Category: খেলাধুলা

  • স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাঁচ বছর ধরে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে উদ্যোগী হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে চলেছেন। আজ রোববার ২৪ আগস্ট তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও ঘুরে দেখেন। এই সময় তিনি বলেন, “নড়াইল বা খুলনা না হলেও নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য অনেক প্রত্যাশার শহর। এই এলাকার ক্রিকেটের ইতিহাস খুব সমৃদ্ধ। যখন আমি নিজেই ক্রিকেট শেখার জন্য মরিয়া, তখন নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখানকার বিভিন্ন লিগে খেলোয়াড়েরা দেশের অন্য প্রান্তে গিয়ে সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এখনও নারায়ণগঞ্জের মানুষের ক্রিকেট নিতান্তই হৃদয়ে চলে আসে, তাই দেখে আমি অত্যন্ত উৎসাহিত। কিন্তু মাঠের অবস্থা দেখে সত্যিই দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এখানে এক সময় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে, অথচ আজ এই মাঠের অবস্থা খুবই করুণ।”

    বুলবুল বলেন, ফতুল্লা স্টেডিয়ামের উন্নয়নের জন্য আরও বেশি নজর দেয়া দরকার। তিনি বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা এখানে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। এখন এই মাঠে আমি তিনটি উইকেট দেখেছি, যেখানে আমরা আরও নতুন উইকেট তৈরির পরিকল্পনা করছি। আমাদের লক্ষ্য এই যে, নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটাররা যেন বছরে ১২ মাস খেলা চালিয়ে যেতে পারে, এর জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকছে। এর পাশাপাশি কোচিং ও প্রশিক্ষণের সুবিধা বাড়ানো হবে। আশা করি, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে এমন উন্নয়ন ঘটবে যাতে এখানকার খেলোয়াড়েরা ঢাকায় যেতে না হয়। সবকিছু আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি আশাবাদী, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে আপনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি, কারণ আমি এই কাজগুলো করতে আত্মবিশ্বাসী। আইসিসির সদস্য থাকাকালীন আমি এসব কাজ নিজেও করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “ক্রিকেট জীবনের এই আধা-আনুষ্ঠানিক অংশটি শুধু শুরু। আমার সামনে ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা রয়েছেন। আমি জানি, এখানে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় রয়েছে, যারা আগামী দিনগুলোতে তামিম বা সাকিব হয়ে উঠতে পারেন। আমি চাই নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি করতে, যাতে ক্রিকেটাররা সব সময় খেলার মধ্যে থাকতে পারেন।”

  • আফ্রিদির সঙ্গে ইরফানের তর্কের গল্প: কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে আঙুল তোলে আফ্রিদি

    আফ্রিদির সঙ্গে ইরফানের তর্কের গল্প: কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে আঙুল তোলে আফ্রিদি

    প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক ও বাদানুবাদের ঘটনা কখনো কখনো মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে দেখা যায়। এরই এক উদাহরণ শেয়ার করেছেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। তিনি জানান, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে গিয়ে তার সঙ্গে শহীদ আফ্রিদির একটি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল। ওই সময়ই ইরফান বলেন, আফ্রিদি কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে পোড়াকণ্ঠে মন্তব্য করেন, যার কারণেই সে দীর্ঘক্ষণ এভাবে চিৎকার করছে।

    সম্প্রতি ‘দ্য ল্যালানটপ’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরফান সেই ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে ছিলেন তারা। করাচি থেকে লাহোরে ফিরছিলেন দুই দল ক্রিকেটার। সেই সময়েই হঠাৎ আফ্রিদি তার দিকে এগিয়ে আসে। মাথায় হাত দিয়ে চুল এলোমেলো করে দিতে শুরু করে এবং প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, “কেমন আছো, বাচ্চা?” ইরফান তখন জবাব দেন, “তুমি আমার বাবা হয়েগো কখন?” এই আচরণ ছিল খুবই বাচ্চাদের মতো। আফ্রিদি তখন আর বাঁচে না, বাজে কথা বলতে শুরু করে এবং কাছের একটি সিটে বসে পড়ে।

