Category: খেলাধুলা

  • নিজের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন জ্যোতি

    নিজের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন জ্যোতি

    সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়িকা নিগার সুলতানা জ্যোতির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন পেসার জাহানারা আলম। তবে বিসিবি ওই অভিযোগগুলোকে অস্বাভাবিক ও ভিত্তিহীন বলে বিবৃতি দেওয়া হয়। এবার নিজেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন জ্যোতি। তিনি অভিযোগগুলো অ্যাভোড করে সরাসরি উষ্ণ বাক্যে পাল্টা আঘাত করেছেন।

    অভিযোগের তালিকায় ছিল সিনিয়র ক্রিকেটারদের অপমান, জুনিয়র ক্রিকেটারদের গায়ে হাত তোলা এমন গুরুতর বিষয়গুলো। জ্যোতি এখন পরিষ্কারভাবে এসব বিষয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করেছেন। নিজের ফেসবুক পাতায় তিনি কোনও ব্যক্তির নাম না উল্লেখ করে লিখেছেন, “কিছু বলছি না মানে এই না আমি বলতে পারি না, আবার বলার কিছু নেই—এমন!” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের এই দলটা আমাদের সবার। আমাদের দলের সফলতা যখন খুব ভালো চলছিল, তখনই কিছু নেগেটিভ মন্তব্য, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, ক্ষোভ ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার হচ্ছে!

    তিনি বলেন, দলের বাইরে থাকায় কেউ কেউ বিষোদগার করছে, যা সত্যিই অবাক করার মতো। তিনি বলেন, যারা এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তারা এক সময় দলের ভালোবাসায় থাকতেন, দলটাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। অনেক ওঠানামা দেখেছেন, অনেক অর্জন ও ব্যর্থতা সম্মিলিত। কিন্তু যখন কেউ দল থেকে বাদ পড়ে বা ফর্মে থাকেন না, তখন তারা অপ্রিয় হয়ে যায়, এবং সেই দলে থাকা মানুষ, পরিবেশ সবকিছুই খারাপ লাগতে শুরু করে।

    জ্যোতি এই সময়ে পাশে থাকা সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাদের প্রতি আস্থা এবং শ্রদ্ধা থেকেই এই দল গড়ে উঠেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গুজব ও অপপ্রচারে সাময়িক আলোচনার জন্য কিছু হলেও ফলাফল হবে না।

    এর আগে বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমান জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক, খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মনগড়া ও অসত্য। বোর্ড এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন বাংলাদেশ নারীর দল আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং একতা দেখিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপ শেষে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল দেশে ফিরেছে। দলটি এই আসরে বিশেষ পারফরম্যান্স করতে পারেনি। ৭ ম্যাচ খেলেও কেবল একটিতে জয় পেয়েছে। টুর্নামেন্টের শেষে তারা আট দলের মধ্যে সপ্তম স্থানে থেকে প্রত্যাবর্তন করেছে।

  • বিসিবি স্বীকার করলো কোচ সালাউদ্দিনের পদত্যাগ

    বিসিবি স্বীকার করলো কোচ সালাউদ্দিনের পদত্যাগ

    ক্রিকেট কাণ্ডপ্রাঙ্গণে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের পদত্যাগের ব্যাপার। বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষের সাথে সাথে তিনি দায়িত্বে থাকছেন না। বিসিবির একটি সূত্র জানান, তারা তাকে সরিয়ে রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে, তবে কিছু সময় পরই বোর্ড নিশ্চিত করে যে সালাউদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে। এই মাসের মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য, এবং এই সিরিজের পরই শেষ হবে সালাউদ্দিনের কোচিং অধ্যায়। তিনি গত নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বার বাংলাদেশের সহকারী কোচ হিসেবে যোগদান করেছিলেন, এই দায়িত্বে তিনি প্রথমবারের মতো ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সহকারী ও ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরে ২০১০-১১ সালে তিনি বিসিবির ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির বিশেষজ্ঞ কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন।

    বিসিবি সূত্র জানায়, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিমের ভাষায়, ‘আয়ারল্যান্ড সিরিজের পর তিনি পদত্যাগ করতে চান বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অভ্যন্তরীণ আলোচনা করছি।’ এটি নিশ্চিত করে বোর্ডের নির্বাহী সদস্যরা।

