Category: বিনোদন

  • সম্পত্তির অমূল্য খাতি রেখে গেলেন ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী কিছুই পাবেন না!

    সম্পত্তির অমূল্য খাতি রেখে গেলেন ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী কিছুই পাবেন না!

    দীর্ঘ চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে “দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে” সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক করেছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল। ১৯৬০ সালে মুক্তি পাওয়া তার এই প্রথম সিনেমার জন্য তিনি মাত্র ৫১ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন, যা তখনকার জন্য খুবই কম। বলিউডে তার পথচলা সহজ ছিল না; প্রথমে কিছু ছবিতে ব্যর্থতার পাশাপাশি দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল সফলতার জন্য।

    ১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফুল অর পাত্থর’ সিনেমায় তার অসাধারণ অভিনয় তাকে ঝড় তুলিয়ে দেয় বলিউডে। এই ছবিতে তিনি ‘হি-ম্যান’ উপাধি পান, যা আজও তার কিংবদন্তির প্রতীক। ছয় দশকের বেশি সময় ধরে বলিউডে একক রাজত্ব করেছেন তিনি। মৃত্যুর পর এখন তার সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আমরা জানব তার কত সম্পদ রেখে গেছেন তার সন্তানদের জন্য।

    ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী এই অভিনেতার স্থাবর-অস্থাবর মিলে সম্পদের পরিমাণ বেশ বিপুল, আনুমানিক ৫০০ কোটি রুপির বেশিই। তার আয়ের মাধ্যমে প্রধান অবদান ছিল তার অভিনয় ক্যারিয়ার, পাশাপাশি তিনি কিছু সফল সিনেমার প্রযোজনা করেছেন। এছাড়া বিজ্ঞাপন, রেস্টুরেন্ট ব্যবসা ও অন্যান্য নানা সূত্রে আয় তিনি অর্জন করেছিলেন।

    মুম্বাইয়ের লোনাভলা অঞ্চলে রয়েছে তার ১০০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি বিলাসবহুল ফার্মহাউস। এতে রয়েছে সুইমিং পুল, থেরাপি সেন্টার এবং মনোরম বড় বড় বাগান। বর্তমানে এই ফার্মহাউসের বাজার মূল্য আনুমানিক ১২০ কোটি টাকা।

    তার আরও বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে বাড়ি-জমিসহ মোট ১৭ কোটি টাকার সম্পত্তি। তদ্ব্যতীত, কৃষি জমি ও পরিত্যক্ত জমির মূল্য প্রায় ১.৪ কোটি টাকা।

    এছাড়াও তার সংগ্রহে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি যেমন মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, মার্সিডিজ বেঞ্জ SL500 আর ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভারের মতো।

    বলা হয়, তার কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির কিছু অংশও তিনি পাবেন না তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। কারণ, প্রথম স্ত্রী প্রাকাশ কৌরকে ডিভোর্স না দিয়ে অন্য মহিলা হেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ধর্মেন্দ্র। সেই বিবাহ হিন্দু বৈধতা পায়নি বলে জানানো হয়। তবে তার দুই কন্যা, এষা আর অহনা, উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার বিশাল সম্পত্তির ভাগ পাবেন।

  • অপমানে সাহসী ফাতিমার মাথায় উঠল মিস ইউনিভার্সের মুকুট

    অপমানে সাহসী ফাতিমার মাথায় উঠল মিস ইউনিভার্সের মুকুট

    থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’ প্রতিযোগিতা। এ বছর এই আসরে সবকিছু মাতিয়েছে মেক্সিকোর প্রতিযোগী ফাতিমা বশের সাহসিকতা ও আত্মবিশ্বাস। কয়েক দিন আগে, আয়োজকদের অশালীন মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি স্পষ্টভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি কোনো পুতুল নই।’ তার এই সাহসিকতা.Responseed প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী ও সামাজের মানসিকতার বিরুদ্ধে এক বিশাল বার্তা। অবশেষে, সেই ফাতিমাই জিতেছেন বিশ্বের সবচেয়ে престижিত সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার শিরোপা।

    ২১ নভেম্বর সকালে ব্যাংককের আইকনিক মঞ্চে শুরু হয় এই বৃহৎ গ্র্যান্ড ফাইনাল। এই ফাইনালে অংশগ্রহণ করে থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভেনেজুয়েলা ও আইভরি কোস্টের সুন্দরীরা। বিচারকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তরে ফাতিমা আত্মবিশ্বাসের সাথে তার মতামত ব্যক্ত করে অন্য প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যান।

