ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। আজ রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আশা ভোঁসলের মৃত্যুর খবর তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আশা ভোঁসলে অসুস্থ অনুভব করেন। পরে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তখনই দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরে রোববার দুপুরে তিনি চিরতরে চলে যান। ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ভারতের সংগীত জগতে এক অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। কেরিয়ার শুরু থেকেই তিনি একাধারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, আধুনিক গান, গজল ও ক্যাবারে পরিবেশনায় দক্ষতা অর্জন করেন। তার কণ্ঠের প্রতিটি গান আনাড়ি থেকে শুরু করে প্রজন্মের প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও আরও বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান গেয়েছেন, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে তাজা স্মৃতি হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে কবিতা, গূঢ় গানের জন্য তাঁর নাম আজও জ্বলজ্বল করে। আশা ভোঁসলে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে ভর্তি শুনে আমি গভীর চিন্তায় ছিলাম। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।” তার দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীত জগতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। দেখে নেওয়া যায়, তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ পদ্মবিভূষণ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ারের সূচনা থেকে শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আ বো তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’— যা এখনও সংগীতপ্রেমীদের মনে দাগ কেটে আছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে পরিচিত। তাঁর অনবদ্য সংগীতের অবদান এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই অমর হয়ে রয়েছেন।
Category: বিনোদন
-

আশা ভোঁসলে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা গুরুতর
ভারতের কালজয়ী গায়িকা আশা ভোঁসলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাকে অন্তঃশ্বাসকেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা বর্তমানে তিনি যে অবস্থায় আছেন তা নিয়ে তত্ক্ষণাৎ সুনির্দিষ্ট কিছু জানায়নি।
সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তবে পরিবার থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিগত কয়েক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন আশা ভোঁসলে বলে জানা গেছে।
দীর্ঘ কর্মজীবনে আশা ভোঁসলে ভারতীয় সঙ্গীতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ ও ‘পদ্মবিভূষণ’সহ একাধিক মর্যাদাবান সম্মানে ভূষণীত হয়েছেন। এছাড়া বহু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দর্শক-শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন—‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’-এর মতো বহু হিট গানে তার কণ্ঠ ভক্তদের মুগ্ধ করে রেখেছে। গিনেস বুকে তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
চিকিৎসকরা আরও পরীক্ষার পর বিস্তারিত জানানোর কথা বলছেন; ততক্ষণে হাসপাতাল বা পরিবারের কোনও আনুষ্ঠানিক আপডেট এলে তা জানানো হবে। ভক্ত ও সহশিল্পীরা আশা ভোঁসলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা করছেন।
-

শাকিবের আইডিয়ায় তৈরি হচ্ছে ‘রকস্টার’, নায়িকা সাবিলা নূর নিশ্চিত
