Category: বিনোদন

  • গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    গোপনে বাগদান সারলেন রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা অবশেষে তাদের দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে যে, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধবের উপস্থিতিতে গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) একান্তই পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, এই সম্পর্কে তারা এখনো কোনো ব্যাপারে সরাসরি ঘোষণা দেননি।

    তবে জানা গেছে, এই প্রেমের সম্পর্কের এই শুভ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের আগামী পরিকল্পনা রয়েছে, যা হলো ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহের প্রস্তুতি নেওয়া।

    ভক্তদের মধ্যে এই খবরের আনন্দ ও উত্তেজনা ইতিমধ্যে তুঙ্গে উঠেছে। এরই মধ্যে রাশমিকা মান্দানা একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছেন। দশেরার দিনে তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাকে কপালে তিলক পরা একটি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘শুভ দশেরা প্রিয়জন… এই বছর আমি অনেক কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনারা যে ভালবাসা দেখাচ্ছেন, তা আমার জন্য খুবই প্রেরণাবহ। আপনারা যে ধরনের শুভেচ্ছা, উত্তেজনা এবং সমর্থন দিচ্ছেন, তা আমার প্রতিটা মুহূর্তকে আরও বড় ও আনন্দময় করে তোলে। শিগগিরই সিনেমা প্রচারে আসছি, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    এই পোস্ট থেকে বোঝা যায় যে, অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটে যাওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে ভক্তদের মনে।

    রাশমিকা মান্দানাকে পরবর্তী ছবি ‘তাম্মা’ তে দেখা যাবে, যেখানে তিনি পরিচালকের দৃষ্টিতে উপস্থাপন করেছেন ভৌতিক-কমেডি ধরনের এই চলচ্চিত্র। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী ও পরেশ রাওয়ালসহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেতা এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ২১ অক্টোবর।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তান্নানুরির পরিচালনায় তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার ‘কিংডম’ (২০২৫) সিনেমায়।

  • পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    পরীমনি: প্রেমিক নয়, শেখ সাদী আমার ছোট ভাই

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির জীবন ঘিরে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন যেন শেষ হওয়ার নাম নেয় না। একের পর এক সম্পর্কের খবর, আলোচনা ও সমালোচনার মাঝে তিনি নিজের মতো করে জীবন চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তিনি তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।

    বছরের শুরুর দিকে তরুণ গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এমনকি এক সময় আদালতেও একসঙ্গে দেখা যায় তাদের দুজনকে। শেখ সাদী তখন পরীমনির জামিনদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় তাদের একসঙ্গে দেখা যায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমান্টিক পোস্টে সেই গুঞ্জন আরো জোরদার হয়। তবে এসব সম্পর্ক বেশিক্ষণ টিকেনি। এপ্রিলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়, তাদের সম্পর্ক শেষ হয়েছে।

    তীব্র গুঞ্জনের মধ্যেও কেউই এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি। এবার পরীমনি নিজেই এই নীরবতা ভাঙলেন। একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান চলাকালে যখন উপস্থাপক প্রশ্ন করেন, ‘শেখ সাদী কি আপনার প্রেমিক?’ তখন তিনি হেসে জবাব দিয়েছেন, ‘ও আমার ছোট ভাই। ও আমার ছোট ভাইয়ের মতো।’

    পূর্ববর্তী এক সাক্ষাৎকারে পরীমনি বলেছিলেন, ‘বিপদের সময় যে পাশে থাকে, সে আসল জীবনের জন্য আশীর্বাদ। আমি এই জীবনে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী পেয়েছি, যারা আমার সুখ-দুঃখের গল্প শেেয়ার করে মানসিকভাবে ভালো থাকি।’

    অন্যদিকে, শেখ সাদী বলেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে শিল্পে কাজ করছি। পরীমনির মধ্যে অনেক ইতিবাচক গুণ রয়েছে। বিপদ-আপদে তিনি মানুষের পাশে থাকেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি সবসময়।’

