Category: বিনোদন

  • ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর পর প্রথমবার মুখ খুললো হেমা মালিনী

    বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে গোটা চলচ্চিত্র জগতের মাঝে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়ে। মৃত্যুকালীন সময় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল, বিশেষ করে জুহু বাসভবনের সামনে যখন অ্যাম্বুলেন্স দেখানো হয়, তখন উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। পরে নিশ্চিত হয়, তিনি আর জীবিত নন। মুম্বাইয়ের পওন হানস শ্মশানে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে যোগ দেন অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খানসহ অনেক জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা।

    ধর্মেন্দ্রর মৃত্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত তার পরিবারের কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেননি, কিন্তু অবশেষে এই নীরবতাকে ভেঙে প্রকাশ্যে এলেন তার স্ত্রী ও সহ-অভিনেত্রী হেমা মালিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি হৃদয়স্পর্শী এক বার্তা শেয়ার করেন, সঙ্গে তার বিভিন্ন অদেখা ছবি প্রকাশ করেন।

    হেমা লিখেছেন, ধর্মেন্দ্র ছিলেন তার জীবনের নানা মুহূর্তের সমষ্টি—একজন স্নেহশীল স্বামী, দুই কন্যা ঈশা ও অহনার প্রিয় বাবা, বন্ধু, দার্শনিক, পথপ্রদর্শক, কবি ও সঙ্কটের মুহূর্তে ভরসার উৎস। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যে বেঁধে রাখতেন।

    তিনি এও বলেছেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ধর্মেন্দ্রর প্রতিভা ও জনপ্রিয়তার পাশাপাশি তাঁর বিনয় এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাকে কিংবদন্তি করতে পেরেছিল। তার অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। এই অপূরণীয় ক্ষত তার জন্য ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়; এত বছরের সঙ্গের স্মৃতি থেকেই তাকে উপলব্ধি করতে হবে।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের কিংবদন্তি জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রের প্রেম এবং বিবাহের কাহিনি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। ধর্মেন্দ্র প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল প্রকাশ কৌর, যাঁদের চার সন্তান—সানি, ববি, বিজেতা এবং অজিতা দেওল। সিনেমায় কাজের সময় হেমা ও ধর্মেন্দ্রর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ১৯৮০ সালে তারা বিবাহ করেন, যা তখন ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। এর পর তাদের সংসারে দুটি কন্যা—ঈশা ও অহনা জন্মগ্রহণ করে। সময়ের পরিক্রমায় তারা চার দশক ধরে একসঙ্গে থাকেন, তাদের গভীর প্রেম ও বন্ধন অসাধারণ ছিল।

    ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী একসঙ্গে কাজ করেন ৪০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হলো ‘শোলে’, ‘নসীব’, ‘আলিবাবা অউর ৪০ চোর’, ‘ছোট্ট সি বাত’, ‘তুম হাসিন ম্যায় জওয়ান’ ইত্যাদি।

    সুত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    গায়িকা রোজাকে গুলি, হাসপাতালে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে নর্থরিজ এলাকার একটি অন্ধকার রাস্তায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় ল্যাতিন সংগীতশিল্পী মারিয়া দে লা রোজা। এটি ঘটে ২২ নভেম্বর, যখন তিনি নর্থরিজের ব্রায়ান্ট স্ট্রিটে একটি পরিষ্কার দিন পার করছিলেন। জানা গেছে, এই সময় তিনি একটি পার্ক করা গাড়ির পাশে ছিলেন। হঠাৎই দুর্বৃত্তরা তাদের দিকে ছন্দময় গুলির ঝটিকা ছুড়ে দেয়। গুরুতর আহত হওয়ার পর রোজাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তাররা তখন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, সেই রাতের ঘটনার সময় আড়াইটার বেশ আগে, আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে, পুলিশ টাম্পা অ্যাভিনিউয়ের কাছাকাছি ব্রায়ান্ট স্ট্রিটের দিকে গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্দেহভাজন দুই পুরুষ একরত গাড়ির দিকে আসেন এবং সঙ্গে সঙ্গে গুলি ছুঁড়ে।

    ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, এই হামলায় গায়িকা রোজা গুলিবিদ্ধ হন। এরপর তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অন্য দুইজন আহত হন, তাদের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কারো বিরুদ্ধে দোষ প্রমাণ করতে পারেনি বা কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলছে, ঘটনাটিকে বিভিন্ন মহলে শোকের ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

  • ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    ধর্মেন্দ্রের বিপুল সম্পত্তি, কিন্তু হেমা মালিনীর জন্য কিছুই থাকছে না?