তাণ্ডবের পর আবার আরও একসঙ্গে দেখা যাবে শাকিব খান ও সাবিলা নূরকে—এই খবর ইতোমধ্যেই ভাইরাল। যদিও সাবিলার উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আগে আর হয়নি, শুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া ভিডিওতে দুজনকে একসঙ্গে দেখা যাওয়ায় কৌতূহল বেড়েছে। এখন সিনেমার পরিচালক আজমান রুশো স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ‘রকস্টার’-এর নায়িকা হিসেবে সাবিলা নূরকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
রুশো বলেন, তিনি মনে করেছিলেন সাবিলা ওই চরিত্রে ভাল লাগবেন। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে পরামর্শ করার পর শাকিব সম্মতি জানালে সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে সাবিলা চরিত্রটির জন্য সঠিক ব্যক্তি। রুশো আরও जोडেন, ‘‘শুধু কাস্টিং নয়, সিনেমার সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করেই নেওয়া হয়।’’
পরিচালক জানিয়েছেন, এই সিনেমার মূল ধারণা এসেছে শাকিব খানই তুলে ধরার কথায়। শাকিবই পরিচালকের কাছে আগাভাবে এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, এবং সেই আইডিয়া থেকেই ‘রকস্টার’-এর গল্পের রূপরেখা নেওয়া হয়। রুশো বলেন, ‘‘সিনেমা নিয়ে যখন প্রাথমিক আলাপ হচ্ছিল, তখন একদিন শাকিব ভাই আমাকে বললেন, পর্দায় তিনি রকস্টার হতে চান। শুনে মনে হচ্ছিল, যেন স্বপ্ন সত্যি হলো। আমার আগে মিউজিশিয়ান হিসেবে থাকা এবং মিউজিশিয়ানের জীবন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করাই এই গল্প গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছে।’’
সিনেমার নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকে অনেকে বলছে, এটি বলিউডের ‘রকস্টার’ ছবির সঙ্গে মিল রয়েছে। এই গুঞ্জন উড়িয়ে রুশো জানান, তিনি ইমতিয়াজ আলির ‘রকস্টার’ পছন্দ করেন, কিন্তু তাঁর কাজ কোনো קודםকার চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত নয়। ‘‘রকস্টার’ নামে অনেক ছবি আছে, আমাররাও নামটিই নিয়েছি, কিন্তু এটা কোনো নির্দিষ্ট ছবির অনুকরণ নয়,’’ বলেন তিনি।
রুশো আরও জানান, ছবির গল্প এক রকস্টারের জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে—এখানে থাকবে পরিবার, ভালোবাসা ও ট্র্যাজেডি; সারমর্মে এটি এক জীবনের গল্প।
‘রকস্টার’ নির্মাণ করছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড ব্যানারে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন।
-

বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত
নব্বইয়ের দিকের সুপরিচিত অভিনেত্রী, মঞ্চশিল্পী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত শিল্পজীবনে বহু ধারায় কাজ করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। মঞ্চ থেকে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমেই তার সাবলীল উপস্থিতি লক্ষণীয়।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে গিয়ে একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দেন বিপাশা। ওই আলাপে অভিনয়জীবন নিয়ে নানা কাণ্ডকারখানা তুলে ধরার পাশাপাশি বলিউডে প্রস্তাব পাওয়া ও সেটি প্রত্যাখ্যানের পেছনের কারণ নিয়েও বিস্তারিত জানান তিনি।
সঞ্চালকের প্রশ্ন ছিল—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সময়টাতে কি বলিউড থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন কি? জবাবে বিপাশা বলেন, বলিউডের প্রস্তাবটি এত আগের নয়, তার পরের সময়েই এসেছে। এই প্রস্তাবটি ছিল এক ধরনের পার্শ্বচরিত্রের পথ—যখন ফোন করে প্রস্তাবটি জানানো হয়েছিল, তার ফোন নম্বরটি এখনো তার ফোনে সেভ আছে এবং সেই ব্যক্তির সঙ্গে কয়েকবার কথাও হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে নির্দিষ্ট সিনেমার নাম তিনি স্পষ্টভাবে মনে করতে পারেননি।