    প্রতিযোগিতার কয়েক দিন আগে, আয়োজক নাওয়াত ইৎসারাগ্রিসিলের কাছ থেকে অপমানজনক মন্তব্য শুনে ক্ষোভে ফেটেছিলেন ফাতিমা। তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের অংশগ্রহণ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই দৃঢ় সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার ঝড় ওঠে। বন্ধুপ্রতিবন্ধী সহ-প্রতিযোগীরা ও নেটিজেনদের সমর্থনে তিনি চিহ্নিত হন একজন ‘ভয়হীন নারী’ হিসেবে।

    ফাইনালের মঞ্চে, বিশেষ করে নারী অধিকার, সম্মান ও নেতৃত্ব বিষয়ে তার উত্তর ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী ও স্পষ্ট। তার এই আত্মবিশ্বাসের উত্তর দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলতে সক্ষম হয়। এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, প্রতিবাদ সাহস নয় শুধু, সেটি জয়ের পাথেও নেতৃত্ব দেয়।

    এ বছর প্রধান দ্বিতীয় স্থান লাভ করেন মিস থাইল্যান্ড। আর সেই সাহসী তরুণী, ২৬ বছর বয়সী ফাতিমা বশের মাথায় উঠল বহুল কাঙ্ক্ষিত মিস ইউনিভার্সের মুকুট। এটি মেক্সিকোর জন্য চতুর্থবারের মতো এই শিরোপা জয়ের ইতিহাস।

  • মাহিয়া মাহির আবেগী পোস্ট: আমার রূহ ভারতে, আমি আমেরিকায়

    মাহিয়া মাহির আবেগী পোস্ট: আমার রূহ ভারতে, আমি আমেরিকায়

    সিনেমার পরিমাণে অনিয়মিত হলেও সামাজিক মাধ্যমে অত্যন্ত নিয়মিত মাহিয়া মাহি। তিনি বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওশেয়ার করে নিজেকে প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তিনি একটি পোস্টে জানান, তাঁর মন এখন ভারতে রয়েছে। ফেসবুকে তিনি কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন যেখানে দেখা যায় ওভার কোটে মোড়ানো এই সুন্দরীর অবয়ব। ক্যাপশনে লিখেছেন, “আমার রূহটা ইন্ডিয়ায়, আর আমি আমেরিকায়।” তবে কী কারণে তিনি এই ধরনের পোস্ট দিলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানিয়েছেন না মাহি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তার এই পোস্ট সম্ভবত তার স্বামী রাকিব সরকারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য।এমনকি এখন তিনি মনে করা হচ্ছে ভারতে থাকতে পারেন। কারণ, রাকিব সরকার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা একজন ব্যক্তি, যিনি ৫ আগস্টের পর থেকে অনেকের মতো এখন ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। সরকার পতনের পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া না গেলেও, ধারণা করা হয় তিনি ভারতে আছেন। এ পরিস্থিতিতে মাহির এই পোস্টের মাধ্যমে হয়তো তিনি তার স্বামীর সঙ্গে দূরত্বের বেদনা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ করছেন। মাহিয়া মাহি দীর্ঘ দিন সিনেমায় সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তিনি ব্যক্তিজীবনকেই বেশি গুরুত্ব দেন। কিছুদিন আগে রাকিব সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি খবরের শিরোনামে আসে। সম্প্রতি জায়েদ খানের এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন মাহি, যেখানে তিনি কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলেছিলেন। এবার তিনি আবার এই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা_cfg করে দিলেন।

  • সিনেমা বানিয়ে এত টাকা পাননি, ইউটিউবে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    সিনেমা বানিয়ে এত টাকা পাননি, ইউটিউবে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি ইউটিউব ভ্লগিং থেকে বিপুল পরিমাণে অর্থ অর্জন করছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ইউটিউব থেকে তাঁর আয় সিনেমা পরিচালনার মাধ্যমে এক বছরে উপার্জিত অর্থের চেয়েও বেশি।

    ফারাহ খানের ইউটিউব চ্যানেলে বেশিরভাগ ভিডিও তাঁর বাবুর্চি দিলীপের সঙ্গে রান্নার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে থাকে, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মূলত তিনি শুরুতেই এই চ্যানেলকে খাদ্য ও রন্ধনশিল্প বিষয়ক শো হিসেবে গড়েছেন।

