জেএফএ কাপ অধীননের অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকায় খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই মিলনমেলা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই জয়ের জন্য তারা সত্যিই গৌরবের পাত্র। খেলাধুলা মন ও শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে, তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবাইকে কঠোর পরিশ্রমে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সাফল্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, যা খুলনার মান মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খুলনা দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী খেলোয়াড়রা হলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল।
Category: খেলাধুলা
-

স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে চোখের জল ঝরল বিসিবি সভাপতি
বিসিসি সভাপতি হওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জে এসে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে তার চোখে জল এল। তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য ছিল এক স্বপ্নের শহর। এখানকার ক্রিকেটের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আমি যখন নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম, তখন এখানকার ক্রিকেটের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তখন এই এলাকায় বিভিন্ন লিগের আয়োজন হত। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ক্লাবে খেলোয়াড়রা নিয়মিত খেলতেন। এই শহরের ক্রীড়াবিদরা ঢাকায় গিয়ে প্রতিযোগিতা করে আসতেন।”
বুলবুল আরও বললেন, “এখানে এসে আমি দেখে খুবই দুঃখ পেয়েছি যে, সেই ক্রিকেটের ঐতিহ্য বজায় থাকলেও এখন এই স্টেডিয়ামটি একপ্রকার পরিত্যক্ত। দেশের ক্রিকেটের জন্য এই মাঠের ব্যবহার এখন খুবই কম। এটি দেখে আমার মন কাঁদি।” তিনি উল্লেখ করেন, “ফতুল্লা স্টেডিয়ামের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি। আমি দেখতে পেলাম, এখানে মাত্র তিনটি উইকেট। আমাদের পরিকল্পনা, এই স্টেডিয়ামে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। আগে শুধু নির্দিষ্ট সময়ে ক্রিকেট খেলা হলেও এখন সেটা পুরো বছর চলে। তাই এখানে কোচিং সুবিধা, খেলোয়াড়দের জায়গাসহ অন্য সুবিধাও বাড়ানোর চেষ্টা করব। আশা করি, এক বা দুই বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের এই স্টেডিয়ামের উন্নয়ন হবে, যাতে এখানকার খেলোয়াড়রা বাড়িতে থাকতেই প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এর জন্য সব কিছুই আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি চাই, যা বলি, তা বাস্তবায়ন করতে পারি। এর জন্য আপনাদের দোয়া প্রয়োজন। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমি আইসিসিতে থাকাকালীনও এই যাবতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছি।”
বুলবুল আরও বলেন, “ক্রিকেট আমার জীবনের ছোট একটা অংশ। আমার সামনে আজ ভবিষ্যতের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বসে আছেন। আমি জানি, এখান থেকে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াজ উঠে আসবে, যারা হয়তো আগামী দিনের তামিম বা সাকিব হবে। আমি চাই, নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে, যাতে ক্রিকেটাররা সবসময় খেলাধুলার মধ্যে থাকতে পারেন এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেন।”
-

