Category: রাজনীতি

  • সহজ ভাষায়: উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করেছিল আওয়ামী লীগ, বললেন তারেক রহমান

    সহজ ভাষায়: উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করেছিল আওয়ামী লীগ, বললেন তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, গত কয়েক বছর ধরে উন্নয়নের নামে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। এই মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। দেশের বাইরে এবং দেশে বসে তারা নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যার থেকে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পূর্বেও দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করেছে, এবং ভবিষ্যতেও করবে।’

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে তিনি বৈদেশিক পৃষ্ঠপোষকতাকে পিন্ডি বা দিল্লির দিক থেকে দেখতে চান না। তার বক্তব্য, বাংলাদেশে জনগণের অগ্রগতি ধীরে ধীরে এগোচ্ছে, এবং ১২ তারিখের ধানের শীষ মার্কা বিজয়ের মাধ্যমে এই অগ্রগতি সফল্লপূর্ণ হবে। তিনি জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ধানের শীষে ভোট দিন, আমরা কাজ করব, দেশ গড়ে তুলব।’

    তারেক রহমান গণতন্ত্রের মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, উন্নত দেশগুলোতে প্রশাসনিক ও স্থানীয় স্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সফলতা দেখা যায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখনো দুর্বল, যেখানে রোগীর তুলনায় হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা খুবই কম। এরজন্য দরকার দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা সেবা, বিশেষ করে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে।

    তিনি বলেছিলেন, প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয়, বরং দেশের বিভিন্ন নির্দিষ্ট রোগের জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা উচিত। এর পাশাপাশি, প্রতিরোধমূলক চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে যাতে কমিউনিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা পেতে পারে, যা হাসপাতালের উপর চাপ কমাবে।

    তিনি আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও স্থানীয় কমিউনিটির শক্তিশালী গণতন্ত্রের বিকল্প নেই নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য।

    বিদেশে অদক্ষ শ্রমিকের ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রতি বছরApproximately ৭০ লাখ মানুষ বিদেশে যাবে, যার বড় অংশই অদক্ষ। এটি দেশের অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় অবদান রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। তিনি কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার আধুনিকায়নে মনোযোগ দিতে চান, যেখানে ভাষা শিক্ষাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে যেন তরুণরা বিশ্ববাজারে দক্ষ হয়ে কাজ করতে পারে।

    নারী ক্ষমতায়নে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারের নানা উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, যেমন বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা, যার ফলে গ্রামীণ নারী শিক্ষায় অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, ফ্যামিলি কার্ড চালু করে পরিবারপ্রধান নারীদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ সুবিধা ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হবে।

    তিনি অভিযোগ করেন, তথাকথিত উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুট করা হয়েছে, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের হাত ধরে ব্যবসা-রাজনীতি ও নির্বাচন প্রক্রিয়া দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা করেছে আস্থাশীল মানুষেরা।

    তিনি নারীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা পুনরায় তুলে ধরেন। গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এই অর্থের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করেন, যা পরিবার ও দেশের উন্নতিতে সহায়ক।

    পরিবেশ রক্ষা ও গণতন্ত্রের সংযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, নাগরিকদের মত প্রকাশের অধিকার থাকলেই শহরের দূষণ ও ময়লা ব্যবস্থাপনা সমস্যাগুলি সমাধান সম্ভব। তিনি জানিয়েছেন, বিএনপি আগামী পাঁচ বছরে ৮০ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েছে, প্রতিটি উপজেলায় চারা বিতরণের মাধ্যমে।

    অর্থনৈতিক স্বচ্ছতার জন্য তিনি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীর প্রভাব কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন, যাতে কৃষকরা প্রতীকী সহায়তার পরিবর্তে প্রকৃত সুবিধা পান।

    বেলা ১০:৫০ মিনিটে পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর বিকেল সাড়ে বারোটায় তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে আবহে উৎসাহ ও আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি, এবং জনসভার জন্য বিভিন্ন নেতাকর্মীর উপস্থিতি ব্যাপক ছিল।

  • ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক সংগ্রহ

    ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক সংগ্রহ

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকার ঢাকা-১৭ আসনের জন্য ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ওই প্রতীক হাতে পান তিনি। তাঁর পক্ষে চিঠি গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রতীক পাওয়ার পর তিনি সংবাদমাধ্যমে বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের জন্য ধানের শীষ প্রতীকের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তিনি সবাইকে জানিয়েছেন, নির্বাচন পরিচালনাকারী সব প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা একান্ত জরুরি। তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ভোটাররা তারেক রহমানকে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

