Category: জাতীয়

  • ইসকন ইস্যুতে দেশি বিদেশি ইন্ধন থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ইসকন ইস্যুতে দেশি বিদেশি ইন্ধন থাকতে পারে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ইসকন ইস্যুতে দেশি বিদেশি ইন্ধন থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট সার্কিট হাউজ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে। আমরা কোনোভাবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে কঠোর হতে চাই না।

    তিনি বলেন- আগস্টে লুট হওয়া সব অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। সেসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম বৃদ্ধিতে সরকার কাজ করছে। কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম প্রথমে ঢাকায় বেগবান করা হবে। পরে পুরো দেশে পর্যায়ক্রমে করা হবে।

    সারা দেশে প্রচুর ভুয়া মামলা হয়েছে। এসব মামলায়  নিরীহ কেউ হয়রানি না হন সে জন্য আমরা একটি কমিটি করে দিবো। যারা ভুয়া মামলা করেন তাদের ধরিয়ে দিন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন- দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগস্টের পর থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। আরো হবে। সেজন্য সবার সহযোগিতা চান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

  • চট্টগ্রামে চিন্ময় অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, আইনজীবীকে হত্যা

    চট্টগ্রামে চিন্ময় অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, আইনজীবীকে হত্যা

    চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর অনুসারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। 

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত আইনজীবীর নাম সাইফুল ইসলাম ওরফে আলিফ (৩৫)। তিনি সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি)। সাইফুল লোহাগাড়ার চুনতি এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে।

    চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিক্ষোভকারীরা এক আইনজীবীকে চেম্বারের নিচ থেকে ধরে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

    সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অবস্থায় আরও ৮ জন চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তারা হলেন শ্রীবাস দাশ, শারকু দাশ, ছোটন, সুজিত ঘোষ, উৎপল ও এনামুল হক। গুরুতর আহত হওয়া আরেকজনের নাম এখনো জানা যায়নি। অন্যদিকে জেনারেল হাসপাতালে আরও ১৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

    বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন না মঞ্জুর করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য প্রিজনভ্যানে তোলা হয়। তখন চিন্ময়ের অনুসারীরা প্রিজনভ্যান আটকে দেয়। তারা এ সময় বিক্ষোভ শুরু করে।

    তখন পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনী চেষ্টা করেও প্রিজনভ্যান আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের করে কারাগারে নিতে পারেনি। পরে পৌনে বেলা তিনটার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড, ক্যাঁদানে গ্যাসের (টিয়ার) শেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ শুরু করলে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। এর পর ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। পরে চিন্ময় কৃষ্ণকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান কারাগারের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ ও আইনজীবীদের সঙ্গে চিন্ময় অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়।

    মো. হাসান নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী আইনজীবী বলেন, পুলিশ ও আইনজীবীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী আলিফকে বিক্ষোভকারীরা কোপায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিবেদিতা ঘোষ জানান, আহত অবস্থায় সাত/ আটজনকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁদের একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

    জানতে চাইলে নগর পুলিশের উপকমিশনার লিয়াকত আলী বলেন, একজন মারা গেছে। তবে কীভাবে মারা গেছে এখনো জানি না।

    সন্ধ্যা ৬টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আদালত এলাকায় আইনজীবীরা হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছিলেন। আগামীকাল বুধবার কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন তারা।

  • আইনজীবী সাইফুলের খুনিদের ছাড় নয়, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে

    আইনজীবী সাইফুলের খুনিদের ছাড় নয়, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে

    চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামের সাবেক অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তার সমর্থকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম আলিফ (৩৫) নিহত হয়েছেন।

    এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সম্পাদক সারজিস আলম।

    ফেসবুকে তিনি লিখেন, ধর্মকে টুল হিসেবে ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তি, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা সন্ত্রাসী সংগঠন যদি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করে তবে সেসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

    তিনি আরও বলেছেন, যেই জড়িত থাকুক না কেন, খুনের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই৷ ষড়যন্ত্রকারীদের বিন্দুমাত্র ছাড় নয়৷ বেশি ছাড় পেলে মাথায় ওঠে নাচবে। উগ্রপন্থির বিচার তার ধর্ম দেখে হয় না, উগ্রপন্থিতা দেখে হবে।

    এর আগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে চিন্ময় কৃষ্ণকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ষষ্ঠ আদালতের বিচারক কাজী শরিফুল ইসলামের আদালত তোলা হয়। পরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আদালত চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    তবে কারাগারে নিতে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তুললে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করতে থাকে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীরা। বেলা পৌনে ৩টার দিকে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়লে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপর থেমে থেমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে চিন্ময় অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হন। পরে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