বলিউড প্রস্তাব কেন ফিরিয়েছিলেন—এই প্রশ্নের উত্তরে বিপাশা বলেন, তখন তার মনে হয়েছিল তিনি কখনোই নিজের দেশের মানুষকে ছোট করতে পারবেন না। ‘‘আমার দর্শক আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছেন, তাদের ভালোবাসা আমার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। ওখানে গিয়ে কোনো তুচ্ছ চরিত্রে অভিনয় করে যদি কেউ ভাবেন আমি দেশকে হেয় করছি, সেটা আমি চাইব না,’’ তিনি বলেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে তিনি একে ‘‘তারকা’’ হিসেবে না দেখে ‘‘পাবলিক ফিগার’’ মনে করেন। একটি পাবলিক ফিগার হওয়ার সঙ্গে বড় ধরনের দায়িত্ব জড়িয়ে থাকে, এবং প্রতিটি কাজের মাধ্যমে সেই দায়িত্ববোধ বজায় রাখতে হবে—এটাই তার ব্যক্তিগত নীতি। মানুষের ভালোবাসাকে তিনি অত্যন্ত পবিত্র ও মূল্যবান হিসেবে দেখেন এবং সেই ভালোবাসার দায় নিহিত করেই বিদেশি প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার মতে, পৃথিবীতে নানা বিরোধ ও সহিংসতার মূল কারণ ভালোবাসার অভাব; তাই মানুষের ভালোবাসা রক্ষা করাই তার নীতিগত সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
সংক্ষিপ্ত কথায়, বিপাশা হায়াতের সিদ্ধান্ত ছিল আত্মসম্মান, দর্শকের প্রতি দায়বদ্ধতা ও পাবলিক ফিগার হিসেবে দায়িত্ববোধ বজায় রাখা—এই তিনটি কারণ থেকেই তিনি বলিউড প্রস্তাব বাজেয়াপ্ত করেননি।
-

শাকিবের আইডিয়ায় নির্মিত হচ্ছে ‘রকস্টার’, নায়িকা সাবিলা নূর—আজমান রুশো নিশ্চিত
‘তাণ্ডব’-এর পর আবার শাকিব খান ও সাবিলা নূর একসঙ্গে বড়পর্দায় দেখা যাবে—এটাই চারদিকে আলোচনা। যদিও আগে официаль ঘোষণা হয়নি, শ্যুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে খুশির আভাস দেখা গিয়েছিল। এখন চলচ্চিত্রের পরিচালক আজমান রুশো নিশ্চয়তা দিলেন—সাবিলা নূরই রকস্টারের নায়িকা। তিনি জানান, নায়িকার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শাকিব খানের পরামর্শ ও সম্মতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রুশো বলেন, “আমার মনে হয় রকস্টারের জন্য সাবিলা উপযুক্ত। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি সম্মত হয়েছেন। কাস্টিংসহ সিনেমার বড় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোই আমরা শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলাপ করে নিয়েছি।” তিনি বললেন, শুটিং সেটেও দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে, যা দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়েছে।
পরিচালকের আরও কথায় উঠে আসে এই ছবির জন্মকাহিনি—এটি শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি হচ্ছে। শাকিব নিজেই পরিচালককে জানান যে তিনি পর্দায় রকস্টারের চরিত্রে অভিনয় করতে চান, আর সেই ইচ্ছে থেকেই গল্পের মূল রূপ নেয়। রুশো জানান, “শুরুর আলোচনা চলাকালীন একদিন শাকিব ভাই আমাকে বললেন, তিনি পর্দায় রকস্টার হতে চান। শুনে মনে হয়েছিল যেন স্বপ্ন সত্যি হলো। আমার একসময় মিউজিশিয়ান হিসেবেই কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল; সঙ্গীতশিল্পীদের জীবন ঘেঁটেছি, তাদের গল্পে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। এ থেকেই এই ছবি গড়ে উঠছে।”
ফিল্মের নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই একরকম গুঞ্জন ছড়িয়েছে—এটি কি ইমতিয়াজ আলির ‘রকস্টার’-এর মতো? রুশো সেই তুলনা সরাসরি খণ্ডন করে বলেন, “ইমতিয়াজ আলির ‘রকস্টার’ আমারও খুব পছন্দের। তবুও রকস্টার নামে অনেক সিনেমা আছে—আমার ছবিটির নামও রকস্টার। কিন্তু এটা কোনো নির্দিষ্ট চলচ্চিত্র থেকে অনুপ্রাণিত নয়।”
রকস্টারের কাহিনি সম্পর্কে পরিচালক সংক্ষেপে জানালেন, “এটি এক রকস্টারের জীবনকে ঘিরে আবর্তিত গল্প—এখানে পরিবার, ভালোবাসা ও ট্র্যাজেডি সব মিলিয়ে একটি জীবনকথা বলা হয়েছে। দিনশেষে এটি মানুষের জীবনেরই একটি অংশ।”
রকস্টার নির্মিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের ব্যানারে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন। ছবির আরো বিস্তারিত তথ্য এবং আনুষ্ঠানিক কাস্টিং ঘোষণার জন্য প্রযোজক দল শীঘ্রই আপডেট ঘোষণা করবেন বলে সূত্র জানাচ্ছে।