    অপর দিকে, এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন তার তত্ত্বাবধানে প্রতিদ্বন্দ্বীপ্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত সময়ের পরে, বুধবার (২১ জানুয়ারি), নতুন করে প্রতীক বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর, প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ থেকে বিকেল ৪:৩০ পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে ভোটের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হবে প্রতীক নিয়ে গণভোটও।

  • নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম

    নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচন ঐক্য দেশের জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং তারা বিপুল ভোটে জয় লাভ করে সরকার গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তিন নেতা কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আজকের ‘১০ দলীয় ঐক্য’ দেশের জনগণের সমর্থন পেয়েছে এবং তারা নির্বাচন জয় করে দেশের অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে। তিনি অধীর আগ্রহে প্রত্যাশা করেন, এই ঐক্যের মাধ্যমে দেশের সংস্কার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হবে। তিনি ভোটে জয়ী করতে সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সারাদেশের মানুষ যেন তাদের ভোটের মাধ্যমে এই ঐক্যজোটকে বিজয়ী করে। বিশেষ করে, জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩০ প্রার্থীকে ‘শাপলা কলি’ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতার দাবি উঠছে, কারণ তারা কিছু দলকে সুবিধা দিচ্ছে এবং নির্বাচন প্রচারণায় কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু দিন ধরে নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, কিন্তু এসবের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, আমরা চাই ১২ ফেব্রুয়ারি যেন নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। এই নির্বাচনে জেতার মাধ্যমে সংসদে যাওয়ার লক্ষ্য তাদের প্রধান উদ্দেশ্য। বিশেষ করে, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর জন্য তাদের ‘শাপলা কলি’ মার্কায় ভোটের আহ্বান জানান। এর পর, এনসিপির নেতারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। এই দিনে তারা গণতন্ত্রের জন্য ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ নামে একটি নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে, যা শেষ হয় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। এই অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার

    বিএনপি ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার

    বিএনপি দলীয় সিদ্ধান্তের অমান্য করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য ৫৯ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বুধবার সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    এর আগে ৩০ ডিসেম্বর, বিদ্রোহী প্রার্থী থাকার কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত প্রার্থীদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    বিভিন্ন বিভাগে বহিষ্কারকৃত নেতাদের তালিকা বিশদভাবে প্রকাশ করা হয়েছে:

    রংপুর বিভাগে তিনজন— দিনাজপুর-২ আসনের আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৫ আসনের এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী-৪ আসনের রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।

    রাজশাহী বিভাগে আটজন, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পাঠ্য: নওগাঁ-৩ আসনের পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর-১ আসনের তাইফুল ইসলাম টিপু, নাটোর-৩ আসনের দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী-৫ আসনের ইসফা খাইরুল হক শিমুল, ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা-৩ আসনের কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা-৪ আসনের জাকারিয়া পিন্টু।

    খুলনা বিভাগে ছয়জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল-২ আসনের মনিরুল ইসলাম, যশোর-৫ আসনের অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল, সাতক্ষীরা-৩ আসনের ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট-১ আসনের ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ এবং বাগেরহাট-৪ আসনের প্রার্থী খায়রুজ্জামান শিপন।

    বরিশাল বিভাগে বহিষ্কৃত হয়েছেন বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী আব্দুস সোবহান ও পিরোজপুর-২ আসনের মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন।

    ঢাকা বিভাগের নেতারা হলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সদস্য মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. আতাউর রহমান খান আঙুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-১ আসনের মোহাম্মাদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৫ আসনের নির্ধারিত প্রার্থী ফরহাদ ইকবাল। এছাড়া নরসিংদী-৫ এর মো. জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ এর মো. মুমিন আলী, মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের মো. মহিউদ্দিনও বহিষ্কৃত হয়েছেন।

    ময়মনসিংহ বিভাগে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ এর সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-১০ এর এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ এর মো. মোর্শেদ আলম, নেত্রকোণা-৩ এর মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, শেরপুর-৩ এর মো. আমিনুল ইসলাম বাদশাহ, মাদারিপুর-১ এর লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, মাদারিপুর-২ এর মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী-২ এর নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ-২ এর এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ এর প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।

    সিলেট বিভাগে সুনামগঞ্জ-৩ এর আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ এর দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট-৫ এর মামুনুর রশীদ (চাকসু), মৌলভীবাজার-৪ এর মহসিন মিয়া মধু, হবিগঞ্জ-১ এর বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ সুजात মিয়াকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