    প্রথমবারের মতো ২০০৬ সালে বাংলাদেশ দলের সহকারী ও ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, ২০১০-১১ সালে আবারো দায়িত্ব পালন করেন সালাউদ্দিন। তার অধীনে অনেক সময় দলের ব্যাটিংয়ের পারফরম্যান্স প্রত্যাশিত মানের ছিল না। সাম্প্রতিক সিরিজে তার শুরুর সময়ের তুলনায় দলের ব্যাটিং অত্যন্ত অনিয়মিত।

    সোমবার বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে জানানো হয়, আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলকে। এই সময়ে সালাউদ্দিনের সঙ্গে বোর্ডের চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত, তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২৫-এর উদ্বোধনী দিনে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

    দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২৫-এর উদ্বোধনী দিনে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব জয়ী

    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগ ২০২৪-২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার সকাল ৯টার দিকে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার জেলা প্রশাসক ও ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক জনাব মোঃ তৌফিকুর রহমান, যিনি লীগের উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী খান। এছাড়া অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাস, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ আলীমুজ্জামান, সদস্যরা মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শাহ্ আসিফ হোসেন রিংকু, মোঃ সাইফুল ইসলাম, শাহনাজ খাতুন, বিসিবি প্রশিক্ষক সামছুল আলম রনি, বিভিন্ন দলের কর্মকর্তা ও অংশগ্রহণকারীরা। সভার সভাপতিত্ব করেন ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগ পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এস এম জাকির হোসেন এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ আজিজুর রহমান জুয়েল।

    উদ্বোধনী ম্যাচে খুলনা স্টেডিয়ামে বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাব প্রথমে ব্যাট করে ৪৭ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২২৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ইয়ং বয়েজ ক্লাব ২১ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৭৩ রান করে। বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাবের সাকিব হোসেন অপরাজিত ৫৭ রান ও ফয়সাল জাহান ৪১ রান করেন। অন্যদিকে, ইয়ং বয়েজের আল মামুন ২৪ রানে ২ উইকেট নেয়। খেলায় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন আল মামুন, শুরু থেকে দুর্দান্ত দক্ষতায় ৪ উইকেট লাভ করেন বর্ণমালা স্পোর্টিং ক্লাবের আবু রায়হান, যিনি ২০ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন।

    আজকের খেলা হচ্ছে ২৯নং ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্র বনাম খুলনা রয়েল বেঙ্গল দলের মধ্যে। খেলাটি যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ ও ক্রীড়া অনুরাগীদের জন্য এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উত্তেজনাপূর্ণ আসরে রূপ নিয়েছে।

  • দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে খুলনা রয়েল বেঙ্গলের জয়

    দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে খুলনা রয়েল বেঙ্গলের জয়

    খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগে দুর্দান্ত এক জয় অর্জন করেছে খুলনা রয়েল বেঙ্গল। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই খেলায় তারা ৬ উইকেটে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্রকে হারায়। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড ক্রীড়া চক্র নির্ধারিত ২০ ওভারে সব wickets হারিয়ে মাত্র ৫৮ রান সংগ্রহ করে। পাল্টা আক্রমণে খুলনা রয়েল বেঙ্গল ১৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৫৯ রানের লক্ষ্য সফলভাবে অর্জন করে। এই জয়ে দলের খেলোয়াড় হাফিজ ৭ রানে ৩ উইকেট সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, আর নাহিয়া অপরাজিত থেকেও সর্বোচ্চ ২৯ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। আগামীকাল শুক্রবার নতুন ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে নিউ ইয়ং মুসলিম স্পোর্টিং ক্লাবের বিরুদ্ধে, যা রঘুনাথপুর রয়েল এ্যাশ ক্রিকেট একাডেমির সঙ্গে হবে।

