Category: আন্তর্জাতিক

  • আফগানিস্তানে ট্রাক, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ৭১ জন

    আফগানিস্তানে ট্রাক, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে নিহত ৭১ জন

    আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ হেরাতে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের ভয়াবহ সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭১ জন নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৭ জন শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন হেরাত প্রাদেশিক সরকারের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ মুত্তাকি।

    হেরাত প্রাদেশিক পুলিশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ সাইদি জানান, নিহতদের মধ্যে বাসটির যাত্রীরা সবাই আফগান নাগরিক, যারা ইরান থেকে কাবুলের দিকে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার জন্য বাসের বেপরোয়া গতি ও চালকের অসতর্কতা দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

    অফগানিস্তানে দীর্ঘ দিন ধরে চলা সংকট ও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, আশির দশকে সোভিয়েত বাহিনীর আফগানিস্তানে দেওয়া সামরিক অভিযান চলাকালে হাজার হাজার আফগান শরণার্থী ইরানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের সরকারের নির্দেশে এঁরা নিজেদের দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। জানুয়ারির প্রথম দিকে পর্যায়ক্রমে ১০ লাখ ৬০ হাজারের বেশি আফগান দেশে ফিরে আসেন।

    সোমবারের এই দুর্ঘটনার আগের যাত্রীরা ও লক্ষ্য করে আসা বাসটি ওরা শরণার্থী হিসেবে ইরানে বাস করতেন। সরকারের নির্দেশনা অনুসারে, তারা এবার আফগানিস্তানে ফিরে আসছিলেন।

    সাইদি জানান, বেপরোয়া গতিতে চলতে থাকা বাসটির সাথে প্রথমে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কিছুক্ষণ পরই একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের সাথে বাসটির মুখোমুখি ঘটে এবং এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে ঘটনাস্থলেই নয়, পরে বিস্ফোরণে আরও অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    নিহতদের মধ্যে ট্রাক চালক, তার সহকারি, মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রী সহ মোট ৬৭ জনই বাসের যাত্রী ছিলেন। তবে unfortunate কেউ কেউ আহত হয়েছেন। সাইদি জানিয়েছেন, ঘটনাটি ঘটার পর মাত্র তিনজন যাত্রী বেঁচে থাকতেই পারেন।

    অভিযোগ ও ইতিহাস থেকে জানা যায়, আফগানিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনা খুবই সাধারণ। দুর্বল সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, খাড়া পাহাড়ি রাস্তা এবং চালকদের অসতর্কতা হামেশা বড় বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উল্লেখ্য, ডিসেম্বর মাসে একটি জ্বালানি ট্যাংকার ট্রাকের সাথে বাসের সংঘর্ষে ৫২ জন নিহত হয়েছিলেন।

  • ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান কি কখন শুরু হবে?

    ২০২৬ সালের পবিত্র রমজান কি কখন শুরু হবে?

    পবিত্র ও মহিমান্বিত মাস রমজান উপলক্ষে বিশ্বের মুসলিমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। এই মাসটি শুধুমাত্র ইবাদত কিংবা আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জনের জন্য নয়, এটি পারিবারিক সম্পর্কের আরও গভীরতা আনতে, মানুষের মধ্যে ভালোবাসা এবং সৌহার্দ্য ছড়াতে বিশেষ গুরুত্ব ভাগ করে নেয়। ২০২৬ সালেও এই বিশেষ মাসের জন্য মুসল্লিরা প্রস্তুত হচ্ছেন।

    গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, জ্যোতির্বিদদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রমজান মাসের শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে, আরব বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে রমজানের প্রথম রাতে। তবে রমজানের সূচনা ও শেষের নির্ধারিত তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করছে, যার জন্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রয়োজন।