-

দেশের জন্য বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত
বিপাশা হায়াত—নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, গুণী চিত্রশিল্পী ও নাট্যকার। মঞ্চ থেকে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—যে কোনো মাধ্যমেই দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে এক পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিপাশা। আলাপচারিতায় শিল্পজীবন, চলচ্চিত্র ও অভিনয়ের নানা স্মৃতি শেয়ার করার পাশাপাশি তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও কথা বলেছেন।
সঞ্চালক যখন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ জাতীয় প্রস্তাব এবং বলিউডের অফারের বিষয়ে জানতে চান, তখন বিপাশা জানান যে বলিউডের যেটা প্রস্তাব এসেছিল সেটি এত পুরনো সময়ের নয়—ভিন্ন সময়ে এসেছে। তিনি খুলে বলেন, বলিউডের এক ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পেতেন। ছবির নাম মনে না থাকলেও যে ব্যক্তি ফোন করেছিলেন তার নম্বর এখনও তার ফোনে সেভ আছে এবং তাদের সঙ্গে কয়েকবার কথাও হয়েছে বলে তিনি জানান।
বিপাশা অভিযোগ করেননি, বরং প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পেছনে তার নৈতিক ও আবেগীয় কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হতো আমি যদি সেখানে গিয়ে ছোটো কোনো চরিত্র করে আসি, তাহলে হয়তো আমার দেশের মানুষকে আমি ছোট করে দেখাব। আমার দর্শকরা আমাকে যেভাবে গ্রহণ করেছেন, তাদের সম্মান আমি রাখবই।’’
তিনি আরও বলেন, তিনি নিজেকে কেবল একজন তারকা হিসেবে দেখেন না, বরং একটি পাবলিক ফিগার হিসেবে নিজের দায়িত্বও মেনে চলতে চান। ‘‘পাবলিক ফিগার হওয়ার একটা বড় দায়িত্ব আছে—প্রতিটি কাজের মাধ্যমে সেই দায়িত্ববোধটা বহন করা উচিত,’’ বললেন তিনি। বিপাশা ও বলতে ছাড়েননি যে মানুষের ভালোবাসা তার কাছে অত্যন্ত মূল্যবান—এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস এবং অনেক সংঘাতের পিছনে ভালোবাসার অভাবই দায়ী। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই তিনি মনে করেছিলেন বিদেশে গিয়ে কোনো অপ্রাসঙ্গিক কাজ করে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা নষ্ট করতে চাইবেন না।
আলোচনার শেষে বিপাশা তাঁর দর্শক ও দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, সেই সম্মান আর ভালোবাসাই তাঁর কর্মজীবনের মূল প্রেরণা।
-

শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি হচ্ছে ‘রকস্টার’; নায়িকা সাবিলা নূর নিশ্চিত
‘তাণ্ডব’র পর আবারও জুটি বাঁধছেন শাকিব খান ও সাবিলা নূর। সেট থেকে ফাঁস হওয়া কিছু ভিডিও ও গুঞ্জনের পর এবার পরিচালক আজমান রুশো رسمیভাবে জানালেন, ‘রকস্টার’ সিনেমার নায়িকা হচ্ছেন সাবিলা নূর। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শাকিব খানের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে এবং শাকিবই কেশনে সম্মতি দিয়েছেন।
আজমান রুশো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে রকস্টার চরিত্রে সাবিলা খুব ভালো লাগবে। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—সাবিলা এই চরিত্রের জন্য একদম পারফেক্ট।’ তিনি যোগ করেন, শুধুই কাস্টিং নয়, সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও শাকিবের সঙ্গে আলোচনা করেই নেয়া হয়েছে।