ফিফা জানালো, ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হবে ক্লাব বিশ্বকাপ
২০২৯ সালেই অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, এ সংক্রান্ত সূচি ও পরিকল্পনা অবশেষে নিশ্চিত করেছে ফিফা। এই খবরের আগে অনেকেরই ছিল অনিশ্চয়তা এই টুর্নামেন্ট কোথায় আয়োজন করা হবে।بعد مناقشায়, অবশেষে জানানো হয় যে, আসরটি গ্রীষ্মকালে অনুষ্ঠিত হবে। কাতার এই সময়সূচিতে আগ্রহী থাকলেও, শেষমেশ দেশের আয়োজক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই ঝরে গেল। এর মূল কারণ হলো সময়সূচির সমস্যায়। ২০২২ বিশ্বকাপের মতো এই ক্লাব বিশ্বকাপ যদি কাতারে আয়োজন করা হয়, তাহলে গরম আবহাওয়ার কারণে টুর্নামেন্টটি শীতকালে স্থানান্তর করতে হত। কিন্তু শীতকালীন সময়ে আয়োজন করলে ইউরোপীয় লিগের সূচির সঙ্গে সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই জুন-July মাসের গ্রীষ্মকালের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে কাতারের স্বপ্ন ভেঙে যায়। ফিফা ইতিমধ্যে মহাদেশীয় কনফেডারেশনগুলোকে নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নানা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এই ৩২ দলের টুর্নামেন্টের পর ২০২৯ সালে দলসংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারেও আলোচনা চলছে। বড় ক্লাবগুলোর চাপের মধ্যেও, ফিফা সরাসরি ৪৮ দলের ফরম্যাটের পরিবর্তে ধাপে ধাপে দল সংখ্যার স¤প্রসারণের পরিকল্পনা নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত স্পেন এবং মরক্কো এই আয়োজনের মূল পাল্লায় এগিয়ে আছে। ২০৩০ বিশ্বকাপও এই দুই দেশ যৌথভাবে আয়োজন করবে। যদিও পর্তুগাল এই আসরে সহ-আয়োজক থাকলেও, ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজনের ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ তেমন চোখে পড়ছে না। অন্যদিকে, খেলোয়াড়দের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফিফা নতুন কাঠামোও ভাবছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়, মূল টুর্নামেন্ট শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগে একটি বাছাইপর্ব আয়োজন করা হবে। এতে জয়ী দলগুলো মূল আসরে অংশগ্রহণ করবে। এর আগের তালিকা তৈরিতে দেখা গিয়েছিল, শেষবার কনকাকাফের প্রতিনিধি নির্ধারণের জন্য লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি ও ক্লাব আমেরিকার মধ্যে প্লে-অফ আয়োজন করতে হয়েছিল। ভবিষ্যতে এই ধরনের জটিলতা এড়ানোর জন্য ফিফা নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে।
-

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলার পুনরায় চ্যাম্পিয়নত্ব
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের বাংলা ডিপার্টমেন্ট। সোমবার বিকেল ৩:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন চতুর্থ একাডেমিক ভবনের সামনে মাঠে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে তারা ৪-০ গোলে computer science and engineering (CSE) ডিপার্টমেন্টকে হারায়। দলের পক্ষে দু’টি করে গোল করেন আবির ও আশরাফ।
রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের মধ্যে পারফরম্যান্সের জন্য বাংলা বিভাগের আবিরকে ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ ঘোষণা করা হয়, অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান সিএসই বিভাগ থেকে প্রান্ত মুখার্জি। পাশাপাশি যৌথভাবে শীর্ষ স্কোরার হন বাংলার আবির ও আশরাফ। সিএসইর আমান উলাহ সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন এবং প্রমিজিং প্লেয়ার হিসেবে বাংলার আশিকের নাম ঘোষণা করা হয়।
ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, একাডেমিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই প্রাণবন্ত থাকে। শহিদ মীর মুগ্ধের নামে এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য সত্যিই গৌরবের বিষয়। তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রেজাল্ট অপরাজিত দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অভিনন্দন জানান এবং খেলাধুলার উন্নয়নে শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ক্লাবের দক্ষ কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, যিনি বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শহিদ মীর মুগ্ধের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণা হয়ে উঠবে।
অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের অধিনায়কদের হাতে ট্রফি তুলে দেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। এসময় দুই দলের কাছ থেকে ব্যক্তিগত পুরস্কার ও মেডেল বিতরণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অভিযোগ) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। টুর্নামেন্টের পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ নবীউল ইসলাম খান, যার স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মঈনুল হোসেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগ প্রধানসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
-