    বলিউডের জনপ্রিয় প্রয়াত অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওলের সুস্থ জীবন শেষ হয়ে গেছে দীর্ঘ কালের জন্য। তিনি ক্যারিয়ারে একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়ে অগণিত ভক্তের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। আর তার বহুমুখী সফলতা শুধু সিনেমায় নয়, ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও প্রমাণিত—প্রযোজনা, রেস্তোরাঁ, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি থেকে তিনি ব্যাপক আয় করেছিলেন।

    দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে ছবির মাধ্যমে ১৯৬০ সালে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। প্রথমে তার পারিশ্রমিক ছিল কেবল ৫১ টাকা, যা তখন ছিল খুবই সামান্য। তবে, প্রথম সিনেমার পর দীর্ঘ ছয় বছর অপেক্ষা করে তাকে স্মরণীয় করে তুলেছে ১৯৬৬ সালের সিনেমা ‘ফুল অর পাত্থর’, যেখানে অভিনয় করে তিনি ‘হি-ম্যান’ উপাধি পান। বেশি দিন নয়, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বলিউডের অন্যতম শীর্ষ তারকা হিসেবে অবস্থান করেন তিনি।

    অবশেষে, আজ তার মৃত্যুতে আলোচনায় এসেছে তার সম্পত্তির বিশাল পরিমাণ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য বর্তমানে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। তার আয়ের মূল উৎস অবশ্যই সিনেমা, তবে তা ছাড়াও তিনি করেছেন ব্যবসায় বিভিন্ন উদ্যোগ—প্রযোজনা, বিজ্ঞাপন, রেস্তোরাঁ চালানো—এসব থেকে তিনি বিশাল সম্পদ রোজগার করেছেন।

    তার মুম্বাইয়ের লোনাভালা এলাকায় অবস্থিত ১০০ একর জমিতে নির্মিতหนึ่ง বিলাসবহুল ফার্মহাউস রয়েছে। এই ফার্ম হাউসের মাঝে রয়েছে সুইমিং পুল, থেরাপি সেন্টার এবং সুদৃশ্য বড়াসবাগান, যেখানে থাকেন স্বস্তি ও আরাম। এই বাড়ির বাজার মূল্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা।

    এছাড়াও, মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে আরও অন্যান্য বাড়ি-জমিসহ তার মোট সম্পত্তির মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এতে অন্তর্ভুক্ত কৃষি জমি ও পরিত্যক্ত জমি-জমির মূল্যাত্মক অংশ।

    তার সংগ্রহে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি—মার্সিডিজ বেঞ্জ এস-ক্লাস, মার্সিডিজ বেঞ্জ SL500 এবং ল্যান্ড রোভার রেঞ্জ রোভারের মতো জনপ্রিয় গাড়িগুলি।

    অথচ, বলিউড সূত্র অনুযায়ী, ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী বাস্তবায়ন করতে না পারা দুর্ভাগ্যজনক এক বাস্তবতা—প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ডিভোর্স না দিয়ে ধর্মেন্দ্র হেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এই বিবাহটি অবশ্য হিন্দু ধর্মীয় রীতির অনুসারে বৈধ নয়। তবে, ধর্মেন্দ্রের বেঁচে থাকাকালীন তার দুই কন্যা—এষা ও অহনা—উল্লেখযোগ্যভাবে বাবার সম্পত্তির অংশ পাবেন, যা উত্তরসূরির কাছে অধিকার হিসেবে থাকবে। কেবল এটি নয়, তার সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি, বাড়ি, জমি—সবই তার জীবদ্দশায় কড়া সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    অর্থ আত্মসাতের জবাবে তানজিন তিশার বিবৃতি

    সম্প্রতি সিনেমায় নিজের নাম লেখানোর কারণে আলোচনায় আসা তানজিন তিশা বর্তমানে বেশ কিছু অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন এবং তার আগে দুটি ফ্যাশন হাউসের প্রতারণার অভিযোগে তিনি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এরই মধ্যে ভারতের একজন প্রযোজক তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ‘ভালোবাসার মরশুম’ নামের সিনেমার প্রযোজক শরীফ খান দাবি করেছেন, তিশা তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা নেপথ্যে নিয়ে যান। এ পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান ব্যক্ত করতে গিয়ে তিশা একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছেন।

  • পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে নারী বাউলের গুরুতর অভিযোগ