রুশো বলেন, ‘এই সিনেমা মূলত শাকিবের আইডিয়ায় নির্মিত হচ্ছে। তিনি নিজে এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন, তারপর থেকেই রকস্টারের গল্প লেখা শুরু করি।’ পরিচালক আরও জানান, অভিনেতা হওয়ার আগেই তিনি মিউজিশিয়ান ছিলেন এবং মিউজিশিয়ানদের জীবন-ঘটনা নিয়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করেছিলেন—এটাই শেষ পর্যন্ত এই ছবির অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি স্মৃতিময়ভাবে উল্লেখ করেন, ‘শাকিব ভাই যখন প্রথম বললেন তিনি পর্দায় রকস্টার হতে চান, সেটা শুনে মনে হয়েছিল যেন স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেল। মিউজিশিয়ানদের জীবন থেকে পাওয়া নানা অভিজ্ঞতা এখন পর্দায় দেখানোর সুযোগ পাচ্ছি।’
ছবির নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই চলেছে গুঞ্জন, বিশেষ করে ইমতিয়াজ আলির ‘রকস্টার’ ছবির সঙ্গে কোনো মিল আছে কি না। এ প্রসঙ্গে রুশো বলেছেন, ‘ইমতিয়াজ আলীর রকস্টার আমারও খুব পছন্দের। তবু বলতে চাই, আমার সিনেমার নাম একই হলেও এটি কোন পুরনো ছবির অনুকরণ নয়। রকস্টার নামে আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্র আছে, আমাদের কাজ একেবারেই আলাদা।’
রকস্টারের গল্প সম্পর্কে তিনি জানালেন, ‘এটি এক রকস্টারের জীবন কাহিনী—এখানে আছে পরিবার, ভালোবাসা, ট্র্যাজেডি। সারমর্মে এটি জীবনের এক গল্প।’
রকস্টার প্রযোজনা করছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন। ছবির আনুষ্ঠানিক চরিত্রভবন, শুটিং শিডিউল ও অন্যান্য বিস্তারিত আগামী ঘোষণা করা হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
-

মামলা থেকে মুক্তি পেলেন সালমান খান
ঘাড়ের ওপর পানমশলা বিজ্ঞাপনের মামলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ঝামেলায় ছিলেন সালমান খান। এ মামলায় একের পর এক শুনানিতে অনুপস্থিত থাকার কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। তবে সম্প্রতি কিছু সুখবর মিলেছে, তাকে সাময়িকভাবে राहत দেওয়া হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, ১৩ এপ্রিল জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশনে সালমানকে হাজিরার নির্দেশ ছিল। কিন্তু এই নির্দেশের বিষয়ে স্থগিতাদেশ দেন রাজস্থান হাই কোর্ট। ফলে, নির্দিষ্ট দিনে তিনি যেসব শুনানিতে হাজির হওয়ার কথা ছিল, তার সংবিধান ও দায়িত্ব থেকে রেহাই পেলেন।
সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল, যিনি দাবি করেছিলেন, একজন পান মশলার বিজ্ঞাপনে কাজ করার জন্য সালমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ পেশ করা হয়েছে।
অভিযোগে তিনি বলেন, পণ্যগুলোকে ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ এবং ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও আদতে তা নয়। এই মিথ্যা দাবি ক্রেতাদের বিভ্রান্তির জন্য করা হয়েছে, যেন ক্রেতারা বিশ্বাস করে, এই পণ্যগুলো নিরাপদ।
অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন এই পণ্যগুলোর প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে, জয়পুর ও কোটা শহরে বিলবোর্ড ও বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখা যায়, যা দেখে komisন মনে করেন, এর মানে তাদের আদেশ অমান্য করা হয়েছে।
বর্তমানে সালমান খান তার নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’ এর শুটিং ব্যস্ত। এই ছবির নামের পরিবর্তনের আগে এটি ‘ব্যাটেল অব গলওয়ান’ নামে পরিচিত ছিল। তিনি এরই মধ্যে শুটিং সম্পন্ন করেছেন এবং নতুন ছবির জন্য আপ্লুত তার দর্শকরা।
-

হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিমের গ্রেপ্তার
হত্যাচেষ্টা মামলায় আরএস ফাহিম নামে পরিচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রে থাকা রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার এক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