নতুন আইনে ফেঁসে গেল ড্রিম ১১, স্পন্সর হারালো বিসিসিআই
ভারতের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি গেমিং কোম্পানি ‘ড্রিম১১’ আজ, সোমবার (২৫ আগস্ট), তাদের স্পনসরশিপ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নতুন আইন অনুযায়ী, অর্থভিত্তিক অনলাইন গেমিং নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের টাইটেল স্পনসরশিপ এখন খালি, এবং বিসিসিআই নতুন স্পনসর পাওয়ার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে, চলমান এশিয়া কাপ শুরুর আগে নতুন স্পনসর নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ।
রবিবার পিটিআই’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত সাইকিয়া নিশ্চিত করেছেন, ড্রিম১১ আর ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি নীতিমালা কঠোর হওয়ায়, ড্রিম১১ বা অন্য কোনো অনুরূপ গেমিং কোম্পানির সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এখন বিকল্প স্পনসর খুঁজতে হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি; পেলে জানানো হবে।’’
নতুন ওই আইনের মধ্যে, কেউ অনলাইনে টাকা দিয়ে গেম খেলতে উৎসাহিত করতে পারবে না এবং এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়াও নিষেধ। আইন ভেঙে থাকলে এক কোটি রুপি জরিমানা বা তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
প্রায় এক বছর বাকি থাকলেও, ড্রিম১১ গত বছর তিন বছরের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলের (পুরুষ, নারী, অনূর্ধ্ব–১৯ ও অনূর্ধ্ব–২৩) টাইটেল স্পনসর হিসেবে চুক্তি করেছিল ৩৫৮ কোটি রূপিতে (প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার)। তারা এখনো চুক্তি অনুযায়ী এক বছর বাকি থাকলেও, জরিমানা কিংবা অন্যান্য শর্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না।
বিসিসিআইয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘‘এটি ড্রিম১১য়ের দোষ নয়। সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখনো জরিমানা ধার্য করা হয়নি। তবে স্বল্পমেয়াদে আমাদের আয়ের ওপর প্রভাব পড়বে। আমাদের নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।’’
তিনি আরও জানান, এশিয়া কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচের জন্য মাত্র ১৫ দিন বাকি, এই স্বল্প সময়ে নতুন স্পনসর খুঁজে পাওয়া কঠিন। কারণ এই প্রক্রিয়া সময় নেয়, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিড আহ্বান, যাচাই-বাছাই, এবং শেষে বিজয়ী ঘোষণা করতে হয়।
ড্রিম১১ এর সরে দাঁড়ানোর প্রভাব আইপিএলেও পড়তে পারে। অন্য এক ফ্যান্টাসি কোম্পানি ‘মাই১১সার্কেল’, যারা পাঁচ বছরের জন্য ৬২৫ কোটি রূপির চুক্তি করেছে, তারাও বড় ধাক্কা খেতে পারে। তবে বিসিসিআই মনে করছে, আইপিএলের জন্য এখনও যথেষ্ট সময় রয়েছে। প্রয়োজন হলে নতুন করে প্রক্রিয়া চালু করা যাবে।
-

বাংলাদেশকে ৩ গোলে হারালো নেপাল
সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জয় আবারও প্রত্যাশিত হয়েছে। আগের ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে যাওয়ার পর, রোববার নেপালের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদশের মেয়েরা দুর্দান্ত খেলে ৩-০ গোলে জয় লাভ করে। এই ম্যাচটি ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখানো দেখে দর্শকরা অভিভূত হন। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ দ্রুতই নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে দুই গোল করে এগিয়ে যায়। ৬ মিনিটে উম্মে কুলসুমের শট গোলরক্ষকের হাতে গেলে প্রথম সুযোগটি নষ্ট হয়। এরপর ৭ মিনিটে আলপি আক্তার কাজে লাগাতে পারেননি গোলমুখ থেকে, বল চলে গেছে ফাঁকায় থাকা প্রীতির কাছে, কিন্তু তার শট ছিল লক্ষ্যে অনুপস্থিত। ১৪ মিনিটে প্রীতির প্লেসিং শট গোলরক্ষক ব fist করেন। ২০ মিনিটে নেপালের ইয়াম কুমারীর চিপ শটটিও গোলের কাছ থেকে দূরে ছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায় না দল। তবে ম্যাচের ৩৫ মিনিটে, বেশ ফাঁকা পোস্টে সুযোগ থাকা সুরভী আকন্দ প্রীতি বাইরে শট নিয়ে হতাশ করেন। এর ছয় মিনিট পর, ম্যাচের ডেডলক ভাঙে বাংলাদেশের পক্ষে। মামনি চাকমা ডান দিক থেকে ক্রস করেন, যার মধ্যে দৃষ্টিনন্দনভাবে গোল করেন থুইনুই মারমা। ৪৫ মিনিটে, গোলরক্ষক পোস্ট ছেড়ে এসে ঠেকাতে পারেননি, ফলে বেঞ্চে থাকা প্রীতি সহজেই গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগ মিস করলেও, যোগ করা সময়ে প্রীতির শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। করছেনাৎ রিয়াই পোস্টে টেকনিক্যালি দুর্দান্ত একটা গোলে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ দল এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার প্রত্যয় প্রকাশ করেছে।”}]}“`
-

