Category: জাতীয়

  • সিআইডির জালে ধরা পড়লো মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের স্বপন, সম্পদ জব্দ

    সিআইডির জালে ধরা পড়লো মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের স্বপন, সম্পদ জব্দ

    অবশেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি সিন্ডিকেটের প্রধান রুহুল আমিন (স্বপন) ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে। বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র স্পেশাল জজ এই সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন, যেখানে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাদের আবেদনটি গ্রহণ করা হয়।

    সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, মালয়েশিয়ায় জনশক্তি প্রেরণের জন্য গঠিত এই সিন্ডিকেটটি প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করেছে। তারা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দ্বারা বিভিন্ন বাড়ি ও জমি ক্রয় করে অঢেল সম্পদশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রধান অভিযুক্ত রুহুল আমিন (স্বপন) মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধেও জড়িয়ে পড়েছেন।

    জসীম উদ্দিন খান আরও বলছেন, রুহুল আমিনের মালিকানাধীন ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে বেশ কিছু জমি অর্জিত হয়েছে। তার মালিকানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বনানী ও উত্তরা এলাকার সাতটি দলিল মূল্যের মোট পরিমাণ ১৫ কোটি ৫৫ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। এই জমিসহ বিভিন্ন অবকাঠামোসহ মোট ৫০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে।

    এছাড়া, এই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে, అలాగే তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

  • খাগড়াছড়িতে মা ও মেয়েকে গলা কেটে নির্মম হত্যাকাণ্ড

    খাগড়াছড়িতে মা ও মেয়েকে গলা কেটে নির্মম হত্যাকাণ্ড

    খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পূর্ব বাগানটিলা এলাকার একটি বাসায় মা ও মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গভীর রাতে, বুধবার (২০ আগস্ট)। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন ৯৫ বছর বয়সী আমেনা বেগম এবং তার ৪২ বছর বয়সী মেয়ে রাহেনা বেগম।

    প্রতিবেশীরা জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে গরু, হাঁস-মুরগি বাইরে না আসায় তারা যখন ঘরে প্রবেশ করেন, তখন ভেতরে মরদেহ দেখতে পান। স্থানীয়রা এই অপ্রীতিকর দৃশ্য দেখে চিৎকার করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।

    পরিবারের বিষয়ে জানা গেছে, আমেনা বেগমের মোট দুই মেয়ে ও পাঁচ ছেলে রয়েছে। তবে পারিবারিক ঝগড়া ও জমিজমা লিখে দেওয়ার বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কিছু দিন ধরেই বিরোধ চলছিল।

    রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মঈন উদ্দীন জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে এবং এসকল আলামতগুলো ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য সিআইডিকে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন।

  • তারেক-বাবরের খালাসের বিরোধিতা: আপিলের রায় ৪ সেপ্টেম্বর

    তারেক-বাবরের খালাসের বিরোধিতা: আপিলের রায় ৪ সেপ্টেম্বর

    আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় সকল আসামির খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী রায়ের জন্য ৪ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে বেঞ্চে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করা হয়।

    এর আগে, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানি চলাকালে তারেক রহমান এবং বাবরের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা চূড়ান্ত রায় পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন এবং মামলার বিভিন্ন অসামঞ্জস্যতা তুলে ধরেন। তারা ধারণা করেন, সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে আসামিরা খালাস পাবেন বলে তারা আশা করেন।

    গত ৩১ জুলাই একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের দ্বিতীয় দিন শেষ হয়।

    মামলার পটভূমি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি নিম্ন আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি তারেক রহমান ও অন্যান্য ১৮ জনসহ মোট ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নির্ধারিত করেন। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৯ জনের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ ও সামরিক কর্মকর্তাসহ আরও অনেকেই।

    উচ্চ আদালতের এই রায়টির বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে দরখাস্ত দেন রাষ্ট্রপক্ষ। ২০২৩ সালের ১ জুন আপিল বিভাগের অনুমোদনের মাধ্যমে মামলার শুনানি শুরু হয়।

