Category: জাতীয়

  • চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় চুক্তি নিয়ে হাইকোর্ট বিভক্ত রায়

    চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় চুক্তি নিয়ে হাইকোর্ট বিভক্ত রায়

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কম্পানির সঙ্গে চুক্তি নিয়ে চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্ট দ্বৈত রায় দিয়েছেন। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা নজীব চুক্তি প্রক্রিয়াকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন, অপর দিকে জুনিয়র বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার চুক্তির প্রক্রিয়াকে বৈধ বলে রায় দেন।

    বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুই বিচারপতির আলাদা আলাদা রায়ে এই বিভক্তি প্রকাশ পায়। এই বিষয়ে এখন প্রধান বিচারপতি একটি নতুন বেঞ্চ গঠন করে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    আদালতে এই বিষয়ে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সহ অন্য আদালত স্বজনরা। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।

    উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর শুনানি শেষে এই রুলের ওপর মতবিনিময় শেষে সিদ্ধান্তের জন্য ধাপে ধাপে দিন ধার্য করা হয়। এর আগে, ৩০ জুলাই এই চুক্তির বৈধতা ও চলমান প্রক্রিয়ার উপযুক্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে রুল জারি করে হাইকোর্ট।

    চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে ষষ্ঠবারের মতো এই রুল ভাইরাল হয়। হাইকোর্টের গঠিত বেঞ্চ প্রথমে এই প্রক্রিয়াকে আইনবহির্ভূত বলে ঘোষণা করার জন্য নির্দেশ দেয়। এরপর বিভিন্ন পক্ষের আপত্তির মুখে এই বিষয়ে দ্বৈত রায় আসে।

    এই রুলের মধ্যে বলা হয়, কোনও অপারেটরকে এই টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার আগে যথাযথ আইনি ও নীতিগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে, যেন ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বিডিং নিশ্চিত হয়। ফলে, এ পরিস্থিতিতে এই প্রক্রিয়ার বৈধতা ও ন্যায্যতা নিয়ে যথাযথ তদন্ত ও সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

  • আগামীকাল এভারকেয়ার এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়া চালাবে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী

    আগামীকাল এভারকেয়ার এলাকায় হেলিকপ্টার মহড়া চালাবে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আশপাশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনী একটি পরীক্ষামূলক হেলিকপ্টার অবতরণ এবং উড্ডয়ন মহড়া পরিচালনা করবে। এই কার্যক্রমের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ)-এর নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, সকাল ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত হাসপাতালের কাছাকাছি দুটি উন্মুক্ত মাঠে নিয়মিত এই মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। এসএসএফ জানিয়েছে, এটি পূর্বনির্ধারিত একটি মহড়া এবং দেশের নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ। এ জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কোথাও যদি কোনো গুজব বা অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়ে, তবে সবাইকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংস্থাটি আরও বলেছে, মহড়ার সময় কোনো আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার মত অবস্থা তৈরি না করতে সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।

  • সরকার ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে ব্যবস্থা নেবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

    সরকার ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিতে ব্যবস্থা নেবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা

    বাজারে কোম্পানিগুলোর একতরফা সিদ্ধান্তে ভোক্তারা আরও বেশি দামে ভোজ্যতেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোনো সরকারি অনুমোদন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য কোম্পানিগুলোর কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। আমি মাত্র আধা ঘণ্টা আগে এই তথ্য জানতে পেরেছি। তেলের দাম বাড়ানোর কোনও যৌক্তিক কারণ দেখা যায় না। এই বিষয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে সম্প্রতি আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভোক্তার কাছ থেকে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৯ টাকা বাড়িয়েছে। তবে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানান, কোম্পানিগুলোর তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলেও সরকার তা অনুমোদন করেনি। এর মধ্যে নীরবে এবং অনুমোদনহীনভাবে এই দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

    আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১২টায় এক আলোচনা সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কোম্পানিগুলোকে ডেকেছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোক্তা অধিকার সংগঠনের নেতারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্যাবের সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বললেন, সরকার অনুমোদন না করে তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই অন্যায়, এতে আইনের লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যের ওপর মনিটরিং আরও কঠোর করা।

    উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসেও অনুমোদন ছাড়াই ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছিল কোম্পানিগুলো। তখন সরকার স্পষ্ট করে বলেছিল, এভাবে দাম বাড়ানোর অনুমতি নেই। শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে এবারও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