    অভিনেত্রী সোহা আলী খানকে নিয়ে এক পডকাস্টে ফারাহ খানের বলেন, তাঁর টিমের অনুরোধে তিনি ইউটিউব চালু করেন। তিনি বলেন, ‘আমার এক বছরেও এত টাকা উপার্জন করিনি, যতটা এই এক বছরে আয় করেছি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি আমার নিজের চ্যানেল, তাই কেউই আমাকে বলতে পারে না যে কোন কনটেন্ট কাটাতে হবে বা কোন অতিথিকে আনতে হবে। আমি চাই সকলের মধ্যে সমতা থাকুক, ভেদাভেদ যেন না ফুটে ওঠে।’

    ফারাহ খানের এই জনপ্রিয়তা ও বিপুল সাবস্ক্রাইবারের জন্য তিনি ইউটিউবের সিলভার প্লে বোতাম অর্জন করেছেন।

    ২০১৩ সালে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার পরে তিনি আর কোন সিনেমা পরিচালনা করেননি। তবে কেন তিনি এবার কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন, সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে তিনি ইউটিউব চ্যানেল চালু করেন। তাঁর এই উদ্যোগ দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে তাঁর ইউটিউবে প্রায় ৩০ লাখ (তিন মিলিয়ন) সাবস্ক্রাইবার রয়েছে এবং ইনস্টাগ্রামে ৪.৫ মিলিয়ন (৪৫ লাখ) ফলোয়ার।

    একটি টকশোতে ৬০ বছর বয়সী ফারাহ খানের বলেছিলেন, ‘যখন আমার সিনেমার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তখন আমি ভাবলাম, ইউটিউব শুরু করি। কারণ আমি আয় নিয়ে খুব সচেতন ছিলাম। আমার তিন সন্তান আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে—এটি খুবই ব্যয়বহুল। তাই আমি মজার ছলে এই চ্যানেলটি শুরু করলাম, আর সেটি জনপ্রিয়তা পেল।’

    প্রসঙ্গত, ফারাহ খানের জীবনযাত্রা ও ক্যারিয়ার নিয়ে তাঁর ট্রিপলেট সন্তান সিজার, অন্ন ও দিবারের সঙ্গে শিরোনামে রয়েছে। তিনি ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘তিস মার খান’ এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।

  • নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

    নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

    প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই। মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা গাজী মাহবুব ও অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

    অভিনেত্রী মুক্তি তার সামাজিক media পোস্টে লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, চলে গেলেন আমার প্রিয় ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক শেখ নজরুল ইসলাম মামা।’ সম্প্রতি, ১৬ নভেম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মুক্তি জানিয়েছিলেন that শেখ নজরুল অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তখন তিনি মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তড়িঘড়ি করে ইবনে সিনা হাসপাতালে আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। শেষ পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    শেখ নজরুল ইসলাম ১৯৩৫ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের কালিগঞ্জ থানার পিপরুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে Einstieg করেন। এর পরে, তিনি নির্মাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং জহির রায়হান ও খান আতাউর রহমানের সাথে কাজ করেছেন। তার প্রথম পরিচালিত সিনেমা ছিল ‘চাবুক’, যা ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়।

    তাঁর উল্লেখযোগ্য নির্মিত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নদের চাঁদ’, ‘এতিম’, ‘নাগিন’, ‘মাসুম’, ‘ঈদ মোবারক’, ‘আশা’, ‘পরিবর্তন’, ‘নতুন পৃথিবী’, ‘দিদার’, ‘সালমা’, ‘বউ শাশুড়ি’, ‘কসম’, ‘বিধাতা’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘চাঁদের আলো’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘চক্রান্ত’, ‘সিংহ পুরুষ’, ‘সব খতম’ সহ আরও অনেক চলচ্চিত্র। তাঁর এই প্রয়াণে সিনেমা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বছরের প্রখর সূর্যের মতোই আলোচিত ও প্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আজ না ফেরার দেশে চলে গেছেন। তিনি আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, এই খবরটি নিশ্চিত করেছে ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ারসহ অনেক মিডিয়া। খবর অনুযায়ী, বলিউডের filler-এ নামের বাইরে এক যুগের অধিক সময় ধরে তিনি ‘হি-ম্যান’ খ্যাতির জন্য জনপ্রিয় হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন ৮৯ বছর বয়সী এবং আজকের এই দিনে তিনি দীর্ঘ জীবনের ইতি টানলেন। তার মৃত্যু ভারতের সিনেমার ছয় দশকের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালো। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্মেন্দ্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে গত অক্টোবরের শেষের দিকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসা শেষে কেবল ১২ দিন আগেই তিনি হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। তবে শেষমেশ তার কপালে ছিল না ভিন্ন কিছু; সোমবার সকালে তিনি নিজ বাসায় ঘুম থেকে না ফেরার দেশে চলে যান। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর মতে, তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এখন শোকের সাগরে ডুবে আছেন। অভিনেতার বাড়িতে ইতিমধ্যেই এম্বুলেন্স ঢুকে পড়ছে, বাড়ি থেকে ৫০ মিটার দূরে ব্যারিকেড দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তার মেয়ে এஷা দেওলকে দেখা গেছে বাড়ির বাইরে অবস্থানরত অবস্থায়, এবং তার সঙ্গে সইতে দেখা গেছে বহু তারকার গাড়িও। সবচেয়ে বেশি আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে মুম্বাইয়ের ভিলে পার্লে শ্মশানে, যেখানে হেমা মালিনী, সানি দেওাল, ববি দেওালসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন উপস্থিত হয়েছেন। এমনকি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে। গত মাসের শুরুর দিকে শ্বাসকষ্টজনিত কারণে ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তখন থেকেই তার সুস্থতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে তার পরিবারের কড়া প্রতিক্রিয়া আসে। পরে তিনি আবার সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। আগামী ৮ ডিসেম্বর তাঁর ৯০তম জন্মদিন হওয়ার কথা ছিল, এবং সেই বিশেষ দিনটি জমকালো ভাবে উদযাপনের পরিকল্পনা ছিল। এমনকি তার স্ত্রী হেমা মালিনীও এই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। সূত্র: ফিল্মফেয়ার, এনডিটিভি, পিঙ্কভিলা

