Category: বিনোদন

  • সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    সাবিনা ইয়াসমিনকে প্রদান করা হলো রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

    বাংলাদেশের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হলো। গত রোববার সন্ধ্যায় এটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে এই মহানগরীতারা সম্মাননা প্রদান করেন। বাংলাদেশে সংগীতের জগতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

    সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সাবিনা ইয়াসমিনের হাতে উত্তরীয় পরিয়ে ও ক্রেস্ট দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আজকে যাকে আমরা সম্মাননা দিচ্ছি, তিনি আমাদের গর্বের একজন কিংবদন্তি, সত্যিকার অর্থে আমাদের গৌরব।’এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    সাবিনা ইয়াসমিনের সংগীত জীবনের দীর্ঘ ছয় দশকের পথচলা। যদিও কিছু অসুস্থতার কারণে তিনি দীর্ঘ সময় কিছুটা গান থেকে দূরে ছিলেন, তবে রোববারের এই বিশেষ আয়োজনে তিনি যেন তার পুরোনো চেহারায় ফিরে আসেন। এই সন্ধ্যাটি ছিল তার একক সংগীতানুষ্ঠান, যেখানে তার ভক্তরা গভীর আগ্রহে তার গান উপভোগ করেন ও স্মৃতিচারণায় মেতে ওঠেন।

    অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে প্রদর্শিত হয় সাবিনা ইয়াসমিনের জীবনীচিত্র ঐ ডকুমেন্টারি ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’, যা তার জীবন ও সংগীতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের জন্য এক অপূর্ব সন্ধ্যা হয়ে উঠে।

  • চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    চলন্ত ট্রেনে লাফ দিয়ে গুরুতর আঘাত পেলেন অভিনেত্রী কারিশমা

    শিল্পী এবং জনপ্রিয় ছোটপর্দার অভিনেত্রী করিশমা শর্মা সম্প্রতি এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে তিনি চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বিস্তারিত জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

    অভিনেত্রী লিখেছেন, “গতকাল (বুধবার) চার্চগেটের উদ্দেশ্যে শুটিংয়ে যাওয়ার সময় আমি শাড়ি পরে ট্রেনে উঠেছিলাম। ট্রেনে ওঠার সময়ই পড়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তখন লক্ষ্য করলাম যে আমার বন্ধুরা ট্রেনে উঠতে পারেনি। ট্রেনটি তখন গতিান্বিত হচ্ছিল। মানসিকভাবে আতঙ্কে আমি ভাবলাম ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিই। দুর্ভাগ্যবশত আমি উল্টো হয়ে পড়ি, যার ফলে আমার মাথায় তীব্র আঘাত লাগে।”

    তিনি আরও জানান, ট্রেন থেকে লাফ দেওয়ার কারণে পিঠে আঘাত লেগেছে এবং মাথার অংশ ফুলে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি এমআরআই করাতে বাধ্য হন এবং একদিনের জন্য তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, যাতে মাথার চোটের severity নির্ণয় করা যায়।

    অভিনেত্রী তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করে বলেছেন, “আমি এখন খুব যন্ত্রণায় আছি, তবে সাহস হারাচ্ছি না। আপনার সকলে আমার জন্য প্রার্থনা করবেন।”

    করিশমা বিভিন্ন জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ‘রাগিনী এমএমএস’, ‘উজরা চমন’, ‘হাম’ এবং ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা’। তার এই পরিস্থিতির খবর পেয়ে তার ভক্তরা বেশ উদ্বিগ্ন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে।

  • বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলবিরোধী বর্জনের ডাক দিলেন

    বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা এখন আরও কঠোর موقف নিলেন ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, প্রায় ১২ শতাধিক অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা এবং কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক উৎসবের সঙ্গে আর কাজ করবেন না, এমন ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে তারা ইসরায়েলে নির্মিত বা প্রযোজিত কোনও চলচ্চিত্রে অংশ নেবেন না। এমনকি, দেশটির কোনও চলচ্চিত্র উৎসবেরও অংশগ্রহণ করবেন না।

