Category: খেলাধুলা

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে খুঁজে বের করবেন সাকিব-তামিমদের

    চট্টগ্রামে নতুন একটি আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোতে বিকেন্দ্রীকরণ ও উন্নয়নকে প্রচারকল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসার ও নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। যদি এই আঞ্চলিক কাঠামো সফল হয়, তবে জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটাররা তাদের প্রতিভা প্রকাশের জন্য নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ের সুযোগের বাইরে থাকেন।

    হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আঞ্চলিক ক্রিকেট চালু হলে এখানকার খেলোয়াড়রা নিজেদের লিগ ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা করতে পারবে, যা অবশেষে অনেক প্রতিভার উন্মোচন করবে। ঢাকায় সব কিছুর সুযোগ থাকলেও দেশের অন্যান্য অংশে পর্যাপ্ত সুযোগ এখনও আসেনি। এটি সবার জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। অনেক প্রতিভাবান তরুণ আছেন, যারা এখনো সুযোগ পায় না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে, হিডেন প্রতিভাবানরা আর হিডেন থাকবেন না। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলা উপভোগ করতে সক্ষম হবে।’

    অন্যদিকে, আকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টটি দ্রুত আয়োজন করেছি। এটা সিজন না, তবে এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভবিষ্যতের জন্য একটা দিকনির্দেশনা তৈরি করলাম।’

    তিনি আরও জানান, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনো একসঙ্গে খেলেনি। এই আয়োজনটি শুধু চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও গৌরবের বিষয়।

    বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার লক্ষ্যে স্কুল ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেওয়ার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয়ভাবে হয়, কিন্তু আঞ্চলিক ক্রিকেটের সঙ্গে সিঙ্ক্রোনাইজ করলে এটি আরও বেশি ছড়িয়ে পড়বে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র নয়, প্রতিটি জেলায় ক্রিকেটের নিজস্ব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য।

    তিনি আরও বলেন, ‘আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদ সবাই এখনো স্কুলেই রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব কীভাবে এই প্রতিভাদের সঠিক পথে ডেকে আনা যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।’

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোলে মায়ামিকে ফাইনালে নিয়ে গেলেন মেসি

    ইনজুরি থেকে ফিরে এক ম্যাচ খেলেই আবারও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন ইন্টার মায়ামির অর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ মিস করেছিলেন। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) লিগস কাপের সেমিফাইনাল মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো তাকে ফেরা করতে সতেজভাবে প্রেরণা দেন। যেখানে বিতর্কিত এক পেনাল্টি সহ জোড়া গোল করে মায়ামির ফাইনাল নিশ্চিত করেন মেসি।

    ভোরের আলোয় ঘরের মাঠ চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারিয়ে দেয়। তবে প্রথমে এগিয়ে ছিল সফরকারী অরল্যান্ডো। তবে দ্বিতীয়ার্ধে মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। ম্যাচে বল দখলে তাদের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো; ৫৯ শতাংশ পজিশন এবং ১৪ শট নিয়ে তারা ৬টি লক্ষ্য স্থাপনে সক্ষম হয়। বিপরীতে, অরল্যান্ডো ১১ শটের মধ্যে ৪টি লক্ষ্যে ছিল।

    প্রথমার্ধের শেষের দিকে, ১৮ গজ দূর থেকে মারকো পাসালিচের শটে বল জালে জড়িয়ে অরল্যান্ডো প্রথম লিড নেয়। এই লিড ম্যাচের ৭৭ মিনিট পর্যন্ত থাকলেও, তখনই ঘটে বড় পরিবর্তন। তখন মায়ামির ডিফেন্ডার তাদেও আলেন্দে বড় ভুল করেন; তিনি ব্রেকালোর জার্সি ধরে টানলেও টিভি রিপ্লেতে তা স্পষ্ট ছিল না। এর জন্য ব্রেকালো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়া হয়। এরপর থেকেই অরল্যান্ডো ১০ জনের ফুটবল খেলতে বাধ্য হয়।

