Category: জাতীয়

  • মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: সামনে সবকিছুর দাম বাড়বে, মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে — মির্জা ফখরুল

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব: সামনে সবকিছুর দাম বাড়বে, মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে — মির্জা ফখরুল

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে আগামী দিনে সবকিছুর দাম বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, পরিস্থিতি আমাদের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হবে, সামনের দিনগুলো সহজ হবে না — তাই এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে।

    সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নেহা নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, কয়েকটি পাম্প ভাঙচুর হয়েছে; আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই কোনোভাবে মব তৈরি করতে দেবো না এবং মবকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। কেউ গায়ের জোরে আইনের বাইরে গিয়ে যাতে কোনো কাজ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।

    খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না, অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সতর্ক করে বলেন। তিনি আরও বলেন, এই খাল খনন কর্মসূচি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, স্থানীয় স্তরে মাছচাষ ও হাঁসপালনের সুযোগ সৃষ্টি করার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের প্রতিটি টাকা যেন জনগণের কল্যাণে যথাযথভাবে ব্যবহার হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

    ধর্ম আর রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘কিছু নেতা ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষের মন মাল্লামাল করে ভুল পথে নিয়ে যায়। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ধার্মিক; তারা ধর্মকে ব্যবসার কাজে দেখতে চান না। আমরা কাজ করতে এসেছি এবং কাজ করে যাবো। ধর্মের নাম করে কাউকে বেহেশতে নেওয়া যাবে না—আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া বেহেশতে যাওয়া সম্ভব না। সৎভাবে থাকতে হবে, হালাল রুজি খেতে হবে।’’

    কৃষি খাত নিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি গম ঝড়ে পড়ে গেছে, আলু বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — এটাই আমাদের কৃষকের দুর্ভাগ্য। এসব সমস্যা তারা ভোগ করছেন, আমরা বিষয়গুলো বুঝি। নির্বাচনের আগে দেওয়া কৃষি ঋণ মওকুফের প্রতিশ্রুতি কার্যকর করা হয়েছে, এবং কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে সারাদেশে কয়েক কোটি নারীকে কার্ড দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে তাঁরা বিভিন্ন সহায়তা পাবেন।

    নেহা নদীর পুনঃখনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলল হোসেন ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ২০ হাজার খাল খনন করে জনসাধারণের সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে এবং সকল প্রজেক্ট সম্পন্ন করা হবে।

  • কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান

    কুমিল্লার ট্রেন-বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসন কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় নিহত প্রতিটি পরিবারের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল পৌনে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্তের জন্য একটি ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে। সদস্যদের মধ্যে আছেন কুমিল্লা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ফারুক আলম, ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মমিন, কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এবং ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২১ মার্চ) রাত আনুমানিক রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া একটি মেইল ট্রেন মামুন পরিবহনের এক যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনায় ট্রেনটি বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার পর্যন্ত সরিয়ে নেয়। প্রথমে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে।

    দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে সারাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষও দুইটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এছাড়া ট্রেনটি উদ্ধার করতে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

  • কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত

    কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত

    কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে শনি-রাতের ট্রেন-মামুন পরিবহনের সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বইতে নিহতদের নাম নথিভুক্ত করা হয়।

    নিহতরা হলেন: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩); ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) ও তাঁর দুই মেয়ে খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪); চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬); যশোরের চৌগাছের ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তাঁর স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫); নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩); লক্ষ্মীপুর সদর এলাকার সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯); ঝিনাইদহ সদরের মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০); মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬); এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।

    ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে, যখন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনটি পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনটির আঘাতে বাসটি অন্তত আধা কিলোমিটার পর্যন্ত এগিয়ে যায়। দুর্ঘটনার শুরুতে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, পরে নিহতের সংখ্যা বাড়িয়ে মোট ১২ জন হয়।

    দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজে অংশ নেয়। ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ বিভিন্ন উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে তৎপরতা চালান। পরে সকাল ৮টার দিকে রেল যোগাযোগ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।

    ঘটনার পর রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান নিহতদের পরিবারকে প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এছাড়া দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানার জন্য তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুর্ঘটনায় প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হচ্ছে এবং কর্তৃপক্ষ দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের পাত্তা দেয়ার আশা করা হচ্ছে।

  • কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত

    কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত

    কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ঘটে যাওয়া ট্রেন-বাস সংঘটনে নিহত ১২ জনের নাম-পরিচয় রোববার (২২ মার্চ) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বইয়ে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    নিহতদের পরিচয়গুলো হলো: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩); ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) এবং তার দুই মেয়ে খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪); চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬); যশোরের চৌগাছার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫); নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩); লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সিরাজউদ্দোলার মেয়ে সায়েদা (৯); ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০); মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬); এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।