    অনুষ্ঠানে যখন পরীমনিকে প্রশ্ন করা হয়, ‘আপনি কি এখন সিঙ্গেল?’ তিনি উত্তরে বলেন, ‘না।’ এরপর যোগ করেন, ‘শোনেন, আমি যদি নিজেকে সিঙ্গেল বলি, কেউ বিশ্বাস করবে না। আমি নিজে এটা বিশ্বাস করি না। আমার মন এখনও প্রেম প্রেম করে ভরপূর, এটা থাকা উচিত।’

    প্রেমের পর বিয়ের বিষয়টিও ওঠে আসে। সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি মোট কতবার বিয়ে করেছো?’ পরীমনি জানান, ‘একবার।’ তখন সঞ্চালক বলেন, ‘শরীফুল রাজের কথা বলছেন, তারপর শুনি অন্যান্য বিয়ের কথা?’ তিনি হেসে জবাব দেন, ‘জানি না। ওরা মনে হয় সৎস্বামী, যাদের সাথে ডিভোর্স হয়নি। ’

    পূর্বে তার খালাতো ভাই ইসমাইলের বিষয়েও গুঞ্জন উঠেছিল, যিনি তার শোবিজে পথচলার সঙ্গী ছিলেন। বলা হয়, তিনি তার সঙ্গে বিয়েও করেছিলেন। গত বছর নভেম্বরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ইসমাইলের মৃত্যু এই গুঞ্জন আরও বাড়িয়ে দেয়। সঞ্চালক জানতে চান, ‘ইসমাইল কি তোমার স্বামী ছিলেন?’ পরীমনি বিনা দ্বিধায় উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, তিনি আমার সৎস্বামী ছিলেন।’

    সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে সঞ্চালক মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কতবার বিয়ে করতে চাও?’ পরীমনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমার ইচ্ছে আছে রাজি হয়ে ১২টি বিয়ে করার। ছোটবেলা থেকেই এ গল্প বলতাম যে, আমি এক ডজন বিয়ে করব। এরকম রিউমার যাতে সত্যি হয়, সেটা আমি বুঝতে পারিনি। আগে বলতাম, এখন আর বলছি না।’

    দশ বছরের বেশি সময় ধরে ঢালিউডে কাজ করছেন পরীমনি। তার অভিনয় যেমন আলোচনায় থাকেন, তেমনি কখনো কখনো তার ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের গল্প নিয়েও বেশ আলোচিত হন তিনি। শোবিজে তার প্রেমের সম্পর্কের বিষয়েও নানা আলোচনায় উঠে আসে, যেমন তার শরীফুল রাজের সাথে প্রেম ও বিয়ের খবর। তবে সেই সম্পর্কও স্থায়ী হয়নি। এরপর সিয়াম আহমেদের সঙ্গেও তার প্রেমের গুঞ্জন শোনা গেল, যদিও তিনি সবসময় তা অস্বীকার করেছেন।

  • নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    নুসরাত ফারিয়া স্ক্রিনশট ফাঁস করে বললেন, ‘এটা সম্পূর্ণ প্রতারণা’

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি ভয়ংকর এক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। কেউ তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ভুয়া প্রোফাইল তৈরি করে মানুষের কাছ থেকে টাকা চাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা এতটাই গুরুতর যে, এটি শুধু সাধারণ প্রতারণা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রতারণার মারাত্মক কৌশল।

    সোমবার দুপুরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সেই ভুয়া প্রোফাইলের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সকলকে সতর্ক করেছেন নুসরাত ফারিয়া। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘কেউ আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া নম্বর দিয়ে মানুষকে টাকা দাবি করছে, যা সম্পূর্ণই প্রতারণা। এর সঙ্গে আমি সম্পৃক্ত নই।’

    অভিনেত্রী তার ভক্ত ও সাধারণ দর্শকদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘দয়া করে ভুয়া প্রোফাইলটির কোন পোস্টে কমেন্ট করবেন না বা কেউ যদি টাকা চান, তবে তা বিশ্বাস করবেন না এবং দ্রুত রিপোর্ট করুন।’

