৪৪তম বিসিএসে আগের ভাইভা বাদ নতুন করে শুরু হবে ভাইভা। আজ সরকারি কর্ম কমিশন এ সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানায়, ৪৪তম বি.সি.এস. এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১১,৭৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩,৯৩০ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা বিগত ১৮ জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিগত ২৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ০৮ অক্টোবর তারিখে তৎকালীন কমিশন পদত্যাগ করে। মৌখিক পরীক্ষায় সমমান বজায় রাখার জন্য পূর্বের কমিশন কর্তৃক গৃহীত ৪৪তম বি.সি.এস.-২০২১ এর আংশিক অর্থাৎ ৩,৯৩০ জন প্রার্থীর গৃহীত মৌখিক পরীক্ষা বাতিল করে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থী অর্থাৎ ১১,৭৩২ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যথাশিগগির মৌখিক পরীক্ষার তারিখ জানানো হবে।
Category: জাতীয়
-

৪৬তম বিসিএসের ফল পুনরায় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল পিএসসি
৪৬তম বিসিএসের ফল আবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল সরকারি কর্ম কমিশন( পিএসসি)। আজ সোমবার সরকারি কর্ম কমিশন এ সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিএসসি জানায়, ৪৬তম বি.সি.এস. এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল বিগত ৯ মে ২০২৪ তারিখে প্রকাশিত হয়। এ পরীক্ষায় ১০,৬৩৮ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নির্বাচিত প্রার্থীদের সাথে আরও সমসংখ্যক প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচনা করে পুনরায় ফলাফল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
-

মহাখালী সড়ক ছাড়লো শিক্ষার্থীরা, সচিবালয়ে প্রতিনিধিদল
রাজধানীর মহাখালীতে সড়ক ও রেলপথে অবরোধ তুলে নিয়েছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে তারা সবগুলো সড়ক ছেড়ে দেয়। এদিকে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করতে গেছেন।
অনেকদিন ধরেই সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করা এবং তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন গঠনেরর দাবি জানিয়ে আসছিল সেই কলেজের শিক্ষার্থীরা। এই দাবিতে বেশ কয়েকবার সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছিলেন তারা। সেই ধারাবাহিকতায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তারা অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।
সকাল সোয়া ১১টার দিকে তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষার্থীরা বিশাল এক মিছিল বের করেন। মিছিলটি আমতলী মোড় হয়ে সাড়ে ১১টার দিকে মহাখালী রেলক্রসিং এলাকায় অবস্থান নেয়। এর কিছুক্ষণ পরেই কমলাপুর স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল নোয়াখালী থেকে আসা আন্তনগর ট্রেন উপকূল এক্সপ্রেস। মহাখালী রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় শিক্ষার্থীরা সেটি থামানোর চেষ্টা করে।
কিন্তু ট্রেনটি না থেমে গতি কমিয়ে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীরা সেটি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করন। এতে ট্রেনের কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে যায়। আহত হন এক শিশুসহ ৫ যাত্রী।
এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করলে ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। একই কারণে মহাখালী ফ্লাইওভারেও যান চলাচল করেনি। এতে রাজধানীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেককেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
হাসান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত আমাদের সড়কে থাকার কথা ছিল। আমরা ৪টা পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করেছি। আমাদের শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয় আলোচনার জন্য গেছেন। তারা সচিবালয় থেকে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আসবেন। তবে আমরা ঘোষণা অনুযায়ী সড়কটি ছেড়ে দিয়েছি।
বিকেলে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে তিতুমীর কলেজের ক্যাম্পাসে ফিরে গেছেন। এরপর ওই সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।
-

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন উপদেষ্টা ফারুকী
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সোমবার দুপুরে (১৮ নভেম্বর) তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেন বলে ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতি সচিব আতাউর রহমান।
জানা যায়, সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টাকে নিজের কর্মপরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে কীভাবে গতি আনা যায়, সেই পরিকল্পনাও তুলে ধরেন ফারুকী এ সময় প্রধান উপদেষ্টা সংস্কৃতি উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
এর আগে, রোববার দিনভর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফারুকীর উপদেষ্টা পদ ছাড়ার গুঞ্জন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার উপদেষ্টা ফারুকী ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার সঙ্গে একটি সেলফি শেয়ার করে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি বিষয়ক নতুন উপদেষ্টা ফারুকী। আগামীকাল সোমবার তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করে তার নতুন ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন।’
গত ১০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এরপর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যেমে তাকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
-

