Category: সারাদেশ

  • ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    ধানের শীষের প্রার্থী মঞ্জু: সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে দেশের 안정তা নষ্ট করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাইছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেন, এই গোষ্ঠী গণতান্ত্রিক পথ থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে, যা দেশের অগ্রগতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি দেশের শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অপশক্তিকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করে তাদের রুখে দিতে হবে, কারণ এত রক্তক্ষয় ও সংগ্রামের মাধ্যমে যে দেশটি স্বাধীন হয়েছে, তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, এতে আমরা কেউই সম্মত নই।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে হরিজন কলোনী ও ময়লাপোতা কলোনীর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কলোনীর সভাপতি প্রদীপ বাবুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মন্দির কমিটির সভাপতি লাল মিয়া। সন্ধ্যা ৭টায় ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সাধু ফ্রান্সিস কলোনী ও খ্রিস্টানপাড়ায় রিপন শংকর এর পরিচালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন। তিনি সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন also জানান।

    অন্যদিকে, সেন্ট জেভিয়ার্স পাড়ায় বীরান বৈরাগী, সমদেব ও মাইকেল পান্ডের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানেও তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। দেশের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোল্লাপাড়া বাইতুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দোয়ায় অংশ নেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং অন্য প্রখ্যাত ব্যক্তিরা। দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম ফজলুল কাদের।

    উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মো. শাহজাহান, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আফসার উদ্দিন মাস্টার, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু এবং অন্যান্য। এই সব অনুষ্ঠানে তিনি সকলের কাছে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য দোয়া ও শুভকামনা ব্যক্ত করেন।

  • কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    কনকনে শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

    হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার ঘনঘটায় চুয়াডাঙ্গার মানুষ এখন তীব্র শীতের মুখোমুখি। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকা এই সময়টায় শীতের প্রকোপ আরও অনুভূত হচ্ছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে দেখা যায়, চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উত্তরের হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা এবং তাপমাত্রা হ্রাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দিন ও রাতে তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকায় এই শীত আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। এই মৌসুমে দুদিন ধরে টানা শীতজনিত কারণে জনজীবন কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর আগের দিন, শনিবার সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা রোববার নেমে এসেছে ১৩.৬ ডিগ্রিতে। এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় দেড় ডিগ্রি কমে গেছে। অপর দিকে, শুক্রবার দুপুর ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৭ ডিগ্রী, যা শনিবার দুপরে কমে এসে দাঁড়িয়েছে ২০.২ ডিগ্রীতে। সে দিন আকাশ কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। শীতের এই তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে জেলা সদরসহ আশেপাশের হাসপাতালগুলোয় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। অন্ধকার কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঠান্ডার প্রভাবে রাস্তাঘাটেও মানুষের উপস্থিতি কম দেখা যাচ্ছে, যেন সবকিছুই হিমশীতল হয়ে উঠেছে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আর কুয়াশা ও ঠাণ্ডা বাতাসের এই অব্যাহত প্রবাহ চলমান রয়েছে।

  • তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    তরুণদের খেলার মাঠে ফেরার আহ্বান মন্তব্য বকুলের

    মাদক থেকে যুবসমাজের মুক্তি ও এক সুস্থ, শক্তিশালী জাতি গঠনের লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প কিছুই নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধান শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। শনিবার বিকেলে মহেশ্বরপাশা ফিউশন কমিউনিটি আয়োজিত ‘যুব সমাজের উদ্যম, খেলাধুলার চেতনায় গড়া উন্নত আগামীর প্রত্যয়ে’ শিরোনামের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথাই ব্যক্ত করেন।

    বকুল বলেন, বর্তমানে আমাদের যুবসমাজ মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত। এই মারাত্মক পরিস্থিতি থেকে তরুণদের নিরাপদে রাখতে হলে তাদের আবার খেলাধুলার মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে। খেলাধুলাই পারে শান্তি, আনন্দ এবং সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে। তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া কেবল শরীরচর্চার জন্য নয়, এটি একটি জাতীয় উন্নয়নের শক্তিশালী হাতিয়ারও। আরো বেশি মাঠমুখী তরুণ সমাজই পারে একটি সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। খুলনা সহ পুরো দেশকে মাদকমুক্ত করার আন্দোলনে খেলাধুলা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের বিজয়ী দল ‘মর্নিং বয়েজ ক্লাব’ এবং রানার্সআপ ‘এসএফসি ক্লাব’-এর খেলোয়াড়দের পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বেশি সামাজিক ও ক্রীড়া উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন দৌলতপুর থানার বিএনপি সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল হক নান্নু, বিশিষ্ট সমাজসেবক শেখ গাউস হোসেন, আশরাফ হোসেন ও কাওসার মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্টের আয়োজক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন ও সঞ্চালনায় ছিলেন এস এম জসিম। এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিএনপি ও তার অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সম্পন্ন