    ৬৭ মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান মেসি। সতীর্থ জর্দি আলবার সঙ্গে বল কানেকশনের পর, চতুর্থ কোণের মধ্যে বল নিচে নিয়ে মাটি কামড়ানো শটে গোল করেন তিনি। এই গোলটি অরল্যান্ডো গোলরক্ষককে বিচলিত করে দেয়। এরপর, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, সেগোভিয়া দলের তৃতীয় গোলটি করেন, যেখানে লুই সুয়ারেজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তিনি গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

    এই ৩-১ গোলের জয় শুধু লিগস কাপের ফাইনালই নিশ্চিত করেনি, বরং এটি ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের জায়গাও করে দেয়। আগামী ৩১ আগস্ট ফাইনালে মেসি-সুয়ারেজদের প্রতিপক্ষ হতে পারে এলএ গ্যালাক্সি বা সিয়েটল সাউন্ডার্স এফসি।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় ক্রিকেট লিগের সূচনা

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে, প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীর এসকে এএস স্টেডিয়ামে, যেখানে খেলা হবে খুলনা এবং চট্টগ্রাম দলের মধ্যে। এটি চলবে περίπου তিন সপ্তাহ ধরে, যাতে প্রতিদিন দুইটি করে ম্যাচ থাকছে। প্রথম দুই রাউন্ডের ম্যাচগুলো সম্পন্ন হবে রাজশাহীর পরে বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এবং তারপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই আসরে মোট ১৩ রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার দল প্লে-অফে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই প্রতিযোগিতা তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের বড় এক মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে ভবিষ্যতের ক্রিকেট তারকারা উঠে আসার সুযোগ পাবেন।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    তিন দিনের ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা এবং জাতির তরুণ প্রজন্মের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে গতকাল বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্রছাত্রী। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন স্পষ্ট হয় সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আর বালক বিভাগে জয় লাভ করে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান, যিনি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একদিকে শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবে, অন্যদিকে আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগও বৃদ্ধি পাবে।

    বিশেষ অতিথি জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি বলেন, ‘যারা বিতর্কে জড়িয়ে থাকে তারা ভালো ছাত্র হয়, আর যারা খেলাধুলায় যুক্ত থাকে তারা একজন সুস্থ ও সুন্দর নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।’ অনুষ্ঠানে অন্য অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক মঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    চট্টগ্রামে সম্প্রতি শুরু হয়েছে একটি নতুন আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, যার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোকে বিকেন্দ্রীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিসিবির officials বলছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি এই আঞ্চলিক ক্রিকেট কাঠামো সফল হয়, তাহলে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটাররা নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা বর্তমানে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে সুযোগের বাইরে রয়েছেন।

    হাবিবুল বাশার মন্তব্য করেন, আঞ্চলিক ক্রিকেট থাকলে এখান থেকেই নিজস্ব লিগ এবং টুর্নামেন্টের বিস্তার সম্ভব হবে। এর ফলে তরুণ ক্রিকেটাররা সুযোগ পাবে আরও বেশি করে খেলতে, কারণ ঢাকায় সব সময় খেলার সুযোগ থাকেনা। অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

    তিনি আরও বলেন, রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে গোপন প্রতিভাও উন্মোচন হবে। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের সুযোগ পাবে।

    অকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা দ্রুত এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে ফেলেছি। এটি পুরোপুরি সিজন বা অফ সিজন নয়, বরং এক ধরনের ঝুঁকি নিয়ে শুরু করেছি। ভবিষ্যতের জন্য আমরা একটি পথ তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য।’

    তিনি আরও বলছেন, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনও একসাথে খেলা দেখায়নি। এবার এরা একসাথে খেলতে পারছে, যা শুধু চট্টগ্রামের নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও খুবই ইতিবাচক।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন। স্কুল ক্রিকেটের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং ধাপে ধাপে এটিকে আরও সুদৃঢ় করতে চাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, ক্রিকেট সেন্ট্রালি নিয়ন্ত্রিত হলেও আঞ্চলিক ক্রিকেটের সাথে সংযুক্ত হলে এর বিস্তার আরও বেশি হবে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধু প্রতিযোগিতার জন্য নয়, প্রতিটি জেলায় যেন ক্রিকেটের পরিকল্পিত পরিবেশ গড়ে ওঠে, সেটি লক্ষ্য।

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদরা কেউ কেউ এখনো স্কুলে রয়েছেন। কিভাবে এই প্রতিভাকে সঠিক পথে আনতে হবে, এই নিয়ে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।

  • ভয় কাটিয়ে জোড়া গোল করে মায়ামিকে ফাইনালে নিলেন মেসি

    ভয় কাটিয়ে জোড়া গোল করে মায়ামিকে ফাইনালে নিলেন মেসি

    ইনজুরির কারণে কিছু দিনের জন্য মাঠের বাইরে যাওয়ার পর আবারও অস্বস্তিতে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সেই হয়ে ছিল ফুটবলপ্রেমীদের উদ্বেগ। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) গুরুত্বপূর্ণ লিগস কাপের সেমিফাইনালে আবারও নিজেকে প্রমাণ করলেন তিনি। কোচ হাভিয়ের মাশ্চেরানো তাকে ফেরালেন চাঙ্গা করে, যেখানে এক বিতর্কিত পেনাল্টি সহ জোড়া গোল করে মায়ামির ফাইনালে ওঠার পথ সুগম করলেন মেসি।

    ভোরে চেজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইন্টার মায়ামি ৩-১ গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারিয়েছে। প্রথমে সফরকারী অরল্যান্ডোই লিড নেয়, তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ফলে মেসির জোড়া গোল এবং তেলাস্কো সেগোভিয়ার এক গোলের সৌজন্যে মায়ামি মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে।

    ম্যাচে বল দখলে মায়ামির আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তারা ৫৯ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ এবং ১৪টি শটের মধ্যে থেকে ৬টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে অরল্যান্ডো শট নেয় ১১টি, তবে গোল লক্ষ্যে পৌঁছয় ৪টি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে লিড নেয় অরল্যান্ডো। মারকো পাসালিচ ১৮ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ায়। এই লিড ৭৭ মিনিট পর্যন্ত টেকে। ওই সময়ে অরল্যান্ডো গোলরক্ষক ডেভিড ব্রেকালো তার জার্সি ধরে টেনেছিলেন বলে ডিফেন্সে কিছু বিভ্রান্তি দেখা যায়। তবে রেফারির সিদ্ধান্তে ব্রেকালো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এর ফলে, বাকি সময় অরল্যান্ডো ১০ জনের মধ্যে খেলছিল।

    অতঃপর সফল স্পট কিকে মেসি বল calmly গিয়ে গোল করে ম্যাচের সমতা ফেরান। ৮৮ মিনিটে সতীর্থ জর্দি আলবার সঙ্গে বল পাসের পর বক্সে ঢুকে কোণাকুণি শট নেন মনোযোগী দর্শকদের জন্য। যার ফলেই গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে আসতে পারেননি। সবশেষে, যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সেগোভিয়ার জোড়া গোলের মাধ্যমে মায়ামির জয় নিশ্চিত হয়। লুই সুয়ারেজের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় তিনিও ডি-বক্সে ঢুকে সফল হন।