    বিনোদন অঙ্গনে এমন ভুয়া আইডি, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের খবর নতুন নয়। এটি মাঝেমাঝেই শোনা যায় এবং অভিনেতারা এর শিকার হন। এবার নুসরাত ফারিয়া নিজেও এই ধরনের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। তার এই সতর্কবার্তা সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

    আগের বছরেই অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা ও বরেণ্য চিত্রনায়ক আলমগীরও ভুয়া আইডির শিকার হয়েছিলেন। আলমগীরের ক্ষেত্রে তার মেয়ে আঁখি আলমগীর সতর্ক করেছিলেন, আর প্রভা নিজেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। এই ঘটনাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে বোঝা যায়, জনপ্রিয় তারকাদের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্টের বাতাবরণ অনেক সময়ই ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।

  • অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধন জানালেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তিনি রাজপথে নেমেছিলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতার নিদর্শন হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি সক্রিয় থাকেন, বিভিন্ন বর্তমান ইস্যু নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করে থাকেন। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্যর্থতার কথায় সবাইকে আশ্চর্য করে দেন।

    রবিবার নিজের ফেসবুক পেজে বাঁধন লিখেছেন, ‘আমি এমন একজন নারী হতে চেয়েছিলাম, যা সবাইকে খুশি রাখতে পারে— একনিষ্ঠ, বাধ্য, শান্তভাবে মানিয়ে নিতে শেখানো। কিন্তু আমি তা হয়ে উঠতে পারিনি। আমি চেষ্টা করেছিলাম, সত্যিই করেছি। পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে এবং সমাজের উদ্ভাবিত নারী চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য। কিন্তু আমি আমার এই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আজ আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি অন্য কারও নিয়মে জীবন কাটানোর জন্য জন্মায়নি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ না, তবে নির্মমও নয়। আমি কাউকে আঘাত দিই না, তাদের অসম্মানও করি না— যদিও অনেকেই আমার প্রতি আগ্রহ দেখায় বা দুর্ব্যবহার করে।’

    চলতি মাসের শেষে বাঁধনের জন্মদিন। এই বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর এসে আমি আমার সঙ্গে শান্তি পেয়েছি। এখন আমি নিজের মতো জীবন যাপন করি— স্বাধীনভাবে, সৎভাবে, কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা না করে। যদি কেউ এতে কষ্ট পায়, কেউ আমাকে উপেক্ষা করুন, ব্লক করুন বা ঘৃণা করুন, আমি তাতে কিছু মনে করি না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তি দিয়েছি, তাদের পাশাপাশি অনেকের ভালোবাসা, বোঝাপড়া ও সমর্থন আছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    সর্বশেষ, তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু এক পৃথিবীর কাছে অস্বস্তিকর, যেখানে এখনও আসল নারীদের ভয় করে। তোমাকে ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলে, শেষ পর্যন্ত ঠিক সেটাই হয়েছো।’

  • বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    প্রখ্যাত ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে দেশের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এবার তার ব্যান্ডের সদস্য এবং প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী অভিযোগ করেছেন, জুবিনকে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও ইভেন্ট ম্যানেজার.sh্যামকানু মহন্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিমান্ডের নোটে গোস্বামী দাবি করেছেন, জুবিনের মৃত্যু ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা ছিল যাতে এটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানো যায়। এজন্য সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ৫২ বছর বয়সি জুবিন গার্গ ভারতীয় ও আঞ্চলিক পর্যটন উদযাপনের সময় ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আরেকটি দ্বীপের কাছাকাছি সাঁতার কাটার সময় ডুবে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    রিমান্ডের বরাতে নিউজ ১৮ জানিয়েছে, মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী গুরুতর কিছু অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলছেন, যখন জুবিনের মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল, তখন তার ম্যানেজার শর্মাকে চিৎকার করে বলতে শুনেছেন, “যাব দে, যাব দে”। তখন শর্মা কোনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না করে কেবল বলেছিলেন এটি ‘অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স’। সাক্ষীরা মনে করছেন, এই অবহেলা জুবিনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    গোস্বামী আরও দাবি করেছেন, জুবিন একজন দক্ষ সাঁতারু ছিলেন, ফলে স্বাভাবিকভাবে ডুবে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। তিনি আরও বলেছেন, শর্মা কিছু ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করতে বারণ করেছিলেন যাতে ইয়টের দুর্ঘটনার প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যায়।