    খুলনায় ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সম্পন্ন

    খুলনা জেলার ছয়টি নির্বাচনী আসনে মোট ১৭ জন প্রার্থী их মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। খুলনা জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিভিন্ন দল থেকে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। খুলনা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। খুলনা-২ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি আমান উল্লাহ। খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল, জামায়াতে ইসলামের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শেখ আরমান হোসেন। খুলনা-৪ আসনে বিএনপির আজিজুল বারি হেলাল, জামায়াতে ইসলামীর মো: কবিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আজমল হোসেন। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগার লবি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আর খুলনা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামের মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ এবং বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন।

  • শহীদ ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্রের জন্য সংকট: নেতাদের ক্ষোভ

    শহীদ ওসমান হাদীর ওপর হামলা গণতন্ত্রের জন্য সংকট: নেতাদের ক্ষোভ

    নির্দলীয় নেতা ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদীর ওপর হামলা আমাদের গণতন্ত্রের মূল স্তম্বের উপর সরাসরি আঘাত। তিনি বলেন, ওসমান হাদী একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তার উপর হামলার পেছনের কারণ খুঁজে বের করে দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে। এই অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে, তাদের বিচারের আওতায় আনার পাশাপাশি যেন কোনওভাবেই দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা নষ্ট না হয়, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে তেরখাদা উপজেলার পানতিতা এলাকায় বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে নারীদের নিয়ে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এই দিন দুপুরে, শহীদ ওসমান হাদীকে স্মরণ করে তার আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া মাহফিলের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিকেল সাড়ে তিনটায়, মোল্লা দেলোয়ার হোসেন দিলুর নেতৃত্বে একটি দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে, বিএনপি’র সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন আজিজুল বারী হেলাল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীফলতলা ইউনিয়ন সার্চ কমিটির সদস্য শরিফুল ইসলাম বকুল এবং সঞ্চালনা করেন শাহাবুদ্দিন ইজারাদার। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল, শেখ আব্দুর রশিদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আতাউর রহমান রনু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা সেতারা বেগম, রেহেনা ইসলাম, সিনথিয়া, উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশের শান্তি ও অগ্রগতি সহানুভূতির মাধ্যমে অর্জিত: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    দেশের শান্তি ও অগ্রগতি সহানুভূতির মাধ্যমে অর্জিত: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    দেশের শান্তি ও অগ্রগতির জন্য সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মনে করেন, সাম্প্রদায়িক শক্তি সমাজের জন্য ফ্যাসিবাদের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক। যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক শাসন মানুষকে দমন-পীড়ন করতে পারে, কিন্তু সাম্প্রদায়িক শক্তি দেশের অভ্যন্তরীণ সংহতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। এটি দেশের স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তিনি আবারো stressing করেন, দেশের শান্তি ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে ধর্মের পার্থক্য ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভাজন ও বিদ্বেষ কখনো সমাধান আনতে পারে না। দেশের সঙ্কটময় মুহূর্তগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য যারা অপেক্ষা করে, তারা আসলে দেশের শত্রু। তারা সংকটের অপেক্ষায় থাকতেই পছন্দ করে।

    শুক্রবার জুম্মা বাদ নিরালা জামে মসজিদে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া পরিচালনা করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এছাড়া, বিকেলে শেরে বাংলা রোডের মোল্লাহাট উপজেলা কল্যাণ সমিতি ও আহত পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি, যেখানে সমিতির সভাপতি মোরশেদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জাফর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেমসহ আরও অনেকে।

    অপরদিকে, দোলখোলা শ্রীশ্রী শীতলাবাড়ি কালী মন্দিরের কার্যকরী সংসদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। বিজয় কুমার ঘোষের পরিচালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন সুজিত সাহা। রাত সাড়ে ৮টায়, স্যার ইকবাল রোডের আর্য ধর্মসভা মন্দিরে সভাপতিত্ব করেন চিত্ত সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সমর কুন্ডু, উজ্জ্বল কুমার সাহাসহ কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, এড. এমদাদুল হক হাসিব, মুজবর রহমান ফয়েজ, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল ও অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি।

    অতিথিরা এই সময় বিভিন্ন শান্তি ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য সকল ধর্মের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে, যেখানে সকল ধর্মের মানুষ সুন্দরভাবে একত্রে থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের শত্রুরা সব সময়ই বিভ্রান্তি ও বিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত, তাই প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে হবে। এভাবেই আমরা দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারব।

