Category: জাতীয়

  • সেনাপ্রধানের ঘোষণা: জাতি-ধর্মে ভেদাভেদ থাকবে না, এই দেশ সবার

    সেনাপ্রধানের ঘোষণা: জাতি-ধর্মে ভেদাভেদ থাকবে না, এই দেশ সবার

    সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, ‘এই দেশ সবার। আমাদের প্রাচীন ইতিহাসে দেখা যায় যে বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ি, বাঙালি ও উপজাতি সবাই মিলেমিশে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে এসেছেন। এই ঐতিহ্যের ভিত্তিতে আমরা ভবিষ্যতেও সবাই একসঙ্গে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করবো। এখানে কোনও জাতি বা ধর্মের বিভাজন থাকবে না। সকলেই এই দেশের নাগরিক, সকলের অধিকার সমান। আমরা চাই আমাদের সোনালী দিনের গল্প আবার যেন ফিরে আসে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই জন্মাষ্টমী উৎসবে হাজার হাজার ভক্ত উপস্থিত আছেন, বাদ্যযন্ত্রের আওয়াজে চারিদিক আয়োঁজা। এই আনন্দের অনুষ্ঠানে আমাদের সহযাত্রা ক্লান্তিহীন ও হৃদয়স্পর্শী। এই ঐতিহাসিক মিছিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোয় আমি মাননীয় সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’ সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন, ‘আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার হবে আমাদের দেশের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখব। এই দেশ সবার, আমাদের প্রতিজ্ঞা, সবাই একসঙ্গে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বাস করব। অনুষ্ঠানে নৌ ও বিমান বাহিনীপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি রয়েছে নবম পদাতিক ডিভিশন। আমরা সবাই একসঙ্গে থাকবো এবং আপনারা নিশ্চিন্তে দেশভাগে জীবনযাপন করবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে সেনাবাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, তারা সর্বদা আপনাদের পাশে থাকবেন। ধর্মীয় উৎসব বা অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবেন। এই আনন্দ উৎসবে আমরা সবাই অংশ নেবো এবং এই উৎসবের গৌরব বৃদ্ধি করবো।’ শেষে, তিনি ঘোষণা করেন যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ সবজায়গায় ছড়িয়ে পড়ুক, যেন আমাদের জীবন সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে যা বন্ধ হয়েছিল, সেই ঐতিহ্য আবার ফিরে এসেছে। সেনাবাহিনী সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে তিন বাহিনী প্রধান এই পবিত্র অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

  • চাঁদাবাজদের দেশে থাকতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    চাঁদাবাজদের দেশে থাকতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী দৃঢ় ভাষায় বলেছেন, চাঁদাবাজদের বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না। তিনি আরো জানান, বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজির కేసা বেশি হলেও, কেউই ছাড় পাবে না। যে কোনো বড় বা ছোট চাঁদাবাজকেই তিনি আইনের আওতায় নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    সোমবার (১৬ আগস্ট) সকালে আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার পরামর্শ দিতে গিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। যদি কেউ চাঁদাবাজের ধরা পড়েন বা এ ব্যাপারে তথ্য দেন, তবে তাকে দ্রুত আইনের হাতে তুলে দেয়া হবে। এ জন্য তিনি সাধারণ জনগণের সহযোগিতা চান, যাতে তাদের মাধ্যমে চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়া সম্ভব হয়।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনের সময় ব্যাপারটি সুরক্ষিত থাকবে। প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণা করেছেন, সেটাই চূড়ান্ত। কেউ এই বিষয়ে মতামত দিতে এসব দাবি অগ্রাহ্য করে তিনি জানান, এ বিষয়ে কোনো বিরতি বা পরিবর্তন হবে না। তার মতে, নির্বাচন সূচি যথাসময়ই অনুষ্ঠিত হবে।

    বাজার পরিস্থিতি নিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অতিরিক্ত বর্ষণের কারণে শাকসবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে লবণের মজুত থাকায় আলুর দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও জানান, কারওয়ান বাজার ও অন্যান্য বাজারে আলুর দাম ৪-৫ টাকার পার্থক্য থাকায় কৃষক ও ভোক্তা উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষক যদি ন্যায্য মূল্য না পান, তাহলে ভবিষ্যতে আলু উৎপাদন কমে যেতে পারে, যার ফলে দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী হবে। অধিকতর মধ্যস্বত্বভোগীদের জন্য কৃষক ও ভোক্তা উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