    বর্তমানে এই ঘটনায় মোট চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ইভেন্ট ম্যানেজার শ্যামকানু মহন্ত, ব্যান্ডের একজন সদস্য ও প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং আরেকজন সহশিল্পী রয়েছেন।

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান তার অভিনয় দিয়ে সবসময় দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। সিনেমা আর নাটকে তার উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে খুবই প্রশংসিত। সম্প্রতি তার এক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গত বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিনে তিনি কপালে সিঁদুর তিলক দিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ এই ছবিটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং সেটি নিয়ে মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়। অনেক নেটিজেন সেখানে তার ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বিদ্রুপমূলক মন্তব্য করে, যেমন—‘মুসলমান ভেবে ভুল করেছি’, ‘আপনি এতদিন মুসলিম ভেবেছি নাটকগুলোও তাই ভাল লাগতো’, ‘তাহলে এখন থেকে আর দেখব না আপনার নাটক’। এই ধরনের অসংখ্য কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যে ভরপুর হয় তার পোস্ট। এমন পরিস্থিতি বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের জন্য সহজ নয়। তারা এসব দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সমালোচকদের ঠেসে ধরেন। তার মধ্যে অন্যতম আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও আরশ খান। মেহজাবীন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কারো পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা কিংবা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী না করে বরং আপনার মানসিকতার গভীরতা প্রকাশ করে। এই ঘৃণা ও অহেতুক বিদ্বেষ কীভাবে আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্য দিকে, অভিনেতা আরশ খান বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের অন্যতম একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্বই তার পরিচয়। তিনি তার ধর্ম বা কোন অঞ্চলের মানুষ হিসেবে পরিচিত নন। তিনি শুধুমাত্র তার শিল্পকর্মের মাধ্যমে এইদেশের মানুষ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্ম তো সবারই, দেশ সবার।’ এই বিভাজনকে অতিক্রম করে ইয়াশ রোহান মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও মানসিকতায় এগিয়ে থাকেন। তার মন্তব্যের ঘরে কটাক্ষের জবাবেও সরলতা ও শ্রদ্ধার ছাপ দেখা গেছে। তবে সব প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক নয়, কিছু মানুষ তার জন্য ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আজকে জেনেছি যে রোহান ভাই হিন্দু। ভাল লেগেছে, ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ আরেকজন বলেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।’ ইয়াশ রোহান বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর ছেলে। তিনি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমার জগতে পা রাখেন। তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় তারকা ও শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    প্রয়াত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে এক হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। নিউইয়র্কে ক্যানসারের চিকিৎসার সময়ে লেখক এই বইটি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি তার মানসিক দুর্বলতা এবং বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা তুলে ধরেছেন।

    রোববার, ৫ অক্টোবর, নিজের ফেসবুক পেজে শাওন প্রকাশ করেছেন কিভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদ অসুস্থতার সময় কিছু বিদ্রুপ মন্তব্যের শিকার হয়েছিলেন। একজন ব্যক্তি লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী কম্পিউটারে বসে ফেসবুকে দেখছিলেন, চোখে অশ্রু জমে রয়েছে। তিনি জানতে চান সমস্যা কী। স্বামী বলেন, মন খারাপ, কিছু বলতে চান না। পরে শাওন জানতে পারেন, ফেসবুকে একজন ব্যক্তির দেওয়া মন্তব্যে তার মন আঘাতপ্রাপ্ত। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’ এমন মন্তব্য শাওনের মেয়ের মৃত্যুর সময়ও বহু মানুষের কাছ থেকে এসেছিল। তাদের একটিতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে।’ এই ধরণের কথা শুনে শাওন ভেঙে পড়লেও, তার স্ত্রী তাকে সাহস দেন এবং বলেন, ‘আমরা মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষকে বুঝতে পারি। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তোমার জন্য বিশ্বাস রাখো, অসংখ্য মানুষ তোমাকে ভালোবাসে ও শুভকামনা করে।’