  • জেডআই খান পান্না তলবের ১০ মিনিটের মধ্যে হাজির, নিঃশর্ত ক্ষমা চান

    জেডআই খান পান্না তলবের ১০ মিনিটের মধ্যে হাজির, নিঃশর্ত ক্ষমা চান

    আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে র্যাবের টিএফআই সেলে বিরোধী মতাদর্শের লোকদের গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আরও ১৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি চলছিল। তবে, পলাতক থাকায় শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত জেডআই খান পান্না আদালতে হাজির হননি, এজন্য ট্রাইব্যুনাল তাকে তলব করে।

    আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারপanar সঙগে এই শুনানি শুরু হয়।

    প্রথমে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শুনানির সময় স্টেটের পক্ষ থেকে জেডআই খান পান্নাকে ফোন করে আসতে বলা হয়। এরপর, মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে হুইলচেয়ার করে অন্য আইনজীবীদের সঙ্গে উপস্থিত হন পান্না।

    তখন, ট্রাইব্যুনাল তার কাছে তাকে শুনতে চায়, কারণ তিনি সুস্থ আছেন কিনা, এবং কেন তিনি আদালতে আসছেন না। ট্রাইব্যুনাল জানায়, আপনাকে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আপনি না থাকায় আজ শুনানি করতে হয়েছে। আপনার আগ্রহ থাকলে আবারও আসতে পারেন।

    জেডআই খান পান্না উত্তরে বলেন, আমি শারীরিক অসুস্থ, তাই আমি এই মামলায় আদালতে উপস্থিত হতে পারছিনা। আমি রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এ বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আপনার ক্লায়েন্ট আদালতে হাজির থাকবেন না। আপনি নিজেও আসেননি। আপনি আইনি লড়াইয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন, এজন্য ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দিয়েছে। আপনি যদি উপস্থিত না হতে চান, তাহলে আপনাকে সেটাই জানাতে হবে। এছাড়া, আপনি একটি ভিডিও বার্তায় মন্তব্য করেছেন যে, আপনার ক্লায়েন্ট এই আদালত মানেন না। ট্রাইব্যুনাল এটিকে গ্রহণযোগ্য মনে করে না। আমরা কি এই বিষয়টি আপনার কাছে পরিষ্কার?

    জেডআই খান পান্না বলেন, আমি ক্ষমা চাচ্ছি। আমি মৌখিকভাবে আনকনডিশনালি apologise করছি।

    পরে, মামলায় কে একজন আইনজীবী হবেন তা নিয়ে আবার জিজ্ঞেস করলে তিনি কিছু বলতে পারেননি। এ সময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, আমরা আশা করবো আপনাদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাবো। তবে, এখানে কারো পরিবর্তে নতুন আইনি উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়েও চিন্তা করছি। কোন নাম না বললেও, মো. আমির হোসেনের নাম নেওয়া হয়, যিনি এর আগে শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন।

    এর আগে, ২৩ নভেম্বর এই মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য ছিল। তখন, শেখ হাসিনার পক্ষে এ মামলায় দাঁড়ানোর জন্য জেডআই খান পান্নাকে বলা হয়, এবং তাকে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র্যাবের সাবেক গোয়েন্দা শাখার পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

    অন্যদিকে, পলাতক রয়েছেন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত, যার মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

  • সেনা কর্মকর্তাদের সশরীর হাজিরা বাধ্যতামূলক ধারা প্রত্যাখ্যান

    সেনা কর্মকর্তাদের সশরীর হাজিরা বাধ্যতামূলক ধারা প্রত্যাখ্যান

    আওয়ামী লীগ সরকারের টানা একদশক ক্ষমতায় থাকা সময়ে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের সশরীর উপস্থিতির বদলে ভার্চুয়ালি শুনানি করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী শুনানির দিন থেকে সেনা কর্মকর্তাাদের ট্রাইব্যুনালে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হবে৷

    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    আদেশের সময় আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তোবারক হোসেন এবং প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। দুই পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এই আবেদনটি খারিজ করে দেন। উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর এ আবেদনটি করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী আজকের শুনানির দিন ধার্য হয়।

