বাংলাদেশের মাটিতে কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে ভিন্নভাবে ভাবার কোনও স্থান নেই। এখানে সবাই সমানভাবে বাংলাদেশি, ধর্মের চেয়ে নাগরিক পরিচয়ই মূল ভিত্তি। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করেই একটি সুন্দর এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে চায় বিএনপি। বুধবার দুপুরে বড়দিন উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন চার্চে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করাকালে এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা। এ সহযোগিতার অংশ হিসেবে, প্রতি বছরের মতো এবারো মহানগর বিএনপি বিভিন্ন চার্চে গিয়ে ফুল ও কেক উপহার দিয়ে বড়দিনের আনন্দ ভাগ করে নেয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত খ্রিস্টান নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। শফিকুল আলম মনা বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতন্ত্রে সমর্থক রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু হিসেবে বিভক্ত হতে পারেন না। আমরা হাজার বছর ধরে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান – সবাই একসঙ্গে বসবাস করছি এবং এই ঐক্যের ভিত্তিতেই আমাদের শক্তি ও পরিচয়। তিনি আরও বলেন, বড়দিন শুধুই একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ভালোবাসা, শান্তি ও মানবতার এক অনন্য বার্তা বহন করে। আমরা সবাই এই উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করে মানবিকতা প্রচার করতে চাই। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তাও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছে দেন শফিকুল আলম মনা। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান সবসময় বলেন, ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও মর্যাদার দাবিদার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। রাজনৈতিক প্রয়োজনের জন্য আমাদের ঢাকায় থাকতে হয়, তাই আজই আমরা মহানগরের বিভিন্ন চার্চে গিয়ে খ্রিস্টান ভাই-বোনদের জন্য বড়দিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তিনি খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের সুখ-শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন এবং আসন্ন ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছাও প্রকাশ করেন, যাতে এই বছর দেশের সমृद्धি, শান্তি ও গণতন্ত্র সুদৃঢ় হয়। এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আলম খান, শের আলম সান্টু, খুলনা শালোম এজি চার্চের সভাপতি রেভারেন্ড সুভাষ রায় পাস্টর, সচিব রেভারেন্ড জেমস অসীত বিশ্বাস, মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব রকিবুল ইসলাম মতি, বিএনপি নেতা নুরুল হাসান দিপু, মাহবুবুর রহমান লিটু, মোহাম্মদ আজাদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
Category: সারাদেশ
-

দৌলতপুরে বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় যুবলীগ নেতা বাচ্চু মোড়ল গ্রেফতার, কারাগারে
মহনগর যুবলীগ নেতা বাচ্চু মোড়ল (৫০) কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দৌলতপুরের বিএল কলেজ গেটের পাশে অবস্থিত রেললাইনের সংলগ্ন একটি অফিস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নিশ্চিত করেছেন দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, বাচ্চু মোড়ল যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত হলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তাকে বিএল কলেজ রোডের বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এলাকা বাসীরা জানিয়েছেন, বাচ্চু মোড়ল দৌলতপুরের শিক্ষা প্রকৌশল অফিসে বিগত দিনে স্বঘোষিত নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার সাথে কোনো সমন্বয় না করেই সাধারণ ঠিকাদাররা দরপত্র দাখিল করতে পারতেন না। ওই প্রতিষ্ঠানটির ঠিকাদার সিন্ডিকেটের অন্যতম নেতা তিনি। দৌলতপুরে বাড়ি ও বিএনপি নেতা মন্নুজান সুফিয়ান ও এসএম কামালের কাছে থাকায় অফিসে তার ওপর ভরসা ছিল। তার কারণে অনেক সাধারণ ঠিকাদার ও অফিসের স্টাফ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তারই হুমকি-ধমকি ও চাপের প্রভাবে অফিসের সব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। তিনি বলেন, তারই প্রচেষ্টায় ওই অফিসে সব সিদ্ধান্ত চলত। প্রকৌশল অফিসে তার দাপট ছিল বলে এলাকার মানুষ জানতেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঠেকাতে তার ভূমিকা দেখা গেছে। আন্দোলনরত ছাত্র ও জনতার বিজয়ের পরে কিছুদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন, তবে পরে আবার এলাকায় ফিরে এসে পুনরায় নিজের আধিপত্য দেখাতে শুরু করেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরাও তার অকথ্য হুমকি-ধামকি থেকে মুক্তি পায়নি। দৌলতপুর এলাকায় বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্কের নাম ছিল এই বাচ্চু মোড়ল। তার ভয়ে বাসায় ঘুমাতে পারেন না কিছু এলাকাবাসী, এমনকি মিছিল-মিটিং অনুষ্ঠিতও হয়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মামুন বলেন, গ্রেফতারকৃত বাচ্চু মোড়লকে দৌলতপুর বিএল কলেজ রোডের বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
-

শিক্ষিত মানুষের কোনও অভাব নেই, অভাব রয়েছে নৈতিক ও চারিত্রিক গুণসম্পন্ন মানুষের
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, শুধুই শিক্ষার মাধ্যমে কোন মানবোত্তম গুণাবলী অর্জিত হয় না; অর্থাৎ, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও চারিত্রিক গুণাবলী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষের কোনো অভাব নেই, বরং অভাব রয়েছে নৈতিক ও চারিত্রিক গুণসম্পন্ন মানুষ। শুধু গুণগুণের অভাবের কারণেই অনেক উচ্চপদস্থ শিক্ষিত মানুষ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ইতিহাস বলছে, স্বাধীনতার পরে যে অনেক রাষ্ট্র শুধুমাত্র নৈতিক শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়েছে, তারা আজ উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত। আমাদের দেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার করে গেলেও এখনো এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি, যা দিয়ে জাতি একসঙ্গে সৎ, যোগ্য ও দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় ফুলতলার আল হেরা আদর্শ মাদ্রাসা আয়োজিত বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা ও পুরস্কার বিতরণীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. আব্দুল গফুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান ও সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল গাওসুল আযম হাদী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এড. আবু ইউসুফ মোল্লা, ফুলতলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলীম মোল্লা, এম.এ. জামাল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শামসুল আলম খোকন, জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা। পরে পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অন্যদিকে, সকাল ৮টায় ঢাকার খানজাহান আলী থানা জামায়াত আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিয়াগোলাম পরওয়ার। সেখানে জেলা ও থানা পর্যায়ে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। একই দিন বিকেলে গুটুদিয়া ইউনিয়নের লাইন বিলপাবলায় সাধারণ মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
-

আমরা কখনোই অন্য ধর্মের মানুষের উপর নিপীড়ন বিশ্বাস করি না
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুখী, সমৃদ্ধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নজরুল ইসলাম মঞ্জু এই ৩১ দফার ভিত্তিতে দেশের বিভক্তি দূর করে সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করবেন। বিএনপি একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল, যারা সকল ধর্মের মানুষের প্রতি সমর্থন ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে একত্রিত। তারা কখনোই অন্য ধর্মের মানুষের উপর নিপীড়ন বা নির্যাতনে বিশ্বাস করে না।
গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বড় উৎসব শুভ বড়দিনের শুভেচ্ছা জানাতে তারা বিভিন্ন কার্যক্রম চালায়। কেক ও ফুলের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে সোনাডাঙ্গা ক্যাথলিক চার্চের ফাদার বিশ্বাস জেমস রমেনের হাতে তুলে দেন। একইভাবে, সকাল সাড়ে ১১টায় রূপসা স্ট্যান্ড রোডে কয়লাঘাট ব্যাপিস্ট চার্চে বড়দিনের শুভেচ্ছা হিসেবে কেক ও ফুল তুলে দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা ফাদার টিটু চৌধুরীর হাতে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, গিয়াস উদ্দিন বুনি, শামীমুজ্জামান চঞ্চল, ইশহাক তালুকদার, মোস্তফা কামাল, রবিউল ইসলাম রবি, মেহেদী হাসান সোহাগ, মাহবুব হোসেন, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, ইমরান হোসেন, আবু তালেব মোল্লা, মাহমুদ হাসান মুন্না, সেলিম বড় মিয়া, তরিকুল ইসলাম লিটন, এড. নাহিদ, কবির বিশ্বাস, জীবন মীর, জুয়েল রহমান, ফয়জুল ইসলাম বাবু ও মামুনুর রহমান রাসেলসহ আর অনেকে।
-

দেশবাসীকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহবান বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে
জামায়াতের এক সর্বভারতীয় নেতা, সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের উন্নয়নের জন্য জরুরি যে বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, একটি সুস্থ, ক্ষমতার ভারসাম্যপূর্ণ, দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন এবং জনগণের অধিকার সংরক্ষিত রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাবটি রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে পাস করেছে, যা সম্প্রতি জাতির কাছে “সংস্কার সংক্রান্ত সনদ” হিসেবে গৃহীত হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য আগামী গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তিনি জনগণের প্রতি আহবান জানান, এই মহাণ সময়ে তাদের ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার জন্য, কারণ এর মানে হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে, নিপীড়ন, দলীয় রাজনীতি, ভিন্নমতের দমন-নিপীড়ন, বিচারপ্রক্রিয়া, ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পক্ষে সমর্থন করা। একুশ শতকের আধুনিক সমাজের জন্য এই পরিবর্তন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই যেন এই গণভোটে সার্বজনীনভাবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নতুন ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যায়, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
মঙ্গলবার ভোর ১১টায় খুলনা-৫ আসনের Dümuria উপজেলার সরকারি শাহপুর মধুগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত শাহপুর ইউনিয়ন ১, ২, ৩ ও ১২ নং ওয়ার্ডের প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নায়েবে আমির গাজী সাইফুল্লাহ এবং পরিচালনা করেন উপজেলা যুব সভাপতি বিএম আলমগীর হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস ও গাউসুল আজম হাদী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, ওয়াকিবের প্রতিনিধি এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা। এছাড়া বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা আমির মাওলানা মোক্তার হোসেন, উপজেলা হিন্দু শাখার সভাপতি ডাঃ হরিদাস মন্ডল, উপজেলা সদস্য মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাস্টার মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, শেখ বিল্লাহ হোসেন, আরও অনেকে।
এর আগে সকাল ৯টায় ফুলতলা উপজেলা ওয়ার্ড প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্লা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, এই ভোটে “হ্যাঁ” বলাই হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, গাউসুল আজম হাদী, জেলা ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ছাত্র অধিকার পরিষদের এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা।
দুপুর ৩টায় ডুমুরিয়া কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় উপজেলা আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সেক্রেটারি মাস্টার আব্দুর রশীদ বিশ্বাসের পরিচালনায় ওয়ার্ড প্রতিনিধি সভা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে এই গণভোট একটি বড় ধাপ। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে আসার। আরো বক্তব্য দেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মেজানুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, সহ অন্যরা। বক্তব্য দেন উপজেলা নায়েবে আমীর মোআল্লা সাইফুল্লাহ, মাওলানা হাবিবুর রহমান, উপজেলা হিন্দু কমিটির সেক্রেটারি অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ মন্ডল, ও অন্যান্য।
সন্ধ্যায় ৭টায় ফুলতলার আটরা-গিলাতলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আব্দুল মালেকের বাড়ির আঙিনায় সহযোগী সদস্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল। এছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, খানজাহান আলী থানার আমির ডাঃ সৈয়দ হাসান মাহমুদ টিটো, সেক্রেটারি গাজী মোর্শেদ মামুন ও হাফেজ গোলাম মোস্তফা। দু’দুটি অনুষ্ঠানে সব অংশগ্রহণকারী সকলের উদ্দেশ্যে মূল ভাবনা ছিল: এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে দেশের জন্য একটি নতুন দিন শুরু করা।
-

রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে গণতন্ত্রপ্রেমীদের একত্রীকরণ জরুরি
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নেতৃস্থানীয় রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রকামী সব মানুষকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিস্ট শাসনের ভয়াবহ দমন-পীড়ন থেকে দেশ মুক্ত হলেও এখনও কিছু অসাধু মহল এই অর্জনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এই চক্রান্তের জন্য তারা বারবার নির্বাচন প্রতিহত করতে চাইছে। এতে করে দেশের গণতন্ত্রের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মঞ্জু সতর্ক করে বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো আবার পুনর্বাসিত হতে চাইছে এবং যারা তাদের পুনর্বাসন করতে আগ্রহী, তারা আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বারবার দুর্বিষহ করে তুলছে। আমাদের অবশ্যই স্পষ্ট থাকতে হবে, এই ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে গিয়ে সকল গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষকে এক ও অভিন্ন হয়ে উঠতে হবে। দল বা সংগঠনের নয়, দেশের স্বার্থে সবাইকে একসাথে এ হাঁটতে হবে। তারেক রহমানের দেশে ফেরার মাধ্যমে সব ষড়যন্ত্র ধুলিসাৎ হবে এবং দেশের গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
গতকাল বুধবার খুলনা শপিং কমপ্লেক্স এবং খেলাধুলা মার্কেটের দোকান মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দর্শন করে কুশল বিনিময় করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এর পরে, বাদ মাগরিব, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দের আয়োজনে দক্ষিণ টুটপাড়া খ্রিস্টান কলোনীতে এক আলোচনা সভার আয়োজন হয়। এ সময় কলোনীর সভাপতি দীলিপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে জন হাজরা পরিচালিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, নেত্রীরা ও ব্যবসায়ীরা। সবাই মিলিতভাবে দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
-

চট্টগ্রামে বসতঘরের অগ্নিকাণ্ডে দাদি ও নাতনি মৃত্যু
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় একটি বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যার ফলে দাদি ও নাতনি নিহত হয়েছেন। এই অগ্নিকাণ্ডের কারণে একসঙ্গে ছয়টি ঘর পুড়ে যায় বলেও জানা গেছে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের কাদিরপাড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন রুমি আক্তার (৫৫) ও তার নাতনি জান্নাত (৫)।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে খবর দেওয়া হয় যে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরপর দ্রুতই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুটি ইউনিট। তাদের প্রচেষ্টায় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এর আগেই ছয়টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং তখনই এই দুজনের মৃত্যু ঘটে।
রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা অর্জুন বাড়ৈ বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বেতার বিদ্যুতের শর্টসার্কিটের কারণে হয়েছে। তারা আরও জানান, সকালে ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে, দ্রুত তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপন কাজে যোগ দেয় এবং পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ আনে প্রায় পৌনে দশটায়।
স্থানীয়রা বলছেন, ওই সময় দাদি ও নাতনি ঘুমোচ্ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তারা ঘরে ছিলেন, এবং আগুন লাগার কারণে তারা বাইরে বের হতে পারেননি।
রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান হোসেন বলেন, শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় দাদি ও নাতনি প্রিয়জন হারিয়েছেন।
-

ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান
বুধবার সকালে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এর নাম নিশ্চিত করেছেন দলটির নেতারা। এই তথ্যটি প্রথম প্রত্যক্ষভাবে জানান গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে নির্বাচনী সমন্বয়করা, যেখানে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এই খবর, যা নিয়ে সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খান এর নাম প্রকাশের পর থেকে অনেক স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে, এই আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং জেলা বিএনপির উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান বেল্টু এর স্ত্রী মুর্শিদা জামানকে। তারা সবাই আলাদা রাজনৈতিক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আসন প্রত্যাশী হিসেবে কর্মসূচী চালিয়েছেন।
প্রথমে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পরে, বিভিন্ন নেতাকর্মীর মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ দেখা দেয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে, যেখানে তারা এই আসনটি বিএনপির উপযুক্ত মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান।
আমিন রাশেদ খান বলেন, ‘মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপির অফিসে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে আমাকে জানানো হয়েছে যে আমি ঝিনাইদহ-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছি।’ তিনি আরও জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেই ঝিনাইদহ-৪ এলাকায় নির্বাচনী জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘোষণা ও প্রার্থী নিশ্চিতের বিষয়ে বিএনপির দলীয় নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
-

নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আগামী নির্বাচন শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং সাধারণ মানুষের হারানো অধিকার ফিরে আনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। তিনি বলেন, ধানের শীষ হবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতীক।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দৌলতপুরে মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য বিভাগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের আয়োজনে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমি এলাকার জনগণের জন্য নেতা হিসেবে নয়, বরং একজন সন্তানের মতো কাজ করতে চাই। আমি চাই আপনাদের ঘরের সন্তান হয়ে আপনার সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে। একটি এমন সরকার দরকার, যারা সত্যিই জনগণের কথা শুনবে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করবে।
এলাকার উন্নয়নের বিষয়ে তিনি খুলনার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আপনারা যত ভোট দিবেন, তা-ই একটি সুন্দর, আধুনিক ও বাসযোগ্য খুলনা গড়ার ভিত্তি হবে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তন সম্ভব। যদিও বাধা ও ভীতি তৈরি করার চেষ্টা হতে পারে, তবুও আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ধানের শীষই হবে আপনার আস্থার প্রতীক।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মহেশ্বরপাশা মানিকতলা খাদ্য বিভাগ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।
এছাড়া এই আলোচনায় অংশ নেন সেলিম মাস্টার, আলতাফ হোসেন, আলহাজ্ব জলিল হাওলাদার, ফিরোজ আকন, মোঃ মোতালেব সরদার, মোঃ সালাম সরদার, শেখ সাদী, এম মুর্শিদ কামাল, শেখ ইমাম হোসেন, মোঃ বাবুল সরদার ও আব্দুল মহিদ খানসহ আরও অনেকে।
-

বিএনপি সরকার গঠন করলে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে
বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সব সময় জনকল্যাণমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। বিএনপি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের অধিকার, ন্যায্যতা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে সারাদেশে কমপক্ষে এক কোটি মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তরুণ সমাজের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি এনে একটি উৎপাদনমুখী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
হেলাল আরও বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে and বা বিএনপি নির্বাচিত হলে, প্রতিটি মানুষের জীবন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিএনপি সরকারের মাধ্যমে রূপসা উপজেলাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত এবং নিরাপদ বসবাসের উপযোগী উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে। পাশাপাশি, রূপসা-সেনেরবাজার ঘাটের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে নদী পারাপারের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রূপসার মাঝিদের শ্রম ও ঘামের মূল্য যেন কেউ নিঃস্বার্থভাবে হাতিয়ে নিতে না পারে, সেজন্য কড়া এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, রূপসার কৃষক, শ্রমিক, মাঝি, হকার—all যেন সম্মানের সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরিই হবে তাঁর অঙ্গীকার।
গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পূর্ব রূপসা ট্রলার মাঝি ইউনিয়ন ও হকার্স ইউনিয়নের আয়োজনে, পূর্ব রূপসা মাঝিপাড়া এলাকায়, নৈহাটি ইউনিয়নের আব্বাসিয়া জামে মসজিদে ২নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে নৈহাটি ইউনিয়নের মেহেরুন্নচ্ছো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল কবীর সজল, জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আ: রশিদ, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোল্লা সাইফুর রহমান, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা বিএনপি’র সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপি’র সদস্য এম এ সালাম, নেতা মো্লা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক বিকাশ মিত্র প্রমুখ।
পাশাপাশি বিভিন্ন বিত্তশালী ও দলীয় নেতাকর্মী, ছাত্র-প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ও মিলিজুল সামতিকালীন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলেই এই আয়োজনে অংশ নেন, এবং জনগণের সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করেন।
