Category: সারাদেশ

  • সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সাত জেলায় মৃদু শীতের শৈত্যপ্রবাহ চলমান

    সারা দেশে শীতের অনুভূতি কড়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সাতটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এই প্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়াও, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কেমন করে শীত পড়বে, তারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    আজ রোববার ভোরে প্রকাশিত আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, মৌলভীবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এই পরিস্থিতি চলমান থাকতে পারে। এ সময় দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, আর দিনভর তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েও যেতে পারে। এছাড়া, কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের মাত্রা এখনো বেশ গোড়ায় রয়েছে, ফলে সারা দেশে শীত অনুভূতি বজায় থাকবে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকছে।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বিস্তৃত অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার সংলগ্ন এলাকার ওপর অবস্থান করছে। অন্যদিকে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে এবং এর একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    অতিরিক্তভাবে, আজ সকাল ৬টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, যেখানে তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • খুলনা আসনে মনোনয়ন বৈধ ৩৫জনের, বাতিল ১১জন

    খুলনা আসনে মনোনয়ন বৈধ ৩৫জনের, বাতিল ১১জন

    খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই পর্যায়ে বিভিন্ন ত্রুটি ও শর্ত পূরণ না করায় ১১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই চার দিনের প্রক্রিয়ায় बुधवार (৩১ ডিসেম্বর) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) খুলনা জেলা আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মোট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে, খুলনা–১ আসনে ১৩ প্রার্থী মনোনয়ন সেটি দাখিল করেন। যাচাই শেষে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হয়। তবে, কিছু প্রার্থী বৈধ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছেন। তারা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু সাঈদ, বিএনপির আমির এজাজ খান, জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী, খেলাফত মজলিসের ফিরোজুল ইসলাম, জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জাতীয় পার্টির প্রবীর গোপাল রায়, বাংলাদেশ সম অধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায়, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সুনীল শুভ রায় এবং জাতীয় পার্টির মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। বাতিল প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের জিএম রোকনুজ্জামান, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ হালদার ও অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।

    খুলনা–২ আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। পরে, সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনের প্রার্থীরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরের সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম। এখানে কোনো মনোনয়ন বাতিল হয়নি।

    খুলনা–৩ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই শেষে, তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এই আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়াল, বিএনপির রকিবুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীয়ের মো. মাহফুজুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মুরাদ খান লিটন ও মঈন মোহাম্মদ মায়াজ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের জনার্দন দত্ত, খেলাফত মজলিসের এফ. এম. হারুন অর রশিদ, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শেখ আরমান হোসেন ও জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। বাতিল প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল রউফ মোল্লা, মো. আবুল হাসনাত সিদ্দিক ও এস. এম. আরিফুর রহমান মিঠু।

    খুলনা–৪ আসনে ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে, চারজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনুস আহম্মেদ শেখ, বিএনপির এস. কে. আজিজুল বারী, খেলাফত মজলিসের এস. এম. সাখাওয়াত হোসাইন ও জামায়াতে ইসলামীর মো. কবিরুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী এস. এম. আজমল হোসেনের মনোনয়ন বাতিল হয়।

    খুলনা–৫ আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই শেষে চারজনের মনোনয়ন বৈধ হয়। প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির চিত্ত রঞ্জন গোলদার, জামায়াতে ইসলামীয়ের মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপির মোহাম্মদ আলী আসগার ও খেলাফত মজলিসের মো. আব্দুল কাইয়ুম। এই আসনে জাতীয় পার্টির শামীম আরা পারভীন (ইয়াসমীন) ও ইসলামী আন্দোলনের শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    খুলনা–৬ আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে তারা হলেন বিএনপির এস. এম. মনিরুল হাসান (বাপ্পী), জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ, ইসলামী আন্দোলনের মো. আছাদুল্লাহ ফকির ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মণ্ডল। বাতিল হয়েছেন জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাস।

  • শৈলকুপায় মধ্যরাতে সেতুর রেলিং ভেঙে ট্রাক নদীতে, নিহত ২

    শৈলকুপায় মধ্যরাতে সেতুর রেলিং ভেঙে ট্রাক নদীতে, নিহত ২

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে কুমার নদীতে পড়ে গেলে নিহত হন চালকসহ দুই ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৩ জানুয়ারি) গভীর রাত ১টার দিকে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের গাড়াগঞ্জ এলাকার বড়দাহ পুরাতন ব্রিজে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে যশোর থেকে একটি ডালবোঝাই ট্রাক পাবনা যাচ্ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, যখন ট্রাকটি বড়দাহ ব্রিজের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরে মুবারক হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়, এরপর সকাল ৮টার দিকে চালকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়। তাঁরা দুজনের বাড়ি পবা উপজেলার গাজামানিকুন্ডা গ্রামে।