    আরবি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শাবানের ২৯তম দিনেই রমজানের চাঁদ দেখা হয় এবং এর পরে রমজান মাস শুরু হয়। প্রত্যেক দেশের আলাদা চাঁদ দেখা কমিটি বা ধর্মীয় সংস্থা চন্দ্র দেখে রমজান মাসের শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা করে থাকে। চন্দ্র মাসগুলো সূর্য-ক্যালেন্ডারের থেকে ছোট হওয়ায় প্রতি বছরই এগুলোর তারিখ অল্প একটু পিছিয়ে যায়। এর ফলে মুসল্লিরা শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বা বসন্তের মতো বিভিন্ন ঋতুতেই এই মহিমান্বিত মাসের অভিজ্ঞতা পান।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রমজান শুরু হতে পারে ১৭ ফেব্রুয়ারি। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা চাঁদ দেখার উপর ভিত্তি করেই হবে।

    সূত্র: গালফ নিউজ।

  • যুদ্ধ বন্ধে অস্ত্রবিরতি নয়, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক দাবি ট্রাম্পের

    যুদ্ধ বন্ধে অস্ত্রবিরতি নয়, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক দাবি ট্রাম্পের

    অর্থাৎ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার প্রক্রিয়া আর অস্ত্রবিরতি দিয়ে নয়, বরং কেন্দ্রীয়ভাবে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা দরকার। তিনি বলেছেন, বর্তমানে এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে। ট্রাম্প এই কথা জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসে দুই নেতার এর公共সংবাদ সম্মেলনে। এর আগে তিনি স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় হোয়াইট হাউসে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি। কয়েকটি ইউরোপিয় দেশের শীর্ষ নেতাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন, যারা ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপচারিতার জন্য অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। ট্রাম্প আরও জানান, ইউক্রেন যদি চায়, তারা যুদ্ধ শেষ করতে পারে। তবে এই জন্য একান্ত দরকার একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, যেখানে সব পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, সবকিছু যদি ঠিকঠাক চলে, তাহলে খুব শিগগিরই এই বৈঠক আয়োজন করা হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, শান্তি চুক্তির জন্য ইউক্রেনের ন্যাটোর সদস্য হওয়ার প্রয়োজন নেই। ওয়াশিংটন ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে এবং তাদের খুব ভালো সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি জানান, তিনি এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণে আগ্রহী। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সমর্থন রয়েছে ও যুদ্ধের অবসান চান তারা।

  • ট্রাম্প বললেন, ইউক্রেনের ন্যাটো ও ক্রিমিয়ার আশা ছাড়াই শান্তি বার্তা দিন

    ট্রাম্প বললেন, ইউক্রেনের ন্যাটো ও ক্রিমিয়ার আশা ছাড়াই শান্তি বার্তা দিন

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনকে ন্যাটো জোটে যোগদানের Aspirations এবং রাশিয়া দখল করা ক্রিমিয়া পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) ওয়াশিংটনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও অন্যান্য ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি এ ব্যাপারে স্পষ্ট বার্তা দেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর নিশ্চিত করেছে।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শুক্রবার আলাস্কায় আলোচনার পর ট্রাম্প এবার ইউক্রেনকে চাপ দিচ্ছেন। তিনি চান, কিয়েভ শান্তিচুক্তি মেনে নিয়ে যুদ্ধের অবসান ঘটাক। বর্তমানে লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত ও হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এই সংঘর্ষে।

    হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রথমে নিজের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠক করবেন, এরপর ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। ইউরোপীয় নেতারা একযোগে ওয়াশিংটনে গিয়ে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাতে চান।

    রোববার ট্রাম্প তার প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, জেলেনস্কি যদি চায়, দ্রুত যুদ্ধ শেষ করতে পারেন। আবার চাইলে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, ওবামার আমলে ক্রিমিয়া গুলিবিহীন দখল হয়েছে, ন্যাটোও ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।

    এদিকে, ইউক্রেন ও তার মিত্ররা আশঙ্কা করছেন, হয়তো ট্রাম্প মস্কোর সঙ্গে কোনো সমঝোতার জন্য চাপ দিতে পারেন। তবে কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছেন, কারণ ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের পরবর্তী পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

    পুতিনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউক্রেনের ডনেস্ক অঞ্চলের অবশিষ্ট অংশ ছাড়তে হবে। তবে জেলেনস্কি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনার পক্ষে। কিন্তু এরপর ট্রাম্প রাশিয়ার দাবির পক্ষে অবস্থান নেন।

