Category: জাতীয়

  • আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সকল মুসলমানের প্রতি আন্তরিক ঈদ মোবারক। তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানান ঈদের আনন্দ দুঃস্থ ও সুবিধাবঞ্চিতদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে, যাতে এই উৎসবের রং সবার জীবনেই ছড়িয়ে পড়ে।

    শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোর একটি। মাসব্যাপী রোজা, সিয়াম সাধনা ও আত্মসংযমের পর এ উৎসব আমাদেরকে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেয়। রমজান মাস ভগবানভক্তি, ত্যাগ এবং পরোপকারের অনন্য শিক্ষা দেয়; এ শিক্ষা আমাদেরকে সহমর্মিতা এবং সমাজের অসহায়দের কষ্ট বুঝতে শেখায়।

    তিনি বলেন, রোজার শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে প্রতিফলিত না হলে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য পূর্ণ হবে না। তাই ঈদকে হাতিয়ার করে সকল ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বন্ধনকে শক্তিশালী করতে হবে।

    ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার পরামর্শ দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘‘এই আনন্দোর দিনে আমরা যেন দরিদ্র, অস্বচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াই এবং তাদের সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগ করে নিই—এই প্রত্যয়ই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’’

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতাকে আরও দৃঢ় করে তুলবে। পাশাপাশি তিনি সবাইকে মিলেমিশে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করার আহ্বান জানান।

    শেষে তিনি ঈদের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত হওয়া এবং দেশ-জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া জানান।

  • প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শনিবার (২১ মার্চ) সরকারি বাসভবন যমুনায় সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি ১৯৭১ ও ’২৪ এ যারা শহীদ হয়েছেন তাদেরও গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঈদে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি যেন আমরা প্রত্যাশিত দেশ গড়তে পারি। জনগণ যে বাংলাদেশ দেখতে চায়, সেই দেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার নিরন্তরভাবে কাজ করবে—এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    বহু বছর পর নিজের মাটিতে ঈদ উদযাপনের সুযোগ পাওয়ার জন্য আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নাগরিকদের সুশৃঙ্খল ঈদ উদযাপনের জন্য দোয়া করেন।

    সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণই প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর মূল শক্তি—এমনটাই মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সকলকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। নির্বাচিত সরকার জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবে, সরকারের প্রতি মানুষের সহযোগিতা ও সমর্থন চাইবেন তিনি।

  • আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান

    আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। তিনি ঈদের আনন্দ গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোর একটি। মাসব্যাপী রোজা, ইবাদত ও সংযমের পর এই পবিত্র উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা বয়ে আনে।

    তিনি বলেন, রমজান মাস আমাদেরকে ত্যাগ, খেদমত, আত্মশুদ্ধি এবং সহমর্মিতার শিক্ষা দিয়ে থাকে। এক মাসের সাধনা মানুষের মধ্যে আত্মসংযম, অন্যের কষ্ট বোঝা এবং পরস্পরের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব জাগাতে সহায়তা করে।

    বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদে ধনী-গরিব, বড়-ছোট সব পার্থক্য ভুলে সবাইকে মিলেমিশে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

    ঈদে আনন্দ ভাগাভাগি করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, ‘‘এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগ করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’’

    তিনি আশা প্রকাশ করেন যে পবিত্র ঈদুল ফিতর জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সশক্ত করবে।

    তারেক রহমান সবাইকে আহ্বান করেছেন ঈদের মহান আদর্শকে ধারণ করে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে।

    তিনি দোয়া করেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত হোক এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেওয়া ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ঈদুল ফিতর মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর ঘনিয়ে আসা আনন্দের, শান্তি-সম্প্রীতির ও ভ্রাতৃত্বের দিন। পবিত্র রমজান মানুষকে সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়; এক মাসের সাধনা আমাদের সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে শেখায়।

    তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদে ধনী-গরিব, ছোট-বড়ের ভেদাভেদ মুছে ফেলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন শক্ত করার প্রতিশ্রুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে এই আনন্দের দিনে সমাজের দুর্বল ও সুবিধাবঞ্চিতদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়াই যেন আমাদের প্রধান কর্তব্য হয়—এটাই তাঁর মূল বার্তা।

    প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক। তিনি সকলকে ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করে তিনি দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করেন।

  • আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ঈদের আনন্দ গরিব, দু:স্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবগুলোর এক এবং মাসব্যাপী রোজা ও ত্যাগের পর এটি সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।