আদালতে আজ আসামি ফাহিমকে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তার গ্রেফতারির আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন, যারা তার গ্রেফতারি প্রত্যাখ্যান করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে, রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর মিরপুরে চিড়িয়াখানার সামনে থেকে জনতা ও শিক্ষার্থীদের একটি দল তাকে আটক করে। পরে তাদের কাছে তিনি গুলশান থানায় হস্তান্তর করেন। পরে, ৩০ মার্চ, গুলশান থানায় জড়িত অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং কারাগারে পাঠানো হয়।
সূত্রমতে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাবের কোয়ার্টারের সামনে মিছিল চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পুলিশি হামলায় আহত হয়েছিলেন মাসুদ হোসাইন, যিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে বুকে ইনফেকশন ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে তার বুকে অপারেশন হয়।
অতীতে, গত বছরের ২৪ আগস্ট, আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও একটি বেসরকারী টেলিভিশনের মালিক নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে বরিশাল থেকে আটক করার পরে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারি হয়। এরপর, তরুণ যুগের স্টান্ট রাইডার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর আরএস ফাহিমের নাম আলোচিত হয়। গত বছর জুলাই মাসে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে তার নাম আলোচনায় আসে; এটি তরুণ সমাজের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
-

ধুরন্ধর ২: ১৭ দিনে কত আয় করল বলিউডের স্পাই থ্রিলার
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রণবীর সিংয়ের স্পাই থ্রিলার চলচ্চিত্র ধুরন্ধর ২ মুক্তির ১৭ দিন পরেও বক্স অফিসে শক্তিশালীভাবে আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। স্যাকনিল্কের terbaru পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ছবিটি মুক্তির তৃতীয় শনিবার প্রায় ২৫.৬৫ কোটি টাকা আয় করেছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ ছবির প্রথম সপ্তাহে সংগ্রহের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৭৪.১৭ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সপ্তাহে এ সংগ্রহ আরও যোগ হয় ২৬৩.৬৫ কোটি টাকা। মোট মিলিয়ে ভারতে এ চলচ্চিত্রের আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি টাকা, যা দর্শকদের মধ্যেও বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি ১,০০০ কোটি টাকার ক্লাবের মধ্যে ঢুকে যাবে। ইতোমধ্যেই এটি জনপ্রিয় ব্লকবাস্টার সিনেমা like আরআরআর, কল্কি ২৯১৮ এডি, কেজিএফ: চ্যাপ্টার ২, জওয়ান, পাঠান, স্ত্রী ২ এবং অ্যানিমেল-এর উপর কালেকশন তুলনায় এগিয়ে গেছে। তবে শীর্ষে থাকতে অন্য বড় বড় ছবির রেকর্ড ভাঙতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে বাহুবলী ২: দ্য কনক্লুশন ও পুষ্পা ২: দ্য রাইজ। ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম কিস্তি বিশ্বজুড়ে ১৩০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল।
এর আগে, প্রথম কিস্তিতে রণবীর সিং হামজা নামের এক ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছিল। এখনকার কিস্তিতে দেখানো হয় জাসকিরাত সিং রাঙ্গির উত্থানের গল্প এবং কিভাবে সে দুর্ধর্ষ গুপ্তচর হামজা আলি মাজারিতে রূপান্তরিত হয়।
আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই অ্যাকশন থ্রিলারে রণবীর সিং ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, রাকেশ বেদী ও সারা অর্জুন। এ ছাড়াও এতে উপস্থিত রয়েছেন দানিশ পান্ডো, উদয়বীর সান্ধু এবং মূলত ক্রমশরণে একটি বিশেষ চমক হিসেবে রয়েছে পরিচালক আদিত্য ধরের স্ত্রী অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ক্যামিও। এই সিনেমা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং সিনেমার ব্যবসায়িক সম্ভবনাও বিশাল।