    কুমিল্লা বিভাগে ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১ এর কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫ এর কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৬ এর কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা-২ এর আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ এর আতিকুল আলম শাওন ও চাঁদপুর-৪ এর প্রার্থী এম এ হান্নানকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম-১৪ এর মিজানুল হক চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম-১৬ এর লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী-২ এর কাজী মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৬ এর ফজলুল আজীম ও তানবীর উদ্দীন রাজীবকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে বহিষ্কার করা হয়েছে।

  • বিএনপি বহিষ্কার করল ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

    বিএনপি বহিষ্কার করল ৫৯ বিদ্রোহী প্রার্থী

    দলীয় সিদ্ধান্ত না মানায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি ৫৯ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল থেকে বহিস্কার করেছে। বুধবার এই সিদ্ধান্তের তথ্য প্রকাশ করা হয় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত নেতাদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব স্তরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগেই ৩০ ডিসেম্বর বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

    নীচে বিভাগভিত্তিক বহিষ্কৃত তালিকা দেওয়া হল:

    রংপুর বিভাগ: দিনাজপুর-২ আ ন ম বজলুর রশিদ, দিনাজপুর-৫ এ জেড এম রেজয়ানুল হক এবং নীলফামারী-৪ রিয়াদ আরাফান সরকার রানা।

    রাজশাহী বিভাগ: নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি, নাটোর-১ তাইফুল ইসলাম টিপু ও ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, রাজশাহী-৫ ইসফা খাইরুল হক শিমুল ও ব্যারিস্টার রেজাউল করিম, পাবনা-৩ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং পাবনা-৪ জাকারিয়া পিন্টু।

    খুলনা বিভাগ: কুষ্টিয়া-১ নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, নড়াইল-২ মনিরুল ইসলাম, যশোর-৫ অ্যাডভোকেট শহিদ ইকবাল, সাতক্ষীরা-৩ ডা. শহীদুল আলম, বাগেরহাট-১ ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ এবং বাগেরহাট-৪ প্রার্থী খায়রুজ্জামান শিপন।

    বরিশাল বিভাগ: বরিশাল-১ আব্দুস সোবহান এবং পিরোজপুর-২ মোহাম্মদ মাহমুদ হোসেন।

    ঢাকা বিভাগ: নারায়ণগঞ্জ-১ (সাবেক সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা) মোহাম্মাদ দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-২ মো. আতাউর রহমান খান আঙুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-১ মোহাম্মাদ আলী, টাঙ্গাইল-৩ লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৫ ফরহাদ ইকবাল। এছাড়া নরসিংদী-৫ মো. জামাল আহমেদ চৌধুরী, মুন্সিগঞ্জ-১ মো. মুমিন আলী ও মুন্সিগঞ্জ-৩ প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

    ময়মনসিংহ বিভাগ: কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম চুন্নু, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-১০ এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ মো. মোর্শেদ আলম, নেত্রকোণা-৩ মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, শেরপুর-৩ মো. আমিনুল ইসলাম বাদশাহ। মাদারিপুর-১ থেকে লাভলু সিদ্দিকী ও কামাল জামাল নুরুউদ্দিন মোল্লা, মাদারিপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ-২ এম এস খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ হাবিবুর রহমান হাবিবও বহিষ্কার তালিকায় 名前।

    সিলেট বিভাগ: সুনামগঞ্জ-৩ আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সিলেট-৫ মামুনুর রশীদ (চাকসু), মৌলভীবাজার-৪ মহসিন মিয়া মধু এবং হবিগঞ্জ-১ শেখ সুজাত মিয়া।

    কুমিল্লা বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ কামরুজ্জামান মামুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ কাজী নাজমুল হোসেন তাপস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ কৃষিবিদ সাইদুজ্জামান কামাল, কুমিল্লা-২ আব্দুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন এবং চাঁদপুর-৪ এম এ হান্নান।

    চট্টগ্রাম বিভাগ: চট্টগ্রাম-১৪ মিজানুল হক চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম রাহী, চট্টগ্রাম-১৬ লিয়াকত আলী চেয়ারম্যান, নোয়াখালী-২ কাজী মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজীম ও নোয়াখালী-৬ প্রার্থী তানবীর উদ্দীন রাজীব।

    বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও সিদ্ধান্ত মানার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দল জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা নিয়মভঙ্গ করলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে।