    ট্রাইব্যুনাল আরো জানায়, বিভিন্ন মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি কারাগারে থাকলেও তিনি সশরীরে হাজির হচ্ছেন এবং বেশীরভাগ সাবেক মন্ত্রীও নিয়মিত আদালতে উপস্থিত থাকছেন। এটা প্রমাণ করে, দেশের আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো সকলের জন্য সমান এবং সব পক্ষকেই যাতে সুবিচার পায়, সেটাই সরকার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করছে।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা হলো— র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র‍্যাবের সাবেক ডিরেক্টর কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

    অপরদিকে, পলাতক থাকছেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

    প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর এই মামলার ১০ কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করেছিলেন, যেখানে শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরবর্তীতে পলাতকদের জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে তারা হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করেন আদালত। এ মামলায় ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়, তারপর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

  • রিজভীর দাবি, হাসিনার কারণেই খালেদা জিয়ার অসুস্থতা

    রিজভীর দাবি, হাসিনার কারণেই খালেদা জিয়ার অসুস্থতা

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং মুমূর্ষু পরিস্থিতির জন্য প্রধানত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই দায়ী করা যাবে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রিজভী বলেন, “যিনি নিজের মাটি, দেশ, জনগণ এবং স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করেননি, তার প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অটুট থাকবে। এই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আজ প্রত্যক্ষভাবে দেখাই যাচ্ছে।”

    তিনি যোগ করেন, “খালেদা জিয়ার এই শারীরিক অবস্থা ও রোগাক্রান্ত অবস্থা এর জন্য মূলত হাসিনার দোষ। তবে দেশপ্রেমের কারণে ও দেশের স্বার্থে তিনি নানা কষ্টের মধ্যেও সবকিছু সহ্য করে গেছেন। এর পাশাপাশি, দেশের জনগণের হৃদয়ে তার জন্য যে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগ কাজ করছে, তা অমূল্য।”

    রিজভী আরো বলেন, “যারা ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছিলেন, তারাই এখন ক্ষমতায় এসে সেই ব্যবস্থাটিকেই বাতিল করেছেন। হাসিনার ক্ষমতা দখলের জন্য তারা নিজের ইচ্ছামতো দেশ চালিয়েছেন। এর আগে, ১৯৯৫-৯৬ সালে বাস-ট্রাক পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করে, সেই সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলেছিলেন শেখ হাসিনা।”

    তিনি বলেন, কখনো কখনো অন্যায় আবদার তুলে দেশের স্বার্থে আপস করেছেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালে সেদিনের পরিস্থিতি যেমন, তাতে দেশের অশান্তি রোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক উপায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল, যাতে যেন আর কখনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

    রিজভী উপদেশ দিয়ে বলেন, জনগণের কষ্ট যেন আরও বাড়ে, এমন কর্মকাণ্ড এড়ানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ঐকমত্য প্রকাশ করা দরকার। তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে কাজ করবেন এবং অসুস্থতার সময়ে খালেদা জিয়ার পাশে থাকবেন।

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের নতুন মামলার রায় আজ ঘোষণা হবে

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের নতুন মামলার রায় আজ ঘোষণা হবে

    ২৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং টিউলিপ সিদ্দিকসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঘোষণা করা হবে। এই মামলায় অভিযোগ রয়েছে যে, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি জমি বরাদ্দের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে।

    ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, যেখানে গত ২৫ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় দেওয়ার জন্য এ দিন ধার্য করা হয়। মামলার তদন্তে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন অভিযোগটি দায়ের করেন। এতে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, টিউলিপ সিদ্দিক, রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ১৫ জন আসামি করা হয়। পরে তদন্তে আরও দুজনকে যুক্ত করে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়া হয়।

    অভিযুক্তরা মধ্যে অন্যরা হলেন- জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন একজন কর্মকর্তা, সিনিয়র সহকারী সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ, সাবেক সদস্য, বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সচিব ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর নাম।

    গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এই মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন। এ পর্যন্ত ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

    অন্যদিকে, গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্পসহ বিভিন্ন দুর্নীতির তিনটি মামলায় শেখ হাসিনার সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। তাকে ৩ লাখ টাকার জরিমানা করা হয় এবং জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই রায় অনুযায়ী, যদি শেখ হাসিনা বা তার পরিবারের অন্য কেউ ব্রিটেনে থাকেন, তাহলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন। বিশেষ করে, তার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সদস্য ও সাবেক সিটি মন্ত্রী হিসেবে তার ১০ বছরের সাজা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি তার মা, ভাই ও বোনকে শেখ হাসিনার মাধ্যমে প্লট পাইয়ে দিয়েছেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবেক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ৪ বিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। এ ঘটনায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলও রিপোর্ট করে, যেখানে বলা হয়, টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যপদ হারাতে পারেন।

