Category: জাতীয়

  • অস্ত্রোপচারের পর আইসিইউতে মির্জা আব্বাস

    অস্ত্রোপচারের পর আইসিইউতে মির্জা আব্বাস

    গুরুতর অসুস্থ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকা মহানগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর এই অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা আছে এবং চিকিৎসকেরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

    জুমার নামাজের পর দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাসকে দেখতে যান বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। তিনি শয্যাহাস্যাপাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করে তাঁর স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করেন। দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানানো হয়।

    হাসপাতালের সূত্রে বলা হয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর মির্জা আব্বাসকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা তাঁকে ঘন নজরদারিতে রাখছেন। পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়ার চিন্তা আছে। মেডিকেল বোর্ডের অনুমতি মিললেই সিঙ্গাপুরে নেওয়ার জন্য প্রক্রিয়া চালু করা হবে বলে পরিবার জানিয়েছে।

    বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সমস্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, শুক্রবার সকালে মির্জা আব্বাসের সিটি স্ক্যান করা হলে অবস্থার অবনতি দেখা গিয়েছিল; এরপর ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরিবারের সম্মতিও নেয়া হয়েছে।

    ঘটনার সময়কাল সম্পর্কে পরিবার বলেছে, ১১ মার্চ ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে মির্জা আব্বাস হঠাৎজ্ঞান হারান। তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তাঁর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাওয়া হয়েছে।

    আজ সকালে বিএনপির মিডিয়া সেলের এক কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শে মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পাঠানোর কথা ছিল। তবে শেষপর্যন্ত ওই যাত্রা হচ্ছে না; চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এরআগে বৃহস্পতিবার মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, স্থায়ী কমিটির অন্য সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান।

    পরিবার ও চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা নিয়ে সতর্কভাবে কাজ করছেন। মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য এবং পরিস্থিতির উন্নতির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • রেলমন্ত্রী: ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ট্রেনে প্রায় ৪২ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হবে

    রেলমন্ত্রী: ঈদযাত্রায় প্রতিদিন ট্রেনে প্রায় ৪২ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হবে

    পবিত্র রমজান মাসের শেষের দিকে এসে চলছে ঈদের প্রস্তুতি। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই ঈদুল ফিতর; তাই নাড়ির টানে মানুষ বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন। রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, কেবল রাজধানী ঢাকা থেকেই সোয়া কোটিরও বেশি মানুষ নিজ ঠিকানায় ফিরে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, যার চাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।

    আজ শুক্রবার ঈদের প্রথম দিন ট্রেন চলাচল পর্যবেক্ষণের জন্য কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলসেবায় অতিরিক্ত কোচ ও বিশেষ ট্রেন যুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আনুমানিক ১২৪টি অতিরিক্ত কোচ যোগ করা হয়েছে; মিটারগেজে আরও প্রায় ১৪টি কোচ ও ব্রডগেজ লাইনে প্রায় পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় প্রতিদিন প্রায় ৩৬ থেকে ৪২ হাজার যাত্রীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি বিচার করেন।

    মন্ত্রী জানান, ঈদ উপলক্ষে সরকার এবার সাত দিনের টানা সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে, যা শুরু হবে ১৭ মার্চ মঙ্গলবার থেকে। তবে রেলসেবা অনুযায়ী ঈদযাত্রা আজ ১৩ মার্চ থেকে কার্যত শুরু হয়ে গিয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ গত ৩ মার্চ থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করে এবং পর্যায়ক্রমে ২০ মার্চ পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট বিক্রয় চালু রাখা হয়েছে।

    রেলমন্ত্রী বলেন, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে প্রতিদিন ৩৬ হাজার টিকিট অনলাইনে শতভাগ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে; কিন্তু ওই ৩৬ হাজার টিকিটের জন্য অনলাইনে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করেছেন। তিনি বললেন, প্রচণ্ড অনলাইন চাপের কারণে অনেক সময় টিকিট বুকিংয়ে পেমেন্ট শেষ না হওয়ার কারণে লোকেরা টিকিট না পেয়ে ফিরে যান। এক টিকিট বুক করার পর পেমেন্ট সম্পন্ন করার জন্য যাত্রীকে সাধারণত ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট সময় দেয়া হয়, এ কারণে মাঝে মাঝে টিকিট অন্যের কাছে চলে যায়। সত্ত্বেও, রেলের দফতরের মতে, যারা টিকিট কিনতে চেয়েছেন তারা ন্যায্যভাবে টিকিট পেয়েছেন।

    ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে কিছু ব্যক্তি ছাদে উঠে ভ্রমণের চেষ্টা করেন—এটি নিরাপত্তাহীনতার বড় কারণ। মন্ত্রী জানান, এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবু অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে কখনো দুই-একজন যাত্রী ছাদে উঠে যেতে পারেন; শতভাগ রোধ করা কঠিন হলেও রেলমন্ত্রী দাবি করেন যে রেল কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে যেন কেউ ছাদে উঠতে না পারে।

    রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অভিযান পরিচালনা ও ভ্রমণকারীদের নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যাত্রা নিশ্চিতে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। যাত্রীদেরও তিনি জরুরি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান—ট্রেন চলাচলের সময় নির্দেশনা অনুসরণ, ভিড় এড়ানো এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রতি সচেতন থাকা যথা প্রয়োজন।

  • মির্জা আব্বাসকে আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না

    মির্জা আব্বাসকে আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না

    উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর পাঠানোর পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশে নেওয়ার উপযুক্ত নয়, এ কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। পরিবার দেশের চিকিৎসার প্রতি আস্থাশীল থাকায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা চালানো হবে; ভবিষ্যতে মেডিকেল বোর্ড যদি পরামর্শ দেন, তখন উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    ডা. রফিকুল আরও জানান, আজ মির্জা আব্বাসের চিকিৎসায় একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে সব বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অস্ত্রোপচারের অনুমতি দিয়েছে। পরিবারের সম্মতিতে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

    এর আগে জুমার নামাজের পর বিএনপির নেতা তারেক রহমান বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে মির্জা আব্বাসকে দেখতে যান। ঐ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাকে রোগীর সাম্প্রতিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়।

    ডা. রফিকুল জানান, মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনায় পরিবার এবং চিকিৎসক দল দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার ইফতার শেষে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

    স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে স্মৃতিতে গভীর শ্রদ্ধা জানান।

  • নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন, দোয়া করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তারা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

  • ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ডোমগাটা গ্রামের বাসিন্দা।

    ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৩ টার পর। এ ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    সাইফুল্লাহ জানান, রাতে প্রায় ৩টা ১০ মিনিটের দিকে বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং বসতঘরে ছুরি দিয়ে কোপার মতো করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়। ‘‘বসতঘরের আগুন বড় হওয়া আগেই আমরা নিভিয়ে ফেলেছি,’’ তিনি বলেন।

    পরিবারে ছিলেন তার বাবা-মা, বড় ভাই জয়নাল আবেদীন, নিজ স্ত্রী ও দুই সন্তান। সাইফুল্লাহ বলেন, ‘‘অনেক আগে থেকেই ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছিলো। সাম্প্রতিককালে হুমকিই বেড়েছে। এলাকায় সরাসরি কোনো ক্ষোভ না থাকলেও ফেসবুকে কিছু পোস্ট ও হুমকিমূলক বার্তা ছিল।’’

    সে ঘটনার পর সাইফুল্লাহ দাবি করেন যে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে— ‘তোর বাড়িতে আগুন দিলাম, ভাগ্যিস তুই নেই। তোর ছেলে-মেয়ে বেঁচে গেল।’ ঘটনাকে তিনি সরাসরি রাজনৈতিক দলটির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন, তবে এখনই পুলিশি তদন্ত চলছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এনসিপি মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সাইফুল্লাহর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং ঘটনাটির দ্রুত তদন্ত করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পরিদর্শনকালে তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে ক্ষোভও প্রকাশ করেন এবং দলীয় সন্ত্রাস প্রতিরোধে নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    অন্যদিকে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে তাদের তদন্তে জানা গেছে লাকড়ির এক কক্ষে আগুন লেগেছে। বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের চিহ্ন ও টিন কাটা痕 দেখা গেছে। স্থানীয়রা নিজেই আগুন নিভিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘তদন্ত শেষে প্রমাণ-সাক্ষ্য মিললে পরে বিস্তারিত বলা হবে; এই পর্যায়ে বিষয়টি বিচার করা premature। সেখানে জয়নালের বক্তব্য ছিল স্লোগান দিয়ে এসে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, কিন্তু আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত আর কোনো স্বতন্ত্র প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতি নেই।’’

    পুলিশ তদন্তে জড়িত অন্যান্য তথ্য ও ক্ষতচিহ্ন যাচাই করছে। স্থানীয়রা বলছে পরিবার উদ্বিগ্ন; রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন যাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয় এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, সেই আহ্বান শোনা যাচ্ছে।

  • শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়ে তার ছেলে হত্যার দায় আর্থিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে থাকা কয়েকজনের ওপর চাপিয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আদালতে তিনি নিজের বিবৃতি দেন এবং ঘটনার বর্ণনা দেন।