    পলিথিনের বিষয়ে তিনি বলেন, এর কোনো উপকারিতা নেই। এটি মাটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, পানি জমতে দেয় এবং সহজে নষ্টও হয় না। এজন্য তিনি সব মানুষের কাছে আহ্বান জানান, পাটের ব্যাগ চালু করার। এতে করে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং পরিবেশও সুস্থ থাকবে।

  • রাজশাহীতে সেনাবাহিনীর অভিযান: সাবেক মেয়র লিটনের ভাতিজাসহ আটক ৩

    রাজশাহীতে সেনাবাহিনীর অভিযান: সাবেক মেয়র লিটনের ভাতিজাসহ আটক ৩

    আজ শনিবার ১৬ আগস্ট, রাজশাহী সেনাক্যাম্প ৪০ ইস্ট বেঙ্গলের (মেকানাইজড) পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের খবর জানানো হয়েছে। রাজশাহী নগরীর কাঁদিরগঞ্জ এলাকার ডক্টর ইংলিশ নামে একটি কোচিং সেন্টারে চালানো এই অভিযানতে তিন জনকে আটক করে সেনাবাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু বিপজ্জনক অস্ত্র ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা জানান, এই অভিযানটি দীর্ঘ এক মাসের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। গোয়েন্দাদের মনোযোগ ছিল অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর।

    আটকরা হলেন, কোচিং সেন্টারের মালিক ও ইংরেজি শিক্ষক মোন্তাসেবুল আলম অনিন্দ্য, যিনি রাজশাহীর সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা খায়রুজ্জামান লিটনের ভাতিজা। আরও দুইজন হলো মো. রবিন এবং মো. ফয়সাল, যারা সন্দেহভাজন হিসেবে আটক হয়েছেন।

    অভিযানে tổng ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি, সামরিক মানের দুরবিন ও স্নাইপার স্কোপ, ছয়টি দেশীয় অস্ত্র, বিদেশি সাতটি ধারালো ডেগার, পাঁচটি উন্নতমানের ওয়াকিটকি সেট, একটি সামরিক মানের জিপিএস, একটি টিজারগান ও বিভিন্ন দেশি-বিদেশি কার্টিজ উদ্ধার হয়। এছাড়া বিপুল সংখ্যক অব্যবহৃত সিম কার্ড, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামাদি, ছয়টি কম্পিউটার সেট, নগদ অর্থ ৭ হাজার ৪৪৫ টাকা, বিভিন্ন ধরনের বিদেশি ও দেশি মদ ও ১১টি নাইট্রোজেন কার্টিজও পাওয়া গেছে। বিশেষ করে বিস্ফোরক তৈরির জন্য প্রস্তুত তাজা সামগ্রী বিভিন্ন ধরণের বিস্ফোরক বোমা বানানোর সরঞ্জাম বিস্ফোরণ অর্ধেক নিষ্ক্রিয় করা হয় বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটের মাধ্যমে।

    এই অভিযানটি এখনো চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনী বলেছে, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে রাজশাহীতে শান্তি ও নিরাপত্তা আরও সুসংহত হয়।

  • চিন্ময় কৃষ্ণের প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশের চেষ্টায় ৭ জনকে আটক

    চিন্ময় কৃষ্ণের প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশের চেষ্টায় ৭ জনকে আটক

    চট্টগ্রাম নগরীতে বর্ণাঢ্য ও সাংস্কৃতিকভাবে উৎসবমুখর আয়োজনে উদ্‌যাপিত হয়েছে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা। বিশাল অংকের মানুষ, তরুণ-তরুণী এবং বয়স্করা এই উপলক্ষে অংশ নেয়। তবে, শোভাযাত্রার মাঝপথে একটি বিশেষ ঘটনা ঘটেছে যখন কিছু ব্যক্তি চিন্ময় কৃষ্ণের প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সাতজনকে আটক করে।

    শনিবার (১৬ আগস্ট) ভোর সাড়ে ১০টার সময় নগরীর আন্দরকিল্লা থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। এটি ধীরে ধীরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান লালদিঘি, কোতোয়ালি, নিউ মার্কেট, রাইফেলস ক্লাব, নন্দনকানন ও চেরাগি মোড় দিয়ে প্রদক্ষিণ করে শেষ হয় আন্দরকিল্লার জেএম সেন হলে।

