Category: খেলাধুলা

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর দ্বিতীয় আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে, যার প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীতে। এরপর খুলনা ও চট্টগ্রামের ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে, যা চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে। প্রথম দুই রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী ও বগুড়ায়, এরপর বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই প্রতিযোগিতায় প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ খেলানো হবে। প্রধান ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হবে রাজশাহী এসকেএস স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নকআউট পর্বে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এর পর ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। এই আসরকে তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার বিশাল মঞ্চ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে তারা নিজেদের দক্ষতা ও প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পাবে।

  • খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলকে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন করার জন্য জেলা প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলকে অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন করার জন্য জেলা প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে গর্বিত করেছে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল। এই অনন্য সফলতা উদযাপন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে দলটির খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎতে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। এগিয়ে থাকা এই স্মরণীয় দিনটি উদযাপন করে খুলনা দল, যারা ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মাগুরা জেলা অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল দলকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়রা ছিলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমি খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল। জেলা প্রশাসক তাদের এই সাফল্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অগ্রগতি খুলনার জন্য সত্যিই গৌরবের। খেলাধুলা মনকে সতেজ করে ও শরীরের উন্নতি ঘটায়, তাই সবাইকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আরও উন্নতি সাধন করতে হবে।

  • জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা দলের সাক্ষাৎ

    জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা দলের সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপের অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা জেলা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার খবরে আনন্দের ঢেউ সৃষ্টি হয়। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া খুলনা বিভাগীয় মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সাথে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। এ সময় তিনি দলটির সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান, সেই সঙ্গে তাদের বিশাল এই অর্জনে প্রত্যেকের কৃতিত্বের প্রশংসা করেন। জেলা প্রশাসক বলেন, এই উৎসাহ ও সফলতা খুলনার জন্য গর্বের বিষয়। তিনি আরও বলেন, খেলা মানুষের মনোভাব ও শরীরকে সতেজ রাখে, সেই জন্য সবাইকেই যত্ন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, খুলনা দল ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মাগুরা জেলা দলের ৩-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। খেলোয়াড়রা ছিলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা Sultana ও দৃষ্টি মন্ডল। এই ঐতিহাসিক জয় তাদের গর্বের লালিত্য করে তুলেছে এবং খুলনার তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য উদ্বুদ্ধ করছে।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বাগেরহাটে আয়োজিত ব্যাডমิน্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন স্কুলের ৭৬ জন যুব খেলোয়াড় অংশ নেন, যারা উত্তেজনা আর উৎসাহের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা প্রদর্শন করেন। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়, আর বালক বিভাগের শীর্ষে উঠে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আখেরুল আহমেদ কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি মোবাইল আসক্তি কমাতে সহায়তা করে। ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি বলেন, যারা খেলাধুলা করে তারা শুধু ভালো ছাত্র নয়, একজন সুস্থ ও সুন্দর নাগরিকরূপে গড়ে ওঠে। এ অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ।

    উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালকসহ জেলা প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা। এই আয়োজনটি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মাধ্যমে যুবশক্তিকে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • বুলবুলের লক্ষ্য, নতুন সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    বুলবুলের লক্ষ্য, নতুন সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    চট্টগ্রামে সম্প্রতি শুরু হয়েছে একটি নতুন আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, যার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। এই টুর্নামেন্টটি বিসিবির উদ্যোগে দেশের ক্রিকেট কাঠামোতে বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্রিকেটের বিস্তার ঘটাতে একটি পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বক্তারা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেট কার্যক্রম বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আঞ্চলিক ক্রিকেট কাঠামো কার্যকর হলে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটাররা নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ পাবে, যাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় পর্যায়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন।

    হাবিবুল বাশার বলেন, আঞ্চলিক ক্রিকেট থাকলে সেখানে নিজস্ব লিগ ও টুর্নামেন্ট হবে। অর্থাৎ, খেলোয়াড়রা নিজেদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে। ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহরে তো সবার জন্য খেলার সুযোগ মেলে না। এই উদ্যোগের ফলে প্রতিভাবান পর অনেকেই নিজের দক্ষতা দেখানোর সুযোগ পাবে।

    তিনি আরো বলেন, রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে হিডেন প্রতিভাও সামনে আসবে। তখন তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে — সব ধরনের ক্রিকেটে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত হবে।

    অকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, “আমরা এটার মাধ্যমে একটা নতুন পথের সূচনা করেছি। এটি কোন সিজন নয়, তবে ভবিষ্যতের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে ১১টি জেলা একসাথে খেলছে, যা আগে কখনো হয়নি। এটা শুধু চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের জন্য নয়, পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্যই ভালো খবর।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল দেশের আগামীর সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি স্কুল ক্রিকেটকে উন্নত ও সুসংগঠিত করার পরামর্শ দেন।

    তিনি বলেন, ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ মূলত কেন্দ্রিয়ার মাধ্যমে হয়। কিন্তু যদি আঞ্চলিক ক্রিকেটের সঙ্গে সিঙ্ক করে নেওয়া যায়, তাহলে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের বিকাশ আরও দ্রুত হবে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধু প্রতিযোগিতার জন্য নয়, প্রত্যেক জেলায় যেন ক্রিকেটের নিজস্ব পরিবেশ গড়ে উঠে, সেটাই লক্ষ্য।

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক, রিয়াদ — এ সমস্ত তারকারা এখনো স্কুলে রয়েছেন। আমাদের দায়িত্ব কীভাবে এই প্রতিভাগুলোকে সঠিক পথে আনা যায়, সেই বিষয়ে কাজ করতে হবে। স্কুল ক্রিকেটকে এবার নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা আছে।’

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে তুললেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে তুললেন মেসি

    ইনজুরির কারণে এক ম্যাচ বাদ দিয়ে ফের আবার অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। এর ফলে তিনি কিছু দিন দল থেকে ছিটকে যান। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) লিগস কাপের সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে ফিরিয়ে আনেন কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো। যেখানে এক বিতর্কিত পেনাল্টি এবং জোড়া গোলের মাধ্যমে মেসি দলকে ফাইনালে পৌঁছে দেন।

    ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটি ক্লাবকে হারিয়েছে। প্রথমে সফরকারীরা লিড নিতে সক্ষম হলেও, পরে মেসির জোড়া ও তেলাস্কো সেগোভিয়ার এক গোল দিয়ে দলটি জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচে বল দখলে মায়ামির আধিপত্য ছিল স্পষ্ট, যেখানে তারা ৫৯ শতাংশ পজিশন নিয়েছিল, এবং ১৪টি শটের মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, অরল্যান্ডো করে ১১ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে।

    ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ সময়ে, মারকো পাসালিচ ১৮ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠিয়েছিলেন, যার ফলে অরল্যান্ডো লিড পেয়েছিল। এই লিড মোটে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। তখন, মায়ামির ডিফেন্ডার তাদেও আলেন্দেকে বক্সে ফাউল করেন অরল্যান্ডো গোলরক্ষক ডেভিড ব্রেকালো। যদিও এই ফাউলের জন্য তাঁকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। অভিযোগ ছিল যে, আলেন্দেকে জোরপূর্বক টেনে ফেলা হয়েছিল, তবে টিভি রিপ্লেতে সেটি স্পষ্ট হয়নি। বিপর্যয়জনকভাবে, ব্রেকালো মাঠ ছেড়ে যান। এরপর ফাঁকে ফাঁকে গোলের সুযোগ তৈরি করে, মেসি ৮৮ মিনিটে একটি স্পট কিকে গোল করে ম্যাচ সমতায় আনে।

    সাথে, সতীর্থ জর্দি আলবার সহযোগিতায়, বক্সের ভিতরে ঢুকে গোল করেন আলবিলেস্তের এই তারকা। এই গোল কুরুচিপূর্ণভাবে অরল্যান্ডো গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। তারপর, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, সেগোভিয়া দলের তৃতীয় গোলটি করেন, যেখানে লুই সুয়ারেজের সঙ্গে সুন্দর বোঝাপড়ার ফলে বক্সে ঢুকে গোল করেন।

    এই জয়টি মায়ামিকে কেবল লিগস কাপের ফাইনালেই পৌঁছাতে সাহায্য করেনি, বরং ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের জন্যও নিশ্চিত করে। আগামী ৩১ আগস্ট, ফাইনালে মেসি-সুয়ারেজের নেতৃত্বাধীন দলের প্রতিপক্ষ হবে এলএ গ্যালাক্সি অথবা সিয়েটল সাউন্ডার্স এফসি।

