Category: বিনোদন

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    দেশের renomित চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিকমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হলো। সবাই দোয়া করবেন।’

    ইনস্টাগ্রাম পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে চলচ্চিত্র জগতের mnog প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দোয়া ও শুভকামনা জানিয়েছেন, এর মধ্যে খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও রয়েছেন, যিনি লিখেছেন, ‘অনেক দোয়া’। অনেকে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য কামনা করেছেন।

    পোস্টে দেখা গেছে, হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে এক চোখে অপারেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দেলোয়ার হোসেন ঝন্টু।

    দশকের পর দশক ধরে চলচ্চিত্রের এই প্রবীন নির্মাতা প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক সিনেমা নির্মাণ করেছেন। তিনি তার পরিচালনাক্ষেত্রে প্রথম সাফল্য লাভ করেন ‘লিডার’ সিনেমার মাধ্যমে, আর তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা ছিল ‘বন্দুক’। তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো মধ্যে রয়েছে ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ among others। এই অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নির্মাতার স্বাস্থ্যের খবর শোয়াক সাংবাদিক ও অনুরাগীদের মধ্যে শোক ও শুভকামনায় ভরপুর।

  • পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    পরিচালকের কঠোর আক্রমণ: সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে মন্তব্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের উপর তোপ Comparingবছর কয়েক আগে থেকেই শুরু করেন ‘দাবাং’ খ্যাত পরিচালক অভিনব কাশ্যপ। তিনি একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছিলেন, সালমান খান ও তার পরিবারের ব্যাপারে। সম্প্রতি Fernándezলেন আবারও একই ধরনের কথা বলেছেন।

    অভিনব কাশ্যপের মতে, বলিউডে সালমান খানের বাবা সেলিম খান অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন চিত্রনাট্যকার, তবে তাকে বলিউডের সেরা বলা যায় না। তার দাবি, সেলিম খান প্রভাব খাটিয়ে এই শিল্পে জায়গা তৈরি করেছেন।

    এরপরই তিনি কঠোর ভাষায় সালমানকে সমালোচনা করেন। তার কথায়, ‘সালমান খানও সেইসব বাবার মতোই প্রভাবশালী হয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। কারণ, তিনি নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপাতে বড় হওয়া এই ব্যক্তির রুচিও accordingly।’

    অভিনব আরও বলেন, ‘সালমানের জন্য অপমানজনক হলেও সত্য, যখন তারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অভিনয় দেখে হিংসা করেন।’

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কারণও রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকেই। তিনি জানান, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। তাছাড়া, সম্প্রতি তাকে প্রথম সারির একটি চ্যানেলে সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিনব মনে করেন, এর পেছনে সালমানের ঘনিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হাত রয়েছে। এভাবে তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।

  • বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    বিতর্কের কারণে পুনমের চরিত্র থেকে বাদ দিলেন রামলীলা কমিটি

    ভারতের রাজধানী দিল্লির একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব, লব কুশ রামলীলা, এবার বেশ বিতর্কের মুখে পড়েছে। মূলত, সম্প্রতি এই অনুষ্ঠানে রামলীলা’র বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবে বলে যে সমস্ত অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মনোনীত করা হয়েছিল, তার মধ্যে পূনম পাণ্ডে ছিলেন অন্যতম। তবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে তাকে এই চরিত্র থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    রামলীলা আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বছরের প্রধান চরিত্রের জন্য প্রথমে পূনমকে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকটি গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মধ্যেই থাকে। অতীতের বিষয় বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা ঠিক নয়। তবে, সাধারণ মানুষের অনুভূতি ও ধর্মীয় ভাবাবেগের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    আয়োজকরা আরও বলেন, ‘সমাজে নারীর অবদান স্বীকৃতি পাওয়ার মতো। তারা অপমানের শিকার হওয়া উচিত নয়। আমরা ভাবছিলাম যে, পূনম এই চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর প্রতিবাদ ও উষ্মা দেখে আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হয়।’