    পুরুষ বাউলদের বিরুদ্ধে নারী বাউলের গুরুতর অভিযোগ

    মানিকগঞ্জে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের একটি মামলার কারণে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের গ্রেফতারির পর তার মুক্তির জন্য আন্দোলন চালানোর সময় কয়েকজন বাউল হামলার শিকার হয়েছেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঠিক এই সময়ে যখন বাউল সম্প্রদায়ের নিয়ে আলোচনা চলছে, তখন নারী বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এক মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, পুরুষ বাউলরা তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও গানের প্রোগ্রামে পৌঁছানোর জন্য নানা কুপ্রস্তাব দেয়। বিশেষ করে, তিনি বলেন, পুরুষ বাউলরা বিছানায় ডাক দেয় এবং এই ডেকে সাড়া দিলে নারী বাউলরা গানের সুযোগ পান। বাস্তবে, এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ করেন তিনি, তবে তিনি কারো বিশেষ নাম উল্লেখ করেননি।

    বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার এক ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেন, যেখানে তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমি বলতাম, আমার কোনও প্রোগ্রাম নেই, দয়া করে খেয়াল রাখুন। তখন তারা বলতেন, যদি খেয়াল রাখতে হয়, তাহলে আমাদের কথা মানতে হবে। আমি বলতাম, কী হবে, আমি কি বলব না? তখন তারা বলতেন, এইটা কি খুব ভেঙে বলতে হবে। আমি বলতাম, ক্ষমা চাচ্ছি, দোয়া চাচ্ছি। আমার প্রয়োজন নেই এমন প্রোগ্রাম। আমার ইজ্জত বিক্রি করে গানের স্বার্থে ছাড় দিতে হবে না। এই ধরনের গান আমি মানি না।’

    আসন্ন আরও বিস্ফোরক অভিযোগে, তিনি বলেন, ‘পুরুষ বাউলরা কুপ্রস্তাব দেয়, বিছানায় নিয়ে যায় এবং তারপর গানের সুযোগ দেয়। আমি একজন বাউল শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি বলতে চাই, বর্তমানে বাউল জগতে এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যদি কেউ আমাকে না ডাকে, তো আমার কিছু যায় আসে না। তবুও, তারা আমাকে প্রস্তাব দিয়ে বলে, ‘আমাদের কথা শুনো, তোমাকে বায়না দেব’। এই সব ঘটনা জোড়ালো আলোচনায় পরিণত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

  • প্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    প্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভসের হৃদরোগে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘ডিজনিল্যান্ড হ্যালোইন হাফ ম্যারাথন’। এই দৌড় প্রতিযোগিতা শেষ করতে গিয়ে কিছুক্ষণ সময়ের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন জনপ্রিয় টিকটকার ববি গ্রেভস। ২৩ নভেম্বর, দৌড় শেষ করার পর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার জীবন রক্ষ করা সম্ভব হয়নি। তার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, অত্যন্ত তাপদাহের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফিনিশ লাইনের কাছাকাছি পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরেই তিনি মাটিতে লুটিয়ে যান। দ্রুত তার জন্য উপস্থিত ফায়ার ও রেসকিউ কর্মীরা উদ্ধারকারী ব্যবস্থা নেন এবং তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে চিকিৎসকদেরomst প্রস্তুতিতে পৌঁছানোর এক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাট সাটার পিপল ম্যাগাজিনকে বলেন, রেস ভোর পাঁচটায় শুরু হয় এবং সকাল সাতটার মধ্যে গ্রেভস দৌড় শেষ করেন। তিনি অত্যন্ত কঠিন আবহাওয়া সত্ত্বেও রেসটি সম্পন্ন করেছিলেন, যা তার অসাধারণ মনোভাবের প্রতিফলন।

    তিনি আরও জানান, ফিনিশিং লাইনে পৌঁছানোর পরপরই গ্রেভস বুকে হাত দিয়ে হঠাৎ পড়ে যান। উপস্থিত এক কর্মী তাকে তড়িঘড়ি ধরে ফেলেন, কারণ তখনই তার সমস্যা বুঝতে পারেন। উদ্ধারকারী এবং ডাক্তাররা দেখেছেন, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, যা তার জীবন কেড়ে নেয়।

    মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রেভস তার টিকটক অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও পোস্ট করে বলে, ‘আগামীকাল ডিজনিল্যান্ড হাফ ম্যারাথন নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত।’ নিজের আবেগ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

    অরিেঞ্জ কাউন্টি কার্যালয় এই ঘটনায় ময়নাতদন্ত চালাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বিস্তারিত কারণ জানা যাবে।