শেখ হাসিনা কোথায়, জানতে চাইলেন ট্রাইব্যুনাল
জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি শেখ হাসিনার গ্রেপ্তারের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন।
এর আগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত শেষ করতে আদালতে সময় প্রার্থনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনাল এ সময় জানতে চান শেখ হাসিনা কোথায়। তখন তাজুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের দিন শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছেন।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ইন্টারপোলের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বন্দি বিনিময় চুক্তি রয়েছে, সে চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দিতে ভারতকে অনুরোধ জানাবে সরকার।
পরে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত এক মাসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তদন্ত শেষ করে আগামী ১৭ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া আদালতে হাজির হওয়া আনিসুল হকসহ ১৩ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।।
এর আগে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, শাজাহান খান, জুনাইদ আহমেদ পলক, সালমান এফ রহমান, ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলমকে।
-

১১৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১১৩ বারের মতো পিছিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।
তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল হক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরে বাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ই এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র্যাবকে সরিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ। একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ বিষয়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে পিবিআই।
-

কখন নির্বাচন, জানালেন উপদেষ্টা নাহিদ
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কেয়ারটেকার সরকার নয়, এটি বিপ্লবী সরকার। তাই শুধুমাত্র নির্বাচন দেওয়াই এই সরকারের কাজ নয়। ইতোমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের জন্য বিভিন্ন কমিশন করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শেষে নির্বাচন দেওয়া হবে।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে কমনওয়েলথের সহকারী মহাসচিব প্রফেসর লুইস ফ্রান্সেচির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে যে গণহত্যা হয়েছে তার বিচার প্রক্রিয়া চলমান উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, এই বিচার প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে কমনওয়েলথের সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা করছি। দেশের স্বার্থরক্ষা হয় এমন যেকোনো কাজ করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রস্তুত বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এ সময় কমনওয়েলথের সহকারী মহাসচিব প্রফেসর লুইস ফ্রান্সেচি বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংস্কারসহ সরকারের চলমান সংস্কার উদ্যোগের প্রতি সম্ভাব্য সব উপায়ে কমনওয়েলথের সমর্থনের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তারা সবসময় বাংলাদেশের পাশে আছে এবং তারা শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি, গণমাধ্যম, সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।
বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মুহম্মদ মেহেদী হাসান, কমনওয়েলথের অ্যাডভাইজার অ্যান্ড হেড অব এশিয়া ড. দিনুসা নিহারাসহ মন্ত্রণালয়ের অন্য কর্মকর্তারা ছিলেন।
-

সোনারগাঁয়ে টিস্যু কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১৪ ইউনিট
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঝাউচর এলাকায় মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড পেপার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সোমবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে কারখানার গোডাউনে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন স্টেশনের ১৪টি ইউনিট। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফখরুদ্দিন জানান, সকাল সোয়া ৫টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সাড়ে ৫টার মধ্যে তারা পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। প্রথমে সোনারগাঁও, গজারিয়া ও গজারিয়া বিসিক ফায়ার স্টেশনের ৬টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে বন্দর, কাঁচপুর ও সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে।
তিনি বলেন,আগুন বড় হওয়ায় আরও একাধিক ইউনিট নিয়ন্ত্রণে যোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি মেঘনা গ্রুপের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে।
তবে তাৎক্ষণিক হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। নিয়ন্ত্রণে না আসায় ক্ষতির পরিমাণও জানা যায়নি।
-

নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনাদের একটা মজবুত অর্থনীতি দিয়ে যাব: প্রধান উপদেষ্টা
সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি সকল প্রকার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা আপনাদের একটা মজবুত অর্থনীতি দিয়ে যাব; এমনটাই মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একইসাথে ভবিষ্যতে চলার পথকে সহজগম্য করা ও নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষ্যে আজ (রোববার) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
ড. ইউনূস বলেন, “পতিত সরকার আমাদের জন্য যে ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি রেখে গিয়েছে তাতে রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে। এর মধ্যেও জুলাইয়ের নেতিবাচক অবস্থা থেকে অক্টোবর নাগাদ রাজস্ব আদায়ে পৌনে ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আগের অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বিপুল রাজস্ব ঘাটতি ছিল। যে কারণে এবার শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে স্বৈরাচার পতনের পরবর্তী তিন মাসে পৌনে ৯ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির পরও লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৩ শতাংশের বেশি ঘাটতি থেকে যায়। রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে আমি এখন অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে উৎসাহিত করছি।”
“আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ইউএনডিপি ইত্যাদির প্রধানদের সঙ্গেও আমার দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। তারাও বাংলাদেশকে নতুনভাবে এবং সর্বাত্মকভাবে সাহায্যের জন্য তাদের আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে চীনের পক্ষ থেকে যাবতীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন”, যোগ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “১০০ দিন আগে আর্থিক দিক থেকে আমরা যে লন্ডভন্ড অবস্থা থেকে যাত্রা শুরু করেছিলাম- সেটা এখন অতীত ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ১০০ দিনে অর্থনীতি সবল অবস্থানে চলে এসেছে। এটা সম্পূর্ণ নিজস্ব নীতিমালা দিয়ে হয়েছে। বলা বাহুল্য এখনো আমাদের বন্ধুদের কাছ থেকে যে সাহায্যের আয়োজন হয়েছে তা আসা শুরু করেনি। বন্ধু রাষ্ট্রগুলো শুধু যে আমাদের বড় বড় অঙ্কের সাহায্য নিয়ে আসছে তাই নয়, তারা এই সাহায্য দ্রুততম সময়ে আসা শুরু করবে এই প্রতিশ্রুতিও আমাকে দিয়েছে। এই সাহায্য আসা শুরু করলে আমাদের অর্থনীতি অত্যন্ত মজবুত এবং আকর্ষণীয় অর্থনীতিতে পরিণত হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও নানা রকম বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়ে এগিয়ে আসবে।”
ড. ইউনূস বলেন, “আপনারা জেনেছেন, পতিত সরকার ও তার দোসররা প্রতিবছর দেশ থেকে ১২-১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার করেছে। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ সম্প্রতি এই তথ্য দিয়েছে। পাচার হয়ে যাওয়া এই অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য সম্ভব সকল ধরনের উদ্যোগ আমরা গ্রহণ করেছি। এ কাজে সফল হতে পারলে আমাদের অর্থনীতি আরও গতি পাবে। এ কাজে আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার সাহায্য নিচ্ছি।”
-