    পূনমকে অভিনয় থেকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোনও অভিনেত্রীকে এই চরিত্রের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। আয়োজকদের মতে, রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তারা এই অনুষ্ঠানে কোনও বিতর্ক চান না। প্রতি বছর দিল্লিতে এই রামলীলা উৎসব ব্যাপক মানুষের সমাগম হয়, যেখানে বিভিন্নবারই বিভিন্ন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর অভিনয় দেখা যায়।

    দিল্লি বিজেপি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে। তারা মনে করছে, এই পরিবর্তন ধর্মীয় ভাবাবেগে সম্মান জানানোর জন্যই জরুরি ছিল।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ সম্প্রতি ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ঘটনাকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এই অবিচারের জন্য দায়ী করেছেন।

    এ ঘটনা নিয়ে ভারতের বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে একটি ব্যাপক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় তারা। এই সমাবেশে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ অংশ নেয়।

    অভিনেতা প্রকাশ রাজের সঙ্গে যোগ দেন আরও বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যেমন অভিনেতা সত্যরাজ এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন। বার্তায় তিনি বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাকে রাজনীতি বলায়, তাহলে আমি বলব, এটাই আমাদের মৌলিক অধিকার। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধ শেষে সব কিছু মিটে যায়, নেতারা হাত মেলান, কিন্তু এই অমানবিক দমনপাতনের ক্ষতি সব সময় থেকে যায়। একজন মা তার সন্তানের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করে, এই সত্যিই বাস্তবতা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিনে যে অবিচার চলছে, তার জন্য শুধু ইসরায়েলই নয়, এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেও দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও সমানভাবে দায়ী।’

    অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অমানবিক। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘কীভাবে গাজার উপর বোমা ছোড়া হয়? মানবতা কোথায়? এই নির্মমতা চালিয়ে যাওয়ার পরও কোনভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমোতে পারে?’

    অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন গাজায় চলমান এই আগ্রাসনকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, গাজায় শুধু আবাসিক এলাকাই নয়, স্কুল ও হাসপাতালেও নির্বিচারে বোমা হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি জলপাই গাছগুলোও ধ্বংস করা হয়েছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকা একmaßen ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তিনি এই নৃশংসতা বন্ধের জন্য বিশ্ব সমাজকে সোচ্চার হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

  • বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়া বছরে রামলীলা উৎসবের অনুষ্ঠানে বড় একটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মূলত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিয়াগের কারণে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকেই এই সিদ্ধান্তের জন্য নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে সম্প্রতি তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।

    প্রাথমিকভাবে, এই বছরের রামলীলা উদযাপনে পূনমের অভিনয় করার কথা ছিল রাবণের স্ত্রীর চরিত্রে। কিন্তু হঠাৎই বেশ কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মাধ্যমেই। অতীতের ঘটনাবলী বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা উচিত নয়। তবে, সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    অন্যদিকে, আয়োজকদের আরও বলা হয়, ‘সমাজে প্রত্যেক নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অপমান করা পুরোপুরি অনুচিত। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর উষ্মাপ্রকাশের কারণে আমরা সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছি।’

    অনেকের ধারণা, পূনম শিল্পীর হিসেবে যথেষ্ট সম্মান পাওয়া সত্ত্বেও, এই সিদ্ধান্তে কোনও অসুবিধা হয়নি। এবারের রামলীলা অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হ’ল রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে প্রচার। সেখানে কোনও বিতর্ক বা সমস্যা চান না আয়োজকরা। জানানো হয়, এই ‘লব কুশ রামলীলা’ প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহের সাথে উপভোগ করা হয় এবং এর আগেও বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে মূল চরিত্রে দেখা গেছে।