    পুলিশ ও আয়োজকদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শোভাযাত্রার মধ্যে কিছু ব্যক্তি চিন্ময় কৃষ্ণের প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণের চেষ্টা করেন। আয়োজকরা বিষয়টি নজরে আনলে পুলিশকে সতর্ক করে দেন। কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুল করিম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারা জানান, পুলিশ দ্রুত নির্দেশনা অনুযায়ী ওই ব্যক্তিদের হেফাজত করে। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য পরে আরও তথ্য দেয়া হবে।

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শাকিব-জয়াদের প্রতীকী জুতাপেটা উদ্বেগের ঝড় তুলল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শাকিব-জয়াদের প্রতীকী জুতাপেটা উদ্বেগের ঝড় তুলল

    ১৫ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে ‘শোকগাথা’ লিখে দেশের বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ পরিস্থিতির উত্তেজনাকর মোড় নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংস্কৃতি ও ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের অভিযোগ ওঠায় উচ্ছ্বসিত ছাত্র-জনতা। এই ঘটনা নিয়ে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই তারকারা ফ্যাসিস্ট শাসনের পক্ষে সোচ্চার হয়ে তাদের ছবি দিয়ে প্রতীকী জুতাপেটা করেছেন।

    শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে এক কর্মসূচি পালিত হয়, যেখানে একটি ব্যানারে ফ্যাসিজমের পক্ষে থাকা বিনোদন অঙ্গনের তারকা, সাংবাদিক ও চিত্র নির্মাতাদের ছবি দিয়ে প্রতীকী জুতাপেটা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন জনপ্রিয় তারকা, সাংবাদিক এবং শিল্পীরা, যারা একাত্ম হয়ে এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানান।

    ব্যানারে উল্লেখিত ব্যক্তিদের মধ্যে থাকছেন আওয়ামী সুবিধাভোগী অভিনেতা সঞ্চল চৌধুরী, অভিনেত্রী শমি কায়সার, শম্পা রেজা, জয়া আহসান, শামিম (মনা), জাহের আলভি, অরুণা বিশ্বাস, নাজিফা তুষি, সাজু খাঁদেম, মুমতাহিনা টয়া, সুনেরাহ বিনতে কামাল, পিয়া জান্নাতুল, আরশ খান, খায়রুল বাশার, ইরফান সাজ্জাদ, চিত্রনায়ক শাকিব খান, স্বাধীন খসরু, কচি খন্দকার এবং মেহের আফরোজ শাওন। এ তালিকায় আরও রয়েছেন সাংবাদিক শাহেদ আলম, আব্দুন নূর তুষার, জ. ই মামুন, আনিস আলমগীর, ফারাবী হাফিজ, লেখক সাদাত হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কামরুল হাসান মামুন, ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, সংগীতশিল্পী রাহুল আনন্দ, ব্যান্ডআরমসেলার লিংকন, এবং নাট্যকার সুমন আনোয়ার।

    অন্যদিকে, এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই সম্মিলিতভাবে সবকিছু শুরু করেছিলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়। তখন তারা বিপ্লবের পক্ষে কিছুদিনের জন্য অবস্থান নিলেও, এখন তারা নানা প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ সরকারের স্বৈরতন্ত্রের পুনর্বাসনে সহায়তা করছে বলে প্রশ্ন উঠছে। ১৫ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের এই প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে তারা সক্রিয় হয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রতি নীরব সমর্থন জানিয়ে ছবি ও ক্যাপশন পোস্ট করছেন। এই সব প্রকাশ্যে আসার ফলে বিপ্লবের পক্ষের শক্তির কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন তারা। সাম্প্রতিক এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর যারা আজ শোক দিবস পালন করেছেন, তাদের উত্তরায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হলো। উত্তরার ছাত্র-জনতা তাদের শুটিং করতে দেবে না এবং এ ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

    প্রসঙ্গত, রাজধানীর উত্তরায় অনেক শুটিং হাউস রয়েছে, যেখানে দেশের বড় সংখ্যক টিভি নাটকের শুটিং হয়। এই ঘটনা এখন সামাজিক আলোচনায় এসে দাঁড়িয়েছে এবং শুটিং নির্মাণ সংস্থা ও প্রকৌশলীদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

