Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ টেস্টে আম্পায়ার হলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ টেস্টে আম্পায়ার হলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন গর্বের অধ্যায় যোগ হলো। প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য গর্বের কোনও ব্যাপার হয়ে উঠেছেন, কারণ এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উপস্থিতির এক বিশাল মানদণ্ড।

    এই দারুণ সুযোগ পেয়ে প্রশংসায় ভাসান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। তিনি নিজের ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। এটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এক গর্বের ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সিরিজে আপনার মতো একজন বাংলাদেশির অংশগ্রহণ সত্যিই অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। আমি আশা করি, আপনার সফলতা অন্য আরও অনেক ক্রিকেটারকে inspired করবে এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি ট্যালেন্ট এই উচ্চতানে পৌঁছাতে পারবে।’

    ইমরুলের এই উচ্ছ্বাস আর গর্বের প্রকাশটাই দেখিয়ে দেয়, এ ধরণের অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সফলতা নয়, এটি জাতির জন্য সম্মানের বিষয়।

    অ্যাশেজ সিরিজের গুরুত্ব বুঝতেই পারি, যেখানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ও মনোমুগ্ধকর দিকগুলোর মধ্যে একটি এটি। বাংলাদেশের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মানে হলো আন্তর্জাতিকমানের স্বীকৃতি। এর আগেও সৈকত ধারাবাহিকভাবে বিশেষ কিছু ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা আর পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেয়েছেন, যেখানে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের ম্যাচে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারের জন্য এক নতুন দূরত্বের সূচনালগ্ন। সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সিরিজগুলোতে আম্পায়ার করা মানে হল সব প্রতিযোগিতায় শীর্ষ পর্যায়ের স্বীকৃতি, আর এখন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই সম্মান অর্জন করেছেন শরফুদ্দৌলা সৈকত। এটি নিশ্চিতভাবেই দেশের জন্য একটা বড় অর্জন, যা দেশের অন্যান্য তরুণ আম্পায়ারদের জন্যও অনুপ্রেরণা জুগাবে।

  • আশরাফুল থাকবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্যাটিং কোচ

    আশরাফুল থাকবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্যাটিং কোচ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রকাশ করেছে যে, জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুলের দীর্ঘমেয়াদে নিয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি, তাকে আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব দিয়ে রাখতে যাওয়া হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন আশরাফুল। তার কাজের ধরন এবং দক্ষতা দেখে বোর্ডের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সে জাতীয় দলের সঙ্গে ক্যানের মতো থাকবে।’ তিনি যোগ করেন, কত বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে, একটি সূত্র জানায়, আলোচনা হয়েছে চট্টগ্রামে সিরিজ শেষে। সেখানে আশরাফুলের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই এ ব্যাপারে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি করতে সম্মত হয়েছেন।

    আশরাফুলের কোচিং ক্যারিয়ার দীর্ঘদিনের নয়। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রংপুর রাইডার্সে মিকি আর্থারের সহকারী কোচ ছিলেন। এছাড়া, গ্লোবাল টি২০ টুর্নামেন্টে রংপুরের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশীয় ক্রিকেটে তার কোচিং অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত, যেমন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বরিশাল দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

    বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও। একই সঙ্গে, ৬ ডিসেম্বর থেকে মিরপুরে এক সপ্তাহের জন্য টি২০ ও ওয়ানডে দলের batters নিয়ে ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পে উপস্থিত থাকবেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, সহকারী কোচ সালাউদ্দিন ও নতুন দায়িত্বে থাকা ব্যাটিং কোচ আশরাফুল।

  • ফকিরহাটে আট দলীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

    ফকিরহাটে আট দলীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

    ফকিরহাটে আট দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আটটি কিলোমিটার দীর্ঘ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় কাজী আজহার আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার শুভ সূচনা করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন। তিনি বেলুন, ফেস্টুন উড়িয়ে ও কবুতর উড়িয়ে খেলাধুলার এই মহোৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির পাশাপাশি এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আইরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহনেওয়াজ মেহেদী, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হুসাইন আহম্মেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ তৈয়বুর রহমান।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আট্টাকী যুব সংঘের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যরা শেখ মুশফিকুজ্জামান রিপন, মো: জিয়াউর রহমান জিয়া, ইউপি সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শেখ সৈয়দ আলী, ক্লাবের সভাপতি তৈয়বুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মামুন ফকির, সহ-সভাপতি তানভীর ইসলাম লিমন, রবীফকিরসহ অন্যান্যরা। খেলোয়াড়রা এ উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে। খেলায় নৈহাটী সান স্পোটিং ক্লাব ২-০ গোলের ব্যবধানে খুলনা টাইগার ক্লাবকে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন মো: মিরাজ সরদার, সহকারী ছিলেন সুমন রাজু ও জসিম। এই পরিবেশে দেশের ও বিদেশের খেলোয়াড়দের খেলা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক ভিড় করেন এবং মাঠে উপভোগ করেন এই সুন্দর প্রতিযোগিতা।

    বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন বলেন, এ ধরনের খেলাধুলা সমাজকে সুন্দর করে তোলে, যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক হয়। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা যুবকদের সহনশীলতা, teamwork ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সমাজের সমন্বয় সাধনে সহায়ক।

  • সাধारण গ্রুপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, কঠিন লড়াইয়ে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া

    সাধारण গ্রুপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, কঠিন লড়াইয়ে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া

    দুই ঘণ্টারও বেশি সময়ের নিরীখ ড্রয়ের পর অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ বিভাজন। চ্যাম্পিয়ন দল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সহজ গ্রুপে পড়েছে, যা আকর্ষণীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছে। ব্রাজিলকে দেওয়া হয়েছে মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা জায়গা করে নিয়েছে অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডানের সঙ্গে। উভয় দলের প্রথম ম্যাচ হবে যথাক্রমে মরক্কো ও আলজেরিয়ার বিপক্ষে।

    ড্রের শুরুতে বিশেষ উপস্থিতি ছিলেন তিন দেশের প্রধান—কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—যারা নিজ নিজ দেশের নাম ঘোষণা করেন। এই তিন দেশই ইতিমধ্যে তাদের গ্রুপ নিশ্চিত করেছিল: মেক্সিকো ‘এ’ গ্রুপে, কানাডা ‘বি’ গ্রুপে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ‘ডি’ গ্রুপে খেলবে। এরপর বাকি দলগুলোকে নির্ধারণের জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

    প্রথম পটের দল হিসেবে ব্রাজিল সি গ্রুপে এক নম্বর স্থান পায়, তারপরে জার্মানি ই গ্রুপে, নেদারল্যান্ডস এফ গ্রুপে, ব্লাজিয়াম গোষ্ঠী জি, স্পেন এইচ, আর্জেন্টিনা জে, ফ্রান্স আই, পর্তুগাল কে, এবং ইংল্যান্ড এল গ্রুপে অবস্থান করে। ফাইনালে দেখা হবে না শীর্ষ দুই র‌্যাংকিংধারী দল—স্পেন ও আর্জেন্টিনা—যদি তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়। একই পরিস্থিতি দেখা যেতে পারে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও।

    দ্বিতীয় পট থেকে বিভিন্ন দল চূড়ান্ত হয়েছেন, যেমন কোরিয়া এ গ্রুপের তিন নম্বর স্থান, সুইজারল্যান্ড বি গ্রুপের চার নম্বর, মরক্কো সি গ্রুপের দ্বিতীয়, অস্ট্রেলিয়া-আমেরিকা ডি গ্রুপের tercera, ইকুয়েডর ই গ্রুপে, জাপান এফ গ্রুপে, ইরান জি গ্রুপে, উরুগুয়ে এইচ গ্রুপে, সেনেগাল আই গ্রুপে, অস্ট্রিয়া জে গ্রুপে, পর্তুগাল কে গ্রুপে, কলম্বিয়া এল গ্রুপে, দক্ষিণ আফ্রিকা এ গ্রুপে, কাতার বি গ্রুপে, প্যারাগুয়ে ডি গ্রুপে, আইভরি কোস্ট ই গ্রুপে, তিউনিসিয়া এফ গ্রুপে, মিশর জি গ্রুপে, স্কটল্যান্ড সি গ্রুপে, সৌদি আরব এইচ গ্রুপে, আলজেরিয়া জে গ্রুপে, উজবেকিস্তান কে গ্রুপে, পানামা এল গ্রুপে, নরওয়ে আই গ্রুপে, ডেনমার্ক বা অন্য দলের অনুসারে, নর্থ মেসিডোনিয়া বা অন্য দলের মতো বিভিন্ন দল আরও নির্ধারিত হয়েছে।