    জেলেনস্কি রবিবার রাতে ওয়াশিংটনে পৌঁছে বলেছেন, এই যুদ্ধ দ্রুত ও স্থায়ীভাবে শেষ করতে চায় সবাই। রাশিয়া এই যুদ্ধ শুরু করেছে, তাই তারই শেষ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় বন্ধুদের সঙ্গে মিলেই শান্তি চান তিনি।

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হামলায় বহু বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    এদিকে, ইউরোপীয় নেতারা আশঙ্কা করছেন, পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকে তাদের বাইরে রাখা হয়েছে বলে। তাই তারা আগে থেকেই জেলেনস্কির সঙ্গে সমন্বয় করেছেন। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াদেফুল বলেছেন, বিশ্ব এখন ওয়াশিংটনের দিকেই তাকিয়ে আছে।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজে ফেরার পর থেকে কিয়েভ-ওয়াশিংটনের সম্পর্ক অনেকটাই গড়বড়। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ওপর নির্ভরশীল থাকায় জেলেনস্কি ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

  • অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েলি এমপি রথম্যানের ভিসা বাতিল করল, বলল, ‘তোমাকে আমরা চাই না’

    অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েলি এমপি রথম্যানের ভিসা বাতিল করল, বলল, ‘তোমাকে আমরা চাই না’

    প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দিকে ঝুঁকে থাকা অস্ট্রেলিয়া কট্টরডানপন্থী ইসরায়েলি সংসদ সদস্য সিমচা রথম্যানের ভিসা বাতিল করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তার সফরের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, যা গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এ বিষয়টি নিজে নিশ্চিত করেছেন।

    ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান রিপোর্ট অনুযায়ী, রথম্যানের ইচ্ছে ছিল অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ইহুদি স্কুল, সিনাগগ ও ইহুদি সম্প্রদায়ের ওপর চলমান হামলার শিকারদের সঙ্গে দেখা করার। এই সফরের জন্য তিনি আমন্ত্রণ পান অস্ট্রেলিয়ান জিউইশ অ্যাসোসিয়েশন (এজেএ)-এর পক্ষ থেকে। সংস্থাটির প্রধান রবার্ট গ্রেগরি এই সফরকে ‘ভয়ংকরভাবে ইহুদি বিদ্বেষমূলক’ বলে একের পর এক তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন।

    অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘যারা আমাদের দেশে বিভাজন ও ঘৃণা ছড়িয়ে দিতে চায়, তাদের আমরা গ্রহণ করব না। আমাদের সরকার কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে, কেউ যদি ঘৃণা ও বিভাজনের বার্তা ছড়িয়ে আসেন, তাহলে আমাদের দেশে তাদের স্থান নেই।’

    সীমান্ত হিসেবে পরিচিত এই দেশটির ইসরায়েলি সংসদ সদস্য রথম্যান মূলত ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সংবিধান, আইন ও বিচারবিষয়ক কমিটির প্রধান এবং সরকারের বিতর্কিত বিচারব্যবস্থার সংস্কারের অন্যতম প্রাণপুরুষ হিসেবে পরিচিত। তার কট্টর ইহুদিবাদী অবস্থানের জন্যও তিনি ব্যাপকভাবে আলোচিত।

    এজেএ জানায়, রথম্যানের সফরটি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে কোনরূপ যোগসূত্র নেই। তবে গ্রেগরি সতর্ক করে বলেন, ‘ইহুদিদের উচিত অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে অন্তত দুবার ভাবা।’ এর আগে অস্ট্রেলিয়ার লেবার সরকার সাবেক ইসরায়েলি মন্ত্রী আয়েলেট শাকেদ এবং ব্লগার হিলেল ফুল্ডের ভিসাও বাতিল করেছিল। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তগুলো ইসরায়েলবিরোধী অবস্থানের প্রকাশ।

