Category: খেলাধুলা

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ইনজুরি থেকে ফিরে এক ম্যাচ খেলেই আবারও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ইন্টার মায়ামির অর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করেছিলেন। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) লিগস কাপের সেমিফাইনাল মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো তাকে ফেরা করতে সতেজভাবে প্রেরণা দেন। যেখানে বিতর্কিত এক পেনাল্টি সহ জোড়া গোল করে মায়ামির ফাইনাল নিশ্চিত করেন মেসি।

    ভোরের আলোয় ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারিয়ে দেয়। তবে প্রথমে এগিয়ে ছিল সফরকারী অরল্যান্ডো। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। ম্যাচে বল দখলে তাদের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো; ৫৯ শতাংশ পজিশন এবং ১৪ শট নিয়ে তারা ৬টি লক্ষ্য স্থাপনে সক্ষম হয়। বিপরীতে, অরল্যান্ডো ১১ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে ছিল।

    প্রথমার্ধের শেষের দিকে, ১৮ গজ দূর থেকে মারকো পাসালিচের শটে বল জালে জড়িয়ে অরল্যান্ডো প্রথম লিড নেয়। এই লিড ম্যাচের ৭৭ মিনিট পর্যন্ত থাকলেও, তখনই ঘটে বড় পরিবর্তন। তখন মায়ামির ডিফেন্ডার তাদেও আলেন্দে বড় ভুল করেন; তিনি ব্রেকালোর জার্সি ধরে টানলেও টিভি রিপ্লেতে তা স্পষ্ট ছিল না। এর জন্য ব্রেকালো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়া হয়। এরপর থেকেই অরল্যান্ডো ১০ জনের ফুটবল খেলতে বাধ্য হয়।

    ৬৭ মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান মেসি। সতীর্থ জর্দি আলবার সঙ্গে বল কানেকশনের পর, চতুর্থ কোণের মধ্যে বল নিচে নিয়ে মাটি কামড়ানো শটে গোল করেন তিনি। এই গোলটি অরল্যান্ডো গোলরক্ষককে বিচলিত করে দেয়। এরপর, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, সেগোভিয়া দলের তৃতীয় গোলটি করেন, যেখানে লুই সুয়ারেজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তিনি গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

    এই ৩-১ গোলের জয় শুধু লিগস কাপের ফাইনালই নিশ্চিত করেনি, বরং এটি ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের জায়গাও করে দেয়। আগামী ৩১ আগস্ট ফাইনালে মেসি-সুয়ারেজদের প্রতিপক্ষ হতে পারে এলএ গ্যালাক্সি বা সিয়েটল সাউন্ডার্স এফসি।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে, প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীর এসকে এএস স্টেডিয়ামে, যেখানে খেলা হবে খুলনা এবং চট্টগ্রাম দলের মধ্যে। এটি চলবে περίπου তিন সপ্তাহ ধরে, যাতে প্রতিদিন দুইটি করে ম্যাচ থাকছে। প্রথম দুই রাউন্ডের ম্যাচগুলো সম্পন্ন হবে রাজশাহীর পরে বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এবং তারপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই আসরে মোট ১৩ রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার দল প্লে-অফে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের বড় এক মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যতের ক্রিকেট তারকারা উঠে আসার সুযোগ পাবেন।

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    চট্টগ্রামে সম্প্রতি শুরু হয়েছে একটি নতুন আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, যার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোকে বিকেন্দ্রীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিসিবির officials বলছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি এই আঞ্চলিক ক্রিকেট কাঠামো সফল হয়, তাহলে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটাররা নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা বর্তমানে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে সুযোগের বাইরে রয়েছেন।

    হাবিবুল বাশার মন্তব্য করেন, আঞ্চলিক ক্রিকেট থাকলে এখান থেকেই নিজস্ব লিগ এবং টুর্নামেন্টের বিস্তার সম্ভব হবে। এর ফলে তরুণ ক্রিকেটাররা সুযোগ পাবে আরও বেশি করে খেলতে, কারণ ঢাকায় সব সময় খেলার সুযোগ থাকেনা। অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

    তিনি আরও বলেন, রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে গোপন প্রতিভাও উন্মোচন হবে। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের সুযোগ পাবে।

    অকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা দ্রুত এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে ফেলেছি। এটি পুরোপুরি সিজন বা অফ সিজন নয়, বরং এক ধরনের ঝুঁকি নিয়ে শুরু করেছি। ভবিষ্যতের জন্য আমরা একটি পথ তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য।’