    এই বিভাজনে মোট ৩২টি দল বিভক্ত হয়েছে, এবং প্রতি গ্রুপে চারটি দলের সমন্বয়ে মৌলিক লড়াই শুরু হবে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দল পরবর্তী রাউন্ডে উঠবে, যেখানেকের মধ্যে শক্তিশाली প্রতিযোগিতা ও উত্তেজনা চলবে প্রতিযোগিতার অবশ্যম্ভাবী অংশ হিসেবে।

  • ডোনাল্ড ট্রাম্প পেলেন ফিফা শান্তি পুরস্কার

    ডোনাল্ড ট্রাম্প পেলেন ফিফা শান্তি পুরস্কার

    অবশেষে এক বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হলেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্ব ফুটবল সংস্থার (ফিফা) নতুন একটি পুরস্কার, যা হচ্ছে ‘ফিফা পিস প্রাইজ’, এর প্রথম প্রাপক হিসেবে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার ওয়াশিংটনে ২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থাকা জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিজে তার হাতে এই পুরস্কারটি তুলে দেন।

    জন এফ. কেনেডি সেন্টারে প্রবেশের সময় কালো লাল গালিচায় পদচারণায় সেখানে উপস্থিত হয় একের পর এক ফুটবল তারকারা। তবে এর অন্যতম দৃষ্টি কোনওভাবে দাঁড় করিয়েছিল আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে। ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে সঙ্গে নিয়ে লাল গালিচা দিয়ে তিনি অতিথির আসন গ্রহণ করেন। এরপর উচ্ছ্বসিত ভাষণে ইনফান্তিনো অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান এবং এর পরে ট্রাম্পের হাতে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ তুলে দেওয়া হয়।

    পুরস্কার জেতার সময় নিজের গলায় পদক ঝুলিয়ে, ট্রাম্প এক স্বাভাবিক সাহসিকতার সঙ্গে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। পাশে থেকে ইনফান্তিনো পুরস্কার ও স্বাগত ভাষণের অংশের পড়া শোনান।

    পুরস্কার গ্রহণের পর ট্রাম্প বলেন, পৃথিবী এখন অনেক বেশি নিরাপদ। এটি সত্যিই আমার জীবনের অন্যতম বড় সম্মান। আমি মনে করি আমরা লাখ লাখ জীবন রক্ষা করেছি, যেমন কঙ্গো, যেখানে যুদ্ধসহ নানা সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে। ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সংঘাতও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে এই শান্তি প্রয়াসের মাধ্যমে। ইনফান্তিনো ও তার দল এক অসাধারণ কাজ করে চলেছেন। টিকিট বিক্রিতে তারা রেকর্ড গড়েছেন, যা ফুটবল প্রেমীদের জন্য একটি গর্বের বিষয়।

    গত মাসে ফিফা এই পুরস্কারের ঘোষণা দেয়, যেখানে বলা হয়—বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘অসাধারণ ও ব্যতিক্রমী ভূমিকা’ পালন করেছেন যারা তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হবে। এর মধ্যে ট্রাম্পের নামও শোনা যায় মনোনীত হিসেবে। যদিও, নোবেল শান্তি পুরস্কার এই বছর ট্রাম্পকে দেওয়া হয়নি, তবুও তিনি দাবি করেন যে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাতের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    গত কয়েক মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে অন্তত ছয়বার একসঙ্গে দেখা গেছে। রুয়ান্ডা ও কঙ্গোতে শান্তি চুক্তির অনুষ্ঠানে প্রথম সারিতে ছিলেন ট্রাম্প। এর আগে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই দুই কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়। এমনকি ট্রফি উদযাপনের সময় মঞ্চে উঠে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ট্রফি গ্রহণ করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ফিফা তাকে আসল ট্রফি উপহার দিয়েছে, এবং এর পরবর্তী ম্যাচের জন্য নতুন ট্রফি বানানো হয়েছিল।

    অগস্ট মাসে হোয়াইট হাউসে ২০২৬ বিশ্বকাপের ড্র ভেন্যু ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও যদি চান, তিনি উপস্থিত থাকবেন এই মহাযজ্ঞে—যদিও এখনো রাশিয়া নিষিদ্ধ থাকলেও। এছাড়া, সম্প্রতি গাজা যুদ্ধবিরতি বিষয়ক অনুষ্ঠানে ইনফান্তিনো বলেন, ট্রাম্প বিশ্ব শান্তির পথে দেয়াল ভেঙে সেতু নির্মাণ করেছেন।