    সেসময় পাশে ছিলেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাক। এ নিয়েও ইরফান বলেন, “আমি তখন তাকে প্রশ্ন করি, এখানকার কোথায় কি ধরনের মাংস পাওয়া যায়। তখন সে বলল, বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংসের কথা। আমি তখন জানতে চাই, কুকুরের মাংস কি পাওয়া যায় কি না। এই সময় আফ্রিদিও আশেপাশে ছিল। রাজ্জাক শুনে শক খেয়ে বলে, ‘ইরফান, তুমি এটা কেন বললে?’ আমি তখন বলি, ‘সে কুকুরের মাংস খেয়েছে, সেই জন্যই এত দীর্ঘ আওয়াজ করছে।’

    ইরফান আরও জানান, তখন আফ্রিদি রাগে লাল হয়ে যায়। তবে কিছু বলে ওঠেনি। তবে আবার কিছু বলতে গেলে, আমি তাকে বলতে থাকি, ‘দেখো, সে আবারও (কুকুরের মতো) আওয়াজ করছে।’ এরপর আর মুখ খোলা রাখেনি। এই ঘটনাটির পর থেকে আফ্রিদি বুঝতে পারে যে, কখনও মুখোমুখি তর্কে আমি হারব না। ফলে এরপর থেকে আর তার সঙ্গে তর্কে জড়ায়নি।”

  • বাংলাদেশের রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে পাকিস্তান

    বাংলাদেশের রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে পাকিস্তান

    পাকিস্তানের আধিপত্যশীল ব্যাটিংয়ের ফলে বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের শো-ডাউন শুরুতেই উজ্জ্বল উদাহরণ দেখিয়েছে, যেখানে তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান সংগ্রহ করেছে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছেন ইয়াসির খান, যিনি দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলের বিপর্যয় পতন রুখে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের হয়ে ৩৪ রানে এক উইকেট লাভ করেছেন হাসান মাহমুদ। জবাবে বাংলাদেশ শুরুতেই চাপের মুখে পড়ে, প্রথম ওভারেই অভিজ্ঞ নাঈম শেখকে হারায় ৫ রানে। যদিও প্রতিপক্ষের আক্রমণের মাঝে সাইফ হাসান ও জিশান আলমের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে কিছুটা আশা দেখাচ্ছিলো, যা জোড়া উইকেট জুটিতে ৮৬ রান যোগ করেছেন। সাইফ ৩২ বলে ৫৭ রান করে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন। তবে তার বিদায়ের পর আর কেউই আধিপত্যের মান বজায় রাখতে পারেনি। আফিফ হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের দ্রুত পতনের কারণে বাংলাদেশ অপ্রতিদ্বন্দ্বী অসঙ্গতিতে পড়ে, যার ফলে তারা পুরোপুরি আউট হয়ে যায়। এর আগে, পাকিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটার খাজা নাফি ও ইয়াসির খান দুর্দান্ত সূচনা করেন, তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি হয় দলটির জন্য। খাজা ৩১ বলে ৬১ রান করে আউট হলেও ইয়াসির বেশিদূর যাননি, তবে ৪০ বলের বিপুল ৬২ রান করেন। তারপর, তিনে নামা আব্দুল সামাদ ২৭ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন। এই ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তান নির্ধারিত লক্ষ্য ছুঁই ছুঁই করে ফেলেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি কঠিন পরিস্থতি, যা তাদের পরবর্তী ম্যাচে উন্নতি করতে সাহস দেয়।

  • উয়েফা সুপার কাপ ফাইনালে ফিলিস্তিন শিশু হত্যার প্রতিবাদ জানাল

    উয়েফা সুপার কাপ ফাইনালে ফিলিস্তিন শিশু হত্যার প্রতিবাদ জানাল

    ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসন চলমান রয়েছে বছরের পর বছর ধরে। প্রতিদিনই মৃত্যুর খবর শোনা যায়, যার মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। এই ব্যাপক মানবিক সংকটের প্রতি বিশ্ববাসীর পাশাপাশি ক্রীড়াজগতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে উয়েফার উদ্যোগ।