পাকিস্তানে কী রপ্তানি করে বাংলাদেশ, হঠাৎ বাণিজ্য আলোচনায় কেন
সম্প্রতি পাকিস্তানের করাচি থেকে কন্টেইনার বহনকারী একটি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর ঘটনা ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো এমন সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু হলো, যা বাংলাদেশ-পাকিস্তান বাণিজ্য সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে, যেখানে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। দূরত্বের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে, যদি সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
গবেষক ও আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, সরাসরি জাহাজ ও বিমান চলাচল চালুর পাশাপাশি, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সার্টিফিকেট গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং পারস্পারিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাণিজ্য বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। তারা বিশ্বাস করেন, এর ফলে উভয় দেশই সমানভাবে লাভবান হতে পারে।
অর্থনীতিবিদ ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি জানান, বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য একটি যৌথ কারিগরি দল গঠন করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগভিত্তিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে পারে এবং নতুন বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের পথ খুলে যাবে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, পাকিস্তান সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসামুক্ত পাকিস্তান সফরের ঘোষণা দিয়েছে, যা বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে। তার মতে, এটি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ এনে দিয়েছে।
কী ধরনের পণ্যের বাণিজ্য হচ্ছে
করাচি থেকে বাংলাদেশে সরাসরি আসা যে জাহাজ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে সেই জাহাজে বাংলাদেশে এসেছে ‘ফেব্রিকস, চুনাপাথর, সোডা অ্যাশ, পেঁয়াজ, ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট ও ডলোমাইট’, যার বেশিরভাগই টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল।
পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশে প্রায় ৬৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল সুতা-কাপড় ও প্রস্তুত চামড়া ছিল প্রায় ৭৯ শতাংশ।
বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে যে পরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয়েছে, তার মূল্য ছিল ৬ কোটি ডলারের সামান্য বেশি। মূলত কাঁচা পাট, ওষুধ, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, চা ও তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছিলো বাংলাদেশ।
এর আগে ২০২২ সালে বাংলাদেশ ৭৪ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি করলেও পাকিস্তান থেকে আমদানি করেছে ৮৪০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য পাকিস্তানের রপ্তানি হয়, তার দশগুণ বেশি পাকিস্তান বাংলাদেশে রপ্তানি করে।
পাকিস্তান থেকে গত বছর সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে তুলা। এছাড়া আরও যেসব পণ্য আসে বাংলাদেশে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আসে সিমেন্টের কাঁচামাল।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে রপ্তানি হয় এমন যেসব পণ্যের নাম দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে আছে-পাট ও অন্য টেক্সটাইল ফেব্রিকস, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, পেপার ও পেপারবোর্ড লেবেল, ছেলেদের শার্ট, মেডিকেল সার্জিক্যাল ও ডেন্টাল ইকুইপমেন্টসহ আরও কয়েকটি পণ্য।
ড. আইনুল ইসলাম বলছেন, বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য, গার্মেন্ট, মেডিসিন, লেদার – এসব ক্ষেত্রে পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে পাকিস্তানের সিলিং ফ্যান, ফ্রুটস, জুস, মেয়েদের ড্রেস বাংলাদেশে জনপ্রিয়।
‘কস্ট বেনিফিট পর্যালোচনা করে আমদানি-রপ্তানির পণ্য ঠিক হলে উভয় দেশই তাতে লাভবান হবে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, উভয় দেশের মধ্যে কোন ধরনের পণ্যের কেমন চাহিদা, সেগুলো বিশ্লেষণ করতে হবে।
‘পাকিস্তান থেকে কটন বা টেক্সটাইল কাঁচামাল সম্ভাব্য পণ্য হতে পারে যা মূলত ভারত ও চীন থেকেই বেশি আসে। আবার পাকিস্তানের লাইট ইনজিনিয়ারিং পণ্যের ভালো সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশে।’
তার মতে বিনিয়োগকারীরা উভয় দেশে চাহিদার ভিত্তিতে যৌথ বিনিয়োগ করতে পারে। ‘বাংলাদেশে ওষুধ ও গার্মেন্টস কারখানা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক অঞ্চলে করতে পারে। এর ফলে পাকিস্তান ছাড়াও ইরানসহ মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ সহজ হতে পারে,’ বলছিলেন তিনি।
শিপিং এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ আরিফ আহমেদ বলছেন, এক সময় বাংলাদেশি পাট ও পাটজাত দ্রব্যের প্রচুর চাহিদা ছিল পাকিস্তানে।
‘সেটি এখন তেমন না থাকলেও বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আসছে। আমাদেরও গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন পণ্য অল্প হলেও যাচ্ছে,’ বলছিলেন তিনি।
হঠাৎ বাণিজ্য আলোচনায় কেন
বাংলাদেশে গত পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর থেকেই ঢাকায় পাকিস্তানি হাইকমিশনার আহমদ মারুফ নতুন সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা, এফবিসিসিআই এর প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে সাক্ষাত করে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন।
এসব সাক্ষাতে তিনি পারস্পারিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সাথে সাক্ষাতে তিনি গত পনের বছরে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্কে যে শুষ্কতা এসেছে তা দূর করতে পারস্পারিক সম্পর্ক জোরদারের আহবান জানান।
এর মধ্যে এফবিসিসিআই এর প্রশাসক হাফিজুর রহমানের সাথেও বৈঠক করেন তিনি।
যেখানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি, যৌথ বিজনেস কাউন্সিল, উভয় দেশের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সার্টিফিকেট গ্রহণ, হালাল খাদ্য আমদানি-রপ্তানি, এসএমই, ফার্মাসিউটিক্যাল এবং অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় বলে জানানো হয়েছিলো।
তবে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যের বিষয়টি বড় ধরনের আলোচনায় আসে করাচি থেকে সরাসরি বাংলাদেশে জাহাজ আসার খবর।
পাকিস্তান হাইকমিশন গত ১৩ নভেম্বর তাদের ভেরিফায়েড এক্স (পূর্বের টুইটার) হ্যান্ডেলে এটিকে ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ’ হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে।
ওই টুইটে তারা বলেছে, এই ‘নতুন রুট সরবরাহ ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মাঝে আনবে, ট্রানজিট সময় কমিয়ে দেবে এবং উভয় দেশের জন্য নতুন ব্যবসার সুযোগ খুলে দিবে’।
গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলছেন, ভৌগলিক দূরত্ব ও সরাসরি জাহাজ চলাচল না থাকায় দুই দেশের বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি হয়নি।
‘এখন বাংলাদেশের পণ্য পাকিস্তানে যেতে হলে দুবাই বা শ্রীলংকা হয়ে করাচি যায়। আবার কখনো করাচি থেকে দুবাই কলম্বো হয়ে বাংলাদেশে আসতে পারে। এর ফলে বাণিজ্য ব্যয় বৃদ্ধি পায় ও সময় বেশি লাগে। স্বাভাবিক বাণিজ্য এতে বাধাগ্রস্ত হয়।’
এর মধ্যে আওয়ামী লীগ আমলে পাকিস্তান থেকে আসা পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার পর শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষে অনুমোদন পেলেই কেবল ছাড় দেওয়া হতো। বাংলাদেশের রাজস্ব বোর্ড গত ২৯ সেপ্টেম্বর সেই বিধান তুলে নিয়েছে।
এতে পাকিস্তান থেকে পণ্য আমদানি দ্রুত হবে এবং জটিলতাও কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।
সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলছেন, ব্যবসায়ীদের দাবি হলো সরাসরি জাহাজ চলাচল এবং এটি হলে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও অনেক বাড়বে।
‘তখন বাংলাদেশও তার পণ্য রপ্তানি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারবে,’ বলছিলেন তিনি।