    নভেম্বরে আবারো ইনফান্তিনো তাঁর সঙ্গে দেখা করেন, যা ছিল ২০২৬ বিশ্বকাপের দর্শকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করার আনুষ্ঠানিকতা।

    ২০২৬ সালের ১১ জুন শুরু হবে এই বিশাল কান্ট্রি কাপে, যা ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে। এটি এখন तक কালের সবচেয়ে বৃহৎ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে, যেখানে অংশ নিচ্ছে রেকর্ড সংখ্যক ৪৮টি দল।

    ইনফান্তিনো তার প্রশংসা প্রকাশ করে বলেন, ট্রাম্প ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে অসাধারণ সহায়তা করেছেন। তার শক্তি, উদ্যম এবং প্রতিশ্রুতি এ উপলক্ষে সত্যিই প্রশংসনীয়। ফুটবল বিশ্বের অনেক তারকাও ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্সের সম্মানে হোয়াইট হাউসের ভোজে অংশ নেওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেন, তিনি এমন একজন, যিনি বিশ্বকে বদলে দিতে পারেন।

  • শীর্ষ আটে মোস্তাফিজ, ইমনের লম্বা লাফ রেজাল্ট

    শীর্ষ আটে মোস্তাফিজ, ইমনের লম্বা লাফ রেজাল্ট

    আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ ম্যাচ ও পুরো সিরিজ শেষে প্রকাশিত আইসিসির নতুন টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের জন্য বেশ সুখবর এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের তারকা মোস্তাফিজুর রহমান দুর্দান্ত পারফর্ম করে দুই ধাপ এগিয়ে এখন তালিকার অষ্টম স্থানে স্থান করে নিয়েছেন। সিরিজের শেষ ম্যাচে তিনি দুর্দান্ত বোলিং করেন, মাত্র ৩ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে নজর কাড়েন সবাইকে। এই পারফর্মেন্সের ফলে তিনি ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান থেকে এখন র‍্যাংকিংয়ের পঞ্চম থেকে থ্রিডির দূরত্বে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের মধ্যে শীর্ষ বোলার হিসেবে স্থান পেয়েছেন।

    ওই সিরিজে ব্যাটসম্যানদের তালিকায়ও বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস। পারভেজ হোসেন ইমন ২১ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩৮তম স্থানে পৌঁছেছেন। শেষ দুই ম্যাচে ৪৩ ও ৩৩ রান করে তিনি এই অবস্থানে উঠেছেন। অন্যদিকে, শেখ মেহেদি হাসান তিন ধাপ এগিয়ে ১৪তম স্থানে এসেছেন। রিশাদ হোসেনও দারুণ করেছে, প্রথম ও শেষ ম্যাচে চার উইকেট নেন এবং এবার ১৫তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    নাসুম আহমেদও আছেন উন্নতির শিখরে, তিনি পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৫ নম্বরে পৌঁছেছেন। তানজিম হাসান সাকিব দুই ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৩৫তম স্থানে অবস্থান করছে।

    আয়ারল্যান্ডের বোলারদের মধ্যেও বাংলাদেশিদের মতই উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। মার্ক অ্যাডায়ার ১৩ ধাপ লাফিয়ে ৫০ নম্বরে উঠে আসেন। ম্যাথিউ হামফ্রিজ ৭৩তম ও ব্যারি ম্যাকার্থি ৭৪তম স্থানে অবস্থান করে যথাক্রমে ৪০ ও ২১ ধাপ উন্নতি করেছেন।

    টি-টোয়েন্টি বোলারদের শীর্ষে রয়েছেন ভারতের ভারুন চক্রবর্তী। পাকিস্তানের আবরার আহমেদ ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান হিসেবে চতুর্থ স্থানে পৌঁছেছেন।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায় পাকিস্তানের সাইম আইয়ুব ১২ ধাপ উন্নতি করে এক নম্বর position ধরে রাখছেন। তার পাশে রয়েছে শীর্ষে আসা সিকান্দার রাজা, যিনি এই তালিকায় দু’নম্বরে।

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ও এই র‌্যাংকিংয়ে বেশ কিছু সুখবর পেয়েছেন। পারভেজ ইমন শেষ দুই ম্যাচে ৪৩ ও ৩৩ রান করে ২১ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩৮তম অবস্থানে উঠেছেন। তবে, টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু অবস্থানে থাকা ব্যাটসম্যান তানজিদ হাসান। শেষ ম্যাচে ফিফটি করে তিনি এক ধাপ পিছিয়ে ১৯তম স্থানে আছেন।

    অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও তাওহিদ হৃদয় যৌথভাবে ৪২তম স্থানে আছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৩ রান করে হৃদয় ৫ ধাপ অগ্রগতি করেছেন।

    আরও কিছু উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ৬ ধাপ এগিয়ে এখন ৫০তম এবং হ্যারি টেক্টর ১২ ধাপ উন্নতি করে ৬৯তম স্থানে পৌঁছেছেন। শ্রীলঙ্কার কামিল মিশারা সবচেয়ে বড় অগ্রগতি করেছেন। ত્રিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ৫৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি এক লাফে ৯১ ধাপ এগিয়ে ১৮তম স্থানে অবস্থান করছেন।

  • চোট পাশে থাকলেও সৌম্যর ফিফটি, ঢাকা-খুলনা ম্যাচ ড্র

    চোট পাশে থাকলেও সৌম্যর ফিফটি, ঢাকা-খুলনা ম্যাচ ড্র

    ম্যাচের প্রথম দিনটি ছিল খেলোয়াড়দের জন্য বেশ রোমांचকর। খুলনা দক্ষিণের প্রথম ইনিংসে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে, যেখানে মোহাম্মদ মিঠুন ৫৯ এবং শেখ পারভেজ জীবন ৩৪ রান করেন। আর অতিথি দল ঢাকার জন্য বলটাই ছিল বেশ কঠিন। ঢাকার ইনিংসটি শেষ হয় ৩১০ রানে, যেখানে ফয়সাল আহমেদ রায়হান ৭৭, জিসান আলম ৫৭, মার্শাল আইয়ুব ৫৩ এবং আনিসুল ইসলাম ইমন ৪৮ রান করেন। রানের অঘোরে ঘুরে দাঁড়ানো খুলনা দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ভালো করতে সক্ষম হয়, যেখানে তারা ২৮০/১০ রান করে। সৌম্য সরকার ৫৫ রান করেন, ৭১ বলের মধ্যে হাঁকান ৫ চার ও ২ ছক্কা। তার সাথে জিয়াউর রহমান ৩২ রানে অপর গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ৭৮ রান। খুলনা দুই ইনিংস মিলিয়ে ২৮০ রান করে অল আউট হয়, যখনই লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৪ রানের। ঢাকা দল ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান তুললে, দুই দল ম্যাচটা ড্র করে স্বাগতিক ও অতিথি দলের জন্য। তাতে খেলা শেষ হয়। ঢাকার জন্য রায়ান রাফসান ৫৪ ও আশিকুর রহমান ২৩ রান করেন, আর খুলনার হয়ে বাঁ-হাতি পেসার মেহেদী হাসান রানা ২ উইকেট নেন। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ডে দেখা যাচ্ছে, খুলনা প্রথম ইনিংসে ১৯৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮০ রান করে, আর ঢাকা প্রথম ইনিংসে ৩১০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৩ রান করে। ম্যাচের সেরা নির্বাচন করা হয় ফয়সাল আহমেদকে।

  • বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বিপিএলে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শুরুর সময় থেকেই পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা এই প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে আসছেন। শহিদ আফ্রিদি, শোভেব মালিক থেকে শুরু করে বর্তমানে সাইম আইয়ুব ও আবরার আহমেদ পর্যন্ত বিভিন্ন পাকিস্তানি তারকা এই টুর্নামেন্টে দেখা গেছে। আসন্ন বিপিএলের জন্য কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে নিলামের মাধ্যমে দলে ভিড়িয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো, কিন্তু এবার তাদের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাব্য অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    ক্রিকেট বিষয়ক এক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির কর্মকর্তারা বলেছেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) ব্যস্ত সূচির কারণে এই খেলোয়াড়রা পুরো মৌসুমে খেলতে পারবেন না। ফলে দলগুলো বিকল্প পরিকল্পনা খুঁজছে।

    আগামী বিপিএলের আয়োজন তার সূচি অনুযায়ী চলতি ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দুটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে। একজন কর্মকর্তা ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন, “আমরা জানি পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা পুরো মৌসুমে উপস্থিত থাকবেন না। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তাদের শ্রীলঙ্কা সিরিজ রয়েছে, আর এর কয়েক সপ্তাহ পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচগুলো আয়োজন করা হবে।”

