Category: অর্থনীতি

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তিনি যেসব সময় শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ২,৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেবল চারটি জাহাজ কেনা হয়। এ ঘটনায় প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক বৈষম্য ধরা পড়েছে বলে দুদকের মত।

    এছাড়া মোংলা বন্দর সংলগ্ন পাগুর (পশুর) চ্যানেল সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১,৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ সংক্রান্ত বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

    দুদকের অনুসন্ধানী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কমিগুলো এই নথি যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়নের খাতগুলো তদন্ত এবং নিয়োগ-প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবে। অনুসন্ধান চালিয়ে প্রয়োজনে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে।

  • ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার লক্ষ্যে নতুন পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার ব্যাংকটির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বলা হয়েছে, দৈনন্দিন খরচ ও মূল্য পরিশোধে নগদ বহন না করে ক্রেডিট কার্ডের ওপর নির্ভরতা বাড়ায় খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমিয়ে নতুন বৈশিষ্ট্য এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই প্রয়োজন মেটাতে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

    নতুন নীতিমালায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অনুশীলন জোরদার, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা করা এবং দায়িত্বশীল ঋণ প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনকে স্বচ্ছভাবে পরিচালিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহক যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্তে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা থেকে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (অন-সিকিউর্ড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে উদ্ভব হওয়া জটিলতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি পর্যালোচনা করে গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এসব পরিবর্তন গ্রাহক নিরাপত্তা বাড়াবে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করবে ও ক্রেডিট কার্ড সেবা আরও বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকর করবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সূত্রে জানানো হয়, এই অনুসন্ধান পরিচালনার জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার একটি জাহাজ ক্রয় প্রকল্পে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু শেষপর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজই কেনা হয়। এ কারণে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদকের তথ্যে বলা হয়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর নালা (পশুর চ্যানেল) সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দে বড় ধরনের অনিয়মেরও অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর বরাদ্দ, বাস্তবায়ন, দরপত্র প্রক্রিয়া ও খরচের হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থায় নিয়োগ ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সম্পর্কিত অভিযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।

    দুদক জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তদন্ত চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো জানানো হবে।

  • ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন একটি ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন জারি করেছে। এতে ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত স্পষ্ট নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে। রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন খরচ ও পেমেন্টে নগদের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তি পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিধি বাড়ায় খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নতুন নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা চালুর প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে এই পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে যাতে বাজারে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা যায়।

    নতুন নির্দেশনায় গাইডলাইনের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদ নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলোই গাইডলাইনের মূল অঙ্গ ও লক্ষ্য।

    সংকীর্ণ সীমা প্রশস্ত করে নতুন নির্দেশনায় সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমা ২৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ ঋণের (unsecured credit) সীমাও ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই গাইডলাইনের মাধ্যমে ক্রেডিট কার্ড সেবায় স্বচ্ছতা বাড়বে, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার হবে এবং গ্রাহকের অধিকার বেশি সুরক্ষিত হবে। গ্রাহক ও ব্যাংক-দুটি পক্ষকেই দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে—সেবা গ্রহণের শর্তাবলী ভালোভাবে জানার পাশাপাশি নির্ধারিত নিয়মকানুন মানতে হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নানা প্রকল্পে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    দুদক উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে মোট চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। সূত্র বলছে, এসব কমিটি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও নকশা, বরাদ্দ, ক্রয়প্রক্রিয়া ও নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র খতিয়ে দেখে অনিয়মের কোনো সূত্র সামনে আসে কিনা তা যাচাই করবে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আছে। বিশেষত তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার ব্যয়ে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেনা হয় মাত্র চারটি। এই আলাদা হওয়ার ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার হিসাবগত অসঙ্গতি বা অনির্দিষ্টতা ধরা পড়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।

    মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে—এই প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় অন্য দলগত বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, এখনো সম্পূর্ণ তদন্ত শেষ হয়নি; প্রাথমিক কয়েকটি তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর পরবর্তী বৈঠকে তদন্তের স্বরূপ ও পরিসর নির্ধারণ করা হবে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যদি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চার্যক্রম গ্রহণের প্রস্তাব আসে, তাহলে দুদক তা অনুসরণ করবে।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন গাইডলাইন জারি করেছে, যাতে কার্ড ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব রাখা হয়েছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