    এর আসামি তালিকায় থাকা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়; আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে গवाही দেন। ৬৫ বছরের আল আমিন একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক। তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন।

    সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আল আমিন বারবার কণ্ঠভঙ্গ করে পড়ে যান। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বিকেল নাগাদ ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল—পরবর্তীকালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুর-১০ এলাকার ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে গেলে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন—এমন দৃশ্য দেখে তিনি সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে শুরু করেন এবং নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন।

    আল আমিন আরও জানান, হাসপাতালের মেঝেতে রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে তিনি অসুস্থ বোধ করেন; সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহ। পরে তিনি আনোয়ারের লাশ হাসপাতালে থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন ও মৃত্যুসনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে দশটায় রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা পড়ে এবং পরে আনোয়ারকে লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামটিতে দাফন করা হয়।

    তিনি বলেন, ছেলের হত্যার পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনাকে দায়ী করে তিনি সংবাদমাধ্যম ও লোকমুখে শুনেছেন যে—শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীদের সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ অনেকে বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমন ও ছাত্র-জনতাকে নিধন করার সিদ্ধান্ত নেন। এই কারণেই তিনি ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ছেলের হত্যার দায় করছেন। আল আমিন ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সে ধরনের শান্তি চান।

    সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আল আমিনকে জেরা করেন আসামি সালমান ও আনিসুলের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলাটিতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ৫ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে সময়কার প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা।

  • আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সরকার দুইটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলালকে পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী করা হয়েছে।

    পটভূমিতে ছিল গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন—মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্পিকার ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তাদেরকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ করান। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তারা আর মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। ফলে একজন নতুন মন্ত্রী নিয়োগ এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। এই সিদ্ধান্তে মন্ত্রিসভায় সাময়িক পরিবরতন আনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

  • ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

    ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছেলেকে গুলিতে নিহত হওয়ার দায় সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ওপর চাপিয়েছেন শহীদ আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে সাক্ষ্য প্রদানের সময় এ অভিযোগ করেন।

    সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে। ഇന്ന് এই মামলার তৃতীয় দিনের শুনানিতে আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে হাজির ছিলেন।

    ৬৫ বছর বয়সী আল আমিন একজন অবসরেরত মাদরাসা শিক্ষক। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল ছয়টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ছেলের কথা বলতে গিয়ে আল আমিন several বার কাঁদতে গিয়ে চোখভরা কণার স্যাঁতসেঁতে ব্যথা প্রকাশ করেছেন।

    জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট বিকেল পাঁচটার পর ছেলের মোবাইল বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজির শুরু করি। লোকমুখে শুনি আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। সেখানে গিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ দেখি; সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সেই ধরনে তিনি নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে থাকা ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহর সঙ্গে মিলে ছেলেটিকে বাসায় নিয়ে আসেন।

    আল আমিন বলেন, হাসপাতালে নিহতদের রক্তাক্ত দেহ দেখে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিহতের মৃত্যুসনদ সংগ্রহের পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় আনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তাকে লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

    সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আল আমিন আরও বলেন, তার ছেলে হত্যার জন্য তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ কিছু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের দায়ী করছেন। সাক্ষীর দাবি, ওই ব্যক্তিরা বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তৎপরতায় সাধারণ ছাত্র-জনতা ও আন্দোলনকারীদের ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয় — এ কারণেই তিনি তাদেরকে দায়ী করছেন।

    আল আমিন পরামর্শ দেন, তার ছেলেকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে এমন নির্মম ঘটনা আর যেন না ঘটে সে ধরনের শান্তি চাইতে চান।

    সাক্ষ্যগ্রহণের পর আল আমিনকে কোর্টে জেরা করেন অভিযুক্তদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। আগামী ৫ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন গাজী এমএইচ তামিম; তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদার ও অন্যান্য সহকারী প্রোসিকিউটর।

  • ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি

    ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। স্পিকার তিনি বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ সিদ্ধান্ত জানান। ঘোষণা অনুযায়ী ওইদিন বেলা ১১টায় সংসদের দ্বিতীয় কার্যদিবস শুরু হবে।

    পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণ করান।

    আদ্যতন সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধনী ভাষণ দেন। পরে স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সাম্প্রতিককালে মৃত্যুবরণকারী সংসদ সদস্য ও জাতীয় নেতাদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয় এবং মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    বিকালের সেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ শুরু করলে সেখানে এক অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন বিরোধী দলীয় সদস্যরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাকে সমালোচনা করেন এবং ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ সম্মন্ধীয় উক্তি করেন। এক পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামি ও এনসিপির কিছু সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করে সংসদকক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। ওই অশান্তির পরে স্পিকার অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।