    পাকিস্তান দল এই বছর জানুয়ারির ৭, ৯ ও ১১ তারিখ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা শ্রীলঙ্কায় ক্যাম্প করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এরপর তারা জানুয়ারির শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে।

    বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তান দল এছাড়াও শ্রীলঙ্কায় যাবে, যেখানে তারা অংশ নেবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত আয়োজন হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এই বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে শ্রীলঙ্কা ও ভারত।

    অপরদিকে, এবারের বিপিএলে বেশ কিছু জনপ্রিয় পাকিস্তানি ক্রিকেটার চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেমন—সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার আহমেদ, সাহিবজাদা ফারহান, উসমান খান, ইমাদ ওয়াসিম, খুশদিল শাহসহ অনেকে। তবে, জাতীয় দায়িত্বের কারণে তাদের বেশিরভাগের পুরো মৌসুমে খেলার সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত।

    পিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “এটা সত্যি নয় যে আমরা এনওসি (ছাড়পত্র) দিচ্ছি না। যারা আবেদন করেছে, আমরা তা প্রক্রিয়াধীন রেখেছি। কারা এনওসি পাবে এবং কারা পাবে না, সেটা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যদি জাতীয় দলে থাকতে হয়, তবে সেটিই অগ্রাধিকার পাবে। বিশ্বজুড়ে এই নিয়মই মানা হয়।”

    ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ধারণা, শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে বা সিরিজের মাঝের সময়ে কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটারের খেলার সুযোগ থাকলেও, যারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পরিকল্পনায় নেই, তারা বিপিএলে আরও বেশি ম্যাচ খেলতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে খুলনা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের যৌথ উদ্যোগে খুলনা জেলাতে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ। তিনি তার বক্তব্যে তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেন এবং এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডিশনাল এসপি মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপ-পরিচালক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় প্রকৌশলী মোঃ আওলাদ হোসেন ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান। উদ্বোধনী খেলায় বান্দা স্কুল ও কলেজ ডুমুরিয়া পেনাল্টি শুটআউটে ৪-৩ গোলে বিএন স্কুল ও কলেজকে পরাজিত করে। এর সঙ্গে এক দিনে আরও তিনটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলার যুবীদের একতাবদ্ধ ও উৎসাহিত করে ক্রীড়া মৌলিক সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এসব প্রতিযোগিতা চালু করা হয়।

  • প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অ্যাশেজ টেস্টে দায়িত্ব পেলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এবার গর্বের এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো। প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম সম্মানিত আইসিসি এ্যালিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য বড় একজন প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় গর্বের মুহূর্ত।

    এ আনন্দের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে দেশের সার্বিক ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে যেমন উচ্ছ্বাস বইছে, একইসঙ্গে দেশের নাম বিদেশে উজ্জ্বল করেছেন সৈকত। এই বিশেষ উপলক্ষ্যে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস তার ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হওয়ায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এটি শুধু আপনার জন্য না, পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট অঙ্গনের জন্যই বড় একটি সম্মান ও ঐতিহাসিক ঘটনা। আপনাদের এই মাইলফলক বিশ্ব ক্রিকেটের বৃহত্তম মঞ্চে বাংলাদেশের জন্য গৌরবের বিষয়। আপনার সফলতা অন্য নতুনদের জন্য পথ দেখাবে এবং আপনাকে দেখতে পাবো ভবিষ্যতেও নানা বড় চূড়ায়।’

    ইমরুলের এই বার্তায় দেশের জন্য গৌরবের বিষয়টি স্পষ্ট, যা দেখায় যে, অ্যাশেজে দায়িত্ব পাওয়া শুধু এক ব্যক্তির সফলতা নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের জন্য বড় একটি অর্জন।

    সৈকত দীর্ঘ দিন ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আইসিসির এ্যালিট প্যানেলে স্থান করে নিয়েছেন। এরপর তিনি নিয়মিতভাবে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

    তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারে এক নতুন উচ্চতার বিষয়। বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ও আলোচিত সিরিজে আম্পায়ারিং করার অর্থ হলো নিজের স্বীকৃতি অর্জন করা, যা এখন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শরফুদ্দৌলা সৈকত উপভোগ করছেন। এটি সত্যিই দেশের জন্য এক গৌরবের বিষয় এবং ক্রিকেটের অনুরাগীদের জন্য এক অনন্য মুহূর্ত।