  • শহীদ হাদির রক্ত এখনো শুকায়নি, সহিংসতা জাতির বিবেককে রক্তাক্ত করেছে

    শহীদ হাদির রক্ত এখনো শুকায়নি, সহিংসতা জাতির বিবেককে রক্তাক্ত করেছে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, শহীদ হাদির নির্মম মৃত্যুর শোক এখনও দাগ কেটে গেছে পুরো জাতির হৃদয়ে। যখন পুরো দেশ শোকের মাতলামিতে আপ্লুত, মসজিদে-মসজিদে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চলছিল, তখনই দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিল অমানবিক সহিংসতার নির্মম চেহারা। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম—ডেইলি স্টার, প্রথম আলোসহ অন্যরা, এবং বরেণ্য সাংবাদিক নূরুল কবীরসহ অনেকেই আক্রান্ত হন কাপুরুষোচিত হামলার ক্ষতচিহ্নে। এসব ঘটনায় গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ, কিন্তু আজ আমাদের দেশের নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে। একজন শহীদের রক্ত শুকায়নি, তার পরিবারের কান্না থামেনি, আর সেই মুহূর্তে আবারও সংঘটিত হলো সহিংসতা। এই হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতা জাতির বিবেককে রক্তাক্ত করেছে। যারা দুঃখ, শোক ও সংকটের সময়ে এই দেশের দুর্বলতা লক্ষ্য করে অপকৌশলে কাজ করে, তারা এই দেশের শত্রু। শোককে শক্তিতে রূপান্তর না করে যারা ধ্বংসের পথে হাঁটছে, তারা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য বড় হুমকি। শহীদ হাদির শাহাদাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানো বর্তমান সরকারের অসম্মানজনক ব্যর্থতা।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায়, দীর্ঘ ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মহানগর বিএনপি। এ জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে এড. শফিকুল আলম বলেন, শহীদ হাদির কেবল একজন প্রার্থী ছিলেন না, তিনি ছিলেন মানুষের কণ্ঠস্বর, জনগণের আশা ও পরিবর্তনের প্রতীক। তার হত্যার বিচার এখন আর কেবল রাজনৈতিক দাবি নয়, এটি একটি নৈতিক অপরাধ। সেই সাথে, সব দোষী ও সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

    বক্তারা আরো বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার পতনের পর, দেশের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো ছিন্নভিন্ন জাতিকে পুনরায় একসঙ্গে গাঁথা। একজন গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে ব্যাপকভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। এই_syÑরিপ্ত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রক্ত ও অশ্রুর রাজনীতি বন্ধের জন্য সবাইকে আহবান জানানো হয়। যারা এই সংকটের মুহূর্তে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারা লক্ষ্য করে স্ট্রাটেজিক আলামত। এমন পরিকল্পিত সন্ত্রাসের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, যারা এই ধরনের আক্রমণ ও উসকানিতে জড়িত, তাদের মুখোশ খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়। শহীদ হাদির মতো নেতৃ natureমূলক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাইকে একত্রে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    সভায় নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে বক্তব্য দেন সংগঠনের অন্যান্য নেতারা, যেমন মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কেএম হুমায়ুন কবীর, অনেকে। অংশ নেয়েন বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের প্রধানরা, নেতাকর্মী, যুবদল, মহিলা দল, ছাত্রদল ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। সভার উদ্দেশ্য ছিল, আগামী ২৫ ডিসেম্বরের আগে ঢাকায় ১০ হাজার নেতাকর্মী বাস, ট্রেন বা ব্যক্তিগত যানবাহনে করে পৌঁছানোর প্রস্তুতি গ্রহণ। এই পরিকল্পনা শেষে সভায় সম্মতিপত্রে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যে কোন ধরনের সহিংসতা ও উসকানির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার অঙ্গীকার নেওয়া হয়। এনিয়ে সকলের মধ্যে একাগ্রতা ও ঐক্য বজায় রাখতে সব নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

  • মোরেলগঞ্জে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    মোরেলগঞ্জে হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে এলাকাবাসি মঙ্গলবার এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে, যাতে তারা দাবি করেন যে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বেআইনি ভাবে অভিযোগ এনে সাধারণ অসহায় মানুষকে হয়রানি করছে। এই কল্যাণমূলক ঘটনা ঘটে বাগেরহাটের সুন্দরবনসংলগ্ন বান্দারবাজার এলাকায়, যেখানে শাহানুর রহমান শাহিন ওরফে কালু নামে একজন ব্যক্তি বিভিন্ন বেআইনি মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলার কারণে এলাকার মানুষজন, বিশেষ করে নিরীহ সাধারণ জনগণ খুবই ক্ষুব্ধ এবং জেলার উচ্চ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন যে, সম্প্রতি এলাকার কিছু ব্যক্তি নানাভাবে স্থানীয় সাধারণ মানুষদের হয়রানি করতে ধান কাটার মামলা, জালিয়াতি ও অন্যান্য অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন বৃদ্ধ, ইজিবাইক চালক এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষ। তারা জানিয়েছেন যে, এই মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বেআইনিভাবে দায়ের করা হয়েছে, যাতে এলাকার শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

