Category: জাতীয়

  • যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

    যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস বললেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনও পক্ষেরই সমর্থন দেব না। বাংলাদেশের জনগণ যারাই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন, আমরাও সেই সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনও পক্ষের পক্ষ নেয় না। এর মূল কর্তৃত্ব এবং সিদ্ধান্তের অধিকার বাংলাদেশের জনগণের, এবং তাদেরই ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকেই সমর্থন জানানো হবে। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করবে, তার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন নিয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে ক্রিস্টেনসেন বলেন, আমি এই নির্বাচন নিয়ে খুবই উৎসাহিত। আমি এই উৎসবমুখর নির্বাচনের ফলাফল দেখতে মুখিয়ে আছি।

    তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানতে পারলাম, তিনি আশাবাদী যে নির্বাচনের দিনটি একটি আনন্দময় ও উৎসবমুখর দিন হবে। আমি আশা করি, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করবেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে এই আলোচনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন উল্লেখ করেন, সিইসি যে তথ্যগুলো শেয়ার করেছেন, তাতে আমি খুবই খুশি। আমি আশাবাদী, আপনি এবং আপনার সংস্থার মাধ্যমে একটি সফল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমি ১২ ফেব্রুয়ারির ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি এবং নিশ্চিত আছি, এই নির্বাচনটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

  • ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে

    ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে

    আগামীকাল ২৯ জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি রুটে সরাসরি ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য নতুন Flug চালু হচ্ছে। এই নতুন পরিষেবাটি ট্রানজিটের প্রয়োজন না থাকায় যাত্রীরা সময় এবং টাকা দুটোই বাঁচাতে পারবেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস আজ মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, আপাতত সপ্তাহে দুটি দিন এই ফ্লাইট পরিচালিত হবে।

    প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় পর আবারও পাকিস্তানে নিয়মিত যাত্রীবাহী বিমান চালু হচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই নন-স্টপ ফ্লাইটের মাধ্যমে ঢাকা থেকে করাচি যাত্রা এখনও খুবই সহজ ও দ্রুত হবে, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর ও অনেক বাস্তবমুখী হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

    ঢাকা থেকে করাচির দূরত্ব ১৪৭১ মাইল, যেখানে ১৬২ আসনের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার হবে। এই ফ্লাইটটি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার এবং শনিবার পরিচালিত হবে। প্রথম ফ্লাইটের সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে এবং দ্বিতীয় ফ্লাইটের ৮০ শতাংশ আসন বুকিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমান কর্তৃপক্ষ।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, সরাসরি ফ্লাইট চালুর ফলে যাত্রীরা তিন ঘন্টার মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন এবং ট্রানজিটের জটিলতা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন, যা ভ্রমণকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।

    এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রুট চালুর ফলে শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, কার্গো পরিবহনেও নতুন দিগন্ত খুলবে। দ্য বাংলাদেশ মনিটরের সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেছেন, এই পরিষেবা দুই দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।

    উল্লেখ্য, নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০১২ সালে ঢাকা-করাচি রুটে ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যায়। এতদিন যাত্রীরা দোহা, দুবাই অথবা মধ্যপ্রাচ্যের অন্য ট্রানজিট হাব ব্যবহার করে আসছিলেন, যা সময় ও খরচ বাড়ায়। এখন থেকে রাউন্ড ট্রিপের খরচ হবে সর্বনিম্ন ৫১ হাজার টাকা, যা আগে থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এতে করে যাত্রীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও সাশ্রয়ী দামে যাতায়াত করতে পারবেন।

  • আজ কোথায় হবে বৃষ্টি? জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

    আজ কোথায় হবে বৃষ্টি? জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

    মাঘ মাস এখনও বিদায় নেয়নি, তবে এবার শীতের তীব্রতা কমে এসেছে। আজ বুধবার ১৪ জানুয়ারি, আর এই মাসে শীতের স্বাভাবিক কমতি ছিল লক্ষ্যণীয়। সকালে ঠাণ্ডার পর দুপুরের দিকে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। এরই মধ্যে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রংপুর বিভাগে আজ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখা গেছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাত দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সকাল ৯টায় বলেছে যে, স্বাভাবিকভাবেই দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে আকাশ হালকা থেকে আংশিক মেঘঢাকা থাকতে পারে, তবে রংপুরসহ কিছু কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাত থেকে ভোর সময়ের মধ্যে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সাথে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে আর দিনের তাপমাত্রা পূর্বের মতই থাকতে পারে।

    আগামীকাল ২৯ জানুয়ারি দেশের আবহাওয়ায় পরিবর্তনের কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন না আসলেও, পরিস্থিতি একই রকম থাকতে পারে। তবে ৩০ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন অংশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে বলে ধারণা। এরপর ৩১ জানুয়ারি সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমবে। ১ ফেব্রুয়ারির দিকে তাকিয়ে থাকলে দেখা যাবে, সেই দিনেও তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তন হবে না।