    প্রসঙ্গত, টিউলিপের বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, তিনি তার বাবার কাছ থেকে ফ্ল্যাট দাবি করে থাকলেও, আসলে এটি একটি আওয়ামীপন্থি নেতার কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া। তবে ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, তাঁদের অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রমাণ হয়েছে যে, তিনি এই বিষয়ে মিথ্যাচার করেননি।

    বাংলাদেশে এ মামলার ব্যাপারে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে, বিশেষ করে ব্রিটিশ আইনজীবীরা বলছেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ নয়। তারা বাংলাদেশ হাইকমিশনার বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন। তবে, ডেইলি মেইল জানিয়েছে, টিউলিপ বা তার পক্ষের কেউ এই বিষয়ে মুখ খোলেননি।

  • অভ্যুত্থানকে ‘তথাকথিত’ বলাকে আদালত অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা মানলেন চিফ প্রসিকিউটর

    অভ্যুত্থানকে ‘তথাকথিত’ বলাকে আদালত অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা মানলেন চিফ প্রসিকিউটর

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম রোববার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ‘সো-কলড’ বা ‘তথাকথিত’ বলে উল্লেখ করা আদালত অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমান। ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    চিফ প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা। এই আন্দোলনের পেছনে রয়েছে ১৪০০ মানুষের রক্তের তোতা, ২৫ হাজারের বেশি মানুষের অঙ্গহানি এবং অসংখ্য মানুষের ত্যাগ। এমন একটি মহান বিপ্লবকে ‘তথাকথিত’ বলতে মানসিক ধৃষ্টতা ছাড়াও, এটি আদালত অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা বলে মনে করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনাল সংবিধান অনুসারে পরিচালিত একটি আদালত। তাই আইনের কাঠামোকে বিবেচনায় না এনে কোনও আসামি বলিষ্ঠভাবে যুক্তি উপস্থাপন, সাক্ষী হাজির ও প্রসিকিউশনের প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করার অধিকার রাখে। তবে এ জন্য তাদের আইনের মধ্যে থেকে সুযোগ দেওয়া হয় বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।

  • ফিরোজ সরকার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব

    ফিরোজ সরকার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফিরোজ সরকারকে নতুন করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার এ ঘোষণা আসার পর, তাকে দ্রুতই সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। সরকারের একটি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, যেখানে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ রফিকুল হক। পাশাপাশি, বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করা মোঃ মাসুদুল হাসানকে ৩০ নভেম্বর থেকে অবসর দেওয়ারও ঘোষণা দেওয়া হয়।

    ফিরোজ সরকার কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের একজন কৃতী সন্তান। তিনি ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন এবং ১৭তম বিসিএস ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, যেখানে তিনি ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। চাকরির সময় তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দ্বিতীয় মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পাশাপাশি, অস্ট্রেলিয়া সরকারের বৃত্তি পেয়ে এমএস (মাস্টার্স অব সাইন্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

    তার কর্মজীবনে তিনি খুলনা বিভাগীয় কমিশনার এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তাকে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তিনি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বও পালন করছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে: মাহফুজ আলম

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে: মাহফুজ আলম

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত সহযোগী ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি জানান, তিনি নিজের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান এবং তার দ্রুত স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য দেশবাসীর মতো নিজেও দোয়া করেন।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) দিবাগত রাতে হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় মাহফুজ আলম বলেন, চিকিৎসকদের কাছ থেকে তিনি জেনেছেন, খালেদা জিয়ার অবস্থা কেবল স্থিতিশীল নয়, সামান্য উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা আশাবাদী, ভবিষ্যতেও তার শারীরিক অবস্থা আরও ভালো হয়ে উঠবে।

    তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অসামান্য ত্যাগ ও অবদানের জন্য আমরা আশাকরি তিনি সুস্থ হয়ে ওঠবেন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য দেশের গণতান্ত্রিক শক্তি আরও স্বচ্ছন্দে জন্ম নেবে। বিশেষ করে চলমান রাজনীতিতে, জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে নতুন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টায় তিনি দৃঢ় থাকবেন।

    এদিকে, মাহফুজ আলম বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে বর্তমান সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।