    শাওনের লেখা অনুযায়ী, এক পর্যায়ে তিনি এই বোধের উন্নতি করেন যে, এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সাধারণ মানুষের হয়তো অপ্রাপ্তি বা মানসিক অস্থিরতার ফল। তিনি বলেন, কেবল ইতিবাচক মানুষকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একবার তিনি দেখলেন একজন ব্যক্তি কাবা শরিফ থেকে এসেছেন এবং বললেন, ‘আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি।’ এরপরই তিনি জানতে পারলেন, এই ব্যক্তি তার জন্য শুভকামনা জানিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই তিনি হাসি হাসতে শিক্ষিত হন।

    অতসার জীবনে হুমায়ূন আহমেদ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে দেখেছেন, যারা বিকৃত মানসিকতার শিকার। তার একটি অভিজ্ঞতাও তিনি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তখন গেটের সামনে এক যুবক হঠাৎ হঠাৎ বলে উঠল, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথা শুনে তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা কেন?’ ওই যুবক জবাবে বলল, ‘কারণ কারোর সাহস নেই আপনাকে সরাসরি এসব বলতে। সবাই আপনার পিছনে চামচা’। সেই সময় একটি ইংরেজি কথাও বললেন যুবক, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ (আমি চাই আপনি শিগগির মারা যান)। এর উত্তরে হুমায়ূন বলেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও meaning-full হবে।’ এই ঘটনা বর্তমান সমাজে বিকৃত মানসিকতার মানুষের বেড়ে ওঠার দিকটি ফুটিয়ে তোলে।

  • অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। তিনি সরব হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি এখনও উঠে আসা বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি নিজের মনোকথাও শেয়ার করেন। হঠাৎ করে তিনি জানালেন, তিনি সত্যিই ব্যর্থ হয়েছেন।

    রোববার তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়ের স্বপ্ন দেখতাম, যে সবাইকে খুশি করতে পারে— যে অনুগত, বাধ্য এবং শান্তিপূর্ণভাবে সব কিছু মানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আমি সেই ধরণের মানুষ হতে পারিনি। আমি চেষ্টা করছিলাম, পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হওয়ার, সমাজের তৈরি ‘নারী’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে। তবে আমি ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি কারও নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মিনি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত দেই না বা অসম্মান করি না, যদিও কেউ আমার প্রতি তা করে।’

    অভিনেত্রীর কথায়, এই মাসের শেষের দিকে তার জন্মদিন। তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর আমি নিজের সঙ্গে শান্তিতে আছি। এখন আমি নিজের মতো করে বাঁচি— স্বাধীনভাবে, সত্যি বলি, কোন ক্ষমাপ্রার্থনা না করেই। যদি কেউ এটা পছন্দ না করে, উপেক্ষা করুক, ব্লক করুক বা ঘৃণা করুক— আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তিতে ফেলি, তাদের পাশাপাশি আমার অনেক ভালোবাসে, বোঝে এবং আমার সত্যে শক্তি খুঁজে পায়। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু সেই পৃথিবীর বিরুদ্ধে আছি, যেখানে এখনো আসল নারীকে ভয় করে। তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলে, শেষ পর্যন্ত সেই নারীই হয়ে উঠেছো।’

  • রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী রুশমিকা মান্দানা এবং জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বহু বছরের প্রেমের সম্পর্কের সম্পর্কে নতুন একটি পরিধি যোগ করলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, এই আবেগময় ঘটনার সময়ে তাঁদের পরিবারের নিকটজন এবং কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান সারেন তারা। তবে এখনো দম্পতি নিজ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।