    অবশেষে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল এবং চুয়াডাঙ্গায় — ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি, রাজশাহীতে ১১.৫ ডিগ্রি, রংপুরে ১৪ ডিগ্রি, ময়মনসিংহে ১৩.৫ ডিগ্রি, সিলেটে ১৪.২ ডিগ্রি, বরিশালে ১২.৬ ডিগ্রি, চট্টগ্রামে ১৫.৯ ডিগ্রি এবং খুলনায় ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • টেকনাফে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে দুই বাংলাদেশি কিশোর গুলিবিদ্ধ

    টেকনাফে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে দুই বাংলাদেশি কিশোর গুলিবিদ্ধ

    কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ঝিমংখালী এলাকায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে দুই বাংলাদেশি কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল ওই ইউনিয়নের কেউড়া বাগান।

    আহতরা হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কানজরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ সোহেল (১৩) ও মোঃ ওবাইদ উলাহ (১৫)। স্থানীয়রা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে তারা দুইজন কেউড়া বাগানে লাকড়ি কুড়াতে যায়। এতে মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হলে সেখান থেকে ছোড়া গুলি বাংলাদেশে এসে তাদের দাগে।

    বাসিন্দারা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে নেয়। বর্তমানে দুই কিশোরই ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোহেলের মামা মোঃ ইসমাইল জানান, এক কিশোরের পা ও বুকে এবং আরেকজনের বুকে গুলি লেগেছে; তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকা আতঙ্ক-grস্থ হয়ে পড়েছে।

    ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, সকালে মিয়ানমারের অভ্যন্তর থেকে গোলাগুলির আওয়াজ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে—প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ওই দুইজন সীমান্তের কাছাকাছি গেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সীমান্তে বিজিবির চেকপোস্ট ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

    এটির আগে গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে হুজাইফা আফনান নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। এরপরের দিন একই এলাকায় স্থল মাইন বিস্ফোরণে জেলে আবু হানিফের একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসব ঘটনায় সীমান্তবর্তী বসবাসকারীরা দীর্ঘদিন ধরেই ভয়-আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    পাশাপাশি মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বিমান হামলা, ড্রোন আক্রমণ, মর্টার শেল ও বিস্ফোরণের ঘটনা চলছেই। সরকারি জাঁতা বাহিনী মংডু টাউনশিপের আশপাশে আরাকান আর্মি (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে। আরাকান আর্মির সঙ্গে স্থলভাগে রোহিঙ্গাদের তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠীও সংঘর্ষে জড়িয়েছে—ফলত: সীমান্ত পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল ও উত্তেজনাপূর্ণ হচ্ছে।

  • ভোট উপলক্ষে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: মোটরসাইকেল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ, ট্যাক্সি-ট্রাক একদিন নিষিদ্ধ

    ভোট উপলক্ষে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা: মোটরসাইকেল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ, ট্যাক্সি-ট্রাক একদিন নিষিদ্ধ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চলাচলে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ইসি জানিয়েছে, মোটরসাইকেল চলাচল আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।

    আর ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত।

    নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে চিঠি দিয়েছে। চিঠি ইসির উপ-সচিব মনির হোসেন সই করেছেন।

    তবে সব ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা একইরকমভাবে কঠোর হবে না—কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে শিথিলতা থাকবে। ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে যে নিম্নোক্ত যানবাহন ও কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে বা অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে:

    – আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের যানবাহন।

    – অনুমোদিত পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকর্তাদের পরিবহন।

    – জরুরি সেবা নিয়ে নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ ও স্বাস্থ্যসামগ্রীর পরিবহন।

    – সংবাদপত্রবাহী সকল ধরনের যানবাহন।

    – বিমানবন্দরে যাওয়া বা বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসার জন্য আত্মীয়স্বজনসহ যাত্রীবাহী যানবাহন (টিকিট বা প্রযোজ্য প্রমাণ দেখাতে হবে)।

    – প্রতিদ্বন্দ্বী প্রত каждой প্রার্থীর জন্য স্থানীয় পর্যায়ে একটি যানবাহন এবং প্রতিটি নির্বাচনী এজেন্টের (যথাযথ নিয়োগপত্র/পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে) জন্য একটি যানবাহন, সব কিছুর জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন বাধ্যতামূলক।

    – নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে।

    – টেলিযোগাযোগ সেবা জরুরি সেবার আওতায় গণ্য করা হবে; তাই বিটিআরসি ও বিটিআরসি থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চলাচলে ছাড় পাবে।