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ধানের শীষ প্রতীকের নিকটতম নিলেজ পাওয়া যায় এবং প্রতীক গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রতীক গ্রহণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার তারেক রহমানকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করেছেন। তিনি বলেন, সব প্রার্থীর কাছে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার। তিনি আরও জানান যে, যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ভোটাররা তারেক রহমানকে সমর্থন করে ভোট দিতে প্রস্তুত।

    একই দিনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জমানকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক দেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় শেষে বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করে। প্রতীকপ্রাপ্ত প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী নির্বাচনী ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে। একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে পৃথক ব্যালটে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধানের শীষ প্রতীকের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ধানশীষ প্রতীকের সম্পর্কিত চিঠি তারেক রহমানের পক্ষে গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, বিভাগীয় কমিশনার তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন।

    প্রতীক পেয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় কমিশনার সব প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে বলেছেন। তিনি আরও বলেন, যুবকদের থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ভোটাররা তারেক রহমানকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে।

    এদিন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জমান ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক পেয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন বুধবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে। প্রতীকপ্রাপ্ত প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এক দিনেই পৃথক ব্যালটে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

  • মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    রাজধানীর মিরপুর পীরেরबাগে জামায়াতের নারী কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া হেনস্তা ও হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (২১ জানুয়ারি) আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অনেক বেশি সচেতন; মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিনের শেষ হয়েছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যদি কাউকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে দেখা যায়, সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জানান। তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলের অধিকার নেই বনেদি বা অরাজক মব সৃষ্টি করার। জামায়াত নোংরা মব ও সহিংসতার কঠোর নিন্দা জানায় এবং এমন ঘটনার স্থায়ী সমাধান চাইছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা চাই এই মব-ঘটনাই এখানেই শেষ হয়ে যাক। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে, তবে সেটাকে শান্তিপূর্ণ ও আইনি পথে রাখতে হবে। সবাই জনগণের কাছে যাবে, নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করবে এবং দলীয় অঙ্গীকারগুলো সামনে তুলে ধরবে। তারপর জনগণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিচার করে সিদ্ধান্ত নেবে কাদের ওপর আস্থা রাখবে।

    জামায়াত আমির বলেন, তাদের অঙ্গীকার স্পষ্ট: তারা দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে চায় যেখানে কোনোভাবে ফ্যাসিজম ফিরে আসবে না। ঠিক এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারা পরপর দু’টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

    ডা. শফিকুর রহমান ৩শ’ আসনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদেরও সংবর্ধনা জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখুন এবং ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করুন যাতে ভোটাররা নিজের পছন্দমতো প্রতীক চিহ্নিত কাগজে ভোট দিয়ে নির্বিঘ্নে বাক্সে পৌঁছে দিতে পারে।

  • মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    রাজধানীর মিরপুর পীরেরবাগে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর ঘটানো হেনস্থা ও হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বুধবার (২১ জানুয়ারি) আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

    ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ।’’ তিনি বলেন, যদি কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে; কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা দলের কোন অধিকার নেই জনতার মধ্যে মব সৃষ্টি করার। জামায়াত এমন নোংরা মবের কড়া নিন্দা জানায়, যোগ করেন তিনি।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, আমরা চাই এই মব এখানেই থামুক। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের কাছে গিয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করে এবং দলের অঙ্গীকার ও কর্মসূচি তুলে ধরে। তিনি বলেন, জনগণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় করে কার ওপর আস্থা রাখবে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    ডা. শফিকুর রহমান দলের অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করা, যেখানে ফ্যাসিজম আর ফিরে আসবে না। এই উদ্দেশ্যেই আমরা পরবর্তী দু’টি নির্বাচনে একসাথে অংশগ্রহণ করব।’’

    তিনি ৩০০ আসনে যারা নির্বাচন করছেন তাদেরও অনুরোধ জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন; ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে তা নিশ্চিত করুন এবং ভোটারদের তাদের পছন্দমত প্রতীক ও বাক্সে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিন।

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগের কার্যালয় থেকে এ চিঠি গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম।

    চিঠি গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলায় মনিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করেছেন। তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় কমিশনার সব প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন। মনিরুলের বক্তব্য অনুযায়ী, যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার ভোটাররা তারেক রহমানকে সমর্থন জ্ঞাপন করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    একই দিনে ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জমান ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকও পান।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় শেষ হওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সোমবারের পরিবর্তে বুধবার সম্পন্ন করেছে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পৃথক ব্যালেটে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।