    ববি গ্রেভস জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি থেকে আইন পড়াশোনা শেষ করেন এবং বর্তমানে তিনি ‘উইলসন সন্সিনি গুডরিচ অ্যান্ড রোসাটি’ ল-ফার্মের একজন সহযোগী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু তার অনুসারীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে এবং তার জীবনী মানুষের মনে চিরস্থায়ী থাকবে।

  • প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই

    প্রখ্যাত নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই

    মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহকর্মী নির্মাতা গাজী মাহবুব এবং অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি।

    লেখেন এই অভিনেত্রী জানান, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লিখেছেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, চলে গেলেন আমার ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার জনপ্রিয় পরিচালক শেখ নজরুল ইসলাম মামা।’

    এর আগে, ১৬ নভেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে মুক্তি জানিয়েছিলেন যে, নির্মাতা শেখ নজরুলের শারীরিক অবস্থা কিছুটা সংকটাপন্ন। খুব দ্রুত তাকে রাজধানী কেন্দ্রিক ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আইসিইউ-তে। মৃত্যুর মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    শেখ নজরুল ইসলাম ১৯৩৫ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের কালিগঞ্জ থানার পিপরুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীতে নির্মাতা জহির রায়হান ও খান আতাউর রহমানের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর প্রথম পরিচালিত সিনেমার নাম ‘চাবুক’, যা মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে।

    তিনি নির্মিত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘নদের চাঁদ’, ‘এতিম’, ‘নাগিন’, ‘মাসুম’, ‘ঈদ মোবারক’, ‘আশা’, ‘পরিবর্তন’, ‘নতুন পৃথিবী’, ‘দিদার’, ‘সালমা’, ‘বউ শাশুড়ি’, ‘কসম’, ‘বিধাতা’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘চাঁদের আলো’, ‘চাঁদের হাসি’, ‘চক্রান্ত’, ‘সিংহ পুরুষ’, ‘সব খতম’ প্রভৃতি। তার অসামান্য এই নির্মাতা জীবনে বাংলা চলচ্চিত্রে অসংখ্য কালজয়ী কাজ রেখে গেছেন, যা কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে।

  • ‘সিনেমা বানিয়েও এত টাকা পাইনি’, ইউটিউবের মাধ্যমে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    ‘সিনেমা বানিয়েও এত টাকা পাইনি’, ইউটিউবের মাধ্যমে বিপুল আয় ফারাহ খানের

    বলিউডের খ্যাতিমান কোরিওগ্রাফার এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ফারাহ খান সম্প্রতি ইউটিউব ভ্লগিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ইউটিউব থেকে তাঁর আয় এক বছরে যে অর্থ তিনি সিনেমা পরিচালনা করে উপার্জন করেছিলেন, তার চেয়েও অনেক বেশি।

    ফারাহ খানের ইউটিউব চ্যানেলে সাধারণত তাঁর বাবুর্চি দিলীপের সাথে রান্নার দৃশ্য থাকে, যা দর্শকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাঁর টিমের বারবার অনুরোধে তিনি প্রথমবারের মতো এই প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে রাজি হন। শুরু থেকেই তিনি চেয়েছিলেন এই চ্যানেলটি একটি খাদ্য ও রন্ধনশীল শো হিসেবে পরিচিত হোক।

    আয় সম্পর্কে ফারাহ বলেন, “আমার পুরো ক্যারিয়ারে, হয়তো এক বছরে আমি এত টাকা উপার্জন করিনি, যদিও আমি বহু সিনেমা পরিচালনা করেছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটা আমার নিজস্ব চ্যানেল, যেখানে কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বা প্রোডাকশন হাউস আমাকে বলতে পারে না যে, এটা কাটতেই হবে বা একাদশীর অতিথি অন্যদের থেকে আলাদা হবে। আমি এই ভেদাভেদ পছন্দ করিনা।”

    ফারাহ খান এর এই জনপ্রিয়তা তাকে ইউটিউবের সিলভার প্লেঅন পাওয়ার মর্যাদাও এনে দিয়েছে।

    ২০১১ সালের পর তিনি ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিচালনা থেকে বিরত থাকলেও, কেন তিনি এখন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হলেন, তা জানিয়ে তিনি বলেন, “যখন আমার সিনেমা পরিচালনায় ব্যর্থতা বা তার চাহিদা কমে যায়, তখন ভাবলাম, ইউটিউব শুরু করি। কারণ আমি আয়ব্যবস্থার পরিবর্তন বুঝতে পারছিলাম। তারচেয়েও বড় কথা, আমার তিন সন্তান আগামী বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছে, যার খরচ অনেক বেশি। তাই আমি মজার ছলে এই শো শুরু করলাম আর সবকিছু দ্রুত জনপ্রিয়তা পেল।”