ভারতের তারকা ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা অবসরের ঘোষণা দিলেন
ভারতের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চেতেশ্বর পূজারা এক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার ছিলেন। ধৈর্য, দৃঢ়তা এবং অটল মানসিক শক্তির মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। অবশেষে, তিনি অবসরের ঘোষণা দেন, জানিয়ে থাকেন যে তিনি আর কখনো ভারতের জার্সি পরে মাঠে নামবেন না।
২০২৩ সালের জুনে ওভালে অস্ট্রেলিয়াদের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালই ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এরপর থেকে তিনি আর ভারতীয় জার্সি বলেই মাঠে দেখা যায়নি।
অবসরের বার্তায় পূজারা লিখেছেন, “ভারতের জার্সি গায়ে চাপিয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে যখন মাঠে নেমেছি, তখন সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। সেই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে বলতে পারেন, সব ভালো কিছু শেষ হয় একদিন। তাই আমি অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানাচ্ছি, আমি ভারতীয় ক্রিকেটের সব সংস্করণ থেকে অবসর নিচ্ছি।”
২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি ভারতের ব্যাটিংয়ের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে ‘নাম্বার থ্রি’ পজিশন ছিল তার শক্ত ঘাঁটি। তার সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারে ১০৩ টেস্টে ৭১৯৫ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ১৯ সেঞ্চুরি এবং ৩৫ ফিফটি, গড় ৪৩.৬০। দেশের মাটিতে তার গড় ছিল আরও বেশি, ৫২.৫৮।
পূজারার নাম এলেই আসে ২০১৮-১৯ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের কথা। অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে তার তিন সেঞ্চুরি ভারতকে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে পৌঁছেছিল। এরপরই তিনি আবারও দেখিয়েছেন অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্যামেরুন হ্যাজলউড, স্টার্ক ও কামিন্সের বিপরীতে চার টেস্টে ৯২৮ বল মোকাবিলা করে তিনি দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড় করিয়েছেন। প্রতিটি ডিফেন্স ও ব্লক যেন ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভরসার স্তম্ভ হয়ে উঠেছিল।
তাদের জন্য ক্রিকেট বিশে’ তাকে ‘দ্য ওয়াল ২.০’ নামে ডাকতে শুরু করে। কারণ, রাহুল দ্রাবিড়ের পর থেকে তিনি ভারতের টেস্ট ব্যাটিংয়ের প্রাচীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার গুণাবলীর মধ্যে গ্ল্যামারাস শট নয়, বরং কঠোর রক্ষণশীলতা এবং অটল মনোভাব ছিল তার অস্ত্র। দলকে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বারবার উদ্ধার করে তিনি জাতীয়তাবাদের এক অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।
-