  • পাওয়েল-শেফার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    পাওয়েল-শেফার্ডের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জিতল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সহজ জয়ের পথে ছিল নিউজিল্যান্ড। শুরুতে, তারা ২০৮ রানের বড় লক্ষ্য নিয়েছিল। ১৩তম ওভারে যখন রোস্টন চেজকে ফেরান মিচেল স্যান্টনার, তখন স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৯৩ রান, যা সহজ জয়ের প্রত্যাশা তৈরি করেছিল। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় পাওয়েল ও শেফার্ডের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। তারা সপ্তম উইকেটে যোগ করেন ৬২ রান। শেফার্ড ১৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হলে, ম্যাথু ফোর্ড পুঁজি বাড়াতে শুরু করেন। শেষ ওভারে উইন্ডিজের দরকার ছিল মাত্র ১৬ রান। এই সময়ের মধ্যে পাওয়েল ষোলো বলে ৪৫ রান করে দারুণ এক ইনিংস খেলেন। প্রথম তিন বলে দুটো চার মেরে পরিস্থিতি আবার চাপের বাইরে নিয়ে যান ফোর্ড। তবে চতুর্থ বলেই পাওয়েলকে ফিরিয়ে স্বস্তিতে ফেরান স্পিনার শর্ট। এর পরে, ক্যারিবিয়ানের জয় নিশ্চিত করে কাইল জেমিসন দুটি রান দিয়ে শেষ করেন। ফোর্ড ইনিংস খেলেন ১৩ বলে ২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। এর আগে, আলিক অ্যাথানেজ ৩৩ রান করেন। ক্যারিবিয়ানের দল ৮ উইকেটে ২০৪ রানে থামে। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে তারা প্রথমে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে। তবে ইয়্যাশ পাওয়েল ঝড়ো batting করে দলের স্কোর টেনে তুলেন। তিনি ১৬ বলের ব্যবধানে ৪৫ রান করেন, যেখানে ১টি চার ও ছয় ছয়ে তিনি দারুণভাবে ব্যাটিং করেন। শেষ দিকে ড্যারিল মিচেল ১৪ বলে ২৮ ও স্যান্টনার ৮ বলে ২ ছয়ে ১৮ রান করেন। ফলে স্বাগতিকরা ২০৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে, সিরিজে সমতা ফেরে ১-১ এ। এই ম্যাচে পাওয়েল ও শেফার্ডের অসাধারণ পারফরম্যান্স হুগ করে ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয়।

  • জামায়ात যুব বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনীতে মাহফুজ

    জামায়ात যুব বিভাগের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনীতে মাহফুজ

    মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ক্রিকেট বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। এই ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ সমাজের মধ্যে সুস্থ এবং সুন্দর পরিবেশ গড়ে উঠবে। তিনি আরও ব্যক্ত করেন, তিনি চান এখান থেকেই উঠে আসুক দেশের ভবিষ্যতের তারকা ক্রিকেটাররা।

    গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় নগরীর খালিশপুরস্থ পিপলস জুট মিলসের পাঁচতলা কলোনি মাঠে মহানগর জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের মধ্যে আন্তঃওয়ার্ড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা প্রদান করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নগর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি মুকাররম আনসারী, এবং পরিচালনা করেন সেক্রেটারি হামিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, নগর জামায়াতের সেক্রেটারি এড. জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলाल, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ইকবাল হোসেন, মুশাররফ আনসারী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুনাওয়ার আনসারীসহ আরও বেশ কয়েকজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা করে-অভিনেতা আব্দুস সালাম, জাহিদুর রহমান নাইম, হামীদুল ইসলাম খান, মাওলানা মহিউদ্দিন, আরিফ বিল্লাহ, আব্দুল জলিল হিমেল, কাজী বায়েজিদ, আমিনুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান জুনায়েদ, ইমদাদ হোসেন ও ওয়ালিউল্লাহ প্রমুখ।

    উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেন ৪৬টি দল। প্রথম ম্যাচে ১২নং ওয়ার্ডের দল বনাম ৭নং ওয়ার্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ৭নং ওয়ার্ড টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ১২ ওভারের খেলায়, ১২নং ওয়ার্ড প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ৯২ রান করে। জবাবে, ৭নং ওয়ার্ড ৭ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান করে। ফলে ১২নং ওয়ার্ড ২১ রানে জিতে যায়।”