    সম্প্রতি অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী ক্যানবেরায় ইসরায়েলি নীতির কঠোর সমালোচনা করেন এবং আগামী মাসে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান। রথম্যান এবং ইসরায়েলি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষযে এখনও মন্তব্য দেননি।

  • মিয়ানমারে আশ্রয় ছেড়ে যাওয়ার সময় এসেছে এখনই

    মিয়ানমারে আশ্রয় ছেড়ে যাওয়ার সময় এসেছে এখনই

    ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারে সেনা সরকার। এরপর থেকে দেশটিতে চলমান সংঘর্ষ ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেই এবার তারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক ও রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়প্রত্যাশীদের জন্য সতর্কবাণী দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো বলছে, এই পরিস্থিতিতে এখনই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আন্তরিক উদ্যোগ নেয়া জরুরি। পরিস্থিতি যদি দ্রুত শান্তিপূর্ণ না হয়, তাহলে সবাইক্ষেত্রে ক্ষতি আরও বাড়বে এবং দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। চারপাশের বিশ্ব community ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এর এখনই সময় ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হবে। না হলে দেশের সাধারণ মানুষ ও দুর্বল মানুষ আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও জানান দিচ্ছে, মিয়ানমারকে সুস্থ ও স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইউক্রেনের নিরাপত্তায় শান্তিচুক্তির সহযোগিতা: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ইউক্রেনের নিরাপত্তায় শান্তিচুক্তির সহযোগিতা: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধানে যদি শান্তিচুক্তি হয়, তবে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো সক্রিয়ভাবে সহায়তা করবে। এই বৈঠকটি হোয়াইট হাউসের বেশই অপ্রত্যাশিত সময়ে আয়োজিত হয় যেখানে ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অংশ নেন। ট্রাম্প এ কথা বলেন যে, যদিও শান্তিচুক্তি যুদ্ধবিরতির পূর্বশর্ত নয়, তবুও এটি ইউক্রেনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরণের সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। ইউরোপীয় দেশগুলো মূলত প্রথম সুরক্ষা রেখা হিসেবে কাজ করবে, এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে। ট্রাম্প বিশ্বাস করেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ শেষ করতে চান এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে শীঘ্রই ট্রাম্প, জেলেনস্কি এবং পুতিনের তিনপক্ষীয় বৈঠক বসবে। তবে এই বৈঠকের জন্য পুতিন এখনও সম্মতি দেননি। জেলেনস্কি প্রকাশ করেছেন, ‘আমরা যুদ্ধ বন্ধ করতে চাই এবং এর জন্য আমাদের আমেরিকা ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সমর্থনের প্রয়োজন।’ গত ছয় মাস আগে যখন ট্রাম্প ও তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জো. ডি. ভ্যান্স জেলেনস্কিকে কঠোর সমালোচনা করেছিলেন, তখন তাদের সম্পর্ক অনেক বেশি ঠাণ্ডা ছিল। এখন however দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইউক্রেনের নিরাপত্তায় শক্তিশালী সমর্থনের জন্য ব্রিটেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ন্যাটো নেতারা ওয়াশিংটনে একত্রিত হয়েছেন। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘যদিও যুদ্ধবিরতি ভালো হবে, তবে তা একপক্ষের জন্য কৌশলগত অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও শান্তিচুক্তি আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।’ অন্যদিকে, জেলেনস্কি জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার হামলাকে বন্ধ করতে হলে তাদের সম্পূর্ণ সমর্থন প্রয়োজন। সম্প্রতি রাশিয়ার ড্রোন হামলায় খারকিভ ও জাপোরিজিয়া শহরে কমপক্ষে ১০ জন নিহত হয়েছেন, যেখানে শিশুসহ অসংখ্য নিরীহ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ট্রাম্পের সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন যে, তিনি যুদ্ধ শেষ করতে রাশিয়ার শর্তগুলো মানতে পারেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনকে ক্রিমিয়া ফিরে পাওয়ার আশা ও ন্যাটোতে যোগদানের প্রবৃত্তি এড়িয়ে চলতে হবে। তবে জেলেনস্কি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ার ব্যাপক আক্রমণে এক মিলিয়নের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন এবং দেশের অনুন্নত অঞ্চল গুঁড়িয়ে গেছে। এই মন্তব্যের পর ইউরোপীয় নেতারা আরও আলোচনা করতে হোয়াইট হাউসে যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স