    ফারাহ খান টুইঙ্কেল এবং কাজলের শো ‘টু মাচ’-এর এক পর্বে জানিয়েছিলেন, ৬০ বছর বয়সে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলছেন, “তখন আমি বুঝতে পারছিলাম যে, আমার আর সিনেমায় কাজ করতে পারছি না, তাই ইউটিউবে এসে নিজের দায়িত্ব নিলাম। এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আমি যা উপার্জন করি, তা আমার জন্মনামের দিক থেকে অনেক বেশি। এর জন্য আমাকে কূটনৈতিক ব্যয় করতে হয় না, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারি।”

    ফারাহ খান ১৭ বছর বয়সে জন্মগ্রহণকারী তার ট্রিপলেট সন্তান—সিজার, অন্ন এবং দিবারের বাবাও হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমার পরিচালনা করেছেন, যেমন ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘ওম শান্তি ওম’ এবং ‘তিস মার খান’। বর্তমানে তার ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার যথাক্রমে তিন মিলিয়ন এবং ৪.৫ মিলিয়ন রয়েছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই

    বেড়ানো হয়নি সেই সময়ের বলিউডের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে মুম্বাইয়ের নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ভারতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ফিল্মফেয়ারসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় আজ মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। এই খবর বাংলোইউডের জন্য এক বিশাল শোকের এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবারের ঘর-বাড়ি এবং আশেপাশের এলাকা ব্যাপক সাড়া পড়ে গেছে। মুম্বাইয়ের বাড়িতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, এবং অনেক তারকা ও তার ব্যক্তিগত কর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন। বিশেষ করে, তার মেয়ে এশা দেওলের উপস্থিতি চোখে পড়ে, যেখানে এ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য যানবাহন প্রবেশের জন্য প্রস্তুত দেখা গেছে।

    মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ভিলে পার্লে শ্মশানে তার শেষ সমাধি হয়। সেখানে হেমা মালিনী, সানি দেওল, ববি দেওলসহ আরও অনেক চলচ্চিত্র তারকা উপস্থিত ছিলেন। এমনকি অমিতাভ বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনও সেখানে উপস্থিত হয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। তবে, নিশ্চিত ঘোষণা ছাড়া এই মৃত্যুসংক্রান্ত খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি, আর এটাই এখন একটি ধোঁয়াশার সৃষ্টি করেছে।

    অভিনেতার জীবনের শেষ সময়ের শ্বাসকষ্টজনিত রোগের কারণে এ বছরের অক্টোবরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার গুজব ও আলোচনা শুরু হয়, কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি আরোগ্য লাভ করেছেন এবং বাড়ি ফিরেছেন। তবে এই সবের মধ্যেই আজকের দিনে তিনি চিরবিদায় নিলেন।

    আগামী ৮ ডিসেম্বর তার ৯০তম জন্মদিন ছিল, তা উদযাপন করার পরিকল্পনা ছিল। তার স্ত্রীর দাবি, এই স্মরণীয় দিনটিকে বিশেষ করে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে পালনে তারা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই ঘটনা যেন এক বিশাল শোকাবহ মুহূর্তে রূপ নেয়।

    বিশেষ সূত্র: ফিল্মফেয়ার, এনডিটিভি, পিঙ্কভিলা

  • গায়িকা রোজাকে গুলি করে হত্যা, হাসপাতালে মৃত্যু

    গায়িকা রোজাকে গুলি করে হত্যা, হাসপাতালে মৃত্যু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের নর্থরিজ এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন জনপ্রিয় ল্যাটিন সংগীতশিল্পী মারিয়া দে লা রোজা। গত ২২ নভেম্বর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যখন তিনি নর্থরিজের ব্রায়ান্ট স্ট্রিট এলাকার একটি রাস্তায় পার্ক করা একটি গাড়ির পাশে ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গত ২২ নভেম্বর রাতে সংগীতশিল্পী রোজার উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও আরও দুইজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় অনুসারে আনুমানিক রাত ১টা ২৫ মিনিটে, নর্থরিজের টাম্পা অ্যাভিনিউয়ের পূর্বে ব্রায়ান্ট স্ট্রিটের কাছে গুলির শব্দ পায় পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ব্রায়ান্ট স্ট্রিটে পার্ক করা একটি গাড়ির দিকে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি আসেন। এরপর তারা গাড়িতে গুলি ছোড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংঘর্ষের সময় গায়িকা রোজা গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু ঘটে। আহত দুইজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ প্রসঙ্গে এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।