    এই তালিকায় রয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান অনেক ব্যক্তিত্ব। অস্কার, বাফটা, এমি, ও পাম দ’অর পুরস্কার জয়ী পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান, যশুয়া ওপেনহাইমার, মাইক লেইসহ বেশ কয়েকজন।

    অভিনেতাদের মধ্যে আছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বারডেম, জো অয়েলউইন, জশ ও’কনরসহ আরও অনেকে।

    বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা পরিবেশকরা কখনোই ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়নি। বরং, বেশিরভাগই নৃশংসতার পক্ষে নীরব থেকে সহায়তা করে যাচ্ছে। তাই, তারা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো পেশাগত সম্পর্ক রাখবেন না।

    ফলে, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং টিএলভি ফেস্টের মতো বড় উৎসবগুলোতেও এই শিল্পীরা তাঁদের কাজ ও উপস্থিতি এড়াবেন।

    এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা কারণ ব্যাখ্যা করে ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, “দুই বছর ধরে গাজায় যা ঘটছে, তা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খুবই গভীরভাবে নাড়া দেয়। একজন ইহুদি আমেরিকান হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধ করার জন্য আমাদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ, তখন শিল্পীরাই এগিয়ে এসে অবস্থান নিতে হবে।”

    সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো যখন এই সহিংসতায় নীরব সমর্থন দেখাচ্ছে, তখন শিল্পীরা নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না। মানুষের মানবাধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

  • মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদকর অভিযোগে গত বছর ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অরিন্দম রায় দীপকে গ্রেফতারের পর থেকেই আলোচিত হয় এই কাণ্ড। তার জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে দেশের জনপ্রিয় কিছু অভিনেত্রী—সাফা কবির, তিশা, টয়া এবং সুনিধির নাম। মাদক সম্পৃক্ততা নিয়ে তৎকালীন সময়ে ব্যাপক তদন্ত শুরু করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স)। এ মামলায় তানজিন তিশা, টয়া এবং অন্যান্যরা নিজেদেরকে সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেন। প্রায় এক বছর পরে, ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির এই মামলার প্রসঙ্গে মুখ খুললেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বললেন, “ঘটনার খবর প্রকাশের পর আমি খুবই হতবম্ব ও বিপর্যস্ত ছিলাম। রোববার একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করবার কথা ছিল, কিন্তু এই খবরের কারণে তারা সেটি বাতিল করেছে। আমি বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে আমি এই ঘটনায় কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, কিন্তু কিভাবে প্রমাণ করব?” সাফা যোগ করে বলেন, “প্রমাণ করার কিছু আমার কাছে নেই, বরং বোঝানো ছাড়া উপায় ছিল না। আমার সিনিয়র অভিনেত্রীসহ শোবিজের অনেক বন্ধু আমার সঙ্গে কাজ বাতিল করেন। এই পরিস্থিতিতে আমি মানসিকভাবে খুবই চাপের মধ্যে ছিলাম। তবে এ সময়ে কিছু ভালো বন্ধু পাশে দাঁড়িয়েছিল। তৌসিফ মাহবুব বলেছিল, আমি সাফার সঙ্গে কাজ করব। জোভান ও সিয়ামও আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ এই বন্ধুদের জন্য, যারা এই কঠিন সময়ে আমাকে সমর্থন দিয়েছেন।” এর আগে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অরিন্দম রায় দীপের মোবাইলের কললিস্ট ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পরীক্ষা করে দেখা যায়, এতে কিছু জনপ্রিয় অভিনেত্রীর মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তাদের কিছু অর্ডার ও যোগাযোগের হোয়াটসঅ্যাপ রেকর্ড থেকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়। নারকোটিক্সের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন বলেন, “দীপকে গ্রেফতারের পর আমরা অনেকের প্রতিটি খুঁজে পেয়েছি, যার মধ্যে সাফা কবির, টয়া, তিশা ও সুনিধির নাম উল্লেখ্য। তাদের মোবাইলের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবগুলো নম্বরই তাদের নামের সঙ্গে সংযুক্ত। তবে তিশার নম্বরের রেজিস্ট্রেশন তার মায়ের নামে। তদন্ত চলমান থাকায়, পরে বিস্তারিত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনায় আরও জানা গেছে, নারকোটিক্সের অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, দীপের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা ও সুনিধি নামের নম্বর থেকে নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেয়া হতো। এই নম্বরগুলো যাচাইকার্যক্রমে দেখা গেছে, সেগুলো সরাসরি সাফা কবির ও টয়ার নামে রেজিস্টার হয়েছে। অন্যদিকে, তিশার নম্বরটি তার মায়ের নামে নিবন্ধিত। এই তথ্যগুলো কিছু विवाद এবং তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে, যেখানে অঘটনের গভীরতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

  • ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক, স্বামী জানালেন

    একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে জীবনের সন্ধিক্ষণে। তার শারীরিক অবস্থা দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার স্বামী, গায়ক ও বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম। তিনি বললেন, ‘ফরিদা পারভীরের অবস্থা খুবই গুরুতর। তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন এবং এখনকার পরিস্থিতিতে কিছু বলার মতো অবস্থা নেই। সবাই দোয়া করুন, যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হন।’

    এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে জানানো হয় যে, ফরিদা পারভীনের শারীরিক অবস্থা বেশই অবনতি হয়েছে। সেখানে প্রকাশ করা হয় যে, গত বুধবার বিকালে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। এরপর বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে তার স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায় এবং তার রক্তচাপ নিঃশেষে।

    ঢাকাই এই সংগীতশিল্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডাক্তারের পরামর্শে কৃত্রিমভাবে তার রক্তচাপ ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ স্তরের ওষুধ দিয়ে চিকিত্সা চলছে। পাশাপাশি মেশিনের সাহায্যে তার ফুসফুস কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তবে দুঃখের বিষয়, এই পরিস্থিতিতে তার শারীরিক উন্নতির কোনো আশা বা আশ্বাস এখনো তৈরি হয়নি। এই বিলম্বে তাঁকে আরো কিছু সময় ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ফরিদা পারভীন দীর্ঘ বছর ধরে কিডনি রোগে ভুগছেন। গত ৫ জুলাই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুদিন চিকিৎসা চলার পর ২২ জুলাই বাসায় ফিরে আসেন তিনি। এরপর, ২ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে প্রাথমিক অবস্থায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। থাকছেন সেখানে আইসিইউতে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

    ফরিদা পারভীন ১৯৬৮ সালে রাজশাহী বেতার থেকে স্বরবর্ণ শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে দেশাত্মবোধক গানের মাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে। তিনি লালন সংগীতের প্রশিক্ষণও নিয়েছেন সাধক মোকসেদ আলী শাহের কাছে। সংঙ্গীতাঙ্গনে তার বিশেষ অবদান স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৮৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। এর পাশাপাশি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। ২০০৮ সালে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে ‘ফুকুওয়াকা এশিয়ান কালচার’ পুরস্কারও তিনি গ্রহণ করেন। এছাড়াও, ১৯৯৩ সালে তিনি দেশের সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

  • সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান

    সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান

    বাংলাদেশের বিশিষ্ট ও বরেণ্য সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি রোববার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদীয়মান এবং প্রিয় এই গায়িকা।

    প্রাকৃতিক বিরতিকেও এই অনুষ্ঠানে গুণী এই শিল্পীকে সম্মাননা জানাতে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, যিনি সাবিনা ইয়াসমিনের হাতে উত্তোড়া শোভা ও ক্রেস্ট তুলে দিয়ে তাঁর সম্মানসূচক সন্মাননা জানান। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজকে যে শিল্পীকে সম্মাননা দিচ্ছি, তিনি আমাদের দেশের গর্ব, আমাদের কিংবদন্তি, তাঁর কণ্ঠের স্পর্শ অপূর্ব ও অমোঘ।’