জ্যোতিদের ৪৯ রানে গুঁড়িয়ে আবারো জয় অর্জন অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের
বাংলাদেশ নারী দল বর্তমানে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই ভাগে ভাগ হয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সঙ্গে একত্রে তিনটি সিরিজ খেলছে। গত মঙ্গলবার চতুর্থ ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের বিরুদ্ধে, যা বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি শুরুতে ব্যাট করে বাংলাদেশ নারী লাল দল মাত্র ২০.৪ ওভারে ৪৯ রানেই অলআউট হয়। এর পরে, বালক দল সহজভাবে লক্ষ্যটা অতিক্রম করে সফল হয় আট উইকেটের ব্যবধানে, ফলে জয়টি নিশ্চিত হয়।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বালকদের ওপেনিং জুটি দুর্দান্ত শুরু করেন, ৪৪ রান যোগ করেন। যখন জয় নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন তখনই অল্প রান করতে গিয়ে উইকেট হারায় তারা। ফুয়ারা বেগমের স্পিনে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ২৪ রান করে আউট হন খেয়াল রয় ওম। এরপর ফাইয়াজ খানকে লেগ বিফোর দিয়ে ফাহিমা খাতুন উইকেটের ফাঁদে ফেলেন। ১১.৫ ওভারে ৬ রান করতে সক্ষম ওই ব্যাটার।
এরপর ওপেনার ইরফান হোসেন আলিফ, ২৮ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন, যখন দলের জয় নিশ্চিত করেন। তার সাথে থাকেন ফাইয়াজ খান।
অপরদিকে, বাংলাদেশ নারী দলের নারীরা ব্যাট হাতে শুরুতেই পথে আঘাত হানেন। প্রথম আঘাত আসে মাহিন হোসাইন আলিফের মাধ্যমে, তিন বলে ৪ রান করে মাঠ ছাড়েন ইশমা তানজিম। এরপর সুমাইয়া আক্তার কিছুক্ষণ খেললেও বেশি দূর যেতে পারেননি। শারমিনের সাথে ২৭ রানের জুটির পর আলিমুল ইসলাম আদিব শারমিনকে ২১ বলে ১৮ রান করে আউট করেন। শারমিনের দুর্দান্ত ১৮ রান তাকে ম্যাচের সেরা ব্যাটার করে তোলে।
অমিত কুমার শারমিনকে ইয়র্কারে বোল্ড করে মাঠের বাইরে পাঠান। সুবর্ণা রানের খাতায় কিছুই যোগ করতে পারেননি, কল্যাণে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দলের নেতৃত্বে থাকা নিগার সুলতানা জ্যোতি ১৪ বলে মাত্র ১ রান করেন এবং আদিবের শিকার হন। এছাড়া রিতুমনিও বোল্ড হন, ফাহিমারও ব্যাটিং করার সুযোগ হয় না। শেষ পর্যন্ত, লাল দল মোট ৫ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান যোগ করে, সিরিজে তাদের প্রথম বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়। এর আগে, ওই দলের আগের ম্যাচে নারী লাল দল অলআউট হয় ৯২ রানে।
-

অফগানিস্তান ঘোষণা করল বাংলাদেশ সিরিজের সূচি
এশিয়া কাপ ক্রিকেটের এই মৌসুমটি এখন অনেকটাই কাছেঅছে। আগামী মাসেই মাঠে গড়াবে এই প্রতিযোগিতা, যা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিকে, এশিয়া কাপ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল সংযুক্ত আরব আমিরাতেই অবস্থান করবে।
এখানেই শেষ নয়, এশিয়া কাপের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতেই বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে সাদা বলের সিরিজে। আজ আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তান দল উল্লেখযোগ্যভাবে এই দেশকেই নিজেদের “হোম” হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।
প্রথমে, আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে ২ অক্টোবর, এরপর বাকিরা ৩ এবং ৫ অক্টোবর। এরপর, দুই দল ওয়ানডে ফরম্যাটে মুখোমুখি হবে। প্রথম ম্যাচ হবে ৮ অক্টোবর, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১১ এবং ১৪ অক্টোবর।
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নসীব খান এই সূচি ঘোষণা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে এই বহুল প্রত্যাশিত সিরিজের আতিথেয়তা দিতে আমরা গর্বিত। এই সফর আমাদের সহযোগিতার দৃঢ়তা এবং নিরপক্ষ ভেন্যুতেও উচ্চমানের ক্রিকেট উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। দর্শকরা রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখতে পাবেন এবং শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন।’
অপর দিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সিরিজটি আয়োজনে ও ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। এই সিরিজের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে এবং একে অন্যের সঙ্গে ক্রিকেটের সম্পর্ক আরও গাঢ় হবে।’
-

নেপালকে ৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ
সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা আবারও অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। পূর্বে ভারতের বিরুদ্ধে হারলেও রোববার নেপালের মুখোমুখি হয়ে তারা জয় ছিনিয়ে এনেছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-০ গোলের বিশাল জয় লাভ করে। ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে এই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের দাপট দেখা গেছে। প্রথমেই বাংলাদেশ দলের দারুণ পরিকল্পনা ও দক্ষতা প্রমাণিত হয়। প্রথমার্ধে তারা দুটি গোল করেছে যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