    ইতালির উদিনেতে অনুষ্ঠিত ব্লুনার্জি স্টেডিয়ামে গতকাল রóbবার টটেনহাম হটস্পার ও প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) এর মধ্যবর্তী ফাইনাল ম্যাচের আগে, মাঠে ‘শিশু ও বেসামরিক মানুষ হত্যা বন্ধ করো’ শিরোনামে ব্যানার প্রদর্শন করে উয়েফা। এই ব্যানারটি দুটি দলের ফুটবলাররা সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে থাকা সময় উপস্থাপন করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বার্তার প্রতিফলন।

    সেই দিনই নয়, ফাইনালের শুরুতেই সেই প্রতিবাদ আরও দৃঢ়ভাবে প্রকাশ পায়। ম্যাচে অংশ নেওয়া দুটি দলের ফুটবলাররা ক্রীড়াক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে, গাজা উপত্যকার দুটি শিশুকে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেন। উয়েফার পক্ষ থেকে সেই দুই শিশু গাজা থেকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন। তাদেরকে নিয়মিত উয়েফা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আধিকারিকভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়, যা ন্যায্যতা ও মানবতার প্রতীক।

    উয়েফার এই উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে বোঝানো হয়েছে, সৌভাগ্য ও মানবিক মূল্যবোধের জন্য αυτήও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন মানবতা ঝুঁকির মুখে। ম্যাচের সময় বা কোনও সময়ে স্টেডিয়ামে রাজনৈতিক বার্তা বা নমনীয়তা প্রদর্শনের ব্যাপারে উয়েফার কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপার কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইরাক ও আফগানিস্তানের শরণার্থী শিশুকেও আনানো হয়েছিল। তবে, সেখানে নির্দিষ্ট কোনও দেশের যুদ্ধের উল্লেখ ছিল না।

    এছাড়াও, ৭ আগস্ট ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (পিএফএ) জানিয়েছিল যে, সুলেইমান নামে একটি শিশু, যিনি ‘ফিলিস্তিনের পেলে’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, দক্ষিণ গাজা উপত্যকার একটি হামলায় নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে প্রবল প্রতিধ্বনি তুলে, মোহাম্মদ সালাহসহ বহু ফুটবল তারকা এই বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সালাহ তার সোশ্যাল মিডিয়ায় সুলেইমানের ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, “আপনাদের কি বলতে পারবেন সে কোথায়, কীভাবে এবং কেন মারা গিয়েছে?”

    ফাইনাল ম্যাচটি ইতিহাসের পৃষ্ঠা উল্টে দেয়। এই ম্যাচে, পিএসজি প্রথমে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকলেও, নাটকীয়ভাবে শেষ পর্যন্ত ২-২ ড্র হয়। পরে টাইব্রেকারে টোটেনহামকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো উয়েফা সুপার কাপ জিতে নেয় পিএসজি। এই ম্যাচের মধ্যে শিক্ষণীয় বার্তা ও মানবতার স্পর্শ ফুটে উঠেছে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মহলে, যা মানবিক সম্ভাব্যতা ও শান্তির ডাক দেয়।

  • এক ম্যাচ পরই বাংলাদেশে ছন্দের পতন

    এক ম্যাচ পরই বাংলাদেশে ছন্দের পতন

    বাংলাদেশের টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি দলের জন্য এক ম্যাচের পর আবারও হতাশার খবর এসে পৌঁছেছে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া লিগের পার্থ স্কর্চার্স একাডেমির বিরুদ্ধে সোমবার ডারউইনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের দল শুরু থেকেই দরাদরি করে গেছে। ব্যাটাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন, ফলে পুরো দল ছোট সংগ্রহে আবদ্ধ হয়। ব্যাটসম্যানরা যদি একটু বেশি চেষ্টা করতেন, হয়তো আরও ভালো স্কোর হত, কিন্তু ব্যর্থতার কারণে ম্যাচের পুরো চাপ বাংলাদেশের ওপরই পড়ে। এক ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বারই হারিয়েছে বাংলাদেশ দল।

  • বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ছাড়া এশিয়া কাপের পাকিস্তান স্কোয়াড ঘোষণা

    বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ছাড়া এশিয়া কাপের পাকিস্তান স্কোয়াড ঘোষণা

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আগামী সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজ ও এশিয়া কাপ ২০২৫ এর জন্য ১৭ সদস্যের ক্রিকেট দল ঘোষণা করেছে। এই স্কোয়াডে বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মত অভিজ্ঞ ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, যা ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    দলের অধিনায়ক হিসেবে অলরাউন্ডার সালমান আলী আঘাকে রেখে দলটি সাজানো হয়েছে। দলের অন্যান্য সদস্যরা হলো— অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ফখর জামান, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফ। পাশাপাশি তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা— সাইম আইয়ুব, খুশদিল শাহ ও হুসেইন তালাতকেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া স্কোয়াডে রয়েছে মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, উইকেটকিপার মোহাম্মদ হারিস, অপ্রকাশিত কিছু তারকা— আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান মির্জা ও শান্তিপূর্ণভাবে দলে সুযোগ পেয়েছেন suliফিয়ান মোকিম।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের সূচি অনুযায়ী, পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ হবে আফগানিস্তান ও স্বাগতিক আমিরাত। সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ আগস্ট থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর আবুধাবি ও দুবাইয়ে চলবে এশিয়া কাপ ২০২৫।

    পিসিবির হাই পারফরম্যান্স বিভাগের পরিচালক আকিব জাভেদ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এটি মূলত সেই দলের প্রতিচ্ছবি, যারা টানা তিনটি সিরিজে অংশ নিয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ধারাবাহিকতা ও জয়ের ধারা বজায় রাখা।”

    সালমান মির্জার দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, “যে পারফর্ম করবে, সে-ই অধিকার পাবে খেলার। সালমান বাংলদেশে বেশ ভালো পারফর্ম করেছে।

    অন্যদিকে, বাদ পড়া দুই তারকা— বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান নিয়ে আলোচনা চললেও, আকিব বলেন, “আমরা বলতে চাই না যে বাবর-রিজওয়ান আর ফিরবে না। যারা এখন খেলছে তাদের সুযোগ দেওয়া দরকার। তাদের ক্যারিয়ার চলমান, তাই পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

    সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন মনে করেন, “তিন ম্যাচের ছোট পর্যবেক্ষণে কারো মূল্যায়ন করা কঠিন। বাবর প্রথম ম্যাচে ভালো খেলেছে, তবে উন্নতির জন্য জায়গা রয়েছে। বাবর-রিজওয়ান যদি অন্যদের মতো পারফর্ম করে, তবে তারা অবশ্যই ফেরার সুযোগ পাবেন।”

    দলের বিবরণী অনুযায়ী পাকিস্তানের ১৭ সদস্যের স্কোয়াড হলো— সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হারিস রউফ, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা, শাহী আফ্রিদি ও সুফিয়ান মোকিম।

    ত্রীদেশীয় সিরিজের সূচি শারজাহতে —
    – ২৯ আগস্ট: আফগানিস্তান বনাম পাকিস্তান
    – ৩০ আগস্ট: আমিরাত বনাম পাকিস্তান
    – ১ সেপ্টেম্বর: আমিরাত বনাম আফগানিস্তান
    – ২ সেপ্টেম্বর: পাকিস্তান বনাম আফগানিস্তান
    – ৪ সেপ্টেম্বর: পাকিস্তান বনাম আমিরাত
    – ৫ সেপ্টেম্বর: আফগানিস্তান বনাম আমিরাত
    – ৭ সেপ্টেম্বর: ফাইনাল