  • সকাল থেকেই বার্ন ইনস্টিটিউটে রক্তদাতাদের ঢল

    সকাল থেকেই বার্ন ইনস্টিটিউটে রক্তদাতাদের ঢল

    উত্তরায় বিমান দুর্ঘটনার পর আহতদের সহায়তার জন্য রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনলাইনের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিল রক্তদানসহ বিভিন্ন সহায়তার আহ্বান।

    রাতের পর আহতদের রক্ত দিতে মঙ্গলবার সকালেও জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভিড় জমাচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ।

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

    সরেজমিনে দেখা যায়, ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা রক্তদাতাদের নাম ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছেন। জানা গেছে, ঢাকার বাইরে থেকে যারা রক্ত দিতে এসেছেন তাদের বেশিরভারেই রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ। নেগেটিভ গ্রুপের রক্তের সংকট থাকায় নিজ তাগিদে তারা ঢাকায় ছুটে এসেছেন বলে জানিয়েছেন।

    রোভার স্কাউটের সদস্য মো. হাসান বলেন, আমরা এখন নাম এন্ট্রি করছি। ৮ম তলা থেকে সংকেত এলে একে একে ব্লাড নেওয়া হবে। কিছুক্ষণের মধ্যে বুথ প্রস্তুত হবে।

    মৌলভীবাজার থেকে ঢাকায় ছুটে এসেছেন খালেদ আহমেদ নামে এক ডেইরি ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, আমার রক্তের গ্রুপ ‘ও’ নেগেটিভ। শুনলাম এই গ্রুপের রক্ত বেশি দরকার। তাই দেরি না করে চলে এসেছি। শিশুগুলো যেন সুস্থ হয়ে ওঠে, এই প্রার্থনায় রক্ত দিতে এসেছি।

    কেরানিগঞ্জের একটি মাদরাসা থেকে বন্ধুদের নিয়ে এসেছেন সালমান। তিনি বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে এসেছি। নাম এন্ট্রি হয়ে গেছে। ডাক পেলেই রক্ত দেবো। কোনো শিশু যেন রক্তের অভাবে মারা না যায়।

    যাত্রাবাড়ী থেকে আসা বিন ইয়ামিন বলেন, রক্ত না পেয়ে কেউ কষ্টে থাকবে আর আমরা বসে থাকবো—এটা হতে পারে না। তাই ছুটে এসেছি।

    নারীরাও এসেছেন রক্ত দিতে। কেরানীগঞ্জের নজরগঞ্জ থেকে আসা আজিজা বলেন, আমি ও আমার এক আত্মীয় এসেছি রক্ত দিতে। আরও কয়েকজন রওনা দিয়েছেন। আমরা চাই, শিশুরা বাঁচুক, সুস্থ হয়ে উঠুক।

  • মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

    মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

    আজ মঙ্গলবারের (২২ জুলাই) এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। মঙ্গলবার মধ্যরাতে তার ফেসবুক আইডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, “শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয়ের সাথে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মাহফুজ আলমের সাক্ষাত হয়েছে। আজকের (মঙ্গলবার) এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা। এডমিন।”

  • উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় শোক

    উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রীয় শোক

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মঙ্গলবার(২২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং দেশের এই শোকাবহ মুহূর্তে সংহতি প্রকাশে অন্তর্বর্তী সরকার এই  সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোমলমতি শিশু ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় সরকার গভীরভাবে শোকাহত। এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। শোক দিবসে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

    এছাড়া, নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য মঙ্গলবার দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

    এর আগে, সোমবার দুপুর ১টার কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুলের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে ভবনে আগুন ধরে যায়। তখন ভবনটিতে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। এতে ঘটনাস্থলেই বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরাও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দেয়। আহতদের দ্রুত হেলিকপ্টারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। আহত হয়ে শতাধিক ব্যক্তি এখনও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • আজ রাষ্ট্রীয় শোক, সারাদেশে বিশেষ প্রার্থনা

    আজ রাষ্ট্রীয় শোক, সারাদেশে বিশেষ প্রার্থনা

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় আজ মঙ্গলবার এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় রাষ্ট্রীয় শোক পালনের বিষয়টি জানানো হয়।