  • অফিসের মাঝেই ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছেন আফিফ

    অফিসের মাঝেই ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছেন আফিফ

    জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম রাউন্ডে বরিশালের বিপক্ষে শুন্য দাপটের সঙ্গে জয় পেয়েছিল খুলনা। চার দিনের ম্যাচটি আড়াই দিনে শেষ করে জয় নিশ্চিত করে মোহাম্মদ মিঠুনের দল। সেই ম্যাচে দুই ইনিংসেই অসাধারণ স্পিন বোলিং দেখিয়েছেন খুলনার অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন। এই পারফর্মেন্সের পর তিনি বড় ছুটিতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    প্রথম রাউন্ডে ৮ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরা হন আফিফ। যদিও তার পারফর্ম্যান্সের কারণে দ্বিতীয় রাউন্ডের দল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে খবর উঠলেও বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। অনেকেরই মনে হয়েছিল, মেহেদী হাসান মিরাজের দ্বৈত দলে ফিরায় আফিফের জায়গাটা সংকুচিত হয়েছে। তবে এর পেছনে এক কারণ রয়েছে।

    আফিফ বোর্ডের কাছে ১৫ দিনের ছুটি চেয়ে ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদন করেন, যা বিসিবি মঞ্জুর করেছে। এর পেছনে কারণ, আবারও বাবা হচ্ছেন তিনি। ফলে পরিবারের পাশে থাকতে কিছুদিনের জন্য ক্রিকেট থেকে বিরতি নিতে হচ্ছে তাকে। এই ছুটির পর সম্ভবত চতুর্থ রাউন্ড থেকে আবার খেলার মাঠে ফের ফিরবেন আফিফ।

    এর আগে, লাল বলের এনসিএলে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে বরিশালের বিপক্ষে খেলার সময় আফিফ হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১০.৫ ওভার বল করে ৩১ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার রাজেশ বনিকের মৃত্যু

    সড়ক দুর্ঘটনায় ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার রাজেশ বনিকের মৃত্যু

    ত্রিপুরার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও দলের সাবেক অধিনায়ক রাজেশ বনিক অকালেই চলে গেছেন। মাত্র ৪০ বছর বয়সে পশ্চিম ত্রিপুরার আনন্দনগরে এক বেদনাদায়ক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি প্রাণ হারান। রাজেশের মৃত্যুর খবর শোকে ভারি পুরো ক্রিকেট অঙ্গন।

    রাজেশ বনিক ত্রিপুরার জন্য ৪২টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ এবং ২৪টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছিলেন। তিনি দলের নেতা ছিলেন এবং খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পরে অনূর্ধ্ব-১৬ দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার যদিও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খুব বেশি পরিচিতি পাননি, তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তিনি একজন সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৫ দলে গৌরবোজ্জ্বলভাবে খেলেছেন তিনি, সঙ্গে ছিলেন আম্বাতি রায়ডু এবং ইরফান পাঠানের মতো তারকাদের সঙ্গে। ২০০০ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের অনূর্ধ্ব-১৫ আসরে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সফরেও গিয়েছিলেন।

    জাতীয় পর্যায়ে বড় সাফল্য না পেলেও, ত্রিপুরা দলের হয়ে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অসংখ্য ম্যাচ খেলেছেন তিনি। সেই সময়ে তিনি দলের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন। তার ক্রিকেট জ্ঞানের কারণে পরে তাকে বয়সভিত্তিক দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    রাজেশের মৃত্যুতে আজ আগরতলায় বাংলার বিপক্ষে রাঞ্জি ট্রফির ম্যাচে ত্রিপুরার ক্রিকেটাররা কালো ফিতা পরে খেলেছেন। শনিবার ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তরে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এক বিশেষ আয়োজনের আয়োজন করা হয়।

    ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুভ্রত দে বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে আমরা একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার ও অনূর্ধ্ব-১৬ দলের নির্বাচককে হারালাম। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।”

  • দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে প্রথমবার ভারতের নারী বিশ্বচাম্পিয়ন

    অভিজ্ঞতা এবং দৃঢ় মনোবলের মাধ্যমে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল তাদের প্রথমবারের মতো নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ইতিহাস গড়ল। এর আগে ভারত দুবার ফাইনালে পৌঁছালেও শিরোপা এই প্রথম তাদের ঝুলিতে উঠল। এই গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, যা ৫২ রানের ব্যবধানে হার মানল।

    ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে যাওয়া হতাশা কাটিয়ে এবার ভারতের নারী ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রমাণ করলেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের কাছে উড়ে যাওয়া স্বপ্নও শেষ হয়েছিল সেই সময়; কিন্তু এবার ভারতের নারী দল তাদের পরিশ্রম, ডেডিকেশন এবং দলের একতায় এক অনন্য শিরোপা জিততে সক্ষম হয়েছে।