  • ন্যাশনাল গার্ড না দিলে লস অ্যাঞ্জেলেস পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেত: ট্রাম্প

    ন্যাশনাল গার্ড না দিলে লস অ্যাঞ্জেলেস পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেত: ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমনে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন অনেকে। তবে নিজের সিদ্ধান্তের প্রতি বেশ আস্থা রয়েছে ট্রাম্পের। তিনি বলেছেন, এমনটা না করা হলে লস অ্যাঞ্জেলেস পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেত।

    লস অ্যাঞ্জেলেস ও এর আশপাশে এলাকায় এই বিক্ষোভ শুরু হয় গত শুক্রবার। রোববার তা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে। এদিন রাস্তায় নেমে আসেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। সড়ক অবরোধসহ গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল গার্ডের ২ হাজার সদস্যকে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত কোনো অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অনুরোধ সাপেক্ষে সেখানে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট। তবে এবার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গাভিন নিউসমের অনুরোধ ছাড়াই বাহিনীটি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। তার এমন পদক্ষেপের বিরোধিতাও করেছেন নিউসম। তবে তা কানে তোলেননি ট্রাম্প।

    নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘ক্যালিফোর্নিয়ায় সহিংস, উসকানিমূলক দাঙ্গা মোকাবিলার জন্য ন্যাশনাল গার্ড পাঠানোর সিদ্ধান্তটি চমৎকার ছিল। আমরা যদি এমনটা না করতাম, তা হলে লস অ্যাঞ্জেলেস পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেত।’

    গভর্নর গাভিন নিউসম ও লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাসের সমালোচনা করে ট্রাম্প লেখেন, ‘চরম অযোগ্য গভর্নর গাভিন নিউসম ও মেয়র কারেন বাসের বলা উচিত ছিল, “ধন্যবাদ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। আপনি খুবই অসাধারণ। আপনি ছাড়া আমরা কিছু করতে পারতাম না।” তবে তারা আমেরিকা ক্যালিফোর্নিয়ার মানুষের সঙ্গে মিথ্যা বলাকে বেছে নিয়েছেন।”

  • উত্তপ্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি, পদত্যাগের ঘোষণা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

    উত্তপ্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতি, পদত্যাগের ঘোষণা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

    বিরোধীদের ‘দমন করতে’ আকস্মিক সামরিক আইন জারির ঘটনায় উত্তপ্ত দক্ষিণ কোরিয়া। এরই মাঝে দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউন পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন।

    গতকাল মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল হঠাৎ করেই ‘উত্তর কোরিয়াপন্থীদের’ হুমকির কথা উল্লেখ করে সামরিক আইন জারি করেন। পার্লামেন্টে বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টির বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড’র অভিযোগ তোলেন।

    মঙ্গলবার আকস্মিক সামরিক আইন জারি করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। ছবি: সংগৃহীত

    প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে এশিয়ার গণতান্ত্রিক এ দেশটিতে আকস্মিক সামরিক আইন জারির ঘোষণায় হতবিহ্বল হয়ে পড়েন নাগরিকরা। দ্রুতই এটা পরিষ্কার হয়ে ওঠে বাইরের কোনো হুমকিতে নয়, বরং বিরোধী দলকে ‘দমন করতে’ এ সিদ্ধান্ত নেন ইউন সুক।

    ঘটনার প্রতিবাদে পার্লামেন্টের বাইরে গতকাল রাতেই সমবেত হন হাজার হাজার মানুষ। একই সময় প্রেসিডেন্টের ওই পদক্ষেপ জরুরি এক ভোটাভুটির মাধ্যমে আটকে দিতে পার্লামেন্টে ছুটে যান আইনপ্রণেতারা।