    বার্তায় বলা হয়, শোক পালনের উদ্দেশ্যে দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। পাশাপাশি সব সরকারি, বেসরকারি ভবন ও বিদেশে বাংলাদেশি মিশনেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এছাড়া আহত ও নিহতদের জন্য দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

    রাষ্ট্রপতি-প্রধান উপদেষ্টার শোক :রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। গতকাল সোমবার পৃথক শোকবার্তায় তারা নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

    শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। এ দুর্ঘটনায় বিমানসেনা ও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। জাতির জন্য এটি একটি গভীর বেদনার ক্ষণ। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালসহ সব কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ দেন। সরকার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সকল ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে বলে জানান।’

    বিভিন্ন দল ও সংগঠনের শোক :বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘মাইলস্টোন কলেজে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় আমরা শোকাহত। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে একটি শিশু, কিশোর কিংবা তরুণ তার শিক্ষা, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিয়ে আশাবাদী হয়ে ওঠে, সেই পরিবেশে এমন ভয়াবহতা কখনো কাম্য নয়। এ ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’ এ সময় তিনি বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এই দুঃসময়ে আমাদের জাতি হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে।’

    শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার, ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তারা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম বিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় শোক জানিয়েছেন।

    এক শোক বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনায় শোক জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। আমি নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করছি, আল্লাহ যেন তাদের এই বিশাল শোক সহ্য করার ক্ষমতা দান করেন।’ বিবৃতিতে তিনি বিমান দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

    গতকাল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। এছাড়া আজ বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

    এদিকে জামায়াত ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস, নেজামে ইসলামসহ কয়েকটি দল থেকে পৃথক শোকবার্তা দেওয়া হয়। গতকাল দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে চলমান জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা বিমান দুর্ঘটনার পরপরই মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে সরকারকে আহত ও নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বলেন। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।’

    শোক প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম হতাহতদের উদ্ধার ও চিকিৎসায় দলের নেতাকর্মীদের সহায়তার নির্দেশ দেন। গতকাল এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের হতাহতদের চিকিৎসায় সহায়তা, রক্তদান, অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত এবং উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সব বাহিনীকে সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। এছাড়া জাতীয় যুবশক্তি ও এনসিপির ডক্টরস উইংকে আহতদের সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘আহত ব্যক্তিদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধবিমানের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পুনর্বিবেচনা করতে হবে, না হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।’ অতীতে প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার কথা জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, বিমানগুলোর পরীক্ষানিরীক্ষা করে যেন প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

    এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে শোক জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম (অব.), জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, জাতীয় পার্টির (জাপা) জ্যেষ্ঠ নেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ও মুজিবুল হক চুন্নু, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জনতা পার্টি বাংলাদেশ-জেপিবির নির্বাহী চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন ও মহাসচিব শওকত মাহমুদ,  জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের প্রধান মোস্তফা জামাল হায়দার, জাকের পার্টি চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল এবং এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান।

    ফেসবুক জুড়ে ‘প্রে ফর মেইলস্টোন’: প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের শোক ও সমবেদনা জানান। অনেকেই নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস ও প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করেছেন।  ‘প্রে ফর মাইলস্টোন’ শিরোনামে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় হাজার হাজার পোস্ট শেয়ার করা হয়। আবার অনেকে শোক প্রকাশের পাশাপাশি আহদের জন্য প্রয়োজনীয় রক্তসহায়তা চেয়ে পোস্ট দেন।

  • ‘নিহত ২৭ জনের মধ্যে ২৫ জন শিশু’

    ‘নিহত ২৭ জনের মধ্যে ২৫ জন শিশু’

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহত ২৭ জনের মধ্যে ২৫ জন শিশু বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান।

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    নিহত বাকি দুইজনের মধ্যে একজন পাইলট, অপরজন শিক্ষিকা বলে জানান তিনি।

    চিকিৎসার সব রকমের প্রস্তুতি আমাদের আছে জানিয়ে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় আহত হয়ে এখন পর্যন্ত ৭৮ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    বার্ন ইউনিটে দুইজন ভেন্টিলেশনে আছে বলেও জানান তিনি।