    ঘটনাটি ঘটেছিল শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে, যখন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া একটি মেইল ট্রেন ‘মামুন পরিবহন’ নামের যাত্রীবাহী বাসটিকে ধাক্কা দিলে বাসটি ট্রেনের সাথে ঝুলে অন্তত আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নেয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রথমে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও উদ্ধারকাজ জোরদার হওয়ার পর নিহতের সংখ্যা বাড়ে বারোতে।

    দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়; পরে আখাউড়া থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ বিভিন্ন ইউনিট উদ্ধার ও উদ্ধারোত্তর কাজে অংশ নেয়। রেলখাতের জরুরি কাজ শেষে সকালে প্রায় ৮টার দিকে সেখানকার রেল যোগাযোগ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হয়।

    ঘটনার দায়প্রাপ্তি নিরূপণের লক্ষ্যে রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং নিহত পরিবারগুলোর প্রত্যেককে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অনুদান ঘোষণা করেছেন। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্তের জন্য তিনটি আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছে; তদন্ত চলমান রয়েছে।

  • কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবার পাবেন ২৫ হাজার টাকা

    কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিবার পাবেন ২৫ হাজার টাকা

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসন কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় নিহতদের পরিবারকে প্রতি জন ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল পৌনে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটির মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ফারুক আলম, ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মমিন, কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এবং ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন।

    ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ৩টায় পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন মামুন পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দিয়ে বাসটিকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে পর্যন্ত নিয়ে যায়। প্রথম দিকে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়।

    দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম সার্কিটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষও ঘটনাটির তদন্তে দুটি আলাদা কমিটি গঠন করেছে। ট্রেন উদ্ধারের জন্য আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন পাঠানো হচ্ছে বলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানান। উদ্ধার ও তদন্ত কাজ চলছে।

  • কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা

    কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাবে ২৫ হাজার টাকা

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কুমিল্লায় ট্রেন ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে নিহত প্রত্যেক পরিবারের জন্য ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল পৌনে ৯টার দিকে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাফর সাদিক চৌধুরীকে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন — কুমিল্লা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ফারুক আলম, ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. মমিন, কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার এবং ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ইকবাল হোসেন।

    ঘটনাটি শনিবার (২১ মার্চ) ভোররাতে বিশ্বস্ত তথ্য অনুযায়ী ঘটেছে। রাত প্রায় ৩টার দিকে পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেন একটি মামুন পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাসকে আঘাত করে। ট্রেনটি বাসটিকে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।

    প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়ায়। দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামসহ সারাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনায় দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছে।

    রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, ট্রেন উদ্ধারের জন্য আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন পাঠানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা এবং ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে তৎপর রয়েছেন।

    জানা গেছে, মাঠে তদন্ত ও উদ্ধারকার্য অব্যাহত রয়েছে; কর্তৃপক্ষ আরও বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে।

  • কুমিল্লায় ট্রেন ধাক্কায় নিহত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত

    কুমিল্লায় ট্রেন ধাক্কায় নিহত ১২ জনের পরিচয় নিশ্চিত

    কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ১২ জনের নাম ও পারিবারিক পরিচয় পাওয়া গেছে। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বইয়ে তাদের নাম-পরিচয় নথিভুক্ত করা হয়।

    নিহতরা হলেন: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার সালামত উল্লার ছেলে মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩); ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) ও তার দুই মেয়েসহ খাদিজা (৬) ও মরিয়ম (৪); চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৪৬); যশোরের চৌগাছের ফকির চাঁদ বিশ্বাসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তাঁর স্ত্রী কোহিনূর বেগম (৫৫); নোয়াখালীর সুধারাম এলাকার মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩); লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সায়েদা (৯); ঝিনাইদহ সদর থেকে মুক্তার বিশ্বাসের ছেলে জোয়াদ বিশ্বাস (২০); মাগুরার মোহাম্মদপুর এলাকার ওহাব শেখের ছেলে ফচিয়ার রহমান (২৬); এবং চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মমিনুল হকের ছেলে তাজুল ইসলাম (৬৮)।

    অভিযোগ করা হয়, শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে রাত সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেনটি মামুন পরিবহন নামের যাত্রীবাহী বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রেনটি বাসটিকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। প্রথমে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে পানির মতো ছিটকে পড়া মানুষদের মধ্যে মৃতের সংখ্যা বাড়ে এবং মোট ১২ জন হিসেবে নিশ্চিত হয়।

    দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামসহ সারাদেশে অস্থায়ীভাবে রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। পরে আখাউড়া থেকে পাঠানো রিলিফ ট্রেন উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ বিভিন্ন উদ্ধারবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ চালায়। পরদিন সকাল সাড়ে আটটার দিকে রেল যোগাযোগ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।