    দিল্লি বিজেপি দলের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি যেন ধর্মপ্রাণ দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে অবাধ ও আনন্দময় রামলীলা উৎসব পরিচালনা সফল করা যায়, সেটাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছেন। খবর অনুসারে, সম্প্রতি চেন্নাইয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। এই প্রতিবাদে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বও যোগ দেন। অভিনেতা সত্যরাজ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ অনেকে এতে সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেন। প্রকাশ রাজ তাঁর ভাষণে বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধ কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে হ্যাঁ, এটা সত্যিই রাজনীতি। আমরা আমাদের বক্তব্য রাখতে বাধ্য, অন্যথা থাকলে তারা বলে দেয়। যুদ্ধ শেষ হবে, নেতারা হাত মিলাবে, কিন্তু এর ফলে একজন মা তার সন্তানের জন্য অপেক্ষা করবে, একজন নারী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করবে। এটাই বাস্তবতা।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে চলমান এই অন্যায় ও অপরাধের জন্য শুধু ইসরায়েল নয়, আমেরিকাও দায়ী। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও এই ঘাটতিকে বাড়িয়ে দেয়।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞকে মানবতা বিপন্ন করার অপরাধ হিসেবে সমর্থন করেছেন এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় বোমা ফেলছে? মানবতা কোথায়? এত নৃশংসতা করার পরও কীভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গাজার বাসস্থান, স্কুল, হাসপাতাল—প্রতিটি জায়গাতে বোমা পড়ছে। এমনকি জলপাই গাছ পর্যন্ত ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এই প্রতিক্রিয়াগুলিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, এই ঘটনাগুলোর নিন্দা বিশ্বসমাজের জন্য অপরিহার্য।

  • অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর সম্পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। তার এই বিশাল সংগীত Canvas পূরণে তিনি রজত জয়ন্তী উদযাপন করছেন। সেই উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংগীত সফরে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে প্রতিটি ধাপে তিনি দর্শকদের আনন্দ ও ভাবাবেগে মিশে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সফরে তিনি অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, সিডনি, মেলবোর্ন এবং পার্থে কনসার্ট ঘোষণা করেছেন। তবে মেলবোর্নের কনসার্টের আগে গানের আসরে এসে তিনি বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন। তাহসান জানান, এটি তাঁর শেষ কনসার্ট কিংবা শেষ ট্যুর নয়, বরং ধীরে ধীরে সংগীতের ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চান। এতদিন ধরে তার জন্য এই সিদ্ধান্তের খবর শুনে ভক্তরা বেশ মুষড়ে পড়েন, তবে তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক।’ তিনি আরো মজা করে যোগ করেন, ‘কামিয়ে বড় হওয়া ডাড়ি নিয়ে স্টেজে লাফালে কি হয়!’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে অনেক বছর হয়েছে বিরতি নিয়ে, এবার গান থেকে বিরতি নেওয়ার সময় হয়েছে। এই রাতটি আপনাদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, হয়তো আর দেখা হবে না মেলবোর্নে, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের ভালোবাসবো ও মনে রাখবো।’ তাহসানের এর পরিপ্রেক্ষিতে তার সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘ ২৫ বছরের পথচলা তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গঠন করে তার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। তবে তিনি বেশি দিন ওই ব্যান্ডের সঙ্গে থাকেননি। ২০০৪ সালে ব্যান্ড থেকে বেরিয়ে একক ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন। তার অ্যালবামগুলো যেমন ‘কথোপকথন’, ‘কৃতদাসের নির্বাণ’, ও ‘ইচ্ছে’ খুবই জনপ্রিয়। মোট সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তার। তার গাওয়া অসংখ্য হিট গান মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ও ‘কে তুমি’। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েক বছর ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’-এর সঙ্গে পারফর্ম করেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি অভিনয় ক্ষেত্রেও জনপ্রিয়। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট এবং সিনেমায় তার উপস্থিতি বেশ প্রশংসিত। তবে কিছু বছর ধরে তিনি অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মাধ্যমে তিনি দুই বছরের বিরতির পর ফের চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন। এছাড়াও তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজন উপস্থাপনা করেন। গত বছর তিনি কণ্ঠনালির সমস্যার কথা প্রকাশ করেন। জানায়, ছয় বছর ধরে তিনি কণ্ঠনালির জটিলতায় ভুগছেন। তার ভোকাল কর্ডে এক ধরনের রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সালে শুরু হয়। এই সমস্যা থাকায় তিনি এখন আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে গান গাইতে পারেন না। তার ভয়, হয়তো আর গায়তে পারবেন না। এই পরিস্থিতিতে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন করছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ধীরে ধীরে তার গানের ধারা কমে আসছে। ভক্তরা তার এই পরিস্থিতি বুঝে দোয়া ও সমর্থন করবেন, এটাই তার প্রত্যাশা। তিনি আশাবাদী, এই সমস্যার কারণে যদি কনসার্ট বা লাইভ পারফর্মেন্স কমে যায়, তবে তিনি তার ভক্তদের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ থাকবেন ও চিরকাল মনে রাখবেন।

  • চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    দেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যা নিয়ে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তাঁর চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।’

    ইস্পাহানি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিশুদ্ধ ও সৎ মানুষ। আপনার সুস্থতার জন্য আমরা সবাই দোয়া করছি।’

    অভিনেতা ও নির্মাতারা এই পোস্টে মন্তব্য করে দেলোয়ার ঝন্টুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা প্রকাশ করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসপাতালে বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন দেলোয়ার ঝন্টু। তাঁর বয়স অাশ্রয় করে ৪০ বছরের বেশি দীর্ঘ সময় ধরে তিনি চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত। শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণের এই গুণী মানুষটি তার ক্যারিয়ারে বহু সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

    তিনি প্রথম পরিচালনা করেন ‘লিডার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর নির্মাণ করেন ‘বন্দুক’, যা তার পরিচালনার জগতে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক। এর পাশাপাশি তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ সহ আরও অনেক অসাধারণ ছবি। তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় নিজের আলাদা পরিচিতি ও স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

  • পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের ওপর যেন একেবারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ‘দাবাং’ খ্যাত নির্মাতা অভিনব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি সালমান খান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। এবারও তিনি এই বিষয়ে অপ্রতিরোধ্য কড়াকড়ি ভাষায় কথা বললেন।

    অভিনব কাশ্যপের দাবি, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের সেরা চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন, যা অপ্রত্যাশিত নয়।

    এরপরই তিনি সালমান খানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান খানও তার বাবার মতোই প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। সালমান হল নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপথে বড় হয়েছেন, তাই এই ধরনের অশোভন রুচি!’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অসাধারণ অভিনয় দেখে সালমানের হিংসা বোধ হয়।

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ও রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি সম্প্রতি একটি প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যuints পারে। এটাই তার মুখোমুখি ক্ষোভের মূল কারণ।

  • হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    হাসপাতালে ভর্তি পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চোখের সমস্যায় ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন তার দungsোকার নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ইস্পাহানি লিখেছেন, “দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তার চোখের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।” এই পোস্টের মন্তব্যে অনেক দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে নানা ব্যক্তিত্ব লেখেন, যার মধ্যে ঢাকাই সিনেমার খল অভিনেতা মিশা সওদাগরও উল্লেখ করেছেন, “অনেক দোয়া।” অনেকে তার সুস্থতা ও জান্তার জন্য শুভকামনা ব্যক্ত করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসাপাতালের বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন ডেলোয়ার ঝন্টু। তিনি দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তার পরিচালনায় প্রথম আলোচিত চলচ্চিত্র ছিল “বন্দুক,” যার মাধ্যমে তিনি পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে “শিমুল পারুল,” “প্রেমগীত,” “হারানো প্রেম,” “ঝিনুকমালার প্রেম,” “বউমা,” “সকাল-সন্ধ্যা,” “পালকি,” “জজ ব্যারিস্টার,” “মুজাহিদ,” এবং “হাতি আমার সাথী”।

    দেলোয়ার জাহান ঝন্টু তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। আমরা সবাই তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি।