Category: খেলাধুলা

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলার পুনরায় চ্যাম্পিয়নত্ব

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় বাংলার পুনরায় চ্যাম্পিয়নত্ব

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ মীর মুগ্ধ আন্তঃবিভাগীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের বাংলা ডিপার্টমেন্ট। সোমবার বিকেল ৩:৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন চতুর্থ একাডেমিক ভবনের সামনে মাঠে অনুষ্ঠিত উত্তেজনাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে তারা ৪-০ গোলে computer science and engineering (CSE) ডিপার্টমেন্টকে হারায়। দলের পক্ষে দু’টি করে গোল করেন আবির ও আশরাফ।

    রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের মধ্যে পারফরম্যান্সের জন্য বাংলা বিভাগের আবিরকে ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ ঘোষণা করা হয়, অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান সিএসই বিভাগ থেকে প্রান্ত মুখার্জি। পাশাপাশি যৌথভাবে শীর্ষ স্কোরার হন বাংলার আবির ও আশরাফ। সিএসইর আমান উল­াহ সেরা গোলকিপার নির্বাচিত হন এবং প্রমিজিং প্লেয়ার হিসেবে বাংলার আশিকের নাম ঘোষণা করা হয়।

    ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, একাডেমিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই প্রাণবন্ত থাকে। শহিদ মীর মুগ্ধের নামে এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হওয়া আমাদের জন্য সত্যিই গৌরবের বিষয়। তিনি চ্যাম্পিয়ন ও রেজাল্ট অপরাজিত দলের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অভিনন্দন জানান এবং খেলাধুলার উন্নয়নে শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল ক্লাবের দক্ষ কর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, যিনি বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শহিদ মীর মুগ্ধের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই ধরনের প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেরণা হয়ে উঠবে।

    অনুষ্ঠানে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের অধিনায়কদের হাতে ট্রফি তুলে দেন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য। এসময় দুই দলের কাছ থেকে ব্যক্তিগত পুরস্কার ও মেডেল বিতরণ করা হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অভিযোগ) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। টুর্নামেন্টের পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ নবীউল ইসলাম খান, যার স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মঈনুল হোসেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, বিভাগ প্রধানসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নতুন আইনে ফেঁসে গেল ড্রিম ১১, স্পন্সর হারালো বিসিসিআই

    নতুন আইনে ফেঁসে গেল ড্রিম ১১, স্পন্সর হারালো বিসিসিআই

    ভারতের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি গেমিং কোম্পানি ‘ড্রিম১১’ আজ, সোমবার (২৫ আগস্ট), তাদের স্পনসরশিপ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নতুন আইন অনুযায়ী, অর্থভিত্তিক অনলাইন গেমিং নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের টাইটেল স্পনসরশিপ এখন খালি, এবং বিসিসিআই নতুন স্পনসর পাওয়ার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে, চলমান এশিয়া কাপ শুরুর আগে নতুন স্পনসর নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ।

    রবিবার পিটিআই’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত সাইকিয়া নিশ্চিত করেছেন, ড্রিম১১ আর ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি নীতিমালা কঠোর হওয়ায়, ড্রিম১১ বা অন্য কোনো অনুরূপ গেমিং কোম্পানির সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এখন বিকল্প স্পনসর খুঁজতে হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি; পেলে জানানো হবে।’’

    নতুন ওই আইনের মধ্যে, কেউ অনলাইনে টাকা দিয়ে গেম খেলতে উৎসাহিত করতে পারবে না এবং এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়াও নিষেধ। আইন ভেঙে থাকলে এক কোটি রুপি জরিমানা বা তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

    প্রায় এক বছর বাকি থাকলেও, ড্রিম১১ গত বছর তিন বছরের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলের (পুরুষ, নারী, অনূর্ধ্ব–১৯ ও অনূর্ধ্ব–২৩) টাইটেল স্পনসর হিসেবে চুক্তি করেছিল ৩৫৮ কোটি রূপিতে (প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার)। তারা এখনো চুক্তি অনুযায়ী এক বছর বাকি থাকলেও, জরিমানা কিংবা অন্যান্য শর্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না।

    বিসিসিআইয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘‘এটি ড্রিম১১য়ের দোষ নয়। সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখনো জরিমানা ধার্য করা হয়নি। তবে স্বল্পমেয়াদে আমাদের আয়ের ওপর প্রভাব পড়বে। আমাদের নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।’’

    তিনি আরও জানান, এশিয়া কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচের জন্য মাত্র ১৫ দিন বাকি, এই স্বল্প সময়ে নতুন স্পনসর খুঁজে পাওয়া কঠিন। কারণ এই প্রক্রিয়া সময় নেয়, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিড আহ্বান, যাচাই-বাছাই, এবং শেষে বিজয়ী ঘোষণা করতে হয়।

    ড্রিম১১ এর সরে দাঁড়ানোর প্রভাব আইপিএলেও পড়তে পারে। অন্য এক ফ্যান্টাসি কোম্পানি ‘মাই১১সার্কেল’, যারা পাঁচ বছরের জন্য ৬২৫ কোটি রূপির চুক্তি করেছে, তারাও বড় ধাক্কা খেতে পারে। তবে বিসিসিআই মনে করছে, আইপিএলের জন্য এখনও যথেষ্ট সময় রয়েছে। প্রয়োজন হলে নতুন করে প্রক্রিয়া চালু করা যাবে।

  • বাংলাদেশকে ৩ গোলে হারালো নেপাল

    বাংলাদেশকে ৩ গোলে হারালো নেপাল

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের জয় আবারও প্রত্যাশিত হয়েছে। আগের ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে যাওয়ার পর, রোববার নেপালের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদশের মেয়েরা দুর্দান্ত খেলে ৩-০ গোলে জয় লাভ করে। এই ম্যাচটি ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখানো দেখে দর্শকরা অভিভূত হন। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ দ্রুতই নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে দুই গোল করে এগিয়ে যায়। ৬ মিনিটে উম্মে কুলসুমের শট গোলরক্ষকের হাতে গেলে প্রথম সুযোগটি নষ্ট হয়। এরপর ৭ মিনিটে আলপি আক্তার কাজে লাগাতে পারেননি গোলমুখ থেকে, বল চলে গেছে ফাঁকায় থাকা প্রীতির কাছে, কিন্তু তার শট ছিল লক্ষ্যে অনুপস্থিত। ১৪ মিনিটে প্রীতির প্লেসিং শট গোলরক্ষক ব fist করেন। ২০ মিনিটে নেপালের ইয়াম কুমারীর চিপ শটটিও গোলের কাছ থেকে দূরে ছিল। ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায় না দল। তবে ম্যাচের ৩৫ মিনিটে, বেশ ফাঁকা পোস্টে সুযোগ থাকা সুরভী আকন্দ প্রীতি বাইরে শট নিয়ে হতাশ করেন। এর ছয় মিনিট পর, ম্যাচের ডেডলক ভাঙে বাংলাদেশের পক্ষে। মামনি চাকমা ডান দিক থেকে ক্রস করেন, যার মধ্যে দৃষ্টিনন্দনভাবে গোল করেন থুইনুই মারমা। ৪৫ মিনিটে, গোলরক্ষক পোস্ট ছেড়ে এসে ঠেকাতে পারেননি, ফলে বেঞ্চে থাকা প্রীতি সহজেই গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগ মিস করলেও, যোগ করা সময়ে প্রীতির শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। করছেনাৎ রিয়াই পোস্টে টেকনিক্যালি দুর্দান্ত একটা গোলে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ দল এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসার প্রত্যয় প্রকাশ করেছে।”}]}“`

  • ভারতের তারকা ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা অবসরের ঘোষণা দিলেন

    ভারতের তারকা ব্যাটার চেতেশ্বর পূজারা অবসরের ঘোষণা দিলেন

    ভারতের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চেতেশ্বর পূজারা এক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার ছিলেন। ধৈর্য, দৃঢ়তা এবং অটল মানসিক শক্তির মাধ্যমে তিনি নিজস্ব একটি পরিচিতি তৈরি করেছিলেন। অবশেষে, তিনি অবসরের ঘোষণা দেন, জানিয়ে থাকেন যে তিনি আর কখনো ভারতের জার্সি পরে মাঠে নামবেন না।

    ২০২৩ সালের জুনে ওভালে অস্ট্রেলিয়াদের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালই ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এরপর থেকে তিনি আর ভারতীয় জার্সি বলেই মাঠে দেখা যায়নি।

    অবসরের বার্তায় পূজারা লিখেছেন, “ভারতের জার্সি গায়ে চাপিয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে যখন মাঠে নেমেছি, তখন সর্বোচ্চ দিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। সেই মুহূর্তগুলো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে বলতে পারেন, সব ভালো কিছু শেষ হয় একদিন। তাই আমি অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানাচ্ছি, আমি ভারতীয় ক্রিকেটের সব সংস্করণ থেকে অবসর নিচ্ছি।”

    ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তিনি ভারতের ব্যাটিংয়ের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন। বিশেষ করে ‘নাম্বার থ্রি’ পজিশন ছিল তার শক্ত ঘাঁটি। তার সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারে ১০৩ টেস্টে ৭১৯৫ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ১৯ সেঞ্চুরি এবং ৩৫ ফিফটি, গড় ৪৩.৬০। দেশের মাটিতে তার গড় ছিল আরও বেশি, ৫২.৫৮।

    পূজারার নাম এলেই আসে ২০১৮-১৯ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের কথা। অ্যাডিলেড, মেলবোর্ন ও সিডনিতে তার তিন সেঞ্চুরি ভারতকে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে পৌঁছেছিল। এরপরই তিনি আবারও দেখিয়েছেন অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্যামেরুন হ্যাজলউড, স্টার্ক ও কামিন্সের বিপরীতে চার টেস্টে ৯২৮ বল মোকাবিলা করে তিনি দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড় করিয়েছেন। প্রতিটি ডিফেন্স ও ব্লক যেন ভারতীয় ব্যাটিংয়ের ভরসার স্তম্ভ হয়ে উঠেছিল।

    তাদের জন্য ক্রিকেট বিশে’ তাকে ‘দ্য ওয়াল ২.০’ নামে ডাকতে শুরু করে। কারণ, রাহুল দ্রাবিড়ের পর থেকে তিনি ভারতের টেস্ট ব্যাটিংয়ের প্রাচীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার গুণাবলীর মধ্যে গ্ল্যামারাস শট নয়, বরং কঠোর রক্ষণশীলতা এবং অটল মনোভাব ছিল তার অস্ত্র। দলকে কঠিন পরিস্থিতি থেকে বারবার উদ্ধার করে তিনি জাতীয়তাবাদের এক অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিলেন।

  • জ্যোতিদের ৪৯ রানে গুঁড়িয়ে আবারো জয় অর্জন অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের

    জ্যোতিদের ৪৯ রানে গুঁড়িয়ে আবারো জয় অর্জন অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের

    বাংলাদেশ নারী দল বর্তমানে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে দুই ভাগে ভাগ হয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সঙ্গে একত্রে তিনটি সিরিজ খেলছে। গত মঙ্গলবার চতুর্থ ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দলের বিরুদ্ধে, যা বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ম্যাচটি শুরুতে ব্যাট করে বাংলাদেশ নারী লাল দল মাত্র ২০.৪ ওভারে ৪৯ রানেই অলআউট হয়। এর পরে, বালক দল সহজভাবে লক্ষ্যটা অতিক্রম করে সফল হয় আট উইকেটের ব্যবধানে, ফলে জয়টি নিশ্চিত হয়।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বালকদের ওপেনিং জুটি দুর্দান্ত শুরু করেন, ৪৪ রান যোগ করেন। যখন জয় নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন তখনই অল্প রান করতে গিয়ে উইকেট হারায় তারা। ফুয়ারা বেগমের স্পিনে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ২৪ রান করে আউট হন খেয়াল রয় ওম। এরপর ফাইয়াজ খানকে লেগ বিফোর দিয়ে ফাহিমা খাতুন উইকেটের ফাঁদে ফেলেন। ১১.৫ ওভারে ৬ রান করতে সক্ষম ওই ব্যাটার।

    এরপর ওপেনার ইরফান হোসেন আলিফ, ২৮ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন, যখন দলের জয় নিশ্চিত করেন। তার সাথে থাকেন ফাইয়াজ খান।

    অপরদিকে, বাংলাদেশ নারী দলের নারীরা ব্যাট হাতে শুরুতেই পথে আঘাত হানেন। প্রথম আঘাত আসে মাহিন হোসাইন আলিফের মাধ্যমে, তিন বলে ৪ রান করে মাঠ ছাড়েন ইশমা তানজিম। এরপর সুমাইয়া আক্তার কিছুক্ষণ খেললেও বেশি দূর যেতে পারেননি। শারমিনের সাথে ২৭ রানের জুটির পর আলিমুল ইসলাম আদিব শারমিনকে ২১ বলে ১৮ রান করে আউট করেন। শারমিনের দুর্দান্ত ১৮ রান তাকে ম্যাচের সেরা ব্যাটার করে তোলে।

    অমিত কুমার শারমিনকে ইয়র্কারে বোল্ড করে মাঠের বাইরে পাঠান। সুবর্ণা রানের খাতায় কিছুই যোগ করতে পারেননি, কল্যাণে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দলের নেতৃত্বে থাকা নিগার সুলতানা জ্যোতি ১৪ বলে মাত্র ১ রান করেন এবং আদিবের শিকার হন। এছাড়া রিতুমনিও বোল্ড হন, ফাহিমারও ব্যাটিং করার সুযোগ হয় না। শেষ পর্যন্ত, লাল দল মোট ৫ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান যোগ করে, সিরিজে তাদের প্রথম বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়। এর আগে, ওই দলের আগের ম্যাচে নারী লাল দল অলআউট হয় ৯২ রানে।

  • অফগানিস্তান ঘোষণা করল বাংলাদেশ সিরিজের সূচি

    অফগানিস্তান ঘোষণা করল বাংলাদেশ সিরিজের সূচি

    এশিয়া কাপ ক্রিকেটের এই মৌসুমটি এখন অনেকটাই কাছেঅছে। আগামী মাসেই মাঠে গড়াবে এই প্রতিযোগিতা, যা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটি শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর এবং চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এদিকে, এশিয়া কাপ শেষ হয়ে গেলে বাংলাদেশের ক্রিকেট দল সংযুক্ত আরব আমিরাতেই অবস্থান করবে।

    এখানেই শেষ নয়, এশিয়া কাপের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতেই বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান মুখোমুখি হবে সাদা বলের সিরিজে। আজ আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজের সম্পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে। আফগানিস্তান দল উল্লেখযোগ্যভাবে এই দেশকেই নিজেদের “হোম” হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

    প্রথমে, আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে ২ অক্টোবর, এরপর বাকিরা ৩ এবং ৫ অক্টোবর। এরপর, দুই দল ওয়ানডে ফরম্যাটে মুখোমুখি হবে। প্রথম ম্যাচ হবে ৮ অক্টোবর, আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১১ এবং ১৪ অক্টোবর।

    আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নসীব খান এই সূচি ঘোষণা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে এই বহুল প্রত্যাশিত সিরিজের আতিথেয়তা দিতে আমরা গর্বিত। এই সফর আমাদের সহযোগিতার দৃঢ়তা এবং নিরপক্ষ ভেন্যুতেও উচ্চমানের ক্রিকেট উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। দর্শকরা রোমাঞ্চকর ম্যাচ দেখতে পাবেন এবং শীর্ষ স্তরের প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন।’

    অপর দিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সিরিজটি আয়োজনে ও ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে। এই সিরিজের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটের বন্ধন আরো দৃঢ় হবে এবং একে অন্যের সঙ্গে ক্রিকেটের সম্পর্ক আরও গাঢ় হবে।’

  • নেপালকে ৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ

    নেপালকে ৩ গোলে হারালো বাংলাদেশ

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েরা আবারও অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। পূর্বে ভারতের বিরুদ্ধে হারলেও রোববার নেপালের মুখোমুখি হয়ে তারা জয় ছিনিয়ে এনেছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশ ৩-০ গোলের বিশাল জয় লাভ করে। ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে এই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের দাপট দেখা গেছে। প্রথমেই বাংলাদেশ দলের দারুণ পরিকল্পনা ও দক্ষতা প্রমাণিত হয়। প্রথমার্ধে তারা দুটি গোল করেছে যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

  • স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখেই কান্না পেয়ে গেল বিসিবি সভাপতি

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পাঁচ বছর ধরে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে উদ্যোগী হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে চলেছেন। আজ রোববার ২৪ আগস্ট তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানের আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও ঘুরে দেখেন। এই সময় তিনি বলেন, “নড়াইল বা খুলনা না হলেও নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য অনেক প্রত্যাশার শহর। এই এলাকার ক্রিকেটের ইতিহাস খুব সমৃদ্ধ। যখন আমি নিজেই ক্রিকেট শেখার জন্য মরিয়া, তখন নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখানকার বিভিন্ন লিগে খেলোয়াড়েরা দেশের অন্য প্রান্তে গিয়ে সফলতার স্বপ্ন দেখতেন।”

    তিনি আরও বলেন, “এখনও নারায়ণগঞ্জের মানুষের ক্রিকেট নিতান্তই হৃদয়ে চলে আসে, তাই দেখে আমি অত্যন্ত উৎসাহিত। কিন্তু মাঠের অবস্থা দেখে সত্যিই দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, এখানে এক সময় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে, অথচ আজ এই মাঠের অবস্থা খুবই করুণ।”

    বুলবুল বলেন, ফতুল্লা স্টেডিয়ামের উন্নয়নের জন্য আরও বেশি নজর দেয়া দরকার। তিনি বলেন, “আমাদের পরিকল্পনা এখানে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। এখন এই মাঠে আমি তিনটি উইকেট দেখেছি, যেখানে আমরা আরও নতুন উইকেট তৈরির পরিকল্পনা করছি। আমাদের লক্ষ্য এই যে, নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটাররা যেন বছরে ১২ মাস খেলা চালিয়ে যেতে পারে, এর জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকছে। এর পাশাপাশি কোচিং ও প্রশিক্ষণের সুবিধা বাড়ানো হবে। আশা করি, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে এমন উন্নয়ন ঘটবে যাতে এখানকার খেলোয়াড়েরা ঢাকায় যেতে না হয়। সবকিছু আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি আশাবাদী, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে আপনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি, কারণ আমি এই কাজগুলো করতে আত্মবিশ্বাসী। আইসিসির সদস্য থাকাকালীন আমি এসব কাজ নিজেও করেছি।”

    তিনি আরও বলেন, “ক্রিকেট জীবনের এই আধা-আনুষ্ঠানিক অংশটি শুধু শুরু। আমার সামনে ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা রয়েছেন। আমি জানি, এখানে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় রয়েছে, যারা আগামী দিনগুলোতে তামিম বা সাকিব হয়ে উঠতে পারেন। আমি চাই নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি করতে, যাতে ক্রিকেটাররা সব সময় খেলার মধ্যে থাকতে পারেন।”

  • আফ্রিদির সঙ্গে ইরফানের তর্কের গল্প: কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে আঙুল তোলে আফ্রিদি

    আফ্রিদির সঙ্গে ইরফানের তর্কের গল্প: কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে আঙুল তোলে আফ্রিদি

    প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক ও বাদানুবাদের ঘটনা কখনো কখনো মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে দেখা যায়। এরই এক উদাহরণ শেয়ার করেছেন সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। তিনি জানান, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে গিয়ে তার সঙ্গে শহীদ আফ্রিদির একটি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছিল। ওই সময়ই ইরফান বলেন, আফ্রিদি কুকুরের মাংস খেয়েছে বলে পোড়াকণ্ঠে মন্তব্য করেন, যার কারণেই সে দীর্ঘক্ষণ এভাবে চিৎকার করছে।

    সম্প্রতি ‘দ্য ল্যালানটপ’ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরফান সেই ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ২০০৬ সালে পাকিস্তান সফরে ছিলেন তারা। করাচি থেকে লাহোরে ফিরছিলেন দুই দল ক্রিকেটার। সেই সময়েই হঠাৎ আফ্রিদি তার দিকে এগিয়ে আসে। মাথায় হাত দিয়ে চুল এলোমেলো করে দিতে শুরু করে এবং প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়, “কেমন আছো, বাচ্চা?” ইরফান তখন জবাব দেন, “তুমি আমার বাবা হয়েগো কখন?” এই আচরণ ছিল খুবই বাচ্চাদের মতো। আফ্রিদি তখন আর বাঁচে না, বাজে কথা বলতে শুরু করে এবং কাছের একটি সিটে বসে পড়ে।

    সেসময় পাশে ছিলেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আবদুল রাজ্জাক। এ নিয়েও ইরফান বলেন, “আমি তখন তাকে প্রশ্ন করি, এখানকার কোথায় কি ধরনের মাংস পাওয়া যায়। তখন সে বলল, বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংসের কথা। আমি তখন জানতে চাই, কুকুরের মাংস কি পাওয়া যায় কি না। এই সময় আফ্রিদিও আশেপাশে ছিল। রাজ্জাক শুনে শক খেয়ে বলে, ‘ইরফান, তুমি এটা কেন বললে?’ আমি তখন বলি, ‘সে কুকুরের মাংস খেয়েছে, সেই জন্যই এত দীর্ঘ আওয়াজ করছে।’

    ইরফান আরও জানান, তখন আফ্রিদি রাগে লাল হয়ে যায়। তবে কিছু বলে ওঠেনি। তবে আবার কিছু বলতে গেলে, আমি তাকে বলতে থাকি, ‘দেখো, সে আবারও (কুকুরের মতো) আওয়াজ করছে।’ এরপর আর মুখ খোলা রাখেনি। এই ঘটনাটির পর থেকে আফ্রিদি বুঝতে পারে যে, কখনও মুখোমুখি তর্কে আমি হারব না। ফলে এরপর থেকে আর তার সঙ্গে তর্কে জড়ায়নি।”

  • বাংলাদেশের রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে পাকিস্তান

    বাংলাদেশের রান পাহাড়ে চাপা পড়েছে পাকিস্তান

    পাকিস্তানের আধিপত্যশীল ব্যাটিংয়ের ফলে বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের শো-ডাউন শুরুতেই উজ্জ্বল উদাহরণ দেখিয়েছে, যেখানে তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান সংগ্রহ করেছে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছেন ইয়াসির খান, যিনি দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দলের বিপর্যয় পতন রুখে দিচ্ছেন। বাংলাদেশের হয়ে ৩৪ রানে এক উইকেট লাভ করেছেন হাসান মাহমুদ। জবাবে বাংলাদেশ শুরুতেই চাপের মুখে পড়ে, প্রথম ওভারেই অভিজ্ঞ নাঈম শেখকে হারায় ৫ রানে। যদিও প্রতিপক্ষের আক্রমণের মাঝে সাইফ হাসান ও জিশান আলমের উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে কিছুটা আশা দেখাচ্ছিলো, যা জোড়া উইকেট জুটিতে ৮৬ রান যোগ করেছেন। সাইফ ৩২ বলে ৫৭ রান করে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন। তবে তার বিদায়ের পর আর কেউই আধিপত্যের মান বজায় রাখতে পারেনি। আফিফ হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের দ্রুত পতনের কারণে বাংলাদেশ অপ্রতিদ্বন্দ্বী অসঙ্গতিতে পড়ে, যার ফলে তারা পুরোপুরি আউট হয়ে যায়। এর আগে, পাকিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটার খাজা নাফি ও ইয়াসির খান দুর্দান্ত সূচনা করেন, তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি হয় দলটির জন্য। খাজা ৩১ বলে ৬১ রান করে আউট হলেও ইয়াসির বেশিদূর যাননি, তবে ৪০ বলের বিপুল ৬২ রান করেন। তারপর, তিনে নামা আব্দুল সামাদ ২৭ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন। এই ব্যাটসম্যানদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তান নির্ধারিত লক্ষ্য ছুঁই ছুঁই করে ফেলেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি একটি কঠিন পরিস্থতি, যা তাদের পরবর্তী ম্যাচে উন্নতি করতে সাহস দেয়।