    এছাড়াও, সংগীত ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন, যেখানে তিনি শিল্পীর অবদান ও গানের মহান গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    প্রায় ষোল বছর ধরে সংগীতজীবন ব্যস্ত এই শিল্পী, তবে অসুস্থতার কারণে কিছুটা দূরত্বে ছিলেন সাম্প্রতিক দিনগুলোতে। কিন্তু ওই রাতে তিনি যেন এক নতুন আকারে আবির্ভূত হন। শিল্পীর একক সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তার প্রিয় গানগুলো এবং জীবনের স্মৃতিচারণে ভরে ওঠে পুরো অনুষ্ঠান। ভক্তশ্রোতারা আবেগের আবেশে গানে মগ্ন হন।

    প্রসঙ্গত, এ সন্ধ্যায় একটি বিশেষ ডকুমেন্টারি ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ মুক্তি পায়, যা সাবিনা ইয়াসমিনের জীবনের নানা দিকের অবদান ও সংগ্রাম তুলে ধরে। এই সমাবেশে উপস্থিত হয়ে শিল্পী ও তার ভক্তরা একত্রে তার গানের জাদু উপভোগ করেন।

  • আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহি আটক

    আবাসিক হোটেল থেকে টিকটকার মাহিয়া মাহি আটক

    নগরীর পোর্ট রোড এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে টিকটক তারকা মাহিয়া মাহিকে আটক করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাতে এই অভিযান চালানো হয় হোটেল রোডেলায়, যেখানে মাহিয়া মাহি ও তার স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের সাথে আরও একজন তরুণীও আটক করা হয়।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে হঠাৎ অভিযান চলছিল। হোটেল রোডেলার একটি কক্ষে অভিযানে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে থাকা এক ব্যক্তির সাথে মাহিয়া মাহিকে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট অাটকের সময়, তাদের সহযোগী হিসেবে আরও একজন তরুণীও ছিল।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, মাহিয়া মাহি নিজের পরিচয়টি নিশ্চিত করতে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এর ফলে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এবং প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়ার জন্য কোতয়ালী মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

    থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘হোটেল রোডেলায় থেকে দুই তরুণী ও একজন পুরুষকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিদের ব্যাপারে আরো তদন্ত চলছে।’ এই ঘটনায় পুলিশ বলছে, তদন্ত চলমান আছে এবং ভবিষ্যতে আরো বিস্তারিত জানানো হবে।

  • জনপ্রিয় অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেননের বিরুদ্ধে নারীর অপহরণের অভিযোগ

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেননের বিরুদ্ধে নারীর অপহরণের অভিযোগ

    সম্প্রতি ভারতের কোচির এনার্কুলাম শহরে একটি বারে ঘটে যাওয়া ঝগড়ার জেরে এক নারী প্রযুক্তিবিদকে অপহরণ ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী এনার্কুলাম থানায় অভিযোগ দিলে জানা যায়, তদন্তের ভিত্তিতে মালায়ালাম সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সুপরিচিত অভিনেত্রী লক্ষ্মী মেনন সহ তিন বন্ধুকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন তিনি। পুলিশের ধারণা, এই ঘটনার মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে এই অভিনেত্রী।

    এনআরকুলাম থানা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে একটি বারে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এই ঝগড়া রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ার পর, ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর বন্ধুদের গাড়ি থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে দেখে অভিযুক্তরা তাদের গাড়ি tốcসহ ধাওয়া করে। তারই ধারাবাহিকতায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে এনার্কুলাম শহরের উত্তর রেলওয়ে ওভারব্রিজের কাছাকাছি ভুক্তভোগীর গাড়ি থামিয়ে তাকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামানো হয়। পরে, অভিযুক্তরা আলিয়ার শাহ সলিমের মুখবেঁধে মারধর করেন।

    পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর অপহরণের সময় ব্যবহৃত গাড়িটি শনাক্তের জন্য তদন্ত চলচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তবে মূল অভিযুক্ত লক্ষ্মী মেনন বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।

    অভিযোগকারী আলিয়ার শাহ সলিম এনার্কুলাম এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি জানিয়েছেন, ঝগড়ার সময় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে এবং অভিযুক্তরা তাঁকে ও তার বন্ধুদের ধাওয়া করে। শেষ পর্যন্ত, ভুক্তভোগী ও তার বন্ধুদের গাড়ি থামিয়ে তাকে জোরপূর্বক বের করে নিয়ে আসা হয়। মারধরের সময় তার মুখ বাঁধা ছিল এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পূর্ববর্তী তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপহরণের সময় ব্যবহৃত গাড়ি শনাক্তের কাজ চলছে।

    উল্লেখ্য, লক্ষ্মী মেনন ২০১১ সালে পরিচালক বিনয়নের ‘রাঘাবন্তে স্বত্তম রাজিয়া’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মালায়ালাম সিনেমায় অভিষেক করেন। তিনি বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় মালয়ালাম এবং তামিল ছবি যেমন ‘সুন্দরপান্ডিয়ান’, ‘কুট্টি পুলি’, ‘জিগারথান্ডা’, ‘মিরুথান’ এ অভিনয় করেছেন।

  • মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদককাণ্ডে এক বছর পর মুখ খুললেন সাফা কবির

    মাদককাণ্ডে সংশ্লিষ্টতা অভিযোগে গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র অরিন্দম রায় দীপকে। উদ্ধার হওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় দেশের জনপ্রিয় কয়েকজন অভিনেত্রীর নাম, যার মধ্যে সাফা কবিরও রয়েছেন। তখন মাদক সম্পৃক্ততার বিষয়ে ব্যাপক তদন্ত চালানো হয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (নারকোটিক্স) দ্বারা। তানজিন তিশা ও টয়াসহ অন্যরা এ বিষয়ে মুখ খুললেও, সাফা কবির যেহেতু তখন সরাসরি মুখ ফিরিয়ে রাখেননি, তার এক বছরের খামখেয়ালী সময় অতিবাহিত হয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করতে গিয়ে বলেন, বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরদিন একটি ব্র্যান্ডের জন্য চুক্তি করার কথা থাকলেও, এই খবরে প্রভাব পড়ে এবং ব্র্যান্ডটি চুক্তি বাতিল করে দেয়। তিনি বলতে থাকেন, ‘আমি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে, এটা একট فقط খবর; আমার এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু প্রমাণের জন্য কিছুই নেই, শুধু বোঝানো ছাড়া। আমার সিনিয়র শিল্পীরা আমার সঙ্গে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন, এই পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সবাই দূরত্ব বজায় রেখেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তো এই নিয়ে ব্যাপক ঝড় উঠেছে।’ অভিনেত্রী জানান, এই কঠিন সময় তিনি শোবিজের বন্ধুদের কাছ থেকে সহায়তা পেয়েছেন। তৌসিফ মাহবুব বলেছেন, ‘আমি তো তার সঙ্গে কাজ করবই,’ এবং জোভান ও সিয়ামও মানসিকভাবে পাশে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অভিনেতা ও বন্ধুদের এমন সমর্থন পেয়ে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। আমি মনে করি, মিডিয়া কতটা বন্ধু হয় না, এটাই আমাকে সত্যিই ভাবায়।’ তদন্তের সময় অরিন্দম রায় দীপের মোবাইল চেক করে আলাদা আলাদা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। এতে জানা যায়, বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে মাদকের সম্পর্কের প্রমান ও অর্ডারসংক্রান্ত কথোপকথন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারকোটিক্সের সহকারী পরিচালক রাহুল সেন জানান, দীপের কাছ থেকে প্রথম সারির কয়েকজন অভিনেত্রী ও মডেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছেন। তদন্ত এখনও চলমান এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একজন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করে, ডেপের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সাফা, টয়া, তিশা ও সুনিধির নাম থাকা নম্বর থেকে নিয়মিত মাদকের অর্ডার দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। পরে নম্বরগুলো যাচাইয়ের জন্য রেজিস্ট্রেশন রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়। দেখা যায়, সাফা কবির ও টয়ার নম্বর সেভ করা রয়েছে, আর তিশার নম্বর তার মায়ের নামের রেজিস্ট্রেশন। এই পুরো পরিস্থিতি নাটকীয়তা ও জটিলতায় ভরপুর, যা আরও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

  • বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলি প্রযোজনা থেকে বহিষ্কার ঘোষণা

    বিশ্বের ১২ শতাধিক শিল্পী-নির্মাতা ইসরায়েলি প্রযোজনা থেকে বহিষ্কার ঘোষণা

    ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান ফিলিস্তিনের সহিংসতা ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে শিল্পীরা কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। ‘ফিল্ম ওয়ার্কার্স ফর প্যালেস্টাইন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে, একশো বিশটির বেশি অভিনয়শিল্পী, নির্মাতা ও কলাকুশলী ইসরায়েলি কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বা সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কাজ করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার প্রকাশিত এই যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, এখন থেকে ইসরায়েলে নির্মিত বা প্রযোজিত কোনও চলচ্চিত্রে তাদের অংশ নেওয়া হবে না। পাশাপাশি, দেশายোজিত কোনও চলচ্চিত্র উৎসবে তারা অংশ নেবেন না।

    এই তালিকায় রয়েছেন অস্কার, বাফটা, এমি, পাম দ’অরসহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অনেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব। পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ইয়র্গোস ল্যান্থিমোস, আভা ডুভার্নে, অ্যাডাম ম্যাককে, বুটস রিলে, এমা সেলিগম্যান ও যশুয়া ওপেনহাইমার।

    অভিনেতাদের মধ্যে রয়েছেন এমা স্টোন, অলিভিয়া কোলম্যান, আয়ো এডিবেরি, লিলি গ্ল্যাডস্টোন, মার্ক রাফেলো, রিজ আহমেদ, সিনথিয়া নিক্সন, টিল্ডা সুইনটন, জেভিয়ের বার্ডেম ও জো অ্যালউইন সহ আরও অনেকে।

    বিবৃতিতে তারা অঙ্গীকার করেছেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা বা পরিবেশকদের সঙ্গে এখন থেকে কোনো পেশাদার সম্পর্ক থাকবে না। তারা আরও বলছেন, ইসরায়েলি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠী কখনোই ফিলিস্তিনীদের অধিকার সমর্থন করেনি। বরং অধিকাংশই নৃশংসতার পক্ষে নীরবে সহযোগিতা করে চলেছে, যা তারা রুখতে চান।

    ফলে, জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, হাইফা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ডোকাভিভ, তেলআবিব ইন্টারন্যাশনাল ডকুমেন্টারি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও টিএলভি ফেস্টের মতো বড় বড় উৎসবে তাদের দেখা আর হবে না।

    এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে, ইহুদি বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার বলেন, ‘দুই বছর ধরে গাজায় যা ঘটছে, তা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমার মনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। একজন ইহুদি আমেরিকান হিসেবে আমি মনে করি, এই গণহত্যা বন্ধ করার জন্য আমাদের সক্রিয়ভাবে ভূমিকা নিতে হবে। যখন রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ, তখন শিল্পীদেরই এগিয়ে আসতে হবে।’

    সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যখন বিশ্বে সরকারগুলো এই সহিংসতাকে নীরব সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে, তখন শিল্পীরা নিরপেক্ষ থাকতেও পারেন না। মানবাধিকার রক্ষা এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।