    – জাতীয় মহাসড়ক, বন্দরসংলগ্ন সড়ক এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ রাস্তাগুলোতেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল রাখা হবে।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, এসব ব্যতিক্রম এবং চলাচলের অনুমোদন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ফেরি-অফিসার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের মাধ্যমে কড়াকড়িভাবে পরিচালিত হবে, যাতে নির্বাচনী কার্যক্রম নির্বিঘ্নে ও আইনগতভাবে সম্পন্ন করা যায়।

  • কোনো কারাবন্দিকে বৈষম্যের শিকার হতে দেওয়া যাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    কোনো কারাবন্দিকে বৈষম্যের শিকার হতে দেওয়া যাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    কারাবন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মৌলিক মানবাধিকারও অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে—এটাই জরুরি। এমন আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) গাজীপুরের কাশিমপুর কারা ক্যাম্পাসে অবস্থিত কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

    তিনি বলেন, ‘‘আধুনিক বিশ্বে কারা প্রশাসনে নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরস্পরের পরিপূরক। কারাগারে বন্দিদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে তাদের সংশোধিত নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বন্দিদের প্রতি মানবিক আচরণ, ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা, বৈষম্যহীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা কেবল আইনগত নির্দেশনা নয়—এটি রাষ্ট্রের নৈতিক দায়বদ্ধতার পরিস্ফুটন।’’

    উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘‘এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষিত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন কারারক্ষীদের ভূমিকা অপরিসীম। কারাগার হলো স্পর্শকাতর একটি প্রতিষ্ঠান এবং এটি অপরাধ দমন, অপরাধীর সংশোধন ও সামাজিক পুনর্বাসনের মাধ্যমে যুক্তব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।’’

    তিনি বললেন, বৈষম্যহীন, ন্যায্য, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কারা প্রশাসন গঠনে কারারক্ষীদের সততা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশপ্রেমের মননে নতুন প্রশিক্ষণার্থীরা এই আদর্শগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমনটাই তার আশা প্রকাশ করেন।

    লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘‘দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি কেবল আর্থিক ক্ষতি করেনা, বরং প্রতিষ্ঠানের ভিত নষ্ট করে এবং জনগণের প্রতি আস্থাকে ধ্বংস করে।’’ তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো কারা সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য কাজ করে, তাহলে সে শুধু আইন ভাঙে না—সে রাষ্ট্রের ভিত্তিকেও আঘাত হানায়। কারার প্রতি সংযুক্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী জনকল্যাণকেই সর্বোচ্চ ব্রত ধরে কাজ করবেন।

    অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা মহিলা কারারক্ষীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। সেখানে প্রশিক্ষণার্থীরা বিভিন্ন শারীরিক কসরত, ড্রিল ও প্রদর্শনী ক্যাপনেস দেখান।

    ৬৩তম ব্যাচের কৃতিত্ব তালিকায় ড্রিলে প্রথম স্থান অধিকার করেন লিজা খাতুন, পিটিতে (শারীরিক ফিটনেস) প্রথম হয়েছেন মোছা. রায়হানা আক্তার সুবর্ণা, আন-আর্মড কমব্যাটে প্রথম স্থান পেয়েছেন জুথি পারভীন এবং ফায়ারিংয়ে প্রথম হয়েছেন মানসুরা। একাডেমিসহ সর্ববিষয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মোছা. রায়হানা আক্তার সুবর্ণা।

    অনুষ্ঠানটি কারা প্রশাসনে মানবিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতার গুরুত্বকে সামনে রেখে আয়োজিত হয়—যা ভবিষ্যতে কারারক্ষীদের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

  • নির্বাচনি কর্মকর্তারা গণভোটে পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না: ইসি

    নির্বাচনি কর্মকর্তারা গণভোটে পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালাতে পারবেন না: ইসি

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সমবেত গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’—কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তবে ভোটারদের ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা যাবে।

    কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বলেন, রিটার্নিং অফিসার কমিশনের লোক; মাঠ পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার, ভ্রাম্যমাণ আদালত, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি—সবগুলো আসনে কাজ করছে। জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজসহ বিচারকরা তাত্ক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ ও বিচার করছেন। মোবাইল কোর্ট নিয়মিত চালু আছে এবং প্রতিদিনই কমিশনে রিপোর্ট আসছে; প্রতিদিনই ন্যূনতম ৫০–৭০টি মামলা দায়ের হচ্ছে, কোথাও জরিমানা হচ্ছেনা কোথাও শোকজ করা হচ্ছে—মোটকথা কার্যক্রম জোরালোভাবে চলছে।

    গণভোট সংক্রান্ত নির্দেশনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য হচ্ছে—we are encouraging voter participation. নির্বাচনি কাজে যারা নিয়োজিত, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করবে না। রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) ও অন্যান্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য—তারা প্রচারণা করতে পারবেন না; পক্ষে-বিপক্ষে যেতে পারবেন না।’