    তারেক রহমান বলেন, পবিত্র রমজান আমাদের সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা মানুষকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে ও অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করতে শেখায়, যা সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে।

    তিনি বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড়—সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।

    ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার সম্ভাব্য উপায়ে তিনি সবাইকে সমাজের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ আনন্দ সবার অংশ হতে দেয়ার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

    চেয়ারম্যান তারেক রহমান আরও বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও মজবুত করুক—এই কামনা ব্যক্ত করেন।

    তিনি সবাইকে ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অনুরোধও জানান।

    বার্তার শেষভাগে তিনি প্রার্থনা করেন যে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত হোক এবং দেশ ও জাতি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক; একই সঙ্গে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

  • তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা

    তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা

    বিএনপি নেতা তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সবাইসহ বিশ্বের সমস্ত মুসলিম জনতাকে ঈদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি শুক্রবার (২০ মার্চ) এক বাণীতে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানিয়েছেন।

    বাণীতে তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের দুই প্রধান ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর এ উৎসব আসে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে। রমজান মাস সিয়াম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়, যা মানুষের নৈতিকতা ও সহমর্মিতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তির পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে প্রতিফলিত হওয়া উচিত; এটাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। তিনি উৎসবের এই দিনে ধনী-গরিব, ছোট-বড়—সকল ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রতিজ্ঞা জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    বিএনপি নেতা সবাইকে অনুরোধ করেছেন যেন ঈদের আনন্দ বঞ্চিতদের সঙ্গে করে তাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করা যায়। ‘‘সমাজের অসহায় ও দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করাই আমাদের ঈদের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত,’’ ধরনের ভাবাবেগ তিনি ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, পবিত্র ঈদুল ফিতর জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি মানুষকে ঈদের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    বাণীর সমাপ্তিতে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করেন যে, আল্লাহ সকলের জীবনে ঈদের আনন্দ, রহমত ও বরকত বর্ষিত করুন; দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিন এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ নিশ্চিত করুন।

  • ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

    ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পদ্মা ও যমুনা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপার এবং টোল আদায়ের নতুন রেকর্ডের তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২০ মার্চ) সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের নেতৃত্বে পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফলে এই সাফল্য এসেছে। মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, সরকার ও মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং এ কাজে সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছেন।

    পদ্মা সেতুতে ২০২৬ সালের ১৭-১৯ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে মোট ১,১৯,৬৮২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে; এটি ২০২৫ সালের একই সময়কালের পরিসংখ্যার তুলনায় বেশি (২০২৫ সালে ছিল ১,০০,৮০২টি)। তিনদিনে মোট টোল আদায় হয়েছে ৳১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০। তার মধ্যে দৈনিক বিবরণ হলো:

    – ১৭ মার্চ: যানবাহন পারাপার ৩৮,৫১৭টি, টোল আদায় ৳৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০।

    – ১৮ মার্চ: যানবাহন পারাপার ৪১,৮৮৫টি, টোল আদায় ৳৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০।

    – ১৯ মার্চ: যানবাহন পারাপার ৩৯,২৮০টি, টোল আদায় ৳৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০।

    যমুনা সেতুতে ২০২৬ সালের ১৮ মার্চ একদিনে সর্বোচ্চ ৫১,৩৮৪টি যানবাহন পারাপার হয়; ২০২৫ সালের একই দিনে এটি ছিল ৪৮,৩৬৮টি। ঐ দিনে যমুনা সেতুতে মোট টোল আদায় হয়েছে ৳৩ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬০০, যা ২০২৫ সালের তুলনায় বেশি (২০২৫ সালে ছিল ৳৩ কোটি ৪৬ লাখ ২৭ হাজার ৮৫০)। চলতি বছরে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা দীর্ঘস্থায়ী যানজট ঘটেনি। সেতু কর্তৃপক্ষ এটিকে তাদের পরিকল্পনা ও তৎপরতার প্রতিফলন হিসেবে দেখেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ সফলতার পেছনে নেওয়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা ছিলঃ টোল কালেক্টরদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষ কর্মী নিয়োগ, সার্বক্ষণিক টোল লেন চালু রাখা, মোটরসাইকেল লেন বাড়ানো, নন-স্টপ ইটিসি সেবা কার্যকর করা, মাওয়া ও এলেঙ্গা বাস-বে উন্মুক্তকরণ, উন্নত সার্ভেইল্যান্স ক্যামেরা দিয়ে ট্রাফিক মনিটরিং, উচ্চ পর্যায়ের সার্বক্ষণিক মনিটরিং টিম গঠন, দুর্ঘটনা প্রতিহত ও দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা (কর্ণফুলী টানেল থেকে আনা ভারি রেকারসহ মোট তিনটি রেকার মোতায়েন), ইমার্জেন্সি টোল লেন চালু রাখা, এবং যাত্রীদের জরুরি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা। পাশাপাশি সেতুর প্রতি ৫০০ মিটার অন্তর নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন ও ইফতার সামগ্রী বিতরণের মতো সার্বিক সেবা চালানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বলেছে, এই কার্যক্রম ও প্রস্তুতিই ঈদযাত্রীদের নিরাপদ, দ্রুত এবং সুশৃঙ্খল যাত্রা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

  • ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায়

    ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায়

    পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় তিন দিনে পদ্মা সেতুতে ব্যাপক যানবাহন চলাচল ও রেকর্ড পরিমাণ টোল আদায় করা হয়েছে।

    গত মঙ্গলবার—শুরু হিসেবে ১৭ মার্চ থেকে বুধবার ১৮ মার্চ ও বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ পর্যন্ত মাওয়া ও জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৮২টি যানবাহন পারাপার করা হয়েছে। যেখানে ২০২৫ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮০২টি। একই সময়ের টোল আদায় হয়েছে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকা, যা ২০২৫ সালে ছিল ১২ কোটি ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা। ফলত চলতি বছরে টোল আদায়েও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার এবং পদ্মা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ নিলয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    দিনগুলোয় প্রতিদিনের বিবরণ অনুযায়ী, ১৭ মার্চ পদ্মা সেতু দিয়ে ৩৮ হাজার ৫১৭টি যানবাহন পারাপার হয় এবং টোল আদায় হয় ৪ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯০০ টাকা। ১৮ মার্চ ৪১ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন চলাচল করে, ওইদিন টোল আদায় হয় ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ২৫০ টাকা। ১৯ মার্চ ৩৯ হাজার ২৮০টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয় ৪ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫০ টাকা।

    মো. মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সমন্বিত ব্যবস্থাপনার ফলে পদ্মা সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ যানবাহন পারাপার এবং টোল আদায় সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি পদ্মা সেতু দিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক যানবাহন চলাচল ও সর্বোচ্চ টোল আদায়ের নতুন মাইলফলকও অতিক্রম করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত সচিব ও পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন শেখ জানান, টোল প্লাজায় একাধিক লেন সচল রাখায় যানবাহন দ্রুতগতিতে পারাপার করা সম্ভব হয়েছে, ফলে ঈদযাত্রায় আগের মতো ভোগান্তি কমেছে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উত্তরের অংশে যানজট নেই, যা ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও সেতু এলাকায় যাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করেছে।

    প্রসঙ্গত, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে ঈদকেন্দ্রিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে টোল আদায় ও যানবাহন চলাচলে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে, যা স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

  • নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

    নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে।

    চিঠিতে মোদি তারেক রহমানকে সম্বোধন করে লিখেছেন, “মহামান্য, ঈদ মোবারক!” তিনি ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তারেক রহমান এবং “বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণ”কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    মোদির ভাষ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে ভারতসহ বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা পবিত্র রমজান পালন করেছেন এবং রোজা ও প্রার্থনায় পবিত্র সময় অতিবাহিত করেছেন। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর উদযাপন আমাদের সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যের মতো চিরন্তন মূল্যবোধগুলোকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

    তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এই উৎসবে বিশ্বের জন্য শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য ও সুখের প্রার্থনা করা হয়। চিঠিতে মোদি বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করার আশাও ব্যক্ত করেছেন এবং তার সর্বোচ্চ সম্মানের আশ্বাস গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন

    রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন

    স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তিনি এই তথ্য দিয়েছেন বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি ঈদের নামাজ পড়বেন এবং প্রধানমন্ত্রীও নামাজে অংশগ্রহণের সম্মতি জানিয়েছেন—ফলে দুই ভিআইপিকে এক সঙ্গে নামাজ পড়তে দেখা যাবে। তিনি আরও জানান, জাতীয় ঈদগাহে মোট ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে, এতে নারী সামিল রয়েছেন এবং নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানান, ‘তারেক রহমান সম্মতি প্রকাশ করেছেন; তিনি সকাল সাড়ে আটটায় আমাদের সঙ্গে নামাজ পড়বেন।’ আগামী ঈদে জাতীয় ঈদগাহে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে কি না—এমন বিষয়গুলোও পরিদর্শনে দেখা হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।