  • প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকি মামলার বিষয়ে মেহজাবীন মুখ খুললেন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ঢাকার একটি আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই আদেশ এসেছে অর্থ আত্মসাৎ, প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে, যা বিচারক আফরোজা তানিয়ার আদালত পরিচালনা করেন।

    অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গােপন খবর প্রকাশের পর তিনি সামাজিক মাধ্যমে নিজ অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব গুজব উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

    মেহজাবীন তার এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মেহজাবীন চৌধুরী। আজ আমি এক ভুয়া ও মিথ্যা মামলার খবর শুনে অবাক হয়েছি। আমার ধারণা, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গুজব ছড়ানো মাত্র। আমি কোনো ব্যবসায়িক বা পেশাগত কাজে এই ধরনের আইনি জটিলতায় জড়িত নই। যারা এসব ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছেন, তাদের আমি চিনি না। যারা আমাকে জানতে পারেন, তারা জানেন আমি কেবল আমার অভিনয় ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি নিবেদিত। আমার কোন এমন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই যেখানে আইনি জটিলতা আসবে।’

    তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি দেশের আইন, নিয়মনীতি ও সামাজিক দায়িত্বের প্রতি বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে আমার আইনজীবী এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন, যেন এসব গুজব ও মিথ্যা প্রচারনা বন্ধ হয় এবং ভবিষ্যতেও কেউ এই ধরনের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত না হয়।’

    মেহজাবীন আরো বলেছেন, ‘একজন শিল্পী ও নাগরিক হিসেবে আমি সবসময় দেশের আইন, নীতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্য করে আসছি। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে কঠোর কর্মনীতি ও নিষ্ঠার সাথে মিডিয়ায় কাজ করে যাচ্ছি, যার সাক্ষ্য আমার দর্শক, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।’

    সবশেষে, তিনি আগামীতে গণমাধ্যম কর্মীদের অনুরোধ করে বলেন, ‘আমি সকল সংবাদমাধ্যমের কাছে অনুরোধ করব, ভিত্তিহীন তথ্য শেয়ার না করুন। আমার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলবো, আপনারা ভালোবাসা ও আস্থাই আমার প্রধান শক্তি। বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকুন।’

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন

    পাশাপাশি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। এর পাশাপাশি তার ভাই আলিসান চৌধুরীকেও আদালত জামিন দিয়েছেন।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর আদালত-আফরোজা হক তানিয়া মেহজাবীন এবং তার ভাইয়ের জামিনের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী খোরশেদ আলম। তিনি জানান, জামিনের শুনানি বিচারকের খাস কামরায় অনুষ্ঠিত হয়।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা অনেক দিন ধরে একটি পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হওয়ার প্রলোভনে মোট ২৭ লাখ টাকার বেশি টাকা বিভিন্ন সময় নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে ধার্য করেন। পরে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না করায় বাদী অনেক সময় টাকা চাইলেও তারা সময়ের পরিবর্তে ‘আজকে দিব’, ‘কালকে দিব’ বলে কালক্ষেপণ করেন।

    ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা চাইতে গিয়ে আসামিরা অজ্ঞাতনামী ৪-৫ জনের সঙ্গে বাদীর মধ্যে অশোভন ভাষায় গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি দেয়। তারা বলে, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, নইলে আমরা জানো মারবো।’ এই ঘটনায় বাদী আমিরুল ইসলাম ভাটারা থানায় মামলা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত আসামিদের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে এবং আগামী ১৮ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হওয়ার কথা বলে আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধামকি প্রদান করেন। দুর্ব্যবহার ও জীবননাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় বাদী মামলা দায়ের করেন।

  • শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    শাওনের ‘রাজাকার’ আখ্যা দেওয়া হয় দলকে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার জন্য

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজন আসামির বিরুদ্ধে জুলাইয়ে আয়োজিত অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ফের বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে দুটি বুলডোজার সেখানে পৌঁছানো হয়। এ সময় ট্রাকের উপরে হাতের মাইক নিয়ে কয়েকজন তরুণকে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাদের পরিচয় জানাতে চাইলে একজন বলেন, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে। তবে, এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দলকে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ‘রাজাকার’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি বিবিসি বাংলার সংবাদ শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, আগুন দিয়ে তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে-মাটিতে মিশে আছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই, রাজাকার বাহিনী!’ এই পোস্টে শাওন হ্যাশট্যাগ হিসেবে দিয়েছেন #তুইথরাজাকার এবং #ধানমন্ডি৩২। এর আগে, গত বছর ৫ আগস্ট, শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছয় মাস পরে, ৫ ফেব্রুয়ারি, ‘বুলডোজার মিছিল’ নামে এক আন্দোলনের সময় এই বাড়িটি ভাঙা হয়। হাজারো মানুষের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে সেদিন রাত نصفের দিকে একটি ক্রেন এসে পৌঁছায়, যা মূল সড়ক থেকে ৩২ নম্বরের রাস্তার দিকে ঢুকে পড়ে। এরপর উঠে আসে এক্সক্যাভেটর। রাত সোয়া ১১টার দিকে এই ক্রেন ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিনতলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়, কিছুক্ষণ বিরতির পর আবার ভাঙার কাজ চালিয়ে যায়। মধ্যরাতে সেনাবাহিনী কিছু সময় বাড়ির সামনে পৌঁছালে ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়, এরপর সেনাবাহিনী সরে যায়। গভীর রাতে মাইকের গান বাজিয়ে কিছু মানুষ নাচতেও দেখা যায়। অবশেষে বাড়িটিকে অর্ধেকের বেশি ভেঙে দেওয়া হয়। তবে এই ভাঙা বাড়ির সড়কের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে।

  • অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    অভিনেত্রী পায়েল সরকার বলেন, পরিচালকের যৌন সুবিধা দাবি করার ঝুঁকি সহজে এড়ানো যায়নি

    চলচ্চিত্রজগতে ‘কাস্টিং কাউচ’ নতুন কোনও বিষয় নয়; এটি বহু আগেই পর্দার আড়ালে চলমান। বিশেষ করে উঠতি অভিনেত্রীরা এর শিকার হয়ে থাকেন বেশি। বহু নায়িকা প্রযোজক বা পরিচালকদের দ্বারা লালসার শিকার হয়েছেন। টলিউডের পরিচিত মুখ পায়েল সরকারও এই তালিকার অংশ। সম্প্রতি তিনি কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এক ব্যক্তিগত পডকাস্টে তিনি প্রকাশ করেছেন, এক নির্মাতা তার কাছে নির্দিষ্ট কিছু সুবিধা দাবি করেছিলেন। সঞ্চালিকা জিজ্ঞেস করেন, যৌন সুবিধা কি? এর জবাবে পায়েল স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘হ্যাঁ, সেটাই।’ তিনি জানান, তখন তার ক্যারিয়ারের একটি খারাপ সময় চলছিল। ওই সময়ে একজন পরিচালক তার সাথে বাজে আচরণ করেন। পায়েল আরও বললেন, ‘তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে খারাপ কথা লিখতেন, আমার ছবি নিয়ে আপত্তিজনক মন্তব্য করতেন, পুরোপুরি একজন সাইকো হয়ে গিয়েছিলেন। এরপর আমি ফিরে আসি। এরপর আমার প্রেম হয়, এবং কিছু সময় পরে আমি দুটি ছবির শুটিং সম্পন্ন করি, এক বছরের মধ্যে।’ এই পরিস্থিতি কীভাবে তার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে, তা বললেও, তিনি দৃঢ়ভাবে অনিবার্যতার কথাটি তুলে ধরেছেন।