    তিনি আরও বলছেন, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনও একসাথে খেলা দেখায়নি। এবার এরা একসাথে খেলতে পারছে, যা শুধু চট্টগ্রামের নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও খুবই ইতিবাচক।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন। স্কুল ক্রিকেটের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং ধাপে ধাপে এটিকে আরও সুদৃঢ় করতে চাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, ক্রিকেট সেন্ট্রালি নিয়ন্ত্রিত হলেও আঞ্চলিক ক্রিকেটের সাথে সংযুক্ত হলে এর বিস্তার আরও বেশি হবে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধু প্রতিযোগিতার জন্য নয়, প্রতিটি জেলায় যেন ক্রিকেটের পরিকল্পিত পরিবেশ গড়ে ওঠে, সেটি লক্ষ্য।

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদরা কেউ কেউ এখনো স্কুলে রয়েছেন। কিভাবে এই প্রতিভাকে সঠিক পথে আনতে হবে, এই নিয়ে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোল করে মায়ামিকে ফাইনালে নিলেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোল করে মায়ামিকে ফাইনালে নিলেন মেসি

    ইনজুরির কারণে কিছু দিনের জন্য মাঠের বাইরে যাওয়ার পর আবারও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সেই হয়ে ছিল ফুটবলপ্রেমীদের উদ্বেগ। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) গুরুত্বপূর্ণ লিগস কাপের সেমিফাইনালে আবারও নিজেকে প্রমাণ করলেন তিনি। কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো তাকে ফেরালেন চাঙ্গা করে, যেখানে এক বিতর্কিত পেনাল্টি সহ জোড়া গোল করে মায়ামির ফাইনালে ওঠার পথ সুগম করলেন মেসি।

    ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারিয়েছে। প্রথমে সফরকারী অরল্যান্ডোই লিড নেয়, তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ফলে মেসির জোড়া গোল এবং তেলাস্কো সেগোভিয়ার এক গোলের সৌজন্যে মায়ামি মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে।

    ম্যাচে বল দখলে মায়ামির আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তারা ৫৯ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ এবং ১৪টি শটের মধ্যে থেকে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে অরল্যান্ডো শট নেয় ১১টি, তবে গোল লক্ষ্যে পৌঁছয় ৪টি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লিড নেয় অরল্যান্ডো। মারকো পাসালিচ ১৮ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ায়। এই লিড ৭৭ মিনিট পর্যন্ত টেকে। ওই সময়ে অরল্যান্ডো গোলরক্ষক ডেভিড ব্রেকালো তার জার্সি ধরে টেনেছিলেন বলে ডিফেন্সে কিছু বিভ্রান্তি দেখা যায়। তবে রেফারির সিদ্ধান্তে ব্রেকালো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এর ফলে, বাকি সময় অরল্যান্ডো ১০ জনের মধ্যে খেলছিল।

    অতঃপর সফল স্পট কিকে মেসি বল calmly গিয়ে গোল করে ম্যাচের সমতা ফেরান। ৮৮ মিনিটে সতীর্থ জর্দি আলবার সঙ্গে বল পাসের পর বক্সে ঢুকে কোণাকুণি শট নেন মনোযোগী দর্শকদের জন্য। যার ফলেই গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে আসতে পারেননি। সবশেষে, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সেগোভিয়ার জোড়া গোলের মাধ্যমে মায়ামির জয় নিশ্চিত হয়। লুই সুয়ারেজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তিনিও ডি-বক্সে ঢুকে সফল হন।

    এই ৩-১ গোলের জয় মায়ামির জন্য বড় এক কীর্তি। এটি শুধু লিগস কাপের ফাইনালে পৌঁছানোই নয়, বরং ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের টিকিটও নিশ্চিত করেছে। আগামী ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল, যেখানে মেসি-সুয়ারেজের দল প্রতিপক্ষ হিসেবে লস এঞ্জেলেস গ্যালাক্সি বা সিয়াটেল সাউন্ডার্স এফসির বিরোধী হবে।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    তিন দিনের ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা এবং জাতির তরুণ প্রজন্মের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে গতকাল বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্রছাত্রী। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন স্পষ্ট হয় সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আর বালক বিভাগে জয় লাভ করে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান, যিনি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একদিকে শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবে, অন্যদিকে আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগও বৃদ্ধি পাবে।