    আনুমানিক সংবাদ অনুযায়ী, এই প্রেমের জুটি আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ভক্তরা এই সংবাদে বেশ উচ্ছসিত ও উত্তেজিত হয়ে উঠছেন, কারণ এই সম্পর্কের দীর্ঘ দিনের গুঞ্জন বেশ দিন ধরেই চলছিল।

    সম্প্রতি রুশমিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে এই জল্পনাকে নতুন করে জোরদার করেছেন। দোলের দিন তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে, কপালে তিলক লাগানো একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবি ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ দোলার প্রিয়জন… এই বছর আমি সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনি যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেটা আমার জন্য অনেক বড় উৎসাহের। আপনারা যে উত্তেজনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছেন, তা আমার কাজের অভিগমন আরও উজ্জ্বল করে তোলে। খুব শিগগিরই সিনেমার প্রচার শুরু হবে, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছে অনুরাগীরা।

    শিল্পী হিসেবে রুশমিকা মান্দানাকে দেখা যাবে পরিচালক আদিত্য সারপোতদার পরিচালিত ভৌতিক-কমেডি ছবি “তাম্মা”য়। এটিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। এই ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, পরেশ রাওয়ালসহ অন্যরা। ছবিটি ২১ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তিন্নানুরির তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার “কিংডম” (২০২৫) ছবিতে।

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের শিকার, নেটিজেনদের সমালোচনায় সরব মেহজাবীন ও আরশ খান

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের শিকার, নেটিজেনদের সমালোচনায় সরব মেহজাবীন ও আরশ খান

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান সবাইকে মুগ্ধ করে আসছেন সিনেমা ও নাটক উভয় ক্ষেত্রেই। তার অভিনয় দক্ষতা ও অভিনয়শৈলী দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সম্প্রতি তার একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিন, কপালে সিঁদুর, তিলক লাগিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়। তবে এর পর থেকে নেটিজেনদের একাংশ তার ধর্ম সম্পর্কে নানা কটূক্তি ও বিদ্রুপ মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘মুসলমান ভেবে ভুল করে ছিলাম!’, ‘আপনার নাটক আজ থেকে আর দেখা হবে না। কারণ আগে ভেবেছিলাম আপনি মুসলিম।’ এ ধরনের অহেতুক নেতিবাচক মন্তব্যে কিছু নেটিজেন মন খারাপ করেছেন, যাকে নিয়ে সরব হয়েছেন ব্যস্ত বিনোদন অঙ্গনের তারকারা। কোণঠাসা হয়ে দাঁড়িয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও অভিনেতা আরশ খান। মেহজাবীন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘কারও পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা বা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী করে তোলে না। বরং এটা আপনার মানসিকতার অবনতি ও ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা প্রকাশ করে। এমন ঘৃণা ও অবজ্ঞা নিয়ে আপনি কীভাবে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্যদিকে, আরশ খান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্ব উভয়ই আমাকে প্রশংসা করেছে। তিনি তার ধর্ম বা জন্মস্থান দ্বারা কোনও ভাবে অপ্রকাশিত। বরং নিজস্ব প্রতাপ ও দক্ষতা দিয়ে তিনি দেশের মানুষকে এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্মের ব্যাপারটি মানুষের ব্যক্তিগত বিষয়, দেশের জন্য সব মানুষই সমান।’ ইয়াশ রোহান ধর্মীয় বিভাজন টপকে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও স্বাভাবিক মানুষ। তার মন্তব্যে কটূক্তির জবাবেও তার সহজ ও সদাহাস্য পদচারণা চোখে পড়ে। তবে সবমিলিয়ে, নেতিবাচক মন্তব্যের সাথে সঙ্গে ভালোবাসাও পেয়েছেন এই তরুণ অভিনেতা। একজন লিখেছেন, ‘আজ বুঝলাম রোহান ভাই হিন্দু। ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখলে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কত নিচে নেমে গেছে।’ ইয়াশ রোহান অনন্তপরিবারের বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর সন্তান। তাঁকে প্রথম বড়পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যায় গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে। শোবিজে তার এই যাত্রা শুরু।