  • প্রাইভেটকার উল্টে মুন্সীগঞ্জে তিনজনের মৃত্যু

    প্রাইভেটকার উল্টে মুন্সীগঞ্জে তিনজনের মৃত্যু

    ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকায় বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকালে দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার উল্টে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। নিহত ও আহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    প্রথমিকভাবে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের মাওয়া থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল ওই প্রাইভেটকারটি। পথেব্যথা চলার সময় শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর এলাকায় তার চাকা পাংচার হয়ে যায়। এর ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বিভাজনের সাথে ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। পরে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা আরও একজনের মৃত্যু ঘোষণা করেন। আহত অপর ব্যক্তির অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    দেওয়ান আজাদ জানান, প্রাইভেটকারটি যখন ঢাকার দিকে যাচ্ছিল, তখন দ্রুতগতির জন্য নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। এই দুর্ঘটনার ফলে প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তা অবরুদ্ধ থাক Thankfully হয় আরও কিছুক্ষণ পর উদ্ধার কাজ শেষ হওয়ার পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এখনো নিহত ও আহত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    অপরদিকে, হাসারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল কাদের জিলানী জানান, মাওয়া থেকে ঢাকামুখী গাম্ভীর্যপ্রথা ও ঝুঁকি এড়াতে হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটি সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং বর্তমানে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক।

  • নতুন মামলায় গ্রেফতার পলক-আতিক, কিরণের রিমান্ড মঞ্জুর

    নতুন মামলায় গ্রেফতার পলক-আতিক, কিরণের রিমান্ড মঞ্জুর

    জুলাই মাসের আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে হোসেন নামে এক ট্রাক চালকের মৃত্যু ঘটনার ধারাবাহিক মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহম্মেদ পলক এবং উত্তরা পূর্ব থানার এসআই আতিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ মিজবাহ উর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

    এর আগে আদালতে পলক ও আতিককে গ্রেফতার করার জন্য আবেদন জানানো হয়। উল্লেখ্য, গত ৪ জুন তাদের সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। শুনানির দিন বুধবার এ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তেমনি কিরণের বিরুদ্ধে ৬ দফা ধার্য্য ছিল এবং তার রিমান্ডের শুনানি আজকেরদিনে অনুষ্ঠিত হয়।

    সকাল সাড়ে ১০ টায় শুনানি শুরু হয়। প্রথমে পলককে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর আতিক ও কিরণের মামলার শুনানি চলে। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বৈধতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর ১৮ জুলাই সারাদেশে মোট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে। এই সময়ে উত্তরা এলাকায় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা গুলি করে প্রাণহানি ঘটায়, বিশেষ করে কিরণ সহ অন্যান্যরা। কিরণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তদন্তের সুবিধার্থে তার রিমান্ডে নেওয়া জরুরি, তাই সর্বোচ্চ সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের দাবি করেন তিনি।

    অপরদিকে, কিরণের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান। তিনি বলেন, গত ৪ জুন রিমান্ডের আবেদন করা হলেও আজ প্রায় ১১৭ দিন পরে শুনানি হচ্ছে, যা আইনগতভাবে প্রশ্নাতীত। তিনি জানান, তিনি এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁর জন্য বর্তমান পরিস্থিতি খুবই কঠিন। তাই রিমান্ড বাতিল করে জামিনের জন্য আবেদন করেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এসআই আতিকুর রহমান বলেন, এই আসামিকে আদালতে হাজির করতে ছয়বার প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে, কিন্তু অনিবার্য কারণে তার উপস্থিতি সম্ভব হয়নি। জেল সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। আজ তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

    অথচ, আদালত কিরণের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ও আতিকের গ্রেফতার দেখানোর আবেদনও অনুমোদন দেন।

    অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, আন্দোলনের সময় ১৮ জুলাই উত্তরা পূর্ব থানার চার নম্বর সেক্টরে এক ব্যবসায়ী ইশতিয়াক মাহমুদসহ অন্যরা অংশগ্রহণ করেন। ওই দিন তিনি ও অন্যরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়। গুলিবর্ষণে ইশতিয়াকের পেটে গুলি লাগে, তিনি দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

    তাছাড়া, ২৯ অক্টোবর ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    মোহাম্মদপুরে ১৯ জুলাই গুলিতে ট্রাকচালক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা রিনা বেগম ৩১ আগস্ট মামলা দায়ের করেন।

  • জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮০ জনের মৃত্যু: বিআরটিএ

    জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮০ জনের মৃত্যু: বিআরটিএ

    জুলাই ماهে দেশজুড়ে মোট ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৮০ জন, আহত হয়েছেন আরও ৫৪২ মানুষ। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ סাদ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, এসব দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে।

  • সব চ্যালেঞ্জ মুখোমুখি, সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    সব চ্যালেঞ্জ মুখোমুখি, সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে, যতই চ্যালেঞ্জিং হোক না কেন, আমাদের সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একসঙ্গে উদ্যোগ গ্রহণ এবং এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য প্রকাশিত ‘যৌথ ঘোষণাপত্র’ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব খুবই বেশি কারণ এটি স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত জাতি গঠন ও দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি অপরিহার্য। না হলে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত সম্ভব নয়। তাই, যে কোনো পরিস্থিতি হোক বা যতই চ্যালেঞ্জিং হোক, আমাদের অবশ্যই সুস্থ ও শক্তিশালী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি, বেসরকারি, সুশীল সমাজ, আন্তর্জাতিক ও সমাজসেবা সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা—সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে অসংক্রামক রোগ দিন দিন বিস্তৃত হয়ে চলেছে। বাংলাদেশের স্থান ও জনগোষ্ঠীর অবস্থান ভৌগোলিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই পরিস্থিতি আরও সংকটময় করে তুলেছে। এ কারণে এটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত জরুরি বিষয়, যা শুধু স্বাস্থ্য খাতেরই না, বরং দেশের অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নেও গভীরভাবে জড়িত।

    ড. ইউনূস সাধারণত: বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২২ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ ঘটে অসংক্রামক রোগের কারণে, যেখানে ৫১ শতাংশ মারা যান ৭০ বছরের নিচে, যাকে আমরা অকাল মৃত্যু বলে থাকি। দেশের ব্যক্তিগত চিকিৎসা ব্যয়ের অনেকাংশই যাচ্ছে এই রোগের কারণে। একজনের ক্যানসার বা অন্যান্য গুরুতর রোগ হলে পরিবারকে অনেক অর্থ সংগ্রহ করতে হয় এবং অনেক সময় বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে চিকিৎসা করাতে হয়। একারণে দেশের অনেক অর্থ খরচ হয় বিদেশী চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে। এজন্য অত্যন্ত জরুরি, রোগের প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই কাজের জন্য একা স্বাস্থ্য বিভাগ সক্ষম নয়; সকল মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। খাদ্য, কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, গণপূর্ত—প্রত্যেকটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রত্যেকখাতে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণের দরকার। এ জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় চিহ্নিত করে তার উপর জোরদার নজরদারি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে শুধুমাত্র সচেতন থাকলেও কাজ হয় না; বাস্তবতা হলো জীবনের প্রতিটি দিকের উপর এর প্রভাব পড়ছে। তরুণ সমাজের ওপর তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতা জরুরি, না হলে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়বে।

    সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হয়ে চিনি বা অন্য খাদ্য উপাদানের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। নাগরিক সমাজ, যুবশক্তি ও নারীদের স্বাস্থ্যবান্ধব নীতিমালা ও কার্যক্রমের অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণ গড়ে তুলতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে বলেন।

    তিনি বলেন, ‘যৌথ ঘোষনা’ বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কারিগরি সহযোগিতা দরকার। তিনি বিশ্বাস করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেল থেকে এই উদ্যোগের সফলতার সম্ভাবনা বেশি। এ জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। স্বাক্ষরকারী মন্ত্রণালয়গুলোকে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে বলেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    একই সঙ্গে, তিনি বলেন, প্রতিটি কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের জন্য গভীর মনিটরিং, উপযুক্ত জনবল ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন অপরিহার্য। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা বাড়াতে আহ্বান জানান।

    অবশেষে, তিনি বলেন, ‘যৌথ ঘোষণা’ স্বাক্ষর মাধ্যমে আমরা দেশের জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করলাম। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক আন্তরিক উদ্যোগ। এর সফল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য আরও উন্নত হবে এবং এটি দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৪১ জন অতিরিক্ত কর কমিশনারকে একযোগে নতুন কর্মস্থলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই বদলি কার্যক্রমটি দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে, যাতে কর্মকর্তারা অবিলম্বে নতুন পরিবেশে যোগদান করতে পারেন। মঙ্গলবার এনবিআর কর প্রশাসন থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এত সংখ্যক কর্মকর্তাদের একসঙ্গে স্থানান্তর এর আগে দেখা যায়নি।

    বদলির এই প্রক্রিয়ায় ঢাকার বিসিএস (কর) একাডেমির পরিচালক হাফিজ আল আসাদকে ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে। একইভাবে, শেখ শামীম বুলবুল নরসিংদী কর অঞ্চল, ছায়িদুজ্জামান ভুঞা নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল, বেগম হাসিনা আক্তার খান গাজীপুর কর অঞ্চল, মর্তুজা শরিফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৬, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ঢাকার কর অঞ্চল-১সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

    এছাড়াও, মোঃ নাসেরুজ্জামান ঢাকার কর অঞ্চল-২, মোঃ মিজানুর রহমান চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-১, মোঃ নাঈমুর রসুল চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-২, ফখরুল ইসলাম খুলনা কর অঞ্চল, আশরাফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৩, মোহাম্মদ শাহ্ আলম ঢাকার কর অঞ্চল-৪, মির্জা মোহাম্মদ মামুন সাদাত ঢাকার কর অঞ্চল-১১, মোহাম্মদ আব্দুল­াহ খুলনা কর আপিল অঞ্চল, মিজানুর রহমান ঢাকার কর অঞ্চল-১৫, মোঃ মঈনুল হাসান এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে, ইভানা আফরোজ সাঈদ ঢাকার কর অঞ্চল-৮, তাহমিনা আক্তার ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-৩, শামীমা পারভীন এনবিআরের সিআইসি, সাহেদ আহমেদ চৌধুরী বড় করদাতা ইউনিটে, ফারজানা সুলতানা ঢাকার কর অঞ্চল-১৪, শামীমা আখতার ঢাকার কর অঞ্চল-১০, মৌসুমী বর্মন কর পরিদর্শন অধিদপ্তরে, মোঃ আবদুর রাজ্জাক ঢাকার কর অঞ্চল-১৬, মোঃ জসীমুদ্দিন আহমেদ ঢাকার কর অঞ্চল-১২, তারিক ইকবাল ঢাকার কর অঞ্চল-৭, মোঃ ফারুকুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-২, মাসুম বিল্লাহ ঢাকার কর অঞ্চল-২১, সারোয়ার মোর্শেদ ঢাকার কর অঞ্চল-২৩, মাসুদুল করিম ভূঁইয়া ঢাকার কর অঞ্চল-১৮, মেহেদী হাসান ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-১, হাছিনা আক্তার চট্টগ্রাম কর আপিল, শান্ত কুমার সিংহ ঢাকার কর অঞ্চল-১৭, রিগ্যান চন্দ্র দে’কে বিসিএস (কর) একাডেমি, ফারজানা নাজনীন কুমিল্লা কর অঞ্চল, সুমন দাস এনবিআর এর প্রথম সচিব, শেখ মোঃ কামরুজ্জামান কর পরিদর্শন পরিদপ্তর, তাপস কুমার চন্দ বৃহৎ করদাতা ইউনিট, মোঃ মোশাররফ হোসেন দিনাজপুর কর অঞ্চল, মোঃ আব্দুল মালেক ঢাকার কর অঞ্চল-৫ এবং আরিফুল হক রাজশাহী কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

  • ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    দুদক অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগ তুলেছে যে, ঋণের নামে মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা। অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্র“পের মালিক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, পাশাপাশি ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক দুই পরিচালক রন হক শিকদার ও রিক হক শিকদারসহ মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। যে মামলাটি মঙ্গলবার ঢাকাপ্রদর্শন করে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১)। সংস্থাটির মহাপরিচালক মোঃ আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজন ও ব্যবসায়ী যারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেন। এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা আন্তর্জাতিক মানের জালিয়াতি ও অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন কৌশলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ১০ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলন করে। এরপর তারা এই অর্থের পরিমাণ সুদসহ এখন মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। এই অর্থের মধ্যে কিছু অর্থ পরবর্তীতে অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করা হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং কর্মকাণ্ডের অংশ। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড বিধি ৪০৯, ৪২০, ১০৯, ১২০খ, এছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪১৮ জন: রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট

    জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় মোট নিহত ৪১৮ জন: রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের রিপোর্ট

    জুলাই মাসে দেশে চলন্ত গাড়ি ও যানবাহনের দুর্ঘটনা ঘটে ৪৪৩টি, যেখানে নিহত হয়েছেন ৪১৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৮৫৬ জন। এই তথ্য প্রকাশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। তারা জানিয়েছে, নিহতের মধ্যে নারী রয়েছেন ৭২ জন (১৭.২২%) এবং শিশু ৫৩ জন (১২.৬৭%)। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে, এর মধ্যে নিহত ১০৯ জন, যা মোট মৃত্যুর প্রায় ২৬.০৮ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার এখন ২৯.৫৭ শতাংশ, যা সাধারণ দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। পথচারী হিসেবে নিহত হয়েছেন ৯২ জন, অর্থাৎ ২২ শতাংশ, আর যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫৬ জন, যা ১৩.৪০ শতাংশ। এছাড়াও, এই সময়ের মধ্যে চারটি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জনের প্রাণ হারিয়েছেন। রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ জন এবং আহত ৭ জন।

    রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে দেশের ৯টি প্রধান দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং তাদের নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, যার মধ্যে ২৬.০৮% ঘটেছে। এর পর রয়েছে বাস দুর্ঘটনা ৯.৮০%, ট্রাক-পিকআপআরোহী ৭.১৭%, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স ৪.৭৮%, তিন-হুইলার ২৫.৮৪%, স্থানীয় যানবাহন ২.৮৭%, বাইসাইকেল-রিকশা ১.৪৪%।

    পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দুর্ঘটনার বেশিরভাগই ঘটেছে দেশের স্বনামধন্য মহাসড়কগুলোতে, যেখানে মোট ৪৫.৮২% দুর্ঘটনা, আঞ্চলিক সড়কে ৩৩.৬৩% এবং গ্রামীণ সড়কে ১০.৮৩%। শহরাঞ্চলে দুর্ঘটনার হার ৮.৩৫%। সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ২৬.৪১% দুর্ঘটনা এবং ২৫.১১% প্রাণহানি। অপরদিকে, সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি হয়েছে বরিশাল বিভাগে। জেলাওয়ারীতে, ঢাকার জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হয়েছে ৪৭টি, যার মধ্যে নিহত হয়েছেন ৩৪ জন। আর জয়পুরহাট জেলায় দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৩টি, যেখানে ১ জন নিহত হন।