    অভিযোগকারীরা আরও বলেন, শাহানুর রহমান শাহিন নিজেকে ক্ষমতাধর জানিয়ে অবৈধভাবে এসব মামলা দায়ের করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, তাঁর ৬ একর ১৮ শতক পৈত্রিক জমি নিয়ে কিছু লোকজন ঝামেলা করছে, যাদের বিরুদ্ধে তিনি নিজেও অভিযোগ করেছেন। তবে, তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি কাউকে হয়রানি করার জন্য এই সব মামলা করেননি।

    স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, তারা اعلی প্রশাসন থেকে ন্যায়বিচার ও এর দ্রুত তদন্ত দাবি করছেন। তারা আশা করেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় এবং যাতে সবাই নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে। মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসি প্রশাসনের হস্তক্ষেপের জন্য আহ্বান জানান, যেন এই অন্যায় ও হয়রানি বন্ধ হয় এবং এলাকায় শান্তি ফেরে।

  • শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি মানে গণতন্ত্রের বুকে আঘাত

    শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি মানে গণতন্ত্রের বুকে আঘাত

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদীর ওপর গুলি চালানো মানে শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, বরং এটি মুনাফেকি ও অমানবিকভাবে গণতন্ত্রের মূলকেন্দ্রে আঘাত হানার মতো। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং জনগণের কণ্ঠরোধ করতে যারা অস্ত্রের মতো অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রকাশ্য পথ বেছে নেয়, তারা মূলত গণতন্ত্রকেই ভয় পায়। এই ধরনের হামলা দেশের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর চ্যালেঞ্জ, যা نشان করে দেশে এখনো কতটা ঝুঁকি ও অনিরাপদ হয়ে আছে। যারা ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না, তারা সহিংসতার আশ্রয় নেয়—এটাই তাদের রাজনীতির দেউলিয়াত্বের স্পষ্ট প্রমাণ।

    গতকাল শুক্রবার খানজাহান আলী থানাধীন মিরেরডাঙা ফুলবাড়ীগেট এলাকার প্রতিবন্ধী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংস্থার সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বকুল বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী কোনও করুণা বা দয়ার বিষয় নয়; তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য ও সম্মানিত অংশ। তাদের মর্যাদা, অধিকার ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। একটি সভ্য সমাজ কখনোই দুর্বল নাগরিকদের উপেক্ষা করে এগোতে পারে না। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে প্রতিবন্ধীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার ও সমাজ যদি এই জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের উন্নয়নের দাবি অর্থহীন হয়ে দাঁড়াবে।

    সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, তিনি গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশের এই সংকটময় সময়ে তাঁর সুস্থতা ও নেতৃত্ব প্রয়োজন, যেন তিনি আবারও গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে দৃঢ় কণ্ঠে কথা বলতে পারেন। মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ সমন্বয়, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তার পরিসর বাড়ানোর দাবি জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিবন্ধী কল্যাণ ও পুনর্বাসন সংস্থার সভাপতি মমরেজ আলী বিশ্বাস। বক্তৃতা করেন সহ-সভাপতি দুলাল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হাওলাদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক জাফর হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ মোশাররফ হাওলাদার ও মহিলা সম্পাদিকা জাহানারা বেগম। এ ছাড়া বক্তৃতা করেন জাহাঙ্গীর আলম ও ইসমাইল খা প্রমুখ।

  • খুলনা-২ আসনে আমানুল্লাহ ও খুলনা-৩ আসনে আউয়ালের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    খুলনা-২ আসনে আমানুল্লাহ ও খুলনা-৩ আসনে আউয়ালের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা-২ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মনোনীত প্রার্থী মুফতী আমানুল্লাহ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ স ম জামসেদ খোন্দকারের কাছে নিজ মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের প্রার্থী মুফতী আমানুল্লাহ নিজে, পাশাপাশি নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মুফতী ইমরান হোসাইন, আবু তাহের, মাওঃ দ্বীন ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম, ফেরদৌস গাজী সুমন, এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, আবুল কাশেম, মোঃ নুরুজ্জামান বাবুল, আব্দুল মান্নান সরদার, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের নগর সভাপতি গাজী আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পলাশ শিকদার, ইসলামী যুব আন্দোলনের নগর সভাপতি আব্দুর রশিদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সভাপতি ফরহাদ মোল্লা ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অপরদিকে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল-এর মনোনয়নপত্র সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১২টায় খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়সল কাদেরের কাছ থেকে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তার পক্ষে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন ইসলামী আন্দোলন খুলনা-৩ আসন নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শেখ হাসান ওবায়দুল করীম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা – শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, হাফেজ আব্দুল লতিফ, মোঃ সরোয়ার হোসেন, আমজাদ হোসেন বন্দ, মুহাম্মাদ শাহরিয়ার তাজ, আল মামুনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।