Category: অর্থনীতি

  • টানা তিনদিনে সোনার দাম নামলো, ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকার নির্ধারণ

    টানা তিনদিনে সোনার দাম নামলো, ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকার নির্ধারণ

    দেশের বাজারে টানা তৃতীয় দিনও সোনার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ২ হাজার ৬৮৫ টাকা কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা। এই নতুন দাম শনিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকাসোনার মূল্য কমার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক বৈঠকে দাম সমন্বয় করা হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    নতুন নির্ধারিত মূল্যের বিবরণে দেখা গেছে — ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২,৬৮৫ টাকা করে কমিয়ে দাম হয়েছে ২,৬২,২৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২,৫০,৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের দামের তুলনায় ২,৫০৮ টাকা কম। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২,১৪,৬১৮ টাকা — এতে ২,১৫৭ টাকার ঘাটতি এসেছে। একইভাবে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৭৪,৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২,১৫৮ টাকা কম।

    সোনার সঙ্গে সঙ্গেই রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,০৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫,৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪,৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩,৭৩২ টাকা।

    গতকাল শুক্রবারও বাজুস সোনার দাম প্রতি ভরি ২,১৫৮ টাকা এবং রুপার দাম প্রতি ভরি ৩৯২ টাকা কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ছিল ২,৬৪,৯৪৮ টাকা এবং ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৬,৩৫৭ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৪৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৬ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ বার দাম নামানো হয়েছে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোর কাছে খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মিডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। আদালতে মামলাসূত্রে যাওয়ার আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ pদ্ধতিতে সমাধান নিশ্চিত করাই নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য।

    কেন্দ্রীীয় ব্যাংক woensdag একটি সার্কুলার জারি করে জানিয়েছে, এ উদ্যোগের ফলে বিচার ব্যবস্থায় মামলার চাপ কমবে এবং এমনও ঋণবর্ণনা রয়েছে যেগুলো ভবিষ্যতে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ বা দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে—তাতে আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধানের সুযোগ তৈরি হবে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ৩০ জুন ২০২৬ সালের মধ্যে তাদের মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ বিরোধ বন্ধ করে দিতে হবে। চলতি অর্থবছরের শেষ দিন হিসেবে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং এটি ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নের ওপর নিয়ন্ত্রকের গুরুত্বের প্রতিফলন।

    বড় পরিমাণ অনাদায়ী ঋণের মধ্যে এই ১ শতাংশ আদায়কে জাতীয় পর্যায়ে ঋণ পুনরুদ্ধারের একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নির্দেশনা ২২ মে ২০২৪ সালে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে, তবে এবার আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

    মধ্যস্থতাকারীদের নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠিত প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে। এসব প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা থাকার কথা।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না থাকা এবং যথোপযুক্ত আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নীতিমালার অধীনে ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সময় কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    তফসিলি ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে গ্রাহকদের মধ্যে এসব মধ্যস্থতা সুবিধার ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টিরও নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক; যাতে ঋণগ্রহীতারা আদালতচাপিত দীর্ঘ প্রক্রিয়া বাইপার করে দ্রুত সমঝোতাভিত্তিক সমাধানে আগ্রহী হন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়া গেলে দীর্ঘ সময় লাগা আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতি ও তরলতা উন্নয়নে সহায়ক হবে।

  • এক ভরির সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০

    এক ভরির সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিন সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস বলেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন মূল্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম পড়বে ২,৭০,৪৩০ টাকা। একই বিবেচনায় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হয়েছে ২,৫৮,১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২,২১,২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    সোনার দর বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার দাম ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। তদুপরি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের এই সিদ্ধান্ত বাজারে কাঁচামালের মূল্য ওঠানামা ও স্থানীয় চাহিদার প্রভাবকে মাথায় রেখে নেওয়া হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি গ্রাহক ও গহনা ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ে প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ক্রেতাদের সাবধানতা ও ব্যবসায়ীদের স্টক পরিকল্পনা আপডেট করার পরামর্শ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

  • সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম ২ হাজার টাকারও বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা; এটি সকাল ১০টায় থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম: ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম — ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রূপার মূল্যও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরির রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই নতুন দাম সম্পর্কে বিস্তারিত ও কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া গেছে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ সম্পর্কিত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সমাধান করার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার এই নির্দেশনা সংবলিত একটি সার্কুলার প্রকাশ করে বলেছে, আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট খেলাপি ঋণের কমপক্ষে এক শতাংশ পরিমাণ নিষ্পত্তি করতে হবে। ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতি ও তারল্য উন্নয়নে চলতি অর্থবছরের শেষ দিন হিসাবে এ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এই এক শতাংশ আদায়ের লক্ষ্যকে জাতীয় পর্যায়ের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনা ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার-১১-এর ধারাবাহিকতাই বজায় রাখলেও এবার আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। এডিআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে মধ্যস্থতাকারীদের নির্বাচন করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী গঠিত বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের প্যানেল থেকে।

    সামর্থ্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ প্যানেল নিশ্চিত করতে এমন প্যানেলে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কিত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি না থাকা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নিয়মে ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সময় কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ করে তাদের সচেতন করতেও ব্যাংকগুলিকে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বদলে দ্রুত ও কার্যকর বিকল্প কৌশল গড়ে তোলা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ উদ্যোগ চালুর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় মামলার চাপ কমবে এবং খেলাপি ঋণের দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও ত্রাণশীলতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশ করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, এবার প্রতি ভরিতে দামে দুই হাজার টাকারও বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিভিন্ন ক্যারেটের দাম হয়েছে—২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৮০,৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরিতে রুপার দাম ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বজুসের এই সংশোধিত মূল্য ঘোষণায় গহনা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে পারে এবং বাজারে দাম সম্পর্কে সতর্কতা তৈরি হতে পারে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    কেন্ড্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার প্রকাশিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, আদালতে মামলা করার আগে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে বিরোধ সমাধান করলে মামলার জট কমবে এবং দ্রুত আর্থিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।

    নতুন নীতির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ আদায় করে নিবিড় ফলাফল দেখাতে বলা হয়েছে। সময়সীমা নির্ধারণের এ উদ্যোগকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক(bank) খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বর্তমান অনাদায়ীকৃত ঋণের পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনকে জাতীয় পর্যায়ে ঋণ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমে সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    সার্কুলারটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে but নতুন নির্দেশনায় আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে এমন মামলাগুলোরও আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারীদের পছন্দ করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুসারে গঠিত বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্যানেল থেকে। ঐ প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা আর্ভুক্ত থাকবেন।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, মধ্যস্থতাকারীর নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি ঋণের গ্রাহক না হওয়া এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি এই মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘস্থায়ী আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ থেকে ব্যাংক খাতের ঋণ পুনরুদ্ধার বাড়বে, আর্থিক সুশাসন শক্তিশালী হবে এবং মামলার ব্যস্ততা কমে বিচারপ্রণালীও আরও ফলপ্রসূ হবে।

  • খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার একটি সার্কুলার জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে খেলাপি ঋণ সম্পর্কিত বিরোধগুলো আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ বা এডিআর পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এই উদ্যোগ বিচারব্যবস্থায় মামলার চাপ কমিয়ে ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    সার্কুলারে নির্ধারণ করা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। বর্তমান সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ অনাদায়ী ঋণ থাকা এবং দীর্ঘ আদালত প্রক্রিয়ার কারণে এই টার্গেটকে দেশের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনাটি ২২ মে ২০২৪ জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংককে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা গঠিত প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে।

    সংশ্লিষ্ট প্যানেলে থাকতে পারে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবী। সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন সংক্রান্ত ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কে প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না হওয়া ও আর্থিক সক্ষমতা ইত্যাদি।

    মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর কাছে নির্দেশনা আছে যে, গ্রাহকদের কাছে এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সক্রিয় তথ্য সরবরাহ করতে হবে, যাতে তারা আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার সুযোগ সম্পর্কে সচেতন হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি দাঁড়িয়ে দিলেই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে একটি কার্যকর কাঠামো গড়ে উঠবে, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

  • সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এবার ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

    বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন এই দাম বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি এবং তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম কয়েকটি অঞ্চলে ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    টানা দ্বিতীয় দিন সোনার দাম বাড়ল — বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার সকালে ঘোষণা করে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি রেখে দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড)-র মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ভরি=১১.৬৬৪ গ্রাম হিসেবে দেশের বাজারে এখন সোনার দর নির্ধারণ করা হলো — ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। সমতুল্যভাবে ২১ ক্যারেট রুপা ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের এই নতুন মূল্য নির্দেশিকা ভোর থেকে কার্যকর থাকায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে ক্রমশ মূল্য সমন্বয় দেখা যাবে।