খানের আগামী সিনেমা ‘সোলজার’ এর মাধ্যমে বড় পর্দায় দেখা যাবে। তবে ভক্তদের জন্য দুঃখের সংবাদ রয়েছে—তিশা ভারতের টলিউডে আসন্ন সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’ থেকে বাদ পড়েছেন।

    এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করার কথা ছিল ‘থ্রি ইডিয়টস’খ্যাত অভিনেতা শরমন যোশির। এর আগে ‘ভালোবাসার মরশুম’ থেকে সরে দাঁড়ান অভিনেতা খায়রুল বাসার, পরে তার স্থান নেওয়া হয় ভারতীয় ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব রায়ের।

    তিশাকে এই ছবিতে হিয়া চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল। তবে তার পরিবর্তে এই চরিত্রে দেখা যাবে টলিউডের বিখ্যাত অভিনেত্রী সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি বলিউড ও টলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মনে নিজের জন্য স্থান তৈরি করেছেন।

    ‘ভালোবাসার মরশুম’ সিনেমায় সুস্মিতার বিপরীতে থাকবেন আবির। সিনেমাটিতে আবিরের চরিত্রে অভিনয় করবেন বলিউডের নায়ক শরমন জোশী, এবং তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পর্দায় দেখা যাবে। ছবির পরিচালনা করছেন এম এন রাজ, যিনি হিয়া-আবিরের মধ্যে চলমান সম্পর্কের গল্প তুলে ধরবেন।

    অন্যদিকে, তানজিন তিশার নতুন সিনেমা ‘সোলজার’ এর শুটিং ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে এ সিনেমার শুটিং চলছিল। ছবির পরিচালক লক্ষ্য করেছেন বছরের শেষে সিনেমাটির মুক্তি। গতকাল বুধবার ছবির ফার্স্ট ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে। তিশার ভক্তদের জন্য সুখবর হলো—তিনি শিগগিরই বড় পর্দায় দেখা যাবে ‘সোলজার’ সিনেমায়।

  • প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই: পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা গুঞ্জনের মধ্যেও তার স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে এসে তিনি নিজের সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা ব্যক্ত করেছেন। শুরুতে বিভিন্ন গুঞ্জন আর আলোচনা চললেও এখন তিনি নিজের মনোভাব পরিষ্কার করে বলেছেন, তার বন্ধু শেখ সাদী কোনও প্রেমিক নয়, বরং তিনি তাকে ছোট ভাইয়ের মতো মনে করেন।

    বছরের শুরুর দিকে শো বয়েজের গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে পরীমনি অনেক ঘনিষ্টতার খবর শোনা যায়। এমনকি একবার আদালতেও তাদের দেখা যায়, যেখানে শেখ সাদী পরীমনির জামিনদার ছিলেন। এরপর সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের রোমান্টিক ছবি ও পোস্ট দেখা যায়। তবে দুই তারকার প্রেমের সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি এবং এপ্রিলে খবর আসে, তারা আলাদা হয়ে গেছে।

    তবে এতদিন কেউই সরাসরি কিছু বলেননি। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নে পরীমনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘শেখ সাদী আমার প্রেমিক নয়, ও আমার ছোট ভাই।’ তিনি যোগ করে বলেন, ‘সে আমার ছোট ভাইয়ের মতো। আমি ওকে ছোট ভাই বলেই ডাকি।’

    অন্য এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছেন, ‘বিপদে পাশে থাকা মানুষটাই জীবনে আসলে আশীর্বাদ। আমি অনেক বিপদে প্রিয়জনের সাহচর্য পেয়েছি। এই সম্পর্কগুলো আমাকে মানসিকভাবে শক্তি দেয়।’

    শেখ সাদীও তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমি দীর্ঘদিন এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। পরীমনির অনেক গুণ রয়েছে। সে সত্যিই মানুষের পাশে থাকেন। আমি সবসময় তার সুখ-দুঃখের সঙ্গী হতে চাই।’

    প্রসঙ্গক্রমে, যখন প্রত্যেককে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘তুমি কি এখন সিঙ্গেল?’ পরীমনি হেসে উত্তর দেন, ‘না। আমাকে যদি কেউ বলে যে আমি সিঙ্গেল, আমি নিজের কথাও বিশ্বাস করতে পারি না। আমার মনে হয় প্রেমের মধ্যে থাকতেই ভালো’।