    নতুন গাইডলাইন তৈরির মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত ব্যবহারে ক্রেডিট কার্ডের চাহিদা ও ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। কার্ড সেবার পরিধি সম্প্রসারণ ও খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমাতে এবং নিরাপদ, দায়িত্বশীল আর্থিক লেনদেন নিশ্চিত করতে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।

    গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে; গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন দিকেই বিস্তারিত নির্দেশনা রাখা হয়েছে।

    একটি প্রধান পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। আগের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ লাখ টাকায় ছিল, যা বাড়িয়ে এখন ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ (অসুরক্ষিত) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশিকা গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা, এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সংশ্লেষ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্রয়োজনে গ্রাহক সেবা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্ত করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে গাইডলাইনে উল্লেখ রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করে এই গাইডলাইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ক্রেডিট কার্ড খাতে আরও স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে, গ্রাহকদের অধিকার মজবুত হবে এবং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত শুরু

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত শুরু

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করার জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৫ মার্চ) এই তথ্য প্রকাশ করে বলা হয় যে তদন্তের লক্ষ্য প্রধানত আর্থিক অনিয়ম এবং নিয়োগ-related অনিয়ম। সংস্থাটির প্রাথমিক তদন্তে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে, যখন তিনি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা; কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়। এতে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্পের জন্য মোট ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকায় সংশ্লিষ্ট যোগান, কাজের মান ও হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখছে অনুসন্ধানকারীরা।

    দুদকের তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে এবং অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সংগ্রহের স্বার্থে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। অভিযুক্ত কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অভিযোগপত্র দাখিলের আগে তদন্তের বহুমুখী প্রক্রিয়া চলবে বলে দুদক জানিয়েছে।

    তদন্ত চলমান; সংস্থাগুলো থেকে সংগৃহীত নথি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।

  • নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে নতুন একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রোববার এ তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন চাহিদা ও নগদবিহীন লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিধি বিস্তার পেয়েছে। ফলে এই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমিয়ে নতুন সুবিধা ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা যোগ করার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণপ্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বৃদ্ধি। আগের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা থেকে তা এখন ৪০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ ঋণের (গ্যারান্টিহীন বা সিকিউরিটিযুক্ত নয় এমন ঋণ) শীর্ষ সীমাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি প্রতিরোধ, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে জটিলতা কমানো ও বিরোধ সমাধানের কার্যক্রমকে দক্ষ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও নির্দেশনা রাখা হয়েছে। ব্যাংক বা কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে যাতে গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

    গাইডলাইনের লক্ষ্য গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক ক্রেডিট কার্ড পরিবেশ বানানো, যেখানে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সার্ভিসের মান বজায় রেখে দায়িত্বশীল ঋণদানের অনুপ্রেরণা দেওয়া হবে। ব্যাংক জানিয়েছে, এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহক সচেতনতা ও বাজারের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রোববার এই তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহনের বিকল্প ও ছোটখাটো খরচ বুঝতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় খাতে বিদ্যমান জটিলতা দূর করে আধুনিক চাহিদা মেটাতে পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে। নতুন গাইডলাইনটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, গ্রাহক অধিকার রক্ষা করা, দায়িত্বশীল ঋণপ্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

    গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত মূল বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদন্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা।

    একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনের মধ্যে সবচেয়ে 눈에 পড়া পরিবর্তন হলো ঋণসীমা বৃদ্ধি। পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা এখন ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউরড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি মোকাবেলা, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে জটিলতা সমাধান এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সহজ ও কার্যকর করার ওপর প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে অভ্যন্তরীন নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার নিরাপত্তা পদ্ধতি শক্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যাতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হালনাগাদের ফলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিধি বাড়বে এবং গ্রাহক সুবিধাজনক ও নিরাপদ পরিবেশে নগদবিহীন লেনদেন করতে পারবেন—তবে এর সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ওপর আরও দায়িত্বশীল ঋণপ্রদান ও কঠোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানা গেছে, এই অনুসন্ধানের জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। বিশেষ করে, তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ছয়টি জাহাজ কেনার জন্য ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়; ফলে ওই প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলমান আছে এবং প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাসহ আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তের পর পাবলিক করার জন্য আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।