    এই ৩-১ গোলের জয় মায়ামির জন্য বড় এক কীর্তি। এটি শুধু লিগস কাপের ফাইনালে পৌঁছানোই নয়, বরং ২০২৬ কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের টিকিটও নিশ্চিত করেছে। আগামী ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল, যেখানে মেসি-সুয়ারেজের দল প্রতিপক্ষ হিসেবে লস এঞ্জেলেস গ্যালাক্সি বা সিয়াটেল সাউন্ডার্স এফসির বিরোধী হবে।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল), এর দ্বিতীয় টুয়েন্টি-২০ আসরের সময়সূচী। এই আসরটি ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এবং প্রথম ম্যাচটি দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রিয় দর্শকরা রাজশাহীর মাঠে, যেখানে খুলনা ও চট্টগ্রামের দল মুখোমুখি হবে। এই প্রতিযোগিতা চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে, যেখানে বিভিন্ন ভেন্যুতে ভালো মানের ক্রিকেট উপভোগ করতে পারবেন দেশবাসী। প্রথম দুই রাউন্ডের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী ও বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এরপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই লিগে প্রতিদিন দুটি ম্যাচ হবে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হবে। প্রধান ভেন্যুগুলো হলো রাজশাহীর এসকে স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম এবং সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নকআউট পর্বে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এ পর্বের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই টুর্নামেন্ট তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেকে প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে তারা নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের জায়গা নির্মাণ করতে পারবেন।

  • জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অধীননের অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকায় খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই মিলনমেলা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই জয়ের জন্য তারা সত্যিই গৌরবের পাত্র। খেলাধুলা মন ও শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে, তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবাইকে কঠোর পরিশ্রমে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সাফল্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, যা খুলনার মান মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খুলনা দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী খেলোয়াড়রা হলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল।

  • স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে চোখের জল ঝরল বিসিবি সভাপতি

    স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে চোখের জল ঝরল বিসিবি সভাপতি

    বিসিসি সভাপতি হওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রিকেটের বিকেন্দ্রীকরণে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি।

    নারায়ণগঞ্জে এসে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ফতুল্লা স্টেডিয়ামও পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে তার চোখে জল এল। তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য ছিল এক স্বপ্নের শহর। এখানকার ক্রিকেটের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। আমি যখন নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম, তখন এখানকার ক্রিকেটের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তখন এই এলাকায় বিভিন্ন লিগের আয়োজন হত। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ক্লাবে খেলোয়াড়রা নিয়মিত খেলতেন। এই শহরের ক্রীড়াবিদরা ঢাকায় গিয়ে প্রতিযোগিতা করে আসতেন।”

    বুলবুল আরও বললেন, “এখানে এসে আমি দেখে খুবই দুঃখ পেয়েছি যে, সেই ক্রিকেটের ঐতিহ্য বজায় থাকলেও এখন এই স্টেডিয়ামটি একপ্রকার পরিত্যক্ত। দেশের ক্রিকেটের জন্য এই মাঠের ব্যবহার এখন খুবই কম। এটি দেখে আমার মন কাঁদি।” তিনি উল্লেখ করেন, “ফতুল্লা স্টেডিয়ামের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রয়োজন। খেলোয়াড়দের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো জরুরি। আমি দেখতে পেলাম, এখানে মাত্র তিনটি উইকেট। আমাদের পরিকল্পনা, এই স্টেডিয়ামে অন্তত ২০টি উইকেট তৈরি করার। আগে শুধু নির্দিষ্ট সময়ে ক্রিকেট খেলা হলেও এখন সেটা পুরো বছর চলে। তাই এখানে কোচিং সুবিধা, খেলোয়াড়দের জায়গাসহ অন্য সুবিধাও বাড়ানোর চেষ্টা করব। আশা করি, এক বা দুই বছরের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের এই স্টেডিয়ামের উন্নয়ন হবে, যাতে এখানকার খেলোয়াড়রা বাড়িতে থাকতেই প্রশিক্ষণ নিতে পারে। এর জন্য সব কিছুই আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে। আমি চাই, যা বলি, তা বাস্তবায়ন করতে পারি। এর জন্য আপনাদের দোয়া প্রয়োজন। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমি আইসিসিতে থাকাকালীনও এই যাবতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছি।”

    বুলবুল আরও বলেন, “ক্রিকেট আমার জীবনের ছোট একটা অংশ। আমার সামনে আজ ভবিষ্যতের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বসে আছেন। আমি জানি, এখান থেকে অনেক সম্ভাবনাময় খেলোয়াজ উঠে আসবে, যারা হয়তো আগামী দিনের তামিম বা সাকিব হবে। আমি চাই, নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে, যাতে ক্রিকেটাররা সবসময় খেলাধুলার মধ্যে থাকতে পারেন এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিতে পারেন।”

  • নতুন আইনে ফেঁসে গেল ড্রিম ১১, স্পন্সর হারালো বিসিসিআই

    নতুন আইনে ফেঁসে গেল ড্রিম ১১, স্পন্সর হারালো বিসিসিআই

    ভারতের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি গেমিং কোম্পানি ‘ড্রিম১১’ আজ, সোমবার (২৫ আগস্ট), তাদের স্পনসরশিপ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নতুন আইন অনুযায়ী, অর্থভিত্তিক অনলাইন গেমিং নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। ফলে ভারতীয় ক্রিকেট দলের টাইটেল স্পনসরশিপ এখন খালি, এবং বিসিসিআই নতুন স্পনসর পাওয়ার জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে, চলমান এশিয়া কাপ শুরুর আগে নতুন স্পনসর নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন বোর্ডের কর্মকর্তাগণ।

    রবিবার পিটিআই’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিত সাইকিয়া নিশ্চিত করেছেন, ড্রিম১১ আর ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে পারছে না। তিনি বলেন, ‘‘সরকারি নীতিমালা কঠোর হওয়ায়, ড্রিম১১ বা অন্য কোনো অনুরূপ গেমিং কোম্পানির সঙ্গে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের এখন বিকল্প স্পনসর খুঁজতে হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি; পেলে জানানো হবে।’’

    নতুন ওই আইনের মধ্যে, কেউ অনলাইনে টাকা দিয়ে গেম খেলতে উৎসাহিত করতে পারবে না এবং এই ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়াও নিষেধ। আইন ভেঙে থাকলে এক কোটি রুপি জরিমানা বা তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

    প্রায় এক বছর বাকি থাকলেও, ড্রিম১১ গত বছর তিন বছরের জন্য ভারতীয় জাতীয় দলের (পুরুষ, নারী, অনূর্ধ্ব–১৯ ও অনূর্ধ্ব–২৩) টাইটেল স্পনসর হিসেবে চুক্তি করেছিল ৩৫৮ কোটি রূপিতে (প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার)। তারা এখনো চুক্তি অনুযায়ী এক বছর বাকি থাকলেও, জরিমানা কিংবা অন্যান্য শর্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না।

    বিসিসিআইয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘‘এটি ড্রিম১১য়ের দোষ নয়। সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখনো জরিমানা ধার্য করা হয়নি। তবে স্বল্পমেয়াদে আমাদের আয়ের ওপর প্রভাব পড়বে। আমাদের নতুন পরিকল্পনা করতে হবে।’’

    তিনি আরও জানান, এশিয়া কাপে ভারতের প্রথম ম্যাচের জন্য মাত্র ১৫ দিন বাকি, এই স্বল্প সময়ে নতুন স্পনসর খুঁজে পাওয়া কঠিন। কারণ এই প্রক্রিয়া সময় নেয়, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিড আহ্বান, যাচাই-বাছাই, এবং শেষে বিজয়ী ঘোষণা করতে হয়।

    ড্রিম১১ এর সরে দাঁড়ানোর প্রভাব আইপিএলেও পড়তে পারে। অন্য এক ফ্যান্টাসি কোম্পানি ‘মাই১১সার্কেল’, যারা পাঁচ বছরের জন্য ৬২৫ কোটি রূপির চুক্তি করেছে, তারাও বড় ধাক্কা খেতে পারে। তবে বিসিসিআই মনে করছে, আইপিএলের জন্য এখনও যথেষ্ট সময় রয়েছে। প্রয়োজন হলে নতুন করে প্রক্রিয়া চালু করা যাবে।