    বিশেষ অতিথি জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি বলেন, ‘যারা বিতর্কে জড়িয়ে থাকে তারা ভালো ছাত্র হয়, আর যারা খেলাধুলায় যুক্ত থাকে তারা একজন সুস্থ ও সুন্দর নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।’ অনুষ্ঠানে অন্য অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক মঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল), এর দ্বিতীয় টুয়েন্টি-২০ আসরের সময়সূচী। এই আসরটি ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এবং প্রথম ম্যাচটি দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রিয় দর্শকরা রাজশাহীর মাঠে, যেখানে খুলনা ও চট্টগ্রামের দল মুখোমুখি হবে। এই প্রতিযোগিতা চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে, যেখানে বিভিন্ন ভেন্যুতে ভালো মানের ক্রিকেট উপভোগ করতে পারবেন দেশবাসী। প্রথম দুই রাউন্ডের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী ও বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এরপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই লিগে প্রতিদিন দুটি ম্যাচ হবে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হবে। প্রধান ভেন্যুগুলো হলো রাজশাহীর এসকে স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম এবং সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নকআউট পর্বে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এ পর্বের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই টুর্নামেন্ট তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেকে প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে তারা নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের জায়গা নির্মাণ করতে পারবেন।

  • জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অধীননের অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকায় খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই মিলনমেলা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই জয়ের জন্য তারা সত্যিই গৌরবের পাত্র। খেলাধুলা মন ও শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে, তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবাইকে কঠোর পরিশ্রমে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সাফল্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, যা খুলনার মান মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খুলনা দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী খেলোয়াড়রা হলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল।

  • স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে চোখের জল ঝরল বিসিবি সভাপতি

    স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে চোখের জল ঝরল বিসিবি সভাপতি

    বিসিসি সভাপতি হওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

    নারায়ণগঞ্জে এসে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে তার চোখে জল এল। তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য ছিল এক স্বপ্নের শহর। এখানকার ক্রিকেটের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আমি যখন নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম, তখন এখানকার ক্রিকেটের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তখন এই এলাকায় বিভিন্ন লিগের আয়োজন হত। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ক্লাবে খেলোয়াড়রা নিয়মিত খেলতেন। এই শহরের ক্রীড়াবিদরা ঢাকায় গিয়ে প্রতিযোগিতা করে আসতেন।”

    বুলবুল আরও বললেন, “এখানে এসে আমি দেখে খুবই দুঃখ পেয়েছি যে, সেই ক্রিকেটের ঐতিহ্য বজায় থাকলেও এখন এই স্টেডিয়ামটি একপ্রকার পরিত্যক্ত। দেশের ক্রিকেটের জন্য এই মাঠের ব্যবহার এখন খুবই কম। এটি দেখে আমার মন কাঁদি।” তিনি উল্লেখ করেন, “ফতুল্লা স্টেডিয়ামের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি। আমি দেখতে পেলাম, এখানে মাত্র তিনটি উইকেট। আমাদের পরিকল্পনা, এই স্টেডিয়ামে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। আগে শুধু নির্দিষ্ট সময়ে ক্রিকেট খেলা হলেও এখন সেটা পুরো বছর চলে। তাই এখানে কোচিং সুবিধা, খেলোয়াড়দের জায়গাসহ অন্য সুবিধাও বাড়ানোর চেষ্টা করব। আশা করি, এক বা দুই বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের এই স্টেডিয়ামের উন্নয়ন হবে, যাতে এখানকার খেলোয়াড়রা বাড়িতে থাকতেই প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এর জন্য সব কিছুই আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি চাই, যা বলি, তা বাস্তবায়ন করতে পারি। এর জন্য আপনাদের দোয়া প্রয়োজন। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমি আইসিসিতে থাকাকালীনও এই যাবতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছি।”

    বুলবুল আরও বলেন, “ক্রিকেট আমার জীবনের ছোট একটা অংশ। আমার সামনে আজ ভবিষ্যতের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বসে আছেন। আমি জানি, এখান থেকে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াজ উঠে আসবে, যারা হয়তো আগামী দিনের তামিম বা সাকিব হবে। আমি চাই, নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে, যাতে ক্রিকেটাররা সবসময় খেলাধুলার মধ্যে থাকতে পারেন এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেন।”

  • ফিফা জানালো, ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হবে ক্লাব বিশ্বকাপ

    ফিফা জানালো, ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হবে ক্লাব বিশ্বকাপ