    ঘটনার তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রেল কর্তৃপক্ষ রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান নিহত প্রতিটি পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন। এছাড়া দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নিরূপণের জন্য তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা ব্যস্ত সময় পার করছে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং আহতদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার কাজে। তদন্ত থেকে যে যে কারণগুলো প্রকাশ পাবে, সেগুলোই ভবিষ্যতে রেল নিরাপত্তা ও রেলক্রসিং ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে কাজে লাগানো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ

    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ

    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে শনিবার বিকেলে ঈদে ঘুরতে এসেছিল অনেক মানুষ; সেই সময় এক ড্রাম (বাঁশের) ব্রিজ ভেঙে পড়লে ব্রহ্মপুত্র নদে প্রায় শতাধিক মানুষ পড়ে যান। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে তিন শিশু নিহত হয়েছেন এবং দুই শিশু এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

    দূর্ঘটনা শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ থানার ভবনের সামনে নির্মিত ওই ড্রাম ব্রিজে ঘটে। স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছর ঈদের দিনে ওই এলাকার ব্রিজ ও আশপাশে মানুষের ঢল নামে; এ বছরও বিকেলে সেখানে অনেকে ভিড় করেন। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল; অতিরিক্ত মানুষের চাপের কারণে হঠাৎ সেটি ভেঙে পড়ে।

    নিহত তিন শিশুর মধ্যে রয়েছেন: কালুরচর এলাকার শের আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬), একই এলাকার মেয়ে খাদিজা (১২) এবং ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নালের মেয়ে মায়ামনি (১০)। স্থানীয়রা জানিয়েছে, ব্রিজ ভাঙার পরে অনেকেই সাঁতার কেটে তীরে উঠতে পেরেছেন, তবে কয়েকজন—বিশেষ করে শিশুরা—পানির বেগে ভেসে গিয়েছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং নিখোঁজদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধার ও অনুসন্ধান তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত করে দুর্যোগের প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান

    আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের মুসলমানদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। তিনি সবাইকে ঈদের আনন্দ গরিব ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, ঈদুল ফিতর হল মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোর একটি। মাসব্যাপী রোজা ও নিয়ামত সাধনার পর এ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।

    তিনি আরও বলেন, রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এক মাসের এই সাধনা আমাদের লোকের কষ্ট বোঝার, সহমর্মিতা ফিরিয়ে আনার এবং পরস্পরের প্রতি সহানুভূতির মনোভাব তৈরি করার অনুপ্রেরণা যোগায়।

    বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রমজানের শিক্ষা যদি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত হয়—তাহলেই ঈদের প্রকৃত মাহাত্ম্য সচল থাকে। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, বড়-ছোট সব ভেদভার ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভাইত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেয়।

    ঈদে আনন্দ ভাগাভাগি করার呼াহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদের এই দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই। সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা—এই প্রতিজ্ঞাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

    তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও শক্তকরে তুলবে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ঈদের মহান আদর্শের ভিত্তিতে সবাই মিলেমিশে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে কাজ করতে হবে।

    বার্তার শেষাংশে তিনি দোয়া করেন যে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত হোক এবং দেশ-জাতি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাক। পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।

  • জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত

    জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত

    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে একটি ড্রাম ব্রিজ ভেঙে পড়ে ব্রহ্মপুত্র নদে শতাধিক মানুষ ছিটকে পড়েছেন। ঈদের দিন বিকেলে ঘুরতে আসা ভিড় ও ব্রিজের দুর্বলতা মিলিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    ঘটনায় তিন শিশু নিহত হয়েছেন এবং আরও দুই শিশু এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্টরা। নিহত শিশুরা হলো— কালুরচর এলাকার শের আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৬), একই এলাকায় শের আলীর মেয়ে খাদিজা (১২) এবং ডাকাতিয়াপাড়ার জয়নালের মেয়ে মায়ামনি (১০)।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ঈদের সকালে ও বিকেলে ব্রিজ ও তার আশপাশে মানুষের চাপ ছিল বেশি। অতিরিক্ত সংখ্যক মানুষ দাঁড়িয়ে থাকায় হঠাৎ করে ব্রিজ ভেঙে গেলে অনেকে স্রোতে ভাসতে শুরু করে।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই সাঁতার কেটেই তীরে উঠতে সক্ষম হন, তবে কিছু শিশুকে দ্রুত উদ্ধার করা যায়নি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান শুরু করেন এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মুবিন খান বলেন, উদ্ধার কাজ চলমান আছে এবং নিখোঁজদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা এখনও ঘটনাস্থলে কাজ করছেন।

    স্থানীয়রা আহত ও নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করার জন্য এগিয়ে এসেছে এবং তদন্ত করে দায়িত্বশীলদের এ ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করছে। উদ্ধারকাজ ও নিখোঁজদের খোঁজ অব্যাহত রয়েছে।