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে বাদ দিয়ে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হলো। সাধারণত এই দুই দেশই এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশ নিতো, তবে এবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীরা থাকলেন বাইরে। ফলে নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা হলো ভারতের নাম।

    ২ নভেম্বর, রোববার সকালে nariz ধনী ম্যাচটি মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে শুরু হয়। টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের শুরুটা ছিল অসাধারণ, স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি বর্মার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৪ রানের দুর্দান্ত শুরু। তারা দুইজনই ফিফটি করে দলের স্কোর বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এই জুটির উপর ভিত্তি করে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে।

    বিরুদ্ধ দলের জন্য এই রান মনে হতে পারে চ্যালেঞ্জিং, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার লরা ভলভার্ট ও তাজমিন ব্রিটস শুরুতেই বেশ ধীরগতিতে খেলতে থাকেন। তবুও তারা প্রথম উইকেটের জন্য ৫৭ বলে ৫১ রান যোগ করেন। এরপর ব্রিটস ২৩ রান করে রান আউটে পরিণত হন। পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা যথেষ্ট সুবিধা করতে না পারায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং অচল হয়ে পড়ে। লরা ভলভার্ট একাই লড়ে যান এবং এক সময় তিনি সেঞ্চুরি করেন—তবে শেষ পর্যন্ত ৯৮ বলে ১০১ রান করে আউট হন।

    বাকিদের ব্যর্থতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাদের ইনিংস ৪৫ ওভারে ২৪৬ রানে গুটিয়ে যায়, ফলে ভারত তাদের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে।

    খেলার শুরুতেই বৃষ্টির কারণে ফাইনালের টস বিলম্ব হয় এবং ম্যাচও দেরিতে শুরু হয়। ভারতীয় দলের শুরুটা ছিল খুবই প্রাণবন্ত, ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা এবং শেফালি বর্মার ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান আসে। স্মৃতি ৩৫ বলে ৪৫ রান করেন, তার বিদায়ের পর জেমিমা রদ্রিগেজ মাঠে নামেন ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সে সময়ে তিনি ৮৭ রান করেন। এর মধ্যেই দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরা কিছু সুবিধা করতে পারেননি।

    দলের স্কোর ২৯২ পর্যন্ত পৌঁছলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা তাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি। তাদের ইনিংস শেষ হয় ২৪৬ রানে, এক বিশাল ব্যবধানে হার স্বীকার করে।

    অভিনন্দন জানানো হয়েছে ভারতীয় দলের সব সদস্যকে, যারা ধারাবাহিক কঠোর পরিশ্রম এবং মনোবল দিয়ে এই ইতিহাস গড়েছেন। দেশের প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠেছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ teams এর মধ্যে দাগ কেটে থাকবে বিচিত্র ইতিহাসের পাতায়।

  • রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    রুবাবা দৌলাকে বিসিবির নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ

    উদ্যোক্তা ও প্রখ্যাত ক্রীড়া সংগঠক রুবাবা দৌলা বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সোমবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে মনোনীত করেছে। আজ বোর্ডের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তিনি নতুন পরিচালক হিসেবে যোগ দেবেন।

    রুবাবা দৌলা এখন বিসিবির দ্বিতীয় নারী পরিচালক। এর আগে, এনএসসির মনোনয়নে বোর্ডে যোগ দিয়েছিলেন ইশফাক আহমেদ। তবে, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তার মনোনয়ন বাতিল হলে, রুবাবাকে নতুন করে এই পদে মনোনীত করা হয়।

    অতীতে, তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গ্রামীণফোনে ১১ বছর ধরে প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ও প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর হয় গ্রামীণফোন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতায়, রুবাবা ঢাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও, স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিক্স এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আঞ্চলিক মান্যতায় পরিচিত। শিল্পী কামরুল হাসানের ভাতিজি এবং বিখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী ফিরোজা বেগমের ভাতিজি তিনি। বাংলাদেশের নারীদের বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে, ২০০৬ সালে তিনি অনন্যা শীর্ষ দশ নারী পুরস্কার অর্জন করেছেন।