    পরে সর্বসম্মতিক্রমে ভোটে হেরে যান প্রেসিডেন্ট ইউন। এর কয়েক ঘণ্টা পর তিনি আবার হাজির হন। রায় মেনে নেওয়ার কথা জানিয়ে ঘোষণা দেন সামরিক আইন প্রত্যাহারের। এমন প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট নিজের দল থেকেই বহিষ্কারের শিকার হতে পারেন।

    এমন উত্তপ্ত পতিস্থিতিতে আজ বুধবার গণমাধ্যমে শেয়ার করা এক বার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউন জানান, জরুরি সামরিক আইনের কারণে সৃষ্ট অস্থিরতার জন্য তিনি নিজেকে দায়ী মনে করছেন।

    তিনি জনগণের মাঝে ‘বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ সৃষ্টির জন্য’ ক্ষমা চেয়েছেন। কিম বলেন, আমি সামরিক আইন সংক্রান্ত সব ঘটনার দায়িত্ব নিচ্ছি এবং প্রেসিডেন্টের কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।

  • ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন জোটের মহাসচিব

    ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন জোটের মহাসচিব

    সামরিক জোটে ন্যাটোতে ইউক্রেনের সম্ভাব্য সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন জোটের মহাসচিব মার্ক রুট। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইউক্রেনের সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখন অগ্রাধিকার হওয়া উচিত রাশিয়ার সঙ্গে ভবিষ্যতে যে কোনো শান্তি আলোচনায় আরও অস্ত্র পাঠিয়ে দেশটির হাতকে শক্তিশালী করা।

    তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যে কোনো মূল্যে ন্যাটোর সদস্য হতে চাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চলগুলোতে জোটের সদস্যপদ সম্প্রসারণই ইউক্রেনে তিন বছরের যুদ্ধের ‘উত্তপ্ত পর্যায়ের’ অবসান ঘটাতে পারে।

    ন্যাটো মহাসচিব বলেন, ফ্রন্ট পূর্ব দিকে এগোচ্ছে না। এটি ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    মার্ক রুট বলেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, ইউক্রেন শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। শান্তি আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সরকারকে পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কীভাবে তা পরিচালনা করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    জুলাইয়ে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশের নেতারা জোর দিয়ে বলেন, ইউক্রেন সদস্যপদ পাওয়ার পথে রয়েছে।

    কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কেউ কেউ যুদ্ধ চলাকালীন এবং দেশের সীমানা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হওয়ার আগে ইউক্রেনকে জোটে নেওয়ার বিষয়ে পিছপা হয়েছে। ইউক্রেনে যোগ দিতে হলে ৩২টি দেশকে সর্বসম্মতিক্রমে একমত হতে হবে।

    ৩০ বছর আগে হাঙ্গেরির রাজধানীতে সই করা একটি চুক্তির আওতায় রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তার বিনিময়ে সোভিয়েত আমলের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করতে রাজি হয়েছিল ইউক্রেন। সেই সময়ের হিসেবে যা ছিল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রের সমান।

    ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি দৃঢ় বিবৃতি জারি করে বুদাপেস্ট চুক্তিকে ‘কৌশলগত নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে অদূরদর্শিতার স্মারক’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, আমরা নিশ্চিত যে ইউক্রেনের নিরাপত্তার একমাত্র আসল গ্যারান্টি এবং রাশিয়ান আগ্রাসনের প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো ন্যাটোতে ইউক্রেনের পূর্ণ সদস্যপদ।

    ব্রাসেলসে ন্যাটোর সদর দপ্তরে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা সাংবাদিকদের বুদাপেস্টের নথির একটি কপি দেখান। তিনি বলেন, এই নথি- এই কাগজ ইউক্রেনীয় নিরাপত্তা এবং ট্রান্সআটলান্টিক নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাই এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি থেকে বিরত থাকতে হবে।

    ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার বলেছেন, ইউক্রেনের মিত্রদের অবশ্যই যতক্ষণ সময় লাগে ততক্ষণ তাদের আত্মরক্ষার জন্য যা করা দরকার তা করতে হবে। আবার যুদ্ধটি আলোচনা এবং সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে শেষ হবে বলেও আশা করেন তিনি।