    ২০২৯ সালেই অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ, এ সংক্রান্ত সূচি ও পরিকল্পনা অবশেষে নিশ্চিত করেছে ফিফা। এই খবরের আগে অনেকেরই ছিল অনিশ্চয়তা এই টুর্নামেন্ট কোথায় আয়োজন করা হবে।بعد مناقشায়, অবশেষে জানানো হয় যে, আসরটি গ্রীষ্মকালে অনুষ্ঠিত হবে। কাতার এই সময়সূচিতে আগ্রহী থাকলেও, শেষমেশ দেশের আয়োজক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই ঝরে গেল। এর মূল কারণ হলো সময়সূচির সমস্যায়। ২০২২ বিশ্বকাপের মতো এই ক্লাব বিশ্বকাপ যদি কাতারে আয়োজন করা হয়, তাহলে গরম আবহাওয়ার কারণে টুর্নামেন্টটি শীতকালে স্থানান্তর করতে হত। কিন্তু শীতকালীন সময়ে আয়োজন করলে ইউরোপীয় লিগের সূচির সঙ্গে সংঘাত সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই জুন-July মাসের গ্রীষ্মকালের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে কাতারের স্বপ্ন ভেঙে যায়। ফিফা ইতিমধ্যে মহাদেশীয় কনফেডারেশনগুলোকে নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নানা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য এই ৩২ দলের টুর্নামেন্টের পর ২০২৯ সালে দলসংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারেও আলোচনা চলছে। বড় ক্লাবগুলোর চাপের মধ্যেও, ফিফা সরাসরি ৪৮ দলের ফরম্যাটের পরিবর্তে ধাপে ধাপে দল সংখ্যার স¤প্রসারণের পরিকল্পনা নিচ্ছে। এখন পর্যন্ত স্পেন এবং মরক্কো এই আয়োজনের মূল পাল্লায় এগিয়ে আছে। ২০৩০ বিশ্বকাপও এই দুই দেশ যৌথভাবে আয়োজন করবে। যদিও পর্তুগাল এই আসরে সহ-আয়োজক থাকলেও, ক্লাব বিশ্বকাপের আয়োজনের ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ তেমন চোখে পড়ছে না। অন্যদিকে, খেলোয়াড়দের শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফিফা নতুন কাঠামোও ভাবছে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বলা হয়, মূল টুর্নামেন্ট শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগে একটি বাছাইপর্ব আয়োজন করা হবে। এতে জয়ী দলগুলো মূল আসরে অংশগ্রহণ করবে। এর আগের তালিকা তৈরিতে দেখা গিয়েছিল, শেষবার কনকাকাফের প্রতিনিধি নির্ধারণের জন্য লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি ও ক্লাব আমেরিকার মধ্যে প্লে-অফ আয়োজন করতে হয়েছিল। ভবিষ্যতে এই ধরনের জটিলতা এড়ানোর জন্য ফিফা নতুন এই উদ্যোগ নিয়েছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলার পুনরায় চ্যাম্পিয়নত্ব

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলার পুনরায় চ্যাম্পিয়নত্ব

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের বাংলা ডিপার্টমেন্ট। সোমবার বিকেল ৩:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন চতুর্থ একাডেমিক ভবনের সামনে মাঠে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে তারা ৪-০ গোলে computer science and engineering (CSE) ডিপার্টমেন্টকে হারায়। দলের পক্ষে দু’টি করে গোল করেন আবির ও আশরাফ।

    রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের মধ্যে পারফরম্যান্সের জন্য বাংলা বিভাগের আবিরকে ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ ঘোষণা করা হয়, অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান সিএসই বিভাগ থেকে প্রান্ত মুখার্জি। পাশাপাশি যৌথভাবে শীর্ষ স্কোরার হন বাংলার আবির ও আশরাফ। সিএসইর আমান উল­াহ সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন এবং প্রমিজিং প্লেয়ার হিসেবে বাংলার আশিকের নাম ঘোষণা করা হয়।

    ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, একাডেমিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই প্রাণবন্ত থাকে। শহিদ মীর মুগ্ধের নামে এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য সত্যিই গৌরবের বিষয়। তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রেজাল্ট অপরাজিত দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অভিনন্দন জানান এবং খেলাধুলার উন্নয়নে শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ক্লাবের দক্ষ কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, যিনি বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শহিদ মীর মুগ্ধের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণা হয়ে উঠবে।

    অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের অধিনায়কদের হাতে ট্রফি তুলে দেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। এসময় দুই দলের কাছ থেকে ব্যক্তিগত পুরস্কার ও মেডেল বিতরণ করা হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অভিযোগ) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। টুর্নামেন্টের পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ নবীউল ইসলাম খান, যার স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মঈনুল হোসেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগ প্রধানসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।