    বিয়ের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আমি একবার বিয়ে করেছি’। আর যখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছো, তাহলে অন্য বিয়ের কথা শুনে কি বলবে?’ পরীমনি হেসে বলেছিলেন, ‘ভালোই জানি না, ওরা হয়তো মনে করেন সৎস্বামী, যাদের সঙ্গে ডিভোর্স হয়নি।’

    এর আগে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জন খুবই আলোচিত হয়। শোবিজে তার পথচলার সঙ্গী হয়ে তিনি তখনই বিয়ের কথাও শোনা যায়, যা গত বছর এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যুতে আরও জোরালো হয়। এই প্রসঙ্গে, সঞ্চালক জানতে চান, ‘তুমি কি ওকে স্বামী বলো?’ উত্তরে পরীমনি বলেন, ‘হ্যাঁ, ও আমার সৎস্বামী ছিল।’

    এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ের পরিকল্পনা করো?’ পরীমনি হেসে বলেন, ‘আমার মনে হয়, ১২ বার বিয়ে করব! ছোটবেলা থেকেই বলতাম, এক ডজন বিয়ে করবো। তবে এখন মনে হয়, সে রুমারও বিশ্বাস ছিল না যে আমি এতো স্বপ্ন দেখছি। এখন আর আমি সেসব বলি না।’

    পরীমনি দীর্ঘ দশকের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন। তার অভিনয় যেমন জনপ্রিয়, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিবাহ এবং বিচ্ছেদের খবর নিয়েও তিনি বেশ আলোচনায় থাকেন। তার কারো সঙ্গে প্রেম, বিয়ের সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ—সবই হয়েছে নিয়মিত আলোচনার বিষয়। শরীফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে শুরু করে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে গুঞ্জন, সবই তার জীবনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি এসব সম্পর্কের ব্যাপারে স্পষ্টতা রেখে তার বক্তব্য ব্যক্ত করেছেন।

  • আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    আমি ব্যর্থ হয়েছি: অভিনেত্রী বাঁধন

    ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকে শুরু করে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। তিনি সরাসরি রাজপথে নেমেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একত্রীকরণ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন। তার এই সরব উপস্থিতি এখনো অব্যাহত রয়েছে, যেখানে তিনি সময়ের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। এবার তিনি নিজের একজন ব্যক্তিগত উপলব্ধি শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি জানালেন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

    আজ রোববার তিনি নিজের ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়েকে হতে চেয়েছিলাম, যে সবাইকে খুশি রাখতে পারে— যে অবাধ্য নয়, বাধ্যতামূলক, শান্তভাবে মানিয়ে নিয়ে চলতে পারে। কিন্তু আমি ব্যর্থ হয়েছি। আমি সেই মানুষটা হতে পারিনি, যেভাবে সবাই দেখতে চেয়েছিল। আমি সত্যিই চেষ্টা করেছি, সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করেছি। পরিবার ও সমাজের প্রত্যাশিত ‘নারী’ হওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি ব্যর্থ হলাম। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকে ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মই নেই। আমার কথা অনেকের কাছে অস্বস্তিকর, আমি যা বলি বা করি তা অনেকের সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে কঠোর নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি অশোভন আচরণ করে।

    বাঁধনের কথায়, চলতি মাসের শেষে তার জন্মদিন। তিনি ভাবছেন, এখন তিনি নিজেকে সুখি করে জীবন কাটাবেন— স্বচ্ছন্দে, সৎভাবে, কোনও ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন ছাড়া। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ আমার সঙ্গে অসন্তুষ্ট হন, কষ্ট পান বা আমাকে ভয় পান, ব্লক করে দেন বা ঘৃণ্য ভাবেন, তার জন্য আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যারা আমাকে যত না পছন্দ করে, তার চেয়েও অনেক বেশি মানুষ আমাকে ভালোবাসে, বুঝতে পারে, এবং আমার সত্যে শক্তি পায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমি নিজের প্রতি ভালোবাসি।’

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে আজও নারী হিসেবে আসল ভূমিকায় থাকতে ভয় পায়। আমি তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হতে চেয়ো, শেষ পর্যন্ত তুমি সেই নারীই হয়ে উঠেছেন।’

  • আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    আপনার লেখায় আমার ভালো লাগে না, শাওনের পোস্টের পর গুলতেকিনের মন্তব্য

    প্রয়াত খ্যাতিমান নাট্যকার ও লেখক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ এর এক অংশ নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। এই বইটি হুমায়ূন আহমেদ নিউইয়র্কে ক্যানসারে আক্রান্ত থাকার সময় লিখেছিলেন, যেখানে মানসিক অসুস্থতা ও বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও উঠে এসেছে।