    সরকারি কর্মকর্তারা যদি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা চালান, সেটা কতটা আইনসঙ্গত—এ প্রশ্নে কমিশনার মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ নই।

    সিসিটিভি সংক্রান্ত আপডেট এখনও কমিশন পায়নি। তিনি জানান, মাঠ পর্যায়ে কোন কোন কেন্দ্রে সিসিটিভি সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে এবং কোথায় দেওয়া হয়নি তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে; সময় থাকা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এসে গেলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি সরলভাবে আবেদন রাখেন—সবাই ভোট দিন, আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে ভোট পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসারসহ সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ইউনিট ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, যাতে ভোটার নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে এসে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে এবং ভোটপরবর্তী সময়ে কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটে।

    জাতীয় পার্টি বা অন্য কোনো দলের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ক কোনো সরকারি আদেশ কমিশনের কাছে পৌঁছায়নি বলেও তিনি জানান। তাই কমিশন মনে করে, যারা নিবন্ধিত দল এবং যাদের মনোনয়নপত্র গৃহীত হয়েছে, তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

    রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার গ্রহণ করিয়েছেন—কমিশন বলছে, এ অঙ্গীকার কার্যকর হয়েছে এবং এর কারণে চলমান নির্বাচনী পরিবেশ তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার ও শান্তিপূর্ণ রয়েছে। তিনি যোগ করেন, অতীতের তুলনায় আচরণবিধি রক্ষা প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে নির্বাচনি পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত ভাল রয়েছে।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, তাকে আবারও ডিম ছুড়ে মারা হয়েছে এবং হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শান্তিনগর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে নির্বাচনি প্রচারণার জন্য যাওয়ার পথে তাকে এই হামলার শিকার হতে হয়। খবর অনুযায়ী, তিনি সকার থেকে শান্তিনগরের মাঝখানে তার নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এর সময় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে গেলে কিছু দুর্বৃত্ত তাকে ডিমের আঘাতে আঘাত করে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে তিনি তৎক্ষণাৎ ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমি আজ আমার ওপর ডিম ছোড়া হয়েছে, হামলারও চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের জন্য এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। হারানোর ভয়ে এইসব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাতিল করুন। মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সন্ত্রাস বন্ধ করুন। হাবিবুল্লাহ কলেজ মাঠে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলাচ্ছে—এ বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ভোটের দিন ১২ তারিখে সবাই যেন একত্রিত হয়ে গণজোয়ার সৃষ্টি করে দেশের জন্য নতুন সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সব সন্ত্রাস ও গুন্ডামি রুখে দেবো। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করব, সন্ত্রাস বন্ধ করুন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করুন। দুপুর ২টায় ডিম ছোড়ার প্রতিবাদে ফকিরাপুলে দলের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং বিকেল চারটায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী।

  • আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রসিকিউশনের এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য ট্রাইব্যুনাল এখন প্রস্তুত, এবং তা যেকোনো দিন ঘোষণা হতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অপর সদস্য হিসেবে ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার এই মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার চলমান ছিল। যুক্তিতর্কের শেষ বক্তব্যের পর এখন রায় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা যেকোনো সময়ে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার সকালেই বিচার কার্যালয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামসহ আরও কিছু আইনজীবী। অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ছিলেন অ্যাটর্নি আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসান ও অন্যরা।

    গত ২১ জানুয়ারি থেকে যুক্তিতর্কের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। এই তিন দিনের মধ্যে মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ দিক বিশ্লেষণ করা হয়। সাথে ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয় বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের CCTV ফুটেজ, যা juli ২০২৪ সালে আবু সাঈদ হত্যার সময় ধারণ করা হয়। এই ভিডিওগুলো থেকে আসামিরা কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে শনাক্ত করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, মামলায় ৩০ আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের বেকসুর খালাসের জন্য যুক্তি উপস্থাপন করেন।

    আজ সকালেই কারাগার থেকে ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন– এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে, আরও ২৪ জন পলাতক রয়েছেন, যার মধ্যে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদ রয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় ২০২২ সালের আগস্টে। এর আগে, ৬ আগস্ট, মামলার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের জন্য স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান ছিল। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয় ২৪ জুন, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কারাবন্দিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, কারাগারে বন্দিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই কাজের মাধ্যমে তারা সংশোধিত নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরতে পারে। তিনি বলেন, কারা নিরপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে, কেননা এই দুই বিষয় পরস্পর পরিপূরক। এর জন্য প্রশিক্ষিত, মানবিক ও দায়িত্বশীল কারারক্ষীদের ভূমিকা অপরিহার্য।