  • জাতীয় ক্রিকেট লিগের নতুন আসর শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের নতুন আসর শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আসরের সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীতে প্রথম ম্যাচ দিয়ে, যেখানে খুলনা এবং চট্টগ্রামের দল face করবে একে অপরকে। পুরো টুর্নামেন্টটি চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে। প্রথম দুটি রাউন্ড আয়োজন হবে রাজশাহী ও বগুড়ায়, এরপর বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই লিগে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। মূল ভেন্যুগুলো হলো রাজশাহীর এসকেএস স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নকআউট পর্বে উত্তীর্ণ হবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এরপর ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব পাচ্ছে এই আসরটি, কারণ এটি তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার এক বিশাল মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ

    খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় চ্যাম্পিয়ন, জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল। এ সুখবরের পর খেলা শেষে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম। বুধবার দুপুর ১২টায় তিনি তাঁর কার্যালয়ে এসব ফুটবল তারকার সাথে আলোচনা করেন এবং ট্রফিসহ তাদের উৎসাহ দেন।

    জেলা প্রশাসক দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই অর্জন খুলনার জন্য সত্যিই গৌরবের। তিনি আরও উল্লেখ করেন, খেলা মন এবং শরীরকে সক্রিয় রাখে, তাই সকলকেই আরও কঠোর পরিশ্রম করতে হবে যেন এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। আন্তরিক শুভকামনা জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, ১৯ আগস্ট বিকেলে মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে খুদে ফুটবলারদের মূল মঞ্চে অবদান রেখে এসেছে।

    খুলনা দলের খেলোয়াড়রা মধ্যে রয়েছেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল। উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    এভাবে খেলার ধারায় অগ্রগতি ও উন্নতিতে খুলনা জেলা তরুণ ফুটবলারদের চেতনা আরও জোরদার করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

    তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বিখ্যাত ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্র ও ছাত্রী অংশ নেয়। অনূর্ধ্ব ১৭ বয়সের বালিকা বিভাগে সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয় এবং বালক বিভাগে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং অতিথিদের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি তাদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগ করে দেয়। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমবে এবং তারা আরও সুস্থ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিণত হবে।

    বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি উল্লেখ করেন, যারা বিতর্ক করে তারা ভালো ছাত্র হয়, আর যারা খেলাধুলায় মনোযোগ দেয়, তারা সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়তে সক্ষম হয়। অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মঈনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক জেলা পরিসংখ্যান অফিসের প্রতিনিধিগণ এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    চট্টগ্রামে নতুন একটি আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোতে বিকেন্দ্রীকরণ ও উন্নয়নকে প্রচারকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসার ও নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। যদি এই আঞ্চলিক কাঠামো সফল হয়, তবে জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটাররা তাদের প্রতিভা প্রকাশের জন্য নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ের সুযোগের বাইরে থাকেন।

    হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আঞ্চলিক ক্রিকেট চালু হলে এখানকার খেলোয়াড়রা নিজেদের লিগ ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা করতে পারবে, যা অবশেষে অনেক প্রতিভার উন্মোচন করবে। ঢাকায় সব কিছুর সুযোগ থাকলেও দেশের অন্যান্য অংশে পর্যাপ্ত সুযোগ এখনও আসেনি। এটি সবার জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। অনেক প্রতিভাবান তরুণ আছেন, যারা এখনো সুযোগ পায় না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে, হিডেন প্রতিভাবানরা আর হিডেন থাকবেন না। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলা উপভোগ করতে সক্ষম হবে।’

    অন্যদিকে, আকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টটি দ্রুত আয়োজন করেছি। এটা সিজন না, তবে এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতের জন্য একটা দিকনির্দেশনা তৈরি করলাম।’

    তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনো একসঙ্গে খেলেনি। এই আয়োজনটি শুধু চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও গৌরবের বিষয়।

    বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার লক্ষ্যে স্কুল ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেওয়ার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয়ভাবে হয়, কিন্তু আঞ্চলিক ক্রিকেটের সঙ্গে সিঙ্ক্রোনাইজ করলে এটি আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র নয়, প্রতিটি জেলায় ক্রিকেটের নিজস্ব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য।

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদ সবাই এখনো স্কুলেই রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব কীভাবে এই প্রতিভাদের সঠিক পথে ডেকে আনা যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।’