    ওসি হুমায়ন কবির বলেন, রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটার খবর পেয়ে উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হয়। ট্রাকের হেল্পার মুবারক হোসেনের মরদেহ ভোরের দিকে উদ্ধার হয়, এবং চালকের লাশ সকালে উদ্ধার করে দ্রুত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

  • যশোরে জুলাই যোদ্ধা এনামকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা

    যশোরে জুলাই যোদ্ধা এনামকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টা

    যশোরে Juliya Joddha এনাম সিদ্দিকীকে উপর হামলা করে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনা রোববার (৪ জানুয়ারি) সকালে ইয়শোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামে ঘটে। কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আহত এনাম সিদ্দিকী এনায়েতপুর এলাকার মৃত খন্দকার আমিনুল্লাহর ছেলে। তিনি ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট জুলিয়ার গণঅভ্যুত্থানের সময় উত্তরায় পুলিশের গুলিতে মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হয়েছিলেন।

    স্বজনরা জানিয়েছেন, রোববার সকাল সাড়ে 8টার দিকে প্রতিদিনের মতো হাঁটাহাঁটির উদ্দেশ্যে পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়ি থেকে বের করেন। এ সময় এনায়েতপুরের পীরবাড়ির সামনে অজানা দুজন ব্যক্তি তার পথ রোধ করে। তখন দুর্বৃত্তরা প্রথমে লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এরপর ডান বুকে, বাম হাতের ডানায় এবং কাঁধে চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। ফলে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন এবং আহত অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিচিত্র মল্লিক জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে, তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

    এদিকে, এই ঘটনা শোনার পর বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তার নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত হাসপাতালে ছুটে এসে এনাম সিদ্দিকির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

    এ ঘটনায় পুরো এলাকা এখন চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে আক্রান্ত। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

    কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • মোংলা সমুদ্রবন্দর ভবিষ্যতের নৌবাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে

    মোংলা সমুদ্রবন্দর ভবিষ্যতের নৌবাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে যাচ্ছে

    রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও দেশের সংগ্রামের মাঝে মোংলা সমুদ্রবন্দর পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে বেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ১ কোটি ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি-রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এই বন্দরটি, যা দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। যদি ব্যবসায়ীরা এই সম্ভাবনাময় ভৌগোলিক সুবিধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে সফল হন, তাহলে মোংলা শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌবাণিজ্য কেন্দ্র ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রস্থলে পরিণত হবে।

    বন্দর সূত্র জানায়, সময়ের সাথে সাথে ব্যবসায়-বাণিজ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হওয়ায় দেশের পাশাপাশি বিদেশি আমদানি-রপ্তানিকারকরা এখন মোংলা বন্দরের দিকেই ঝুঁকছেন। অন্যান্য বন্দরের তুলনায় এখানে পণ্য পরিবহন খরচ কম, এবং নৌ, সড়ক ও রেল পথে পণ্য পরিবহন সহজ হওয়ায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের শুরুতেই কন্টেইনারসহ অন্যান্য জাহাজের আগমন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ও যন্ত্রপাতি মোংলা বন্দরে এসে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে, বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকায়।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে মোংলা বন্দরে ৪৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ আগমন ঘটে, এর মধ্যে ২৭টি কন্টেইনার বহীজ জাহাজ বিদেশী পণ্য নিয়ে এসেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোংলা বন্দরে মোট ২১,৪৫৬ টিইউজ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছিল, যার মধ্যে চলতি বছর প্রথম ৬ মাসে ১৭,৪০০ টিইউজ কন্টেইনারের পরিচালনা হয়েছে। পাশাপাশি, ৬ মাসে ১৬টি জাহাজে করে আমদানি হয়েছে ৫ হাজার ৫২২টি জাপানি রিকন্ডশন কার, যা মোংলা বন্দরে খালাস করা হয়েছে।

    মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানা, ইপিজেড এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষের। বন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    বন্দরটির উপ-পরিচালক মোঃ মাকরুজজ্জামান জানান, মোংলা বন্দরে এখন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি চালু হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় বন্দরের উন্নয়ন, অগতির অগ্রগতি এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলমান বেশ কিছু বৃহৎ মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, যেগুলির সমাপ্তি হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে; জাহাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে এবং দেশীয় রাজস্বেও অবদান রাখবে মোংলা বন্দর। এই সব উন্নয়ন সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

  • খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য খুলনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য খুলনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

    বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের জন্য অগ্রণী নেত্রী, এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে খুলনায় বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা, খুলনার ঐতিহ্যবাহী টাউন মসজিদে খুলনা মহানগর বিএনপি এর উদ্যোগে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লিরা প্রিয় নেত্রীর জন্য অন্তরের আন্তরিকতা ও গভীর শোকের অনুভূতি প্রকাশ করে চোখের জল দিয়ে দোয়া করেন। এ সময় তাদের মধ্যে এক আবেগময় পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা সকলের মনকে স্পর্শ করে।

    দোয়াকে উদ্বোধন করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর মাধ্যমে দেশের গণমানুষের প্রতি যা ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগ প্রকাশ হয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। এই ভালোবাসা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন জীবন উৎসর্গ করেছেন। আজ তারেক রহমানের হাতে পতাকা ওঠার পর, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশকে স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ার অঙ্গীকার যুগান্তকারী।

    মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নীতির প্রশ্নে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মাপকাঠিতে বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোস করেননি। তিনি জীবনের শেষ মুহূর্তেও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম ও লড়াই চালিয়ে গেছেন, বারবার কারাবরণ করেছেন। তার গভীর দেশপ্রেম ও জনগণের প্রতি ভালোবাসাই আজ সকলকে আবেগাপ্লুত করেছে। তিনি আরও বলেন, জীবনের শেষ সময়েও অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি দেশ থেকে দূরে যাননি, কারণ দেশের মাটি, মানুষ ও সার্বভৌমত্বের প্রতি তার গভীর ভালোবাসা অমোঘ।

    দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’এর সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, নাসিরউদ্দিন, আব্দুর রশিদ, আশরাফুল ইসলাম নূর, আশরাফুল আলম নান্নু, সজীব তালুকদার, ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তি, কাজী জলিল, রকিবুল ইসলাম মতি, এড. মশিউর রহমান নান্নু, নাজমুস সাকিবসহ মহানগর ও জেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এদিকে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে খুলনা মহানগর ও জেলার প্রতিটি মসজিদে জুমার নামাজের শেষে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এসব দোয়াতে মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এই দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধার পাশাপাশি, মানুষের মনে মনে দেশের গণতন্ত্র ও মুক্তির জন্য অঙ্গীকার আরো দৃঢ় হয়। প্রমাণ হয়, গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়া আজও মানুষের হৃদয়ে অমলিন অঙ্গীকার হিসাবে থাকবেন।

  • খুলনা-৪ আসনে মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা

    খুলনা-৪ আসনে মনোনয়ন বাতিলের ঘোষণা

    খুলনা-৪ আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম আজ সম্পন্ন হয়েছে। চতুর্থ দিনের এই পর্বে মোট চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। শনিবার সকালে সাড়ে ১০টায় শুরু হয় মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, যাতে দেখা যায় যে মোট পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। আজকের এই চতুর্থ দিনের যাচাইয়ে, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আজমল হোসেনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে তিনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। অন্যদিকে, মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. কবিরুল ইসলাম, বিএনপির এস.কে. আজিজুল বারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনুস আহমেদ সেখ, এবং খেলাফত মজলিসের এস এম শাখাওয়াত হোসেন। এই ফলাফলের ফলে আসনে প্রার্থীর সংখ্যা এখনও নির্দিষ্ট থাকলেও, বাতিল হওয়া প্রার্থীসংখ্যা মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে।

  • বাগেরহাটে ঋণ খেলাপি ও তথ্যে গরমিলের কারণে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    বাগেরহাটে ঋণ খেলাপি ও তথ্যে গরমিলের কারণে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

    বাগেরহাট জেলায় আসন্ন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঋণ খেলাপি ও তথ্যগত গরমিলের কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এই যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসারগণ, মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা।

    বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাইয় এদের মধ্যে cincoজনের মনোনয়ন বৈধ নয় বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলা) আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। এর মধ্যে স্বাক্ষর গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুশফিকুর রহমান, ঋণ খেলাপির অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম, এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা) আসনে লিভারের ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রার্থী মোঃ হাসান ইমাম লিটুর মনোনয়ন ঋণ খেলাপির কারণে বাতিল হয়েছে।

    বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা) আসনে ভোটারদের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, এই জেলায় চারটি সংসদীয় আসনের জন্য মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। নির্বাচনের আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে, এবং ঋণ খেলাপি বা তথ্যগত গরমিল থাকায় পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাতিলপ্রাপ্ত প্রার্থীরা ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।

  • আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল

    আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনের নির্বাচন কমিশন আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। ওইদিন দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দিনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর সংঘর্ষের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, হলফনামার সঙ্গে জমা দেওয়া দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সেটি নির্বাচন কমিশনের পাঠানো স্বাক্ষরের সঙ্গে মেলে না। ফলে, মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।

    নির্বাহী হাকিম হেদায়েত উল্যাহ বলেন, আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর গরমিল থাকায় তাকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে যে গরমিল পাওয়া গেছে, সেটি পরীক্ষা করে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    চট্টগ্রাম-৫ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

  • দেশ ও মানুষের স্বার্থে কখনো মাথা নত করেননি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

    দেশ ও মানুষের স্বার্থে কখনো মাথা নত করেননি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এত বড়ো জানাজা, এত সম্মান, এত মানুষের আবেগঘন উপস্থিতি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। কোন রাজনীতিকের শেষ বিদায়ের এমন দৃশ্য আর দেখা যায়নি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের জন্য এক অনুভূতির নাম। দীর্ঘ নয় বছর তিনি স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে অবিরাম আন্দোলন চালিয়ে যান, যেনতেনভাবে সংগ্রাম করে ১৯৯১ সালে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনেন। মহানগরবাসীর কাছে তিনি পেয়েছেন ‘আপসহীন দেশনেত্রীর’ মর্যাদা। তিনি দেশের স্বার্থ ও মানুষের জন্য চির আপসহীন। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে তিনি সকল অপশক্তির সামনে কখনো মাথা নত করেননি। প্রলোভন, ষড়যন্ত্র কিংবা হুমকি—সবকিছুকেই তিনি জীবনের শেষ পর্যন্ত এড়িয়ে চলেছেন। তিনি সবসময়ই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আছর নগরীর কেডিএ এভিনিউস্থ তেঁতুলতলা মোড়ে অবস্থিত দলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রয়াত চেয়রম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদেকুর রহমান সবুজ, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইশহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবী, মাহিুদ্দিন টারজান, বাচ্চু মীর, শরিফুল ইসলাম বাবু, আব্দুল জব্বার, নাসির খান, আসলাম হোসেন, ওমর ফারুক, খায়রুল ইসলাম লাল, জিএম রফিকুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, নাহিদ মোড়ল, শামীম খান, জাকারিয়া লিটন, লিটু পাটোয়ারী, খান শহিদুল ইসলাম, গোলাম নবী ডালু, মনিরুল ইসলাম, রিয়াজুর রহমান, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, খান মোঈনুল ইসলাম মিঠু, আলম হাওলাদার, মাজেদা খাতুন, নূরুল ইসলাম লিটন, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, সুলতান মাহমুদ সুমন, এড. রফিকুল ইসলাম, ইফতেখার জামান নবীন, জামাল মোড়ল, আল বেলাল, জাহাঙ্গীর হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, মোল্লা আলী আহমেদ, মাসুদ রেজা, শরিফুল ইসলাম সাগর, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, শাকিল আহমেদ, এ আর রহমান, মোঃ সুলতান মাহমুদ সুমন, সুলতান মাহমুদ সুমন, ইউনুচ মোল্লা, মীর মোহাম্মদ বাবু, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মহিদুল হক টুকু, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এম এ সালাম, তালেব মোল্লা, তরিকুল আলম, মাহমুদ হাসান মুন্না, শামসুল আলম বাদল, ইমরান হোসেন, পারভেজ মোড়ল, মেজবাউল আক্তার পিন্টু, হাবিবুর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, মামুনুর রহমান, আসমত হোসেন, মারুফুর রহমান, রুহুল আমির রাসেল, সাজ্জাদ আলী, কামরুল আলম খোকন, আল আমিন শেখ, পারভেজ আহমেদ, তানভীর প্রিন্স, নাজমা বেগম ও লাকি অথকার সহ অনেক নেতাকর্মী।