    রোববার (৫ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে শাওন শেয়ার করেছেন, কিভাবে তাঁর স্বামী হুমায়ূন আহমেদের অসুস্থতার সময় এক ব্যক্তি ফেসবুকে বিদ্রূপমূলক মন্তব্য করেছিলেন। একজন কমেন্টারে লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে তোমাকে শিক্ষা দিলেন।’

    শাওন উল্লেখ করেছেন, কীভাবে সেই সময় তিনি দেখলেন তার স্বামী কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে অশ্রু অঁকুর ফেলছিলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী সমস্যা। স্বামী বললেন, মন খারাপ। তিনি তাঁর পাশে বসে সহযোগিতা করার চেষ্টা করলেন, কিন্তু হুমায়ূন বললেন, ‘আমি চাই না, তুমি আমার মন খারাপটা বুঝো।’ এরপর তিনি জানতে চান, কী লিখেছিল সেই ব্যক্তি। শাওন পড়লেন, সেখানেই ঘোষণা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে আল্লাহ তোমাকে শাস্তি দিলেন।’ এটি এমনই একটি বার্তা যা হুমায়ূনের বিরল সময়েও শুনতে হয়েছে, আর তার মেয়ে লীলাবতীর মৃত্যুর সময়ও এই ধরনের মন্তব্য তাকে হতবাক করেছিল। এই নোংরা মন্তব্যগুলোতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হল, আরও শাস্তি হবে।’

    শাওন লেখেন, এই ধরনের তুচ্ছ মন্তব্যে তিনি খুবই ভেঙে পড়েন, কিন্তু স্বামীর জন্য তিনি শক্তি খুঁজে বের করেন। একজন লেখক এবং তার স্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেন, যে মানুষের মানসিক অসুস্থতাকে তাঁদের চিন্তার যোগ্য মনে করেন, এবং এই সময়টিতে মানুষের ভাল ও সুন্দর দিকগুলোই দেখতে থাকেন। তিনি বলেন, “আমাদের আশেপাশে মানসিকভাবে বিকৃত অনেক মানুষ রয়েছে। তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুস্থ মানুষের দিকে। অনেক চমৎকার মানুষ প্রতিদিন নানা সুন্দর কথা লিখছেন। থাকলে তারাও জানাতে চান, তাদের সুস্থ দিকগুলো।”

    শেওন আরও বলেন, তাঁর একজন প্রিয় বন্ধু মক্কায় কাবা শরিফ থেকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমি আপনার জন্য দোয়া করছি। আপনি একটুও চিন্তা করবেন না। আপনি সুস্থ থাকবেন।’ তিনি এটাই তুলে ধরেছেন, এই কঠিন সময়ে মানুষের মানবিক গুণাবলী এবং শুভ আশা দেখার গুরুত্ব।

    বইয়ে হুমায়ূন আহমেদ আরও একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন, যেখানে তিনি বিকৃত মানসিকতার এক যুবকের মুখোমুখি হয়েছেন। এই যুবক তাকে দেখা করার জন্য প্রচণ্ড হাস্যরসিক কাণ্ডকারখানা করে, এবং শেষ পর্যন্ত গেটের সামনে এমন অবস্থা হয় যেন তারা ঝগড়া করছে। যুবকের বয়েস আনুমানিক ২৩-২৪ বছর, চোখ-মুখ কঠিন। হুমায়ূন তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন এত ব্যস্ত হয়ে তাকে দেখা করতে চাইছেন। যুবক তখন বলেছিলেন, ‘তোমার লেখাটা আমার জঘন্য লাগে।’ এই মন্তব্য শুনে হুমায়ূন অবাক হন এবং জিজ্ঞেস করেন, ‘এত ঝামেলা করে এই কথাটা বলার জন্য।’ যুবক উত্তরে জবাব দেয়, ‘হ্যাঁ, কারণ সরাসরি বলতে সাহস করে না, সবাই তো তোমার চামচা।’ এরপর যুবক ইংরেজিতে বলে, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ অর্থাৎ, ‘আমি চাই তোমার দ্রুত মৃত্যু হোক’। হুমায়ূন শান্তভাবে উত্তর দেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও অর্থপূর্ণ হবে।’ এই ঘটনায় তিনি বোঝাতে চান, হিংসে ও বিদ্বেষের মানুষ নানা রকম অপ্রত্যাশিত কথা বলে যেতে পারে, তবে আমাদের মনোযোগ থাকা উচিত সুন্দর ও ইতিবাচক মানুষের দিকে।