    এশিয়া কাপ ২০২৫ এর সূচি (আবুধাবি ও দুবাই) হলো—
    – ৯ সেপ্টেম্বর: আফগানিস্তান বনাম হংকং
    – ১০ সেপ্টেম্বর: ভারত বনাম আমিরাত
    – ১১ সেপ্টেম্বর: বাংলাদেশ বনাম হংকং
    – ১২ সেপ্টেম্বর: পাকিস্তান বনাম ওমান
    – ১৩ সেপ্টেম্বর: বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
    – ১৪ সেপ্টেম্বর: ভারত বনাম পাকিস্তান
    – ১৫ সেপ্টেম্বর: আমিরাত বনাম ওমান, শ্রীলঙ্কা বনাম হংকং
    – ১৬ সেপ্টেম্বর: বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান
    – ১৭ সেপ্টেম্বর: পাকিস্তান বনাম আমিরাত
    – ১৮ সেপ্টেম্বর: শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান
    – ১৯ সেপ্টেম্বর: ভারত বনাম ওমান

    অন্ততোর জন্য সাপেক্ষে, ফাইনাল হবে ২৮ সেপ্টেম্বর।

  • টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    জ্যামাইকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। জবাবে ১ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ঝলক দেখিয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। ৪ উইকেট তুলে নিয়ে নিয়েছে নাহিদ রানা- তাসকিন আহমেদরা।

    ক্রেইগ ব্রাফেট ৩৩ ও কাসি কার্টি ১৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামেন। দিনের শুরুতেই ব্রাফেটকে আউট করেন নাহিদ রানা। দলীয় ৮৫ রানে ১২৯ বলে ৩৯ রান করে ফিরে যান ব্রাফেট।

    এরপর ৯৪ থেকে ১১৪ রানের মধ্যে আরো ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিবিয়ানদের বিপর্যয়ে ফেলে দেন টাইগার বোলাররা। কাভেম হজ ৩, অলিক আথানেজ ২, জাস্টিন গ্রেভস ২ ও জশুয়া ডি সিলভা ৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ৫৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান সংগ্রহ করেছে ক্যারিবিয়ানরা।

  • ভারতের দাবি মেনে নিতে পাকিস্তানকে আর্থিক প্রলোভন আইসিসির

    ভারতের দাবি মেনে নিতে পাকিস্তানকে আর্থিক প্রলোভন আইসিসির

    আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা পাকিস্তানে। কিন্তু রাজনৈতিক বৈরিতা খেলার মাঠে টেনে আনা ভারত কোনোমতেই পাকিস্তান সফর করতে রাজি নয়। এমতাবস্থায় তারা হাইব্রিড মডেল প্রস্তাব করেছে, যার অর্থ ভারত নিজেদের ম্যাচগুলো পাকিস্তানের বাইরে অন্য কোনো ভেন্যুতে খেলতে চায়।

    ভারতের এই দাবি যেন পাকিস্তান মেনে নেয়, সেজন্য দেনদরবার করছে খোদ বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এই দাবি মেনে নিলে পাকিস্তান বাড়তি অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেও একপায়ে খাড়া সংস্থাটি।

    যদি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠিত হয়, সেক্ষেত্রে নিজেদের মাঠে ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাবে না পাকিস্তান। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচটি তখন নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে আয়োজিত হবে।

    যেহেতু পাকিস্তান ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফর করেছে, তাই তাদের আশা ছিল ভারতও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তান সফর করবে। তবে ভারত আইসিসিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনোমতেই পাকিস্তানে যেতে রাজি নয়।

    এমন পরিস্থিতিতে কিছুটা বিপাকেই পড়েছে আইসিসি। কারণ ব্যবসায়িক কারণে ভারত এবং পাকিস্তান দুটি দেশই আইসিসির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এদের কোনো একটি দেশও যদি টুর্নামেন্টে অংশ না নেয়, তাহলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে আইসিসি।

    এই ইস্যুতে আজ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) আইসিসির নির্বাহী সভা ডাকা হয়েছে। সভার পরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসন হতে পারে।

  • ২০ বাউন্ডারিতে সাইম আইয়ুবের সেঞ্চুরি, জয়ে ফিরল পাকিস্তান

    ২০ বাউন্ডারিতে সাইম আইয়ুবের সেঞ্চুরি, জয়ে ফিরল পাকিস্তান

    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নিজেদের হারিয়ে খুঁজেছিল পাকিস্তান। ৬০ রান তুলতেই ৬ উইকেট খুইয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে তারা। পরে বৃষ্টি আইনে ৮০ রানের হারে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। জিম্বাবুয়েকে ১০ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে সক্ষম হয়েছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল।

    বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। তবে পাকিস্তানের দুই স্পিনার আবরার আহমেদ এবং সালমান আগার ঘূর্ণিতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট করতে পারেনি।

    এই দুই স্পিনার জিম্বাবুয়ে ব্যাটারদের জেঁকে ধরায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস খেলতে সমর্থ হন দলটির কেবল দুই ব্যাটার। এর মধ্যে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন ডিওন মায়ার্স, ৩১ রান আসে শন উইলিয়ামসের ব্যাটে। ব্যাটিং দুর্দশায় ৩২.২ ওভারে ১৪৫ রান তুলতেই সব উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

    পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে ৩৩ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন আবরার। ২৬ রানে তিন উইকেট শিকার করেন সালমান।

    জবাব দিতে নেমে ১৮.২ ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব এবং আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১৪৮ রান। ৬২ বলে ১৭ চার এবং ৩ ছক্কায় ১১৩ রানের ইনিংস খেলেছেন সাইম।

    অন্যপ্রান্তে দাঁড়িয়ে স্রেফ সাইম আইয়ুবকে সঙ্গ দিয়ে গেছেন শফিক। তার ব্যাটে এসেছে ৪৮ বলে ৩২ রান।

    আগামী ২৮ নভেম্বর একই মাঠে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তান।

     

  • কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    কথা শোনেননি তাসকিন, ছয় উইকেট পাওয়ার পর যা লিখলেন স্ত্রী

    অ্যান্টিগা টেস্টে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমবারের মতো লাল বলের ক্রিকেটে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে তার বোলিং পরিসংখ্যান ৬৪ রানে ৬ উইকেট। স্বামীর এমন আগুনে বোলিংয়ের পর তাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন তাসকিনের স্ত্রী সৈয়দা নাঈমা রাবেয়া।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দীর্ঘ সেই ফেসবুক পোস্টে রাবেয়া জানান, মাথায় আঘাত নিয়ে এই ম্যাচে খেলছেন তাসকিন। চোটের কারণে তাকে খেলতে নিষেধ করার পরও সে কথা কানে না তুলে দলের জন্য নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছে তিনি, করেছেন ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

    তাসকিনের স্ত্রী এতে বেশ খুশি। তিনি লিখেছেন, ‘গতকাল ফজরের একটু আগে জানতে পারলাম তাসকিন মাথায় আঘাত পেয়েছেন। খবরটা শোনার পর খুব কষ্ট পেলাম। কারণ, আমার তো তার জন্য দুয়া করা ছাড়া কিছু করার ছিল না। আমি তার থেকে অনেক দূরে। তাকে বলেছিলাম, যদি ঘাড় ও মাথা ব্যথা না কমে তাহলে খেলো না। ঔষধ দিয়ে আর কতটুকুই ব্যথা সারে? যেখানে আমি চাচ্ছিলাম না তাসকিন খেলুক তার ব্যথা নিয়ে, সেখানে আজ তিনি ছয় উইকেট পেয়েছেন আর দুইটা উইকেট মিসও হয়েছে। এটাও ভালোর জন্য।’

    কেন হঠাৎ এমন পোস্ট দিলেন, সেটিও শেষে স্পষ্ট করেছেন রাবেয়া। মূলত, মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের অজানা ত্যাগের গল্পগুলো জানাতেই তাসকিনপত্নীর এমন পোস্ট।

    রাবেয়া যোগ করেন, ‘এমন অনেক গল্প আছে। আজ এটি শেয়ার করেছি শুধু আমার স্বামী বলে নয়। অনেক খেলোয়াড়ই অনেক সময় অনেক ব্যথা নিয়ে খেলেন। কেউ ইচ্ছা করে হারতে চায় না বা খারাপ করতে চায় না। আপনারা তো খালি মাঠের গল্প দেখেন ও শোনেন, আর এটা ছিল মাঠের বাইরের না জানা ঘটনা।’