    এসময় পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়লে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। আদালত ভবন থেকে নেমে আসার সময় তারা সড়কের দুই পাশে রাখা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনার পর ওই এলাকার পরিস্থিতি থমথমে হয়ে ওঠে।

  • চিন্ময়ের ‘উগ্র’ অনুসারীদের থামাতে সরকারের প্রতি আহ্বান আহমাদুল্লাহর

    চিন্ময়ের ‘উগ্র’ অনুসারীদের থামাতে সরকারের প্রতি আহ্বান আহমাদুল্লাহর

    চট্টগ্রামে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অনুসারীদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামে এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    আইনজীবী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলামের নৃশংস হত্যাকারীদের দ্রুততার সাথে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা সরকারের আশু কর্তব্য। দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাওয়া উগ্রদের থামানোর ব্যাপারে কোনোরূপ দ্বিধা করা যাবে না।’

    এই প্রতিকূল সময়ে সবাইকে ধৈর্যধারণ করার আহ্বান জানিয়ে আহমাদুল্লাহ যোগ করেন, ‘সেই সাথে সর্বস্তরের মুসলিমদের বলব, সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করুন। কোনো প্রকার চক্রান্তের ফাঁদে পা দেওয়া সমীচীন হবে না।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার (২৫ নভেম্বর) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই তার একদল অনুসারী রাজধানীর ডিবি কার্যালয়ে সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করে।

    জানা যায়, গত ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়। সে মামলাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

  • দেশবাসীর প্রতি জরুরি বার্তা হাসনাত আব্দুল্লাহর

    দেশবাসীর প্রতি জরুরি বার্তা হাসনাত আব্দুল্লাহর

    দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক ও ধৈর্য ধারণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

    মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেন, ‘সারাদেশের সকল সাধারণ জনগণকে শান্ত থাকার জন্য অনুরোধ করছি। আপনারা ধৈর্য ধরুন, শান্ত থাকুন। নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে দয়া করে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করবেন না। আমাদের বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। আমরা কোনোভাবেই আমাদের এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে দিব না।’

    তিনি আরও লিখেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকেই একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আমাদের দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করার জন্য ক্রমাগত চক্রান্ত করেই যাচ্ছে। দয়া করে নিজেরা নিজেরা কোন্দলে জড়িয়ে কুচক্রী এই মহলের হীন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের পথ তৈরি করে দিয়েন না।’

    হাসনাত বলেন, ‘চট্টগ্রামে অ্যাডভোকেট সাইফুলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে, বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট সংগঠন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকলে সে সংগঠনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা শান্ত থাকুন, সতর্ক থাকুন, ধৈর্য ধরুন।’

  • বাংলাদেশ সফরে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান

    বাংলাদেশ সফরে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান

    আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি করিম খান তিন দিনের সফরে সোমবার দুপুরে ঢাকায় এসেছেন। বাংলাদেশ সফরের শুরুতেই তিনি ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার গেছেন। আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে করিম খানের এটা তৃতীয় বাংলাদেশ সফর।

    কক্সবাজার সফর শেষে ঢাকায় ফিরে করিম খান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকারবিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কক্সবাজার অবস্থানের সময় করিম খান রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন। বিশেষ করে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়নে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আইসিসির তদন্তের বিষয়ে খোঁজ নেবেন তিনি। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানবেন। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সামগ্রিক বিষয়গুলো নিয়ে শরণার্থী ত্রাণ এবং প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    ২০১৭ সালের আগস্টের পর রাখাইন থেকে মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে কি না, সেটার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে যুক্ত হয়েছে আইসিসি। এই তদন্তের জন্য সাক্ষী সুরক্ষাবিষয়ক প্রটোকল সইয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। করিম খানের এবারের সফরে এ বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, সবশেষ গত বছরের (২০২৩) জুলাইয়ে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম।

  • রাজধানীর তিন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন

    রাজধানীর তিন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীর তিন এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
    মঙ্গলবার বিকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    শরীফুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীর শাহবাগ, মৎস্য ভবন ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
    এর আগে গতকাল (২৫ নভেম্বর) যাত্রাবাড়ী-ডেমরা এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
  • চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ঘটনায় বিবৃতি দিয়ে যা বলছে ভারত

    চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের ঘটনায় বিবৃতি দিয়ে যা বলছে ভারত

    বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার ও জামিন বাতিলের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

    মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানাানো হয়।

    এতে বলা হয়, তাকে আটকের পর বাংলাদেশের চরমপন্থি গ্রুপগুলো হিন্দু সম্প্রদায় ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। এছাড়াও হিন্দু এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, ভাঙচুর এবং মন্দিরে হামলার মতো ঘটনাও ঘটছে বাংলাদেশে।

    বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় অপরাধীরা যেখানে ধরা ছোয়ার বাইরে সেখানে একজন ধর্মীয় নেতা এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যখন কথা বলেছে তার বিরুদ্ধে পালটা অভিযোগ এনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বিবৃবিতে বাংলাদেশের হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহবান জানানো হয়।

  • মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর নিয়ে প্রেস নোট দিয়েছে ঢাকাস্থ দূতাবাস

    মার্কিন প্রতিনিধি দলের সফর নিয়ে প্রেস নোট দিয়েছে ঢাকাস্থ দূতাবাস

    বাংলাদেশ সফরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল। সফর নিয়ে একটি প্রেস নোট দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। যেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শাসন ব্যবস্থার জন্য এই মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ শ্রম অধিকার চর্চার দীর্ঘস্থায়ী চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করা। যা জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    মার্কিন দূতাবাস জানায়, শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মানবাধিকারের প্রতি সম্মান, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা এবং জেন্ডার সমতা ও অন্তর্ভুক্তির জন্য অপরিহার্য।

    প্রেস নোটে আরও বলা হয়েছে, শ্রম সংস্কার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের শীর্ষ অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানায়। শ্রমিকদের স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন গঠন ও যোগদানের অধিকার এবং উন্নত কর্মপরিবেশের জন্য যৌথ দর-কষাকষি করার অধিকারকে শক্তিশালী করতে আমরা বাংলাদেশকে আরও উৎসাহিত করি।

    মার্কিন দূতাবাস বলছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেন শিল্প খাতের কার্যক্রম স্থিতিশীল কর্মসংস্থান, মানসম্পন্ন কর্মপরিবেশ এবং জীবিকা নির্বাহের উপযোগী মজুরি নিশ্চিত করে, যা বাংলাদেশের শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের উন্নতি নিশ্চিত করবে।

    যুক্তরাষ্ট্র গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। আমরা এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞ এবং ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ট্রেড ইউনিয়ন, বাংলাদেশের শ্রমিক এবং তাদের নিয়োগকর্তা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করতে পেরে গর্বিত।

    মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি কেলি এম. ফে রদ্রিগেজ এবং লেবার ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি আন্ডারসেক্রেটারি থিয়া লি। সফরে তাদের সঙ্গে ছিলেন ইউএসএআইডি-এর প্রতিনিধি, আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে সংশ্লিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ব্র্যান্ডগুলোর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব, এবং আন্তর্জাতিক শ্রম বিশেষজ্ঞ ইউএনআই গ্লোবাল ইউনিয়নের মহাসচিব ক্রিস্টি হফম্যান এবং ওয়ার্কার রাইটস কনসোর্টিয়ামের নির্বাহী পরিচালক স্কট নোভা।

    এ সফরে অংশগ্রহণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ছিল গ্যাপ ইনকর্পোরেটেড, পিভিএইচ কর্পোরেশন এবং ভিএফ করপোরেশন, যারা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত (আরএমজি) থেকে প্রতি বছর আনুমানিক ১.৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য কিনে থাকে।

  • গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ কেন তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করা দরকার: নাহিদ ইসলাম

    গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ কেন তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করা দরকার: নাহিদ ইসলাম

    বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওপর মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কেন এ ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের ওপর মানুষের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কেন এ ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তা জনগণের কাছে স্পষ্ট করা দরকার। তবে কোনো গণমাধ্যম অফিসে ভাঙচুর হলে সেটা সরকার দেখবে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণ যেভাবে প্রত্যাশা করে সেভাবে গণমাধ্যমের সহায়তা পাচ্ছি না। এখনো দেশের প্রতিষ্ঠিত অনেক গণমাধ্যম ভুল সংবাদ ও গুজব প্রচার করছে।

    সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে অন্তর্বর্তী সরকার সব ধরনের পরিবেশ নিশ্চিত করবে জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সংবাদমাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কম। এখানে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সংবাদকক্ষগুলোকে। তাৎক্ষণিক ভোল পাল্টানো সমাধান নয়, সত্য স্বীকারের মাধ্যমে জাতীয় পুনর্মিলন সম্ভব।

    শুধু ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দিয়ে সবকিছু উড়িয়ে দিতে চান না জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষোভ থেকে আন্দোলন হতে পারে। তবে আইনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের পর্যায়ে গেলে সেটি দেখা হবে। আমরা চাই না আগের আমলের মতো পুলিশ জনতার বুকে গুলি চালাক। তবে বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ অবশ্যই কঠোর হবে, সেভাবে পুলিশ বাহিনীকে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।